Tag: Encounter

Encounter

  • Jharkhand: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড! বাহিনীর গুলিতে নিহত চার মাওবাদী

    Jharkhand: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড! বাহিনীর গুলিতে নিহত চার মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের পর এবার ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)। সোমবার সাতসকালে মাওবাদী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রক্ত ঝরল ঝাড়খণ্ডে। দু’‌পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই হলেও মাওবাদীরা এঁটে উঠতে পারেনি। পশ্চিম সিংভূম জেলায় গুলির লড়াইয়ে চার জন মাওবাদীকে নিকেশ করেছে পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Maoists Encounter) 

    জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) টন্টো এবং গোইলকেরা এলাকায় কয়েকজন মাওবাদী লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় রাজ্যের পুলিশ। খবর পেয়েই মাওবাদী দমনে গোপন অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের শুরুতেই লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা অতর্কিতে পুলিশবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। শুরু হয় গুলির লড়াই। আর সেই গুলির লড়াইতেই মৃত্যু হয়েছে ৪ জন মাওবাদীর। একইসঙ্গে এদিন একজন মহিলা মাওবাদী নেত্রী সহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র। ঘটনার পরে এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। মনে করা হচ্ছে, এই ঘটনায় যুক্ত আরও কয়েকজন মাওবাদী সেই এলাকায় লুকিয়েও থাকতে পারে।  

    আরও পড়ুন: বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সিংভূম জেলার পুলিশ সুপারের মন্তব্য  

    এ প্রসঙ্গে সিংভূম জেলার পুলিশ সুপার আশুতোষ শেখর বলেছেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার সকালে জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। তখনই এনকাউন্টারে মৃত্যু (Maoists Encounter) হয় চার জন মাওবাদীর।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে চারজন মাওবাদীর মৃত্যু (Maoists Encounter) হয়েছে তার মধ্যে ছিল—একজন জোনাল কমান্ডার, একজন সাব জোনাল কমান্ডার এবং একজন এরিয়া কমান্ডার। তাছাড়া একজন সাধারণ মাওবাদীও ছিল। আর যে দু’জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন এরিয়া কমান্ডার। আর একজন সাধারণ মাওবাদী। 

    উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগেও মাওবাদীদের উৎপাত শুরু হয়েছিল। আর এবার লোকসভা নির্বাচন শেষ হলেও মাওবাদীরা দাপট দেখাচ্ছে। দিন দুয়েক আগেই ছত্তিশগড়ের বস্তার ডিভিশনের নারায়ণপুর জেলার অবুঝমাড়ের জঙ্গলে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআইএমএল (মাওবাদী)-র অন্তত আট সদস্যের। আর এই ঘটনার দুদিনের মধ্যেই আবারও ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) মাওবাদী দমনে সাফল্য এল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naxalites Killed: সংঘর্ষে খতম ৬ মাওবাদী, গভীর জঙ্গলে লুকোল সঙ্গীরা…

    Naxalites Killed: সংঘর্ষে খতম ৬ মাওবাদী, গভীর জঙ্গলে লুকোল সঙ্গীরা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার নকশাল দমনে (Naxalites Killed) বড়সড় সাফল্য পেল কেন্দ্র। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে ৬ মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলার ঘটনা। সংঘর্ষে যে ছয় মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের সম্মিলিত মাথার দাম ছিল ৩৮ লাখ টাকা।

    নিকেশ ৬ (Naxalites Killed)

    পুলিশ সূত্রে খবর, নারায়ণপুরের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীরা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে সূত্র মারফত খবর পায় পুলিশ। এর পরেই যৌথ অভিযানে নামে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহনী। যৌথবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গোবেল ও থুলথুলি গ্রামের কাছে আত্মগোপন করে থাকা মাওবাদীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। প্রতিরোধ গড়ে তোলে যৌথ অভিযানে শামিল হওয়া পুলিশকর্মী ও জওয়ানরা। খতম হয় ৬ মাওবাদী। এদের মধ্যে তিনজন মহিলাও রয়েছে।

    মাও দমনে শাহি বচন

    মাওবাদী দমনে (Naxalites Killed) কেন্দ্র যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, বারংবার তা মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের দিন দুই আগেই তিনি বলেছিলেন, “মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বিজেপি সরকার নকশালবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবিরাম প্রচার শুরু করেছে। ২০১৪ সাল থেকে আমরা ক্যাম্প তৈরি করতে শুরু করেছি।”

