Tag: Europe

Europe

  • Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    Indian Railways: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচ রফতানি করা হচ্ছে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ায়,” বললেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে তৈরি মেট্রো কোচগুলি রফতানি করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। বগি পাঠানো হচ্ছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং সৌদি আরবে। এই সব ঘটনা বিশ্বব্যাপী দেশের রেলওয়ের (Indian Railways) ক্রমবর্ধমান উন্নতির প্রতিফলন ঘটায়।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মন্ত্রীর দাবি (Indian Railways)

    সোমবার রাজ্যসভায় তিনি (Metro Coaches) জানান, ভারত ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও ইতালির মতো একাধিক ইউরোপীয় দেশকে প্রপালশন সিস্টেম এবং বগি বা আন্ডারফ্রেমের মতো অন্যান্য রেল সরঞ্জাম সরবরাহ করছে। রেলওয়ে বাজেটের ওপর আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, “আজ, আমাদের দেশ থেকে মেট্রো কোচ অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। লোকোমোটিভ এবং কোচের নীচের যান্ত্রিক কাঠামো, যাকে বগি বা আন্ডারফ্রেম বলা হয়, ব্রিটেন, সৌদি আরব, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়ায় রফতানি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, প্রোপালশন সিস্টেম এখন ফ্রান্স, মেক্সিকো, রোমানিয়া, স্পেন, জার্মানি এবং ইতালিতে রফতানি করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”

    চাহিদা লোকোমোটিভেরও!

    তিনি বলেন, “ভারতে তৈরি লোকোমোটিভ এবং যাত্রিবাহী কোচগুলি মোজাম্বিক, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় রফতানি করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই বিহারের মারহাওড়া কারখানা ১০০টিরও বেশি লোকোমোটিভ রফতানি করবে। এছাড়াও, তামিলনাড়ু থেকে (Indian Railways) চাকা রফতানি করা হবে।” অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীন বিহারে যে কারখানার কথা ঘোষণা করেছিলেন, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেটা গতি লাভ করে। তিনি বলেন, “ভারতীয় রেল কেবল সাশ্রয়ী মূল্যে যাত্রীদের নিরাপদ ও মানসম্পন্ন পরিষেবা দিচ্ছে না, বরং বিশ্বব্যাপী একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ও তৈরি করছে।”

    ভারত রেল যাত্রীদের আরও বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, ট্রেনে প্রতি কিলোমিটার ভ্রমণের খরচ পড়ে ১.৩৮ টাকা। কিন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় মাত্র ৭৩ পয়সা। অর্থাৎ ভর্তুকি দেওয়া হয় ৪৭ শতাংশ। তিনি জানান (Metro Coaches), ভারতীয় রেল ২০২০ সাল থেকে ন্যায্য মূল্য বৃদ্ধি করেনি (Indian Railways)।

  • Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপের সবচেয়ে দুর্গম এবং উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয় করে ভারতীয় হিসেবে নজির গড়েছেন হুগলির (Hooghly) ছেলে শুভম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই জয়ে উজ্জ্বল হয়েছে বাংলার মান। তিনিই প্রথম ভারতীয় বাঙালি যুবক, যিনি এই পর্বত আরোহণ করেছেন। আগেও মাউন্ট কিলিমাঞ্জার জয় করেছেন তিনি, পরবর্তী মিশন ওশিয়ানিয়া।

    ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বত শৃঙ্গ জয় (Hooghly)

    ইউরোপের এই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস হল রাশিয়ায় অবস্থিত। শুভম এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। শুভমের বাড়ি হুগলির (Hooghly) হিন্দমোটর এলাকায়। টানা ৯ দিনের কঠিন পথকে অতিক্রম করে ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন তিনি। তবে এই পর্বত আরোহণের পথ অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। নানা সমস্যা এবং প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। একদিকে তুষার ঝড় অপর দিকে বরফে ঢাকা পাহাড়ে বড় বড় গর্ত। এই সব কিছুকে অতিক্রম করে ভারতের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন শুভম। তবে তুষার ঝড়ের তাপে মুখের চামড়া পুড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তবুও নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন তিনি। তাঁর জয়ে রাজ্য সহ গোটা দেশ কুর্নিশ জানিয়েছে। পরিবারে উচ্ছ্বাস এবং খুশির আবহ।

    বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্য

    এই পর্বতশৃঙ্গ জয়ের পর শুভম (Hooghly) বলেছেন, “মাউন্ট এলব্রুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্ত বাধাকে অতিক্রম করে সফল হতে পেরে খুব আনন্দিত আমি। ভারতীয় হিসেবে আমি প্রথম এই দুর্গম পর্বতশৃঙ্গের উত্তর দিক থেকে উঠে আবার উত্তর দিক ধরেই নামতে পেরেছি। তবে আমার সঙ্গে আরও একজন ভারতীয় ছিলেন। তিনি অবশ্য উত্তর দিক থেকে উঠে আবার দক্ষিণ দিকে অবতরণ করেছেন। ফলে বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্ব অনুভব হচ্ছে। তবে অভিযানে ভাষার একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সকলে সকলকে সহযোগিতা করায় অভিযান সফল হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    পরিবারের বক্তব্য

    শুভমের মা তাঁর এই সাফল্যে বলেছেন, “ছেলের কর্মের জন্য আজ আমার বেশ গর্ব হচ্ছে, তবে অনেক ভয়ের মধ্যে ছিলাম। কখনও কখনও সাত-আট দিন পর্যন্ত কথা হতো না। খুব উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হতো। তবে ছেলে প্রতি বছর কোথাও না কোথাও আরোহণ করে থাকে। আবার বাড়ি (Hooghly) ফিরেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ওর স্বপ্ন পূরণ হোক এই কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics: প্যারিস অলিম্পিক্সে সব রেকর্ড ভাঙাই লক্ষ্য! ভারতের হয়ে পদক জয়ের দৌড়ে কারা?

    Paris Olympics: প্যারিস অলিম্পিক্সে সব রেকর্ড ভাঙাই লক্ষ্য! ভারতের হয়ে পদক জয়ের দৌড়ে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris 2024 Olympics) অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দেওয়াই লক্ষ্য ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের। গত কয়েক বছরে ভারতীয়রা ক্রীড়াক্ষেত্রে অনেকটাই উন্নতি করেছে। এখনও অনেকটা পথ চলা বাকি। কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের উদ্যোগে খেলো ইন্ডিয়া গেমসের মাধ্যমে নতুন নতুন প্রতিভা উঠে এসেছে ক্রীড়া জগতে। যারা ভারতকে প্যারিস থেকে পদক এনে দিতে সক্ষম।২০১৬ রিও অলিম্পিকের তুলনায় ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে অনেক ভালো পারফরম্যান্স করেছে ভারত। অলিম্পিকের ইতিহাসে ভারতের সেরা পারফরম্যান্স। টোকিও থেকে সাতটি পদক নিয়ে ফিরেছে ভারত। এবার লক্ষ্য প্যারিস। 

    নীরজ চোপড়া

    প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics) আর দুই মাসও বাকি নেই। তার আগে দুরন্ত ছন্দে নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। ভারতের সোনার ছেলে। যিনি টোকিও অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছিলেন। অ্যাথলেটিক্সে সেটি ছিল ইতিহাস। ভারতের প্রথম অ্যাথলিট হিসাবে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড থেকে ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জিতেছিলেন নীরজ। অলিম্পিকে ব্যক্তিগত ইভেন্টে ভারতের প্রথম সোনা জেতার রেকর্ড গড়েছিলেন শুটার অভিনব বিন্দ্রা। দ্বিতীয় সোনা এসেছে নীরজের সৌজন্যে। প্যারিসে পরবর্তী অলিম্পিকে লক্ষ্য আরও বড়।

    পিভি সিন্ধু

    আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক গেমসে ভারতের হয়ে পদক জয়ের অন্যতম দাবিদার ভারতীয় শাটলাররা। পুরুষ এবং মহিলা বিভাগ দুই বিভাগেই পদক জয়ের বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে ভারতীয় শাটলারদের। আর সেই সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়েই পিভি সিন্ধু সহ সাত ভারতীয় শাটলার ইতিমধ্যেই পেয়ে গিয়েছেন প্যারিস অলিম্পিক গেমসের মূলপর্বের টিকিট। সিন্ধু ব্যাডমিন্টন থেকে ভারতের হয়ে অলিম্পিক্সে জোড়া পদক জিতেছেন। তিনি ২০১৬ রিও অলিম্পিক গেমসে রুপোর পরে ২০২০ টোকিয়ো অলিম্পিক গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

