Tag: Enforcement Directorate

Enforcement Directorate

  • Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Scam) বর্তমানে এনফোর্সেমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালু। গত ২ দিন ধরে তাঁকে দফায় দফায় জেরা করেছেন ও করে চলেছেন তদন্তকারীরা। এই কাণ্ডে তল্লাশি অভিযানের সময় মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেছিল ইডি। সেটাই এখন তদন্তকারীদের কাছে তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে। কেন?

    ইডির হাতে মেরুন ডায়েরি! কী আছে তাতে?

    ইডি সূত্রে খবর, ওই ডায়েরিতে প্রচুর ‘এন্ট্রি’ রয়েছে। বেশিরভাগই টাকা লেনদেনের। কোন তারিখে, কার থেকে কত টাকা এসেছে, কোথায় সেই টাকা জমা হয়েছে, সেই সব তথ্য দিনক্ষণ ধরে ধরে ডায়েরিতে তুলে রাখা আছে। শুধু তাই নয়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় রয়েছে ‘মন্ত্রীর নাম’-ও (Jyotipriya Mallick)। কোথায়, কখন, কোন জায়গায় মন্ত্রী বাকিবুরের সঙ্গে বৈঠক করে সংস্থা খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সব তথ্যই ওই মেরুন ডায়েরিতে রয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। 

    আরও পড়ুন: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    প্রাক্তন সহায়কদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা বালুকে?

    জানা যাচ্ছে, এই মেরুন ডায়েরিতে লেখা তথ্যকে হাতিয়ার করে বালুকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছে ইডি। যদিও, তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এখনও সব অভিযোগই (Ration Distribution Scam) অস্বীকার করছেন মন্ত্রীমশাই। যে কারণে, এবার ওই ডায়েরির মালিক তথা প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের মুখোমুখি বসিয়ে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) জেরা করার ভাবনাচিন্তা করছেন তদন্তকারীরা। সেই লক্ষ্যেই আজ বৃহস্পতিবার, সিজিওতে ফের তলব করা হয়েছে অভিজিৎ দাসকে। এর আগে, বুধবার মন্ত্রীর অফিসের প্রাক্তন কর্মী অমিত দে-কেও আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর বয়ানও পৃথকভাবে রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রয়োজনে, তাঁকেও জ্যোতিপ্রিয়র মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বালুর স্ত্রীর বিদেশযাত্রার টিকিট কাটেন বাকিবুর! দাবি ইডির

    Jyotipriya Mallick: বালুর স্ত্রীর বিদেশযাত্রার টিকিট কাটেন বাকিবুর! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) পরিবারের বিদেশ সফরের টিকিট কেটেছিলেন বাকিবুর রহমান। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয়ের স্ত্রীয়ের মরিশাস, আমেরিকা ঘোরার টিকিটের খরচ দিয়েছেন বাকিবুর। সূত্রের খবর, বাকিবুর ও ট্রাভেল এজেন্টের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও ইডির হাতে এসেছে। বাকিবুরের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। 

    ইডির হাতে গুরুত্বপূর্ণ নথি

    রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় পুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তথা চালকল-আটাকলের মালিক বাকিবুর রহমানকে। বাকিবুরের গ্রেফতারির পর ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে গুঞ্জন পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। ইডির দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পরিবারের বিদেশ সফরের খরচ দিয়েছিলেন বাকিবুর রহমান। গ্রেফতার ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে। এদিন ইডি আদালতে দাবি করে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা ও বাকিবুরের স্ত্রীর একসঙ্গে মরিসাস ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনা ছিল। সেই মতো টিকিটও কাটা হয়। টিকিট কাটেন বাকিবুর রহমান। সেই নথি রয়েছে ইডির হাতে। এমনকী ট্রাভেল এজেন্টের সঙ্গে বাকিবুরের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও তাদের কাছে রয়েছে বলে দাবি ইডির। টিকিট যে কাটা হয়েছিল তা মেনে নেন জ্যোতিপ্রিয়। 

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার মালিক! জ্যোতিপ্রিয়ের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

