Tag: emergency

emergency

  • Rajnath Singh: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ করে কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন, মা যখন অসুস্থ ছিলেন তখন প্যারোলেও ছাড়া হয়নি তাঁকে। মায়ের শেষ যাত্রাতেও অংশ নিতে দেয়নি তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। আর এখন তারাই স্বৈরাচারের কথা বলছে, বলে কটাক্ষ করেন রাজনাথ। 

    কী বললেন রাজনাথ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার তাঁকে জেলে ভরে দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “যারা জরুরী অবস্থার সময় একনায়কতন্ত্র জারি করেছিলেন, তারাই এখন আমাদের বলছে আমরা নাকি একনায়ক।” রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “জরুরি অবস্থার সময় আমি জেলে ছিলাম। আমরা বিক্ষোভ দেখাতাম, সাধারণ মানু্ষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করতাম যে ইমার্জেন্সি কতটা ভয়ঙ্কর এবং তা স্বৈরাচারী মনোভাবকেই তুলে ধরে।” তিনি আরও বলেন, “আমার সদ্য বিয়ে হয়েছিল। সারা দিন কাজ করার পর আমি বাড়ি ফিরেছিলাম, আমায় তখন বলল, পুলিশ এসেছিল। আমায় ওয়ারেন্ট দেওয়া হল। মাঝরাতে আমায় গ্রেফতার করল, জেলে নিয়ে গেল। আমায় একা একটা কুঠুরিতে রাখা হয়েছিল।”

    মায়ের মৃত্যুর কথা স্মরণ রাজনাথের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) জানান সেই সময় জেলে কোনও বই পড়তে দিত না। একটা পাত্রে ডাল দিত। আর কয়েকটা চাপাটি দেওয়া হতো। কিছু সময়ের জন্য় জেল চত্বরে যেতে দিত। হেসে হেসেই তিনি বলেন, “আমার হয়তো ভাল মেজাজ ছিল, তাই আমায় জেলে দীর্ঘদিন রাখা হয়েছিল। যখন আমায় মির্জাপুর জেল থেকে নৈনি সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন আমার মা বলেছিল, যাই-ই হোক না কেন, ক্ষমা চাইবে না। শুনে উপস্থিত পুলিশকর্মীরাও কেঁদে ফেলেছিলেন।”  রাজনাথ জানান, জরুরী অবস্থা আরও একবছর বৃদ্ধি করা হয়েছে এটা শুনে তাঁর মা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৭ দিন মাকে হাসপাতালে রাখতে হয়েছিল। পরে মারা যান তিনি। তাঁর কথায়, “আমি তারপরও জেল থেকে ছাড়া পাইনি, প্যারোল পাইনি। আমি জেলেই মুণ্ডন করেছিলাম। আমি যেতে না পারায়, আমার ভাই শেষকৃত্য করেছিল…ভাবুন এরপরও ওরা (কংগ্রেস) আমাদের বিরুদ্ধে স্বৈরাচার, একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ আনে। নিজেদের দিকে দেখে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Emergency: ‘‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল জরুরি অবস্থা’’, মত প্রধানমন্ত্রীর

    Emergency: ‘‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল জরুরি অবস্থা’’, মত প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ জুন ১৯৭৫, কংগ্রেস শাসনের স্বৈরতান্ত্রিকতার চরম নজির সেদিন দেখেছিলেন ভারতবাসী। দেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যা চলেছিল ২১ মার্চ, ১৯৭৭ পর্যন্ত। অভিযোগ, এই সময়ে গোটা দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল কংগ্রেস সরকার। রবিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণার ৪৮ তম বর্ষপূর্তি। মিশর সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, এদিন সেই অন্ধকারময় দিনগুলির কথা ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন মোদি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এ দিন নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতিহাসের অবিস্মরণীয় সময় ছিল জরুরি অবস্থার (Emergency) দিনগুলি।”