    এর আগে মে মাসে এই নারায়ণপুর ও বিজাপুর জেলার সীমানায় অভিযান চালিয়েছিল যৌথবাহিনী। সেবারও নিকেশ হয়েছিল ৭ মাওবাদী। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছিল সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র। ৩০ এপ্রিল নারায়ণপুর ও কাঙ্কের জেলার সীমানায় তল্লাশি অভিযানে খতম হয়েছিল ১০ মাওবাদী। এর মধ্যেও ছিল তিন মহিলা। এই মাসেই কাঙ্কেরে সংঘর্ষে খতম হন ২৯ জন মাওবাদী। তার পর মাও দমনে এদিন ফের মিলল সাফল্য।

    আর পড়ুন: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    শনিবার পুলিশের বস্তার রেঞ্জের আইজি বলেন, “৬ জুন রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে অপারেশন চালাচ্ছিলেন। নারায়ণপুর, কেন্দাগাঁও, দান্তেওয়াড়া এবং বস্তার জেলায় মাওবাদীর ঘাঁটি গেড়েছে বলে খবর মেলে। শুক্রবার বিকেল তিনটে নাগাদ নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানরাও। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষ চলার পর মাওবাদীরা পাহাড়ে ঘেরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায় (Naxalites Killed)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে যে দু’জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, তাদেরই একজন ছিল ওই জঙ্গি সংগঠনের সপিলন্টার গ্রুপ, ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র কমান্ডার (Kulgam Encounter)। একাধিক নিরাপত্তারক্ষী ও নিরীহ নাগরিক খুনে অভিযুক্ত সে। জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা রক্ষীরা যে অভিযান চালাচ্ছে, তাতে এটি একটি বড়সড় সাফল্য বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল বসিত (Kulgam Encounter)

    নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের জেরে এদিন যে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে, তাদের একজন বসিত দার। জানা গিয়েছে, বসিত ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল। এদিন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে কাশ্মীর পুলিশ আইজি ভিকে বিরধির তরফে (Kulgam Encounter)। গোয়েন্দা সূত্রে নিরাপত্তারক্ষীরা জানতে পারেন, রেডওয়ানি গ্রামে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। দ্রুত এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার রাতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

    জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে নিরাপত্তা বাহিনী। তার আগে অবশ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। তাতে কর্ণপাত না করেই গুলি চালিয়ে যেতে থাকে সন্ত্রাসবাদীরা। বিরধি বলেন, “ওদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ওরা তা না করে জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” তিনি বলেন, “এই অভিযানে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে। তাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা জানতে চলছে তল্লাশি অভিযান।”

    আরও পড়ুুন: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    নিহত দারের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিরধি বলেন, “পুলিশকর্মী খুনেও অভিযুক্ত ছিল সে। সাধারণ মানুষকেও খুন করেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলার পরিকল্পনা করত সে। হামলাও চালাত।” সূত্রের খবর, ২০২২ সালেই এনআইএ দারের মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১০ লাখ টাকা (Kulgam Encounter)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যেই ফের মাওবাদী বিরোধী অভিযানে সাফল্য। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok sabha vote 2024) হবে। আর তার আগেই ছত্তিশগড়ের (Chhatisgarh) বস্তার লাগোয়া জঙ্গলে একসঙ্গে ৭ মাওবাদীকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলাও রয়েছে বলে জানা গেছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) যৌথ ভাবে নারায়ণপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ওই সাত জনকে নিকেশ করেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Chhattisgarh Encounter)

    সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর কাঙ্কের সীমান্তে অবুঝমাড়ের জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoists) আস্তানার খোঁজ পেয়ে সেখানে হানা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর মঙ্গলবার সকালে সেখানেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াইয়ের পরে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে জখম হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়। এরপর নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করে। জানা গেছে, একটি একে ৪৭ (AK47) এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দুষ্কৃতী দলের বাকি সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ (Police) জানিয়েছে, গুলির লড়াই এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) নারায়ণপুরের জঙ্গল থেকে ২ মহিলাসহ ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    পুলিশের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার রেঞ্জের পুলিশ কর্তা জানান, “সকাল ৬টা নাগাদ সংঘর্ষ শুরু হয়। অবুঝমাড় জঙ্গলের টেকমেটা এবং কাকুর গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বাহিনী দেখে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। জঙ্গলে মাওবাদীদের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ঘাপটি মেরে রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল। সেই মতো রাত থেকেই তল্লাশি শুরু করে যৌথ বাহিনী।” তবে এই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর (security forces) কেউ আহত হননি। উল্লেখ্য গত ১৫ দিনের মধ্যে এটাই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বড়সড় অভিযান। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল কাঙ্কের জেলায় গুলির লড়াইয়ে ২৯ জন মাওবাদীকে খতম করেছিল জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) যৌথ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoists Killed: ছত্তিশগড়ে নিকেশ হওয়া মাওবাদীদের শনাক্ত করল পুলিশ, কারা রয়েছে তালিকায়?