    ইডি সূত্রে খবর, ২০১৭ সাল পর্যন্ত অন্তত ৩টি ভুয়ো সংস্থায় জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পরিবারের সদস্যরা যৌথভাবে বোর্ড অফ ডিরেক্টরের সদস্য ছিলেন। ইডি জানিয়েছে যে জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick)  স্ত্রী ও মেয়ে প্রথমে স্বীকার করতে চাননি যে গ্রেসিয়াস ক্রিয়েশন প্রাইভেট লিমি়টেড, গ্রেসিয়াস ইনোভেশন প্রাইভেট লিমিটেড ও শ্রী হনুমান রিয়েলকন প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এর পরই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই তিন কোম্পানির স্ট্যাম্প পাওয়া যায়। ইডির দাবি তখন আর তাঁদের অস্বীকার করার উপায় ছিল না। তবে মনিদীপা মল্লিক ও প্রিয়দর্শিনী গোটা দায় জ্যোতিপ্রিয়র কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিসট্যান্ট অজয় দে-র উপর চাপিয়ে দেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Distribution Scam) মামলায় শুক্রবার বিচারক ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরই আদলতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) । বর্তমান বনমন্ত্রী তথা দাপুটে তৃণমূল নেতাকে ভর্তি করা হয়েছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। তবে, আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে হাসপাতাল থেকে মন্ত্রীমশাই ছাড়া পাওয়ার পর থেকে। যে কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে ইডি।

    নির্দেশ শুনেই অসুস্থ বালু

    রেশন বণ্টন দুর্নীতির (Ration Distribution Scam) তদন্তে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) ওরফে বালুর বাড়ির দুয়ারে হাজির হয়েছিল ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদের পর ভোর পৌনে তিনটে নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। নিয়ে আসা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। পরে, শুক্রবার বেলায় শারীরিক পরীক্ষার পর দুপুরে মন্ত্রীমশাইকে পেশ করা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। আদালত জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয়। তবে এর মধ্যেই আচমকা অসুস্থ বোধ করায় জ্যোতিপ্রিয়কে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় কিছুক্ষণের জন্য শুনানিতে ছেদ পড়ে। এদিকে, বিচারকের কাছে ইডি আবেদন করে যাতে হাসপাতালে মন্ত্রীর থাকার সময় যাতে হেফাজতের মেয়াদ থেকে বাদ দেওয়া হয়। তা মেনে, আদালত জানিয়ে দেয় যে, হাসপাতালে যতদিন মন্ত্রী থাকবেন, সেটা হেফাজতের মধ্যে ধরা হবে না। অর্থাৎ, হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে মন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই।

    স্থিতিশীল জ্যোতিপ্রিয়

    বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mullick)। সিসিইউ-তে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। হাসপাতালে ভর্তির পরই জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন ইন্টারনাল মেডিসিন, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি এবং নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁর সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং রক্তের বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর তাঁর সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। তবে, এখনও কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে মন্ত্রীকে। 

    ইডি-র পছন্দ কমান্ড হাসপাতাল

    গতকাল আদালতে শুনানির সময় জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mullick) কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করানোর আবেদন করেছিল ইডি। পরিবারের তরফে পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার আবেদন জানানো হয়। পরিবারের আবেদনই মঞ্জুর করেন বিচারক। তবে, আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পর অভিযুক্ত সুস্থ বোধ করলে তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাবে ইডি। সেই মুহূর্তেই কমান্ড হাসপাতালকে জ্যোতিপ্রিয়র জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে। ঠিক এই কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মন্ত্রী একটু সুস্থ হলেই তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করতে চাইছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ration Scam: ১ কেজি আটায় ‘ভ্যানিশ’ ৪০০ গ্রাম! রেশন দুর্নীতি কীভাবে চলত, জানতে পেরে তাজ্জব ইডি