    তাঁর আরও সংযোজন, “জরুরি অবস্থার যারা বিরোধিতা করেছিলেন এবং আমাদের গণতন্ত্রের অন্তরাত্মাকে ধরে রাখতে লড়াই করেছিলেন, সেই সমস্ত সাহসী ব্যক্তিত্বদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। জরুরি অবস্থার অন্ধকারময় দিনগুলি ইতিহাসের অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। এটা আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ বিপরীত।”

    বিজেপি নেতৃত্বেরও একাধিক পোস্ট এদিন সামনে আসে

    বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব জরুরি অবস্থার (Emergency) ৪৮ তম বর্ষপূর্তিতে নিন্দা করেন কংগ্রেস স্বৈরতান্ত্রিকতার।

    কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এদিন একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, “গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। বিচার ব্যবস্থার হাত কেটে নেওয়া হয়েছিল। অত্যাচার, গ্রেফতার, খুন- ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দিনটি এই সমস্ত শব্দের সমার্থক। জরুরি অবস্থার অন্ধকারময় দিনগুলি ভুলবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emergency: ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কালো দিন!

    Emergency: ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কালো দিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ২৫ জুন ১৯৭৫, কংগ্রেস শাসনের স্বৈরতান্ত্রিকতার চরম নজির সেদিন দেখেছিলেন ভারতবাসী। দেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যা চলেছিল ২১ মার্চ, ১৯৭৭ পর্যন্ত। অভিযোগ, এই সময়ে গোটা দেশকে কার্যত কারাগারে পরিণত করেছিল কংগ্রেস সরকার। গণতন্ত্র এবং মানুষের মৌলিক অধিকার দুটোই সেদিন কেড়ে নেয় গান্ধী পরিবারের শাসন। সরকার চাইলে যে কোনও ব্যক্তিকে যতদিন খুশি জেলে ভরে রাখতে পারত। সব থেকে বড় কথা, কোনও রকমের শুনানি ছাড়াই কয়েক হাজার সরকার বিরোধী ব্যক্তি জেলে ছিলেন। তাঁদের জামিনের আবেদন করার অধিকারও ছিল না। সংবাদপত্রগুলির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তালিকায় ছিল ৩,৮০১ সংবাদপত্র। আরও অভিযোগ, দেশে যখন এই কালো অধ্যায় চলছে, বিরোধী সমস্ত নেতা যখন জেলের ভিতর, তখনই এক প্রকার গায়ের জোরে ১৯৭৬ সালে ৪২তম সংবিধান সংশোধনী এনে প্রস্তাবনায় জোড়া হয় ‘সেকুলার’ শব্দ। বন্ধ হয় দেশে সমস্ত ধরনের নির্বাচন। 
    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি ব্রিটেনে গিয়ে বলেছেন, “মোদি জমানায় দেশে গণতন্ত্র নেই।” অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, জরুরি অবস্থার সময় যাঁর পূর্বসূরীরা লোকতন্ত্রকে জেলের ভিতরে রেখেছিলেন, তাঁর মুখে গণতন্ত্র বিপন্নতার কথা মানায় কি? এবার জরুরি অবস্থার প্রেক্ষাপট, ঘটনাক্রম, গণতন্ত্র হরণ নিয়ে এই প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হল।

    জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণার কথা জানতো না মন্ত্রিসভাও!

