Tag: Factory

Factory

  • Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদমের নাগেরবাজার (Nagerbazar) সংলগ্ন মল রোড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। একের পর এক কারখানা দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। স্থানীয়রা উদ্যোগী হয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগালেও কোনও লাভ হয়নি। কারণ, একটি গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুনের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দমকলের বিশাল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।  

    কীভাবে আগুন লাগল? (Nagerbazar)

    নাগেরবাজার (Nagerbazar)১০ কাঠা জমির ওপর একাধিক কারখানা রয়েছে। কারখানার চারিদিকে পাঁচিল দেওয়া ছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি আইসক্রিম কারখানায় প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের এক হোসিয়ারি কারখানায়। পাশাপাশি দুটি কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে। সকালের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যদিও খবর পেয়ে রাতেই দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন এসে কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। বরং, আগুন আশপাশের কারখানা,গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে, দমকলের ই়়ঞ্জিনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। সবমিলিয়ে ২২টি ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, বেলা ১১টা পর্যন্ত দমকল কর্মীরা আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেননি। ভয়ঙ্কর আগুনের (Fire) তাপে কারখানা দুটির লোহার গ্রিলগুলি পর্যন্ত বেঁকে গিয়েছে। সেগুলি সরিয়ে আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত অবশ্য কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    দমকল দেরিতে আসায় ক্ষোভ

    জানা গিয়েছে, হোসিয়ারি কারখানায় প্রচুর গেঞ্জি এবং অন্যান্য হোসিয়ারি পণ্য মজুত ছিল। সেগুলি থেকে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে না পেরে দমকল কর্মীরা আপাতত জানলার বাইরে থেকে জল দিয়ে আগুন (Fire) নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। দুটি কারখানাতেই প্রচুর শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে, রাতে সেখানে কেউ ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। রাত থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে কীভাবে আগুন লাগল, সেই বিষয়টিও জানা  যায়নি। তবে, দমকলকর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু যান। তিনি ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল আসতে অনেক দেরি করেছে। দমকল সময় মতো এলে, আগুন এতটা ছড়িয়ে পড়ত না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: না জানিয়ে তৈরি হচ্ছিল রাসায়নিক কারখানা, চাষিদের আন্দোলনে বন্ধ হল কাজ

    Hooghly: না জানিয়ে তৈরি হচ্ছিল রাসায়নিক কারখানা, চাষিদের আন্দোলনে বন্ধ হল কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি নেওয়ার সময় শুধু কারখানা হবে বলা হয়েছিল। এলাকায় নতুন কারখানা হলে কর্ম সংস্থান হবে বলে হুগলির (Hooghly) পাণ্ডুয়ার হরাল দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সর্বমঙ্গলা এলাকায় চাষিরা জমিও দিয়েছিলেন। নিয়ম মেনে বেশ কয়েক মাস আগে কারখানার পরিকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়। খোঁজ নিয়ে বাসিন্দারা জানতে পারেন, আদতে রাসায়নিক কারখানা তৈরি করা হবে। এই কারখানা তৈরি হলেই জমি নষ্ট হবে। তাই, আন্দোলনে নামেন চাষিরা। প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় কারখানার কাজ।

    কী বললেন গ্রামের বাসিন্দারা? (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) পাণ্ডুয়ার হরাল দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সর্বমঙ্গলা এলাকায় পাঁচ একর জমিতে কারখানার কাজ শুরু হয়েছিল। রাসায়নিক তৈরির কারখানা হলে মঙ্গলা, কুলবাড়ুই, মসুরিয়া, সোনটিকরি ও ফতেপুর সহ একাধিক গ্রামে দূষণ হতে পারে, এই আশঙ্কায় পোস্টার হাতে আন্দোলন শুরু করেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, ‘জমি কেনার সময় বলা হয়নি যে এখানে কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি হবে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি এখানে কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি হবে। এর ফলে এলাকায় দূষণ ছড়াবে এবং মানুষ ঠিকভাবে বসবাস করতে পারবে না। আমরা চাই কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি বন্ধ হোক, যাতে মানুষ সুস্থভাবে বাঁচতে পারে। অন্য কোনও ফ্যাক্টরি হোক, তাতে এলাকার মানুষ সহযোগিতা করবে এবং কাজ পাবে। পরিবেশ বজায় রেখে ফ্যাক্টরি হোক।’

    প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পাণ্ডুয়া ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সেবন্তী বিশ্বাস বলেন, ‘ওখানে একটি কারখানা হওয়ার কথা রয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি জনশুনানি ছিল। সেখানে কারখানা কর্তৃপক্ষ, গ্রামবাসী ও পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের সদস্যরা হাজির ছিলেন। তাঁদের নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। ওখানে কারখানা তৈরি হবে কি না তা বলতে পারব না। পুরো বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: মুখ্যমন্ত্রী শিল্প আনতে স্পেনে, রাজ্যেই বাঁকুড়ার দ্বারিকা শিল্পতালুক যেন শ্মশানভূমি!

