Tag: England

England

  • Kylian Mbappe: এমবাপের জোড়া গোলে ইতিহাস, বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ফরাসি অধিনায়ক

    Kylian Mbappe: এমবাপের জোড়া গোলে ইতিহাস, বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ফরাসি অধিনায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলের বন্যা বইল। শনিবার অনুষ্ঠিত এই রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল (Kylian Mbappe) থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক জয়ের ভিত গড়ে দিলেও, ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিলেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসে পড়লেন (Golden Boot Race)।

    এমবাপে ঝড় (Kylian Mbappe)

    ম্যাচের প্রথমার্ধ তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকলেও, বিরতির পর আক্রমণের ঝড় তোলেন এমবাপে। ৪৮তম মিনিটে প্রথম গোল করার পর ৬৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এই দুই গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২। এর ফলে তিনি ২১ গোল করা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে উঠেছেন তিনি। তবে মেসির সামনে এখনও রেকর্ড পুনর্দখলের সুযোগ রয়েছে। রবিবার স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে গোল করতে পারলে এমবাপেকে টপকে আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পেতে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

    সোনার বুটের দৌড়েও শীর্ষে

    রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব, বত্রিশ দলের পর্ব, শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনাল—প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই গোল করেছেন। শুধু সেমিফাইনালেই এখনও তাঁর গোলের খাতা খোলা হয়নি। তিনটি সেমিফাইনাল খেলেও, তিনি একবারও জালের দেখা পাননি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোলের পর চলতি বিশ্বকাপে সোনার বুটের দৌড়েও শীর্ষে উঠে এসেছেন এমবাপে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০ গোল ও ৪টি গোলে সহায়তা করা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসির রয়েছে ৮ গোল ও ৪টি গোলে সহায়তা করা। ফাইনালে স্পেনের বিরুদ্ধে অন্তত দুটি গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করতে পারলে সোনার বুট জয়ের দৌড়ে এমবাপেকে (Kylian Mbappe) টপকে যেতে পারবেন মেসি।

    সোনার বুটের তালিকায় যাঁরা

    বর্তমানে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সোনার বুটের তালিকায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা হলেন কিলিয়ান এমবাপে (১০ গোল, ৪টি গোলে সহায়তা), লিওনেল মেসি (৮ গোল, ৪টি গোলে সহায়তা), এরলিং হলান্ড, (৭ গোল, কোনও গোলে সহায়তা নেই), জুড বেলিংহ্যাম, (৭ গোল, ১টি গোলে সহায়তা), হ্যারি কেন (৬ গোল, ১টি গোলে সহায়তা), এবং উসমান দেম্বেলে, (৬ গোল, ২টি গোলে সহায়তা)। ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সোনার বুটের লড়াইও জমে উঠেছে। আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ডেও নজর থাকবে ৩৯ বছর বয়সি মেসির। এদিকে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইতিহাস গড়ে (Golden Boot Race) আপাতত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন ও সোনার বুটের দৌড়—দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছেন এমবাপে (Kylian Mbappe)।

     

  • FIFA World Cup: খেলা শেষে স্টেডিয়ামেই মারামারি! ‘ফকল্যান্ড আমাদের’ ব্যানার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিতর্কে মেসিরা

    FIFA World Cup: খেলা শেষে স্টেডিয়ামেই মারামারি! ‘ফকল্যান্ড আমাদের’ ব্যানার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের হাতে, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিতর্কে মেসিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ম্যাচ শুধু ফুটবলের লড়াই ছিল না। এই ম্যাচ ছিল একে অপরকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার লড়াই। ৬০ বছর আগে যা শুরু হয়েছিল, সেই লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধে বাজিমাত করল আর্জেন্টিনা। দিয়েগো মারাদোনা যা করেছিলেন তা-ই করলেন লিয়োনেল মেসি। খানিকটা অন্য ভাবে। মারাদোনা জোড়া গোল করেছিলেন। মেসি জোড়া অ্যাসিস্ট করলেন। আর তাতেই ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। মাঠের উত্তাপ ছড়াল মাঠের বাইরেও। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের পর স্টেডিয়াম ও স্টেডিয়ামের বাইরে মারামারি হয়েছে দু’দলের সমর্থকদের। বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    উত্তেজনা, হাতাহাতি মাঠ ও মাঠের বাইরে

    খেলার মাঝেই উত্তপ্ত হচ্ছিল গ্যালারির পরিস্থিতি। কথা কাটাকাটি চলছিল। শেষ দিকে জোড়া গোল দিয়ে আর্জেন্টিনা জেতার পর সে দেশের সমর্থকেরা উল্লাস শুরু করেন। ইংল্যান্ডের সমর্থকদের তরফে কটূ কথা ভেসে আসে। বিবাদ আরও বাড়ে। তার পরেই শুরু হয় মারামারি। একই পরিস্থিতি স্টেডিয়ামের বাইরেও হয়। নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকা পুলিশকর্মীরা প্রথমে বিবাদ থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করলেন পদক্ষেপ করেন তাঁরা। দু’দলের বহু সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু আটলান্টা নয়, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সির মতো আমেরিকার বেশ কিছু শহরে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। এমনকি, বিশ্বকাপের কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে ইংল্যান্ডের বার্মিংহ্যামেও হাতাহাতি হয়েছে দু’দলের সমর্থকদের।

    মেসির সতীর্থকে চড় বেলিংহ্যামের

    উত্তেজনা চরমে উঠেছে মাঠের ভিতরেও। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও হেরেছে ইংল্যান্ড। সাত মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনার জোড়া গোলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। এগিয়ে গিয়েও এই হার মানতে পারেননি জুড বেলিংহ্যাম। খেলা শেষে আর্জেন্টিনার বেঞ্চে থাকা ভ্যালেন্টিন বার্কোকে চড় মারেন তিনি। খেলা শেষে উল্লাস করছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। সেখানে ছিলেন ভ্যালেন্টিন বার্কোও। কাছেই দাঁড়িয়েছিলেন বেলিংহ্যাম। ঠিক তখনই বেলিংহ্যাম পিছন থেকে এসে বার্কোর ঘাড়ের কাছে চড় মারেন। এই ঘটনা ভাল ভাবে নেননি আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। শুরু হয় বিবাদ। যদিও রেফারি বেলিংহ্যামকে কার্ড দেখাননি। খেলা শেষে আবার আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় ইংল্যান্ডের মর্গ্যান রজার্সের। আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা রজার্সের সামনে উল্লাস করছিলেন। সেটা পছন্দ হয়নি তাঁর। তিনি গিয়ে লাউতারোকে ধাক্কা মারেন। তার পর শুরু হয় ঝামেলা।

