Tag: Enforcement Directorate

Enforcement Directorate

  • Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez) বিরুদ্ধে চার্জশিট (Charge sheet) জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তছরুপ (Money Laundering) মামলার চার্জশিটে ইডি জানায়, এখন পর্যন্ত তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত অভিনেত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত। 

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে যে, তিনি শুধু নিজেই না। ভারত এবং বিদেশে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সব সদস্যই তছরুপের টাকায় উপহার পেয়েছেন। এর ফলে তছরুপ প্রতিরোধ আইন ২০০২-এর ধারা ৩-এর অধীনে তছরুপের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যা PMLA, ২০২২-এর ধারা ৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনই বলা হয়েছে চার্জশিটে।

    চার্জশিটে এছাড়াও বলা হয়, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar) অতীতের অপরাধমূলক কাজের অবগত ছিলেন এবং সচেতনভাবে সেগুলি উপেক্ষা করে গিয়েছেন। এবং তাঁর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে লিপ্ত থেকেছেন। শুধু জ্যাকলিন নয়, এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরাও সুকেশে দ্বারা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    ইডির দাবি, বিভিন্নসময় বিভিন্ন গল্প বানিয়েছেন জ্যাকলিন, সত্যি কথা বলেননি।  

    আরও পড়ুন: নৌসেনা পাচ্ছে নতুন নিশান! শুক্রবারই উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  

    গত সপ্তাহে এই মামলায় এই মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছিল ইডি। যদিও অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হয়েছে জ্যাকলিনকে। সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এই মামলার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন জ্যাকলিন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যতবার তাঁকে ডাকা হয়েছে, প্রতিবার হাজিরা দিয়েছেন তিনি। আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্তের স্বার্থে সবধরনের তথ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন জ্যাকলিন। কিন্তু তিনি যে প্রতারিত, তা মানতে চাইছেন না আধিকারিকরা। জ্যাকলিন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।”   

    গত ১৭ অগাস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছিল, সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের তোলাবাজির প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে ৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি  ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।  

    আপাতত অস্বস্তিতে বলিউড সুন্দরী। ২১৫ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। প্রধান অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে এই মামলার চার্জশিট জমা হয়েছিল আগেই। তাঁর সঙ্গে জ্যাকলিনের প্রেমের গুঞ্জনও ছিল। দুজনের ঘনিষ্ঠ ছবিও ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে। সন্দেহভাজনদের তালিকায় আগেই সামিল হয়েছিল জ্যাকলিনের নাম। এবার চার্জশিট জুড়েও তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Supreme Court on PMLA: পিএমএলএ আইন নিয়ে আগের রায় পর্যালোচনায় সুপ্রিম কোর্ট, বিবেচনায় দুটি ধারা 

    Supreme Court on PMLA: পিএমএলএ আইন নিয়ে আগের রায় পর্যালোচনায় সুপ্রিম কোর্ট, বিবেচনায় দুটি ধারা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মাসেই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) ক্ষমতাকে (PMLA) ছাড়পত্র দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সেই রায়ের বিরোধীতা করেছিল দেশের বিরোধী দলগুলি। সুপ্রিম কোর্টের ইডিকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বিষয়টিকে পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানিয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদম্বরম। এবার আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ক্ষমতা বহাল রাখার রায় পুনর্বিবেচনা (Review) করতে সম্মত হল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন অনুসারে রায়ের দুটি বিষয় রয়েছে। একদিকে যেমন ইডির গ্রেফতারির সময় প্রতিক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইসিআইআরের অনুলিপি দেখানো বাধ্যতামূক নয়। তেমনি অন্যদিকে, অভিযুক্তকে নির্দোষ প্রমাণের সুযোগ। এই দুইটি বিষয় সামনে রেখে আগের রায় পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২৯ অগাস্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে ২৫টি সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলার শুনানি শুরু 

    ইডির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কিছুদিন আগেই বিরোধী দলগুলি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। ইডির বিরুদ্ধে সেই মামলায় সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রেই ইডি গ্রেফতারের সময় ইসিআইআরের অনুলিপি অভিযুক্ত বা অভিযুক্তের আইনজীবীকে দেখাচ্ছেন না বলে অভিযোগকারীরা আদালতে জানিয়েছিলেন। এবার এই ইসিয়াইআর কী? ইসিআইআরের অনুলিপি হল এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট। ইডির ইসিআইআর অনেকটাই পুলিশের এফআইআরের মতো। এছাড়া ইডির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগও করা হয়েছিল। পাশাপাশি বিরোধীরা এও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতে ক্ষমতা অপব্যবহার করছে ইডি। 