    চিরাগ শেট্টি এবং সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি

    সিঙ্গেলস তো বটেই প্যারিসে এবার পদক জয়ের সুযোগ রয়েছে ব্যাডমিন্টনের ডাবলসেও। পুরুষ ডাবলসে নিশ্চিত হয়েছে চিরাগ শেট্টি এবং সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির খেলা। সাত্ত্বিক-চিরাগ জুটি বিশ্বে এখন এক নম্বর। তাই তাঁদের হাতে পদক দেখার স্বপ্নে বিভোর ভারতবাসী।

    ভিনেশ ফোগাট

    প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) ছাড়পত্র অর্জন করেছেন ভিনেশ ফোগাট। ২৯ বছর বয়সি কুস্তিগির প্যারিসে লড়বেন ৫০ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে। একটা সময়ে ভিনেশের এশীয় অলিম্পিক্স যোগ্যতা অর্জন পর্বে নামা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন সব বাধা উড়িয়ে প্যারিসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন ভিনেশ। এর আগে এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে পদক জিতেছিলেন তিনি।

    সিফ্ট কৌর সামরা

    চিনের হ্যাংঝুতে এশিয়ান গেমস ২০২৩-এ মহিলাদের ৫০ মিটার রাইফেল থ্রী পজিশন ব্যক্তিগত ইভেন্টে সিফ্ট কৌর সামরা স্বর্ণ পদক জিতেছেন। প্যারিসেও পদক গলায় ঝোলাতে বদ্ধ পরিকর সিফ্ট।

    হকিতে আশা

    টোকিও অলিম্পিকে ইতিহাস লিখে এসেছিল ভারতের পুরুষ হকি দল। ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশে ফিরেছিল নায়করা। ৪১ বছর পর নতুন ইতিহাস রচনা হয়েছিল। মস্কোর পর টোকিও পদক জিতেছিল ভারতীয় হকি দল। প্যারিস অলিম্পিক্সের আগে দারুণ ছন্দে ভারতীয় হকি দল। এফআইএইচ আন্তর্জাতিক প্রো লিগ হকিতে ভারত ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে। 

    নিখাত জারিন

    বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা। এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ। এবার পাখির চোখ প্যারিস অলিম্পিক (Paris 2024 Olympics)। দিনরাত এক করে প্রস্তুত হচ্ছেন নিখাত জারিন (Nikhat Zareen)। লক্ষ্য একটাই। প্যারিস থেকে সোনা নিয়ে ফেরা। অলিম্পিক এমন একটা প্ল্যাটফর্ম, প্রত্যেক অ্যাথলিটেরই স্বপ্ন থাকে, সেখানে পদক জেতার। প্রতিটা টুর্নামেন্টেই নিজের ১০০ শতাংশ দেন নিখাত। প্যারিসেও তিনি চেষ্টা করবেন যাতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার। তবে, অন্য কোনও পদক নয়, নিখাতের লক্ষ্য শুধুই সোনা।

    মীরাবাঈ চানু

    টোকিও অলিম্পিকে এবার ভারতকে প্রথম পদক এনে দিয়েছিলেন মীরাবাঈ চানু। মহিলাদের ৪৯ কেজি বিভাগে রুপো জিতেছিলেন তিনি। মনিপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তাঁর উঠে আসা রূপকথার মতোই। টোকিয়ো অলিম্পিক্সে পদকজয়ী ভারোত্তোলক বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘বি’তে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। ২০১৭ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মীরাবাই এখন রয়েছেন বিশ্ব ক্রমতালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। চিনের জিয়ান হুইহুয়ার পরেই রয়েছেন ভারতীয় ভারোত্তোলক। টোকিয়োর পর প্যারিসেও মীরাবাই দেশকে পদক এনে দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২০ অলিম্পিক্সে রুপো জিতে ছিলেন তিনি। ২৯ বছরের মীরাবাই নিজের তৃতীয় অলিম্পিক্সে নামবেন প্যারিসে।

    আরও পড়ুন: “দয়া করে কেমন লাগছে জিজ্ঞাসা করবেন না”, বিদায়ী ম্যাচের আগে কী বললেন সুনীল?