    মেসির সঙ্গেও বিবাদ বেলিংহ্যামের

    প্রথমার্ধেই অবশ্য লিয়োনেল মেসির সঙ্গে বিবাদ হয় বেলিংহ্যামের। একটি বলের দখল নিতে গিয়ে দুই তারকা পড়ে যান। মেসির মনে হয়েছিল, বেলিংহ্যাম তাঁকে ফাউল করেছেন। তিনি রেফারিকে বলেন। ঠিক তখনই বেলিংহ্যাম তাঁকে পাল্টা কিছু বলেন। মেসিও জবাব দেন। দুই তারকা একে অপরের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। রেফারি তাঁদের সরিয়ে দেন। মেসির মুখ দেখে মনে হচ্ছিল, বেলিংহ্যামের কথায় অবাক হয়েছেন তিনি। অবশ্য সৌহার্দ্যের ছবিও দেখা গিয়েছে মাঠে। খেলা শেষে একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন মেসি ও হ্যারি কেন। দুই তারকা একে অপরের সঙ্গে কিছু ক্ষণ কথাও বলেন।

    ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি

    গত ৬০ বছর ধরে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই অন্য রকমের উত্তাপ। ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর তা আরও বেড়েছে। এই ম্যাচেও ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি উস্কে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। ফলে লড়াই শুধু ফুটবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তা ছড়িয়ে পড়েছে মাঠের বাইরেও। আর্জেন্টিনা থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের মধ্যে থাকা দ্বীপ ফকল্যান্ড। এই দ্বীপের দখল নেওয়া ঘিরে বার বার বিবাদে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ১৯৮২ সালের ২ জুলাই ইংল্যান্ডের অধিকারে থাকা ফকল্যান্ড দ্বীপ আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। ৭৪ দিন ধরে চলেছিল সেই যুদ্ধ। শেষে আত্মসমর্পণ করে আর্জেন্টিনা। সেই যুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৬৪৯ ও ইংল্যান্ডের ২৫৫ সেনা প্রাণ হারান। নিহত হয়েছিলেন ফকল্যান্ড দ্বীপের তিন বাসিন্দা।

    ফকল্যান্ড দ্বীপ তাঁদেরই

    এদিনও খেলার শেষে ফুটবলারদের হাতে ছিল ব্যানার। সেই একই ব্যানার ছিল সমর্থকদের হাতেও। খেলা শেষে বিশেষ ব্যানার নিয়ে উল্লাসে মাতলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। সেমিফাইনাল চলাকালীন আর্জেন্টিনার ফুটবলার জিয়োভানি লো সেলসোর হাতে একটি ব্যানার দেখা যায়। তাতে লেখা, ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস।’ স্প্যানিশে এই কথার বাংলা অর্থ, ‘মালভিনাস আমাদেরই।’ ফকল্যান্ড দ্বীপকে মালভিনাস বলে ডাকেন আর্জেন্টিনার বাসিন্দারা। অর্থাৎ, ম্যাচের মধ্যে তাঁরা স্লোগান তোলেন যে, ফকল্যান্ড দ্বীপ তাঁদেরই। খেলা শেষে নিকোলাস ওটামেন্ডি ও লো সেলসো সেই ব্যানার তুলে ধরেন। আর্জেন্টিনার বাকি ফুটবলারেরাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। গ্যালারিতে থাকা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের হাতেও ছিল একই ব্যানার। অর্থাৎ, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি আরও এক বার উস্কে দিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা। সেই ব্যানার হাতেই উল্লাস করলেন তাঁরা। রাজনৈতিক স্লোগান লেখা ব্যানার দেখিয়ে আর্জেন্টিনা নিয়ম ভেঙেছে কি না, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ফিফা সরকারী ভাবে কিছু বলেনি। তবে খেলা দেখতে মাঠে গিয়েছিলেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তাঁর সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে।

  • FIFA World Cup 2026: ৮৪ মিনিট পিছিয়ে থেকে প্রত্যাবর্তন! আর্জেন্টিনার ৭ মিনিটের ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসিরা

    FIFA World Cup 2026: ৮৪ মিনিট পিছিয়ে থেকে প্রত্যাবর্তন! আর্জেন্টিনার ৭ মিনিটের ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছিয়ে পড়া, হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, তারপর হঠাৎই প্রত্যাবর্তন। চলতি বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) এক অবিশ্বাস্য মহাকাব্য লিখে চলেছেন মেসিরা। বলা ভাল আর্জেন্টিনা। এই দল দেখিয়ে দিচ্ছে, মেসি (Lionel Messi) গোল না করলেও জিততে পারে তারা। মেসিকে যে প্রতিপক্ষ বোতলবন্দি করার চেষ্টা করবে, এ আর নতুন কী? একমাত্র আলজেরিয়া বাদে বাকি সব ম্যাচে তা দেখা গিয়েছে। ইংল্যান্ডও আটকে রেখেছিল তাঁকে। গোটা ম্যাচে বক্সে বার দু’য়েকের বেশি ঢুকতে পারেননি তিনি। তাতে কী? দলের জয় আটকায়নি। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। শেষ ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনীয় ঝড়েই হারিয়ে গেলেন হ্যারি-কেনরা।

    এই ম্যাচ অন্য সাধারণ ম্যাচের মতো নয়

    এই ম্যাচ অন্য সাধারণ ম্যাচের মতো ছিল না। একে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। তার উপর আবার প্রতিপক্ষের নাম ইংল্যান্ড। যে দেশের বিরুদ্ধে খেলা শুধুমাত্র ফুটবলে সীমাবদ্ধ থাকে না। তা হয়ে ওঠে যুদ্ধ। আর সেই যুদ্ধ জিতেছে আর্জেন্টিনা। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকে জিতেছে। মেসি-সহ পুরো আর্জেন্টিনা দল এই প্রথম বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলল। কিন্তু ১৯৬৬, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের লড়াইয়ের কথা তাঁদের জানা। ফকল্যান্ড যুদ্ধ তাঁদের স্মৃতিতে। তাই পিছিয়ে পড়ার পর যে লড়াইটা আর্জেন্টিনা করেছে তা ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। জয়ের পর মেসি জানালেন, এই জয় আর্জেন্টিনার প্রত্যেকের জয়। খেলা শেষে মেসি বলেন,“এটা বিশ্বকাপের আরও একটা ম্যাচ হলেও বাকি ম্যাচের থেকে আলাদা। সমর্থকেরা এই জয়টা চেয়েছিল। কারণ, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার মতো আনন্দ আর কিছুতে নেই। সেটা আমরা সমর্থকদের দিতে পেরেছি।”

    পুরোপুরি সফল স্কালোনি

    প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় আকাশ-পাতাল ফারাক। লড়াই শুধু ফুটবলারদের ছিল না, লড়াই ছিল দু’দলের কোচেরও। প্রথমার্ধে লিয়োনেল স্কালোনির পরিকল্পনা দেখে মনে হল, গোল করতে নয়, হ্যারি কেনদের থামাতে নেমেছে আর্জেন্টিনা। রদ্রিগো ডি পলের বদলে জিউলিয়ানো সিমিয়োনেকে নামানোর কারণই ছিল তাই। নিজের কাজ করলেন তিনি। দেখে মনে হচ্ছিল, বাবা দিয়েগো সিমিয়োনের কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়ে নেমেছেন। প্রথমার্ধের ফুটবলে মন ভরেনি। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার খেলা দেখে। নিজেদের খেলা না খেলে ইংল্যান্ডের খেলা নষ্ট করতে নেমেছিল তারা। পর পর ফাউল হচ্ছিল। খেলার ছন্দ নষ্ট করছিলেন সিমিয়োনে, লিয়োনার্দো পারেদেসরা। স্কালোনি অবশ্য তাঁর পরিকল্পনায় পুরোপুরি সফল। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের ছন্দ নষ্ট করেছেন তাঁর ফুটবলারেরা। ফলে আক্রমণ করলেও গোলের মুখ খুলতে পারেননি কেনেরা। সেটাই পরিকল্পনা ছিল তাঁর।

