Tag: Elon Musk

Elon Musk

  • Twitter Layoffs: নোটিশ-ইমেল নয়, ট্যুইট করেই ছাঁটাই কর্মী, কেন এমন করলেন ইলন মাস্ক?

    Twitter Layoffs: নোটিশ-ইমেল নয়, ট্যুইট করেই ছাঁটাই কর্মী, কেন এমন করলেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণছাঁটাই, নোটিশ না দিয়ে চুক্তিভিত্তিক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ট্যুইট করেই আরও এক কর্মীকে ছাঁটাই করলেন নয়া কর্তা ইলন মাস্ক (Twitter Layoffs)। ট্যুইটার কেনার পর থেকেই নিজের ইচ্ছে মত কর্মীদের ছাঁটাই করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ট্যুইটার তাঁর অধীনে আসার পরেই কখনও সংস্থার প্রায় অর্ধেক কর্মী বরখাস্ত করেছেন, কখনও আবার অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই করেছেন, কখনও আবার সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর এরপরেই নোটিশ-মেল তো দূর, মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মেই কর্মী ছাঁটাই করলেন। তবে কেন এই পদক্ষেপ?

    নোটিশ-ইমেল ছাড়া শুধুমাত্র ট্যুইট করেই কর্মী ছাঁটাই!

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ট্যুইটারের এক কর্মী এই প্ল্যাটফর্মেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন সংস্থার মালিক ইলনের সঙ্গে (Twitter Layoffs)। আর যার জেরে খোয়াতে হয় চাকরি। সম্প্রতি, একাধিক দেশে মাইক্রোব্লগিং সাইটের গতি অত্যন্ত ধীর হওয়ার কারণে একাধিক অভিযোগ উঠে আসছিল, আর যার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন ইলন মাস্ক। তিনি ট্যুইট করে লেখেন, “একাধিক দেশে ট্যুইটারের পরিষেবা অত্যন্ত ধীর হওয়ায় ক্ষমা চাইছি।”

    আর এরপরেই এর উত্তরে ট্যুইটারের অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার এরিক ফ্রনহোফার ট্যুইট করে জানান যে, তিনি ৬ বছর ধরে কাজ করছেন এই সংস্থায় ও যেটি হচ্ছে সেটি ভুল। এরপরেই আবার ইলন পাল্টা প্রশ্ন করেন, “তাহলে দয়া করে আমাকে সংশোধন করুন। সঠিক সংখ্যাটি কী?” এবং এটাও জিজ্ঞেস করেছেন, “অ্যানড্রয়েডে-এ ট্যুইটার খুবই স্লো। এটা ঠিক করার জন্য আপনি কি করেছেন?” আর এইভাবেই দুজনে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মেই বাক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। মাস্কের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন করার জেরেই এরিককে বরখাস্ত করল ট্যুইটার মালিক (Twitter Layoffs)।

    আরও পড়ুন: অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ৪৪০০ ‘চুক্তিভিত্তিক কর্মী’ বরখাস্ত করল ট্যুইটার

    এই বিতর্কের মাঝে এক ইউজার বলেন যে, এরিক যেটা করেছেন সেটা ভুল করেছেন, যা সমস্যা রয়েছে তা ব্যক্তিগতভাবে মেল করে মাস্ককে বলা উচিত ছিল। আবার অন্য এক ইউজার মাস্ককে ট্যুইটারে জিজ্ঞেস করেন যে, এমন ধরণের কর্মীকে কি রাখতে চান তাঁর সংস্থায়? আর এরপরেই ইলনের তরফে এক ট্যুইট আসে, যেখানে লেখা আছে, এরিককে সংস্থা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অন্যদিকে এরিকও বিষয়টি নিশ্চিত করলেন, যখন তিনি দেখতে পেলেন যে, ট্যুইটে তার অ্যাকাউন্ট লক করা। আর সেই ছবিও তিনি ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন (Twitter Layoffs)।

