Tag: Employment Scam

Employment Scam

  • Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। যদি সময়মতো নির্দেশ না মানা হয়, তাহলে আদালত তাঁকে সশরীরে ডাকতে বাধ্য হবে বলে জানালেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। 

    কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। কিন্তু রাজ্য অনুমোদন না দিলে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। কেন রাজ্য সরকার এত দিন ধরে ওই অনুমোদন দানের প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। গত ২২ মার্চ অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়া নিয়ে তিনি কী ভাবছেন তা মুখ্যসচিবকে জানাতে বলেছিল আাদলত। সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় আদালতকে জানান, “মুখ্যসচিব ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার জন্য দেরি হচ্ছে।”  আদালতের থেকে আরও কিছু সময় চায় রাজ্য। 

    আরও পড়ুন: বাইরে তাপপ্রবাহ! সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    কী বলল আদালত

    সরকারি আইনজীবী নির্বাচনের কথা বললেই ক্ষুব্ধ হয় আদালত। এরপরই বিচারপতি বাগচীর পর্যবেক্ষণ, গত দেড় বছর ধরে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মুখ্যসচিব। সম্প্রতি নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। তিনি এতদিন কী করছিলেন প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। এতে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। তদন্তের কাজ শ্লথ হচ্ছে। একটা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার রিপোর্ট জমা দিতে না পারলে তাঁকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। নিয়োগ মামলায় (Recruitment Case) এর আগে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    Malda: “আমাদের দলেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে”, দুর্নীতি ইস্যুতে বেপরোয়া তৃণমূলের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন সমার্থক। তৃণমূল আছে, অথচ অন্তর্কলহ নেই, কাদা ছোড়াছুড়ি নেই, এটাও যেন আজ আর ভাবাই যায় না। এই তো কদিন আগের কথা। প্রত্যন্ত জেলা নয়, খাস কলকাতায় বসে দীর্ঘদিনের সাংসদ সৌগত রায়ের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন তোপ দাগেন তৃণমূল বিধায়ক তথা তৃণমূলের ‘কালারফুল’ নেতা মদন মিত্র। হুমায়ুন কবীর তো উঠতে বসতে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে যা নয় তাই বলেন। এবার সেই ভূমিকাতেই দেখা গেল তৃণমূলের এক মন্ত্রীকে। তিনি হলেন রাজ্যের সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। কয়েকদিন আগে মালদা (Malda) জেলার কালিয়াচকের আলিনগরে তৃণমূল এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছিল। ১০০ দিনের কাজে টাকা না মেলাই ছিল মূল ইস্যু। সেখনে ভাষণ দিতে গিয়ে দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই খড়্গহস্ত হতে দেখা গেল তাঁকে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Malda)

    যে ইস্যুতে তৃণমূলের একের পর এক নেতা-মন্ত্রী জেলের ঘানি টানছেন, যে ইস্যুতে জনতার দরবারে তৃণমূলকে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে, সাবিনা ইয়াসমিন এদিন তাকেই হাতিয়ার করেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদেরকে বলব, আমাদের ভুল বুঝবেন না। আমরা যা করি আপনাদের জন্যই করি। এবার কেউ যদি কোনও দোষ করে থাকে, ভুলের ভাগীদার সে একা হবে। তার শাস্তি হোক এটাই আমরা চাই। আমার বাড়িতে যদি কোনও কুলাঙ্গার ছেলে থাকে, পুলিশ যদি তাঁকে গ্রেফতার করে, তবে বাপ-মা কী করবে! শাসন করার পরও ছেলে শুধরচ্ছে না। ঠিক তেমনি আমাদের পার্টিতেও কিছু কুলাঙ্গার ছেলে-মেয়ে রয়েছে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে পাপ করবে, প্রায়শ্চিত্তও তাকেই করতে হবে। কোনও ভুলের জন্য দল দায়ী নয়। দল কি কাউকে চুরি করার জন্য বলেছে? কেউ একজন দাঁড়িয়ে বলুন তো, কারও থেকে কখনও কোনও টাকা-পয়সা নিয়েছি আমি? হ্যাঁ কখনও চা খেয়েছি। টাকার বিনিময়ে কোনও কাজ আমি (Malda) আমার রাজনৈতিক জীবনে করিনি। দল কখনও টাকার বিনিময়ে কাজ করার কথা বলেনি। কেউ যদি টাকার বিনিময়ে কাজ করে, তবে সে দায়ী। আমি আপনাদের বলব, কোনও কাজের জন্য কাউকে টাকা দেবেন না। আমাদের সরকার মানুষের জন্য সব ধরনের সুবিধা করে দিয়েছে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গেলেই সব কাজ হয়ে যায়।’

