Tag: Fatigue

Fatigue

  • Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    Tiredness: ‘লাঞ্চ ব্রেক’-এর পরেই কাজে অনীহা! কোন খাবারে দূর হবে দিনভর ক্লান্তি?

    মাধ্যম ডেস্ক: সকাল থেকে একনাগাড়ে কাজ! এনার্জিও ভরপুর। কিন্তু দুপুরের সাময়িক বিরতি সব কিছু বিগড়ে দেয়।‌ লাঞ্চ ব্রেকের পরেই কাজের গতি কমে যায়। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে ঝিমিয়ে থাকতে হয়। কথা বলা বা কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায় না। তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। যার ফলে তাদের কাজের জায়গায় যথেষ্ট ভোগান্তির শিকার হতে হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর অন্যতম কারণ ক্লান্তি! শরীরের পেশি, স্নায়ু এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। আর তার জন্যই কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতিও শ্লথ হয়ে যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের (Food) তালিকায় সামান্য রদবদল পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।‌ দূর করতে পারে দিনভর ক্লান্তি। কিন্তু কী রদবদলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা (Tiredness)?

    সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবার খাওয়ার মাঝে অনেকটা সময় বিরতি থাকলে শরীর বাড়তি ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যায়। সকালের জলখাবার এবং দুপুরে অফিসের লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে অনেকটা বিরতি থাকে। এর ফলে অনেকের শরীর বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তারপরে অনেকটা বেশি‌ পরিমাণ খাবার একসঙ্গে খেয়ে ফেললে কাজের গতি কমে যায়। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ বলেন, নিয়মিত সঙ্গে থাকুক কয়েকটা খেজুর। খেজুর সহজেই খাওয়া যায়, তাই কাজের ফাঁকে একটা খেজুর খেতে বেশি সময় নষ্ট হয় না। লাঞ্চ ব্রেকের আগেই তাই সহজেই খেজুর খাওয়া যায়। আর খেজুরে (Food) থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান রকমের খনিজ পদার্থ। এর ফলে এই খাবার মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে‌ বিশেষ সাহায্য করে। তাই ক্লান্তি বোধ দূর হয়।

    সপ্তাহে দুদিন এক চামচ ঘিয়ের তৈরি খাবার

    শরীর ক্লান্ত (Tiredness) হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২-র অভাব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশির নানান সমস্যাও বাড়ছে। আর তার ফলেই কাজের প্রতি মনোযোগ কমছে। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহ অন্তত দু’দিন এক চামচ ঘি-য়ে তৈরি সবজি লাঞ্চের মেনুতে থাকুক। তাঁরা বলেন, শরীরে ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ১২ সবচেয়ে সহজে পূরণ করে ঘি। তাই অন্তত দুদিন এক চামচ ঘি (Food) শরীরে পৌঁছলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হবে।

    কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি

    তরুণ প্রজন্মের রোগা হওয়ার চাহিদা এবং তার জন্য অপরিকল্পিত ডায়েট ক্লান্তি বোধ (Tiredness) আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সারাদিন সম্পূর্ণ কার্বোহাইড্রেট মুক্ত খাবার খাচ্ছেন। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান‌ হচ্ছে না। তার ফলেই ক্লান্তি বোধ বাড়ছে। মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকছে না। তাঁদের পরামর্শ, লাঞ্চে কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের ব্যালান্স ডায়েট জরুরি। রুটি, ডাল, সবজি জাতীয় খাবার (Food), তার সঙ্গে সামান্য ফল থাকলে শরীর এনার্জি সহজেই পাবে। এতে ক্লান্তি বোধ কমবে।

    পর্যাপ্ত জল জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে ক্লান্তি বোধ গ্রাস করে জলের ঘাটতি হলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই বাইরে থাকলে খুব কম পরিমাণে জল খান (Food)। এর ফলে খাবার খাওয়ার পরেই শরীরের বিভিন্ন পেশির সক্রিয়তা আরও কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় থাকে। তখন ক্লান্তি (Tiredness) বোধ কম হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Excess work: সপ্তাহে কত ঘণ্টা কাজ করেন? অতিরিক্ত কাজের চাপ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে?