    নিজের ভুলেই আটকে গেলেন টমাস টুখেল

    প্রথমার্ধে ১৯টি ফাউল হয়। ১২টি করে আর্জেন্টিনা। সাতটি ইংল্যান্ড। মাঝে মাঝেই খেলা থামছিল। ধাক্কাধাক্কি করছিলেন দু’দলের ফুটবলারেরা। সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন রেফারি। তিনিও হয়তো চাইছিলেন তাড়াতাড়ি বিরতি নিতে। তাই এত ফাউলের পরেও মাত্র ৩ মিনিট সংযুক্তি সময় দেওয়া হল। দ্বিতীয়ার্ধে বদলে গেল খেলা। আর্জেন্টিনাকে আক্রমণে উঠতে দেখা গেল। আর তাতে জায়গা পেয়ে গেল ইংল্যান্ড। তাতেই গোল। ৫৫ মিনিটের মাথায় ডান প্রান্ত ধরে উঠে রিস জেমসের ক্রসে গোল করলেন অ্যান্টনি জর্ডন। পিছিয়ে পড়়ে বেরিয়ে এল আর্জেন্টিনার আসল খেলা। খোলস ছেড়ে বেরাল তারা। কারণ, গোল করা ছাড়া আর উপায় ছিল না। সেখানেই দুই কোচের দুই চালে খেলা ঘুরে গেল। যেখানে স্কালোনি একের পর এক আক্রমণ ভাগে ফুটবলার নামালেন, পারেদেস, লিসান্দ্রোদের তুলে ঝুঁকি নিলেন, সেখানেই টমাস টুখেল পার্ক দ্য বাস নীতিতে চলে গেলেন। এতটা রক্ষণাত্মক না হলেই পারতেন তিনি। এক গোলে এগিয়ে থেকে মেসিদের বিপক্ষে এতটা রক্ষণাত্মক হওয়া যায় না।

    শেষ ৭ মিনিটের ঝড়ে উড়ে গেল ইংল্যান্ড

    ডি পল, লাউতারোরা নামার পর মেসিরও সুবিধা হল। মিশর ম্যাচে যা করেছিলেন, তাই করলেন। সরে গেলেন ডান প্রান্তে। মার্কারকে এড়িয়ে গেলেন। তখন রক্ষণ করতে লোক বাড়াতে গিয়ে মেসিকে নজরে রাখতে পারলেন না স্পেন্স, গেহিরা। ফলে অনেক বেশি বল পেতে শুরু করলেন মেসি। জর্ডন পিকফোর্ড না থাকলে আরও আগেই গোল খেত ইংল্যান্ড। এঞ্জো ফের্নান্দেজের হেড দুর্দান্ত বাঁচান তিনি। ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড পোস্ট লেগে ফেরে। কিন্তু বার বার আক্রমণে শেষ পর্যন্ত ভাঙে তাদের রক্ষণ। ৮৫ মিনিটের মাথায় মেসির পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে গোল করেন ফের্নান্দেজ। সমতা ফিরিয়ে আর্জেন্টিনা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারছিল, এই ঝড়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণ আবার ভেঙে পড়তে পারে। হলও তাই। ম্যাক অ্যালিস্টারের আরও একটি শট পোস্টে লেগে ফেরে। পর পর আক্রমণে খেই হারিয়ে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। তাতেই কাল হল। সংযুক্তি সময়ে মেসির ক্রসে হেড করে গোল করলেন লাউতারো। আর ফিরতে পারেনি ইংল্যান্ড।

    এই দলটা কখনও হাল ছাড়ে না

    মেসি জানিয়েছেন, এই ম্যাচে হারার উপায় ছিল না। তাঁদের জিততেই হত। সেটাই করেছেন তাঁরা। মেসি বলেন, “আর্জেন্টিনার কেউ এই ম্যাচটা হারতে চায়নি। এই হার হজম করতে পারতাম না। সেটা সকলেই জানে। তাই হয়তো আনন্দ কিছুটা বেশিই হচ্ছে। আমি জানি, গোটা আর্জেন্টিনা এখন আনন্দে লাফাচ্ছে।” কিন্তু ৮৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থেকে জয় সহজ কথা নয়। চলতি বিশ্বকাপে বারবার পিছিয়ে পরেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। কাবো ভার্দের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে জিতেছে আর্জেন্টিনা। মিশরের বিরুদ্ধে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ০-২ পিছিয়ে থেকেও ৩ গোল করেছে তারা। কিন্তু সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মতো দলের বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকে জেতা সহজ ছিল না। মেসি বলেন, “এই দলটা কখনও হাল ছাড়ে না। হারার ভয় আমাদের নেই। খালি জানি, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করতে হবে। এই ম্যাচেও সেটাই করেছি। ওদের অর্ধেই ওদের মাটিতে ফেলে হারিয়েছি। আমরা অতিরিক্ত সময় খেলতে চাইনি। ৯০ মিনিটেই জিততে চেয়েছিলাম। সেটা করে দেখিয়েছি।”

    বিজয়ীর মুকুট কার মাথায়?

    ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে এবার স্পেন। এক নতুন চ্যালেঞ্জ, এক নতুন পরীক্ষা। ফাইনালের মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই প্রজন্মের দুই প্রতীক। একদিকে ৩৯ বছরের বৃদ্ধ সিংহ লিওনেল মেসি। অন্যদিকে ১৯ বছরের তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। একজন মহাকাব্যের শেষ অধ্যায় লিখতে চলেছেন। আরেক জন ইতিহাস তৈরি করতে চান। সময় বলবে ইতিহাস কাকে বিজয়ীর মুকুট পরাবে।

  • FIFA World Cup 2026: টিকে রইল বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড! মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে

    FIFA World Cup 2026: টিকে রইল বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড! মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেতা ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) থেকে বিদায় নিল সেনেগাল। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত বেলজিয়ামকে দাঁড়াতে দেয়নি তারা। কিন্তু তার পরেই হঠাৎ তিন মিনিটের ঝড়ে ০-২ থেকে ২-২ করল বেলজিয়াম। খেলা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। যখন দেখে মনে হচ্ছে খেলা টাইব্রেকারে যাবে তখনই নাটক। শেষ মিনিটে পেনাল্টি পেল বেলজিয়াম। ঠান্ডা মাথায় গোল করলেন অধিনায়ক ইউরি টিয়েলেম্যানস। ৩-২ গোলে সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় বেলজিয়াম। অন্য ম্যাচে হ্যারি কেনের জোড়া গোলে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল ইংল্যান্ড। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে দাপট দেখাল আমেরিকাও। গোটা ম্যাচ জুড়ে বসনিয়া ও হারজেগোভিনা তাদের তাড়া করে গেল। এমনকি, ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও আমেরিকাকে হারাতে পারল না তারা। বসনিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশও উঠল প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে।