    Ration Scam: ১ কেজি আটায় ‘ভ্যানিশ’ ৪০০ গ্রাম! রেশন দুর্নীতি কীভাবে চলত, জানতে পেরে তাজ্জব ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রেশন দুর্নীতি নিয়ে প্রায় ৮ জায়গায় তল্লাশি চালাল ইডি। সম্প্রতি বাংলার রেশন দুর্নীতি মামলায় বাকিবুর রহমান নামে জনৈক ডিলারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেখান থেকেই বাকিবুরের বিপুল সম্পত্তির উৎস নিয়ে সন্দেহ জাগে তদন্তকারীদের মনে। কীভাবে চলত এই দুর্নীতি তার খোঁজেই শুরু হয় তল্লাশি। রেশন দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ইডি হানা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)। তিনি বললেন, ‘এটা তো হওয়ারই ছিল। বরং অনেক আগে হওয়ার দরকার ছিল’। 

    কীভাবে দুর্নীতি

    ইডি সূত্রে খবর, বাকিবুরের রাইস মিল থেকে খোলা বাজারে বিক্রি হত আটা। গত তিন বছরে ৩ হাজার ৮২১ কেজি আটা বাজেয়াপ্ত করেছিল রাজ্য পুলিশ। সেই অনুসারে এফআইআর হয়েছিল তিনটি। এফসিআই- এর পাঠানো গমের ২০-৩০ শতাংশ হিসেবে গরমিল থাকত। গম থেকে আটা তৈরি পরে বেশ কিছু অংশ খোলা বাজারে বিক্রি হত বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, প্রতি ১ কেজি আটার দাম নিয়ে তাতে অন্তত ২০০ গ্রাম আটা কম দেওয়া হত, কখনও কখনও সেই ওজন ৪০০ গ্রামও হয়ে যেত৷ অর্থাৎ, ১ কেজি গমের বিনিময়ে কখনও কখনও ৬০০ গ্রাম আটাও পেতেন সরকারি সরবরাহকারীরা৷ কিন্তু, অভিযোগ, এই গরমিলের কথা দু’পক্ষই জানত৷

    আরও পড়ুন: ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব এথিক্স কমিটির, কবে হাজিরা?

    কী বললেন সুকান্ত

    রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে সুকান্ত বলেন, ‘বাকিবুরের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কোটি টাকার সম্পত্তি তাঁর একার হতে পারে না। এসব কোন তৃণমূল নেতারই হবে। আর কোন তৃণমূল নেতা তা তো সকলেরই জানা। জনগণের এতো টাকা লুট করেছেন, এবার ওনাকে জবাব দিতেই হবে। জেলেও যেতে হতে পারে’।

    বৃহস্পতিবার সকালে ইডি আধিকারিকেরা রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়ি সহ তাঁর আপ্ত সহায়ক অর্থাৎ পিএ এবং তাঁর চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেন৷ মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) মেয়ের প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দিয়ে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘ওনার মেয়ে টিউশনি করেন। তাঁর অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি টাকা রয়েছে। আমি এতো ভালো শিক্ষক হয়েও এতো ভালো পড়াতে পাড়ব না কোনদিন। এইসব মানুষদের ছেড়ে রাখা উচিৎ হয়। এদের জেলে পুড়ে দেওয়া উচিৎ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    Bengal Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে হানা ইডির, একযোগে তল্লাশি ৮ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো মিটতেই ফের রাজ্যের রেশন দুর্নীতিকাণ্ডের (Bengal Ration Scam) তদন্তে সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। বৃহস্পতিবার সাতসকালে রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) সল্টলেকের বাড়িতে হানা দিল ইডি। তদন্তকারী দল হানা দিয়েছে মন্ত্রীমশাইয়ের আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতেও। একযোগে রাজ্যের ৮টি জায়গায় চলছে ইডি তল্লাশি।

