Tag: EVM

EVM

  • Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই মর্মে নির্দেশও দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Lok Sabha Election 2024)

    ফল ঘোষণার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন সংরক্ষণ করা হবে ওই ইউনিট। সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি কাগজে করে ট্রাঙ্কে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। সিলের ওপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কিংবা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রাফি করতে হবে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “সিম্বল লোডিং ইউনিটে প্রার্থীদের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সেখান থেকে তথ্য প্রবেশ করানো হয় ভিভিপ্যাটে। পরে সেই ভিভিপ্যাটগুলি পাঠানো হয় বুথে। এর অর্থ হল, সিম্বল লোডিং ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের তথ্য এক হবে। তাই ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় থাকলে সিম্বল লোডিং ইউনিট যাচাই করলেই সঠিক তথ্য মিলবে। এমতাবস্থায় ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    প্রসঙ্গত, ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল অ্যাসেসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামের একটি সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার আবেদন করতে পারবেন। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, ইভিএমে প্রতীক আপলোড করার পর তা একেবারে সিলড ও নিরাপদ রাখতে হবে মেশিনে। সিলে স্বাক্ষর করতে পারেন প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সিলড মেশিনটি ফল ঘোষণার পর পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত স্টোররুমে সংরক্ষিত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি”, কেন কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী?

    Lok Sabha Elections 2024: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি”, কেন কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজস্থানের লেখাপড়া না জানা এক মহিলা ভোটার ভোট দিতে গিয়ে ইভিএমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি খুঁজেছিলেন। এই ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    এক্স হ্যান্ডেলে রাজস্থান বিজেপির মুখপাত্রের করা একটি পোস্টের প্রেক্ষিতে তাঁর চোখে যে জল চলে এসেছিল, সেকথা জানান প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা যখন জানতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী নন, এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী অন্য একজন, তখনই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি মুখপাত্রের ওই পোস্টের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মা-বোনেদের এত ভালোবাসা আমার চোখে জল এনে দিয়েছিল। তখনই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই, তাঁদের এই ঋণ আমায় শোধ করতে হবে। কিন্তু লক্ষ্মীকান্তজি (রাজস্থান বিজেপির মুখপাত্র) এটা আমাদের দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব এঁদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। মানুষকে সচেতন করতে যেতে হবে দুয়ারে দুয়ারে।”

    রাত পোহালেই নির্বাচন

    রাজস্থানে নির্বাচন হচ্ছে দু’দফায়। এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ২৫টি। তার মধ্যে ১৩টিতে নির্বাচন হবে ২৬ এপ্রিল, শুক্রবার। ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে ১২টি আসনে। এই দ্বিতীয় দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে ১৫২ জন প্রার্থীর। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির (Lok Sabha Elections 2024) দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং দলের রাজ্য সভাপতি। বিজেপির এই রাজ্য সভাপতি আগে ছিলেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার। প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রীর দুই ছেলেও রয়েছেন এই দফায় লড়াইয়ের ময়দানে। এই দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৮ হাজার ৭৫৮টি বুথে। ভোট দেবেন প্রায় ২.৮০ কোটি ভোটার।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    নির্বাচন উপলক্ষে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, ওই ১৩টি আসনে। মোতায়েন করা হয়েছে ১.৭২ লাখ রক্ষী। এদিন নির্বাচন হবে টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর, আজমির, পালি, যোধপুর, বারমের, জালোর, উদয়পুর, বাঁশওয়াড়া, চিতোরগড়, রাজসামন্দ, ভিলওয়াড়া, কোটা এবং ঝালাওয়ার-বারান লোকসভা কেন্দ্রে। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন হবে দেশের ১৩টি রাজ্যের ৮৯টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • EVM: কর্নাটকের ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে আফ্রিকায়! দাবি কংগ্রেসের, প্রমাণ চাইল নির্বাচন কমিশন