    রাত তখন ৩ টে হবে। দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর বাসভবনে উপস্থিত তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি দেবকান্ত বড়ুয়া, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে। ইতিমধ্যে ২৫ জুন মধ্যরাতে জরুরি অবস্থা জারি হয়ে গিয়েছে। সই করেছেন রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ। ওই রাতেই গ্রেফতার করা হয় লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণকে। সূর্য ওঠার আগেই দেশের প্রথমসারির সংবাদপত্রগুলির অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সরকার।
    ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা মন্ত্রিসভাও জানত না। ২৬ জুন সকাল ৬টার ক্যাবিনেট মিটিংয়ে উপস্থিত ১৫ জনেরও বেশি মন্ত্রী প্রথমবারের জন্য জানতে পারলেন, জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে দেশে। তৎকালীন বিশিষ্ট সাংবাদিক ইন্দ্র মলহোত্রা ক্যাবিনেটে উপস্থিত সকল মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন। সাংবাদিকের অভিমত, “মন্ত্রীরা সেদিনের ক্যাবিনেট মিটিংয়ে অসম্ভব রকমের আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।” এরপরই আকাশবাণীর বেতার ভাষণে জরুরি অবস্থা জারির কথা ঘোষণা করেন ইন্দিরা গান্ধী। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পরেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সকল অধ্যাপকদের তালিকা শিক্ষামন্ত্রী নুরুল হাসানের কাছে চেয়ে নেন সঞ্জয় গান্ধী। অন্যদিকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালকে নির্দেশ দেন ইন্দিরা, সমস্ত সংবাদপত্রের খবর আগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আসবে! তারপর কোন খবর ছাপা হবে তা সরকার ঠিক করবে।

    কেমন ছিল জরুরি অবস্থার দিনগুলি?

    ২৮ বছর ধরে তখন দেশ শাসন করছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস বললে ভুল হবে। গান্ধী-নেহরু পরিবারের বাবা ও মেয়ের হাতেই ছিল ক্ষমতা। ভারতীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য নাম জর্জ ফার্নান্ডেজ। জরুরি অবস্থায় তাঁকে গ্রেফতার করে ইন্দিরা সরকার। হাতে পায়ে শিকল বাঁধা হয় জর্জ সমেত তাঁর ২৪ সহযোগীকে। সেই অবস্থায় তাঁদের রাস্তা দিয়ে হাঁটানো হত। পরিসংখ্যান বলছে, সেসময় মোট রাজনৈতিক গ্রেফতারির সংখ্যা ১,১০,৮০৬। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের কোমরে দড়ি পরিয়ে পুলিশ জিপের সঙ্গে বেঁধে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হত। আর থানার লক আপে পুলিশি অত্যাচার! জরুরি অবস্থায় কেরলের কালিকট ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র রাজেনের মৃত্যু ঘটে পুলিশ হেফাজতে। অকথ্য অত্যাচার করা তাঁর উপর উপর। সদ্য ২০ পার হওয়া ছাত্রের জীবন সেদিন কেড়ে নেয় ইন্দিরা সরকার। তারপর দেহ লোপাট করে ফেলে পুলিশ। শোনা যায়, এরপর থেকেই রাজেনের মা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এমন অজস্র ঘটনা ঘটতে থাকে দেশে। বেঁচে থাকার অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। সেটাই তখন ছিল কংগ্রেস সরকারের কুক্ষিগত। অন্যদিকে বিহারের ১৬ বছরের কিশোর দিলীপ শর্মা। যাকে ১১ মাস ধরে বন্দি রাখে ইন্দিরা সরকার। অপরাধ তো একটাই ইন্দিরার স্বৈরতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা। সেসময় জনসঙ্ঘ এবং আরএসএস-এর বহু প্রচারক কার্যকর্তা গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন।

    ১২ জুন ১৯৭৫, কেন ক্ষমতা হারানোর ভয় পেলেন ইন্দিরা?

    ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন ইন্দিরা গান্ধী। বিপক্ষ প্রার্থী ছিলেন সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টির রাজনারায়ণ। এই ভোটে ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে কারচুপি করে জেতার অভিযোগ আনেন রাজনারায়ণ। সোশ্যালিস্ট পার্টির এই নেতা দ্বারস্থ হন এলাহাবাদ হাইকোর্টের। তাঁর দায়ের করা মামলায় রাজনারায়ণ ইন্দিরার বিরুদ্ধে ৬ টি অভিযোগ আনেন। রাজনারায়ণের অভিযোগগুলি ছিল
    ১) ভোটে ইন্দিরা গান্ধী অসাংবিধানিকভাবে ভারত সরকারের এক আধিকারিক  যশপাল কাপুরকে নির্বাচনী এজেন্ট করেন। কাপুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেননি, তারপরেও তাঁকে নির্বাচনী এজেন্ট করেন ইন্দিরা।