    অদিতি অশোক

    ভারতের প্রথম মহিলা গল্ফ খেলোয়াড় হিসাবে এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের নজির গড়েছিলেন অদিতি। এশিয়ান গেমসে ভারতের সেরা মহিলা গল্ফারকে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। প্যারিসে সোনার স্বপ্ন দেখছেন অদিতি।

    লাভলিনা বরগোঁহাই

    টোকিও অলিম্পিক্স থেকে পদক এনেছিলেন অলিম্পিক্সের পর বিশ্বসেরা হয়ে গিয়েছেন ভারতীয় বক্সার অসমের লাভলিনা বরগোঁহাই। প্যারিসের টিকিটও রয়েছে তাঁর পকেট। এবার গলায় পদক ঝোলানোর অপেক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Nile virus: কাদের বিপদ বাড়াচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? মৃত্যুর আশঙ্কা কতখানি?

    West Nile virus: কাদের বিপদ বাড়াচ্ছে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? মৃত্যুর আশঙ্কা কতখানি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আতঙ্কের নতুন নাম ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস। এই ভাইরাসঘটিত (West Nile virus) জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে সাত থেকে সত্তর, সব বয়সের মানুষ। আফ্রিকার নীল নদের আশপাশের এলাকা থেকে এই জ্বরের উদ্ভব। কিন্তু সেই জ্বর এখন কেরলে প্রভাব বিস্তার করছে। তবে সংক্রমণের বিস্তার শুধু কেরলে নয়। এই সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। এর আগেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এ দেশে। তাই বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাই সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

    কীভাবে আটকানো‌ যাবে এই রোগ? (West Nile virus)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মশাবাহিত রোগ। কিউলেক্স মশা থেকে এই রোগ মানুষের শরীরে আসে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা এবং মধ্য এশিয়ায় এই রোগের প্রকোপ বেশি‌। তবে পাখির মাধ্যমে এই রোগ মশার শরীরে আসে‌। আর সেখান থেকেই এই রোগ মানুষের শরীরে ছড়ায়। তাই ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়ার মতো সরাসরি ভাইরাস মশা থেকে মানুষের শরীরে আসে না। বরং মাধ্যম হিসাবে মশা মানুষের শরীরে এই রোগ আনে। কিউলেক্স মশা এনসেফেলাইটিসর মতো একাধিক রোগের জীবাণু বহন করে। ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস রুখতেও তাই জরুরি মশার দমন। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মশাবাহিত রোগ (West Nile virus) রুখতে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। মশার বংশবিস্তার রুখতে পারলেই এই রোগের প্রকোপ আটকানো সম্ভব।

    কখন বিপদ বাড়ায় ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস? (West Nile virus)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মস্তিষ্কে প্রকোপ ছড়ালে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের আলাদা বিশেষ কোনও উপসর্গ নেই। সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি এবং মাথার যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা যাবে। তবে গোটা শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কিন্তু অনেক সময়েই ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের প্রভাব মস্তিষ্কে পড়ে‌। এর জেরে মেরুদণ্ডের কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়‌। স্নায়ুতন্ত্র কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। তখন প্রাণসংশয় দেখা দেয়। তবে এই রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ এবং টিকা নেই। তাই এই রোগ (West Nile virus) মোকাবিলা কঠিন‌। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই তাঁদের পরামর্শ, প্রথম থেকেই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। রোগ আটকানোর জন্য যেমন মশার বংশবিস্তার রুখতে হবে, তেমনি জ্বর হলে বা দেহে কোনও লাল রঙের দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যাতে দেহের তাপমাত্রা না বাড়ে।

    কাদের জন্য এই রোগ বাড়তি বিপজ্জনক? (West Nile virus)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে এই রোগ বিপদ বাড়ায়। কারণ এই ধরনের সমস্যায় আক্রান্তদের হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে। তাই ওয়েস্ট নাইল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্তদের স্নায়ুর সমস্যা হতে পারে। এই ভাইরাসও স্নায়ুর কার্যকারিতা নষ্ট করে। তাই এই রোগ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বাড়তি সমস্যা তৈরি করে। তাছাড়া, রোগ প্রতিরোধ শক্তি যাদের কম, তাদের জন্য এই রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। তাই তাদেরও বাড়তি সাবধানতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (West Nile virus)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia: যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে বহু সংস্থা, ব্যবসা করুক ভারত, চাইছে ‘বন্ধু’ রাশিয়া

