Tag: farmer

farmer

  • National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কৃষকদের (National Farmers Day) শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর ২৩ ডিসেম্বর ভারতে জাতীয় কৃষক দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী, যিনি কৃষক সম্প্রদায়ের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে সবসময় ছিলেন। একটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে ভারত তার কৃষকদের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।

    কৃষকদের পাশে মোদি সরকার (National Farmers Day)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কৃষির ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ পরিবর্তন ঘটেছে। জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে কৃষকদের (National Farmers Day) গুরুত্ব স্বীকার করে মোদি সরকার প্রগতিশীল নীতিগুলি বাস্তবায়ন করেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM-KISAN) এবং প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY) -র মতো প্রকল্পগুলির প্রবর্তন কৃষকদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা করেছে। কৃষক কল্যাণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি ভারতের উন্নয়নের মূলে রয়েছে। কৃষিকে দেশের সমৃদ্ধির একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ বলে নিশ্চিত করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    জাতীয় কৃষক দিবসের ইতিহাস

    ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জীবন ও কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে জাতীয় কৃষক (National Farmers Day) দিবস বা কিষাণ দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর মেয়াদে তিনি কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নতির লক্ষ্যে নীতিগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি সংস্কার এবং কৃষিকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ। কৃষক সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর উত্সর্গের কারণে, তাঁর জন্মদিন ২৩ ডিসেম্বরকে জাতীয় কৃষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    জাতীয় কৃষক দিবসের তাৎপর্য

    দেশের ৩২৮.৭ মিলিয়ন হেক্টরের মধ্যে ৫৪.৮ শতাংশ কৃষি জমি। কৃষকরা তাদের অবিরাম প্রচেষ্টার মাধ্যমে জিডিপি এবং কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভরণপোষণ নিশ্চিত করেন। ২০২৩-২৪ সালে ৩৩২.২ মিলিয়ন টন রেকর্ড-ব্রেকিং খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে।খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষকদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দেয়। কৃষি গ্রামীণ উদ্যোক্তাকে উৎসাহিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। কৃষকদের (National Farmers Day) প্রচেষ্টার একটি প্রবল প্রভাব রয়েছে। 

    কৃষকদের উদ্যোগ

    আধুনিক ভারতীয় কৃষকরা (National Farmers Day) শুধু চাষিই নয়, উদ্ভাবকও। ফসলের ঘূর্ণন, জৈব চাষ এবং দক্ষ জল ব্যবস্থাপনার মতো টেকসই কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করে, তাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত অবনতির মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে। তাদের উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিকে একীভূত করার জন্য উন্মুক্ততা, যেমন নির্ভুল চাষ এবং ড্রোন-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, সম্পদ সংরক্ষণের সময় উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এই প্রচেষ্টাগুলি নিশ্চিত করে যে ভারতীয় কৃষি ভবিষ্যতের সঙ্গে আপোস না করেই বর্তমান চাহিদা মেটাতে সবরকমভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অন্নদাতা

    কৃষকদের (National Farmers Day) প্রায়ই ‘অন্নদাতা’ বা খাদ্য সরবরাহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তারা দেশের খাদ্য সরবরাহ বজায় রাখার জন্য অনিশ্চিত আবহাওয়া, বাজারের ওঠানামা এবং আর্থিক অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে কাজ করে। কিষাণ দিবস ভারতের অর্থনীতি, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। একইসঙ্গে এই দিনটি ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, টেকসই চাষাবাদ অনুশীলন এবং আধুনিক প্রযুক্তির অ্যাক্সেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে। কৃষকদের জীবন উন্নত করার জন্য সরকারি স্কিম এবং সংস্কার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