    Bankura: মুখ্যমন্ত্রী শিল্প আনতে স্পেনে, রাজ্যেই বাঁকুড়ার দ্বারিকা শিল্পতালুক যেন শ্মশানভূমি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী স্পেনে গিয়ে রাজ্যে বিনিয়োগ আনার চেষ্টা করছেন। অথচ রাজ্যে শিল্পের পরিকাঠামো রয়েছে, একাধিক কলকারখানা চালুও ছিল। স্রেফ সরকারের উদ্যোগের অভাবে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুরের দ্বারিকায়। সরকারের কোনও হেলদোল নেই। এমনই অভিযোগ বন্ধ কারখানার কাজ হারানো শ্রমিকদের। ২০১৪ সালের পর থেকে দ্বারিকায় বন্ধ হতে থাকে একের পর এক কলকারখানার দরজা। কাজ হারান এলাকার হাজার পাঁচেক শ্রমিক।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল কবে গড়ে উঠেছিল? (Bankura)

    আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন ‘বিষ্ণুপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ সেন্টার’ তৈরি করতে উদ্যোগী হয়। বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর শহরের কাছে দ্বারিকা-গোসাঁইপুর পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয় জমি অধিগ্রহণ। দ্বারিকা, শ্যামসুন্দরপুর, অবন্তিকা ও বিষ্ণুপুরের বাসিন্দারদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়। গত শতাব্দীর আটের দশকের প্রথম দিকে প্ৰায় ১৯৬ একর জায়গা জুড়ে এই শিল্পতালুকের পথচলা শুরু হয়। সরকারি ভর্তুকিতে চালু হয় ১০টি কারখানা। ২০১৪ সালের পর থেকে একে একে তা নিভতে থাকে। দ্বারিকা গ্রামই নয়, আশপাশের শ্যামসুন্দরপুর, দেউলি, সুভাষপল্লি, অবন্তিকা, বনমালিপুর, জয়কৃষ্ণপুর, জয়রামপুর থেকে তিন শিফটে হাজার-হাজার শ্রমিক এই শিল্পতালুকে কাজ করতেন। কিন্তু, এখন তা শ্মশানভূমিতে পরিণত হয়েছে।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলে আগে কেমন হত বিশ্বকর্মা পুজো?

    বছর কয়েক আগেও বিশ্বকর্মা পুজোয় শিল্পতালুক আলোয় সেজে উঠত। বড় বড় শামিয়ানা ও মণ্ডপ তৈরি হত। গান-বাজনা হত। এলাহি খাবারের আয়োজন থাকত। ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে কর্মীরা কারখানায় যেতেন বিশ্বকর্মা পুজো দেখতে। আর শিল্পাঞ্চলে কারখানাগুলোর গেটে ঝুলছে বড় বড় তালা। বিশ্বকৰ্মা পুজো হয় না, আলোর রশ্মিও দেখা যায় না। এহেন পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা দিন গুনছেন কবে এই শিল্পতালুকে ফের কারখানাগুলি চালু হবে। গমগম করে উঠবে এলাকা, হাতে সেই আগের মতো কাজ ফিরে পাবেন শ্রমিকরা।

    দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    অন্যদিকে, বাঁকুড়ার (Bankura) দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল নিয়ে শাসক-বিরোধী একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়িতেই ব্যস্ত। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস বলেন, দ্বারিকা শিল্পাঞ্চল বন্ধ হয়েছে তৃণমূল সরকারের আমলে। দ্বারিকায় তৃণমূল কংগ্রেস নতুন শিল্প চালু করেছে, সেটা হল দ্বারিকা শিল্পাঞ্চলের যন্ত্রাংশ বিক্রি করার। অন্যদিকে, বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দ্বারিকায় যে শিল্পগুলি ছিল, সিপিএম-এর আমলে সেই কারখানাগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওই জায়গায় নতুন করে  কারখানা তৈরির কথা তৃণমূল সরকার ভাবছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    Bauris Community: বেকার যুবকদের চাকরির দাবিতে কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের ঝাঁজড়া গ্রামের অদূরে অবস্থিত একটি বেসরকারি কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকজন। তাঁদের দাবি, পাণ্ডবেশ্বরে কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রায় সব বিষয়েই বঞ্চিত রেখেছে বাউরী সম্প্রদায়কে। এই এলাকায় কারখানা তৈরি হওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ কথা দিয়েছিল, এলাকার প্রত্যেক পাড়া থেকে কারখানার কাজের জন্য লোক নেওয়া হবে। কিন্তু, কাজ পায়নি বাউরী সমাজের (Bauris Community) লোকেরা। শুক্রবার সকাল সাতটা নাগাদ বাউরী সমাজের প্রচুর মহিলা ও পুরুষ মিছিল করে এসে গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভ করে গেট বন্ধ করে দিলে কারখানার স্থায়ী কর্মীরা কারখানায় ঢুকতে না পেরে বিক্ষোভকারীদের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বচসা হাতাহাতির স্তরে গিয়ে পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে চলে ছুটে আসে লাউদোহার ফরিদপুর থানার পুলিশ এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কারখানা কর্তৃপক্ষ কী জানাল?

