Tag: Eye Infection

Eye Infection

  • Eye Infection: চোখের ‘নতুন’ রোগ! কতখানি বিপজ্জনক এই সংক্রমণ? কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    Eye Infection: চোখের ‘নতুন’ রোগ! কতখানি বিপজ্জনক এই সংক্রমণ? কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের শেষেই হানা দিয়েছে একাধিক রোগ। নানা ভাইরাসঘটিত রোগের বাড়বাড়ন্ত। বিশেষত চোখের অসুখে‌ (Eye Infection) ভোগান্তি বাড়ছে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বয়স্কদের এই নতুন ধরনের সমস্যা বাড়তি উদ্বেগের। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

    কোন রোগের কথা বলছেন‌ বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বসন্তের শুরুতে প্রতি বছর নানা ভাইরাসঘটিত রোগের দাপট বাড়ে। চোখেও নানা সংক্রমণ দেখা দেয়। বিশেষত কনজাংটিভাইটিসের দাপট এই সময়ে বাড়ে। তবে এ বছরের কনজাংটিভাইটিসের এক নতুন ধরন ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকেরা এই রোগের নাম বলছেন, সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ (Eye Infection)। বিশেষত প্রবীণদের মধ্যেই এই রোগের দাপট বেশি দেখা যাচ্ছে।

    সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ কী?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, চোখের সাদা অংশে নানা শিরা থাকে। যার মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন হয়ে থাকে। সেই শিরায় সংক্রমণ হয়, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে। শিরা-উপশিরায় অনেক সময়েই মারাত্মক ক্ষতি হয়। যার জেরে চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যায়। একাধিক রক্ত জমাটের মতো লাল ছোপ তৈরি হয়। একেই সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ (Eye Infection) বলা হয়।

    কেন হয় এই রোগ?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ শরীরের রক্তচাপ বেড়ে গেলে এই সমস‌্যা হতে পারে। আবহাওয়া হঠাৎ বদলে গিয়েছে। তাপমাত্রার পারদ হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে শরীরে রক্তচাপও ওঠানামা করছে। এর জেরেই এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া, বসন্তের শুরুতে বাতাসে একাধিক ভাইরাসের দাপট দেখা দেয়। তাই যে কোনও সংক্রামক রোগের দাপটও বাড়ে। বারবার কোনও কারণে চোখ চুলকানো‌ বা মোছা কিংবা বাইরে থাকলে‌ চোখ মুছতে রুমাল বারবার ব্যবহার করলে চোখে এই ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্তদের এই‌ রোগের শিকার হতে হচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ আক্রান্ত ডায়াবেটিস রোগী রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন।‌ অর্থাৎ, রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি‌ থাকলে এই ধরনের সংক্রমণে‌ (Eye Infection) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বেশি হয়।

    আক্রান্তেরা কী করবেন?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, চোখে লাল দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যাতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। যেহেতু এই রোগ রক্তচাপের ওঠা-নামার কারণে হতে পারে, তাই আক্রান্তের নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা জরুরি। না হলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে। পাশপাশি এই রোগে আক্রান্ত হলে সানগ্লাস পরা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। বাইরে থাকলে যাতে আরও বেশি সংক্রমণ না হয়, পরিস্থিতি যাতে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না যায়, তাই চোখে সানগ্লাস পরা দরকার বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। অনেকেই চোখে কৃত্রিম লেন্স‌ পরেন। এই রোগে (Eye Infection) আক্রান্ত হলে, সেই‌ সময় একেবারেই কৃত্রিম লেন্স‌ লাগানো‌ যাবে না বলে জানাচ্ছেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে সংক্রমণ আরও বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Eye Infection: একরত্তি শিশুও মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে, শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি?

    Eye Infection: একরত্তি শিশুও মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে, শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা হোক বা শীত! যে কোনও ঋতু পরিবর্তনের সময়েই ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশির মতোই ভোগান্তি বাড়ায় চোখের সংক্রমণ (Eye Infection)! চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে‌ যাওয়া কিংবা চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। একরত্তি শিশুদের মধ্যে বাড়ছে চোখের সংক্রমণ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সব সময় যে কনজাংটিভাইটিস হচ্ছে, এমন নয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বছরে একাধিকবার শিশুরা চোখের সংক্রমণে ভুগছে।‌ যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন বারবার চোখে সংক্রমণ হচ্ছে? (Eye Infection)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষণের জেরে বাড়ছে সংক্রমণ। ফুসফুস হোক‌ বা চোখ, সংক্রমণ রোগের দাপট বাড়াচ্ছে দূষণ। বিশেষত বায়ু দূষণের জেরে চোখের সংক্রমণে সমস্যা বাড়ছে।‌ চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে গেল যেমন ‌শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়ে। তেমনি, চোখ জ্বালা করে। তার জেরেই সংক্রমণ হয়। তাই শীতে অনেকের চোখে সংক্রমণের সমস্যা হয়। কারণ, ওই সময়ে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। 
    তাছাড়া, ছোট থেকেই এখন ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখতে অভ্যস্থ অনেকেই।‌ আর এর জেরে সমস্যা আরও বাড়ছে।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বহু শিশুই মোবাইলের স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকছে।‌ তাই চোখে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকী চোখ শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে (Eye Infection)। ফলে, এক ধরনের চুলকানি আর ব্যথা অনুভব হয়। যার জেরে শৈশবেই কমছে দৃষ্টিশক্তি।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা হবে‌?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে খাবারে বিশেষ নজরদারি জরুরি‌‌।‌ শিশুদের নিয়মিত ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক, ব্রকোলির মতো খাবার খাওয়া জরুরি। এতে ভিটামিন এ, সি থাকে। তাই চোখের পক্ষে উপকারী। পাশপাশি, নিয়মিত ডিম সিদ্ধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ ডিমে ল্যুটিন থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট‌ চোখের জন্য ভালো। এছাড়া, কাজু, পেস্তা, বাদাম খাওয়া জরুরি। এগলিতে ভিটামিন ই থাকে। যা মায়োপিয়ার ঝুঁকি কমায়। গাজর, বিট নিয়মিত খেলে চোখের রেটিনা সুস্থ থাকে (Eye Infection)। কারণ, এই সব্জিগুলিতে ক্যারোটিন আছে।‌
    খাবারের পাশাপাশি স্ক্রিন টাইমের উপরেও বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে পড়াশোনার সঙ্গে ল্যাপটপ, মোবাইল বিশেষ ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। তাই খুব কম বয়স থেকেই শিশুদের ল্যাপটপ, মোবাইলে সময় কাটাতে হয়। অভিভাবকদের নজর দিতে হবে, যাতে বিনোদনের জন্য শিশুরা এই ইলেকট্রনিক গ্যাজেটে নির্ভর হয়ে না‌ পড়ে। কতক্ষণ একজন‌ শিশু স্ক্রিন টাইম কাটাচ্ছে, সেদিকে অভিভাবকদের নজরদারি জরুরি। কারণ, স্ক্রিন টাইম না কমালে, চোখের সমস্যা কমবে না। 
    নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাস দেহের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে।‌ এর ফলে, প্রত্যেক অঙ্গে ঠিকমতো অক্সিজেন সরবরাহ হয়। শরীর সুস্থ থাকে। চোখও ভালো থাকে। পাশপাশি ধ্যান যোগাভ্যাসের অন্যতম অংশ।‌ এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশপাশি চোখের বিশ্রাম হয়। যা খুব জরুরি। তাই নিয়মিত যোগাভ্যাসের অভ্যাস থাকলে শিশুদের চোখ ভালো থাকবে (Eye Infection)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share