    ২) রায়বেরিলি থেকে ভোট লড়ার জন্য ইন্দিরা গান্ধী, স্বামী অদ্বৈতানন্দ নামের একজনকে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেন, যাতে রাজনারায়ণের ভোট কাটা যায়। 

    ৩) নির্বাচনী প্রচারে ইন্দিরা গান্ধী বায়ুসেনার বিমানগুলির যথেষ্ট অপব্যবহার করেন।

    ৪) ভোটে জিততে এলাহাবাদের পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসকের সাহায্য নেন ইন্দিরা, যা বেআইনি।

    ৫) ভোটারদের প্রভাবিত করতে ইন্দিরা গান্ধী আগের রাতে কম্বল এবং মদ বিলি করেন।

    ৬) নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ বিলি করেন ইন্দিরা।

    ১২ জুন ১৯৭৫ সালে এই মামলার রায় দেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি জগমোহনলাল সিনহা। ইন্দিরার বিরুদ্ধে সরকারি ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন জেতার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ইন্দিরা গান্ধীর সাংসদ পদ তো খারিজ হয়, পাশাপাশি ওই রায়ে ৬ বছর পর্যন্ত তিনি কোনও ভোটে লড়তে পারবেন না বলেও জানিয়ে দেন বিচারপতি সিনহা। এই অবস্থায় তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তেই হতো। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে ইন্দিরা তখন দিশাহারা, দ্বারস্থ হলেন সুপ্রিম কোর্টের। ২৩ জুন, ১৯৭৫ সালে মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে। ২৪ জুন বিচারপতি আইয়ার নির্দেশ দিলেন, যতক্ষণ না চূড়ান্ত রায় আসছে, ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন। তবে সাংসদ হিসেবে কাজ চালাতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর বিরোধীরা বলতে শুরু করেন, “চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত ইন্দিরা প্রধানমন্ত্রী থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।” অন্যদিকে ইন্দিরার পদত্যাগের দাবিতে তখন দেশজুড়ে প্রবল আন্দোলন শুরু করেন জয়প্রকাশ নারায়ণ। ক্ষমতা হারানোর ভয় তাড়া করে কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীকে। সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার ১ দিন পরেই জারি হয় জরুরি অবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emergency Alert: হঠাৎ অ্যালার্মের মতো বেজে উঠছে মোবাইল! ঢুকছে এসএমএস অ্যালার্ট, কেন?

    Emergency Alert: হঠাৎ অ্যালার্মের মতো বেজে উঠছে মোবাইল! ঢুকছে এসএমএস অ্যালার্ট, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকাই ফোনে ফ্ল্যাশ জ্বলে উঠছে, ভাইব্রেট হতে থাকছে স্মার্টফোন। রহস্যটা কী? পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলে প্রায় অধিকাংশ মানুষের ফোনেই গত কয়েকদিন ধরে এমন ঘটনা ঘটছে। কেউ কেউ মনে করছেন তাদের ফোন হ্যাক হয়েছে! কিন্তু আদতে তেমনটা নয়। কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সতর্কবার্তাও নয় এই এমার্জেন্সি অ্যালার্ট। বাংলা নয় গোটা ভারতজুড়ে একাধিক টেলিকম নেটওয়ার্কের অধীনে এই অ্যালার্ট পাচ্ছেন ইউজাররা।

    কী এই এমার্জেন্সি অ্যালার্ট

    উদ্বিগ্ন হবেন না। আসলে এটি কোনও বিপদের আশঙ্কা নয়, এটি একটি স্যাম্পেল টেক্সট মেসেজ। পাঠিয়েছে ভারত সরকারের টেলিকমিউনিকেশন মন্ত্রক। সেল ব্রডকাস্টিং সিস্টেমের মাধ্যমে এই মেসেজ পাঠানো হয়েছে। এই মেসেজ উপেক্ষা করতে পারেন, আপনার তরফ থেকে কিছুই করার নেই। পরীক্ষামূলকভাবে প্যান ইন্ডিয়া এমারজেন্সি অ্যালার্ট সিস্টেম (Pan-India Emergency Alert System) টেস্টের অংশ হিসেবে এটি পাঠানো হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (National Disaster Management Authority) তরফ থেকে এই পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নাগরিক সুরক্ষা এবং বিপদের ঘটনায় সময়ের মধ্যে সতর্ক করার জন্যই এই পদক্ষেপ। 