    জেলার রাজনীতিতে চাঞ্চল্য (Malda)

    মালদা জেলায় (Malda) তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কলহ নতুন কিছু নয়। এই নিয়ে জেলায় গন্ডগোল, ঝামেলা, খুনখারাবি লেগেই থাকে। এবার সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিলেন মন্ত্রী। ফলে ফের নতুন বিতর্ক শুরু হল। যদিও এই বিতর্কে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব আগের মতোই এখনও চুপই রয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: স্কুলে গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণা! অভিযুক্ত এডিআই

    Fraud: স্কুলে গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণা! অভিযুক্ত এডিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক তৃণমূল নেতা জেলের ঘানি টানছেন। এর মধ্যেই স্কুলে গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা (Fraud) করার অভিযোগ উঠল অতিরিক্ত জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বা এডিআইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আধিকারিকের নাম বনমালী জানা। তাঁর বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Fraud)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিতের (Fraud) নাম রূপা পাঁজা সামন্ত। তাঁর বাড়ি উলুবেড়িয়ার হিরাগঞ্জ এলাকায়। তাঁর স্বামী অচিনকুমার সামন্ত উলুবেড়িয়ার একটি হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী। তাঁর সঙ্গে বনমালীর পরিচয় ছিল। ২০১৬ সালে তিনি স্কুলে গ্রুপ-ডি পদে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে পরীক্ষার ফল বেরোয়। উত্তীর্ণদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। স্ত্রীর চাকরির বিষয়ে বনমালীর সঙ্গে কথা বলতেই তিনি জেলা অতিরিক্ত বিদ্যালয় পরিদর্শকের ‘কোটা’য় চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। ২০২১ সালের প্রথম দিকে ৫ লক্ষ টাকা দেন তাঁরা। কিন্তু, পুরো টাকা না দিলে নিয়োগপত্র পাওয়া যাবে না বলে বনমালী জানানোয় তাঁরা টাকা ধার করে ও গয়না বিক্রি করে বাকি টাকা জোগাড় করে দেন। ২০২১-এর শেষ দিকে কুলগাছিয়া শ্রীকৃষ্ণপুর চিত্তরঞ্জন হাইস্কুলে গ্রুপ-ডি পদে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে সুপারিশপত্র দেন বনমালী। সেই চিঠি নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে লাভ হয়নি। এই ধরনের কোনও নির্দেশ বা চিঠি স্কুল কর্তৃপক্ষ পাননি বলে জানান ওই প্রধান শিক্ষক। প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে ইতিমধ্যেই তিনি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক, মহকুমা শাসক ও পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    প্রতারিতের কী বক্তব্য?

    প্রতারিত রূপাদেবী বলেন, সুপারিশপত্রে কাজ হচ্ছে না, বনমালীবাবুকে একথা জানালে তিনি নিজে গাড়ি করে সল্টলেকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিসে নিয়ে যান। সেখানে নিজে হাতে একটি আবেদনপত্র জমা দেন। পরে বারবার নিয়োগপত্র পাওয়ার আশ্বাস দেন। শেষে এবার পুজোর পরে নিয়োগপত্র পাব বলে জানিয়েছিলেন, কিন্তু পাইনি। প্রতারণার (Fraud) বিষয়টি জানতে পেরে এখন বনমালীবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে হুমকি শুনতে হচ্ছে। টাকা নেওয়ার কথাও তিনি অস্বীকার করছেন।

    অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    বনমালীবাবুর বক্তব্য, ওই মহিলার স্বামীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল, এই সুযোগ নিয়ে আমার নামে কুৎসা রটানো হচ্ছে। চাকরি সংক্রান্ত ব্যাপারে কিছু জানা নেই। এই বিষয়ে কোনও কথা বলব না। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক অজয় পাল অবশ্য বলেন, বনমালীবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। শীঘ্রই তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসা করা হবে। তদন্তও শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    Siliguri: উত্তরকন্যায় প্রতারণাচক্রের হদিশ! চাকরির টোপ দিয়ে টাকা হাতিয়ে গ্রেফতার এক কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) রয়েছে উত্তরবঙ্গের শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যা। আর সেখানেই প্রতারণা চক্রের হদিশ মিলল। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল সেখানকারই এক নিরাপত্তাকর্মীকে। এই ঘটনায় জড়িত আরও এক নিরাপত্তাকর্মী পলাতক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়ি জুড়ে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা হল মইনুর রহমান ও বিষ্ণুপদ গুপ্ত। দু’জনেই শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরকন্যা সংলগ্ন ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। দু’জনেই উত্তরকন্যায় বেসরকারি সংস্থার অধীন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করে। অভিযোগ, উত্তরকন্যায় কাজ করার সুযোগ নিয়ে শিক্ষত বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল অভিযুক্তরা। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে উত্তরকন্যা ফাঁড়ির পুলিশ। বুধবার উত্তরকন্যা থেকে গ্রেফতার করা হয় বিষ্ণুপদকে। কয়েক বছর ধরে ওই দু’জন নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করছে উত্তরকন্যায়। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির তিনজন যুবতীর কাছ থেকে মইনুল রহমান কিছু টাকা নেয় শিলিগুড়ি শহরে কোনও একটি নার্সিংহোমে চাকরির দেওয়ার নাম করে। টাকা নিতেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় মইনুল। পরে, ফোন করে তিনজনকে অন্য এক নিরাপত্তারক্ষী বিষ্ণুপদ গুপ্তর সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করার কথা বলে মইনুল। তিন যুবতী সেখানে পৌঁছনোর পর বিষ্ণুপদ তাঁদের কাছে ফের টাকার দাবি করে ও বাড়ি চলে যেতে বলে। এতে যুবতীদের সন্দেহ হয়, তাঁরা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পরবর্তীতে বিষয়টি উত্তরকন্যার আধিকারিকদের জানালে তাঁরা এনজেপি থানার পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ বিষ্ণুপদকে গ্রেফতার করে। তবে, মূল অভিযুক্ত মইনুল পলাতক। তার খোঁজ করেছে পুলিশ।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    প্রতারিতরা বলেন, ‘আমাদের বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি দেবে বলে একজন টাকা নেয়। তারপর উত্তরকন্যায় আরেকজনের কাছে পাঠায়। সেও টাকা দাবি করে। কিন্তু কোথায় ইন্টারভিউ হবে, তা জানায়নি। এতেই আমাদের সন্দেহ হয়। তখন আমরা পুলিশকে জানাই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    Kolkata Police: মদের দোকানের লাইসেন্সের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি এক শিক্ষক ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় এবং তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ায় ওই কেলেঙ্কারি ফের অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। কিন্তু এবার দেখা গেল, সরষের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে ভূত। এবার একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এক পদস্থ কর্তাকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুই ব্যক্তিকে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বড় অঙ্কের টাকা তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারিত এক ব্যক্তি বরাহনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে ওই অভিযোগের তদন্তভার হাতে নেয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। গ্রেফতার করা হয় সোমনাথ ভট্টাচার্য নামে ওই আধিকারিককে, যিনি কলকাতা পুলিশের অষ্টম ব্যাটালিয়নের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদে কর্মরত ছিলেন।

    কী অভিযোগ ওই অফিসারের বিরুদ্ধে ?