     কৃষক হল সমাজের মেরুদণ্ড

    ভারত কৃষি ভিত্তিক দেশ। এর গ্রামীণ জনসংখ্যার অধিকাংশই কৃষি বা কৃষি-সম্পর্কিত কাজের ওপর নির্ভরশীল। কৃষকরা হলেন সমাজের মেরুদণ্ড। জাতি যাতে পুষ্ট থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন কৃষকরা। কিষাণ দিবস হল দেশের জন্য কৃষকদের অমূল্য অবদানকে আরও ভালোভাবে বোঝার এবং উপলব্ধি করার একটি দিন। এই দিনে, কৃষিতে বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিতে দেশজুড়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই প্রোগ্রামগুলি কৃষকদের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে আলোচনা করার এবং তাদের চাহিদা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলি অন্বেষণ করার জন্য কাজ করে। তাই, জাতীয় কৃষক দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় কৃষির নিরন্তর মূল্য এবং এটি সংরক্ষণের সম্মিলিত দায়িত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: শনিবার পিএম-কিষান প্রকল্পের ১৮তম কিস্তির টাকা কৃষকদের দেবেন মোদি

    Narendra Modi: শনিবার পিএম-কিষান প্রকল্পের ১৮তম কিস্তির টাকা কৃষকদের দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ অক্টোবর পিএম-কিষান (PM-Kisan Scheme) প্রকল্পের ১৮তম কিস্তি প্রদানের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মহারাষ্ট্রের ওয়াশিম জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রকল্পে সারা দেশের মোট ৯.৪ কোটিরও বেশি কৃষককে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) কিষান সম্মাননিধির সহায়তা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউণ্টে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সরকার এই কিস্তিতে কৃষকদের উদ্দেশে ২০,০০০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেবেন।

    পাঁচ লক্ষ কমন সার্ভিস সেন্টার থাকবে 

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মোট ২.৫ কোটিরও বেশি কৃষক। দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষকরা ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এই অনুষ্ঠানের মধ্যে ৭৩২টি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র (KVK), এক লক্ষেরও বেশি প্রাথমিক কৃষি সমবায় সমিতি এবং পাঁচ লক্ষ কমন সার্ভিস সেন্টার থাকবে। পাশাপাশি পিএম কিষান সম্মানের মধ্যে মোট ৩.৪৫ লক্ষ কোটি টাকার বরাদ্দ ছড়িয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। দেশের ১১ কোটি কৃষক এখনও পর্যন্ত সরাসরি লাভ পেয়েছেন এই প্রকল্পের মাধ্যমে। ফলে দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি সমৃদ্ধির প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতিকে আরও নিশ্চিত করবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত, মহারাষ্ট্রে ১৭ কিস্তিতে প্রায় ১.২০ কোটি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩২,০০০ কোটি টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে। এই টাকার অঙ্ক (PM-Kisan scheme) অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাকার পরিমাণ।

    আরও পড়ুনঃ বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, পুজোর আগে লাগাতার বৃষ্টির পূর্বাভাস, উদ্বেগে রাজ্যবাসী

    ৭,৫১৬টি প্রকল্পের ঘোষণা

    মোদির (Narendra Modi) এই ঘোষণায় মহারাষ্ট্র রাজ্যের প্রায় ৯১.৫১ লক্ষ কৃষক, ১,৯০০ কোটি টাকার বেশি সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামোর উন্নয়নের জন্য (এআইএফ) ৭,৫১৬টি প্রকল্পকে দেশবাসীর জন্য উৎসর্গ করবেন। একই সঙ্গে জাতির উদ্দেশে ৯২০০টি এফপিও (FPO) প্রকল্পের শুভসূচনা করবেন তিনি। ‘গবাদি পশু এবং আদিবাসী সেক্স সর্টেড সিমেন টেকনোলজি’-র জন্য ইউনিফাইড জিনোমিক চিপ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের সামাজিক উন্নয়ন অনুদানের ই-ডিস্ট্রিবিউশন-এর পাশাপাশি, এমএসকেভিওয়াই ২ (MSKVY 2.0)-এর অধীনে পাঁচটি সোলার পার্কও চালু করার কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: কৃষকরা শুধু অন্নদাতা নন, বিটুমিন ও জৈব শক্তির ইন্ধন দাতাও, বললেন গড়করি

