Tag: Expired Milk

  • Kolkata Food Raids: খাবারে দেদার ভেজাল! পাওভাজিতে কৃত্রিম কেশর, লস্যিতে কারখানার বরফ, মিষ্টিতে নিষিদ্ধ রং

    Kolkata Food Raids: খাবারে দেদার ভেজাল! পাওভাজিতে কৃত্রিম কেশর, লস্যিতে কারখানার বরফ, মিষ্টিতে নিষিদ্ধ রং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে খাবারের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কলকাতা পুরসভার (কেএমসি) খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য (Kolkata Food Raids)। শনিবার উত্তর কলকাতার একাধিক পাওভাজির স্টল, লস্যির দোকান ও মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে কৃত্রিম কেশর, শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত বরফ এবং সোনপাপড়িতে কৃত্রিম রঙের ব্যবহারের সন্ধান পেলেন পুরসভার আধিকারিকেরা। কয়েকটি দোকানে বাসি পাউরুটি ও মেয়াদোত্তীর্ণ দুধের প্যাকেট (Industrial Ice) ব্যবহার করার অভিযোগও সামনে এসেছে। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, শনিবার মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট, নিমতলা ঘাট স্ট্রিট এবং বিবেকানন্দ রোডের ৩০টিরও বেশি খাবারের স্টল ও দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। তিনি বলেন, “অভিযানের সময় ৩০টিরও বেশি স্টল ও দোকানের খাবার পরীক্ষা করা হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় বাসি পাউরুটি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ দুধের প্যাকেট ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে।”

    কৃত্রিম রং বাজেয়াপ্ত (Kolkata Food Raids)

    অভিযান চলাকালীন পাওভাজির স্টলগুলি থেকে এক কিলোগ্রামেরও বেশি কৃত্রিম রং বাজেয়াপ্ত করে নষ্ট করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ দুধের প্যাকেটও ফেলে দেওয়া হয়। উৎসবের মরশুমে খাবারে ভেজাল রুখতে এবং খাদ্য সুরক্ষার নিয়ম কার্যকর করতে পুরসভার বিশেষ নজরদারি অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    পুরসভার ওই আধিকারিক আরও জানান, খাবারে ভেজাল উপাদান ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রেতা, স্টল পরিচালনাকারী এবং দোকান মালিকদের সচেতন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    তবে এই অভিযানই প্রথম নয়। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে এক সপ্তাহব্যাপী খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে কলকাতা পুরসভার দল মোট ৫৯২টি খাদ্য প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে। ১৬১টি জায়গা থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেই অভিযানে খাদ্য সুরক্ষার নিয়ম লঙ্ঘন করায় ১,২২৪ কেজি খাবার বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল (Kolkata Food Raids)।

    কেএমসি কমিশনারের বক্তব্য

    সেই সময় কেএমসি কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছিলেন, কলকাতার মানুষের কাছে খাবার পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক করে তোলাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, “কলকাতার মানুষের কাছে খাবার পরিবেশন করে, এমন গোটা খাদ্যশিল্পকে আরও কিছুটা দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। হোটেল, ক্লাব, রেস্তরাঁ, বাজার এবং অন্যান্য খাদ্য বিক্রির জায়গা-সহ প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানকে এই অভিযানের আওতায় আনার চেষ্টা করা হয়েছিল (Industrial Ice)।”

    উৎসবের মরশুমে শহরের বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে নজরদারি আরও জোরদার করেছে পুরসভা। খাবারে ভেজাল রোধ, খাদ্য সুরক্ষার নিয়ম মেনে চলা এবং বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। পুরসভার আধিকারিকদের বক্তব্য, নিরাপদ নয় এমন খাবার চিহ্নিত করা এবং খাদ্য বিক্রেতাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান চলবে (Kolkata Food Raids)।

     

LinkedIn
Share