     

     

    একাধিক সার্কেলে অ্যালার্ট পেলেন ইউজাররা

    উল্লেখ্য, জুলাই মাস থেকে ধাপে ধাপে একাধিক সার্কেলে এই পরীক্ষা শুরু করেছে কেন্দ্রের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ (DoT)। এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সার্কেলে এই অ্যালার্ট পেয়েছেন ইউজাররা। টেলি কমিউকেশন বিভাগের অধীন ব্রডকাস্টিং সিস্টেমের পক্ষ থেকে জিও, বিএসএনএল সহ একাধিক টেলিকম ব্যবহারকারীদের ফোনে পাঠানো হচ্ছে। উক্ত অ্যালার্ট আসার পর যতক্ষণ না ‘OK’ বাটনে ক্লিক করছেন ততক্ষণ অবধি বেজে যাচ্ছে। বর্তমানে ভারতের একাধিক সার্কেলে এই পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে কেন্দ্র সরকার। টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের সিইও জানিয়েছেন, এই ধরনের অ্যালার্টের জন্য আগে বিদেশি প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হতো। বিদেশ নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই এবার থেকে এমন সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: করছে সরকারি চাকরি! তিন দশক ধরে গা ঢাকা দেওয়া আট জঙ্গি গ্রেফতার কাশ্মীরে

    অ্যালার্টের বিষয় স্পষ্ট করল কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক

    প্রসঙ্গত, এই বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি ট্যুইট করা হয়েছে। সেখানে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তায় প্রতিটি টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারীর মাধ্যমে সেল ব্রডকাস্ট অ্যালার্ট সিস্টেম পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই পরীক্ষাগুলি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সময়ে সময়ে পরিচালিত হবে। সেল সম্প্রচারগুলি সাধারণত জরুরি সতর্কতা প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। জরুরি পরিস্থিতি সুনামি, বন্যা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, জননিরাপত্তা বার্তায়, স্থানান্তর বিজ্ঞপ্তি, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে এই মেসেজ ব্যবহার করা হয়। সেই সঙ্গে আবহাওয়া সংক্রান্ত জরুরি বার্তাও দিয়ে দেওয়া হয়।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emergency: কঙ্গনার ‘এমার্জেন্সি ’ তে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে শ্রেয়স তালপড়ে, দেখুন ফার্স্ট লুক

    Emergency: কঙ্গনার ‘এমার্জেন্সি ’ তে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে শ্রেয়স তালপড়ে, দেখুন ফার্স্ট লুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনা রানাউতের (Kangana Ranaut) ‘এমার্জেন্সি’ ছবির প্রথম টিজার। মুখ্য ভূমিকায় ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে রয়েছেন কঙ্গনা রানাউত। তাঁর লুকস আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তবে অনেক দিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে কে থাকবেন। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁর নাম সামনে আনা হল। এমার্জেন্সি ছবিতে অটল বিহারীর চরিত্রে থাকবেন শ্রেয়স তালপড়ে (Shreyas Talpade)। কঙ্গনার ইন্দিরা গান্ধী সাজে প্রথম লুকস সামনে আসাতেই চর্চায় ছিলেন তিনি। এবারে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের লুকস প্রকাশ্যে এসেছে।

    আরও পড়ুন: এবার বড় পর্দায় তৈরি হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

