Tag: energy transition

energy transition

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • PM Modi: “সবুজায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি খোঁজ করছি বিকল্প শক্তিরও ”, জি-২০ বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সবুজায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি খোঁজ করছি বিকল্প শক্তিরও ”, জি-২০ বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল অর্থনীতিতে নয়, জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও ভারত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে বিশ্বে। শনিবার জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই তিনি বলেন, “জলবায়ু সংক্রান্ত কাজেও ভারতের নেতৃত্ব চাক্ষুষ করেছে বিশ্ব। সবুজায়ন করে এবং শক্তির (জ্বালানি) পরিবর্তন ঘটিয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন রোখার চেষ্টা করছে।”

    জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠক

    গোয়ায় হচ্ছে জি-২০ এনার্জি মিনিস্টার্স বৈঠক। এই বৈঠকেই তিনি জানান, “২০৩০ সালের মধ্যে আমরা পরিকল্পনা করেছি বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বাড়ানো হবে ৫০ শতাংশ। এবং এটাও জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে করা হবে না।” শক্তি নিরাপত্তা বাড়াতে ট্রান্সন্যাশনাল গার্ডের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সবুজায়ন বাড়াতে এবং বিকল্প শক্তির ব্যবস্থা করতে ভারত জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারত খুবই জনবহুল একটি দেশ। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ক্রমেই ওপরের দিকে জায়গা করে নিচ্ছে। এর পাশাপাশি জলবায়ুর প্রতি আমরা যে দায়বদ্ধ, তা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কাজ করছি।”

    বিশ্ব নেতাদের মধ্যে রয়েছে ভারতও

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এমন জিনিস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে শুরু করেছি। এ ব্যাপারে আমরা ৯ বছর এগিয়ে গিয়েছি। আমরা একটা লক্ষ্যমাত্রাও ধার্য করেছি। আমরা পরিকল্পনা করেছি ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করব, তার ৫০ শতাংশই হবে জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এমন বস্তু থেকে। ভারত সৌর এবং বায়ু শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বিশ্ব নেতাদের মধ্যেই।” তিনি বলেন, “এই জি-২০-র শক্তিমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হচ্ছে, সেখানে আমাদের খুঁজতে হবে কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী, সহজলভ্য এবং ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন করতে পারি। এটা করতে গেলে এটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে যেহেতু গ্লোবাল সাউথ খুব বেশি দূরে নয়, তাই আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে লো-কস্ট ফাইনান্স। উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য এটা অবশ্যই করা প্রয়োজন।”

    আরও পড়ুুন: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “প্রযুক্তির যে ফাঁকফোকর রয়েছে, সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। এনার্জি সিকিউরিটি প্রোমোট করতে তবে। তবেই ভবিষ্যতের জন্য উজ্জ্বল হবে জ্বালানির সম্ভাবনা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই অঞ্চলে আমাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে এই মিউচুয়ালি বেনিফিসিয়াল কো-অপারেশনকে প্রোমোট করছি। এতে আমরা উৎসাহজনক ফলও পাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share