    ঘটনা প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারখানার জেনারেল ম্যানেজার সুদীপ মজুমদার জানান, হঠাৎ করেই হচ্ছে এই ধরনের বিক্ষোভ। বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এর আগে তাঁর কাছে কোনও রকম আবেদন জানায়নি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ সবসময় এলাকার মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা ভাববেন। প্রয়োজনে কারখানা কর্তৃপক্ষ সদর্থক পদক্ষেপ নেবে।

    বাউরী সমাজের বিশেষ দাবি

    বাউরী সমাজের এই বিক্ষোভে সামিল হন পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ বাউরি। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ শুধু বাইরের লোকেদের এই সুযোগ দিচ্ছে। স্থানীয় বাউরী সমাজের লোকেরা (Bauris Community) এই কারখানা থেকে বঞ্চিত। 

    শাসকদলের ভূমিকা

    অবশেষে ঘটনাস্থলে আসেন দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি সুজিত মুখার্জি। তিনি বাউরী সমাজের (Bauris Community) পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতির সঙ্গে কথা বলে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। সুজিতবাবু জানান, এলাকায় মানুষের কষ্ট রয়েছে। তবে এইভাবে আর কারখানার গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিক নয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে। সভাপতির আশ্বাসে অবশেষে বিক্ষোভ তুলে নেয় বাউরী সমাজের লোকজন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nasik Fire: নাসিকের কারখানায় আগুন, মৃত ২, আহত কমপক্ষে ১৭

    Nasik Fire: নাসিকের কারখানায় আগুন, মৃত ২, আহত কমপক্ষে ১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম দিনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হল মহারাষ্ট্র। রবিবার সকালে নাসিকের (Nasik Fire) ইগতপুরী জেলার মুন্ডেগ্রামের জিন্দাল গোষ্ঠীর একটি কারখানায় আগুন লেগে যায়৷ এদিন হঠাতই কারখানা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন কারখানার কয়েকজন কর্মী৷ তারপর তাঁরাই দমকলে খবর দেন৷ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল কর্মীরা৷ আগুনের উৎস সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি৷ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ২ জন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে একজন মহিলা শ্রমিক। ৭০ শতাংশ পুড়ে যান তিনি। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন কমপক্ষে ১৭ জন শ্রমিক। এদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা সঙ্কটজনক।

    কী ঘটেছে?  

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১১:৩০ মিনিট নাগাদ হঠাতই কারখানার ভিতর থেকে আগুন বেরোতে দেখা যায়৷ আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়৷ সেই সময়ে কারখানার ভিতরে প্রায় ২৫০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন৷ তাঁদের অধিকাংশই নিরাপদে কারখানার বাইরে বেরোতে সক্ষম হন৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওযার আগেই দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে৷ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় কালেক্টর গঙ্গাথরণ ডি ও এস পি (রুরাল) সচিন পাতিল ৷ ইগতপুরী এবং নাসিক (Nasik Fire) থেকে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে৷

    আরও পড়ুন: ২০২৩- এর বিশ্বকাপ দলের ২০ জনের নাম ঘোষণা বিসিসিআই- এর, আইপিএল নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত

    উদ্ধারকারী দলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কারখানায় বিপুল পরিমাণে দাহ্য পদার্থ রয়েছে। এছাড়া কারখানা চত্বরে বড় শুকনো ঘাস থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সমস্যা হচ্ছে।

    মহারাষ্ট্রের (Nasik Fire) মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এক বিবৃতিতে বলেন, “১১ জন গুরুতর আহতকে নাসিকের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানাটিতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে কাজ হত। ফলে ভেতরে লোক কম ছিল সেই সময়। উদ্ধারকাজে গতি আনার জন্য সরকারের তরফে যাবতীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের কর্মকর্তা, জেলা কালেক্টর, পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে রয়েছেন। যাবতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।” হাসপাতালে আহতদের দেখতেও যান মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে ৫ লক্ষ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়া হয়েছে মৃত শ্রমিকের পরিবারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share