    Nitin Gadkari: কৃষকরা শুধু অন্নদাতা নন, বিটুমিন ও জৈব শক্তির ইন্ধন দাতাও, বললেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকরা শুধু অন্নদাতা নন, তাঁরা শক্তিদাতা, বিটুমিনদাতা এবং জৈব শক্তির ইন্ধনদাতা। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে এমন কথাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। বায়ো এভিয়েশন ফুয়েল বা গ্রিনহাউস গ্যাস কার্বন অফসেট এবং খড় থেকে তৈরি জৈব বিটুমিন নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ২০২২ সালের নভেম্বরে এনএইচ সেভেন জিরোনাইনএডি-এর শামলি-মুজাফ্ফরনগর রুটে রাস্তা নির্মাণে জৈব-বিটুমিন (Bio-energy fuel) উৎপাদনের জন্য তিন বছরের একটি পরীক্ষামূলক বিভাগ স্থাপন করা হয়েছে। জ্বালানি খরচ কম করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) বুধবার রাজ্যসভায় প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, “আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারতের বিমান চলাচলে ২০ শতাংশ জৈব-বিমান জ্বালানি ব্যবহার করা হবে। ফসলের অবশেষ বা খড় থেকে এই জৈব জ্বালানি উৎপাদন করা হবে। কৃষকরা তার জন্য প্রতি টন ২৫০০ টাকা করে পাবেন। কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রক রাস্তা নির্মাণে বায়ো-বিটুমিনকে বেশি করে ব্যবহার করছে। ফলে দেশীয় উৎপাদন বাড়লে ভারতকেও বিদেশি আমদানি কম করতে হবে। বায়ো-বিটুমিন হল একটি জৈব-ভিত্তিক উৎপাদন। ফসলের খড় বা পরিত্যক্ত অংশ থেকে উৎপাদন করা হয়। পাকা রাস্তার উপরিভাগ নির্মাণ কাজে তা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিশ্বের বৃহত্তম সড়ক যোগাযোগের ৯০ শতাংশ সড়ক নির্মাণে আমরা বিটুমিনকে ব্যবহার করছি। ২০২৩-২৪ সালে বিটুমিনের (Bio-energy fuel) ব্যবহার ছিল ৮৮ লাখ টন, ২০২৪-২৫ সালে যা ১০০ লক্ষ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন মোট বিটুমিনের ৫০ শতাংশ আমদানি করতে হয় এবং যার বার্ষিক আমদানি ব্যয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা।”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    কোথায় কোথায় উৎপাদন করা হচ্ছে

    কেন্দ্রীয় সড়ক এবং পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) আরও বলেছেন, “সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিআরআরআই) নয়াদিল্লি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ পেট্রোলিয়াম (আইআইপি) দেরাদুনের সহযোগিতায় খড় থেকে বায়ো বিটুমিন তৈরি করেছে। জ্বালানি খাতে অবদান রেখে কৃষকরা এখন ‘শক্তিদাতা’ হয়ে উঠেছেন। আমাদের কৃষকরা এখন শুধু অন্নদাতা নয়, তাঁরা একই সঙ্গে শক্তি উৎপাদকও বটে। এনএইচএআই জাতীয় সড়ক ৪০-এর জোরাবত-শিলং রুটে বায়ো-বিটুমিন দিয়ে একটি ট্রায়াল করার কথাও ভাবা হয়েছে। বায়ো-বিটুমিনের সুবিধা হল জ্বালানির (Bio-energy fuel) খরচ কম করে, গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণকে হ্রাস করা এবং সেই সঙ্গে কৃষকদের জন্য আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা করা। ফলে কৃষিতে উদ্যোগ  ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করার বড় লক্ষ্য রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ল বাজেটে, কত হল জানেন?

    Budget 2024: কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ল বাজেটে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারও বাজেটে (Budget 2024) কৃষিক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই পেশ হল তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটে কৃষি ও কৃষির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়িয়ে (Farm Allocation Hike) দেওয়া হল ১২ লাখ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ১.১৪ লাখ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে সেটাই বেড়ে হল ১.৫২ লাখ কোটি টাকা।

    কী বললেন সীতারামন? (Budget 2024)

    বাজেট পেশ করে সীতারামন জানান, আগামী দু’বছরে সারা দেশে এক কোটি কৃষককে প্রাকৃতিক চাষে উৎসাহিত করা হবে। ডাল এবং তৈলবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী জানান, সর্ষে, চিনাবাদাম, তিল এবং সয়াবিনের মতো তৈলবীজের জন্য আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, “এই বাজেটের (Budget 2024) ফোকাস হবে ১০৯টি নয়া উচ্চ ফলনশীল, ৩২টি ক্ষেত্রে জলবায়ু সহনশীল জাত এবং উদ্যান ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গবেষণা ও জলবায়ু সহনশীল জাতগুলির বিকাশ।

    ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার

    কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার রূপায়নেও কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বে কেন্দ্র কৃষক ও তাঁদের জমির রেকর্ডকে তিন বছরের মধ্যে এই পরিকাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করতে সাহায্য করবে। এই ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ব্যবহার করে খারিফ শস্যের ক্ষেত্রে ডিজিটালি শস্য উৎপাদনের পরিমাণ সার্ভে করা হবে। দেশের ৪০০টি জেলায় এটা করা হবে। জমি রেজিস্ট্রিতে নিয়ে আসা হবে ছ’কোটি কৃষক এবং তাঁদের জমির যাবতীয় বিবরণ।

    আরও পড়ুন: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    এদিকে, ‘কিষান সম্মান নিধি’ প্রকল্পে বাড়ল অনুদানের পরিমাণও। এতদিন এই প্রকল্পে কৃষকরা পেতেন বছরে ৬ হাজার টাকা করে। দুহাজার টাকা বাড়ানোয় এবার থেকে তাঁরা পাবেন বার্ষিক ৮ হাজার টাকা করে। চারটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে এই অর্থ। ফান্ডিংয়ের গেরোয় পড়ে কৃষক যাতে বিপদে না পড়েন এবং তাঁদের আর্থিকভাবে সাবলম্বী করতে এই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর। এতদিন এই প্রকল্পের সুবিধা পেতেন ১৪ কোটি কৃষক। এবার বাড়ানো হয়েছে আরও দুকোটি। সব মিলিয়ে এবার থেকে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ১৬ কোটি কৃষক। কেন্দ্রীয় অনুদানের এই টাকা (Farm Allocation Hike) সরাসরি চলে আসবে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    Birbhum: কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে চলছে কালোবাজারি! ক্ষুব্ধ চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকার কিষাণ মান্ডিতে ধান কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু, সরকারি নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে চলছে কালোবাজারি। বৃহস্পতিবার বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কৃষকরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে এসে তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হলেন পারুই থানার কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালনগর গ্রামের কৃষক বামাচরণ সামন্ত। এদিন তিনি বোলপুর কিষাণ মান্ডিতে ৬২ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেন। তাঁর অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি ৪ কেজি পাঁচ কিলো এমনকী তিন কিলো করে ধান বেশি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আর এই অভিযোগে রীতিমতো উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হল বোলপুরের কিষাণ মান্ডি চত্বরে। সরকারিভাবে বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের মধ্যস্থতায় চাষিদের কাছে ধান কেনা হচ্ছে। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ধান নিয়ে নেওয়া হচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে। যদিও এ বিষয়ে রাইস মিলের ম্যানেজার  কোও মন্তব্য করতে চাননি। বোলপুরের রামকৃষ্ণ রাইস মিলের বিরুদ্ধে যখন ধান কেনা নিয়ে কালোবাজারের অভিযোগ উঠে আসছে ঠিক সে জায়গায় দাঁড়িয়ে আরো একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গরু পাচার কাণ্ডে কেন্দ্রীয় এজেন্সি এই রাইস মিলের মালিক কে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সূত্রের খবর, গরু পাচার কাণ্ডের কালো টাকা কেষ্ট মণ্ডলের হাত ধরে এই রাইস মিলে বিনিয়োগ হয়েছে।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, নিয়ম অনুযায়ী কুইন্টাল হিসেবে ধান বিক্রির পর সেই টাকা চাষিদের দেওয়ার কথা। কিন্তু, আমাদের কাছে থেকে কুইন্টাল প্রতি ধান চার-পাঁচ কেজি করে বেশি নিচ্ছে। প্রশাসনের মদতেই এসব চলছে। আর আমাদের মতো চাষিরা বঞ্চিত হচ্ছি।

    কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কী বললেন?