    Excess work: সপ্তাহে কত ঘণ্টা কাজ করেন? অতিরিক্ত কাজের চাপ শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অফিস নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয়। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা মেপে শেষ হয় কি? বর্তমানে অধিকাংশ পেশাতেই বাড়ছে কাজের চাপ (Excess work)! বিশেষত বহুজাতিক সংস্থার কর্মীদের কাজের সময়সীমা নিয়ে অনেক সময়েই নানান বিতর্ক তৈরি হয়েছে! অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা কিংবা ভারত, সব দেশেই কর্মীরা কতক্ষণ কাজ করবেন, ছুটির পরেও অফিসকর্তার ফোন ধরবেন কিনা, শনিবার-রবিবার ছুটি পাবেন কিনা, এই সব নিয়ে নানান বিতর্ক চলছেই। আর এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক সাম্প্রতিক রিপোর্ট বিতর্ক আরও উস্কে দিয়েছে।

    কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নয়া রিপোর্ট? (Excess work)

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৫ শতাংশ বেড়ে যায়‌। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়ে ১৭ শতাংশ। একই সঙ্গে বাড়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও। অর্থাৎ, প্রতিদিন সাত ঘণ্টার বেশি সময় একটানা কাজ করলে তা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর জেরে শরীরে স্ট্রেস বেড়ে যায় (Pressure)। এছাড়াও একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। এমনকী অতিরিক্ত কাজের চাপে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও কমতে থাকে।

    কেন অতিরিক্ত কাজ স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত কাজ (Excess work) করলে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তার প্রধান কারণ হল স্ট্রেস। তাঁরা জানাচ্ছেন, একটানা কাজ করলে শরীর থেকে অতিরিক্ত স্ট্রেস হরমোন বের হয়। এর ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বারবার ওঠানামা করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে রক্তবাহী শিরার কার্যক্ষমতা কমে। শরীরে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ হয় না। এর জেরেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। 
    কাজের চাপে অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে‌ খাওয়ার সুযোগ পান না। যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। আর এই কারণেই ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা, কোলেস্টেরলের মতো একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার  ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
    সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করলে স্নায়ুর উপরেও মারাত্মক চাপ (Pressure) পড়ে বলে‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এর প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কে। একটানা স্নায়বিক চাপ নেওয়ার জেরে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে‌। ঠিকমতো বিশ্রাম না পেলেই তা গভীর প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্ক ঠিকমতো কার্যশক্তি পায় না। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Excess work)

    কর্মস্থলের জেরে যাতে স্বাস্থ্যহানি না হয়, সে নিয়ে সচেতনতা জরুরি। কর্মীরা সুস্থ থাকলে তবেই কাজ ঠিকমতো হবে, এই নিয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। দরকার প্রয়োজনীয় কর্মশালা, এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবার ও পেশাগত জীবনের মধ্যে ব্যালান্স হলে তবেই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্য দেখা যাবে। যার ফলে সহজেই শরীরের একাধিক জটিল রোগ আটকানো সহজ হবে। পাশপাশি ঘুমের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। শরীর যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়, সেইভাবেই সারাদিনের রুটিন তৈরি করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hypokalemia: হার্ট বিটের হঠাৎ ওঠা-নামা, পেশিতে খিঁচুনি কীসের লক্ষণ? কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    Hypokalemia: হার্ট বিটের হঠাৎ ওঠা-নামা, পেশিতে খিঁচুনি কীসের লক্ষণ? কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বুকের ভিতরে হঠাৎ ধড়ফড় করে ওঠে। হৃদস্পন্দন ওঠানামা করতে শুরু করে! আবার কখনও হাতে-পায়ে এক ধরনের অসাড়তা! হাত-পা নাড়াচাড়া করার শক্তিটুকুও থাকছে না। ক্লান্তি গ্রাস করছে শরীরে! অনেকেই এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন। হঠাৎ এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে ভোগান্তি বাড়ে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। বারবার এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে, বুঝতে হবে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি (Hypokalemia) দেখা দিচ্ছে। কারণ, পটাশিয়াম শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মস্তিষ্ক সচল রাখতে, পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিকমতো বজায় রাখতে পটাশিয়াম অত্যন্ত জরুরি। তাই শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি হলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। নির্দিষ্ট শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে পটাশিয়ামের ঘাটতি রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করা যায়। তাই তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে‌। পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে, তা পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জরুরি। তবে শরীরে যাতে পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা না দেয়, সে নিয়ে আগাম সতর্কতা দরকার। তাই খাদ্যতালিকায় সেই মতো নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। কিন্তু কীভাবে পটাশিয়ামের ঘাটতি মিটবে? চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত কিছু খাবার খেলেই শরীরের প্রয়োজনীয় পটাশিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হয়।