    ইডির ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিমকোর্টে ২৪০টির বেশি পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল দেশমুখ, কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদাম্বরম ইডির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন দেশের আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট জনেরা। ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি এএম খানইউলকরের বেঞ্চ ইডির ক্ষমতার পক্ষে রায় দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: অসাংবিধানিক! ১৯৮৮ সালের বেনামি লেনদেন আইনের একটি ধারা বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট 

    সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছিল, কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার আগে তাঁকে ইডির তরফে কেস ইনফরমেশন কপি (ECIR) দেওয়ার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। আরও বলা হয়েছিল অভিযুক্তকে দোষী প্রমাণ করার কোনও দায় নেই তদন্তকারী সংস্থার। বরং অপরাধীকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে। এই দুটি নির্দেশই পুনরায় বিবেচনা করে দেখা হবে এদিন পুনর্বিবেচনা করা হবে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, “এই দুটি প্রাথমিক বিষয়ের পুনর্বিবেচনা করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Coal Smuggling Case: এবার কয়লাপাচার মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা আইপিএস সেলভা মুরুগানের

    Coal Smuggling Case: এবার কয়লাপাচার মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা আইপিএস সেলভা মুরুগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের কিছুদিন আগেই কয়লাপাচার কেলেঙ্কারি (Coal Smuggling Scam) নিয়ে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। তদন্ত করতে ময়দানে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এই মামলায় গ্রেফতারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। ৮ আইপিএস কর্তাকে (IPS Officers) তলব করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ইতিমধ্যেই ইডির দিল্লির হেড কোয়ার্টারে হাজিরা দিয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং ও কোটেশ্বর রাও। এবার হাজিরা দিলেন আইপিএস সেলভা মুরুগান (Selva Murugan)।

    আরও পড়ুন: কয়লাপাচার মামলায় কোটেশ্বর রাও- এর পর এবার শ্যাম সিং- কে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ইডি দফতরে পৌঁছেছেন সেলভা মুরুগান। বর্তমানে তিনি পুরুলিয়ার এসপি। এই নিয়ে পরপর দু দফায় ওই জেলার পুলিশ সুপার পদে রয়েছেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই একই পদে ছিলেন সেলভা মুরুগান। ভোটের সময় তাঁকে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হলেও, ফের একই পদে নিযুক্ত হন ২০১০ সালের ব্যাচের ওই আইপিএস। 

    ইডি গোয়েন্দাদের দাবি, কয়লাপাচারের মূল হোতা লালার অফিস থেকে পাওয়া ডায়েরীতে এই পুলিশ কর্তার নামের উল্লেখ ছিল। এই বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন কিনা, বা জানলেও এই অপরাধের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা, আইপিএসকে মূলত এই প্রশ্নই করবেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা বলে ইডি সূত্রের খবর। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    রাজ্যের পশ্চিমের জেলা গুলির সঙ্গে কয়লাপাচারের যোগ পেয়েছে ইডি। লালার লোকজন কী ভাবে পুলিশ ও প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে কয়লাপাচার করত মূলত সেই রহস্যই উন্মোচন করতে চায় ইডি। তাই ওই সব জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে যাঁরা ছিলেন বা আছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন গোয়েন্দারা।   

    ইডি সূত্রে খবর, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে অনেক পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধেই। লরি করে কয়লা পাচার হত পুলিশের চোখের সামনেই এমন অভিযোগও রয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। পুলিশ চাইলেই পাচার আটকাতে পারতেন বলে মনে করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইডির দাবি, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে টোকেন নম্বর দেওয়া থাকত, আর তা দেখে ছেড়ে দেওয়া হত কয়লার গাড়ি। অভিযোগগুলিতে কতটা সত্যতা আছে এখন তাই খতিয়ে দেখতে চায় ইডি। 

    মুরুগান ছাড়াও আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিং, রাজীব মিশ্র, সুকেশকুমার জৈন, শ্যাম সিং, কোটেশ্বর রাও, তথাগত বসু ও ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছে। জ্ঞানবন্ত সিং হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। হাজিরার জন্যে ইডির কাছে সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। শ্যাম সিং ও কোটেশ্বর রাও ইতিমধ্যে হাজিরা দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Jacqueline Fernandez: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    Jacqueline Fernandez: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুকেশ চন্দ্রশেখরের অর্থ তছরুপ মামলায় নাম জড়াল অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez)। ইডির দায়ের করা অভিযোগপত্রে রয়েছে অভিনেত্রীর নাম। দিল্লির একটি আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। এর আগেও অর্থ তছরুপ (extortion) মামলায় অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের (Conman Sukesh Chandrashekar) সঙ্গে সম্পর্কে থাকার কারণে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই একাধিকবার ইডি জ্যাকলিনকে তলব করেছে। অভিনেত্রীর কনম্যানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি বেশ কিছুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু এই বিষয়ে কখনই নিজের মুখে কিছু স্বীকার করেননি জ্যাকলিন।