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর কিষাণ মান্ডির দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, চাষিরা ধান বিক্রি করতে আসছে। সঠিকভাবেই ধান কেনা হচ্ছে। কিন্তু, যে ধানের গুণগত মান খারাপ, সে ক্ষেত্রে কুইন্টাল প্রতি ধান তিন-চার কেজি করে অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। যদিও এটি সরকারি গাইডলাইনের বহির্ভূত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    Jalpaiguri: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাষিরা ধান বিক্রি করতে গিয়ে ফের বিপাকে! তাঁদের অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি চার-পাঁচ শতাংশ ধান ওজন থেকে বাদ দিয়ে কেনা হচ্ছে। একে বর্ষার সময় অতিবৃষ্টি, তারপর ফসল তোলার আগে শীতের বৃষ্টি, চাষিদের বিরাট বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হয়েছে। কিন্তু সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল বিক্রি করে যখন সামান্য লাভের আশা দেখবেন, ঠিক সেই সময় সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে কেউ যাচ্ছেন না বললেই চলে। এমন ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) সন্ন্যাসীহাটে। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি বিক্রয় কেন্দ্রে চলছে ধান কেনায় ওজনে কারচুপি। তাই কেউ ওই মুখো হতে চাইছেন না।

    চাষিদের অভিযোগ (Jalpaiguri)

    সন্ন্যাসীহাটের (Jalpaiguri) এক কৃষক দুলালচন্দ্র রায় বলেন, “বিক্রয় কেন্দ্রে ১৫ কুইন্টাল ধান নিয়ে এসেছিলাম। চার শতাংশ ধান বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি মোট ৬০ কেজি ধানের দাম পেলাম না। খোলা বাজারে বিক্রি করলে অন্তত আটশো টাকা বেশি পেতাম। সরকারি কেন্দ্রে গিয়ে আমার সবটাই ক্ষতি হয়েছে।” আবার আর এক চাষি করেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “সরকারি কেন্দ্রে গেলে সারা দিন চলে যায়। প্রচুর সময় নষ্ট হয়। ওজনে ধানের পরিমাণ বাদ দিয়ে মূল্য কম দেওয়া হয়। তাই খোলা বাজারে বিক্রি করলেই আমাদের ভালো।”

    কেন ঘটছে ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সোমাবার সন্ন্যাসীহাটের (Jalpaiguri) সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে এসেছিলেন মাত্র ৬ জন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রে গত দুই মাসে মোট ২৮ টন ধান কেনা হয়েছে । অথচ গোটা জেলায় ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লক্ষ ২১ হাজার টন। নভেম্বর পেরিয়ে গিয়ে এখন ডিসেম্বর। কিন্তু মাত্র কেনা হয়েছে ১০ হাজার টন। লক্ষ্যমাত্রার চার ভাগের এক ভাগও কিনতে পারেনি সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রগুলি। গত বছর ৭০ হাজার কৃষক ধান বিক্রি করেছিল জেলার কেন্দ্রগুলিতে। এই বছর মাত্র ২১ হাজার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সব কিছুর কারণ হল চাষিদের বিক্রয় করা ধানের ওজন এবং মূল্যে চুরি করা হচ্ছে। সবটাই সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে হচ্ছে বলে চাষিদের অভিযোগ।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলার (Jalpaiguri) প্রশাসন থেকে জেলা খাদ্য নিয়ামক বলেন, “ওজন থেকে বাদ দেওয়ার তেমন নিয়ম নেই। এই বছর ধান বিক্রির প্রবণতা অনেক কম। সবে ডিসেম্বর, আরও সময় রয়েছে। ঝাড়াই, মাড়াই করার পর হয়তো আরও ধান বিক্রয় কেন্দ্র আসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    Arambagh: এ যেন পাকা ধানে মই! জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের জমি, মাথায় হাত চাষিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অকাল বৃষ্টির পর এবার ক্যানেলে হঠাৎ ছাড়া জল। যার জেরে জলমগ্ন বিঘার পর বিঘা চাষের ধান জমি। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ফসলের। যার জেরেই ক্ষোভ জমছে চাষিদের মধ্যে। একদিকে হঠাৎ জল ছাড়ায়, অন্যদিকে ক্যানেল সংস্কার না করায় এই পরিস্থিতি বলে অভিযোগ কৃষকদের। যদিও তাদের কোনও গাফিলতি নয়, পাল্টা সেচ দফতরের উপর দায় চাপিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভা। ঘটনাটি ঘটেছে এই পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের বাদলকনা এলাকায়।