    Maoists Killed: ছত্তিশগড়ে নিকেশ হওয়া মাওবাদীদের শনাক্ত করল পুলিশ, কারা রয়েছে তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ এপ্রিল নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে খতম হয়েছিল ২৯ জন মাওবাদী (Maoists Killed)। শেষমেশ তাদের শনাক্ত করার কাজ শেষ করল ছত্তিশগড়ের পুলিশ। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মাওবাদীদের ডিভিশনাল কমিটি সদস্য শঙ্কর রাও, রীতা সালামে, বিনোদ গদে, সুখলাল পাড্ডা, রাজিতা, গীতা ওরফে পুন্নিয়া, এরিয়া কমিটির সব সদস্য যাদের মধ্যে রয়েছে রবি ওরফে বাচনু, পিপিসিএম এবং এসএমসি স্কোয়াডের কমান্ডার।

    খতম মাওবাদীদের মাথার দাম

    জানা গিয়েছে, এনকাউন্টারে যারা (Maoists Killed) নিকেশ হয়েছে, তাদের মাথার সম্মিলিত মাথার দাম ১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মৃত মাওবাদীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রশস্ত্রের দাম ৭ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ওই এনকাউন্টারে যারা মারা গিয়েছে, তাদের মধ্যে ১৭ জনের মাথার দাম ছিল আট লাখ করে টাকা। আর রবি ওরফে বাচনুর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ১০ লাখ টাকা। তার বাড়ি বীজাপুর জেলার গাংগ্লুর থানা এলাকায়। শঙ্কর ছিত্তাল মণ্ডল থানার ছালাঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিল। ওই দিন এনকাউন্টারে যারা খতম হয়েছিল তাদের মধ্যে একমাত্র শঙ্করই একে ৪৭ নিয়ে ঘুরে বেড়াত। রীতার কাছে থাকত ইনসাস রাইফেল। আর বিনোদ ঘুরত এসএলআর নিয়ে। রীতার বাড়ি ছিল সীতাপুর থানা এলাকায়। কোখা থানা এলাকায় থাকত গদে। মাওবাদীদের সাব জোনাল অ্যাকশান টিম কমান্ডার বদ্রু বাদসে ঘুরে বেড়াত ৩০৩ রাইফেল নিয়ে। জেন্নি ওরফে জেইনি কাছে রাখত ১২ বোরের রাইফেল।

    আরও পড়ুুন: পালাতে পারে বিদেশে, সন্দেশখালির শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ ইডির

    ভয়ঙ্কর মাওবাদী গ্রেফতার

    এদিকে, সোমবার ভয়ঙ্কর এক মাওবাদীকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র পুলিশ। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল দেড় লাখ টাকা। ধৃতের নাম দিলীপ মতিরাম পেনদাম। বছর চৌত্রিশের ওই মাওবাদীকে এদিন বমরাগড় অঞ্চলে স্থানীয় গ্রাম ও লাগোয়া জঙ্গলে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তরক্ষীদের। জেরা করার পর গ্রেফতার করা হয় তাকে। গত বছর মার্চে পেনদামের বিরুদ্ধে মাইন পুঁতে রাখা এবং দুটি প্রেসার কুকার বম্ব ব্লাস্টের অভিযোগ উঠেছিল। টহলদাররত নিরাপত্তারক্ষীদের হত্যা করে তাঁদের অস্ত্রশস্ত্র কেড়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এটা করেছিল সে। যদিও তার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয় (Maoists Killed)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুশির ঈদে সকাল থেকেই গুলির লড়াই চলেছে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir)। এদিন ভোর রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরা এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়। কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত সংঘর্ষে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। আরও এক জঙ্গি ওই এলাকাতেই লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর। 