    ট্যুইটারের এই পরিস্থিতিতে (Twitter Layoffs) এক নতুন পরিষেবা, ট্যুইটার ব্লু টিক শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মাসিক ৮ ডলারের বিনিময়ে অ্যাকাউন্ট অথেনটিকেশন বা ব্লু টিক মিলবে বলেই জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। তবে কবে থেকে এই পরিষেবা ফের চালু হবে, সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

  • Twitter Layoffs: ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ট্যুইটার

    Twitter Layoffs: ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ট্যুইটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেসলার মালিক ইলন মাস্ক ট্যুইটার কেনার পর থেকেই শুরু করেছে গণছাঁটাই (Twitter Layoffs)। ক্ষমতা হাতে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে একের পর এক কর্মী ছাঁটাই। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩,৭০০ জন কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। আর এবারে এই কর্মী ছাঁটাইয়ের আঁচ এসে পড়ল ভারতেও। কারণ একটি রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, ভারতে কর্মরত কর্মচারীদের মধ্যে ৯০ শতাংশকে সরিয়ে ফেলেছে ইলন মাস্কের নিয়ন্ত্রণাধীন ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। কর্মী ছাঁটাই-এর প্রভাব ভারতে পড়ায় পুরো দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ব বিখ্যাত সংস্থা ব্লুমবার্গের (Bloomberg) তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, ট্যুইটারে প্রায় ২০০ কর্মী ভারতে কাজ করছিলেন, যার মধ্যে ৯০ শতাংশ কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Twitter Layoffs)। এই ছাঁটাইয়ের পরে, ভারতে মাত্র কিছু কর্মচারীই অবশিষ্ট রয়েছে। ভারতে ট্যুইটার যে কর্মচারীদের বরখাস্ত করেছে তাঁদের প্রায় ৭০ শতাংশ প্রোডাক্ট ও বাকিরা ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে ছিলেন। এছাড়াও মার্কেটিং, পাবলিক পলিসি ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন টিম থেকেও অনেককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    সম্প্রতি ৪৪ বিলিয়ন ডলারে ট্যুইটার কেনেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। কোম্পানির সিইও পরাগ আগরওয়াল সহ আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন তিনি (Twitter Layoffs)। এদের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতও ছিলেন। ট্যুইটার অধিগ্রহণ করতেই প্রথমে সরিয়ে ফেলা হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্যুইটারের শীর্ষ কর্তাদের, আর এবারে ভারতে কর্মীদের সরিয়ে ফেলা হল।

    কোম্পানি কেনার আগে থেকেই গুঞ্জন রটেছিল যে, ইলন ট্যুইটারে কর্মরত প্রায় অর্ধেক কর্মীদের ছাঁটাই করবে (Twitter Layoffs)। আর এটাই এখন সত্যি হল। ক্ষমতা পেতেই বিশ্বব্যাপী কর্মীদের ছাঁটাই করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন ট্যুইটারের নতুন মালিক। এমনকি যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের ইমেলের মাধ্যমেই জানিয়ে দেওয়া হয়। আবার কিছু কর্মীদের অফিসে ফিরে আসার ইমেলও পাঠানো হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভুলবশত কিছু কর্মীদের সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। ফলে এই কর্মী ছাঁটাই নিয়ে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, কোম্পানি চালাতে ঠিক কত কর্মীর প্রয়োজন, সে বিষয়ে হিসেব করেই বিশ্বব্যাপী কর্মী সংখ্যা কমানোর কঠিন প্রক্রিয়াকে বেছে নিয়েছে তারা।