    চাষিরা কী বললেন? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) বাদলতনা এলাকার মাঠের উপর দিয়েই বয়ে গেছে ক্যানেল ও খাল। একটি খাল রক্ষনাবেক্ষণ করে আরামবাগ পৌরসভা, আর অপরটি সেচ দফতর। কিন্তু, কৃষকদের অভিযোগ, দুটি ক্যানেল দীর্ঘ দিন ধরেই সংস্কার হয়নি। আবর্জনায় মজে গেছে। তার জেরেই জল নিকাশি হয় না ঠিক মতো। আর সেই কারণেই জমিতে ক্যানেলের জল উপচে ঢুকছে। মাঠের অর্ধেক ফসল তোলা হয়নি। জলমগ্ন হয়ে পরেছে ধান জমিতে। জলমগ্ন জমি থেকে ধান ছেঁকে পাড়ে তুলছেন। চাষিদের বক্তব্য, ফসলের এত বড় ক্ষতির দায় কে নেবে। ফসল নষ্ট হয়ে গেলো ঋণ শোধ হবে কী করে? জলপাওয়া ধান বাজারে বিক্রি করতে গেলে বাজার মূল্য অনেক কম হবে। ফসলের এই ক্ষতি পূরণের জন্য সরকার যদি কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হব। কৃষকদের প্রশ্ন, পৌরসভা হোক বা সেচ দফতর কেন এতদিন ধরে খাল সংস্কার করেনি? কেনই বা হঠাৎ করে মাঠের ধান ওঠার আগেই জল ছেড়ে দেওয়া হল? এই ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

    ডিভিসি-কে দায়ী করল পুর কর্তৃপক্ষ

    আরামবাগ (Arambagh) পৌরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারী বলেন, জমিতে জল ঢোকার জন্য ডিভিসি দায়ী। কাউকেই না জানিয়ে ডিভিসি জল ছেড়ে দেওয়ায় এই বিপত্তি হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে যে খাল রয়েছে তাও সংস্কার করার কাজ চলছে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, সব জায়গাতেই তো কাটমানি খাচ্ছে শাসক দলের নেতা-নেত্রীরা। এখানেও হয়তো কোনও ঘটনা ঘটেছে যার জেরে খাল সংস্কার হয়নি। আমরা ক্ষমতায় আসার পর অন্নদাতা কৃষকদের জন্য কোনও সমস্যা রাখবো না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: চাষিদের ধান কেনায় সরকারি অফিসারদের সামনেই কাটমানি! ব্যাপক শোরগোল

    South 24 Parganas: চাষিদের ধান কেনায় সরকারি অফিসারদের সামনেই কাটমানি! ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায় রাজ্য সরকারের ধানকেনায় চলেছে চরম দুর্নীতি। পাথরপ্রতিমায় সরকারি অফিসারদের সামনে মিল মালিককে কুইন্টাল পিছু আড়াই কিলো কাটমানি দিতে হচ্ছে গরিব চাষিদের। অবশ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, ধানে তুষ বা খোসা রয়েছে। যার জন্য আড়াই কিলো করে ধান বাদ দিতে হচ্ছে চাষিদের। এনিয়ে চাষিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    কৃষকদের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    সুন্দরবনের (South 24 Parganas) চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, “বর্ষায় বাঁধ ভেঙে মাঠে নোনা জল ঢুকে চাষের বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল। অন্য দিকে চাষের সময় অনাবৃষ্টি, আবার ধান কাটার সময় অকাল বর্ষনে ধান নষ্ট হয়েছে। এর পরেও কিছু ধান তুলে বাড়ি ফিরেছি আমরা। আর সেই ধান এবার রাজ্য সরকারের খামারে বিক্রি করে করতে গিয়ে দিতে হচ্ছে কাটমানি। আমাদের ভাতে মারার কাজ করছে প্রশাসন।” আরেক চাষি সুভাষচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “একে প্রকৃতির মারও, তারপরে চলছে প্রকাশ্যে চুরি।”

