Tag: Enforcement Directorate

Enforcement Directorate

  • ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    ED Raid: ছেলে সমুদ্রকে সঙ্গে নিয়ে সুজিতের দফতরে হানা ইডির, কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে চালাতেই এবার উল্টোদিকে সুজিত বসুর (Sujit Bose) দফতরেও হানা দিল ইডি (ED Raid)। মন্ত্রী-মুত্রকে নিয়ে উল্টোদিকের ফ্ল্যাটে থাকা দফতরে পৌঁছে গেল ইডি। সেখানও চলে তল্লাশি।

    ১১ ঘণ্টা পার, এখনও চলছে তল্লাশি

    ১১ ঘণ্টা পার হতে চলল। এখনও রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়িতে চলছে ইডি-র ম্যারাথন তল্লাশি (ED Raid)। সঙ্গে চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। সেই সকাল থেকেই মন্ত্রীমশাইয়ের বাড়ির মধ্যেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। তবে, তার মধ্যেই, একবার দেখা মিলেছিল বিকেলে। এদিন বিকেল সওয়া ৪টে নাগাদ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্রকে নিয়ে মন্ত্রীর পুরনো বাড়ি থেকে বের হয় ইডির কয়েকজন আধিকারিক। গন্তব্য ২০০ মিটার দূরে শ্রীভূমি ক্লাবের উল্টোদিকে একটি বহুতল। জানা যায়, ওই বহুতলের একটি ফ্ল্যাটে সুজিত বসুর দফতর রয়েছে। সেখানে তিনি মাঝেমধ্যে বসেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কী বললেন মন্ত্রী-পুত্র?

    এদিকে, সমুদ্র বাড়ি থেকে বের হতেই তাঁকে ছেঁকে ধরেন সাংবাদিকরা। প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও, পরে তিনি প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “এ ব্যাপারে কিছু এখন বলা যাবে না। ওনারা তদন্ত করছেন। তদন্ত চলতে দিন। তারপর যা সামনে আসার আসবে। আমাদের তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে।” সমুদ্র বাড়ি থেকে বেরোতেই সুজিতের অনুগামীরাও আশপাশে ভিড় করেন। তাঁদের সবাইকে শান্ত থাকতে বলেন সুজিত বসুর ছেলে। তার পর ইডি অফিসারদের সঙ্গে বাবার (Sujit Bose) অফিসে ঢুকে যান।

    দিকে দিকে তল্লাশি ইডির

    পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারি তদন্তে এদিন একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি (ED Raid)। এদিন সকাল ৭টা নাগাদ, লেকটাউনের শ্রীভূমি ক্লাবের পাশে থাকা সুজিত বসুর (Sujit Bose) জোড়া ফ্ল্যাটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। দুটি ফ্ল্যাটে হানা দেয় দুটি পৃথক দল। সুজিত বসু ছিলেন নতুন বাড়িতে। মন্ত্রীর বাড়ি বাইরে থেকে ঘিরে ফেলে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে সতর্ক বাহিনীও। জটলা দেখলেই সরিয়ে দিচ্ছেন জওয়ানরা। 

    সুজিত বসুর (Sujit Bose) বাড়ি ছাড়াও আরও ২ জায়াগায় এদিন একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি (ED Raid)। বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায়ের বউবাজারের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই ২ জায়গাতেও তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    Shankar Auddy: তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা, নথি উদ্ধার করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শক্রবার টানা ১৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির হাতে গ্রেফতার বালু ঘনিষ্ঠ বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Auddy)। রাতেই নিয়ে আসা হয়েছে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। উল্লেখ্য বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে বের করার সময়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের উপর ব্যাপক চড়াও হয়। 

    আবার, একই ভাবে গতকাল শুক্রবার সন্দেশখালিতে ইডি, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে অফিসারদের মাথা ফাটানোর ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় রাজ্যজুড়ে। প্রশাসনের জঙ্গলরাজ বলে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য রাজনীতি এখন ব্যাপক সরগরম।

    ইডির দাবি (Shankar Auddy)

    তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) উদ্দেশ্য করে গতকাল সকাল ৭ টা থেকে বনগাঁর শিমুলতলায় শ্বশুর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর তাঁর বাড়িতে চলে অভিযান। মোট সাতজন তদন্তকারী অফিসার গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া চালান। এরপর ফের আরেকবার তাঁর শ্বশুরের বাড়ি যান অফিসারেরা। সেখানে চলে রাত সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত তাল্লাশি। ইডি দাবি করে, সেই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সাড়ে আট লক্ষ টাকা। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত সন্দেহ জনক নথি। এরপর আবার তাঁকে নিজের বাড়িতে এনে রাত সাড়ে ১২ টায় গ্রেফতার করে ইডি। আজ তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    গ্রেফতারের পর বিক্ষোভ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা শঙ্করকে (Shankar Auddy) রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে বাড়ি থেকে বের হলে তাঁর অনুগামী এবং দুষ্কৃতীরা তদন্তকারী অফিসারদের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। একেবারে মহিলারা সামনে গিয়ে, তাঁকে নিয়ে যেতে বাধা প্রদান করতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ইডিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট। চলে লাগাতার গালিবর্ষণ, পালাটা নিরাপত্তা বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    পরিবারের বক্তব্য

    তৃণমূলের নেতা শঙ্করের (Shankar Auddy) স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্য বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলার সভাপতি ছিলেন। দলের কাজে আমরা যেতাম। তিনিও আসতেন, তাই বলে গ্রেফতার করতে হবে? তদন্তকারী অফিসারেরা ব্যবসার কাগজপত্র দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর একটা কাগজ দেখিয়ে বলে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিঠি এটা আর তার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করেছে ওঁকে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতার পুলিশই জানিয়ে দেয়, ইডি আসছে”, শাহজাহানকাণ্ডে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতার পুলিশই জানিয়ে দেয়, ইডি আসছে”, শাহজাহানকাণ্ডে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আজ শুক্রবার বেলডাঙায় সভা করে রাজ্য সরকারের আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে। আর এই জঙ্গলরাজকে শেষ করতে গেলে সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব চ্যানেলের পর্দায় সকাল থেকে একটাই খবর, শেখ শাহজাহান! শেখ শাহজাহান! তিনি কে? তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আশ্রিত দুষ্কৃতী।” দুর্নীতির বিরুদ্ধে যাতে তদন্ত না করতে পারে, সেই জন্যই ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মাফিয়ারা দৌরাত্ম্য এবং তাণ্ডব চালায় আজ।

    কী বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সন্দেশখালিতে রেশন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শাহজাহানের আশ্রিত তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি ব্যবস্থা, সাংবিধানিক ব্যবস্থার উপর আঘাত করা হয়েছে। রাজ্যে সাংবিধানিক কোনও বডি সুরক্ষিত নেই। রাজ্যে তৃণমূল দুর্নীতির পাহাড় নির্মাণ করে চাকরি চুরি, মাটি চুরি, বালি চুরি, কয়লা চুরি, রেশন চুরি করেছে। জেলে বন্দি প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী বালুবাবু গরিবের চাল, গম, আটা-রেশন খেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি এই রেশন দুর্নীতির তদন্তে বালুর সঙ্গে শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ইঙ্গিত পেয়ে সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিল। অবশ্য মমতা পুলিশ আগে থেকে জানিয়ে দিয়েছে যে আসছে ইডি, বাঁচাতে পারবে না দিদি, তাই পালা তাড়াতাড়ি। এরপর দরজায় তালা লাগিয়ে শাহজাহান পালিয়েছেন। এরপর তদন্তকারী অফিসারেরা তালা ভাঙতে গেলে আক্রমণ করে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী। ইডির অফিসারদের মাথা ফেটেছে, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনজন আধিকারিক গুরুতর আহত এবং এখনও কয়েকজন নিখোঁজ। ফলে প্রমাণ হয়ে গেছে কেউ সুরক্ষিত নয়। সংবিধানের কোনও পদ এখানে সুরক্ষিত নয়।”

    কে শাহজাহান?

    তৃণমূলের প্রধান দুষ্কৃতী হলেন শাহজাহান (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু তাই বলেছেন, “২০১৯ সালে বিজেপির কর্মী তপন মণ্ডল সহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা। খুন করে সেই সময় বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ওই এলাকার মানুষের জমিকে জোর করে দখল করে নিয়েছেন। তাঁর দখল করা জমির পরিমাণ ১৩৯.১৭ বিঘা। এছাড়া তিনটে ট্রাস্টে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। ডক্টর স্বপ্নকুমার রায়চৌধুরির জমি অবৈধভাবে দখল করেছেন। আগে সিপিএম করতেন, তাঁর গুরু ছিলেন হার্মাদদের নেতা মুসলেম। এরপর তৃণমূলে যোগদান করে মাফিয়া হয়েছেন। এলাকার আম্ফানের ত্রাণ, আবাস যোজনার ঘর, শৌচালয়, একশো দিনের টাকা, মাছের চাষের ভেড়ি সব কিছু খেয়ছেন তিনি।”

    রাজ্যালকে কী আবেদন কিরলেন?

