Tag: EPF

EPF

  • New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে ভারতের শ্রম ও কর আইনগুলিতে গুচ্ছের (Financial Life) বড় সংস্কার পুরোপুরি কার্যকর হবে। এতে বেতনের কাঠামো থেকে শুরু করে চাকরি (New Tax and Salary Laws) ছাড়ার পর পাওনা টাকার নিষ্পত্তির সময়সীমা—সব কিছুই বদলে যাবে। একবার দেখে নেওয়া যাক, কী কী পরিবর্তন হয়েছে।

    বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে রাখা (New Tax and Salary Laws)

    দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় কোম্পানিগুলি বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কম রেখে আসছে। এতে ইপিএফ এবং গ্র্যাচুইটির অবদান কমত, বেশি থাকত হাতে পাওয়া বেতন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রথারই ইতি হবে চলতি মাসের শেষ দিন। ২০১৯ সালের ‘কোড অন ওয়েজেস’ অনুযায়ী, যা ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে, এখন ‘বেতনে’র একটি অভিন্ন সংজ্ঞা চালু করা হয়েছে। এর ফলে বেসিক পে + ডিএ + রিটেনিং অ্যালাওয়েন্স = মোট সিটিসির অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। প্রাইভেট সেক্টরে সাধারণত ডিএ দেওয়ার চল না থাকায় এবার কোম্পানিগুলিকে বাড়াতে হবে বেসিক বেতন। ৫০ শতাংশের বেশি অ্যালাউন্স থাকলে অতিরিক্ত অংশ বেতনের মধ্যেই গণ্য হবে।

    নয়া নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক

    এই নিয়ম ভারতের সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক। তা সে ছোট স্টার্টআপ হোক কিংবা বড় কর্পোরেটই হোক না কেন। জানা গিয়েছে, নয়া নিয়ম লাগু হলে খানিক কমতে পারে মাসিক হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ। যদিও ইপিএফে অবদান বাড়বে, বাড়বে গ্র্যাচুইটির পরিমাণও। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে কোম্পানিগুলির খরচ বেড়ে যেতে পারে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত। বিশেষ করে এর প্রভাব সব চেয়ে বেশি (Financial Life) পড়তে পারে আইটি, বিপিও, রিটেল এবং হসপিটালিটি খাতে। আগে চাকরি ছাড়ার পর বেতন ইত্যাদি বকেয়া টাকা মিলত ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। এখন ওই টাকা দিয়ে দিতে হবে দুই কর্মদিবসের মধ্যে। কর্মীদের পাওনা দিতে দেরি হলে, তা হবে আইনি অপরাধ। যদিও এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে গ্র্যাচুইটি এবং ইপিএফ ট্রান্সফার করাকে।

    মান্ধাতা আমলের আয়কর আইন বাতিল

    ৬০ বছরের পুরানো আয়কর আইন (১৯৬১) বাতিল হয়ে গিয়ে ২০২৫ সালের নয়া আইন কার্যকর হবে। জানা গিয়েছে, সাধারণ করদাতার জন্য আইন সহজ করতে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ট্যাক্স রেট, সহজ করা হয়েছে আইনের ভাষাও, ধারা কমে ৮১৯ থেকে হয়েছে ৫৩৬, অধ্যায় কমে (New Tax and Salary Laws) হয়েছে ৪৭ থেকে ২৩। পরিবর্তন হয়েছে আরও। অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার বাদ দিয়ে চালু করা হচ্ছে ‘ট্যাক্স ইয়ার’। উদাহরণস্বরূপ, ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ হবে ট্যাক্স ইয়ার ২০২৬-২৭।

    কমানো হয়েছে টিসিএস

    বিদেশে খরচে কমানো হয়েছে টিসিএস। আগে ৭ লাখের নীচে হলে দিতে হত ৫ শতাংশ, ৭ লাখের গন্ডি পার হলেই দিতে হত ২০ শতাংশ। এটাই এখন হয়েছে ২ শতাংশ, কোনও থ্রেশহোল্ড নেই। এটি প্রযোজ্য হবে বিদেশ ভ্রমণ এবং শিক্ষা ও চিকিৎসা রেমিট্যান্স। যদিও কমবে আপফ্রন্ট খরচ। আগে সোভারিন গোল্ড বন্ড (SGB) বিনিয়োগে ম্যাচুরিটিতে লাভ্যাংশ ছিল সম্পূর্ণ করমুক্ত। এখন, কেবল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি কেনা হলে, তা হবে করমুক্ত। কর দিতে হবে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কেনা হলে। দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষেত্রে করের হার হবে ১২.৫০ শতাংশ। স্বল্প মেয়াদি ক্ষেত্রে এটি আয় হিসেবে যোগ হবে (Financial Life)। বাড়ানো হয়েছে রিটার্ন সংশোধনের সময়ও। আগে ছিল ৯ মাস, এখন হচ্ছে ১২ মাস। যদিও ৯ মাসের পর সংশোধন করলে ফি গুণতে হবে (New Tax and Salary Laws)।

  • EPF: চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর! বাড়ল ইপিএফে সুদের হার, কত হল জানেন?