    সরকারি কর্মচারী-মিল মালিকের বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) সরকারি এক আধিকারিক শেখ কুতুবুদ্দিন বলেন, “এই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। যা ধান বেশি নেওয়া হচ্ছে, তার সবটাই মিল মালিকের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে, এমনকি ধানের খোসা বা তুষের জন্য মেশিন ঠিক করেছে মিলের মালিকেরাই। কিন্তু অন্যদিকে মিল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে চাঁদু হাতি বলেন, “এই বিষয় নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়েই চাষিদের সাথে কথা হয়েছে এবং আড়াই কেজি করে ধান বেশি নেওয়ার কাজ চলছে।” ফলে একদিকে যখন চাষের ক্ষতির কারণে চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে, তখন এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করলেও কেউই দায় নিতে চাইছে না কাটমানির বিষয়ে। কিন্তু কৃষকদের বক্তব্য, তাঁরা ধান বিক্রির মূল্য পাচ্ছেন না।

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় স্থানীয় (South 24 Parganas) বিজেপির নেতা অরুণাভ দাস অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী নিজেই জেলে। তাঁর চেলারা আর কতটা ভালো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে সমস্যার সমাধান চাই আমরা। পরোক্ষভাবে কাটমানির মতো ধানও দিতে হচ্ছে মিল মালিকদের। সরকারি আধিকারিকদের পাশে বসে মিল মালিকরা সেই ধান কড়ায় গন্ডায় বুঝে নিচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে। অবিলম্বে এই দুর্নীতি বন্ধ না হলে বড় আন্দোলনের পথে নামবো আমরা ।” স্থানীয় তৃণমূল কর্মী মৃণালকুমার মাঝি বলেন, “অভিযোগ সম্পর্কে আমি জানি না। খোঁজ নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই মালদায় সরকারি শিবিরে ধান বিক্রি করতে এসে অনেক চাষি ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই ঘটনায় চাষিরা প্রকাশ্যেই বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় কারচুপি করার অভিযোগ উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা-১ (Egra) ব্লক কৃষক বাজারে। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাষিরা রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহকুমা শাসক উদ্যোগী হন। এগরার মহকুমাশাসক মনজিৎকুমার যাদব বলেন, কৃষক বাজারে ওজন নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

    প্রতি বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম (Egra)  

    রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একাধিক ব্লকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনা শুরু হয়েছে। অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করার পর নিয়ম মেনে চাষিরা এগরা-১ (Egra) কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করতে যান। কৃষক বাজারে খাদ্য দফতরের উদ্যোগে সরকারি সহায়ক মূল্যে কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এগরা, কুদি-সহ অন্য এলাকার চাষিরা ধান নিয়ে বাজারে যান। যদিও চাষিরা বাজারে যাওয়ার আগে থেকেই ধানের বস্তা ওজন করে আনেন। পরে কৃষক বাজারেও সরকারি ডিজিটাল যন্ত্রে ধানের বস্তা ওজন করা হয়। দেখা যায়, সেই যন্ত্রে ধান ওজন করার সময় বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম দেখাচ্ছে। চাষিদের সন্দেহ হয়। বাইরে থেকে নতুন একটি যন্ত্রে ধান ওজন করতেই গন্ডগোলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপরই কৃষক বাজারের যন্ত্রে কারচুপির অভিযোগে কৃষকেরা বিক্ষোভ দেখান। খাদ্য দফতরের এক কর্মীকে অফিসের মধ্যে আটকে রাখা হয়।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, বাড়ি থেকে প্রত্যেকে আমরা ধান ওজন করে কৃষক বাজারে নিয়ে এসেছি। এখানে সেই ধান ওজনে কমে যাচ্ছে। সরকারি যন্ত্রে কেন ওজনে কমছে, তা জানতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিক্ষোভের জেরে ধান বিক্রি বন্ধ হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আসে এগরা থানার পুলিশ। পরে, কৃষক বাজারের অদূরে থাকা মহকুমাশাসকের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানান চাষিরা। এগরা (Egra) মহকুমাশাসকের নির্দেশে মহকুমা খাদ্য আধিকারিক এবং অন্য কর্মীরা কৃষক বাজারে যান। নতুন যন্ত্রে ওজন করে ফের ধান বিক্রি শুরু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ি জুড়ে সারের কালোবাজারি, মাথায় হাত কৃষকদের, কী করছে প্রশাসন?