    কলা (Hypokalemia)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নিয়মিত একটি কলা খেলেই শরীরে পটাশিয়ামের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, একটি কলায় ৪০০-৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। তাই কলা খেলে শরীর সহজেই পটাশিয়ামের জোগান পায়। বিশেষত শিশুদের নিয়মিত কলা খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শিশুদের শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি তৈরি হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাও বাড়ে।‌ তাই নিয়মিত একটি কলা খেলে অনেকটাই সমস্যা (Potassium Deficiency) কমে।

    ডাব

    ডাব শরীরের পটাশিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, এক কাপ ডাবের জলে প্রায় ১৩ শতাংশ পটাশিয়াম থাকে। তাই নিয়মিত ডাব খেলে পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়। ডাবের জলে থাকে প্রাকৃতিক চিনি। এর জেরে শরীরের প্রত্যেক কোষে সহজেই এনার্জি পৌঁছে যায়। শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতির (Hypokalemia) ঝুঁকিও কমে।

    বিনস

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, ২০০ গ্রাম বিনস নিয়মিত খেলে শরীরের ২১ শতাংশ পটাশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, যাঁরা পটাশিয়ামের ঘাটতির (Potassium Deficiency) সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের নিয়মিত বিনস খাওয়া জরুরি।

    কমলা লেবু (Hypokalemia)

    শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে কমলা লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, একটি কমলা লেবুতে প্রায় ২৩০ গ্রাম পটাশিয়াম থাকে। তাই শরীরের ক্লান্তি দূর করতে, পেশি সবল রাখতে কমলা লেবু অত্যন্ত উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে অপুষ্টি! ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট (UNICEF’s latest report) অনুযায়ী, ভারতে প্রতি চার জনের মধ্যে একজন শিশু অপুষ্টিতে (Malnutrition) ভুগছে। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে অপুষ্টিজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা। পাশপাশি লিভার, পাকস্থলীর নানান রোগের প্রকোপও বাড়ছে। বিশেষত খুব কম বয়স থেকেই তাই নানান স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। শিশুদের বিকাশেও তার প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ছে।

    কেন বাড়ছে অপুষ্টি? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ পরিবারেই ‘কিছু একটা খেয়ে নিলেই হবে’ এই মনোভাব দেখা দিচ্ছে। অনেকেই সুষম আহার কিংবা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। আর তার থেকেই বিপত্তি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবারে অধিকাংশ সময়েই বাইরের চটজলদি খাবার খাওয়া হচ্ছে (Malnutrition)। তরুণ প্রজন্মের একাংশ কলেজে যাওয়ার পরে প্রথম ব্রেকফাস্ট করছে। আবার স্কুল পড়ুয়ার টিফিনেও থাকছে নানা রকমের ভাজা কিংবা প্যাকেটজাত খাবার। এই ধরনের খাবারে অধিকাংশ সময়েই কোনও পুষ্টিগুণ থাকে না। ফলে পেট ভরলেও পুষ্টি পাচ্ছে না‌। এর জেরেই বাড়ছে‌ বিপদ। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই বাইরের নানান প্রিজারভেটিভ খাবারে শিশুরা অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে। নানান মাংসের পদ প্রিজারভেটিভ করে খাওয়ার চল বেড়েছে। এর জেরে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সুষম আহারের ধারণা অধিকাংশ পরিবারেই নেই। তাই শিশুদের মধ্যেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। এর জেরেই স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে।

