Tag: en

  • VVPAT Slips: নোয়াপাড়ায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে ভিভিপ্যাটের স্লিপ! ‘মক পোলের’ বলল কমিশন

    VVPAT Slips: নোয়াপাড়ায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে ভিভিপ্যাটের স্লিপ! ‘মক পোলের’ বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনার আগে উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে ভিভিপ্যাট (VVPAT) স্লিপ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালেও, নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক তদন্তে স্পষ্ট করেছে যে উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি আসল ভোটের নয়, বরং মক পোলিংয়ের সময় ব্যবহৃত। রবিবার বারাসত-বারাকপুর রোডের নীলগঞ্জ সুভাষনগর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা থেকে রাস্তার ধারে একাধিক ভিভিপ্যাট স্লিপ (VVPAT Slip) পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়রা প্রথমে বিষয়টি নজরে এনে পুলিশে খবর দেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ স্লিপগুলি উদ্ধার করে এবং প্রশাসন তদন্ত শুরু করে।

    ‘মক পোলের স্লিপ’ বলল কমিশন

    ঘটনাটি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হলেও, নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এগুলি ভোটগ্রহণের আগে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন পরীক্ষার অংশ হিসেবে হওয়া মক পোলের স্লিপ। কমিশনের তরফে দাবি, এই স্লিপগুলির সঙ্গে আসল ভোটগ্রহণ বা গণনা প্রক্রিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট শুরুর আগে প্রতিটি বুথে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মক পোল করা হয়, যাতে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিন সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা যায়। ওই সময় যে স্লিপগুলি বেরোয়, সেগুলিই মক পোল স্লিপ হিসেবে চিহ্নিত। কমিশনের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলিও সেই পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়ার অংশ।

    কীভাবে পৌঁছল রাস্তার ধারে, শুরু হয়েছে তদন্ত

    তবে নিয়ম অনুযায়ী, মক পোলের স্লিপও নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে সংরক্ষণ করার কথা। ফলে কীভাবে সেগুলি রাস্তার ধারে এসে পড়ল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি প্রশাসনিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনও কারণে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়া জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং উদ্ধার হওয়া স্লিপগুলি পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোটা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

    বিভ্রান্তি তৈরি না করার আবেদন কমিশনের

    কমিশনের দাবি, ভোটগ্রহণ, ইভিএম, পোস্টাল ব্যালট এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে। ফলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের স্বচ্ছতা বা গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি না করার আবেদনও জানিয়েছে কমিশন।যদিও বিরোধীরা কমিশনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছে, তবু নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট—উদ্ধার হওয়া ভিভিপ্যাট স্লিপগুলি মক পোলের এবং মূল ভোটের সঙ্গে তার কোনও যোগ নেই।

  • Election Commission: “শুধু ভারতীয়রাই ভোট দেবেন, অনুপ্রবেশকারীরা নয়”, তৃণমূলকে সাফ জানিয়ে দিল কমিশন

    Election Commission: “শুধু ভারতীয়রাই ভোট দেবেন, অনুপ্রবেশকারীরা নয়”, তৃণমূলকে সাফ জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেবলমাত্র ভারতীয়রাই ভোট দেবেন, অনুপ্রবেশকারীরা নয়।” ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশন এও জানিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক বক্তব্য থাকতেই পারে, কিন্তু এসআইআর (SIR) নিয়ে যাতে কোনও ভুল প্রচার করা না হয়, বিএলওদের কোনও হুমকি না দেওয়া হয়। রাজ্যের শাসকদলের প্রতিনিধি দলকে কমিশন এও জানিয়েছে, নির্বাচন আইন মেনে পুরো প্রক্রিয়া হয়। সেই আইন মেনেই যাতে সবটা হয়, সেটা দেখতে হবে সবাইকে।

    এসআইআরের নান্দীমুখ (Election Commission)