    ভোর ৬টায় মন্ত্রীর বাড়িতে ইডি হানা

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Bengal Ration Scam) মামলার তদন্তে উঠে এসেছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের  (TMC Minister Jyotipriya Mallick) নাম। এই মামলায় বাকিবুর রহমানের গ্রেফতারির পর তার থেকে প্রাপ্ত নথি থেকে মন্ত্রীমশাইয়ের নাম উঠে এসেছে। সেই যোগসূত্রে এদিন ভোর ছ’টা নাগাদ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সল্টলেকের বাড়িতে পৌঁছয় ইডি অফিসারদের বিশাল দল। সল্টলেকের বিসি ব্লকে পাশাপাশি দুটি বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি। জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটেই আছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও বর্তমান বনমন্ত্রী।

    মন্ত্রীর আপ্ত-সহায়কের জোড়া ফ্ল্যাট নাগেরবাজারে

    ইডি-র আরেকটি দল পৌঁছে গিয়েছে নাগেরবাজারে। সেখানে জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক অমিত দে-র বাড়িতে চলছে তল্লাশি। সূত্রে খবর, নাগেরবাজারে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে অমিতের। একটি ভগবতী পার্ক এলাকায়, দ্বিতীয়টি স্বামী বিবেকানন্দ রোডে। যদিও, দুটিই বর্তমানে তালাবন্ধ অবস্থায়। ইডি সূত্রে খবর, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পিএ-এর কোনও খোঁজ মিলছে না। ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সপরিবারে কোনও এক সৈকত শহরে ঘুরতে গিয়েছেন অমিত দে।

    বাকিবুরকে জেরা করেই মন্ত্রী-যোগসূত্রের হদিশ!

    ইডি সূত্রে দাবি, রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার বাকিবুর রহমানের বাড়িতে তল্লাশি করে প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ নথি পায় ইডি। এছাড়া বাকিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই বেশ কিছু তথ্য পায় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে দাবি, ২০১১ সালের পর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে বাকিবুর। সূত্রের খবর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (TMC Minister Jyotipriya Mallick) ঘনিষ্ঠ হওয়ার ফলেই খাদ্য দফতরে কয়েক জন অফিসারকে হাতে নিয়ে কোয়ালিটি কন্ট্রোলের ল্যাবরেটরি হস্তগত করে বাকিবুর। কাকতালীয়ভাবে, ২০১১ সাল থেকেই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন অমিত দে।

    বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে কী মিলেছে?

    গত বুধবার সকাল থেকে বাকিবুরের কলকাতার কৈখালির ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান শুরু চালিয়েছিল ইডি। বাকিবুরের ফ্ল্যাট থেকে ১০০-র বেশি সরকারি দফতরের সিলমোহর (স্ট্যাম্প) মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১০৯টি স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এর পর ম্যারাথন জেরার পর শনিবার সকালে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় (Bengal Ration Scam) গ্রেফতার অভিযুক্ত ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁর ৯৫ জায়গায় ১০০ কোটির সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। দুবাইতে জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশও মিলেছে। বাকিবুরের পাশাপাশি, তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুচরের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় ইডি। বাকিবুরের ওই ঘনিষ্ঠের নাম অভিষেক বিশ্বাস। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কে বাকিবুরের শ্যালক হন অভিষেক। তাঁর বাড়ি চিনার পার্কে।

    রকেট গতিতে উত্থান বাকিবুরের

    ইডি সূত্রে দাবি, বাকিবুর তার মামা সিরাজ বাবুর হাত ধরে ২০০৪ সালে খাদ্য দফতরের কাজ করা শুরু করে। প্রথমে চারটি শক্তিমান গাড়ি নিয়ে শুরু করেছিল তার ব্যবসা। তবে, আচমকাই রকেটের গতিতে উত্থান হয় তার। কোনও এক জাদুবলে সেখান থেকে অল্প সময়ের মধ্যে রাইস মিল থেকে ফ্লাওয়ার মিল, হোটেল-রিসর্ট থেকে বিদেশে সম্পত্তি তৈরি হয় বাকিবুরের। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, একাধিক হোটেল, রিসর্ট, পানশালা রয়েছে বাকিবুরের। বাকিবুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ যে নথিগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা থেকে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে বাকিবুরের বিভিন্ন সংস্থায় ৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ঢুকেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Enforcement Directorate: এসএসকেএমকে চিঠি দিল ইডি, চাইল সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা

    Enforcement Directorate: এসএসকেএমকে চিঠি দিল ইডি, চাইল সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিল ইডির (Enforcement Directorate) বিশেষ আদলত। এসএসকেএমের মেডিক্যাল টিম জানিয়েছে, কালীঘাটের কাকুর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই এখন ঠিক। আর তাই এবার অভিযুক্ত কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার কথা বলে এসএসকেএমকে চিঠি দিল ইডি। ঘটনায় তদন্তের গতি অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে বিরোধী শিবির।

    চিঠি দিল ইডি (Enforcement Directorate)

    প্রেসিডেন্সি জেলেও চিঠি পাঠিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)। জেলে থাকার সময় কালীঘাটের কাকুর শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল, তা জানতে চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা হয়, কাকু বিচারাধীন বন্দি, কেন এতদিন ধরে এসএসকেএমে রেখে দেওয়া হয়েছে? সম্প্রতি সবটা জানতে জেলেও যায় ইডি। ইতিমধ্যে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর নামে চার্জশিটও পেশ করেছে ইডি। আরও জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ২০ কোটির লেনদেনের সঙ্গে কাকুর আরও ৩ কোটির যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। তাই ফের তদন্তকে আরও গতি দিতে সুজয়কৃষ্ণর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ইডি। 

    ইডির দাবি

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রের খবর, সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পাঠানো চিঠিতে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে। উল্লখ্য, এসএসকেএমের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্যের ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির কর্তাদেরকে কালীঘাটের কাকুর গলার স্বরের টেস্টের জন্য ইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা বিচার ভবনের সিবিআই আদালতের বিচারক। ইডির এক কর্তার দাবি, কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য একটি কাচের ঘরের প্রয়োজন। ঘর এমন হবে যাতে ঘরের বাইরে থেকে ভিতরে এবং ভিতর থেকে বাইরে কোনও শব্দ যাবে না। একজন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞের উপস্থিতিতে এই নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। আর তাই এসএসকেএমকে এই ঘরের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

    দুই মাস ধরে এসএসকেএমে কাকু

    স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির (Enforcement Directorate) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। কিন্তু গ্রেফতারের পর থেকেই অসুস্থতার দাবি করেছেন বারবার। ইতিমধ্যে আকস্মিক তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুতে জেল থেকে প্যারোলে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে এসেছিলেন। ঠিক পর পরই আবার অসুস্থ হয়ে এসএসকেএমে বুকে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। এরপর অস্ত্রোপচার করার পর বর্তমানে সব মিলিয়ে দুই মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, তৃণমূলের অনেক বড় বড় নেতা, ইডি কিংবা সিবিআইয়ের হাতে আটক হলেই বার বার এসএসকেএমে ভর্তি হয়েছেন। উল্লেখ্য মদন মিত্র, অনুব্রত মণ্ডল, ববি হাকিম, শোভন চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের কাছে এই হাসপাতাল ছিল আশ্রয়ের প্রধান কেন্দ্র। অবশ্য বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতির তদন্তে গ্রেফতার হলেই এসএসকেএমকে নিরাপদ জায়গা মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: মিথিলেশের জায়গায় মুকেশ! এসেই কাজ শুরু ইডির নয়া অফিসারের

    ED: মিথিলেশের জায়গায় মুকেশ! এসেই কাজ শুরু ইডির নয়া অফিসারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে ইডির নয়া তদন্তকারী আধিকারিক কাজ শুরু করলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানির সময়ে মিথিলেশ কুমারকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তাঁর বদলেই এলেন ইডি-র নতুন তদন্তকারী অফিসার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মুকেশ কুমার।  ইতিমধ্যেই দায়িত্বগ্রহণ করেছেন তিনি। কোন পথে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত এগোবে সেই নিয়ে তদন্তকারী অফিসারদের পাশাপাশি দিল্লি-র সদর দফতরের আধিকারিকদের সাথেও তিনি কথা বলেছেন।

