Tag: father

father

  • South 24 Parganas: পুত্র সন্তান চেয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, বিষ দিয়ে চার কন্যাকে হত্যার চেষ্টা বাবার!

    South 24 Parganas: পুত্র সন্তান চেয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, বিষ দিয়ে চার কন্যাকে হত্যার চেষ্টা বাবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা চাইছেন ছেলে, কিন্তু একে একে চার কন্যা সন্তানের জন্ম হওয়ায় একাবারেই খুশি ছিলেন না বাবা। এই নিয়ে পরিবারে রোজ ঝগড়া, অশান্তি হতো। পরিবারের মধ্যে ব্যাপক গোলমাল চলছিল। মেয়েরা রীতিমতো বাবার কাছে চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এরপর স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে চার কন্যা সন্তানকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল বাবারই বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে শনিবার বিষের ক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে এক কন্যার। বাকি দুই কন্যা বেশ গুরুতর সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে দুই কন্যা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বলে খবর। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং থানার বালুইঝাঁকা গ্রামে। পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় মানুষ এই অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে কোঠর শাস্তির দাবি করেছেন।

    অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুইঝাঁকা (South 24 Parganas) গ্রামের এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আমিনুদ্দিন সর্দার। দাম্পত্য কলহের প্রধান কারণ হল তাঁর ছেলে সন্তান চাই। কিন্তু পরপর চারটি মেয়ে হয়। কেন পুত্র সন্তান হচ্ছে না সেই নিয়েই মূল বিবাদ পরিবারে। স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তির পর কন্যাদের হত্যার পরিকল্পনা করেন বাবা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চারজনের মধ্যে তিনজনকে পানীয়ের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ান বাবা। ইতি মধ্যে রাবেয়া সর্দার নামক এক কন্যার মৃত্যু হয়েছে। আয়েশা এবং রাচেয়া নামক আরও দুই কন্যা গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বর্তমানে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযক্তের বক্তব্য

    এই ঘটনায় ক্যানিংয়ের (South 24 Parganas) অভিযুক্ত আমিনুদ্দিন সর্দার বলেন, “স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে তাই কন্যাদের বিষ প্রয়োগ করেছি।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত ১০ নভেম্বর পানীয় জলের মধ্যে বিষ মিশিয়ে খাইয়েছিলেন কন্যাদের। তবে এক মেয়ে খায়নি। বাকি তিনজন এই বিষ খেয়েছিল। তবে কেন এমন ঘটনা ঘটল এই বিষয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    North 24 Parganas: ছেলের হাতে বাবা খুন! ঘটনায় শিহরিত গোটা দত্তপুকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (North 24 Parganas) থানার অন্তর্গত বামনগাছির মালিয়াপুর এলাকায় ছেলের হাতে খুন হলেন বাবা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, বাবা রঘুনাথ শিকদার, বয়স ৫৫। বাড়িতে বসে তিনি পুজো করছিলেন। আর ঠিক সেই সময় ছেলে হৃদয় শিকদার পিছন থেকে গিয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে গলায় কোপ বসায়। এরপর দত্তপুকুর থানায় খবর দিলে, পুলিশ এসে রঘুনাথ শিকদারকে বারাসত হসপিটালে নিয়ে যায় এবং সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। আর এই কারণে বাবাকে ধারালো বঁটি দিয়ে কোপ মারে। পুলিশ মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্ত হৃদয়কে আটক করে দত্তপুকুর থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

    কীভাবে করা হল খুন (North 24 Parganas)?

    হৃদয় শিকদারের মা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, হৃদয়ের বাবা ঠাকুর ঘরে (North 24 Parganas) পুজো করছিলেন। হঠাৎ তীব্র চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি, ওর বাবা মাটিতে পড়ে রয়েছেন। পিছন থেকে বঁটি দিয়ে কোপ দেয় হৃদয়। ঘর রক্তাক্ত হয়ে যায়। মা আরও বলেন, ছেলের মাথায় অনেক দিন ধরেই সমস্যা ছিল। মা আরও বলেন, আগে নেশা করত, তবে মাস কয়েক ধরে ঠিক ছিল হৃদয়। তেমন কিছুর জন্য দাবিদাওয়াও করেনি। তবে কেন যে এমন কাজ করল, বুঝতেই পারছি না।

