Tag: Farooq Abdullah

Farooq Abdullah

  • Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।” কথাগুলো যিনি বললেন, তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার পাকিস্তান-প্রীতির ইঙ্গিত মিলেছিল। গান্ডেরবালকাণ্ডের (Ganderbal Terror Attack) পর সেই তিনিই নিশানা করলেন পাকিস্তানকে (Farooq Abdullah)। সাফ জানিয়ে দিলেন, কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।

    পাকিস্তানকে নিশানা ফারুকের (Farooq Abdullah)

    কথা হচ্ছিল জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার। রবিবার কাশ্মীরের গান্ডেরবালে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ৭ জন। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন ফারুক। কাশ্মীরের কুর্সিতে রয়েছে ফারুকের দল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁরই ছেলে ওমর আবদুল্লা। সরাসরি পাকিস্তানকে চাঁদমারি করে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পাকিস্তানের নেতৃত্বকে বলতে চাই, তারা যদি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে এসব বন্ধ করতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না। আসুন, আমরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচি এবং সফল হই।”

    ‘সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা’

    ফারুক বলেন, “তারা যদি ৭৫ বছরে একটি পাকিস্তান বানাতে না পারে, তাহলে এখন কীভাবে সম্ভব? সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা। তা যদি না হয়, তাহলে পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।” তাঁর প্রশ্ন, “তারা (পাকিস্তান) যদি আমাদের দেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, তাহলে কীভাবে আলাপ-আলোচনা সম্ভব?” ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো বলেন, “এই হামলা দুর্ভাগ্যজনক। পরিযায়ী গরিব শ্রমিক এবং চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন এই হামলায়। সন্ত্রাসবাদীরা এ থেকে কী পাবে? তারা কি ভাবছে, যে তারা এখানে পাকিস্তান বানাবে? আমরা এটা (সন্ত্রাসবাদ) বন্ধের চেষ্টা করছি, যাতে আমরা এই দুর্দশা থেকে বেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।”

    আরও পড়ুন: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    জঙ্গি হামলায় গান্ডেরবালে এক চিকিৎসক-সহ মোট (Farooq Abdullah) সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ছয় নির্মাণ শ্রমিকই ভিন রাজ্যের। একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে গান্ডেরবালে একটি টানেল তৈরির কাজ করছিলেন তাঁরা। জঙ্গিদের ওই হামলায় জখম হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে কানগান সাবডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনা। তবে সোমবার (Ganderbal Terror Attack) সন্ধে পর্যন্ত কোনও জঙ্গিই ধরা পড়েনি। এমতাবস্থায় ফারুকের (Farooq Abdullah) মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বই কি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা পরাব”, ‘ইন্ডি’ নেতাদের জবাব মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা পরাব”, ‘ইন্ডি’ নেতাদের জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা তাদের পরাব।” সোমবার এই ভাষায়ই ইন্ডিয়া ব্লকের নেতা ফারুক আবদুল্লা ও মণিশঙ্কর আইয়ারের ‘পাকিস্তান-স্তুতি’র জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, “পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমরা ফিরিয়ে আনবই।”

    কী বলেছিলেন ফারুক?

    দিন কয়েক আগে তারই জবাব দিয়েছিলেন ইন্ডি জোটের শরিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছিলেন, “প্রতিবেশি দেশ(পাকিস্তান) হাতে চুড়ি পরে বসে নেই।” এদিন বিহারের মুজফফরপুরের জনসভায় ফারুকের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফারুকের নাম না নিয়েই তিনি বলেন, “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা তাদের পরাব। তাদের কাছে ময়দা নেই, বিদ্যুৎ নেই। এখন আমি জেনেছি যে, তাদের চুড়িরও অভাব রয়েছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ইন্ডিয়া ব্লকে বোধহয় এমন কিছু নেতা রয়েছেন যাঁরা পাকিস্তানের ভয়ে ভীত। পাকিস্তানে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এমন দুঃস্বপ্নও দেখেন তাঁরা।” ফারুকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় যে ইন্ডি জোটের আরও এক শরিক কংগ্রেসের মণিশঙ্কর আইয়ারও, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। দিন কয়েক আগে প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন, “পারমাণবিক বোমা থাকায় ভারতের উচিত পাকিস্তানকে সমঝে চলা।” কংগ্রেসের এই নেতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস জনগণের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে। কংগ্রেসের এই ভীরু মনোভাবই আগে সীমান্তে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেছিল।” নিম্নমানের হওয়ায় পাকিস্তানের পরমাণু বোমা যে কেউ কিনছে না, সেকথাও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।   