  • Twitter: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু ছাঁটাই কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    Twitter: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু ছাঁটাই কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের (Twitter) দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক কাণ্ড ঘটেই চলেছে। প্রথমেই ট্যুইটারের শীর্ষ কর্তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে। সেই তালিকায় ছিল সংস্থার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও পরাগ আগরওয়াল। আর এরপরেই শুরু হয়েছে গণছাঁটাই। গত শুক্রবারই প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে ঘটে গেল আরেকটি ঘটনা। ছাঁটাই করা কর্মীদের মধ্যে কিছু জনকে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যাদের ফের চাকরিতে ফিরে আসার জন্য বাছাই করা হয়েছে, তাঁদের ইমেল পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    প্রসঙ্গত, ইলন মাস্কের কর্মী ছাঁটাই নিয়ে ট্যুইট করেছিলেন ট্যুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। তিনি ট্যুইটারের (Twitter) এমন পরিস্থিতির জন্য কর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, কাজ করা সমস্ত লোকই খুবই প্রতিভাবান। যতই কঠিন সময়ের মধ্যে তাঁরা যাক না কেন ঠিক একটা রাস্তা তাঁরা খুঁজে নেবেন। তবে তিনি মনে করেন বহু মানুষ তাঁর উপর ক্ষুব্ধ, তাঁর কারণেই প্রত্যেকে এমন অবস্থার মধ্যে পড়েছে। এর জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি ক্ষমাপ্রার্থী। ফলে এমন ট্যুইট দেখেই ইলনের বোধদয় হয়েছে কিনা তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, কিছু কর্মীকে ভুলবশত ছাঁটাই করা হয়েছিল। তাঁদেরকেই আবার ফিরে আসতে বলা হচ্ছে। এছাড়া, যাঁদের ফিরে আসতে বলা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে এমন কেউ কেউ রয়েছেন, যাঁদের কর্মদক্ষতা ভাল ভাবে যাচাই করা হয়নি। এছাড়াও কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া খুব তাড়াহুড়োতে হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আবার ছাঁটাইয়ের পর শুক্রবার মাস্ক ট্যুইট করে বলেন, সংস্থার কাছে দ্বিতীয় কোনও বিকল্প নেই। এতে প্রত্যেক দিন ৪০ লাখ ডলার ক্ষতি হচ্ছে। চাকরিচ্যুত কর্মীদের তিন মাসের প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে, যা প্রয়োজনের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি বলে দাবি করেন ট্যুইটারের (Twitter) নয়া মালিক।

    সত্যিই কোনও ভুলবশত কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছিল, নাকি ইলন তাঁর সিদ্ধান্তে অনুতপ্ত হয়ে এমন করেছে নাকি জ্যাকের ট্যুইটের ফলে এমন সিদ্বান্ত, পুরো বিষয়টি নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

  • Twitter: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে  H1B ভিসাধারীদের

    Twitter: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক (Elon Musk) ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে মাইক্রো ব্লগিং সাইট সংস্থা ট্যুইটার। প্রায় ৫০% কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইলন মাস্ক। ইতিমধ্যেই অপসারণের চিঠি পেয়ে গিয়েছেন অনেক কর্মী। বাকিরাও ‘এই চিঠি এল, এই চিঠি এল’ এই ভয়ে মরে যাচ্ছেন। কিন্তু সবচেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন H1B ভিসাধারীরা। কারণ তাঁদের চাকরি গেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসবে। কারণ চাকরি চলে যাওয়ার পর এই ভিসাধারীদের ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়। এর মধ্যে চাকরি না পেলে সে দেশ ছাড়তে বাধ্য হবেন তাঁরা। 

    ট্যুইটারের ৭,৫০০ কর্মীর মধ্যে ৮%- ই H1B ভিসা নিয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ ৬২৫-৬৭০ জন কর্মী। তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শিকতা আছে এমন বিদেশি নাগরিকরা H1B ভিসা নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেই দেশে থাকতে পারেন এবং চাকরি করতে পারেন। এই ভিসা মূলত যে কোম্পানিতে সেই ব্যক্তি চাকরি করছেন, সেই কোম্পানিই স্পনসর করে থাকে। মজার বিষয় হল, বহু বছর আগে ইলন মাস্কও একদিন এই ভিসা নিয়ে মার্কিন মুলুকে চাকরি করতে এসেছিলেন।

    এখনও যদিও জানা যায়নি যে, কতজন বিদেশি নাগরিককে চাকরি থেকে অপসারণ করা হবে। এই বিশেষ ভিসায় চাকরি যাওয়ার পর সেই দেশে থাকার বাড়তি ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে কোনও একটা চাকরি পেতে হবে, যাতে তিনি আবার সেই ভিসার স্পনসরশিপ পান, বা ৬০ দিন পরে সেই দেশ ছেড়ে দিতে হবে। 

    সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটার (Twitter) কিনেছেন ইলন মাস্ক (Elon Mask)। ট্যুইটার নিজের দায়িত্বে আসার পর থেকেই একের পর এক বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টেসলা কর্ণধার। এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ব্যক্তি। কোম্পানি চালাতে ঠিক কত কর্মীর প্রয়োজন, সে বিষয়ে চলছে হিসেব নিকেষ। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইলন মাস্ক প্রায় ৩,৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছেন। সেই সঙ্গে ট্যুইটারের কর্মীদের যে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পলিসি চলছিল, তাও এবার শেষ হতে চলেছে।  ট্য়ুইটারে যাঁরা চাকরি করেন তাঁদের এবার অফিসে এসে কাজ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের দুর্নীতির সেই ট্র্যাডিশন, অপসারিত রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ভাইস চেয়্যারম্যান
     
    শুধু তাই নয়। সংস্থার অর্থনীতির হাল ফেরাতে এবার কর্মীদের বেতন কমানোর রাস্তাতেও হাঁটতে পারেন ট্যুইটারের নয়া মালিক। বিশেষ করে সেলস, প্রোডাক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং, লিগাল, ট্রাস্ট এবং সেফটি, এই দফতরগুলি থেকে একাধিক কর্মীর বেতন কমানো হচ্ছে বলে খবর। সেখানকার বোর্ড অফ ডিরেক্টরটেও খুব শীগগির পরিবর্তন আনা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবে ট্যুইটার ব্লু (Twitter Blue) আসবে ভারতে? এমনই এক প্রশ্ন সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইটের নয়া মালিককে করেছিলেন এক ভারতীয়। উত্তর দিলেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। পাল্টা ট্যুইটে লেখেন, এক মাসের কম সময়েই ভারতে চলে আসবে ট্যুইটারের এই বিশেষ ভার্সান।   

    কিছু কিছু জায়গায় ট্যুইটারের ৮ মার্কিন ডলারের এই বিশেষ ফিচার এসেছে। এই ফিচার মূলত আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্যে। নতুন ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ট্যুইটার ব্লু্র সুবিধা আপাতত ইউএস, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে- এর আইফোন ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন।

     

    আইফোনের ট্যুইটার অ্যাপের বিষয়ে একটি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, ট্যুইটার ব্লুতে আরও নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হবে। এখন সাবস্ক্রাইব করলে প্রতিমাসে ৭.৯৯ মার্কিন ডলারেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।  

    ট্যুইটার আরও জানায়, ট্যুইটার ব্লু ব্যবহারকারীদের হ্যান্ডেলে তারকাদের মতোই ব্লু টিক থাকবে। নতুন ফিচারগুলি সম্পর্কেও জানিয়েছে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপনের পরিমাণ অর্ধেক করা হবে, আরও দীর্ঘ ভিডিও পোস্ট করা যাবে, কন্টেন্ট- এর প্রায়োরিটি র‍্যাঙ্কিং করা হবে। এতে স্প্যাম, বটের পরিমাণ কমে আসবে। 

    আরও পড়ুন: জাতীয় গেমসে অংশ নিচ্ছেন না নীরজ! সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, চোটমুক্ত থাকাই লক্ষ্য

    সম্প্রতি ব্লু টিকের জন্যে ট্যুইটার মাসিক চার্জ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এতে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে নেট পাড়া। অনেকেরই বক্তব্য, সাংবাদিক, লেখকরা প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট শেয়ার করেন ট্যুইটারে। তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া অনৈতিক। অনেকে আবার ইলন মাস্কের এই নতুন সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ফলে, অনেক নতুন ফিচারের সুবিধাও উপভোগ করা যাবে। 

    ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ট্যুইটার ব্লু- র মাসিক ভাড়া দেশের চাহিদা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের পর এবার ফেসবুক। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের  (Wall Street Journal) প্রতিবেদন অনুযায়ী,  খুব তাড়াতাড়ি তারা সংস্থার বহু কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা। ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বুধবার থেকেই। সংস্থার তরফে এ সপ্তাহের শুরুতে কর্মীদের কোথাও অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণে যেতে বারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ট্যুইটার (Twitter) থেকে কর্মী ছাঁটাই করেছেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। একই পথে হাঁটতে চলেছে ফেসবুকের (Facebook) প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গও (Mark Zuckerberg)।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু সদ্যপ্রাক্তন কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    অক্টোবর মাসে মেটার তরফে  বলা হয়েছিল, আগামী বছর স্টক মার্কেট ভ্যালু ৬৭ বিলিয়ন ডলার কমে যেতে পারে। এ বছর ইতিমধ্যেই এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্ধেক ভ্যালু নষ্ট হয়েছে। এই দুর্দশার কারণ দুনিয়াজুড়ে অর্থনীতি মন্থর হয়ে পড়ছে।  জুনে, মেটার প্রধান পণ্য কর্মকর্তা ক্রিস কক্স কর্মীদের ‘গুরুতর সময়ের’ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জানান যে কর্মীদেরকে অবশ্যই ‘ধীরগতির বৃদ্ধির পরিবেশে নির্ভুলভাবে কর্মসম্পাদনা করতে হবে’। মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ একই সময়ে কর্মীদের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে ‘সম্ভবত কোম্পানিতে এমন এক গুচ্ছ লোক রয়েছেন যাদের এখানে থাকা উচিত নয়’। জুকারবার্গ পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরে নিয়োগ স্থগিত করে এবং সতর্ক করে দেন যে অদূর ভবিষ্যতে কোম্পানির আকার কমতে পারে। 

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরিতে নিয়োগ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছিল মেটা। বর্তমানে  ৮৭,০০০ এরও বেশি কর্মচারী রয়েছে মেটায়। কিন্তু এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হলে কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এই ছাঁটাই ট্যুইটারে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের তুলনায় মেটাকে আরও বেশি প্রভাবিত করতে পারে। ট্যুইটারের ছাঁটাই কোম্পানির ৭,৫০০ কর্মচারীর মধ্যে প্রায় অর্ধেককে প্রভাবিত করেছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Twitter Down: ইলন মাস্ক দায়িত্ব নিতেই ট্যুইটার ডাউন! কর্মী ছাঁটাইয়ের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়ে শুরু জল্পনা

    Twitter Down: ইলন মাস্ক দায়িত্ব নিতেই ট্যুইটার ডাউন! কর্মী ছাঁটাইয়ের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়ে শুরু জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ট্যুইটারে বিপত্তি (Twitter Down)! ইলন মাস্ক (Elon Musk) দায়িত্ব নিতেই ট্যুইটারে সমস্যা! অন্তত কিছু ব্যবহারকারীদের এমনটাই অভিযোগ। দেশজুড়ে অনেকেই ট্যুইটার ডাউন বলে অভিযোগ করছেন। অনেকেই বলছেন, ট্যুইটারে লগ ইনই করা যাচ্ছে না। আবার অনেকে বলছেন, ট্যুইটার ফিডে আসছে না নতুন কোনও পোস্ট। ওয়েব ও অ্যাপ দুটোতেই একই সমস্যা হচ্ছে। আবার ইলন মাস্ক দায়িত্ব নিতেই শুরু করেছে কর্মী ছাঁটাই। তাই এর ফলেই মাইক্রো ব্লগিং সাইটে এমন গোলোযাগ দেখা গিয়েছে নাকি তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা।

    উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই হোয়াটসঅ্যাপে যে সমস্যা হয়েছিল, সেই একই সমস্যা শুরু হয়েছে ট্যুইটারেও। রিয়েল-টাইম সার্ভিস ট্র্যাকার ডাউন ডিটেক্টর অনুসারে, ভোর-রাত ৩টার থেকেই সমস্যা দেখা যাচ্ছিল ট্যুইটারে। পরে শুক্রবার সকাল ৭টার  থেকেই বেশি করে সমস্যা তৈরি করছে মাইক্রো ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম (Twitter Down)।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারের দায়িত্ব পেয়েই ৩৭০০ কর্মী ছাটাইয়ের পথে ইলন মাস্ক