    মন জিতলেও স্বপ্নভঙ্গ সেনেগালের

    সাইডলাইনের পাশে বসে থাকা সাদিয়ো মানেকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না আর বিশ্বকাপে নেই তাঁর দেশ। হয়তো শেষ বারের মতো তিনিও বিশ্বকাপ খেলে ফেললেন। বিশ্বাস হচ্ছিল না সিয়াটলের স্টেডিয়ামের ৬৬ হাজার দর্শকের অর্ধেকের। যাঁদের গায়ে ছিল সবুজ জার্সি। হাতে সিংহ। আফ্রিকার এই দেশের ফুটবল দলকে বলা হয় ‘দ্য লায়ন্স’। সেই সিংহ হুঙ্কার দিলেও শিকার করতে পারল না। ৮৫ মিনিটের আগে সেনেগালের সমর্থকদের অনেকেই শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিট কাটতেও হয়তো শুরু করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার দেশে ফেরার বিমানের টিকিট কাটতে হবে তাঁদের। প্রথম ৮৫ মিনিট বোঝা যায়নি সেনেগালের প্রতিপক্ষ দলের নাম বেলজিয়াম। যে দলটা কয়েক বছর আগেও ফিফা ক্রমতালিকায় এক নম্বরে ছিল। অবশ্য দলটার সোনালি প্রজন্ম প্রায় শেষের পথে। দেখে মনে হচ্ছিল, কেভিন দ্য ব্রুইন, থিবো কুর্তোয়ারা শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজা না পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে হালকা নিতে নেই। সেই ভুলটাই করল সেনেগাল। ৮৬ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ট্রসার্ডের ক্রস পায়ের টোকায় জালে জড়িয়ে দেন লুকাকু। প্রথম পোস্টেই ছিলেন গোলরক্ষক দিয়াও। গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন তিনি। কিন্তু সেই শট বাঁচাতে পারলেন না। ৮৯ মিনিটের মাথায় আবার ট্রসার্ডের ক্রস। এ বার বেরিয়ে পাঞ্চ করার চেষ্টা করেন দিয়াও। কিন্তু তিনি হাত লাগানোর আগেই হেড করেন টিয়েলেম্যানস। বল গোলে ঢোকে। দু’টি গোলের ক্ষেত্রেই সেনেগালের রক্ষণ দায়ী। অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষে আরও একটি ভুল করল সেনেগালের রক্ষণ। বল বার করতে গিয়ে টিয়েলেম্যানসকে ফাউল করেন কামারা। ভার রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। সকলে ভেবেছিলেন লুকাকু শট মারবেন। কিন্তু দায়িত্ব নেন অধিনায়ক। ঠান্ডা মাথায় গোল করে বেলজিয়ামকে পরের রাউন্ডে তোলেন তিনি।

    ভালো খেলেও ইংল্যান্ডের কাছে হার কঙ্গোর

    ফুটবল বিশ্বের সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত হয়ে থাকতে পারে এ বারের বিশ্বকাপ। বুধবারের ইংল্যান্ড-ডিআর কঙ্গো ম্যাচ সেই পরিবর্তনের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে। ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নদের বাড়তি সমীহ করেনি প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কঙ্গো। বরং আগ্রাসী ফুটবল খেলছে। প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ডিফেন্সকে ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেছে। আফ্রিকার দেশের রক্ষণও পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছে। গোলরক্ষক লিয়োনেল এমপাসি দুরন্ত খেললেন। বেশ কয়েকটা ভাল সেভ করলেন। কঙ্গোর রক্ষণের প্রাচীর ভাঙতে হিমশিম খেলেন জুড বেলিংহ্যাম, মার্কাসরা। ম্যাচের ৭ মিনিটে ব্রায়ান সিপেনগার দুরন্ত গোলে এগিয়ে যায় কঙ্গো। বক্সের মধ্যে অরক্ষিত অবস্থায় বল পান সিপেনগা। তাঁর ডান পায়ের শক্তিশালী শট আটকাতে পারেননি জর্ডন পিকফোর্ড। পিছিয়ে পড়ার পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ৪ মিনিট পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে আটকে রেখেছিল কঙ্গো। সমতা ফেরান সেই কেন। ৭৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে অ্যান্টনি গর্ডনের ভাসিয়ে দেওয়া বলে হেড দিয়ে গোল করেন কেন। এমপাসি চেষ্ট করেও আটকাতে পারেননি। কেনই ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন ৮৬ মিনিটে। সেই গর্ডনের পাস থেকেই বক্সের মধ্যে বল পান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ডান পায়ের জোরাল শটে পরাস্ত করেন কঙ্গোর গোলরক্ষককে।

    শেষ ষোলোয় আয়োজক আমেরিকা

    মেক্সিকো ও কানাডার পর বিশ্বকাপের তৃতীয় আয়োজক দেশ আমেরিকাও পৌঁছল শেষ ষোলোয়। ১০ জনের আমেরিকাকেও হারাতে পারল না বসনিয়া ও হার্জ়েগোভিনা। লস অ্যাঞ্জেলেসের মাঠে বিপুল জনসমর্থন নিয়েই প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র আদায় করে নিল আমেরিকা। ২০০২-এর পর আবার বিশ্বকাপের নক-আউটে এগোল তারা। প্রথম থেকেই আক্রমণে যাচ্ছিল আমেরিকা। টিলমানের ক্রস ধরে গোল করেও ফেলেছিলেন বালোগুন। কিন্তু অফসাইডের জন্য তা বাতিল হয়। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে বসনিয়ার রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন বালোগুন। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই, ৬৪ মিনিটে সেই বালোগুনই লাল কার্ড দেখেন। বিশ্বকাপের নক-আউটে গোল ও লাল কার্ড, এর আগে শুধু ছিল জিনেদিন জিদানের। ২০০৬-এর সালের ফাইনালে ইটালির বিরুদ্ধে। বালোগুন উঠে যাওয়ার পর থেকে ১০ জনে খেলতে হয় আমেরিকাকে। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপে তাঁর তিনটি গোল হয়ে গেলেও প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না তিনি। ১০ জনের আমেরিকাকে বেশ কিছুক্ষণ চাপে রেখেছিল বসনিয়া ও হার্জ়েগোভিনা। কিন্তু দশ জনেও পাল্টা আক্রমণের কৌশল নেয় আমেরিকা। তারা আরও একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল হয়। তবে ৮২ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আমেরিকাকে ২-০ এগিয়ে দেন টিলমান। তখনই আমেরিকার জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।

     

     

     