    অভিযোগ অনুযায়ী, বরাহনগরের বাসিন্দা এক ব্যক্তির কাছ থেকে ওই পুলিশ অফিসার (Kolkata Police) দু-দফায় ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। পানশালার লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বোনের চাকরি করে দেবেন, এমন আশ্বাসও তিনি দিয়েছিলেন। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে যা হয়, সেটাই ঘটেছে। দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পরও পানশালার লাইসেন্স মেলেনি, বোনের চাকরিও হয়নি। উত্তরপাড়ার বাসিন্দা এক ব্যক্তিও একই অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, তাঁর কাছ থেকে নেওয়া হয়েছিল ৩০ লক্ষ টাকা। এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ কমিশনারেট পুলিশকর্তাকে গ্রেফতার করে। আদালতে এই অফিসারের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ হয়েছে।

    আরও কার কার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন, শুরু তদন্ত

    পুলিশ এখন ওই অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইছে, কার কার কাছ থেকে তিনি কত টাকা নিয়েছিলেন। এই ধরনের দুর্নীতির জাল আরও কতদূর বিস্তৃত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অফিসারকে গ্রেফতার করার আগে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সরকারের বিভিন্ন গ্রুপ ডি এবং অস্থায়ী পদে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা তুলতেন। পাশাপাশি মদের দোকানের লাইসেন্স পেতে অনেকেই তাঁকে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এত বড় পদে থেকে কিভাবে তিনি এই ধরনের কাজ করলেন, তা দেখে অনেকেই অবাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subiresh Bhattacharya: জেলে বসেও সংগঠন চালাচ্ছেন সুবীরেশ? পদত্যাগের দাবি অধ্যক্ষ পরিষদের

    Subiresh Bhattacharya: জেলে বসেও সংগঠন চালাচ্ছেন সুবীরেশ? পদত্যাগের দাবি অধ্যক্ষ পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে বসেও সংগঠন চালাচ্ছেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattacharya)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আপাতত জেলে রয়েছেন তিনি। আর এরই মাঝে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করল রাজ্যের কলেজগুলির প্রিন্সিপালদের সংগঠন অধ্যক্ষ পরিষদ। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে সুবীরেশের পদত্যাগের দাবি করেছে অধ্যক্ষ পরিষদ। তাঁদের অভিযোগ, জেলে বসে অধ্যক্ষদের সংগঠন চালাচ্ছেন সুবীরেশ।

    সুবীরেশ (Subiresh Bhattacharya) এক সময় ছিলেন কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ কলেজের অধ্যক্ষ। একই সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে লিয়েনে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করা হয়। উপাচার্য থাকা অবস্থাতেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন সুবীরেশ। সুবীরেশ এখনও অধ্যক্ষ পরিষদের সভাপতি পদ দখল করে রয়েছেন। আর  সেই পদে বসেই জেল থেকে সংগঠন চালাচ্ছেন তিনি বলে অভিযোগ করেছে অধ্যক্ষ পরিষদ।

    কী বলছেন অধ্যক্ষরা? 

    আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু কলেজের অধ্যক্ষ (Subiresh Bhattacharya) পূর্ণচন্দ্র মাইতি এ বিষয়ে বলেন, “ব্ল্যাঙ্ক প্যাডে রাজ্য সম্মেলন ডাকা হয়েছে। তার আগে কার্যকরী সমিতির কোনও বৈঠক করা হয়নি। এ থেকেই স্পষ্ট কে জেলে থেকে কলকাঠি নাড়ছেন।”  

    পূর্ণচন্দ্রবাবু (Subiresh Bhattacharya) আরও অভিযোগ করে বলেন, “ওঁর নাম নিতেও লজ্জা হয়। একজন উপাচার্য হয়ে জেলে গিয়েছেন। তারপরেও সেখান থেকে সংগঠন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছেন সুবীরশ ভট্টাচার্য।” 

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর কাণ্ডের তদন্তে নেমে জেএমবি যোগ পেল এনআইএ, চার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৩৫ লক্ষ টাকা

    প্রসঙ্গত গত ৬ বছর ধরে অধ্যক্ষ পরিষদের এই পদে রয়েছেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattacharya)। একাধিক অধ্যক্ষের দাবি, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই পদে রয়েছেন তিনি। তাঁদের দাবি, ২০১৯ সালে উত্তরবঙ্গে রাজ্য সম্মেলনে মিথ্যে কারণ দেখিয়ে সম্পাদক ও সভাপতি পদ আঁকড়ে থাকেন প্রবীণরা। অধ্যক্ষ পরিষদের সংবিধানে রয়েছে, দুবছর অন্তর কমিটিতে বদল আনতে হবে। কিন্তু সে নিয়ম মানা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share