    অনেক ব্যবহারকারীর অভিযোগ, যখন ব্যবহারকারীরা তাদের ট্যুইটার ফিড লোড করার চেষ্টা করছেন, তখনই Error message চলে আসছে। ১৩০ জনেরও বেশি ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্মের সমস্যা হচ্ছে বলে রিপোর্ট করেছেন। সকাল ১০ টার পর থেকে সমস্যা কমেছে, এমন মেসেজও পোস্ট হয়েছে। ডাউন ডিটেক্টরের বিভ্রাটের মানচিত্র অনুসারে, ভারতের দিল্লি, কলকাতা, নাগপুর, হায়দ্রাবাদ, মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুর মতো শহরে সবচেয়ে বেশি ইউজার সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন (Twitter Down)।

    প্রসঙ্গত, ২৮ অক্টোবর ট্যুইটার কিনেছেন টেসলা সিইও ইলন মাস্ক। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমেই তিনি পুরনো শীর্ষ কর্তাদের ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেন। সেই তালিকায় ছিলেন সংস্থার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও পরাগ আগরওয়াল ও সিএফও নেদ সেগাল। এছাড়াও কর্মী ছাঁটাইও শুরু করেছেন তিনি। প্রায় ৩,৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছেন, সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবারই সংস্থার কর্মীদের ট্যুইটার জানিয়ে দেবে কাদের রাখা হবে এবং কাদের নয়৷ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকাল ৯টা থেকেই ইমেল পেতে শুরু করবেন কর্মীরা৷ ফলে এরই মাঝে এমন ঘটনা ঘটায় অনেকেই মনে করছেন যে, ট্যুইটার বিভ্রাটের সঙ্গে কর্মী ছাঁটাই-এর সম্পর্ক নেই তো!

  • Twitter Layoffs: ‘‘অফিসের পথে? বাড়ি ফিরে যান…’’, কর্মীদের বার্তা মাস্কের, আজ থেকেই ছাঁটাই ট্যুইটারে?

    Twitter Layoffs: ‘‘অফিসের পথে? বাড়ি ফিরে যান…’’, কর্মীদের বার্তা মাস্কের, আজ থেকেই ছাঁটাই ট্যুইটারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকেই কর্মী ছাঁটাই শুরু ট্যুইটারে (Twitter Layoffs)। এমনকি কর্মীরা অফিসে যাওয়ার পথেই চাকরি চলে যাওয়ার ইমেল পেতে পারেন। এমনটাই জানা গিয়েছে।  ইলন মাস্ক ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একে একে ছাঁটাই করেছেন শীর্ষ কর্তাদের। সিইও পরাগ আগরওয়াল-সহ ৪ শীর্ষকর্তার পর এবার কাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করবেন ইলন মাস্ক, তা আজই জানা যাবে। শুক্রবার থেকেই কর্মীরা তাঁদের ইমেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন যে, তাদের চাকরি আছে কি নেই। শুক্রবার সকাল ৯টা অর্থাৎ ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত সাড়ে ৯টা থেকে এই ছাঁটাই-প্রক্রিয়া শুরু করবেন ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ট্যুইটার কর্মীদের ইমেল করে বলা হয়েছে (Twitter Layoffs), ‘‘আপনি যদি অফিসে থাকেন বা অফিসের পথে, তবে দয়া করে বাড়ি ফিরে যান।’’ শুক্রবার থেকে ট্যুইটারে যে কর্মী ছাঁটাই শুরু হবে, তা ওই ইমেলে তাঁদের জানানো হয়েছে। ওই ইমেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘‘ট্যুইটারকে ঠিক পথে নিয়ে যেতেই এই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। সে জন্য শুক্রবার থেকে বিশ্ব জুড়ে কর্মীসংখ্যা কমানোর কঠিন পথে যেতে হবে আমাদের।’’

    আরও পড়ুন: ইলন মাস্ক দায়িত্ব নিতেই ট্যুইটার ডাউন! কর্মী ছাঁটাইয়ের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়ে শুরু জল্পনা