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে, তাঁর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল একটি প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করেছেন। সেখানে উল্লেখ করা রয়েছে যে জ্যাকলিন এখনও অভিযোগের কোনও অফিসিয়াল কপি পাননি। তিনি বলেন, “ইডি যে অভিযোগ ফাইল করেছেন সেই ব্যাপারে তথ্য আমরা কেবল মিডিয়ার মাধ্যমেই পেয়েছি। আদালত বা ইডি, কারও তরফেই কোনও অফিসিয়াল যোগাযোগ করা হয়নি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা কোনও অভিযোগের অফিসিয়াল কপি পাননি আমার মক্কেল। তবে যদি মিডিয়ার রিপোর্ট সত্যি হয়, তাহলে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমার মক্কেলকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপোশ করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও  

    এখনই জ্যাকলিনকে গ্রেফতার করতে পারবে না ইডি। তবে দেশের বাইরে যেতে পারবেন না অভিনেত্রী। জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের হেয়ার ড্রেসারের মাধ্যমেই যোগাযোগ হয় দুজনের। প্রথমে কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের পাঠানো মেসেজের উত্তর দেননি জ্যাকলিন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর হেয়ারড্রেসারের মাধ্যমে অভিনেত্রীর কাছে পৌঁছন। নিজের পরিচয় দিয়ে সুকেশ বলেছিলেন যে, তিনি একটি টিভি নেটওয়ার্ক এবং একটি জুয়েলারি ব্র্যান্ডের মালিক। ইডি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিনেত্রী তখনও জানতেন যে তিহার জেল থেকে ফোনগুলি করতেন সুকেশ। 

    অভিনেত্রী নিজের বয়ানে জানিয়েছেন, সুকেশ চন্দ্রশেখর প্যারোলে বের হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রীর মাত্র দুবার দেখা হয়েছিল। ভিডিও কলের মাধ্যমেই কথা হত তাঁদের। এই ভিডিও কল করা হল তিহার জেল থেকেই। 

    এর আগে একাধিকবার অভিনেত্রীকে তলব করেছে ইডি। চলতি বছরের জুন মাসে শেষবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। অভিনেত্রীর সাত কোটি ২৭ লক্ষের সম্পত্তি এবং ১৫ লক্ষ নগদ টাকার সঙ্গে আর্থিক তছরুপ মামলার যোগ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। একটি বিবৃতিতে ইডি জানায়, “জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে পাঁচ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার উপহার দিয়েছেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। প্রতারণার টাকা দিয়েই ওই উপহার কেনা হয়েছিল।” পাশাপাশি, এও জানানো হয়েছিল যে সুকেশের দীর্ঘদিনের সহযোগী পিঙ্কি ইরানির মাধ্যমেই অভিনেত্রীকে উপহার পাঠাতেন সুকেশ। এই উপহারের তালিকায় ৫২ লক্ষ টাকার ঘোড়া, নয় লক্ষ টাকার পার্সিয়ান ক্যাট সহ আরও অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র রয়েছে। এছাড়াও সুকেশ Gucci এবং Chanel -এর একাধিক ব্যাগ ও পোশাক দিয়েছিলেন জ্যাকলিনকে। পাশাপাশি, এক চিত্রনাট্যকারকে ওয়েব সিরিজ লেখার জন্য জ্যাকলিনের হয়ে ১৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া জ্যাকলিন নিজে জানিয়েছেন লুই ভিতন, ডিওর – এর মতো বহুমূল্য সামগ্রী, মিনি কুপার গাড়ি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। 

    দিল্লির এক ব্যবসায়ী চেন্নাই-এর বাসিন্দা সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, এক বছরে তাঁর থেকে ২০০ কোটি টাকা প্রতারণা করেছে সুকেশ চন্দ্রশেখর। সেই মামলাতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। গত ৩০ অগাস্ট ইডির দফতরে প্রায় ৫ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল জ্যাকলিনকে। জ্যাকলিনের সঙ্গে কথা বলে ইডি-র হাতে আসে বহু জরুরি তথ্য। সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ২০০ কোটি টাকার প্রতারণায় গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, এই ব্যক্তির কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকার বহুমূল্য উপহার পেয়েছিলেন জ্যাকলিন।  

  • Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার কাণ্ডে সোমবার দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) সদর দফতরে হাজিরা এড়ালেন রাজ্য পুলিশের এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং (ADG STF Gyanwant Singh) ৷  এ দিন সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। 

    এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং-কে এর আগেও দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল। ইডির দফতরে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। ইডি সূত্রের খবর, বাংলায় যখন রমরমিয়ে কয়লাপাচার চক্র কাজ চালাচ্ছিল, সেই সময় রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে ছিলেন এই জ্ঞানবন্ত। তাঁর নজর এড়িয়ে কীভাবে কোটি কোটি টাকার কয়লাপাচার হল, তা জানতে চাইছে ইডি ৷ সূত্রের খবর, কয়লাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জেরা করেই জ্ঞানবন্তের নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপরই তাঁকে তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে

    শুধু জ্ঞানবন্ত নয়, রাজ্যের মোট আটজন আইপিএস অফিসারকে তলব করেছে ইডি। যাঁদের তলব করা হয়েছে, সেই তালিকায় জ্ঞানবন্ত ছাড়াও রয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং, রাজীব মিশ্র, তথাগত বসু, সুকেশ জৈন, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, এস সেলভামুরুগন ও কোটেশ্বর রাও। তাঁরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন ওই সময় কোনও না কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এদের মধ্যে কেউ সেই সময় ছিলেন ডিআইজি, কেউ আইজি, কেউ পুলিশ সুপার। তাঁরা কি কয়লা পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিলেন? পুলিশ আধিকারিকদের সামনে দিয়ে কী ভাবে পাচার হত? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    জ্ঞানবন্ত পশ্চিমাঞ্চলের আইজিও ছিলেন। পশ্চিমাঞ্চলের বিরাট এলাকা জুড়ে এই কয়লা চুরি রমরমিয়ে চলে বলে জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসারেরা। কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে কয়লাপাচার হল? দায়িত্ববান পুলিশ আধিকারিক হয়েও কেন আইনি পদক্ষেপ নেননি তিনি? কয়লাপাচার হচ্ছে, এই খবর তিনি কি জানতেন না? এমন একাধিক প্রশ্ন রয়েছে ইডির কাছে, বলে খবর। এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

  • Partha-Arpita: জেলে খাট পেলেন পার্থ! কেমন কাটছে পার্থ- অর্পিতার জেলের জীবন, জানেন কী?

    Partha-Arpita: জেলে খাট পেলেন পার্থ! কেমন কাটছে পার্থ- অর্পিতার জেলের জীবন, জানেন কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ঘুমোনোর জন্য জেলে খাট পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। শুক্রবার পার্থ – অর্পিতাকে (Arpita Mukherjee) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তারপর কেটে গেল দ্বিতীয় রাতও। প্রেসিডেন্সি জেলের ২ নম্বর সেলে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তাঁর জন্য জেলে আনা হয়েছে খাট। জেলে প্রথম রাতে শোয়ার জন্য কম্বল দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তিনি মাটিতে অর্থাৎ মেঝেতে শুয়ে ঘুমোতে পারেননি। তাই তাঁকে খাট দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে জানানো হয়েছিল। এরপরেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে একটা খাট দেওয়া হয়েছে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে। এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরেও তাঁকে কীভাবে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    শুধু খাটই নয়, তাঁর জন্য রয়েছে খাবারের বিশেষ সুবিধাও। শুক্রবার রাতে তাঁর জন্যে খাবারের মধ্যে ছিল রুটি, ডাল, সবজি। শনিবার সকালে জলখাবারে খেয়েছেন মুড়ি, চা, বিস্কুট। আর দুপুরে খেয়েছেন ভাত, ডাল, মাছ, সবজি। তবে কেন তাঁকে খাট দিয়েছে, এই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, ভারী চেহারার কারণেই মেঝেতে বসা, শোওয়া তাঁর পক্ষে কষ্টকর। ফলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে যেন একটা চেয়ার বা খাট দেওয়া হয়, এই নিয়ে আবেদন করা হয়। এরপর তাঁকে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে খাট দেওয়া হয়। এমনকি জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সেলের শৌচাগারে ছিল কমোড। তাই মাটিতে বসতে না পারায় শুক্রবার রাতে সেই কমোডের উপরে বসেই কাটাতে হয় মন্ত্রীকে। এরপরেই গতাকাল তাঁকে খাট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে অর্পিতার! কী বিশেষ নির্দেশ দিলেন বিচারক?