    EPF: চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর! বাড়ল ইপিএফে সুদের হার, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে (ইপিএফ) সুদের হার সামান্য বাড়ল। মঙ্গলবার এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও) বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও) সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ইপিএফে ৮.১৫ শতাংশ সুদ প্রদান করা হবে। ২০২২ সালের মার্চে ইপিএফের সুদের হার কমিয়ে ৮.১ শতাংশ করেছিল ইপিএফও (২০২১-২২ সালের জন্য)। ১৯৭৭-৭৮ সালের পরে সর্বনিম্ন স্তরে ঠেকেছিল। সেইসময় ইপিএফের (EPF) সুদের হার ছিল আট শতাংশ।

    আরও পড়ুন: আধার-প্যান লিঙ্কের সময়সীমা বাড়াল আয়কর দফতর, জেনে নিন শেষ তারিখ

    দিল্লিতে দু-দিন ব্যাপী এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির 

    জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে দিল্লিতে দু-দিন ব্যাপী এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির (CBT) অ্যাপেক্স কমিটির বৈঠক শুরু হয়। সেই বৈঠকে ইপিএফের সুদের নতুন হার নির্ধারণ হবে বলে আগেই মনে করা হয়েছিল। সেই মতো এদিন, শেষ দিনের বৈঠকে ইপিএফের সুদের হার ৮.১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। এবার CBT-র এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত মিললেই ইপিএফও-এর
    তরফে গ্রাহকদের নতুন হারে সুদ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    ৫ কোটি গ্রাহক রয়েছে ইপিএফও-এর

    প্রসঙ্গত, ইপিএফও-এর প্রায় ৫ কোটি গ্রাহক রয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে ৮.৬৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়েছিল। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে সেই হার কমিয়ে ৮.৫৫ শতাংশ করা হয়। তারপর সেই হার কমে হয়েছিল একেবারে ৮.১ শতাংশ। তার প্রেক্ষিতেই এবার ইপিএফ-এর (EPF) সুদের হার কিছুটা বাড়ানো হল মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Labour Codes: সপ্তাহে তিন দিনের ছুটি, আর কী পরিবর্তন আসল নতুন শ্রমবিধিতে

    New Labour Codes: সপ্তাহে তিন দিনের ছুটি, আর কী পরিবর্তন আসল নতুন শ্রমবিধিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু আলোচনার-পর্যালোচনার পর নয়া শ্রমবিধি (New labour codes) প্রকাশ করল কেন্দ্র। জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই লাগু  হবে এই নতুন শ্রমবিধি। এই শ্রমবিধি কার্যকর হলে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, অবসরকালীন কিছু সুযোগ-সুবিধাও আসতে পারে এই নতুন নিয়মে। এই সবকিছু ভালোর মধ্যে একটিই নেতিবাচক দিক, তা হল নয়া শ্রমবিধিতে কমে যেতে পারে টেক-হোম বেতন। অর্থাৎ সব কেটে-কুটে যে টাকা আপনি বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন, তা কমে আসবে। 

    সূত্রের খবর, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন শ্রমবিধি কার্যকর হতে পারে। এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে চারটি আইনের  চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করেছিল। একইভাবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেশন কোড ২০২০, কোড অন সোশ্যাল সিক্যুরিটি ২০২০, অক্যুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড ওয়ার্কিং কন্ডিশন কোড ২০২০ – এই চার বিধি নিয়ে ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ২৩ টি রাজ্য এই আইনগুলির খসড়া গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার চায় সমস্ত রাজ্য একসঙ্গে এই চারটি পরিবর্তন কার্যকর করুক।

    আরও পড়ুন: জুলাইয়েই ডিএ বাড়াতে পারে কেন্দ্র, কত হবে বেতন?        

    নতুন শ্রমবিধি কার্যকর হলে কর্মচারীদের মূল বেতন হবে তাদের মোট বেতনের অন্তত ৫০ শতাংশ। নতুন নিয়মে পিএফে বেশি টাকা রাখতে হবে কর্মীকে। অবসরের সময় তা অত্যন্ত লাভজনক। নতুন শ্রমবিধিতে কর্মীদের গ্র্যাচুইটিও বাড়বে। অবসরের পরে তাতেও লাভবান হবেন তাঁরা। তবে, এই নতুন নিয়মে টেক হোম স্যালারি কমতে পারে।  

    সরকার খসড়ায় চার দিনের কর্ম সপ্তাহের প্রস্তাব করেছে। মানে সপ্তাহে চারদিন কাজে যেতে হবে আর তিনদিন ছুটি পাবেন কর্মীরা। তবে যে বাড়তি একদিন ছুটি পাওয়া যাচ্ছে তা পুষিয়ে দিতে হবে, বাকি দিনগুলিতে ১২ ঘণ্টা করে কাজ করে। সরকারের প্রস্তাব, একজন কর্মচারীকে সপ্তাহে কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা কাজ করতে হবে।   

    নতুন শ্রমবিধির পরিবর্তনগুলি এক নজরে:

    পাঁচ দিনের বদলে কর্মীদের চার দিন কাজ করতে হবে।

    সপ্তাহে তিন দিন ছুটি পেলে কর্মীকে বাকি চার দিন ১২ ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে।   

    কর্মচারীদের মূল বেতন হবে তাঁদের  মোট বেতনের অন্তত ৫০ শতাংশ। পিএফে কর্মীদের অবদান বাড়বে।

    নতুন নিয়মে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ -কে মান্যতা দেওয়া হয়েছে।

    গ্র্যাচুইির পরিমাণ বাড়বে।

    আরও পড়ুন: তবে কি ক্রেডিট কার্ডের নয়া নিয়ম কার্যকর হবে অক্টোবর মাসে?

    তবে দিনে ১২ ঘণ্টার কাজ হলে, সেক্ষেত্রে বিপদে পড়তে পারে কোম্পানিগুলি। বেশি টাকা গুনতে হতে পারে তাদের। কারণ ফ্যাক্টরি অ্যাক্টের আওতায় যে কোম্পানিগুলি রয়েছে কোনও কর্মী দিনে ৯ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে তাদের ‘ওভার টাইম’- এর টাকা দিতে হবে।

    স্পেন, জাপান, নিউজিল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে ইতিমধ্যেই সাপ্তাহিক তিন দিন ছুটির নিয়ম চালু হয়ে গিয়েছে।  

     

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share