    কেন নতুন আধিকারিক

    সম্প্রতি প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় ইডি-র তদন্তকারী অফিসার মিথিলেশ কুমারকে ভর্ৎসনা করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। শুনানিতে একাধিক কড়া মন্তব্য করেন বিচারপতি। ইডি-র আধিকারিককে বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন ছিল, এই ধরনের তদন্ত করার জন্য কি আদৌ প্রশিক্ষণ রয়েছে তাঁর? তিনি কি আসলে এই তদন্ত থেকে অব্যহতি চাইছেন? বিচারপতির পর্যবেক্ষণ ছিল, ইডি কর্তা মিথিলেশ কুমারের নেতৃত্বে এতদিন ধরে তদন্ত স্লথ গতিতে চলেছে। এরপরই যত দ্রুত সম্ভব তার বদলে নতুন অফিসার নিয়োগ করার জন্য ইডির ডিরেক্টরকে নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। ৩ অক্টোবর এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উপযুক্ত অফিসারকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। তাঁর নির্দেশের পরই ইডির নতুন তদন্তকারী অফিসার মুকেশ কুমার দায়িত্বে এসেছেন।  

    আরও পড়ুুন: নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই! কাশ্মীরি পণ্ডিত হত্যায় জড়িত ২ লস্কর জঙ্গি খতম

    তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করাই লক্ষ্য

    সূত্রের খবর, মুকেশ কুমার ছাড়া আরও একজন তদন্তকারী অফিসারকে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। যিনি মুকেশের সহযোগী হিসাবে কাজ করবেন। তবে সেই প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত কীভাবে দ্রুত সম্পন্ন করা যায়, তা নিয়ে মুকেশ কুমার বাকি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দিল্লি-র সদর দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গেও আলোচনা সেরেছেন। ইতিমধ্যেই এই মামলার কেস ডায়েরি হস্তান্তরিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, মুকেশ তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যে সক্রিয়তা দেখাচ্ছেন, তাতে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়বেন। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam : সাত লক্ষে টাইপিস্ট, ৪ লাখে ড্রাইভার! জানেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির রেট?

    Recruitment Scam : সাত লক্ষে টাইপিস্ট, ৪ লাখে ড্রাইভার! জানেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির রেট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) বহু টাকার লেনদেনের অভিযোগ আনল ইডি। বিভিন্ন পদে চাকরির জন্য তৈরি করা হয়েছিল রেটচার্ট। ইডির দাবি, ৪ থেকে ৭ লক্ষ টাকা দরে বিভিন্ন পুরসভায় চাকরি বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবারই পুর দুর্নীতির তদন্তের জন্য রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের উত্তর ২৪ পরগনার মাইকেলনগরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি।  প্রায় সাড়ে ১৯ ঘণ্টা তল্লাশির পর রাত পৌনে ২টোয় মন্ত্রীর বাড়ি ছাড়েন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।

    কত টাকায় চাকরি

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ” একটি রাজ্যে  ‘ক্যাশ ফর জব’ এর ঘটনা ঘটেছে। যুবসমাজকে ধ্বংস করা হয়েছে। রেস্তরাঁর মতো সরকারি চাকরির সব পদে ‘রেট কার্ড’ রয়েছে সেখানে। সেই রাজ্যে চাপরাশি, ড্রাইভার, শিক্ষক, নার্স— সব পদে চাকরির জন্য বাঁধা দর রয়েছে।” এই রেট কার্ডেই এদিন আলোকপাত করেন ইডির অফিসারেরা। তাঁদের দাবি,  পুরসভায় শ্রমিক, গাড়ির চালক, সাফাইকর্মী, পুরসভার গ্রুপ ডি-র চাকরির দাম ছিল ন্যূনতম ৪ লক্ষ টাকা। গ্রুপ সি-র চাকরির দাম ন্যূনতম ৭ লক্ষ টাকা। পুরসভার টাইপিস্টের চাকরির রেট শুরু ৭ লক্ষ টাকা থেকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘মাটির কাছাকাছি পৌঁছনো জমিদারি নয়’’, তৃণমূলের কটাক্ষের জবাবে রাজ্যপাল