    ইডির তদন্তে বাধাপ্রদান এবং আক্রমণের ঘটনায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), মমতার সরকারকে নিশানা করে রাজ্যপালকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তিনি রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই। তাই রাজ্যপালের উচিত কেন্দ্র সরকারের কাছে হস্তক্ষেপ করার সুপারিশ করা। রাজ্যের আইনের রক্ষকরা ভক্ষক হলে, সংবিধানকে অমান্য করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজভবনের খোলা সহায়ক কেন্দ্রে অনেক মানুষের অভিযোগ জমা পড়েছে। কোনও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই সমস্যার সমাধান চেয়ে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের কথা বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan Wife: শাহরুখ খানের স্ত্রীকে ইডির তলব! সোশ্যাল মিডিয়াতে জোর জল্পনা

    Shah Rukh Khan Wife: শাহরুখ খানের স্ত্রীকে ইডির তলব! সোশ্যাল মিডিয়াতে জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল একটি খবর, শাহরুখ খানের স্ত্রীকে (Shah Rukh Khan Wife) তলব করছে ইডি। মুহূর্তেই এই খবর চারদিকে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ‘ডাঙ্কি’ মুক্তির আগে এই খবরে রীতিমতো সঙ্কট তৈরি হয়ে গিয়েছিল পরিবারে। অবশেষে এই সব অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করল ইডি। বিবৃতি দিয়ে তারা এমনটা জানিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভক্তদের অনুমান, এর পিছনে শাহরুখ খানকে কলঙ্কিত করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

    কী খবরে গুজব ছড়ায় (Shah Rukh Khan Wife)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত পোহালেই মুক্তি পাবে শাহরুখ খানের ডাঙ্কি। কিন্তু আগেই বিপত্তি নেমে এসেছিল। এই বলিউড অভিনেতার পত্নী গৌরি খানকে (Shah Rukh Khan Wife) ইডি তলব করছে বলে জানা গিয়েছিল। এমনকি তাঁকে নাকি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় নোটিশ পাঠানো হয়। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই এই খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। আরও বলা হয় ১৯ ডিসেম্বর তাঁকে ইডির পক্ষ থেকে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এই গুজব সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বক্তব্য প্রকাশ করে ঘটনার সত্যতা নিয়ে মন্তব্য করে।

    ইডির বক্তব্য

    উল্লেখ্য, গৌরী খান (Shah Rukh Khan Wife) ছিলেন তুলসিয়ান গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। ২০১৫ সাল থেকে ছিলেন তিনি এই পদে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছ, এই কোম্পানির বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করতে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত সকল অভিযুক্তদের জিজ্ঞসাবাদ করা হচ্ছে। প্রায় ৩০ কোটির বেশি টাকার প্রতারণা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্নীতির বিষয়ে কোম্পানির অর্থ সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এখনও কোনও মন্তব্য করেননি বলে জানা গিয়েছে। গৌরী খানের নামে গুজব ছড়ালে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইডি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করে। এরপর থেকেই শাহরুখ খান অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন বলে মনে করছেন ভক্তরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    Jyotipriya Mallick: এসএসকেএমে বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয়, সিসিটিভিতে নজর ইডির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। যদিও বর্তমানে তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অবশ্য দাবি, জেলে বিপাকে পড়েছেন। তাই অসুস্থতার অজুহাতে এসএসকেএমে আশ্রয় নিয়েছেন মন্ত্রীমশাই। এবার এই হাসপাতালে এসে বালু বার বার জ্ঞান হারাচ্ছেন। কেবিনে সিসিটিভির মাধ্যমে তাঁর উপর নজর রাখছেন ইডির তদন্তকারী অফিসাররা।

    বালু রয়েছেন কার্ডিওলজির কেবিনে (Jyotipriya Mallick)