    কোন বিপদ হতে পারে? (Malnutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন অপুষ্টি শরীরে একাধিক রোগ তৈরি করে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। ফলে নানান সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ে। ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা পক্স, যে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশপাশি বিকাশেও সমস্যা দেখা যায়। মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হয় না‌। সর্বদাই ক্লান্তি অনুভব হয়। এছাড়া, হাড় ও পেশিতেও নানান সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ে নানান রোগ হতে পারে। পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। পাকস্থলী ও লিভারেও অপুষ্টির জন্য নানান রোগ হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের জলখাবার কিংবা রাতের খাবারের সময় নির্দিষ্ট করা সবচেয়ে জরুরি। পুষ্টি সুনিশ্চিত করতে সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস প্রাথমিক শর্ত। সকালের জলখাবার দুধ, ফল কিংবা রুটি থাকা জরুরি। তেলেভাজা খাবার সকালে একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। রাতে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার জেরে পাকস্থলী খালি থাকে। তাই সকালের প্রথম খাবার তেলেভাজা হলে, তা হজমের সমস্যা তৈরি করে‌। দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিকমতো থাকা জরুরি। অর্থাৎ ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল, সবজি এবং মাছের মতো পদ থাকতে হবে (Malnutrition)। শিশু বয়স থেকেই সবজি, ডাল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। না হলে শরীরের সবরকম চাহিদা মিটবে না। রাতের খাবার ন’টা থেকে সাড়ে ন’টার মধ্যে শেষ করা জরুরি। হালকা খাবার যেমন স্ট্রু, তার সঙ্গে রুটি কিংবা ডাল আর সবজি এই জাতীয় খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজেই হজম হবে, এমন খাবার খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি মাছ-মাংসের সঙ্গে সবজি যেন সমান ভাবেই খাওয়া হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। তবেই শরীরে ঠিকমতো পুষ্টি পাবে‌। তেলে ভাজা খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। যা হোক খেয়ে পেট ভরানো নয়। বরং পুষ্টিকর খাবার পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজরদারি জরুরি। তবেই একাধিক রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Summer: ভ্যাপসা গরমে ঘামে নাজেহাল! কোন ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে রাখলে সুস্থ থাকবে শরীর? 

    Summer: ভ্যাপসা গরমে ঘামে নাজেহাল! কোন ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে রাখলে সুস্থ থাকবে শরীর? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে বেড়েছে অস্বস্তি। ঘামের জেরে নাজেহাল হচ্ছেন অনেকেই। ছোট থেকে বড়, সব বয়সিরাই হঠাৎ গরম আর ঘামের জেরে অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের জেরে অনেকেই দুর্বল হয়ে পড়ছেন। কাজ ঠিকমতো করতে পারছেন না। স্কুল যাতায়াত করেই পড়ুয়ারা ক্লান্ত। তার জেরে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া উপাদান নিত্যসঙ্গী করলেই ঘামে নাজেহাল হওয়া (Summer) কমানো যায়। এবার দেখা যাক, ঘাম আর গরমকে হারাতে কোন ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

    মৌরি ভেজানো জল

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে উঠে মৌরি ভেজানো জল অন্তত এক গ্লাস খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, মৌরি শরীর ঠান্ডা রাখে। মৌরি ভেজানো জল এই শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। পাশপাশি জলের চাহিদা মেটাবে। ডিহাইড্রেশনের (Summer) ঝুঁকি কমবে। এই আবহাওয়ায় শরীরে জলের জোগান দেওয়া জরুরি। তাই মৌরি ভেজানো জল বিশেষ উপকারী।