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নান্দীমুখ হয়ে গিয়েছে এসআইআরের। কোনও গন্ডগোল ছাড়াই নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে এই প্রক্রিয়া। এর পর পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর। আর তার পরেই হইচই পড়ে গিয়েছে বাংলায়। বাকি ১১টি রাজ্যের কোথাও কোনও উচ্চবাচ্য না থাকলেও, চিল-চিৎকার জুড়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। বিরোধীদের অভিযোগ, নানা অছিলায় তারা এসআইআর নিয়ে হাওয়া গরম করে চলেছে এই প্রক্রিয়া ঘোষণা হওয়ার দিন থেকেই। শুধু তাই নয়, এসআইআর নিয়ে রাজনীতি করতে (নিন্দকরা বলছেন) পথে নেমে পড়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। দেশে তো নয়ই, স্বাধীন ভারতেও যা বিরলতম ঘটনা বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    নির্বাচন কমিশনের দফতরে তৃণমূল

    শুক্রবার, সটান নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে হাজির হন তৃণমূলের ১০ জন প্রতিনিধি (Election Commission)। সূত্রের খবর, সেখানেই তাঁদের কার্যত আইনের পাঠ পড়িয়ে দিয়েছেন কমিশনের কর্তারা। কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিএলওদের ওপর প্রভাব খাটানো যাবে না। কোনওরকম চাপ ছাড়াই মৃত, স্থানান্তরিত এবং একই ভোটারের একাধিক জায়গায় থাকা নাম বাদ দিতে হবে। তৃণমূলের তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৯ ডিসেম্বরের পর এসআইআর সংক্রান্ত দাবি এবং আপত্তি জমা দিতে বলা হয়েছে। খসড়া ভোটার তালিকা তাঁদেরও দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। ততদিন পর্যন্ত বিএলও, ইআরও এবং ডিইওদের কাজে যাতে শাসক দল হস্তক্ষেপ না করে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন।

    বিএলওদের চাপ

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনার বিষয়টিও উল্লেখ করেছে কমিশন। সেই অফিস আরও নিরাপদ জায়গায় (Election Commission) স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশকে বলা (SIR) হয়েছে, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিএলওদের চাপ বা ভয় দেখানোর বিষয়টি দেখার জন্য চিঠিও পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে। এদিন দিল্লিতে কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের ১০জনের একটি প্রতিনিধি দল। কমিশন তাঁদের জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কোনও বক্তব্য কিংবা মতামত দেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে যাতে কোনও ভুল কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো না হয়, তা দেখতে হবে। সূত্রের খবর, ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে তৃণমূলকে বিরত থাকার পরামর্শও দিয়েছেন কমিশনের আধিকারিকরা।

    অতিরিক্ত ভাতা

    যেহেতু বিএলও এবং ইআরও বাড়তি কাজ করছেন, তাই তাঁদের অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এদিন সেই বিষয়টিও স্মরণ (Election Commission) করিয়ে দেওয়া হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে। কমিশনের আধিকারিকরা জানান, অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানানোও হয়েছিল। কিন্তু নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কোনও টাকা এই ভাতার জন্য (SIR) বরাদ্দ করা হয়নি। দেরি না করে যাতে অবিলম্বে এই ভাতার টাকা বিএলও এবং ইআরওদের দিয়ে দেওয়া হয়, তা-ও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। রাজ্যের শাসক দলের বাধার প্রাচীর ডিঙিয়েও যে এ রাজ্যে এসআইআরের কাজ মসৃণ গতিতে চলছে, তা মনে করিয়ে দিয়েছে বিজেপি। তারা জানিয়েছে, ৮৫ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজড করে ফেলেছেন বিএলওরা। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ফর্ম আপলোড হয়েছে সব চেয়ে বেশি। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ফুল বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় তৃণমূলকে বলে দিয়েছে যে নির্বাচনের পবিত্রতা রক্ষা করুন। তৃণমূলকে লাইনে আসতে বলেছে।”

    এদিকে, বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে আসছেন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। জেলায় জেলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজ খতিয়ে দেখবেন তিনি। অবশ্য (SIR) তিনি একা নন, আরও ১১ জন আইএএস পদমর্যাদার আধিকারিকও আসবেন তাঁর সঙ্গে। এসআইআর প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে রিপোর্ট পাঠানো হবে বিশেষ পর্যবেক্ষককে (Election Commission)।

LinkedIn
Share