    ‘এমার্জেন্সি’ থেকে নিজের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এনেছেন শ্রেয়স। অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভূমিকায় দেশবাসীকে চমকে দিয়েছেন শ্রেয়স। এই ঝলক দেখে অটল বিহারী বাজপেয়ীর তরুণ বয়সের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “আমি আজকে ভীষণ খুশি ও সম্মানিত, এমন একজনের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চলেছি যিনি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও ভারতের জনসাধরণের নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী। আশা করি সকলের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব।“  তিনি আরও লিখেছেন, “আমাকে অটলজী হিসেবে ভাবার জন্য ধন্যবাদ কঙ্গনা। আপনি নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান এবং বহুমুখী অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। একইসঙ্গে সমান ভালো অভিনেতা-পরিচালক আপনি।“

    [insta]https://www.instagram.com/p/CggJqDLj5hl/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    এমার্জেন্সি ছবিতে পরিচালনা করার পাশাপাশি অভিনয়ও করছেন কঙ্গনা। এই ছবি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। এর আগের ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। একের পর এক ফ্লপ ছবি দিয়েও তিনি থেমে থাকেননি। এই ছবিটি নিয়ে অনেকদিন ধরেই প্রস্তুতি চালাচ্ছিলেন কঙ্গনা। বিপুল খরচও করছেন। তাঁর শেষ ছবি ‘ধকড়’ ও ফ্লপ ছিল। ফলে এই ছবি নিয়ে বড় আশা বলিউড কুইনের। এত ফ্লপ ছবি দেওয়ার পরেও এই ছবি কেমন হবে তা একমাত্র বড় পর্দায় আসলেই বোঝা যাবে। তাই বলিউড ‘কুইন’- এর অনুরাগীরা এই ছবির প্রতীক্ষায় বসে আছে।

    আরও পড়ুন: অ্যাকশনে ভরপুর ‘ধাকড়’ ছবির ট্রেলার, রণংদেহী মেজাজে কঙ্গনা, সঙ্গী শাশ্বত 

  • Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতার জন্য কংগ্রেস (Congress) ভারতীয়দের সাংবিধানিক অধিকার (Constitutional Rights) কেড়ে নিয়েছিল। এমনই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দেশে জরুরি অবস্থার ৪৭ বর্ষপূর্তি। ১৯৭৫ সালের এই দিনেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই কারণেই এদিন কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এদিন সকালে একট ট্যুইটবার্তায় শাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে কংগ্রেস ক্ষমতার জন্য প্রত্যেক ভারতবাসীর সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। তিনি বলেন, কংগ্রেস শাসন বর্বরতার দিক থেকে বিদেশি শাসনকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। তিনি সেই দেশপ্রেমিকদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, যাঁরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং স্বৈরাচারী মানসিকতাকে পরাস্ত করতে সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন মধ্যরাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ সংবিধানের ৩৫২ অনুচ্ছেদের অধীনে জরুরি অবস্থা জারি করেন। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরার জয়কে অবৈধ ঘোষণার পরে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয় দেশ। ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। সেই সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন, সেন্সরশিপ ছাড়াও বহু মানুষকে জেলবন্দি করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জরুরি অবস্থা জারির এই সিদ্ধান্তকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অন্ধকারময় সময় বলে বিবেচনা করা হয়। ১৮ মাস পরে প্রত্যাহার করা হয় জরুরি অবস্থা। ১৯৭৭ সালে নির্বাচনে হেরে যায় কংগ্রেস।

    দিনটিকে অন্ধকারময় চ্যাপ্টার বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ৪৭ বছর আগে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত একটি অন্ধকারময় অধ্যায়। এটা কখনওই ভোলা যাবে না।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, বিজেপি সেই সব বীরদের স্মরণ করে, যাঁরা ভারতের গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য লড়াই করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, ২৫ জুন দিনটি ভারতের গণতন্ত্রে একটি কালো দিন। ক্ষমতার জন্য শাসক নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করেছিলেন।গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করেছিলেন। দুর্বল করেছিলেন বিচার বিভাগকেও।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, জরুরি অবস্থা ভারতের গণতন্ত্রের ভয়াবহ অন্ধকার দিনগুলির কথা মনে করিয়ে দেয়।

     

     

LinkedIn
Share