    নিয়মিত এক গ্লাস তরমুজের রস! (Summer)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত এক গ্লাস তরমুজের রস খেলে ঘামের সঙ্গে মোকাবিলা করা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুরা স্কুল থেকে ফেরার পরে অন্তত এক গ্লাস তরমুজের রস দেওয়া দরকার। তরমুজের মতো রসালো ফল শরীরে জলের চাহিদা মেটানোর পাশপাশি ঘামের ক্লান্তি দূর করতেও সক্ষম। কারণ, তরমুজে রয়েছে প্রচুর শর্করা। তাই তরমুজ খেলে সহজেই শরীর এনার্জি ফিরে পায়। ঘামের জেরে শরীরের যে দুর্বলতা তৈরি হয়, তরমুজ তা দূর করতে সক্ষম।

    অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন আপাতত বাদ, পাতে থাকুক সবুজ সব্জি!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হঠাৎ ভ্যাপসা গরমে শরীরে অস্বস্তি বাড়ছে। এর জেরে হজমের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। তাই শরীর সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন আপাতত বন্ধ রাখা জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, মটন কারি, কাতলা কালিয়ার মতো অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার এই আবহাওয়ায় বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে। বরং পটল, পেঁপে, কাঁচকলা, লাউয়ের মতো সবুজ সব্জির তরকারি নিয়মিত খেলে বাড়তি উপকার (Summer)। এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখে। হজম সহজে হয়। ফলে, শরীরে অস্বস্তি কমে। ঘাম কম হয়।

    ইচ্ছেমতো আইসক্রিম আর প্যাকেটজাত নরম পানীয় থাকুক নিয়ন্ত্রণে!

    হঠাৎ অস্বস্তিকর গরমে অনেকেই আরাম পাচ্ছেন আইসক্রিম আর নরম পানীয়তে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর জেরে বিপদ বাড়ছে‌। শ্বাসনালীর উপরের অংশে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এর জেরে কাশি, গলাব্যথা এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে (Summer)। তাই এই আবহাওয়ায় এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Thyroid: শরীরে ক্লান্তি, হাত-পায়ের পেশিতে যন্ত্রণা! সময় থাকতে সতর্ক হয়ে যান

    Thyroid: শরীরে ক্লান্তি, হাত-পায়ের পেশিতে যন্ত্রণা! সময় থাকতে সতর্ক হয়ে যান

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অজান্তেই শরীরে বাসা বাঁধে একাধিক রোগ। যার প্রভাবে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে যায়। কিন্তু একটু সতর্কতাই এড়াতে পারে বড় বিপদ! কিছু ইঙ্গিত স্পষ্ট জানান দেয়। কিন্তু সচেতনতার অভাবে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়ে যায়। তেমনই হল থাইরয়েড (Thyroid)! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, থাইরয়েডের সমস্যা হলে শরীরে তার একাধিক ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়। কিন্তু অসচেতনতার জন্য চিকিৎসা শুরু করতেই অনেক দেরি হয়ে যায়।

    কাদের ঝুঁকি বেশি (Thyroid)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পুরুষ বা নারী, যে কোনও বয়সে, যে কেউ এই সমস্যার (Thyroid) শিকার হতে পারেন। তবে, ভারতে মহিলারা বেশি থাইরয়েডের সমস্যায় ভোগেন। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় বেশি থাইরয়েডের সমস্যায় জর্জরিত। বিশেষত, ৩৫ বছর থেকে ৫০ বছর বয়সি মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি। তবে, খুব কম বয়স থেকেই অনেক মেয়ে এই সমস্যায় জর্জরিত।

    থাইরয়েডের (Thyroid) সমস্যা কী? 