    আদালতের বিশেষ নির্দেশে জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের কেবিনে রয়েছেন। প্রতিদিন কারা কারা তাঁর কেবিনে আসছেন, কাদের সঙ্গে কথা বলছেন এই সব কিছু নজরে রাখছেন ইডির আধিকারিকরা। যদিও গ্রেফতারের পর থেকে দুই দফায় জেরা করার পর প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে জেল চিকিৎসকরা এসএসকেএমে স্থানান্তরণের পরামর্শ দেন। এরপর পরেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে।

    হাসপাতাল সূত্রে খবর

    এসএসকেএম হাসপাতাল সূত্র জানা গিয়েছে, জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) রক্তচাপ খুব ওঠানামা করছে। মাঝে মাঝে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। ইতিমধ্যেই রক্তের চাপ এরকম হওয়ার পিছনে কি সুগার কম হওয়াই কারণ, তা দেখতে পরীক্ষা করছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তাঁর চিকিৎসার জন্য গড়া মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, হার্ট স্বাভাবিক রয়েছে। আজ সোমাবারে বেশ কিছু আরও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, বালু এখন কোনও কথা বলছেন না। শব্দ না করে তিনি কেবল নাকি ঈশ্বরকে স্মরণ করছেন।

    আদলাতে ইডির কী দাবি ছিল?

    আদালতের কাছে ইডির দাবি ছিল, বালুর (Jyotipriya Mallick) কেবিনের বাইরে-ভিতরে লাগাতে হবে সিসিটিভি। কেবিনের ভিতরে কেউ ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে যাচ্ছে কিনা তার দিকে নজর রাখা হবে। সিসিটিভির লিঙ্ক দেওয়া থাকতে হবে ইডির আধিকারিকদের কাছে। কেবিনের সমস্ত জায়গা সিসিটিভির নজরে রাখতে হবে। অবশ্য ইডির করা সমস্ত আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছিল। আর সেই মতোই নজরদারি চলছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মৃত দেহে কেলেঙ্কারি! আরজিকর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ইডিকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মৃত দেহে কেলেঙ্কারি! আরজিকর অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ইডিকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মৃত দেহগুলিকে বেআইনি কাজে লাগানো এবং ময়নাতদন্তে কেলেঙ্কারি সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে বদলির বিষয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে নানান দাবি উঠেছে। এই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এবার অভিযোগ জানিয়ে ইডিকে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, ২০১১ সালের স্বাস্থ্য দফতরের নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আরটিআই করেছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন।

    ঠিক কী কারণে চিঠি সুকান্তর (Sukanta Majumdar)?

    আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি এবং বেআইনী কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ইডিকে চিঠি লিখে জানান, “হাসপাতালের মৃত দেহগুলিকে বেআইনি কাজে লাগানো হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তে কেলেঙ্কারি করছেন তিনি। জৈব আবর্জনার সিন্ডিকেট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে হাসপাতালকে। মানুষকে হাসপাতালের সরকারি জিনিস বেশি দামে কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি টাকা পয়সার অপব্যবহার করছেন অধ্যক্ষ।” এছাড়াও সুকান্ত আরও বলেন, “হাসপাতালের ভিতরে বেআইনি খাবারের দোকান রয়েছে। সেই সঙ্গে চলছে নিয়ম না মেনে যত্রতত্র টাকার বিনিময়ে পার্কিং। এমনকী পড়ুয়াদের ভর্তির কাউন্সিলে করছেন গোলমাল। অবশ্য অধ্যক্ষ নিজে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে রাজ্য প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়।” এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানান সুকান্ত। তাই চিঠিতে ইডিকে মামলা রুজু করার অনুরোধ করেন তিনি।