    EVM: কর্নাটকের ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে আফ্রিকায়! দাবি কংগ্রেসের, প্রমাণ চাইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসমর্থন হারিয়ে ইভিএমকে (EVM) দুষছে কংগ্রেস (Congress)! ১০ মে হয়েছে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। কংগ্রেসের দাবি, ওই নির্বাচনে যেসব ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলি আগে ব্যবহার করা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। কংগ্রেসের দাবি প্রত্যাখান করেছে নির্বাচন কমিশন। এই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার উৎস প্রকাশ্যে আনতে কংগ্রেসকে বলেছে নির্বাচন কমিশন।  

    ইভিএম (EVM) নিয়ে কংগ্রেসকে জবাব কমিশনের…

    ৮ মে নির্বাচন কমিশনকে লেখা একটি চিঠিতে কংগ্রেস উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ব্যবহার হওয়া ইভিএম নিয়ে। পুনর্বিবেচনার এবং পুনরায় যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না গিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবহৃত ইভিএমগুলি কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ফের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য চেয়েছিল। নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল, দক্ষিণ আফ্রিকায় ইভিএম পাঠানো হয়নি। সেই দেশ যে এই মেশিনগুলি ব্যবহারও করে না সে কথাও জানানো হয়েছে কংগ্রেসকে।

    কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সুরজেওয়ালাকে পাঠানো চিঠিতে নির্বাচন কমিশন বলেছে যে তারা কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডের নির্মিত নতুন ইভিএম (EVM) ব্যবহার করেছে। নির্বাচন কমিশন এও বলেছে, কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা ইভিএম মুভমেন্টের পর্যায়ে এবং কর্নাটক নির্বাচনের আগে ইভিএম কমিশনিংয়ে অংশ নিয়েছিল। কমিশন কংগ্রেসকে এও নিশ্চিত করতে বলেছে যে গুজব ছড়ানোর গুরুতর সম্ভাবনা সহ এই ধরনের মিথ্যা তথ্যের উৎসগুলি জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত।

    আরও পড়ুুন: প্রথমবার অফিসিয়াল স্টেট ভিজিটে আমেরিকা যাচ্ছেন মোদি, জানুন সফরের গুরুত্ব

    নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ইভিএমের প্রোটোকল অনুযায়ী সমস্ত জাতীয় এবং রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলিকে জানানো হয় ইভিএম কোথা থেকে এসেছে, সে খবর। পুরো প্রক্রিয়াটা ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হয়। ইভিএম সম্পৃক্ত সমস্ত বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকানীন রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। প্রসঙ্গত, বুধবার নির্বাচন হয় কর্নাটক বিধানসভার ২২৪টি আসনে। ভোট হয়েছে এক দফায়। ফল প্রকাশ ১৩ মে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Party: জাতীয় থেকে আঞ্চলিক! জানেন কী কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    National Party: জাতীয় থেকে আঞ্চলিক! জানেন কী কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন আর তারপর লোকসভা। তার আগেই জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারাল তৃণমূল (TMC Loses National Party Status)। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে অন্য রাজ্যে একাধিক বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় ফলের জেরে এই তকমা হারাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। চার রাজ্যে ‘স্থানীয় দলে’র তকমা না থাকায়, তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা প্রত্যাহার করে নিল নির্বাচন কমিশন। ফলে বাংলার শাসক দল এখন থেকে শুধুই আঞ্চলিক দল।

    কী সুবিধা হারাল তৃণমূল কংগ্রেস?

    জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারানোর পর একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে তৃণমূলকে এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যেমন—

    ১. জাতীয় দলের তকমা হারানোয় ইভিএম অথবা ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখা যাবে না তৃণমূলের প্রতীক চিহ্ন। 

    ২. দলের নামের আগে আর ‘সর্বভারতীয়’ শব্দটি ব্যবহার করতে পারবে না জোড়াফুল শিবির।

    ৩. নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও বিষয়ে জাতীয় দলগুলিকে আমন্ত্রণ জানাতে হয়। এ বার থেকে তৃণমূলকে আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য থাকবে না নির্বাচন কমিশন। 