  • India vs England: ব্যর্থ জাদেজার লড়াই, লর্ডসে ২২ রানে হার মানল টিম ইন্ডিয়া

    India vs England: ব্যর্থ জাদেজার লড়াই, লর্ডসে ২২ রানে হার মানল টিম ইন্ডিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেওয়াল লিখনটা স্পষ্টই হয়ে গিয়েছিল লর্ডস টেস্টের চতুর্থ দিনে। পঞ্চম দিনে প্রাপ্তি শুধুই জাদেজার লড়াই। লড়েছিলেন তিনি। ভয়ঙ্কর রকম লড়েছিলেন। যদি জেতাতে পারতেন তাহলে নায়কের আসন ছিল পাকা। কিন্তু পরাজিত হলে লড়াইয়ের দাম থাকে না। তাই হল। জাদেজা নিজে অপরাজিত থাকলেন ৬১ রানে। কিন্তু শোয়েব বশিরের বলটা সিরাজ খেলার পরেও দিল উইকেট ভেঙে। আটকাতেই পারতেন পা দিয়ে। মুহূর্তের ভুল। আর তাতেই সবশেষে। ১৯৩ রান তাড়া করতে নেমে ভারত শেষ হয়ে গেল ১৭০ রানে। লর্ডস টেস্ট ইংল্যান্ড (India vs England) জিতে নিল ২২ রানে। সিরিজে এগিয়ে গেল ২–১ ব্যবধানে।

    ডুবল গিলের রণতরী

    ২০২১ সালে ভারত শেষ বার লর্ডসে (India vs England) জিতেছিল। চার বছর আগের লর্ডস টেস্টে লোকেশ রাহুল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। চার বছর পরে লর্ডস টেস্টের নায়ক হতে পারতেন তিনি। প্রথম ইনিংসে তিনি সেঞ্চুরি করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁকেই ত্রাতা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেন স্টোকসের বাঁক খাওয়া বলটা মৃত্য পরোয়ানা নিয়ে হাজির হল ভারতের ওপেনারের সামনে। চতুর্থ দিনের শেষে রাহুল ব্যাট করছিলেন ৩৩ রানে। পঞ্চম দিন রাহুল বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। বেন স্টোকসের ব্যুমেরাং মোক্ষম সময়ে রাহুলের পায়ে লাগল। ৩৯ রানে ফিরে গেলেন ভারতের ওপেনার। লর্ডস টেস্টের চতুর্থ দিনের শেষে একেবারেই স্বস্তিতে ছিল না টিম ইন্ডিয়া। ১৯৩ রান তাড়া করতে গিয়ে চতুর্থ দিনের শেষে টিম ইন্ডিয়ার সংগ্রহ ৫৮/৪। সোমবার ম্যাচের শেষ দিনে জয়ের জন্য লোকেশ রাহুলদের প্রয়োজন ছিল ১৩৫ রান। রাহুল-পন্থ থাকলে ম্যাচের ফলটা অন্যরকম হতে পারত। কিন্তু পন্থও ফিরে গেলেন দ্রুত। আসলে এজবাস্টনের হারটা মানতে পারছিলেন না আর্চার-স্টোকসরা।

    জাদেজার লড়াই

    রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে অনেকক্ষণ ধৈর্য ধরে ব্যাট করছিলেন নীতীশ রেড্ডি। কিন্তু লাঞ্চের ঠিক আগেই আউট হয়ে গেলেন তিনি। সেখান থেকে জশপ্রীত বুমরাহকে নিয়ে দীর্ঘ সময় একা কুম্ভের মতো লড়ে যান রবীন্দ্র জাদেজা। বুমরাহও স্টোকস-আর্চারদের সামলে দিচ্ছিলেন। কিন্তু স্টোকসের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আশ্চর্যজনকভাবে আউট হলেন মহম্মদ সিরাজ। যখন আশা করা হচ্ছিল, সিরাজ ঠিক লড়ে যাবেন, তখনই বিপর্যয়। তীরে এসে তরী ডুবল ভারতের। চতুর্থ ইনিংসের চাপ নিতে না পারার খেসারত দিল গিল-বাহিনী।

  • India England 2nd Test: শুভমনের দ্বিশতরান, ছাপিয়ে গেলেন সচিন-কোহলিকে! যোগ্য হাতেই ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটন

    India England 2nd Test: শুভমনের দ্বিশতরান, ছাপিয়ে গেলেন সচিন-কোহলিকে! যোগ্য হাতেই ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ব্যাটন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এজবাস্টনে ইতিহাস লিখলেন শুভমন গিল (Shubman Gill)। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে (India England 2nd Test) তাঁর ২৬৯ রানের ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৫৮৭ রান করল ভারত। ১৮ বছর পর আবার ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টে এক ইনিংসে ৫০০ রানের বেশি করল ভারত। একের পর এক নজির গড়লেন ভারত অধিনায়ক। ছাপিয়ে গেলেন সুনীল গাভাসকর, শচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলিদের। প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা ক্রিজে থেকে এজবাস্টনে প্রথম ইনিংসে একাই প্রায় ৬৫ ওভারের বেশি ব্যাট করে ফেলেছেন শুভমন গিল।

    শুভমনের নজির

    ভারতীয় অধিনায়কদের মধ্যে টেস্টে সর্বাধিক রানের ইনিংস খেললেন শুভমন। এর আগে সেই রেকর্ড ছিল কোহলির দখলে। তিনি ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অপরাজিত ২৫৪ রান করেছিলেন। শুভমনই এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম অধিনায়ক যিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে দ্বিশতরান করেছেন। এর আগে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক তিলকরত্নে দিলশান ইংল্যান্ডের মাটিতে ১৯৩ রান করেছিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করলেন শুভমন। এত দিন সেই রেকর্ড ছিল সুনীল গাভাসকরের দখলে। ১৯৭৯ সালে ওভালে ২২১ রান করেছিলেন তিনি। ৪৬ বছর পুরনো রেকর্ড ভেঙেছেন শুভমন। এশিয়ার বাইরে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করেছেন শুভমন। এত দিন এই রেকর্ড ছিল সচিনের দখলে। ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ২৪১ রান করেছিলেন তিনি। ২১ বছর পর এজবাস্টনে ভাঙল সেই রেকর্ড।

    শক্ত হাতে ভারতীয় ক্রিকেট

    ত্রিশতরান হাতছাড়া হলেও কঠিন পরিস্থিতিতে যে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ভালবাসেন, তা বুঝিয়ে দিলেন শুভমন গিল। তাঁর হাতে দলের ব্যাটন তুলে দিয়ে বিসিসিআই যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা-ও বুঝিয়ে দিলেন আইপিএলে গুজরাট-টাইটান্সের ক্যাপ্টেন। গত ৫০ বছরে টেস্টে ভারতীয় ক্রিকেটের ব্যাটন বদলেছে। সুনীল গাভাসকরের কাছ থেকে পেয়েছিলেন শচিন তেন্ডুলকর। দুই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি সেই দায়িত্ব সামলেছেন। নিজের চার নম্বর জায়গা তিনি ছেড়ে গিয়েছিলেন কোহলিকে। শচিনের মান রেখেছেন কোহলি। শুধু ব্যাটার হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কোহলির ছেড়ে দেওয়ার চার নম্বর জায়গা মাত্র দুই টেস্টেই নিজের করে নিয়েছেন শুভমন। মাত্র দুই টেস্টেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, শক্ত হাতে রয়েছে ভারতের টেস্ট ক্রিকেট।