    তৃণমূল ঘনিষ্ঠ অধ্যক্ষ

    সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে অধ্যক্ষ পদে সন্দীপ ঘোষকে রাখা হবে কিনা এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা শোনা গিয়েছিল। হাসপাতালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত দেখা যায়। একপক্ষ সন্দীপ এবং অপর পক্ষে মানস বন্দ্যোপাধ্যায় নামক আরেক ডাক্তার। পড়ুয়াদের মধ্যে সন্দীপের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূলের মুখপাত্র ডাক্তার শান্তনু সেনকে কলেজে গিয়ে রফা করতে হয়। শেষ পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষকেই অধ্যক্ষ হিসাবে রাখা হয়। ফলে তিনি যে খুব তৃণমূল ঘনিষ্ঠ, তা তখন থেকেই প্রমাণিত ছিল। তাই তাঁর এই অনৈতিক কাজের পিছনে কোন তৃণমূল নেতা রয়েছেন, সেটাও ইডিকে তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    Durgapur: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে।” দুর্গাপুরের গোপালমাঠে চায়ে পে চর্চার অনুষ্ঠানে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সেই সঙ্গে দুর্গাপুরের কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যে যত কেলেঙ্কারি হচ্ছে, তার মাথায় মাননীয়া। যদি সবার শাস্তি হয় তাহলে কেন নয় মুখ্যমন্ত্রীর? তাই অপেক্ষা করুন, সব কেলেঙ্কারির তথ্য এবার সামনে আসবে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশির ভোট না পেলে তৃণমূল জিতবে না। বাংলাদেশের ওপর ভর করে তৃণমূল বেঁচে আছে।” সেই সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “মহুয়া সংসদে ইংরেজিতে গালিগালাজ করেন, টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করেন। লিপস্টিক, পাউডার, স্নো নিয়েছেন।”

    পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত (Durgapur)

    দুর্গাপুরের জনসভায় বনগাঁর তৃণমূল নেত্রীর মন্তব্যকে ঘিরে দিলীপ ঘোষ কড়া সমালোচনা করেন। শুক্রবার বারাসতের জনসভায় বাংলাদেশিদের ভোটার কার্ড করে দেওয়ার প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস মন্তব্য করেছিলেন। শনিবার দুর্গাপুরের মায়াবাজার এলাকায় বিজেপির একটি কার্যালয়ে বিজায় সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে এদিন বিকেলে ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ দিলীপ ঘোষ যোগদান করেন। সেই সঙ্গে একটি জনসভাও করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ই। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলাদেশিদের ভোট না পেলে তৃণমূল জিতবে না। ওখান থেকে ভোটের প্রচার করতে খালি ভোটার নয়, নায়ক-নায়িকাদেরও নিয়ে আসা হয়। বাংলাদেশ থেকে টাকা আসছে, সোনা আসছে অনেক কিছু চলছে তৃণমূলের রাজত্বে। তার মধ্যে ভাগও আছে তৃণমূলের নেতাদের। সেই জন্য বাংলাদেশের ওপর ভর করে তৃণমূল জিততে চাইছে। আমরা বারবার বলছি, পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে। রত্না বিশ্বাস তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।”

    মহুয়ার পাপের ঘড়া পূর্ণ!

    দুর্গাপুরে (Durgapur) সভাপতি দিলীপ ঘোষ বাংলাদেশিদের ভোটার কার্ড করার সমালোচনার পর, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে বলেন, “ছবি দেখুন আপনারা। তাঁর কালো চশমার দাম জানেন? দুই লাখ টাকার গগলস! ভ্যানিটি ব্যাগের দাম এক লাখ টাকা! ঘড়ির দাম তিন লাখ টাকা! শুনেছেন কোনও দিন। সবই উপহার নিয়েছেন। তাঁর দিল্লির কোয়ার্টারে কোটি কোটি টাকা খরচ করে সংস্করণ করেছেন। বিনিময়ে দেশের সুরক্ষাকে বিক্রি করছেন মহুয়া। ওঁর পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এবার সিবিআই তদন্ত শুরু করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন জিনিস তৈরি করে দিল্লিতে পাঠিয়ে বাংলার নাক-কান কেটেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    Ration Scam: রেশন-দুর্নীতির লাখ লাখ টাকা জমা পড়ত গ্রামবাসীদের অ্যাকাউন্টে! এরপর কী হত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উলুবেড়িয়াতে বাসিন্দাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে লাখ লাখ টাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের ৫ থেকে ৬ টি গ্রামের বাসিন্দারা রাইস মিলের মালিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে। মূল অভিযোগ, গ্রামের মানুষের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের বই করে দিত এজেন্টরা। যাদের নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হতো, তাদের কাছে রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) ধান বিক্রির টাকা ঢুকত। ২০ হাজার, ৫০ হাজার এমনকি লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত বলে জানা গিয়েছে। বিনিময়ে গ্রামবাসীরা জমি বা ধান চাষ না করলেও এজেন্ট মারফত কিছু টাকা পেতো। কিন্তু যে টাকা ধান বিক্রির নামে জমা করা হতো, কার্যত দুর্নীতি করে সবটাই চলে যেতো চালকল মালিকের পকেটে। ফলে চালকলে ধান বিক্রির টাকা নিয়ে রেশন-দুর্নীতির বিস্ফোরক তথ্য জানা গিয়েছে।