    আরও পড়ুুন: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    এই সভার আগে প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেন হাজিপুরে। সেখানেও তাঁর চাঁদমারি ছিলেন বিরোধী নেতারা। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা দেশের গরিব মানুষের টাকা। আমি আপনাদের বলব, ইডির মতো সংস্থা ব্যবস্থা নিতেই কেন তাঁরা কান্নাকাটি শুরু করেছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় ইডি উদ্ধার করেছিল মাত্র ৩৫ লাখ টাকা। এই পরিমাণ টাকা স্কুল ব্যাগেই রাখা যায়। আর আমাদের জমানায় সংস্থা উদ্ধার করেছে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এই পরিমাণ টাকা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন ৭০টি ছোট ট্রাকের (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: লোকসভা নির্বাচনের আগে রামধাক্কা! কাশ্মীরে ফারুকের দল ছেড়ে বিজেপিতে ‘মাথা’

    BJP: লোকসভা নির্বাচনের আগে রামধাক্কা! কাশ্মীরে ফারুকের দল ছেড়ে বিজেপিতে ‘মাথা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে রামধাক্কা খেল জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্স। দলের একঝাঁক তাজা নেতা দল ভেঙে বেরিয়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের কাঠুয়া জেলার সভাপতিও। রবিবার গেরুয়া খাতায় নাম লেখান তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে তাঁদের অনুগামীরাও যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।

    বিজেপিতে যোগ

    এদিন জম্মুতে গিয়ে তাঁরা যোগ দেন বিজেপিতে। পদ্মশিবিরে তাঁদের স্বাগত জানান বিজেপির জম্মু-কাশ্মীর ইউনিটের প্রধান রবীন্দর রায়না। দল বদলের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির (BJP) অন্য নেতারাও। অনুষ্ঠানে বিজেপি যে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছে, তা মনে করিয়ে দেন রায়না। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং আর্থ-সামাজিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিজেপি সরকারের অবদান ঐতিহাসিক।”

    মোদি-প্রশস্তি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসাও করেন রায়না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে তাঁর অবদান এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাঁর যে আপ্রাণ চেষ্টা, তাও তুলে ধরেন রায়না। বিজেপির প্রবীণ নেতা দেবীন্দর সিং রানা বলেন, “যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে স্বাগত জানাই।” কাঠুয়া জেলায় ফারুকের দলকে নেতৃত্ব দিতেন সঞ্জীব খাজুরিয়া। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তিনিও। বলেন, “তৃণমূলস্তরে মোদি সরকারের কল্যাণমূলক কাজের সুফল ফলেছে। বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থানকে সামনের সারিতে নিয়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবদান অনস্বীকার্য।”

    আরও পড়ুুন: ড্রোন হামলায় তিন সেনানীর মৃত্যু, ইরানকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    অন্য একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এদিনই বিজেপিতে যোগ দেন উপত্যকার অনেক মহিলা। সেই অনু্ষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা কাভিন্দর গুপ্তা। বিজেপি কর্মীরা যে আমজনতার সেবায় সর্বদা নিয়োজিত, দলীয় কর্মীদের তা আরও একবার মনে করিয়ে দেন কাভিন্দর। জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি যে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, তার মোকাবিলা করতে হবে বলেও নবাগতদের জানিয়ে দেন তিনি। দলীয় কর্মীদের ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশও দেন কাভিন্দর। বিরোধী দলকে রুখতে বিশেষ করে মহিলা ও তরুণদের কাছে পৌঁছতে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন প্রবীণ এই বিজেপি নেতা। বিজেপি-বিরোধী ইন্ডি জোটে রয়েছে ফারুকের দলও। নির্বাচনের মুখে সেই দলেরই মাথা ভেঙে যাওয়ায় প্রমাদ গুণছেন (BJP) ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতারা।

    ভূস্বর্গেও কি ক্রমেই মাটি হারাচ্ছে ফারুকের দল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • Farooq Abdullah: টাকা তছরুপের অভিযোগ! কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে তলব ইডির