    ৪. নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা বা নির্বাচনী বিধি তৈরির ক্ষেত্রে মতামত দিতে পারে জাতীয় দলগুলি। তৃণমূল সেই সুযোগ পাবে না।

    ৫. তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তবে তার প্রতীক স্থির থাকবে না।

    ৬. জাতীয় দলের স্বীকৃতি হারানোয়, আর্থিক অনুদানেও বড় ধরনের ফারাক লক্ষ্য করা যেতে পারে। অর্থের জোগান কমলে, দল চালাতে সমস্যা হবে।

     

    আরও পড়ুন: ‘‘সর্বভারতীয় শব্দটি কবে মুছবে?’’ প্রশ্ন শুভেন্দুর, তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্ত-দিলীপের

    কেন হারাল তকমা?

    জাতীয় দলের (National Party) স্বীকৃতি হারিয়ে তৃণমূল যদিও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাবে দল এমনই তৃণমূল সূত্রে খবর। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেসকে জাতীয় দলের স্বীকৃতি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু পরবর্তীকালে ২০২১-এ বাংলায় বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এলেও, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভা ভোটে শোচনীয় ফল হয় তৃণমূলের। এই দুটি রাজ্যেই রাজ্য দলের তকমা হারায় মমতার দল। ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচনেও শোচনীয় হাল হয়। তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট শতাংশ ছিল ০.৮৮ শতাংশ, যা নোটার থেকেও কম। গোয়া বিধানসভা ভোটে একটিও আসনে জিততে পারেনি তৃণমূল। মাত্র ৫.২ শতাংশ ভোট পায় তারা। ফলে জাতীয় স্বীকৃতি হারাতে হল তৃণমূলকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএম (EVM) থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর (Removal of Party Symbol) আবেদন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ এই আবেদন খারিজ করে দেয়। অ্যাডভোকেট জেনারেল এই পিটিশনের বিরোধিতা করেছেন। অ্যাডভোকেট জেনারেলের বক্তব্য, একজন ভোটার ভোটকেন্দ্রে আসার আগেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নেন। ইভিএম-এর সামনে দাঁড়ানো অবধি কেউ অপেক্ষা করেন না। 

    আরও পড়ুন: অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা উচিত এসসিও বৈঠকে চিনকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের  

    মামলাকারী অশ্বিনী উপাধ্যায়ের পক্ষে থেকে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ সিং এবং গোপাল শঙ্করনারায়ণ। তাঁদের দাবি, ইভিএম-এ রাজনৈতিক দলের প্রতীক থাকায় সংবিধানের ১৪ এবং ২১ নং অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন হয়। অশ্বিনী বলেন, “ইভিএমে দলীয় প্রতীক থাকলে তা ভোটারদের পছন্দকে প্রভাবিত করে। নির্বাচনে লড়াই করা প্রার্থীদের বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে ভোট দেওয়াই ভোটারদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। কিন্তু ইভিএম-এ প্রতীক থাকার কারণে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন ভোটাররা।”

    আরও পড়ুন: লোক পাঠিয়ে ২১ কোটি টাকার তোলাবাজি করেছেন মানিক, বিস্ফোরক তাপস

    মামলাকারীর আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, “কেন দলগুলি এমন প্রার্থীদের বেছে নিচ্ছেন না, যাদের অপরাধে জড়িত থাকার কোনও ইতিহাস নেই। শুধুমাত্র একটি স্ট্যান্ডার্ড হলফনামা দাখিল করা হয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই তা করছে। এলাকায় জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে।” সওয়াল জবাব শোনার পর প্রধান বিচারপতি পর্যবেক্ষণ জানিয়ে বলেন, “নির্বাচন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। আর  তার মূল ভিত্তিই হলেন ভোটাররা। তাঁরাই প্রার্থী বেছে নিচ্ছেন। সুতরাং ভোটাররা যাকেই নির্বাচিত করুক না কেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিকে রাজনৈতিক দলের থেকে আলাদা করা যাবে না।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

        

LinkedIn
Share