    কেন রথীনের বাড়িতে তল্লাশি

    পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার শহরের নানা প্রান্তে ১৪টি জায়গায় হানা দেয় ইডি।  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বেআইনি ভাবে পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার তদন্তেই খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে তল্লাশি। দীর্ঘ দিন ধরে মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন রথীন। ইডি সূত্রে খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত অয়ন শীলের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের অফিস থেকে বাজেয়াপ্ত করা বিভিন্ন নথিতে রথীনের নাম বার বার উঠে এসেছে। ইডির দাবি, ২০১৪-র পর থেকে পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। তার ভিত্তিতেই এই অভিযান। টাকা কাদের কাছে পৌঁছেছে, কীভাবে পৌঁছেছে, সেই খতিয়ে দেখাই তাদের উদ্দেশ্য। রথীনের বাড়ি ছাড়াও বৃহস্পতিবার মধ্যমগ্রাম পুরসভার দফতরে হানা দেন ইডির আধিকারিকেরা। এ ছাড়াও ১০ থেকে ১২টি দলে ভাগ হয়ে বরাহনগর, সল্টলেক-সহ মোট ১২টি জায়গায় তাদের তল্লাশি অভিযান চলেছে। এই অভিযানের ফলে তদন্তে সহায়ক নানান নথি মিলেছে বলে দাবি ইডির।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ফের অভিষেককে সমন ইডির! দিল্লিতে ঘেরাও কর্মসূচির দিনই তলব সাংসদকে 

    Abhishek Banerjee: ফের অভিষেককে সমন ইডির! দিল্লিতে ঘেরাও কর্মসূচির দিনই তলব সাংসদকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করল ইডি। আগামী ৩ অক্টোবর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।  ওই দিনই দিল্লিতে দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে ধরনা কর্মসূচি রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই ৩ অক্টোবর অভিষেক হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 

    কখন হাজিরা

    আগামী ৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০ টায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অভিষেককে। সেই নোটিসের কথা এক্স মাধ্যমে জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। সম্প্রতি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস অভিষেকের সম্পত্তি খতিয়ানের প্রশ্নে ইডি-কে কার্যত তুলোধনা করেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বিচারপতির প্রশ্ন, ‘রিপোর্টে একটি পাতায় দু’জনের নাম আছে। ঠিকানা দেওয়া, ৩০বি হরিশ চাটার্জি স্ট্রিট। এটা কি সংস্থার রেজিস্ট্রার্ড ঠিকানা? একটা সময়ে এই ঠিকানা রেজিস্ট্রার্ড হয়েছিল। সংস্থার বদলের সময়ে নিয়ম মানা হয়েছে? যে ওই কাজে অনিয়ম হয়েছে কিনা? ১৯ এপ্রিল ২০১২ তিনজন ডিরেক্টর ছিলেন। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন সময় দু’জন হল? ১১৮এ হরিশ মুখার্জি রোডে কার সম্পত্তি? সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত তালিকায় নেই কেন’?

    ফের কেন তলব

    বিচারপতির এই প্রশ্নের মাত্র দুদিন পরেই অভিষেককে তলব করল ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস মামলা প্রসঙ্গেও অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সিইও হিসাবে অভিষেকের কী ভূমিকা ছিল তা জানতে তাঁকে তলব করা হয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বরও ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক৷ সেদিনও প্রায় ৯ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়৷

    আরও পড়ুন: পুলিশ সরানোর নির্দেশ! রাজভবনের আবাসিক এলাকার নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam Case: ইডির তালিকায় রয়েছেন, নেই পর্ষদের তথ্যে! দুই প্রাথমিক শিক্ষক কোথায়? অবাক আদালত

