Tag: Farmers

Farmers

  • Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    Weed Farming: দোষ প্রমাণ হলে কারাবাস! তবুও লাভের আশায় রমরমিয়ে চলছে গাঁজার চাষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোষ প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাবাস। কিন্তু সব জেনেও লাভের আশায় প্রতিবছর গাঁজার চাষ (Weed Farming) করেন কোচবিহারেরে চাষিরা। মামলা হয় অনেকের নামে, এমন কী পুলিশ গ্রেফতার করেও নিয়ে যায়। তারপরও বেশি পয়সার জন্য এই অবৈধ ভাবে রমরমিয়ে গাঁজার চাষ করতে বাধ্য হন চাষিরা। রীতিমতো দরমার বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখে, কিছুটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয় গাঁজা চাষের জমিকে। নিরুপায় কিন্তু পেট চালানোর জন্য এই ভাবেই কোচবিহারে চলছে অবৈধ গাঁজার চাষ।

    চাষিদের বক্তব্য (Weed Farming)

    কোচবিহারেরে একচাষি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে আয় হয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা, আবার ওই জমিতেই গাঁজা চাষ (Weed Farming) করে আয় হয় সাত লক্ষ টাকা। এরপর এই গাঁজা চলে যায় অন্য রাজ্যে। রাজ্যে চাষের ফসলে সঠিক দাম না পাওয়ার জন্যই এইভাবে লুকিয়ে চাষ করে থাকি আমরা।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    কোচবিহার আবগারি দফতরের জেলা জেলার সুপারিনটেন্ডেন্ট সাঙ্গে ডোমা ভুটিয়া বলেন, “অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেক চাষি গাঁজার (Weed Farming) চাষ করেন। কিন্তু এটা পুরোপুরি বেআইনি। তাই পদক্ষেপ বেশ কড়া নিতে হয় আমাদের।” আবার কোচবিহার পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, এখনও পর্যন্ত জেলায় তিন হাজার বিঘা গাঁজার চাষ নষ্ট করা হয়েছে।”

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই গাঁজা চাষের পিছনে চাষিদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকে না, এর পিছনে একটি বিরাট চক্র কাজ করে। গাছ লাগানো থেকে শুরু করে, গাছ পরিচর্যা ইত্যাদির জন্য আগে থেকে চাষিদের হাতে টাকা দেওয়া হয়। এমনকি গাছ পরিণত হওয়ার আগেই লাভের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ওই পাচারচক্রীদের কাছে। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি থেকে পাইকারীরা গ্রামের চাষিদের টাকা দিয়ে গাঁজা কিনে নেয়। লাভের টাকা তেমন ভাবে চাষিরা পান না। তবে শাস্তির সম্মুখে পড়তে হয় কেবল চাষিদেরই।

    গাঁজা চাষ বছরের দুইবার হয়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁজা চাষ (Weed Farming) বছরে দুইবার হয়। একটি আষঢ়ি অপরটি হেমতি। ভালো মানের চাষ আষাঢ় মাসেই হয়ে থাকে। তবে এখন মণিপুরের এক রকমের দামে বেশি এক প্রকার গাঁজার চাষ হচ্ছে কোচবিহারে। কোচবিহারের তোর্সা, মানসাই, ধরলা, কালজানি নদীর দু’ধারের জমিতে চাষ হয় গাঁজা। তাই রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারকে চাষিদের খাদ্যশষ্য চাষের দিকে উৎসাহী করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • WB Farmers Suicide: এক বছরে রাজ্যের এক জেলাতেই আত্মঘাতী ১২২ কৃষক! বলছে আরটিআই রিপোর্ট

    WB Farmers Suicide: এক বছরে রাজ্যের এক জেলাতেই আত্মঘাতী ১২২ কৃষক! বলছে আরটিআই রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র (Maharasthra) নয়, খোদ বঙ্গেই (West Bengal) চলছে কৃষকের মৃত্যু  মিছিল। আত্মঘাতী (Suicide) হয়েছেন এই কৃষক (Farmers) ও খেত মজুররা। এই ঘটনা সব চেয়ে বেশি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরে (West Midnapore)। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে আরটিআই (RTI)। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, কেবল ২০২১ সালেই ওই জেলায় আত্মঘাতী হয়েছেন ১২২ জন কৃষক ও খেত মজুর।

    আরটিআইয়ের এই রিপোর্টের সঙ্গে অবশ্য বিস্তর ফারাক রয়েছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর (NCRB) রিপোর্ট ও রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যানের। কেননা, এই দুই ক্ষেত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেখা গিয়েছে রাজ্যে কৃষক আত্মঘাতী হওয়ার কোনও ঘটনাই ঘটেনি। অথচ আরটিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, কেবল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়ই গত বছর আত্মঘাতী হয়েছেন ১২২ জন কৃষক ও খেতমজুর।

    আরও পড়ুন :নবান্ন অভিযানে গিয়ে ‘মিথ্যা’ মামলায় গ্রেফতার, হাইকোর্টের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি

    রাজ্য সরকারের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতেই ফি বছর পরিসংখ্যান তৈরি করে প্রকাশ করে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো। জানা গিয়েছে, বিশ্বনাথ গোস্বামী নামে এক ব্যক্তি তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন কৃষক মৃত্যুর পরিসংখ্যান। তাঁর প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যের জন তথ্য আধিকারিক এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ রাজ্যের ২৩টি থানা থেকে সংগৃহীত তথ্য জমা দিয়েছেন। তা থেকে জানা যাচ্ছে, সব মিলিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ১২২ জন। এঁদের মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়েই রয়েছেন ১৪ জন। ওই এলাকারই আনন্দপুরে আত্মঘাতী হয়েছেন ১০ জন কৃষক। আরটিআই রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, গত বছরের পাশাপাশি জেলায় অব্যাহত কৃষকের মৃত্যু মিছিল। ২০২২ সালে এ পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সব মিলিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ৩৪ জন কৃষক ও খেত মজুর। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ঘাটালের ১৩ জন, দাঁতনের ৭ জন। এর পাশাপাশি আত্মঘাতী হয়েছেন গোয়ালতোড় ও কেশপুরে ৫ জন করে, পিংলা এবং আনন্দপুরে ২ জন করে কৃষক।

    যদিও তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের দাবি, রাজ্যের কোথাও কোনও কৃষক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তাহলে কেন দুই রিপোর্টে দু রকম পরিসংখ্যান? রাজনৈতিক মহলের মতে, কৃষক মৃত্যুর বিষয়টি খুবই সংবেদনশীল। তাই সেই রিপোর্ট চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেছে রাজ্য সরকার। আরটিআইয়ের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়নি বলেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে এসেছে বেড়াল।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share