    জঙ্গি দমনে সাফল্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরায় কয়েক জন  জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পায় নিরাপত্তা বাহিনী। এই খবর পেয়েই ওই এলাকা ঘিরে ফেলে সেনা।  পুরো এলাকা অবরোধ করে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তারা গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলির জবাব দেয়ে সেনা। এতে একজন জঙ্গি নিহত হয়। ওই এলাকায় আরও কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে তল্লাশি অভিযান চলছে। জঙ্গিরা বড় ষড়যন্ত্র চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে খবর।

    পাক মদতের সম্ভাবনা

    স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করেই ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সেনা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা সীমান্তের ওপার থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা বড় কোনও নাশকতার ছক কষছিল। নিহত জঙ্গি কোন সংগঠনের তা এখনও জানা যায়নি। জঙ্গিদের পিছনে পাক মদত দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে সেনা।

    প্রসঙ্গত, উপত্যকা (Jammu Kashmir) থেকে ৩৭০ এবং ৩৫ এ- ধারা অপসারণের পরে পাকিস্তানের পায়ের তলা থেকে জমি সরে যায়। তাই সময় বিশেষে ভারতীয় সীমান্তে সন্ত্রাসীদের পাঠিয়ে বড় ধরনের ঘটনা ঘটাতে উদ্যত পাকিস্তান। এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে ভারতকে ছোট করাই লক্ষ্য পাকিস্তানের। যদিও কেন্দ্রের মোদি সরকার এ বিষয়ে সব সময় কড়া জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Chhattisgarh: ভোটের আগে বিরাট সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৯ মাওবাদী, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমনে বিরাট বড় সাফল্য বাহিনীর। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম ৯ মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলার ঘটনা। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রও। গোটা জঙ্গল ঘিরে চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে বাহিনী।

    মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা (Chhattisgarh)

    দিন কয়েক আগেই মাওবাদীদের সমূলে উৎখাত করার বার্তা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছত্তিশগড়ের এক জনসভায় তিনি বলেছিলেন, “২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে মাওবাদীদের সমূলে উৎপাটিত করা হবে।” তার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছত্তিশগড়ে মাও দমনে অভিযানে নামে যৌথবাহিনী। 

    মাওবাদী-বাহিনী এনকাউন্টার

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে, বিজাপুরের (Chhattisgarh) লেন্দ্রা গ্রামের কাছে মাওবাদীদের জড়ো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে মাওবাদী দমন অভিযানে নামে বাহিনী। সিআরপিএফের কোবরা ইউনিট, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং ছত্তিশগড় পুলিশের ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডকে নিয়ে তৈরি যৌথবাহিনী এই অভিযান অংশগ্রহণ করে। হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং অস্ত্র নিয়ে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। দুপক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলি বিনিময় হয়। এর পরই জঙ্গলের ভিতর থেকে ৯ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। পাশে থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা একটি মেশিনগান এবং অন্যান্য অস্ত্র-সহ বেশ কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। গোটা এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করেছে যৌথবাহিনী।

    সাম্প্রতিক অতীতে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে সাফল্য

    এর আগে ৩০ মার্চ আটচল্লিশ ঘণ্টার জন্য অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। দুদিনের এই অভিযানে এনকাউন্টার হয় তিনবার। ২৬ মার্চও ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের এনকাউন্টারে খতম হয় ছয় মাওবাদী। তাদের মধ্যে একজন মহিলাও ছিল। ঘটনাটি ঘটেছিল বিজাপুর জেলার একটি জঙ্গলে। ওই জঙ্গলে মাওবাদীদের একটি দল লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। তার পরেই শুরু হয় অভিযান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাহিনী। দু’পক্ষের লড়াইয়ে নিকেশ হয় এক মহিলা সহ ছয় মাওবাদী।

    আরও পড়ুুন: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ভোট হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। সেদিন দেশের আরও কয়েকটি কেন্দ্রের সঙ্গে নির্বাচন হবে বস্তার যে লোকসভা কেন্দ্রের অধীন, সেখানেও। নির্বাচনে অশান্তি পাকাতেই এলাকার বিভিন্ন জঙ্গলে জড়ো হয়েছে মাওবাদীরা। মাওবাদীদের সেই চক্র দুরমুশ করতেই অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী (Chhattisgarh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর পুলিশের কমান্ডোদের একটি দলকে রক্ষা করতে এগিয়ে এল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দাবি করা হচ্ছে,ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ অক্টোবর। মণিপুর পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিককে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করার পর থেকে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল রাজ্য পুলিশের কমান্ডো বাহিনী। ওই দলটি ইম্ফল থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে টহল দিচ্ছিল। সেই সময় হাইওয়ের উপর কমান্ডো বাহিনীর কনভয়কে লক্ষ্য করে পাহাড়ের উপর থেকে আচমকাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