    অন্যদিকে অর্পিতাকে আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারের ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তাঁকে শুক্রবার সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ জেলে আনা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে বাড়তি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, খুবই মনখারাপ করে বসে থাকছে অর্পিতা। মাঝে মাঝে কান্নাকাটিও করছে। অর্পিতার প্রাণহানির আশঙ্কা আছে বলে জানায় ইডি। তাই জেলের মধ্যেও তাঁর জন্য বিশেষ নিরাপত্তাকর্মীর ব্যবস্থা করা হয়েছে ও কোনও খাবার দেওয়ার আগেও সেটি চেক করে নেওয়া হচ্ছে।

     

  • Enforcement Directorate: ইয়েস ব্যাঙ্ক- ডিএইচএফএল দুর্নীতি কাণ্ডে ৪১৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি 

    Enforcement Directorate: ইয়েস ব্যাঙ্ক- ডিএইচএফএল দুর্নীতি কাণ্ডে ৪১৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়েস ব্যাঙ্ক ডিএইচএফএল (Yes Bank- DHFL Scam) দুর্নীতি মামলায় ৪১৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এর মধ্যে রয়েছে সঞ্জয় ছাবড়িয়ার ২৫১ কোটি টাকার সম্পত্তি এবং অবিনাশ ভোসলের ১৬৪ কোটি টাকার সম্পত্তি। 

    অর্থ তছরুপ অ্যাক্ট, ২০০২ -এর অধীনে এই দুইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ইডি। ইডির ধারণা এই সম্পত্তির পরিমাণ যাবে ১,৮২৭ কোটি টাকা অবধি। 

    আরও পড়ুন: পার্থর বাড়িতে নথির ফাইলটি তল্লাশির আগে রেখে এসেছিলেন কে? ‘ষড়যন্ত্র’?

    সঞ্জয় ছাবড়িয়ার যে সম্পত্তিগুলি রয়েছে, সেগুলি মূলত জমি বা ফ্ল্যাট। মুম্বইয়ের স্যান্টাক্রুজে ১১৬.৫ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে সঞ্জয়ের। এতে সঞ্জয়ের কোম্পানির ২৫% ইক্যুইটি শেয়ার রয়েছে। মুম্বইয়ে ৩ কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। দিল্লি বিমান বন্দরের কাছে একটি ১৩.৬৭ কোটি টাকার একটি হোটেল রয়েছে। মোট ৩.১০ কোটি টাকা মূল্যের তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে তাঁর। 

    অবিনাশ ভোসলের বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ১০২.৮ কোটি টাকা মূল্যের মুম্বইয়ের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। পুনেতে একটি ১৪.৬৫ কোটি টাকা এবং একটি ২৯.২৪ কোটি টাকার জমি। এছাড়াও নাগপুরে ১৫.৫২ কোটি টাকার এবং ১.৪৫ কোটি টাকার দুটি জমি। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    ইতিমধ্যেই ইডি ইয়েস ব্যাঙ্কের রানা কাপুর এবং ডিএইচএফএলের কপিল ওয়াধাওয়ান এবং ধীরাজ ওয়াধাওয়ানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এদের তিনজনের বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছিল এফআইআর। অভিযোগ ছিল, ইয়েস ব্যাঙ্কের রানা কাপুর অন্যায়ভাবে 
    ডিএইচএফএলকে অর্থ সাহায্য করেছেন এবং ওই কোম্পানি থেকে বিপুল সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। 

    ইডির দাবি রানা কাপুর ও বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে মিলে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। যেমন ডিএইচএফএল আবাসন ক্ষেত্রে টাকা লগ্নি করত। ভারতে আবাসন শিল্পের সংকটের সঙ্গে এই কোম্পানির দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঘটনা অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। ডিএইচএফএল ৩৭০০ কোটি টাকা ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছিল। এরাই আবার রানা কাপুরের এক কন্যার পরিচালিত সংস্থাকে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়। কাপুর কন্যা মাত্র ৪০ কোটি টাকার একটি জমি জামানত রেখে এই টাকা পায়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের বক্তব্য অনুযায়ী জামানত রাখা ওই সম্পত্তিটার মধ্যেও জালিয়াতি আছে। কারণ সেখানে কাগজের হেরফের করে কৃষিজমিকে রেসিডেন্সিয়াল প্লট হিসেবে দেখানো হয়েছে। আবার এই ডিএইচএফএল ও ইয়েস ব্যাঙ্কের যৌথ দায়িত্বে ছিল উত্তরপ্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের কর্মীদের এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড। সেখানে ২২৬৭ কোটি টাকার গরমিল ধরা পড়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক লাটে ওঠার কিছুদিন আগে রানা কাপুরের স্ত্রী বিন্দু কাপুর ৩৭৮ কোটি টাকা দিয়ে গৌতম থাপারের (অজন্তা রিয়েলিটি লিমিটেড) এর কাছ থেকে একটি বাড়ি কেনেন। এই বাড়িটি আবার ইয়েস ব্যাঙ্কের কাছে মর্টগেজ রাখা ছিল। থাপারের কাছ থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা পাওয়ার পরে ইয়েস ব্যাঙ্ক সম্পত্তিটিকে মুক্ত করে। কিন্তু এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কাগজপত্র দেখিয়ে প্রমাণ করেছে এই সম্পত্তি দেখিয়ে থাপার গ্রুপ দু’দফায়  ইয়েস ব্যাঙ্কের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। 

    ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে রানা কাপুর ৭৮টি শেল কোম্পানির মালিক এবং রানা কাপুরের তিন কন্যা ৪২টি কোম্পানির ডিরেক্টর যার অনেকগুলিই কোম্পানি আইনে রেজিস্ট্রি করা নয়। তার ৪২,০০০ কোটি টাকার অনাদায়ী ঋণের মধ্যে ২০,০০০ কোটি টাকা স্বয়ং রানা কাপুর নিজের সিদ্ধান্তে বিভিন্ন কোম্পানিকে ঋণ দিয়েছিলেন। 

  • ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে মঙ্গলবার দিনভর শহরের মোট ৬টি জায়গায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার সকালেই ফের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে ইডি (ED) আধিকারিকদের চারটি দল অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। একটি দল যায় গড়িয়াহাট (Gariahat) এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road)। দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ (Madurdaha) এবং তৃতীয় দল বরানগরে (Baranagar) যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে (Patuli)। 

    দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis) নামের অভিজাত আবাসনে অভিযান চালায় ইডি-র একটি দল। ইডি সূত্রে খবর, ওই আবাসনের ছ’নম্বর ব্লকের ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও খাতায়কলমে ফ্ল্যাটটি অন্য এক ব্যক্তির নামে। ইডি সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটটি ওম ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত করা আছে। 

    তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, কলকাতার কোনও এক নামজাদা শিল্পপতির কাছ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এই ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ২০১৫-১৬ সাল নাগাদ, যে সময়ে তিনি আসীন ছিলেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রীর পদে। দক্ষিণ কলকাতার এই বন্ধ ফ্ল্যাটটিতেও কোটি কোটি টাকা লুকিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    দীর্ঘ চেষ্টা করেও ঝুনঝুনওয়ালা নামে সেই ব্যক্তির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের খবর। স্বাভাবিকভাবেই ইডি এখন তাঁর খোঁজ শুরু করেছে। ওই ফ্ল্যাট বেনামে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছে, কয়েকমাস ধরে তালাবন্ধ ওই ফ্ল্যাটের মালিক। যদিও ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সূত্রে পণ্ডিতিয়া রোডের এই ফ্ল্যাটটি ব্যবহার করতেন অর্পিতা। আপাতত, ফ্ল্যাটটি সিল করে দিয়েছে ইডি।

    এই আবাসনের পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা একাধিক নেল আর্টের (nail art) দোকানে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতা ও পার্থর নামে থাকা বেলঘরিয়ার (Belghoria) ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এই সব নেইল আর্ট শপ সম্পর্কে জানতে পারেন ইডি আধিকারিকরা৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এ দিন ৬টি জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা৷ 

    একটি দল আসে দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে পালকি রেস্টুরেন্টের উল্টো দিকে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারে। এদিন পাটুলির ‘ম্যাজিক টাচ, দ্য নেল প্লেস’ দোকানটিতে অভিযান করেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন সেই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ দাসকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের ধারণা, নেল আর্টের দোকান কিনতে বা ভাড়া নিতে সাহায্য নেওয়া হয়েছিল কাউন্সিলরের। যদিও প্রসেনজিতের দাবি, দোকান কেনা বা লিজের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। তবে কিছু নথিপত্র সম্ভবত পাওয়া গিয়েছে। প্রয়োজনে সেটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যেতে পারেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    পাটুলির পাশাপাশি বরানগর, লেক গার্ডেন্স এবং লেক ভিউ রোডের নেল আর্ট স্টুডিওতেও তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, মাঝে মধ্যেই এই শপগুলিতে যেতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়৷ বরানগর ও লেক ভিউ-র পার্লার থেকেও নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। লেকভিউ পার্লারটি বেশ কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল। দুপুরে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছলেও পার্লার বন্ধ থাকায় তাঁরা অপেক্ষা করতে থাকেন। এরপর পার্লারের ম্যানেজার এসে পার্লারটি খুলে দেন। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথির পাশাপাশি সিসিক্যামেরার হার্ডডিস্কও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। 