    এদিন আরও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে যাঁদের ছাঁটাই করা হবে, তাঁদের প্রথমে মেল করা হবে। তারপর কী করতে হবে, সে বিষয়ে ক্রমাগত নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয় ট্যুইটারের তরফে। আবার বলা হয়েছে, কোনও কর্মী যদি স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টার মধ্যে কোনও মেল না পান, তাঁদের পাল্টা মেল পাঠাতে বলেছেন। তবে ট্যুইটার অধিগ্রহণ করার আগে থেকেই কর্মী ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। আর এখন সেটাই হতে চলেছে। ট্যুইটারের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই একের পর এক নিয়মও বদল করছেন ইলন মাস্ক। এরই মাঝে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের- ব্লু টিকের জন্য মাসে প্রায় ৮ ডলারের নিদান দেওয়ার পর এবার কর্মী ছাঁটায়েই পথে হাঁটতে চলেছেন ট্যুইটারের নতুন মালিক। এছাড়াও আজই সকালে ট্যুইটার আচমকাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারা বিশ্ব জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ট্যুইটার ডাউন হওয়ার সঙ্গে কর্মী ছাঁটাইয়ের (Twitter Layoffs) যোগসূত্র রয়েছে এমনটা অনুমান করেও জল্পনা শুরু হয়েছে।

  • Elon Musk: ট্যুইটার কিনেই ৭৫% কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ইলন মাস্ক-এর!

    Elon Musk: ট্যুইটার কিনেই ৭৫% কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ইলন মাস্ক-এর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ জটিলতার পর ট্যুইটার অধিগ্রহণ করেছেন টেসলা সিইও ইলন মাস্ক (Tesla CEO Elon Musk)। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি ট্যুইটারের পুরনো শীর্ষ কর্তাদের ছেঁটে ফেলার পাশাপাশি এখন ট্যুইটারের পুরনো কর্মীদের ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করেছেন। কয়েকদিন আগেই ছাঁটাই করা হয়েছে সংস্থার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও পরাগ আগরওয়ালকে (Twitter CEO Parag Agarwal)। পরাগ সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্তাকে বরখাস্ত করেছেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। পরাগের পাশাপাশি এই জনপ্রিয় মাইক্রো-ব্লগিং সাইটের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার বা সিএফও নেদ সিগালকেও (Ned Segal) ছাঁটাই করা হয়েছে। এছাড়াও বরখাস্ত করেছেন আরেক ভারতীয় বংশোদ্ভূত কর্তা বিজয়া গাড্ডেকে।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটার অধিগ্রহণ করলেন ইলন মাস্ক, প্রথমেই ছাঁটলেন পরাগ আগরওয়ালকে

    আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। কারণ ইলনের (Elon Musk) ট্যুইটার অধিগ্রহণের আগে থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে, তিনি ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই কর্মীদের ছাঁটাই করবেন, আর সেটিই এখন সত্যি হতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগের থেকেই শোরগোল পড়ে গিয়ছিল যে, ইলন ট্যুইটার কেনার পরেই তিনি প্রায় ৭৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করবেন। আর এখনও এটিই বাস্তবে হতে চলেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে, গতকাল, শনিবার থেকেই ইলন মাস্ক ট্যুইটারের কর্মীদের ছাঁটাই শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন।

    শুধুমাত্র পরিকল্পনাই নয়, ম্যানেজারদের কাছে যেসব কর্মীদের ছাঁটাই করা হবে তাঁদের তালিকা বানানোর কথাও বলা হয়েছে। আর জানা গিয়েছে যে, ট্যুইটারের ৭৫শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করা অর্থাৎ প্রায় ৭৫০০ জন কর্মীদের ছাঁটাই করা হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১ নভেম্বরের মধ্যেই ছাঁটাই করা কর্মীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে স্টক অনুদান দেওয়ার কথা ছিল। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার মাস্ক (Elon Musk) বিবৃতি দিয়ে জানান যে, তিনি ট্যুইটার অধিগ্রহণ করছেন। ‘মানবতার স্বার্থেই’ তাঁর এই পদক্ষেপ বলে বার্তা দেন তিনি। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘‘আরও অর্থ উপার্জনের জন্য কিনিনি। মানবতার জন্য কিনেছি। মানবতার ভবিষ্যৎ এমন হওয়া উচিত যেখানে সমস্ত পক্ষের স্বাধীন মতামত প্রকাশের একটা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থাকবে। সুস্থ পরিবেশে বিতর্ক হবে।’’