    কী ঘটেছিল

    জানা গিয়েছে, মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহের দিকে যাচ্ছিল পুলিশের একটি কনভয়। টেংনোপাল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের সাইবোলের কাছে হঠাৎ পুলিশের কনভয়ের উপর অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা। গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। পুলিশের কনভয়ের উপর জঙ্গিদের হামলার খবর পান অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। সঙ্গে সঙ্গে জওয়ানদের একটি দল ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। জঙ্গিদের পালটা জবাব দেয় তারা। পুলিশের দলটিকে অতর্কিত হামলার হালার হাত থেকে রক্ষা করলেও, বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে নতুন করে মণিপুরের হিংসায় এক পুলিশ অফিসারের মৃ্ত্যু হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য মনিপুর সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিল। সাইবোলের কাছে হেলিপ্যাডের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যই পাঠানো হচ্ছিল মণিপুর পুলিশের একটি বিশেষ দলকে। জঙ্গিরা পাহাড়ের উপরে থাকায় বেশি সুবিধা পাচ্ছিল। কমান্ডোদের সব গতিবিধি নজর রেখে তাঁদের উপর হামলা চালাচ্ছিল। সেই সময় ওই হাইওয়েতেই টহল দিচ্ছিল অসম রাইফেলসের মাইন প্রতিরোধী গাড়ি। কমান্ডোদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে বিষয়টি চোখে পড়তেই অসম রাইফেলসের জওয়ানরা তাঁদের ‘কভার’ করতে এগিয়ে যান। মাইন প্রতিরোধী গাড়ি থেকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন তাঁরা। আর সেই সুযোগেই একের পর এক কমান্ডোদের উদ্ধার করেন তাঁরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Naxalist Encounter: ছত্রিশগড়ে বড়ো সাফল্য! এনকাউন্টারে খতম দুই মাওবাদী

    Chhattisgarh Naxalist Encounter: ছত্রিশগড়ে বড়ো সাফল্য! এনকাউন্টারে খতম দুই মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্রিশগড়ের মাওবাদী অধ্যুষিত কানকের(Kanker) জেলার ডিআরজি(District Reserve Guard) জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে দুই মাওবাদী। ঘটনাটি ঘটেছে কানকের জেলার সিকসোদ থানার অন্তর্গত কদমে গ্রামের কাছে। 

    আরও পড়ুন: যারা ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করছে, তাদের থেকে সাবধান, বললেন মোদি 

    বস্তার রেঞ্জের আইজি পি সুন্দররাজ সংবাদমাধ্যমে জানান, মৃত ওই মাওবাদী দুটি পুরুষ ছিলেন এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণে গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। তিনি আরও জানান যে, সোমবার ভোরে ডিআরজি ও সীমান্ত রক্ষা বাহিনীর জঙ্গলে পেট্রোলিং চলাকালীন আচমকাই ভোর চারটে নাগাদ পেট্রোলিং টিমকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মাওবাদীরা।

    আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের 

    এর জবাবে গুলি ছোড়ে পেট্রোলিং টিম এবং কিছুক্ষণের গুলির লড়াইয়ে খতম হয় দুই মাওবাদী জঙ্গি। প্রশাসনের তরফে তাদের নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    [tw]


    [/tw] 

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও ২৩ শে অক্টোবর নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বস্তার অঞ্চলের ওষুধ, বিস্ফোরক এবং রসদ সরবরাহকারী মাওবাদীদের অন্তত আটটি মডিউলকে ধ্বংস করে।

    আরও পড়ুন: ‘অপমানজনক ও অবৈজ্ঞানিক’! ধর্ষণের ঘটনায় ‘টু-ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট 

    প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, এই অভিযানগুলির ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র ও উড়িষ্যায় জঙ্গি কার্যকলাপে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে। জঙ্গি সংগঠনগুলি তাদের কার্যকলাপ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে আন্তঃরাজ্য সীমানাকে ব্যবহার কর‍ত। বর্তমানে মডিউলগুলো ভেঙ্গে সাপ্লাই চেন বন্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Chhattisgarh: বানচাল নাশকতার ছক, ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র সীমানায় পুলিশের গুলিতে নিহত চার মাওবাদী 