    মূল অভিযোগ (Ration Scam)

    হুগলির অঙ্কিত রাইসমিল নানান ভাবে প্রলোভন দেখাতো। রাইসমিলের এজেন্টরা বোঝাতো অ্যাকাউন্ট থাকলেই মিলবে টাকা। কিন্তু এই টাকা সোজা পথের টাকা নয়। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে যেতো। তারপর কালো টাকাকে সাদা করে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হতো ঘুরপথে। তবে যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত তাদের সামান্য পরিমাণের টাকা দেওয়া হতো। তবে বেশিরভাগটাই চলে যেতো এজেন্ট হয়ে চালকলের মালিকের কাছে। এই ভাবেই রাজ্যের রেশনের-দুর্নীতির একটা বিরাট চক্র চলেছে বলে অভিযোগ। সম্প্রতি বাকিবুর এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর এমনই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  

    গ্রামবাসীর বক্তব্য

    উলুবেড়িয়ার ২ নম্বর ব্লকের এক গ্রামবাসীরা, সঞ্জয় মান্না এক ব্যক্তির নাম তুলে বলেছেন তিনিই হলেন, চালকল এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যুক্ত গ্রামবাসীদের মধ্যে সংযোগকারী ব্যক্তি। যদিও সঞ্জয় নিজে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “আমার কাছে কিছু নেই। মিল থেকে লোকজন আসতো এবং ওরাই কাজ করত। টাকা (Ration Scam) দিয়ে যেত আর আমি কেবল টাকা দিতাম। আজ তিন বছর ধরে এই কাজ করছি আমি। যারা ধান দিয়ে যেতো আমি তাদের টাকা দিতাম। এইসব টাকা ধানের টাকা।”

    পরে তিনি আরও বলেন অঙ্কিত মিল থেকে যা বলা হতো তিনি তাই করতেন। একক ভাবে চালকলের হয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ জনের নামে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট বই খুলে দিয়েছেন। এলাকায় বিশেষ ক্যাম্প করে এই কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জগাছার অঙ্কিত রাইসমিলে ইডি ২৬ ঘণ্টা তাল্লাশি চালিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। রেশন-দুর্নীতির (Ration Scam) মামলায় এই মিলও এখন ইডির নজরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bakibur Rahaman: তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পোড়া নথি উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য বাকিবুরের চালকলে

    Bakibur Rahaman: তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! পোড়া নথি উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য বাকিবুরের চালকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের শাসনে লাগাম ছাড়া দুর্নীতিতে ফুলে ফেঁপে উঠেছে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। ইতিমধ্যে অনেক তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। সেই সঙ্গে তদন্ত থেকে বাঁচতে, অসুস্থতার ভান করে অনেকেই হাসপাতালে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবার তদন্ত থেকে বাঁচতে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও কি শুরু হয়েছে? বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) নদিয়ার চালকলের পিছনে মিলল পোড়া নথি। নথির পোড়া অংশে দেখা যাচ্ছে সরকারি সিলমোহর। ফলে দুর্নীতির তদন্ত ঘিরে চরম চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে।

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা (Bakibur Rahaman)

    সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল নেতা বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) হরিণঘাটার সাত শিমুলিয়ার চালকলের পিছনে সরকারি সিলমোহর দেওয়া বেশ কিছু পোড়া নথি দেখতে পাওয়া গেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যার সময় আশে পাশের গ্রামের মানুষ, এই নথির পোড়া অবশেষ দেখতে পান। এই নথি কি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত? এরপর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    নদিয়ায় রেশন দুর্নীতি

    ২০২১-২২ সালে নদিয়ায় রেশনের সামগ্রী, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছিল বলে, শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায়, এই নিয়ে রীতিমতো তিনটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এরপর রেশন দুর্নীতির তদন্তভার নেয় ইডি। এরপর থেকে ইডি, জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করে। তদন্তে বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) আরও চালকলের সন্ধান মিলেছে নদিয়ায়।