    কোন রসায়নে সাফল্য

    শুভমন যখন ১৯৯ রানে খেলছেন তখনও তাঁকে বাউন্সার করেন জশ টং। তাতে শুভমনের কোনও সমস্যা হয়নি। ফাইন লেগে পুল মেরে নিজের প্রথম দ্বিশতরান করেছেন তিনি। তার পরেও থামেননি। শেষ পর্যন্ত থেমেছেন ২৬৯ রানে। তাঁর ইনিংসে ছিল ৩০টি চার ও তিনটি ছক্কা। ধুম-ধারাকা আইপিএলের পর ক্লাসিকাল ক্রিকেটে ধ্রুপদী ইনিংস। শুভমন বলেন, ‘আমাদের দল ভাল জায়গায় আছে। আমি কয়েকটা দিক নিয়ে পরিশ্রম করেছিলাম। আইপিএল শেষ হওয়ার পর বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছিলাম যা টেস্ট ক্রিকেটের আগে খুব জরুরি ছিল। এখনও পর্যন্ত যা দেখছি, সেগুলো আমাকে সাহায্য করেছে।’

    মুগ্ধ ইংল্যান্ডও

    শুভমনের ইনিংস দেখে উচ্ছ্বসিত ইংল্যান্ড শিবিরও। মুগ্ধতার ছবিটা কেমন? প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ দিনের শেষ বলটা করতেই ব্যাট বগলদাবা করে ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা শুরু করলেন হ্যারি ব্রুক। অপর অপরাজিত ব্যাটার জো রুটকে দেখা গেল উল্টো দিকে হাঁটা দিলেন। তিনি এগিয়ে গেলেন শুভমন গিলের দিকে। করমর্দন করলেন ভারতের অধিনায়কের সঙ্গে। ইংল্যান্ড তো বটেই, বর্তমান বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার অভিনন্দন জানাতে এগিয়ে যাচ্ছেন, এটাই শুভমনের ইনিংসের সার্থকতা।

    অ্যাডভান্টেজ ভারত

    এজবাস্টনে শুভমনের সামনে অসহায় দেখিয়েছে ইংরেজ বোলিংকে। এখানকার পাটা উইকেটে ২১১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ভারতের। শুভমন জানতেন, অন্তত ৪০০ রান করার লক্ষ্য ছিল তাঁর। শুভমনকে সাহায্য করলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিন বছর আগে এই মাঠেই শতরান করেছিলেন জাদেজা। তিনি ভাল খেললেন। দু’জনের মধ্যে ২০৩ রানের জুটি হল। তাতে চাপ অনেক কমে গেল শুভমনের উপর। জাদেজা আউট হওয়ার পর শুভমনের ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায়। বাংলার পেসার আকাশ দীপ পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। তৃতীয় ওভারে দুই উইকেট খুইয়ে ইংল্যান্ড যখন ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল, তখন আবার মহম্মদ সিরাজ বাধা হয়ে দাঁড়ান। অপর ওপেনার ক্রলিকে ফেরান তিনি। মাত্র ২৫ রানে তিন উইকেট খুইয়ে বসে ইংরেজ বাহিনী। এরপর জো রুট ও হ্যারি ব্রুক ম্যাচের হাল ধরেন। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ৩ উইকেটে ৭৭ রানে শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের খেলা। ম্যাচের যা পরিস্থিতি তাতে বলাই যায়, অ্যাডভান্টেজ টিম ইন্ডিয়া।

  • India vs England 2nd Test: সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া ভারত, রেকর্ড বলছে অন্য কথা! এজবাস্টনে আজ শুরু দ্বিতীয় টেস্ট

    India vs England 2nd Test: সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া ভারত, রেকর্ড বলছে অন্য কথা! এজবাস্টনে আজ শুরু দ্বিতীয় টেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার এজবাস্টনে দ্বিতীয় টেস্টে (India vs England 2nd Test) মুখোমুখি হবে ভারত-ইংল্যান্ড। সিরিজ নিজেদের দখলে রাখতে হলে দ্বিতীয় ম্যাচেই সমতা ফেরাতে হবে ভারতকে। বিদেশ সফর, তার উপর আবার অনভিজ্ঞ দল। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে পিছিয়ে পড়া সমস্যায় ফেলেছে গৌতম গম্ভীরের দলকে। এজবাস্টন টেস্ট হাতছাড়া হলে, বাকি ৩ ম্যাচই জিততে হবে। সেটা বেশ কঠিন কাজ। তাই কাজটা একেবারেই কঠিন করতে নারাজ শুভমন গিলরা। লাল বলের ক্রিকেটে এজবাস্টনে কোনও সুখস্মৃতি সরবরাহ নেই ভারতের। কারণ, এ মাঠে কখনও টেস্ট জেতেনি ভারত।

    অনিশ্চিত বুমরা

    এজবাস্টনে সচরাচর ফাস্ট বোলাররা (Jasprit Bumrah) মদত পেয়ে থাকেন। প্রায়শই আকাশে মেঘ দেখা যায় ফলে টেস্টের শুরুর দিকে বিশেষত বল স্যুইং করানোর জন্য একেবারে ঠিকঠাক পরিবেশ থাকে। এই ম্যাচের পিচ দেখেও কিন্তু তেমনটারই পূর্বাভাস মিলছে। টেস্টের প্রথম দুই দিনে ডিউক বলে ফাস্ট বোলাররা মদত পেতে পারেন। তাই এই ম্যাচে বুমরাকে প্রয়োজন ভারতের। কিন্তু ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কারণে দ্বিতীয় টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে জসপ্রীত বুমরাকে। আগেই জানা গিয়েছিল তিনি সিরিজের সব ম্যাচ খেলবেন না। ফলে বার্মিংহ্যামে তাঁর বদলে খেলতে পারেন আকাশ দীপ ও অর্শদীপ সিং-এর মধ্যে এক জন। তবে বুমরা ছাড়া দল নামাতে ব্যাকফুটে ভারত। দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের সম্ভাব্য বোলিং আক্রমণ সম্পর্কে অধিনায়ক শুভমন বলেছেন, ‘‘জসপ্রীত বুমরাকে পাওয়া যাবে। আমরা সঠিক বোলিং আক্রমণ বেছে নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে বিপক্ষের ২০টি উইকেট নেওয়া যায় এবং কিছু রানও হয়। অনুশীলনের পর পিচ দেখে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’’ আসলে, ব্যাটাররা পাঁচটি সেঞ্চুরি করলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট হারতে হয়েছে ভারতীয় দলকে। জসপ্রীত বুমরা ছাড়া বাকি বোলারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণেই হারতে হয় টিম ইন্ডিয়াকে।