    Chhattisgarh: বানচাল নাশকতার ছক, ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র সীমানায় পুলিশের গুলিতে নিহত চার মাওবাদী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিআরপিএফ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মহারাষ্ট্র (Maharashtra) ও ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) সীমানায় গঢ়চিরৌলিতে মাওবাদীদের চার কমান্ডার নিহত হলেন। নাগপুর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে কোলামার্কা পাহাড়ে অন্তত চার সন্দেহভাজন মাওবাদীকে খতম করে মহারাষ্ট্র পুলিশ। এই চার কমান্ডারের মাথার দাম ছিল ৩৬ লক্ষ টাকা। মৃতদের মধ্যে দু’জন নিষিদ্ধ সিপিআই (মাওবাদী)-র উচ্চস্তরীয় বিভাগীয় কমিটির সদস্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। 

    নির্বাচনের আগে হামলার ছক

    জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলের দিকে গোপন সূত্রে গঢ়চিরৌলি পুলিশের কাছে খবর আসে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh)-মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সীমানার কাছে মাওবাদীদের তেলঙ্গানা রাজ্য কমিটির কিছু সদস্য জড়ো হয়েছেন। সেই দলে চার জন কমান্ডার আছেন। যাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণ করেছিল পুলিশ। পুলিশ আরও জানতে পারে, তেলঙ্গানা থেকে প্রাণহিতা নদী পেরিয়ে গঢ়চিরৌলিতে ডেরা বেঁধেছিল ওই দলটি। লোকসভা নির্বাচনের আগে কোনও হামলার ছক থাকতে পারে, এই আশঙ্কায় দুই রাজ্যের সীমানায় অভিযান চালায় সিআরপিএফ এবং গঢ়চিরৌলি পুলিশের যৌথবাহিনী।

    খবর পেয়েই অভিযান

    পুলিশ সুপার বলেন, ‘মাওবাদীদের রাজ্যে প্রবেশের তথ্য নিশ্চিত করার পরই আমরা অবিলম্বে পুলিশের একাধিক দল গঠন করি। কমব্যাট অভিযানে অভিজ্ঞদের নিয়ে সেই দল গঠন করা হয়। পাশাপাশি সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের কুইক অ্যাকশন টিমও এই অভিযানে সামিল হয়। এই দলগুলিতে তেলাঙ্গানার সীমান্তবর্তী এলাকায় তল্লাশির জন্য পাঠানো হয়েছিল। এই দলগুলির মধ্যে একটি ছিল এলিট অ্যান্টি-নক্সাল স্কোয়াড সি-৬০। তারা রেপনপল্লীর কাছে কোলামার্কা পাহাড়ে গিয়েছিল। এই দলটি পাহাড়ি এলাকায় প্রবেশ করলে মাওবাদীরা তাদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। এর জবাবে নিরাপত্তাকর্মীরাও পালটা গুলি চালায়। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মঙ্গলবার ভোরে মাওবাদীদের খতম করা হয়। ভোরে প্রায় দুই ঘণ্টা এই গুলির লড়াই চলেছিল।’

    আরও পড়ুন: দেশে কবে থেকে চলবে বুলেট ট্রেন? কী বললেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব?

    নিহত মাওবাদীদের পরিচয়

    গোলাগুলির লড়াই বন্ধ হয়ে গেলে যৌথবাহিনীর তরফে তল্লাশি শুরু করা হয়৷ তল্লাশিতে উদ্ধার হয় চার মাওবাদীর দেহ ৷ তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটা একে-৪৭, একটা কার্বাইন ও ২টি দেশি পিস্তল ৷ পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে মাওবাদী বিষয়ক বইও। ইতিমধ্যেই চার মাওবাদীর পরিচয় প্রকাশ্যে এনেছে পুলিশ৷ তারা হল, ডিভিসিএম ভারগীশ৷ সে মাঙ্গি ইন্দ্রভেল্লি এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি এবং কুমুরাম ভীম মাঞ্চেরিয়াল ডিভিশনাল কমিটির সদস্য ছিল৷ দ্বিতীয় জন হল ডিভিসিএম মাঙ্গটু৷ সে সিরপুর চেন্নুর এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি ছিল৷ এছাড়াও ছিল মাওবাদী সংগঠনের দুই সদস্য কুরসাং রাজু, কুদিমেত্তা ভেঙ্কাটেশ ৷ জেলা পুলিশ সন্দেহ করছে যে এনকাউন্টারের পরে কয়েকজন মাওবাদী এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাদের খোঁজ চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share