    বাদুড়িয়াতে উদ্ধার আরও সম্পত্তি

    অপর দিকে বাদুড়িয়াতে বাকিবুরের (Bakibur Rahaman) ২১০ কাঠা সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা গেছে। বসিরহাট এলাকার পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়ায় এই সম্পত্তি রয়েছে। বাকিবুর, এলাকার মানুষের জমি জোর করে, ভয় দেখিয়ে লিখিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা অরবিন্দবাবুর অভিযোগ, ‘রাস্তার পাশে তাঁর ২ শতক জমি ছিল। যা কার্যত মস্তানদের দিয়ে দখল করে নিয়েছে বাকিবুর। ‘এলাকার আরেক বাসিন্দা রীতাদেবী বলেন, ‘এলাকায় দু’কাঠা জমি ছিল, সেখানে নিজেরা ঘর করে থাকছিলাম, কিন্তু বাকিবুরের গুন্ডারা এসে চাপ দিয়ে জবরদখল করে নেয়।’

    সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাকিবুরের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির সন্ধান মিলিছে বলে জানিয়েছে ইডি। এরমধ্যে ১ হাজার ৬৩২ কাঠা জমির কথাও জানা গিয়েছে। পার্কস্ট্রীট, রাজারহাট, বারাসত, রঘুনাথপুরে ৯ টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে।

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই টাকা লেনদেনের হদিশ? ফরেন্সিকে যাচ্ছে মোবাইল

    Jyotipriya Mallick: বাকিবুর-জ্যোতিপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই টাকা লেনদেনের হদিশ? ফরেন্সিকে যাচ্ছে মোবাইল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাকিবুরের সঙ্গে হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেই খোঁজ মিলেছে মিডলম্যানের। ফলে বিপদ আরও বাড়ল গ্রেফতার হওয়া বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। ধৃত বাকিবুরের মোবাইল আগেই বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেখানেই মিলেছে রেশনের চাল-আটা চুরির তথ্য। এবার বালুর মোবাইলে থাকা তথ্যকে পরীক্ষা করে, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের খোঁজ করা হবে। চালচুরি কাণ্ডে ধৃত দুই অভিযুক্তের সংলাপকে মিলিয়ে দেখতে করা হবে মোবাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা। এজন্য ইডি আদালতের কাছে অনুমতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    বাকিবুর টাকা দিতেন মিডলম্যানকে

    ইডি সূত্রের খবর, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে এবার আরও বিপাকে ফেলবেন বাকিবুর। ইডির কাছে বাকিবুরের একটি হোয়াটঅ্যাপ চ্যাট হাতে এসেছে, যেখানে খুব স্পষ্ট ভাবে মনে করা হচ্ছে, বালুর সঙ্গে টাকার লেনদেন হয়েছে তাঁর। তবে বাকিবুর নিজে টাকা বালুকে দিতেন না। একজন মিডলম্যানের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে যেত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর কাছে। সূত্রের আরও খবর, বাকিবুরের সংলাপে একাধিকবার এমআইসি (MIC) নামের কোনও ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বাকিবুর নিজে জেরায় ইডিকে জানিয়েছেন, এমআইসি বলতে মিনিস্টার ইন চার্জ অর্থাৎ সেই সময়ের খাদ্যমন্ত্রী স্বয়ং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কথা বলেছেন।

    মাসে দু’বার যেত টাকা

    ইডির জেরায় বাকিবুর আরও জানিয়েছেন, খাদ্যমন্ত্রীকে মাসে দু’বার করে টাকা পাঠাতেন তিনি। এই টাকার পরিমাণ ছিল ৮০ লক্ষ। সেই সঙ্গে বাকিবুরের কাছে সময়ে সময়ে ঋণ নিতেন বালু। এককালীন বালুকে আরও একবার ১২ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছেন বাকিবুর। কিন্তু সবটাই এখন প্রমাণের জন্য ইডিকে তথ্য জোগাড় করতে হবে। তাই বক্তব্য এবং তথ্যকে পাশপাশি মিলিয়ে দেখতে, বালুর মোবাইলের হোয়াটঅ্যাপ চ্যাটের ফরেনসিক পরীক্ষার প্রয়োজন।

    উল্লেখ্য ২০১১ থেকে ২০২২ পর্যন্ত, টানা ১০ বছর রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর সময়ে দাঁড়িয়ে বাকিবুরের মতো লোকেরা, চাল-আটা-গম চুরি করে সম্পদের সাম্রাজ্যে নির্মাণ করেছেন। সেই সঙ্গে মন্ত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে ২০ গুণ। তবে রাজ্যে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শাসন ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নজর এড়িয়ে, কীভাবে তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা এত সম্পত্তির মালিক হলেন, এই প্রশ্নই বারবার রাজ্যের বিরোধীরা করছেন। তাই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তে আরও চাপে তৃণমূল কংগ্রেস।     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share