    দলে বাংলার আকাশ দীপ

    বুমরা এজবাস্টনে না খেলা মানে, ভারতের উপর চাপ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়া। সমর্থক থেকে প্রাক্তনী, সকলেই প্রবলভাবে চাইছেন বুধবার বুমরাকে নামিয়ে দেওয়া হোক। ঘুরে দঁড়াতে মরিয়া ভারতীয় দল আসলে বড় বেশি বুমরা নির্ভর হয়ে পড়েছে। ম্যাচ জেতালে তিনিই জেতাবেন। বাকিরা তালপাতার সেপাই। হেডিংলে টেস্টে ৩৭১ রানের টার্গেট দিয়েও ইংল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হার, সেই ধারণাকে আরও দৃঢ় করেছে। তাই বুধবার এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে নামার আগে বুমরাকে নিয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বার বার হোঁচট খেতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। এই ম্যাচে বুমরাকে না পাওয়া গেলে তাঁর জায়গায় খেলার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা বাংলার পেসার আকাশ দীপের। এজবাস্টনের নেটে চেনা ছন্দে দেখা গেল আকাশ দীপকে। আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, দুদিকেই বল ঘোরাতে পারেন তিনি।

    কেমন হবে দল

    প্রথম টেস্টে হারের পর একাধিক প্লেয়ারের পারফরম্যান্স নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে (India vs England 2nd Test) ভারতের একাদশ কী হবে তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। প্রথম টেস্টে ভারতীয় দলে যার সুযোগ পাওয় নিয়ে সবথেকে বেশি প্রশ্ন উঠেছে তিনি শার্দুল ঠাকুর। না বোলিংয়ে, না ব্যাটিংয়ে কোনও কিছুতেই নিজের সেরাচা দিতে পারেনি তিনি। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে তার বাদ পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। শার্দুলের জায়গায় সুযোগ পেতে পারেন কুলদীপ যাদব। এছাড়া মিডল অর্ডারে প্রথম ডাউন অভিষেক টেস্টে হতাশ করেছেন সাই সুদর্শনও। প্রথম ইনিংসে ০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০ রান করেন তিনি। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে তারও বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার বাদলে দলে আসতে পারেন ওয়াশিংটন সুন্দর, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, নীতিশ কুমার রেড্ডি। সমস্যা হচ্ছে, প্রথম টেস্টে ভারতকে ভুগিয়েছে ফিল্ডিংও। একাই চারটি ক্যাচ মিস করেছেন যশস্বী জয়সওয়াল। জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় টেস্টের স্লিপ কর্ডনে থাকবেন না যশস্বী।

    এজবাস্টনে জেতেনি ভারত

    ইংল্যান্ড সফরের শুরুটা ভালো হয়নি ভারতীয় দলের। লিডস টেস্টে জয়ের কাছে পৌঁছেও হার মানতে হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজে ০-১ পিছিয়ে। এই অবস্থায় এজবাস্টনের (India vs England 2nd Test) রেকর্ডও ভারতের অনুকূলে নয়। ১৯৬৭ সালে ভারতীয় দল এজবাস্টনে প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামে। তারপর থেকে ৫৮ বছর কেটে গিয়েছে। এই মাঠে আরে সাতবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় ভারত। দুর্ভাগ্যবশত আটবারের মধ্যে টিম ইন্ডিয়া এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটিও টেস্ট ম্য়াচ জিততে পারেনি। তিন ম্যাচে তো ইনিংসে হেরেছে টিম ইন্ডিয়া। কেবল ১৯৮৬ সালে টেস্ট ম্য়াচ ড্র করতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় দল। বাকি সাত ম্যাচেই পরাজিত হয়েছে ভারত। শেষবার তিন বছর আগেও সাত উইকেটে হেরেছিল ভারত। তবে কাজটা কঠিন হলেও শুভমন-গম্ভীরের তরুণ ভারত অবশ্য ইতিহাস পাল্টানোর অপেক্ষাতেই রয়েছে।

  • India vs England: ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টে কালো ‘আর্মব্যান্ড’, আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের শ্রদ্ধা

    India vs England: ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টে কালো ‘আর্মব্যান্ড’, আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের শ্রদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেডিংলেতে কালো ‘আর্মব্যান্ড’ পরে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামলেন ভারত এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারেরা। ‘আর্মব্যান্ড’ পরেছেন আম্পায়ারেরাও। গত ১২ জুন আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কালো আর্মব্যান্ড পরেছেন সকলে। এ ছাড়া খেলা শুরুর আগে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    ম্যাচ শুরুর আগে শ্রদ্ধা

    গত ১২ জুন আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে উড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ‘এআই১৭১’। কিন্তু রানওয়ে ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভেঙে পড়ে বিমানটি। সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২৭৪। যাত্রীদের মধ্যে ভারতীয় ছিলেন ১৬৯ জন। এ ছাড়া ৫৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন খেলা শুরু হয়। উল্লেখ্য, টেস্ট বিশ্বকাপ ফাইনালের তৃতীয় দিনও অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারেরা একই কারণে কালো বাহুবন্ধনী পরে খেলতে নেমেছিলেন। প্রথম টেস্টে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনিতে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে থাকে। রোদ-বৃষ্টির খেলা চলে সেখানে। তাই মাঝে মাঝেই খেলায় বিঘ্ন ঘটে। তবে প্রথমদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কিন্তু গোটা দিনই আকাশ অংশত মেঘলা থাকবে। তবে দ্বিতীয়দিন থেকে পঞ্চমদিন বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকবে বলে পূর্বাভাস। ‘ওভারকাস্ট কন্ডিশনে’র সুবিধা পেতে পারেন পেসাররা।

    অভিষেকে শূন্য, ইতিহাসের পাতায় সুদর্শন

    অভিষেক টেস্ট ভুলে যেতে চাইবেন সাই সুদর্শন। প্রথম ম্যাচেই শূন্য রানে ফিরলেন। মাত্র ৪ বল উইকেটে টেকেন। বেন স্টোকসের লেগ সাইডের বলে খোঁচা মেরে আউট হলেন বাঁ হাতি তরুণ ক্রিকেটার। যা মেনে নেওয়া যায় না। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তাঁকে তিন নম্বরে নামানো হয়েছিল। কিন্তু প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম সেশনের শেষে ২ উইকেট হারিয়ে টিম ইন্ডিয়ার রান ৯২। শেষ দশ মিনিট বাদ দিলে বাকি সময়টা ছিল ভারতের। এদিন দারুণভাবে নতুন বল সামলান যশস্বী জয়সওয়াল এবং কেএল রাহুল। খুব বেশি সুযোগ দেয়নি তাঁরা। প্রথম উইকেটে ৯১ রান যোগ করে ওপেনিং জুটি। রাহুলকে শুরুতে নামানো সঠিক সিদ্ধান্ত। ঠাণ্ডা মাথায় ইংল্যান্ডের বোলারদের সামলান। ভারতের ব্যাটিংয়ের ভীত শক্ত করেন। যেভাবে খেলছিলেন অর্ধশতরান নিশ্চিত ছিল। কিন্তু ৭৮ বলে ৪২ রান করে আউট হন। ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার। কার্সের বলে খোঁচা মেরে প্রথম স্লিপে রুটের হাতে ধরা পড়েন। ৪২ রানে অপরাজিত যশস্বী। লিডসে ভারতের ৩১৭ নম্বর ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্যাপ পেলেন পেলেন সাই সুদর্শন। সাই সুদর্শনের টেস্ট অভিষেকের মধ্য দিয়ে ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হলো আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়। ব্যাটিং করতে নামার আগেই ইতিহাসের পাতাতেও নাম তুলে ফেললেন সাই সুদর্শন। ঐতিহাসিক দিনে টেস্ট অভিষেক হল তাঁর। ১৯৯৬ সালে ২০ জুন লর্ডসে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাহুল দ্রাবিড়ের। ২০১১ সালে ঠিক একই দিনে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলির। এবার সেই ২০ জুন টেস্ট ক্যাপ মাথায় তুললেন সাই সুদর্শন।