    বরানগরে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারেও চলে তল্লাশি। সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে৷ যেগুলি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে৷ সেই সব কাগজগুলিকে কেন্দ্রীয় সংস্থা বাজেয়াপ্ত করেছে৷ তবে, নেইল আর্ট শপগুলিতে কোনও টাকা বা মূল্যবান সামগ্রী এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে৷ 

    অন্যদিকে, মাদুরদহের ওম ভিলা আবাসনেও তল্লাশি অভিযানে যান ইডি-র আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, এখানে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি জমি ছিল। যেখানে কয়েকজন ফ্ল্যাটও কেনেন বলে খবর। সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হয় মাদুরদহে। ফ্ল্যাটের পরিচারিকা এবং কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। একইসঙ্গে কেন্দুয়া মেন রোড সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি।

    আরও পড়ুন: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

  • Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মুখে বলতে শোনা গিয়েছিল, “টাকা আমার নয়…।” রবিবার জোকা ইএসআই (Joka ESI) হাসপাতালের সামনে এই মন্তব্য করেছিলেন এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের (TMC) সাসপেন্ডেড নেতা। এবার মঙ্গলবার, মুখ খুললেন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। আর প্রথমেই করে বসলেন বিস্ফোরক অভিযোগ। 

    আদালতের নির্দেশে এদিন নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থ-অর্পিতাকে নিয়ে আসা হয়েছিল জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানেই মুখ খোলেন তিনি। এতদিন মুখ না খুললেও, প্রকাশ্যে কাঁদতে ও হাত-পা ছুড়তে দেখা গিয়েছে অর্পিতাকে। কিন্তু, এদিন তিনি বললেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে টাকা ঢোকানো হয়েছে’। 

    আরও পড়ুন: পার্থ-অর্পিতার পর এবার কাকে জেরা করতে চলেছে ইডি, জানেন?

    এদিন সাংবাদিকরা অর্পিতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, টাকা কার? জবাবে তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং আমার অজান্তে এই টাকা ঘরে ঢোকানো হয়েছে।” অর্থাৎ তাঁর ডায়মন্ড সিটি ও বেলঘরিয়ার ক্লাব টাউনের ফ্ল্যাট থেকে যে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে তা তাঁর অজ্ঞাতসারে সেখানে কেউ বা কারা ঢুকিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করলেন অর্পিতা।

    এর আগে জেরা চলাকালীনও অর্পিতা একই কথা জানিয়েছিলেন। ইডি সূত্রের খবর, অর্পিতা জানিয়েছিলেন, বন্ধ ঘরে প্রবেশাধিকার ছিল না তাঁর। উল্লেখ্য, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১ কোটি টাকা। আর বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ২৯ কোটি টাকা এবং সোনা পেয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের হয়ে প্রচার অর্পিতার, প্রকাশ্যে ছবি, এর পরেও অস্বীকার করবে শাসক দল?

    আগের দিন যখন জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থবাবুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময়ে টাকার ব্যাপারে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার টাকা নয়।’ এবার একই কথা বললেন অর্পিতাও। অর্থাৎ, দু’জনের দু’দিনের বয়ান অনুযায়ী, অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া টাকা পার্থর নয়, অর্পিতারও নয়। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে টাকাটা কার? যদিও, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর এদিন দেননি অর্পিতা।

  • Partha Chatterjee: এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    Partha Chatterjee: এসএসসি-দুর্নীতির টাকা পাচার বাংলাদেশে? হাওয়ালা-যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Aprita Mukherjee)। দুর্নীতি কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মোট নগদের পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি। সোনা উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৫ কোটি মূল্যের। বৈদেশিক মুদ্রা ৫৮ লাখ টাকার। এছাড়াও প্রচুরও নামে-বেনামে জমি, ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি, কোম্পানিরও হদিশ মিলেছে। সেগুলিও রয়েছে ইডি-র নজরে।

    এখন তদন্তের জালকে এখন আরও গভীরে নিয়ে যেতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। পার্থ-অর্পিতাকে (Partha-Arpita) জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখন তদন্তের গতিপ্রকৃতি আরও বিস্তৃত করতে চাইছে ইডি (ED)। বিশেষ করে, এই দুর্নীতির সঙ্গে হাওয়ালা-যোগ কতটা জড়িয়ে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। 