    প্রতিবেশীর বক্তব্য

    প্রতিবেশী (North 24 Parganas) দীপালী দে বলেন, একসময় পড়াশুনায় বেশ ভালো ছাত্র ছিল হৃদয়। কিন্তু নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে বাড়িতে রোজই টাকার জন্য অশান্তি, ঝামেলা করত। টাকা না দিলে রোজ বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করত। প্রায় পাগালের মতো হয়ে গিয়েছিল হৃদয়। অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর মানসিক রোগ নিরাময় হয়নি। হৃদয় কয়েকদিন যাবত সব সময় ঘরেই থাকত, বাড়ির বাইরেও বের হত না। আজ সকাল ৬ টায় চিৎকার শুনতে পেয়ে দেখি এই ঘটনা ঘটছে। পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে হৃদয়কে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MLA: ‘‘আমার কাছেও ঘুষ চেয়েছিল জীবন’’! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক গ্রেফতার হতেই বিস্ফোরক বাবা

    MLA: ‘‘আমার কাছেও ঘুষ চেয়েছিল জীবন’’! বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক গ্রেফতার হতেই বিস্ফোরক বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছেলে জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে সিবিআই হানা দিয়েছে। সেই খবর সাঁইথিয়ার বাড়িতে বসে টের পেয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কের (MLA) বাবা বিশ্বনাথ সাহা। ছেলের কী হয়, ১৪ এপ্রিল থেকে সেদিকে নজর রাখছিলেন বৃদ্ধ বাবা। বাবা হিসেবে ছেলেকে নিয়ে চিন্তা করাই স্বাভাবিক ঘটনা। ৬৫ ঘণ্টার ম্যারাথন জেরার পর সোমবার ভোরে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক (MLA) জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সাত সকালে উঠে সেই খবরও পান বিশ্বনাথবাবু। ছেলে গ্রেফতার হওয়ার খবর জানতে পেরে অনেকটাই স্বস্তি পান তিনি। এতদিন ধরে মনে মনে ভগবানের কাছে এটাই হয়তো প্রার্থনা করছিলেন। আর সেটাই সত্যি হওয়ায় বুকে বল ফিরে পান তিনি। ছেলে নিজের খাসতালুক ছেড়ে নিজাম প্যালেসে যেতেই ছেলের বিরুদ্ধে জমে থাকা একরাশ ক্ষোভ তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে উগরে দেন।

    বিধায়ক (MLA) ছেলের বিরুদ্ধে বাবার ঠিক কী অভিযোগ?

    বীরভূমের সাঁইথিয়ার তালতলায় নন্দকিশোরী রাইস মিল নামে একটি চালকল রয়েছে বিধায়কের (MLA) বাবা বিশ্বনাথ সাহার। তিনি বলেন, রেশন ডিলার হিসেবে মিড ডে মিলের টেন্ডারে আমি আবেদন করেছিলাম। তালিকায় এক নম্বরে নাম ছিল। নিয়ম অনুযায়ী আমারই সেই টেন্ডার পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছেলে ওই টেন্ডার পাওয়ার জন্য আমার কাছেও ঘুষ চেয়েছিল। ঘুষ দিইনি বলে ও আমাকে টেন্ডারটি দেয়নি। অন্যজনের কাছে থেকে ঘুষ খেয়ে তাকে টেন্ডার পাইয়ে দিয়েছিল। চাকরি করে দেওয়ার জন্য কার কাছে কত টাকা নিয়েছে, আমার জানা নেই। অনেকেই ওর কাছে আসত দেখতাম। কিন্তু, ওর ভয়ে আমি কিছু বলতে পারতাম না। আর যে সামান্য কাজের জন্য বাবার কাছে ঘুষ চায়, সে অন্যের কাছে কাজের জন্য ঘুষ খাবে না, এটা হতে পারে না। আমার গোডাউনে ও অফিস তৈরি করেছিল। আমাকে গোডাউনও ব্যবহার করতে দিত না। আমার ব্যবসার কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিছু বললেই শাসকদলের বিধায়ক (MLA) বলে আমাকে হুমকি দিত। আমাকে মারধর করতে আসত। সিবিআই হানা দেওয়ার এক সপ্তাহ আগেই আমাকে ও হাজতে ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। তৃণমূলের বিধায়ক (MLA) বলে আমি সবসময় ভয়ে থাকতাম। আমি আর ওকে ছেলে বলেই মনে করি না। আমার সঙ্গে আর ওর কোনও সম্পর্ক নেই। নিজের বাবার সঙ্গে যে এই ব্যবহার করতে পারে, সে সকলের সঙ্গে দুর্নীতি করবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই, সিবিআই ওকে গ্রেফতার করায় আমার কিছু মনে হয়নি। কিছুটা হলেও হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share