    Recruitment Scam Case: ইডির তালিকায় রয়েছেন, নেই পর্ষদের তথ্যে! দুই প্রাথমিক শিক্ষক কোথায়? অবাক আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। কিন্তু পর্ষদের খতিয়ানে তাঁরা উধাও। এমন ঘটনায় বিস্মিত বিচারপতিও। দুই প্রাথমিক শিক্ষক (Recruitment Scam Case) কোথায় গেলেন? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। আসলে, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি’কে দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষকদের তালিকা আদলতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতো তালিকা জমা দিয়েছে ইডি। যেখানে দুই শিক্ষকের নাম রয়েছে, যাঁদের পদবী ‘রজক ও ‘শেখ’। এই দুই অভিযুক্ত শিক্ষক ২০২০ সালে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন বলে দাবি ইডির। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দেওয়া হলফনামায় ওই দুই শিক্ষকের কোনও উল্লেখই নেই। 

    জেনে বুঝেই নামগুলি বাদ!

    অবৈধভাবে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করেছে ইডি এবং সিবিআই। যা পরে আদালতের নির্দেশে পর্ষদকে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। তার ভিত্তিতেই আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছে পর্ষদ। এখন প্রশ্ন উঠছে, ইডির তালিকায় ‘রজক’ ও ‘শেখ’ পদবীধারী দুই শিক্ষককে ভুয়ো হিসেবে চিহ্নত করা হলেও, তা পর্ষদের হলফনামায় উল্লেখ নেই কেন? তাহলে কি জেনে বুঝেই নামগুলি বাদ দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। 

    ইডির তালিকা নিয়ে পর্ষদের জবাব

    ইডির তালিকায় বেআইনিভাবে চাকরি পাওয়া প্রায় ২২০৭ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে ২০১৬-১৭’তে নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ১৮০৪ জন। আর ২৫০ জনের চাকরি হয়েছিল ২০২০ সালে। শুধু তাই নয়, আরও ৬৩ জনের নাম পাওয়া গিয়েছে, যা ২০২৬-১৭ সালেই বিশেষ প্যানেল গঠন করে নেওয়া হয়েছিল। যা ইডির পক্ষ থেকে অবগত করা হয়েছিল পর্ষদকেও। তবে মজার ব্যাপার হল, পর্ষদ দাবি করছে ২০২০ সালে নিযুক্ত ২৫০জন শিক্ষকের মধ্যে দু’জন ছাড়া ২৪৮ জনের নিয়োগ বৈধ। এমনকী পর্ষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৮৯৪ ও ৬৩ জন টেট পাশ করেছিল। 

    সিবিআই-এর তালিকায় ধাক্কা

    সূত্রের খবর, ইডির তালিকা নিয়ে প্রত্যুত্তর দিলেও সিবিআইয়ের দেওয়া তালিকায় এসে কিছুটা হোঁচট খেয়েছে পর্ষদ। সিবিআই তাদের তালিকায় টেট পাশ না করা ৯৬ জন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ (ডিইএলএড) ডিগ্রি না থাকা ৪৬ জনের নাম দিয়েছিল। ৯৬ জনের মধ্যে ৪ জন এমন আছেন যাঁরা সরাসরি টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পৃথক ভাবে ২৫ জনের নাম দেওয়া হয়েছে যাঁদের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তাপস মণ্ডল কিংবা কুন্তল ঘোষের দু’জন দালালের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। পর্ষদ জানিয়েছে, ওই ৯৬ জনকে তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য তলব করা হয়েছে। অন্য ৪৬ জনকেও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘কে একটা ভাইপো আছে তাঁর চারতলা বাড়ি’’! কোভিড মামলায় মন্তব্য বিচারপতির

    এই হলফনামার পরিপ্রেক্ষিতে মামলাকারী চাকরিপ্রার্থী সৌমেন নন্দীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, ‘‘নিয়োগের অনিয়ম নিয়ে বার বার বলা হয়েছে। এত দিন পুরোপুরি অস্বীকার করলেও এ বার অন্তত নথি যাচাইয়ে ডাকতে বাধ্য হয়েছে পর্ষদ। পুরো তদন্ত হলে আরও অনেক কিছুই বেরোতে পারে।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share