  • India vs England: ইংল্যান্ডে লাল বলের ক্রিকেটে নামার অপেক্ষায় রোহিত-কোহলিহীন নতুন ভারত

    India vs England: ইংল্যান্ডে লাল বলের ক্রিকেটে নামার অপেক্ষায় রোহিত-কোহলিহীন নতুন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের রেশ কাটিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের (India vs England) এবার ফরম্যাট বদলের পালা। শুক্রবার হেডিংলিতে শুরু হবে ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।  অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির পর অবশেষে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরছে ভারতীয় দল। এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের নতুন পর্বও। এর মাঝে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাকে ছাড়া নামবে টিম ইন্ডিয়া। শুভমন গিলের নেতৃত্বে শুরু হবে এক নতুন যুগ। দুই মহাতারকার অনুপস্থিতিতে ইংল্যান্ডের মাটিতে ব্রিটিশদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত যশস্বী-পন্থরা।

    নতুন ভারতের যাত্রা শুরু

    ইংল্যান্ডের (India vs England) পিচ ও আবহাওয়ার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে সিরিজ শুরুর ১৪ দিন আগে ইংল্যান্ডে পৌঁছেছে তরুণ ভারতীয় দল। সেখানে ১০ দিনের একটা শিবির করেছে তারা। নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে। আগে থেকে পুরো তৈরি হয়ে তার পর সিরিজ খেলতে নামতে চাইছে ভারত। নতুন টেস্ট অধিনায়ক শুভমন গিলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। কোহলির আগ্রাসন ভারতীয় ক্রিকেটকে বদলে দিয়েছিল। রোহিত ছিল ঠান্ডা, ধীর-স্থির, লড়াকু। ও এই দু’জনের থেকেই শিখেছে শুভমন। এবার মাঠে প্রয়োগের পালা। কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীরও এই প্রথম ইংল্যান্ডে গিয়েছেন। ফলে বলা যেতে পারে, তরুণ ভারতীয় দল নামবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এখন দেখার শুরুটা কেমন করেন শুভমনেরা।

    কখন-কোথায় খেলা দেখবেন

    ইংল্যান্ড সফরে পাঁচটি টেস্ট খেলবে ভারতীয় দল (India vs England)। ২০ জুন অর্থাৎ শুক্রবার প্রথম টেস্ট। লিডসের হেডিংলি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে খেলা হবে প্রথম ম্যাচ। ভারতীয় সময় অনুযায়ী খেলা শুরু হবে বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে। ম্যাচ দেখার দুটো বিকল্প রয়েছে। টেলিভিশনে এই সিরিজ সম্প্রচার হবে সোনি স্পোর্টসে। তেমনই মোবাইলে খেলা দেখা যাবে জিওহটস্টার অ্যাপে। ইংল্যান্ড শুধুমাত্র প্রথম টেস্টের জন্যই দল ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রাথমিক ভাবে ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। দলে নতুন করে ঢুকেছেন তরুণ পেসার হর্ষিত রানা।

    ভারতের স্কোয়াড- শুভমন গিল (ক্যাপ্টেন), ঋষভ পন্থ (ভাইস ক্যাপ্টেন), যশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, সাই সুদর্শন, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, করুণ নায়ার, নীতীশ রেড্ডি, রবীন্দ্র জাডেজা, ধ্রুব জুরেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দূল ঠাকুর, জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণ, আকাশ দীপ, অর্শদীপ সিং, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা

    ইংল্যান্ডের স্কোয়াড- বেন স্টোকস (ক্যাপ্টেন), শোয়েব বশির, জেকব বেথেল, হ্যারি ব্রুক, ব্রাইডন কার্স, স্যাম কুক, জ্যাক ক্রলি, বেন ডাকেট, জেমি ওভার্টন, ওলি পোপ, জো রুট, জেমি স্মিথ, জশ টং, ক্রিস ওকস।

  • India England Cricket: সরছে পটৌডীর নাম! সচিন-অ্যান্ডারসনের নামে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ

    India England Cricket: সরছে পটৌডীর নাম! সচিন-অ্যান্ডারসনের নামে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন ভারত ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ (India England Cricket) খেলতে গেলে সেই ট্রফি ছিল পটৌডীর নামে। প্রসঙ্গত, ভারতের দুই প্রাক্তন অধিনায়ক ইফতিখর আলি খান পটৌডী এবং মনসুর আলি খান পটৌডীর নামেই ছিল এই ট্রফির নাম। তবে এবারে তা বদলে যাচ্ছে। ট্রফির নাম হচ্ছে সচিন-অ্যান্ডারসন। চলতি মাসের ২০ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। সেই ট্রফির নাম হতে চলেছে জেমস অ্যান্ডারসন এবং সচিন তেন্ডুলকরের নামে। ইংল্যান্ডের এক সংবাদমাধ্যম এমনই দাবি করেছে।

    ২০০৭ সালে ভারত-ইংল্যান্ডের মধ্যে শুরু হয় পটৌডী ট্রফি (India England Cricket)

    প্রসঙ্গত, আজ থেকে ১৮ বছর আগে ২০০৭ সালে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজের নাম হয়েছিল পটৌডী ট্রফি। ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টের সেটা ছিল ৭৫তম বছর। সেই উপলক্ষ্যেই পটৌডী পরিবারের দুই ক্রিকেটারকে সম্মান জানাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে খবর। এ বার তবে সেই নাম বদলে যাচ্ছে। কিছু দিন আগে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইকে (India England Cricket) এই বিষয়টি জানিয়ে দেয়। তখনই নতুন ট্রফি দু’দেশের দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর এবং জেমস অ্যান্ডারসনের নামে করার প্রস্তাব দেয় ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড (India England Cricket Series)।

    দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন-অ্যান্ডারসন (India England Cricket Series)

    ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর। টেস্ট ক্রিকেটের (India England Cricket) ইতিহাসে তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। যাঁর রান ১৫,৯২১। ১৯৮৯ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করেন সচিন তেন্ডুলকর। ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি ২০০ টেস্ট খেলেছেন। অন্যদিকে অ্যান্ডারসন হলেন ইংল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। যার মধ্যে ৭০৪ উইকেট রয়েছে। তথ্য বলছে, এই দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার ১৪টি টেস্ট ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছেন। দুই দেশের সেরা ক্রিকেটারকে সম্মান জানাতে এই ট্রফিটি তাঁদের উভয়ের নামেই নামকরণ করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share