Tag: Eris

Eris

  • Eris Covid Variant: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    Eris Covid Variant: করোনার নয়া রূপ ‘এরিস’! সংক্রমণের হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ব্রিটেনে, বঙ্গেও কি ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে নতুন করে আত্মপ্রকাশ করল করোনার নয়া অবতার। কোভিডের এই নয়া স্ট্রেনের নাম রাখা হয়েছে ‘এরিস’ (Eris Covid Variant)। কলহ ও বিবাদের গ্রিক দেবী হলেন এরিস। ভয়ঙ্কর না-হলেও সংক্রমণ ছড়ানোর ব্যাপারে বেশ পটু নভেল করোনাভাইরাসের এই নয়া রূপভেদ ‘ইজি.৫.১’। জুলাই থেকে মাত্র ৩ সপ্তাহের মধ্যে  ১৪ শতাংশ নাগরিক এই ভাইরাসের কবলে পড়েছেন।

    এরিসের হদিশ ভারতেও

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, এরিসের হদিশ মিলেছে ভারতেও। তবে তার মধ্যে বাংলা রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন, বর্ষার এই মরশুমে যে ভাবে সামান্য হলেও প্রায় সর্বত্র ফের কোভিড (Eris Covid Variant) একপ্রস্ত মাথাচাড়া দিয়েছে, তাতে বঙ্গেও এই এরিসের উপস্থিতি অস্বাভাবিক নয়। অতিমারী পর্বের সমাপ্তি ঘটেছে আগেই। কিন্তু সারা পৃথিবীতেই কোভিডের মরশুমি বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। শুধু জুলাইতেই ১০ লক্ষাধিক পজিটিভ কেস এবং ৩১০০-র বেশি মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে গোটা দুনিয়ায়। 

    ব্রিটেনে এরিসের বাড়-বাড়ন্ত

    চলতি বছরের ৩ জুলাই কোভিডের (Eris Covid Variant) এই নয়া স্ট্রেনের খোঁজ পাওয়া যায়। বর্তমানে মোট কোভিড আক্রান্তের মধ্যে ১৪ শতাংশ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। জুলাই মাসের গোড়া থেকেই দ্রুত হারে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। প্রতি নয়জনের মধ্যে একজন করে এই রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। প্রসঙ্গত, কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে ব্রিটেনে। সম্প্রতি ৪৯৩৬ জন ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৫.৪ শতাংশ কোভিডে আক্রান্ত। এই পরিসংখ্যান ক্রমশ উর্দ্ধগামী হলে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবতে পারে ঋষি সুনকের প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা! ডেঙ্গি পরিস্থিতি উদ্বেগজনক রাজ্যে

    হু-এর সতর্কতা

    হু জানিয়েছে, ২৩৪টির মধ্যে ১০৭টি দেশেই (৪৬%) কোভিড (Eris Covid Variant) ধরা পড়ছে নতুন করে। দেখা যাচ্ছে, আক্রান্ত ও মৃতের বিচারে এর মধ্যে ভারত এবং বাংলাও আছে। গত এক সপ্তাহেই অন্তত পাঁচ জন করোনা পজিটিভের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। তবে এই পাঁচজনেরই ছিল ভয়াবহ কো-মর্বিডিটি। দুনিয়ার ৪৫টি দেশে ঢুকে পড়া এরিস ভারতেও উপস্থিত। রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, ‘সিজনাল স্পাইক চলছে এখন করোনার। বর্ষা, বসন্তের মতো বিভিন্ন মরশুমে ও ঋতুবদলের সময়ে তো হবেই। সে জন্যই কোভিড বেড়েছে একটু। তবে বাংলায় এরিস পাওয়া গিয়েছে কি না, সে খবর এখনও পাইনি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের নতুন ভেরিয়্যান্ট ‘এরিস’ (Eris Covid)। পাওয়া গেল মহারাষ্ট্রে। মে মাসে প্রথম এই রূপটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। আর এটিই এখন অনেকের কাছে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কর্নাটকে যে ভাবে ঘরে ঘরে অসুখ ছড়াচ্ছে তাতে আতঙ্ক বাড়ছে। এক বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, কর্নাটকে প্রতি তিনজনে অন্তত একজন, দিল্লি-এনসিআর-এ প্রতি পাঁচজনে একজন এবং মহারাষ্ট্রে প্রতি ছ’জনে একজন ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। অথবা, তাঁদের কোভিডের মতো উপসর্গ রয়েছে।

    ‘এরিস’-এর উপসর্গ

    করোনার রূপ ওমিক্রনেরই একটি ভাগ এই ‘এরিস’ (Eris Covid)। ইংল্যান্ডে ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। হাসাপাতেল রোগীদের ভিড় বেড়েছে। এর পিছনে রয়েছে এই এরিসেরই ভূমিকা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগের রূপগুলির যা যা উপসর্গ ছিল, এক্ষেত্রেও প্রায় তেমনই আছে। কাশি, জ্বর, সর্দি, গলায় ব্যথা, শ্বাস নিতে সমস্যা এগুলিই মূলত এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের লক্ষণ। তবে এই নতুন রূপটি নিয়ে যেটি ভয়ের, তা হল এটির সংক্রমণের হার আগের ভ্যারিয়েন্টগুলি বা সাবভ্যারিয়েন্টগুলির তুলনায় অনেক বেশি। এটি অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 

    আরও পড়ুন: রিপোর্টে অসন্তুষ্ট! ‘ভুয়ো’ শিক্ষক মামলায় রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব হাইকোর্টের

    সমীক্ষার রিপোর্ট

    সম্প্রতি দিল্লি-এনসিআর, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের প্রায় ১৯ হাজার বাসিন্দার মধ্যে একটি সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। মোট ৬৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ শতাংশ মহিলা উত্তরদাতাকে পাওয়া গিয়েছিল। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের ১৬ শতাংশ পরিবারে ভাইরাল জ্বর বা কোভিড-এর মতো লক্ষণ রয়েছে। দিল্লি-এনসিআর-এর ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ পরিবারের কেউ না কেউ জ্বরে ভুগছেন। কর্নাটকের এই পরিমাণটা প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে চিকিৎসকদের কথায়, ভারতে এই নতুন করোনা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে সাধারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। সেটি ঠিক থাকলে এখানে ভয়ের বিশেষ কারণ নেই। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে বলছেন। নিয়ম করে টিকা নিতে হবে। করোনার টিকা তো বটেই, যাঁদের অন্য টিকা নেওয়ার কথা, তাঁদেরও সেগুলি নিতে হবে। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জীবনযাত্রার মান উন্নত রাখতে হবে। বেনিয়ম করা যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুমোতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলাই ভালো।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share