    Farooq Abdullah: টাকা তছরুপের অভিযোগ! কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকাতেও দুর্নীতি! এবার জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে (Farooq Abdullah) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল ইডি (Enforcement Directorate)। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি)-এর নেতা ফারুক আবদুল্লাকে তাদের শ্রীনগরের দফতরে হাজির থাকতে বলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে আর্থিক বেনিয়মের (Money Laundering) তদন্তেই সমন পাঠানো হয়েছে ফারুক আবদুল্লাকে। 

    ইডির অভিযোগ

    ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে, জম্মু ও কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পদে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটিয়ে তিনি টাকা নয়ছয় করেছেন। ভারতের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই-এর থেকে প্রাপ্ত টাকা ফারুকের আমলে বেআইনিভাবে অনেকের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। আজ, ১১ জানুয়ারি শ্রীনগরের ইডি অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ফারুক আবদুল্লাকে। যদিও তিনি হাজিরা দেবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ফারুকের বয়স ৮৬। বয়সজনিত কারণে তিনি হাজিরা এড়াতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। 

    কখন হয়েছিল এই দুর্নীতি

    ২০০১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফারুক তাঁর রাজ্যের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, টাকা তছরুপের ঘটনাটি ঘটে ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে। অভিযোগ, জম্মু-কাশ্মীরের ক্রিকেট বোর্ডের জন্য বরাদ্দ টাকা বিভিন্নভাবে হাতিয়ে নেওয়া হত। অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলে যে টাকা জমা পড়ার কথা, তা অ্য়াসোসিয়েশনের অধিকর্তা সহ একাধিক ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত। তদন্তকারীদের দাবি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদের অপব্যবহার করেছিলেন এবং বহু লোকজনকে নিয়োগ করেছিলেন, যারা বিসিসিআই-র তহবিল তছরুপ করার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

    আরও পড়ুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, কী আর্জি তৃণমূল নেতার?

    উল্লেখ্য, এই একই মামলায় তদন্ত করছে আরেক কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। তারা ইতিমধ্যেই মামলায় একটি চার্জশিট পেশ করেছে। সিবিআইয়ের চার্জশিটের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে ইডি। ২০২২ সালে ইডির চার্জশিটে শ্রীনগরের লোকসভার সাংসদ ফারুক আবদুল্লার নাম ছিল। ইডির দাবি, ফারুকের সময় ৪৫ কোটিরও বেশি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • ED charges Farooq Abdullah: ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডি-র

    ED charges Farooq Abdullah: ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনেল কনফারেন্স (National Conference) নেতা জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার (Farooq Abdullah) বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করল ইডি (ED)। জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আর্থিক অনিয়মের মামলায় দাখিল করা হয়েছে এই চার্জশিট। মে মাসের ৩১ তারিখে ঘণ্টা তিনেক ধরে জেরা করা হয় আবদুল্লাকে। এবার পেশ হল চার্জশিট। ইডির এই সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটের ভিত্তিতে ২৭ আগস্ট ফারুক সহ অন্য অভিযুক্তদের তলব করেছে শ্রীনগরের বিশেষ আদালত। ২০১৮ সালের জুলাই মাসেও ফারুক সহ তিন অভিযুক্তের নামে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। এবার ফারুক ছাড়া যাঁদের বিরুদ্ধে ইডি চার্জশিট দিয়েছে, তাঁরা হলেন এহসান আহমেদ মির্জা, মির মনজুর গজনফের এবং আরও কয়েকজন। ইডির দাবি, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ফারুক জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে সরিয়ে ফেলেন ৪৫ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন : সুপ্রিম জয় ইডি-র! পিএমএলএ আইনে সংস্থার অধিকাংশ ক্ষমতা বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

    ২০১৮ সালে চার্জশিট দেওয়ার পর দু বছরের মাথায় ইডি জম্মু-কাশ্মীরে ফারুকের তিনটি বসতবাড়ি, একটি বাণিজ্যিক ও চারটি জমি বাজেয়াপ্ত করে। সব মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত ওই সম্পত্তির পরিমাণ ১১.৮৬ কোটি টাকা। ইডি জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল থেকে অর্থ সরানো হয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন কর্তা সহ অন্যদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে। সব মিলিয়ে আর্থিক তছরুপের পরিমাণ ৫১.৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২১.৫৫ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ এহসান আহমেদ মির্জাকে।