    Siliguri: শিলিগুড়ি জুড়ে সারের কালোবাজারি, মাথায় হাত কৃষকদের, কী করছে প্রশাসন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমাজুড়ে চলছে সারের কালোবাজারি। দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে সার। ফসলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াহয় চাষিদের মাথায় হাত। শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও মাটিগাড়া ব্লকে আলু, পাট, ধান সহ নানা ধরনের মরশুমি সব্জি চাষ হয়ে থাকে। শীতের নানা ধরনের সব্জি  চাষ শুরু হয় এই সময়েই। এই সুযোগে প্রকাশ্যে সারের কালোবাজারি শুরু হয় গিয়েছে বলে কৃষকদের অভিযোগ।

     কী বলছেন কৃষকরা? (Siliguri)

    শিলিগুড়ির  ফাঁসিদেওয়ার স্বদেশ দাস, খড়িবাড়ির প্রফুল্ল বর্মন বলেন, আলু চাষের সময় ব্যবসায়ীরা সারের কৃত্তিম সঙ্কট তৈরি করেন। জোগান কম দেখিয়ে তারা দ্বিগুণ দামে সার বিক্রি করছেন। ইউরিয়ার ৪৫ কেজির বস্তায় দাম লেখা রয়েছে ২৬৬ টাকা। আমাদের ৪০০ টাকায় কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। পটাশের সরকারি নির্ধারিত দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি। এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি।  ফসফেটেও কালোবাজারি চলছে। সরকারি মূল্য তালিকা দেখানো হলেও সার ব্যবসায়ীরা তা মানতে চাইছে না। বেশি দামে সার কেনার পর জিএসটি সহ বিলও পাচ্ছি না আমরা। চাপাচাপি করলে আমাদের  কাছে সার বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।  

    কী বলছেন সার ব্যবসায়ীরা?

    নাম প্রকাশে  অনিচ্ছুক শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার সার বিক্রেতাদের একাংশের বক্তব্য, সব জিনিসের দাম বেড়েছে। সারের প্যাকেটে যে দাম লেখা থাকে সেই দামে বিক্রি করলে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। ক্যারিং কস্ট বহুগুণ বেড়েছে। কিন্তু, সরকার সারের দাম বাড়ায়নি। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচ ধরে নিয়ে আমরা সার বিক্রি করছি। তাতে সামান্য কিছু টাকা বেশি দিতে হচ্ছে কৃষকদের।

     প্রতিবাদ আন্দোলনে বিজেপির কিষাণ মোর্চা

    বিজেপির কিষাণ মোর্চার  শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা কমিটির  সহ-সভাপতি  স্বপন কুমার বর্মন বলেন, মূলত আলু চাষ শুরুর সময় থেকে গত তিন মাস ধরে  শিলিগুড়ি মহকুমা জুড়ে সারের কালোবাজারি চলছে। আলুর সঙ্গে এই সময় কপি সহ শীতের নানা ধরনের সব্জি চাষ শুরু হয়। এই চাহিদার জন্য এসময় সারের কালোবাজারি শুরু হয়। এতে কৃষকের নাভিশ্বাস অবস্থা। আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে ফাঁসিদেওয়া ও  খড়িবাড়ি ব্লকের বিডিওকে স্মারকলিপি দিয়েছি।  কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। প্রশাসন ঘুমিয়ে রয়েছে। রাজ্য সরকারের বিষয়টি কেন দেখছে না বুঝতে পারছি না।   

    কী বলছে প্রশাসন?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার দায়িত্বে থাকা কৃষি দফতরের যুগ্ম আধিকর্তা পার্থ রায় বলেন, আমাদের কাছে সারের কালোবাজারি নিয়ে কোনও কৃষক লিখিতভাবে অভিযোগ করেনি। তবুও, আমরা প্রতিটি জায়গায়  নজর রেখেছি। নিয়মিত অভিযান চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share