    Russia: যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে বহু সংস্থা, ব্যবসা করুক ভারত, চাইছে ‘বন্ধু’ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দীর্ঘ এই যুদ্ধের জেরে রাশিয়া (Russia) থেকে পাততাড়ি গুটিয়েছে আমেরিকা ও ইউরোপীয়ান বিভিন্ন কোম্পানি। এমতাবস্থায় রাশিয়া চাইছে, ওই জায়গাগুলিতে ব্যবসা করুক ভারত। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের পূর্ণ সুযোগ নিক নয়াদিল্লি।

    শূন্যস্থানে বসুক মোদির দেশ

    ইউরোপের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করুক মোদির দেশ। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের কর্তা অ্যালেক্সি ভালকোভ বলেন, “যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অর্থনীতির কিছু উপযুক্ত জায়গা তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় ও মার্কিন কোম্পানিগুলি ব্যবসা গোটানোয় এই শূন্যস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। ওই দেশগুলির সরকারের চাপেই যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে তারা। অনেক রাশিয়ান কোম্পানি এই ব্যবসাগুলির রাশ হাতে নিতে প্রস্তুত। আগ্রহ দেখিয়েছে কমিউনিস্ট শাসিত দেশ চিনও।”

    কোন কোন ক্ষেত্রে সুযোগ

    তিনি জানান, এ দেশে এমন অনেক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, যেগুলি ভারতের বিনিয়োগকারী ও কোম্পানিগুলিকে ব্যবসা করতে আগ্রহী করে তুলবে। অটোমেটিভ, ট্রান্সপোর্টেশন, টেক্সটাইল কিংবা লাইট ইন্ডাস্ট্রিজগুলি ওই জায়গাগুলির ভাল ব্যবসা করতে পারবে।  সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের ইভেন্ট হবে আগামী (Russia) বছরের জুনের ৫ থেকে ৮ তারিখের মধ্যে। তিনি বলেন, “বিশেষ কোনও ব্যবসার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করাটা ঠিক হবে না। কারণ ভারতের সঙ্গে আমাদের যে ব্যবসা চলছে, সেগুলি সহযোগিতার ভিত্তিতে। আমরা ফ্রেশ এবং এক্সাইটিং ডেভেলপমেন্ট দেখতে পাচ্ছি।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    ভলকোভ বলেন, “এই ফোরামে দু তরফে আলোচনার সুযোগ মিলবে। পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই সুযোগ মিলবে। এই ফোরামে যে কেবল রাশিয়ায় ব্যবসা করার সুযোগ মিলবে তা-ই নয়, গোটা বিশ্বের দ্বারই উন্মুক্ত হয়ে যাবে। কারণ ভৌগোলিকভাবে সেন্ট পিটার্সবার্গ তিনটি দেশের মাঝখানে অবস্থিত।” মুম্বইয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের কাউন্সেল জেনারেল অ্যালেক্সি সুরোভৎসেব বলেন, “আমরা কেবল লক্ষ্য রাখছি ব্যবসায়িক কাজকর্মের নীতিগুলির ওপর। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরাম একটা উন্মুক্ত মঞ্চ। এখানে যারা অংশ নেবে, তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত থাকবে। প্রয়োজনে এই অংশগ্রহণের খবর গোপনও রাখা হবে (Russia)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলানোর বদভ্যাস রয়েছে’, পশ্চিমকে নিশানা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমি (West) বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। নাম না করে এই ভাষায়ই ইউরোপ ও আমেরিকার (America) সমালোচনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মোদি (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে দু বছরের কারাদণ্ড হয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর। গুজরাটের সুরাট আদালত ওই সাজা দেয় রাহুলকে। সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। রাহুল যাতে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ৩০ দিন সময়ও দেওয়া হয়েছে।