    আরও পড়ুন : ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    ফারুকের বিরুদ্ধে ইডির পদক্ষেপকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবেই দেখছে ন্যাশনাল কনফারেন্স। তাদের দাবি, ৩৭০ ধারা সহ একাধিক ইস্যুতে ফারুক বিজেপি সরকারের বিরোধিতা করেছিলেন। তাই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তাঁর বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, পঞ্চদশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফারুককে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। তবে রাজি না হওয়ায় প্রার্থী হননি ফারুক। তাঁর বদলে প্রার্থী করা হয় বিজেপির প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহাকে।

     

  • President Election 2022: রাষ্ট্রপতি পদের লড়াইয়ে মুখ ফেরালেন মমতার তিন প্রার্থীই

    President Election 2022: রাষ্ট্রপতি পদের লড়াইয়ে মুখ ফেরালেন মমতার তিন প্রার্থীই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে তিন, মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিন পছন্দের প্রার্থীই মুখ ফেরালেন। শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar), ফারুক আবদুল্লার (Farooq Abdullah) পর এবার গোপালকৃষ্ণ গান্ধী (Gopalkrisna Gandhi) । এক বিবৃতিতে, মমতার তৃতীয় পছন্দের নেতা একদা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জানান, “বিরোধীদের এমন একজনের প্রার্থী হওয়া উচিত যিনি জাতীয় সহমতের ও বিরোধীদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন। আমার মনে হয়, (আমার) থেকেও আরও কেউ এই কাজটা ভাল করতে পারবেন।” ঘুরিয়ে নয় সরাসরিই গোপালকৃষ্ণ বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি সব বিরোধীর পছন্দের নাম নন! শুধুমাত্র মমতার পছন্দের নাম।

    দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবের প্রথম বৈঠকেই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী (President Election) হিসেবে এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারের নামোল্লেখ করেন মমতা। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পিছিয়ে আসেন। মমতার বাঁদিকে বসে নিজের অনিচ্ছার কথা জানিয়ে দেন বৈঠকেই। এরপরই মমতা তার নিজের স্টাইলে অন্য কারো সঙ্গে কোনরকম আলোচনা ছাড়াই সামনে তুলে আনেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লার নাম। মমতার ডানদিকে তখন বসে মেহবুবা মুফতি। দীর্ঘদিনের পরিণত রাজনীতিবিদ ফারুক ফিরিয়ে দেন মমতার প্রস্তাব। একেবারে শেষ পর্বে মমতা আবার সংবাদবাজারে ছড়ান গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর নাম। তিনি সময় চেয়েছিলেন ভাববার। সোমবার মমতার সে প্রস্তাবও খারিজ করে দিলেন,পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী।

    এমন এক সময়ে গোপালকৃষ্ণ গান্ধী তাঁর মতামত জানালেন, ঠিক তার পরদিনই বিরোধী ঐক্যমতের রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করার দ্বিতীয় বৈঠক হওয়ার কথা। সে বৈঠক ডেকেছেন শরদ পাওয়ার। সেই কারণে ঐ বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা। নিজে গুরুত্ব না পাওয়ায়, ২০১২-র মুকুল রায়কে পাঠিয়েছিলেন। এবার যাচ্ছেন মমতার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। যাকে ইতিমধ্যেই কয়লা, সোনা সহ একাধিক মামলায় সিবিআই-এ হাজিরা দিতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক কারণেই অভিষেকের বক্তব্য বিরোধী নেতাদের কাছে আদৌ ওজনদার হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। 

    গত ১৫ জুন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের সহমতের প্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’র মত প্রথম বৈঠকেই বিরোধী শিবিরের ছন্নছাড়া দশা প্রকট হয়েছিল। যে বাইশটি দলের নেতাদের ডাকা হয়েছিল শুরুর বৈঠকেই ৫টি দল অনুপস্থিত ছিল। আপ, টিআরএস, টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিজু জনতা দল যোগ দেয়নি। বাকি যে দুটি দলকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তাঁরা বিজেপি নেতৃত্বে এনডিএ-র (NDA) সঙ্গে আছে। স্বাভাবিক কারণে তারাও আসেনি বৈঠকে। একতরফা বৈঠক ডাকায় তখন বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলই তাঁদের প্রথম শ্রেণীর প্রতিনিধিদের পাঠায়নি। মাধ্যম তখনই বলেছিল, মমতার আরেক ফ্লপ শোয়ের সাক্ষী থাকল দিল্লি।  

    দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকের আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজস্ব স্টাইলে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন যশোবন্ত সিনহার নাম। বুঝতে চাইছিলেন বিজেপি (BJP) ভেঙে তৃণমূলে (TMC) যোগ দেওয়া যশোবন্তকে কিভাবে নেন বিরোধী নেতারা। সেই অঙ্কও মেলেনি। গোপালকৃষ্ণের সময় নেওয়ার সময়েই বোঝা গেছিল জল মাপতে চাইছেন তিনি। অন্য কোন বিরোধী রাজনৈতিক দল তার নাম নিয়ে উৎসাহ না দেখানোয় অবশেষে ফিরিয়ে নিলেন নিজেকে। ঠিক যেভাবে নিজে বৈঠক ডাকার সুযোগ না পাওয়ায় মঙ্গলবার বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না মমতা।

  • Presidential Polls: মমতার বৈঠকে গরহাজির ৫ দল, বিরোধী ঐক্য বিশবাঁও জলে?  

    Presidential Polls: মমতার বৈঠকে গরহাজির ৫ দল, বিরোধী ঐক্য বিশবাঁও জলে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোড়ায় গলদ। তাই তাল কাটল শুরুতেই। তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিজেপি (BJP)-বিরোধী বৈঠকে হাজিরই হলেন না আম আদমি পার্টির (AAP) কেউ। আসেননি টিআরএসের (TRS) কেউও। গরহাজির ছিল শিরোমণি অকালি দলও (SAD)। বিজু জনতা দল এবং ওয়াইএসআরসিপি-র তরফেও কেউ উপস্থিত হননি বৈঠকে। তার পরেও অবশ্য বৈঠক হয়েছে। তবে হয়েছে বিতর্কও। শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করানোর চেষ্টা করেন তৃণমূল নেত্রী। তখনই হয় অশান্তি। বিরোধী দলগুলি সাফ জানিয়ে দেয়, বৈঠক হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Polls) নিয়ে। সেখানে মোদির বিরুদ্ধে প্রস্তাব কেন?

    আরও পড়ুন : হাঁসখালি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তভারও পেল সিবিআই, প্রবল চাপে মমতা-প্রশাসন

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের এককাট্টা করতে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বুধবার বৈঠক ডাকেন মমতা। চিঠি দেওয়া হয়েছিল ২২ জন বিরোধী নেতা ও মুখ্যমন্ত্রীকে। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া (Sonia) গান্ধী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal) এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury) সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে বৈঠকে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। প্রথমে বৈঠকে উপস্থিত হওয়ার আশ্বাস দিলেও, শেষ মুহূর্তে কেজরিওয়াল হাজির হননি বৈঠকে। কংগ্রেস থাকায় বৈঠকে গরহাজির ছিল টিআরএস এবং শিরোমণি দলও। আসেনি বিজু জনতা দল এবং ওয়াইএসআরসিপি-র কেউও। 

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের একছাতার তলায় আনতে উদ্যোগী হয়েছিলেন মমতা। তবে সে চেষ্টা যে বিষম কঠিন, এদিন তা হাড়ে হাড়ে টের পেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বৈঠকের একেবারে শেষ মুহূর্তে মোদির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করাতে উদ্যোগী হন মমতা। তবে তাঁর সে চেষ্টাও বৃথা যায়। কারণ উপস্থিত নেতারা জানিয়ে দেন, বৈঠকের মূল বিষয় যেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সেখানে অন্য কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    এদিকে, বিরোধী শিবিরে রাষ্ট্রপতি পদে তিনজনের নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। এঁদের মধ্যে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar) আগেই জানিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে তিনি নেই। তাঁকে এখনও রাজি করানোর চেষ্টা চলছে বলছে সূত্রের খবর। তিনি নিতান্তই রাজি না হলে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী (Gopal Krishna Gandhi) ও জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লার (Farooq Abdullah) নাম বিবেচনা করা হবে বলে সূত্রের খবর।

LinkedIn
Share