    এই মর্মে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ৩টি অ্যাকাউন্ট সিজ করে ইডি। শনিবার পার্থ-অর্পিতার একাধিক ভুয়ো সংস্থার ৮টি অ্যাকাউন্ট সিজ করা হয়েছে। পার্থ-অর্পিতা এবং তাঁদের অত্মীয়দের অ্যাকাউন্টেরও খোঁজ নিচ্ছে ইডি। এই অ্যাকাউন্টগুলিতে বিভিন্ন সময়ে বেআইনি টাকা পাঠানো হয়েছে। এমনকী হাওয়ালার মাধ্যমেও বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ। কারণ, অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা যে ভাবে শক্তপোক্ত খামে ভরে ‘স্কচ টেপ’ দিয়ে প্যাক করা ছিল, তা যে সচরাচর হাওয়ালায় পাচারের জন্য করা হয়, সেটাও গোয়েন্দারা বুঝেছেন। 

    আরও পড়ুন: এবার ইডি-র নজরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন নামে থাকা পার্থ-অর্পিতার একাধিক জমি?

    এই প্রেক্ষিতে ইডি জানতে পেরেছে, বারাসাতের এক নামী টেক্সটাইল সংস্থার সঙ্গে যোগ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। বারাসাত ছাড়াও, ওই সংস্থার আরেকটি তিনতলা মল রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র গড়িয়াহাটের (Gariahat) কাছে হিন্দুস্তান পার্কে (Hindustan Park)। সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল ওই সংস্থার। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার (Naktala) পুজোতে বিপুল অঙ্কের টাকা দিত বলে জানা গেছে। আবার ওই সংস্থার একাধিক অনুষ্ঠানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। ইডি জানতে পেরেছে, এই সংস্থা থেকে প্যাকেট প্যাকেট দামী শাড়ি কিনে আনতেন পার্থ।

    কিন্তু, কেন ইডি-র নজরে এই সংস্থা?

    এই বিপণি সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বেশ ভালো বলে উঠে এসেছে। প্রতিবেশী দেশেও এই সংস্থার মালিকের প্রায়ই আনাগোনা লেগে থাকার খবর মিলেছে। তার প্রমাণ হল, মুজিবর রহমানের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে একটি চটের ব‍্যাগ উন্মোচন করা হয়েছিল ওই বিপণি সংস্থার তরফে। সংস্থার সেই অনুষ্ঠানেও আবার উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ বর্তমানে, অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির আবাসনে ইডির তল্লাশির সময় মিলেছিল সেই ব্যাগ। 

    ইডির গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, একাধিক সময় সংশ্লিষ্ট বিপণি সংস্থায় বিনিয়োগ করতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর এই বিনিয়োগ করার তথ্য সামনে আসার পরেই এই ঘটনায় আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডি-র সন্দেহ, ওই বিপণি সংস্থার মাধ্যমেই বিপুল পরিমাণ টাকা বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হয়েছে৷ 

    আরও পড়ুন: বেনামি ফ্ল্যাটের ‘মালকিন’ অর্পিতা, ভিজিটরদের নাম-ধাম জানতে কেন নিষেধ ছিল নিরাপত্তাকর্মীদের?

    ইডি-র আরও সন্দেহ, টাকার একাংশ দিয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) বেনামে জমি-বাড়ি (Benami properties) কেনা হয়ে থাকতে পারে। ফলে বারাসতের (Barasat) ওই বিপণি সংস্থার সঙ্গে কথা বলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গোয়েন্দাদের কাছে৷ শোনা যাচ্ছে, প্রয়োজনে ওই টেক্সটাইল কোম্পানিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি।

    এদিকে, এই ঘটনায় তুমুল আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশেও। বিশেষ করে, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahaman) ছবি উঠে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাটে বিপুল অঙ্কের টাকা পাওয়ার ঘটনায় নড়ে বসেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও (Bnagladesh Intelligennce Agencies)। বস্তুত প্রথম দিন থেকেই পার্থর বাংলাদেশ যোগের তদন্ত শুরু করে দেন সে দেশের গোয়েন্দারা। 

    ইতিমধ্যেই, পার্থ-ঘনিষ্ঠ কয়েক জনকে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা চিহ্নিত করেছেন, সন্দেহ যাঁরা পার্থর স্বার্থে কাজ করেছেন। এই তালিকায় যেমন এক জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার এক জন সদস্য রয়েছেন, রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ‘কাছের লোক’ বলে পরিচয় দেওয়া প্রাক্তন এক সেনাকর্তাও।

LinkedIn
Share