  • Elon Musk: মাস্কের বিরুদ্ধে আদালতে ট্যুইটার! পাল্টা কটাক্ষ টেসলার কর্তার

    Elon Musk: মাস্কের বিরুদ্ধে আদালতে ট্যুইটার! পাল্টা কটাক্ষ টেসলার কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটার ইনকর্পোরেটেড (Twitter) মঙ্গলবার ইলন মাস্কের (Elon Mask) বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কেনার জন্য তার ৪৪ বিলিয়ন ডলার চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি মামলা করল। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যারের আদালতে (Delaware’s Court) সংস্থার তরফে মামলাটি দায়ের করা হয়। সংস্থার করা মামলার প্রেক্ষিতে পাল্টা ট্যুইট করেন মাস্ক। ট্যুইটবার্তায় তিনি জানান, “ওহ, দ্যা আয়রনি, লল”। সরাসরি ট্যুইটারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের কথা উল্লেখ না করলেও, মাইক্রো ব্লগিং সাইটের আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকেই কটাক্ষ করে বলেছেন তা বোঝাই যায়। ট্যুইটারের হাতছাড়া হল চার হাজার ৪০০ কোটি ডলার তাই হাসি পাচ্ছে মাস্কের। টেসলার কর্তার (Tesla CEO) ট্যুইট দেখে নেটিজেনদের এমনই ধারণা।

    গত শুক্রবারই ট্যুইটারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানান মাস্ক। এরপরই মাস্কের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে মাইক্রোব্লগিং সাইট। যদিও কিছুদিন আগেই মাস্ক দাবি করেন স্প্যাম ও ভুয়ো অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে বারবার তথ্য জানতে চাওয়া হলেও ট্যুইটারের তরফে তার কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে ইলন মাস্কের আইনজীবী জানিয়েছেন, ”স্বচ্ছতাই ব্যবসার ভিত্তি। সেখানে বার বার ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলেও ট্যুইটারের তরফে তার কোন উত্তর দেওয়া হয়নি”। এখন চুক্তি বাবদ এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে যাবেন মাস্ক। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্র-ট্যুইটার তরজা! কী হতে চলেছে ভবিষ্যৎ

    অন্যদিকে, ডেলাওয়্যারের আদালতের কাছে ট্যুইটারের আর্জি, চুক্তিমাফিক লেনদেন সম্পূর্ণ করুন ইলন মাস্ক। শেয়ার প্রতি ৫৪.২০ মার্কিন ডলার করে দেওয়ার আদেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে তারা। তাদের কথায়, ‘মাস্ক ভাবছেন ডেলাওয়্যার চুক্তি আইন তাঁকে ছুঁতে পারবে না। যখন ইচ্ছা মন বদলে, সংস্থার ক্ষতি করে, কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটিয়ে, স্টকের দাম বানচাল করে বেরিয়ে যেতে পারবেন।’ মামলায় বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রস্তুতকারক টেসলার সিইও-র বিরুদ্ধে ট্যুইটারের কার্যপ্রণালী ও ব্যবসায় প্রভাব ফেলার অভিযোগ করা হয়েছে। সংস্থার দাবি, এই টালমাটাল, অনিশ্চিত পরিস্থিতির কারণে সংস্থা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন বহু কর্মী।

    মাস্কের সমস্ত অভিযোগকে স্রেফ অজুহাত বলেই উল্লেখ করা হয়েছে ট্যুইটারের তরফে। মঙ্গলবার সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশ্যে , ট্যুইটারের প্রধান পরাগ আগরওয়াল ভবিষ্যতের বিষয়ে কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আমরা আদালতে আমাদের অবস্থান প্রমাণ করব এবং আমরা বিশ্বাস করি আমরাই এই লড়াইয়ে জয়ী হব”।

LinkedIn
Share