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) উবাচ…

    কারাদণ্ড হওয়ায় লোকসভার সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায় রাহুলের। এর পরেই ইউরোপের কয়েকটি দেশ এবং আমেরিকা এনিয়ে প্রশ্ন তোলে। সেই প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, সত্যি কথা বললে বলতে হয়, পশ্চিমি বিশ্বের একটা বদভ্যাস আছে। তারা মনে করে অন্যদের বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে তাদের ঈশ্বরপ্রদত্ত অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলালেও, নিজেদের দেশ সম্পর্কে অন্য কেউ মন্তব্য করুক, সেটা পশ্চিমি বিশ্ব ভালভাবে নেয় না।

    রবিবার কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য ও সাংসদ পিসি মোহনের উদ্যোগে আয়োজিত সাক্ষাৎ ও আলোচনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই পশ্চিমি বিশ্ব সম্পর্কে কটাক্ষ করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে তর্কে আপনি অন্যদের মন্তব্য করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এতে আরও আরও মানুষ মন্তব্য করতে উৎসাহিত হবে। আমাদের বিশ্বকে খোলা আমন্ত্রণ জানানো বন্ধ করতে হবে যে ভারতে সমস্যা রয়েছে, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশ কেন চুপ করে রয়েছে? কিছু করছে না কেন? তিনি (S Jaishankar) বলেন, যদি কেউ একথা বলেন, তাহলে তাঁরাও স্বাভাবিকভাবেই মন্তব্য করবেন। তাই সমস্যার কিছুটা অংশ তারা, আর কিছুটা অংশ আমরাও। দু পক্ষকেই নিজেদের সংশোধন করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মহরমের শোভাযাত্রায় অস্ত্র থাকলে প্ররোচনা ছড়ায় না তো?’, হাওড়াকাণ্ডে মন্তব্য সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্যাপক সমালোচনা করেছিলেন মোদি সরকারের। গত রবিবার তা নিয়ে নাম না করে রাহুলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সংসদের চলতি অধিবেশনও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাহুল ইস্যুতে। রাহুলের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন বিজেপি সাংসদ গিরিরাজ সিংহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপের (Europe) বিস্তীর্ণ অংশ। সম্প্রতি আবহাওয়া নিয়ে প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) এক রিপোর্ট বলছে, গত পাঁচশো বছরে এরকম ভয়াবহ খরা দেখেনি গোটা ইউরোপ। মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির দেখা নেই। কোথাও নদী শুকিয়ে মাঠ হয়ে গিয়েছে, কোথাও দাবানলে পুড়ছে বনাঞ্চল আর তার সংলগ্ন বসতি।

    পরিবেশবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা আগামী কয়েক বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টার-এর তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে,মহাদেশের অন্তত ৪৭ শতাংশ এলাকা এখন সতর্কতার আওতায় রয়েছে। মাটিতে আদ্রতার পরিমাণ  কমছে। ১৭ শতাংশ এলাকার অবস্থা খুব খারাপ। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    ইউরোপীয় ইনোভেশন কমিশনার মারিয়া গ্যাব্রিয়েল (Mariya Gabriel) জানান, ‘প্রবল খরা পরিস্থিতি ও তাপপ্রবাহের সম্মিলিত কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলির নদীতে জলস্তর ভয়ানক ভাবে নেমে গিয়েছে। এখন আমরা ঘনঘন দাবানল দেখতে পাচ্ছি। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে’।  অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া চাষাবাদের উপরে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলেছে। সয়াবিন, সূর্যমুখী ও ভুট্টার উৎপাদন ইতিমধ্যেই যথাক্রমে ১৫, ১২ ও ১৬ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জাগুয়ার ও কুমিরের ভয়ঙ্কর লড়াই! জিতল কে?

    খরার ফলে দাবানলের প্রকোপ বাড়ছে। কম বৃষ্টিপাতের জন্য ব্যাহত হচ্ছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। দাবদাহের ফলে মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। মূলত ফ্রান্স (France), বেলজিয়াম (Belgium), জার্মানি (Germany), হাঙ্গেরি (Hungery), ইটালি (Italy), লুক্সেমবুর্গ (Luxemburg), মলডোভা, নেদারল্যান্ডস (Netherlands), সার্বিয়া (Serbia), পর্তুগাল (Portugal), ব্রিটেন(Britain) , স্পেন (Spain), রোমানিয়া (Romania), ইউক্রেনে (Ukraine) খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    আবহবিদদের কথায়, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় খরা ও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে রাতের দিকেও তেমন ঠান্ডা হচ্ছে না, বলে জানান পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share