    থাইরয়েড হল মানুষের শরীরে একটি গ্রন্থি। গলার কাছে এই গ্রন্থি (Thyroid) থাকে। এর থেকে হরমোন বেরোয়। যাদের থাইরয়েডের সমস্যা থাকে, তাদের এই গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণ হয়। যার ফলে, দেহের শক্তি দ্রুত ক্ষয় হয়। বিপাক ক্রিয়ায় প্রভাব পড়ে। কোলেস্টেরলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। একাধিক অঙ্গহানির ঝুঁকি তৈরি হয়।

    কীভাবে বুঝবেন থাইরয়েডের (Thyroid) সমস্যা রয়েছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি লক্ষণ স্পষ্ট করে থাইরয়েডের (Thyroid) সমস্যা রয়েছে কিনা। যেমন, শরীরে ক্লান্তি খুব বেশি হবে। থাইরয়েডের সমস্যা হলে যে কোনও কাজ করলে, খুব অল্প সময়েই ক্লান্তি অনুভব হবে। পাশপাশি হাত-পায়ের পেশিতে যন্ত্রণা অনুভব হয়। 
    থাইরয়েডের সমস্যা হলে মহিলাদের ঋতুস্রাব অনিয়মিত হয়। 
    চুল পড়া থাইরয়েডের অন্যতম সমস্যা। অতিরিক্ত চুল পড়লে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। 
    ওজন বৃদ্ধি থাইরয়েডের অন্যতম লক্ষণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া কিংবা মনে রাখার সমস্যাও থাইরয়েডের লক্ষণ বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    তাছাড়া চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ থাইরয়েডের অন্যতম লক্ষণ।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন এই সমস্যার (Thyroid)? 

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, লক্ষণ বুঝলে সতর্ক হতে হবে। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখতে হবে, থাইরয়েডের (Thyroid) মাত্রা কত? অর্থাৎ, দেহে কতখানি অতিরিক্ত থাইরয়েড নিঃসরণ হচ্ছে। সেই মতো চিকিৎসা শুরু করা হবে। 
    তবে, খাবারের ক্ষেত্রে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আয়োডিন যুক্ত খাবার থাইরয়েড মোকাবিলায় সাহায্য করে। তাই পাতে থাকুক নুন। তাছাড়া, ডিম, দুধ, পনির, মাছ নিয়মিত খেলে থাইরয়েডের মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fatigue: কাজে বসলেই আসছে ক্লান্তিভাব? এড়াবেন না! মেনে চলুন এই ৫ পরামর্শ

    Fatigue: কাজে বসলেই আসছে ক্লান্তিভাব? এড়াবেন না! মেনে চলুন এই ৫ পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক :মানুষের শরীরে যে কোনও সময় ক্লান্তি (Fatigue) আসতে পারে। একটানা কোনও একটি কাজ করার পর তাতে একঘেয়েমি চলে এলে শরীরে ক্লান্তিভাব চলে আসে। এছাড়া অনিদ্রা ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলেও শরীরে ক্লান্তি দেখা যায়। ব্যায়াম করলে প্রায়শই ক্লান্তি আসে যদিও পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুমের মাধ্যমে এই ক্লান্তি কেটে যেতে পারে।

    শরীরে ক্লান্তি চলে এলে দৈনন্দিন রুটিনে (Daily Routine) এর প্রভাব পড়ে। তাই স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি কাটাতে খাবারের দিকটি লক্ষ্য রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আয়রনের (Iron) ঘাটতি হলে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে, অ্যাকাডেমিক পারফরম্যান্স খারাপ হয়ে যায়। শর্করা জাতীয় খাদ্যে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকায় এই জাতীয় খাবারে পুষ্টির পরিমাণ কম থাকে। শরীরে কার্যকারিতা বাড়াতে সুষম খাদ্যের প্রয়োজন। আয়রন সহ ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium), জিঙ্ক (Zinc), ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি যুক্ত সুষম খাবার গ্রহণ করলে ক্লান্তি দূর হয়।

    ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরকে উজ্জীবিত রাখার জন্য কিছু সহজ টিপস রয়েছে (Health Tips of beat Fatigue and keep body fit):

    প্রোটিন যুক্ত খাবার (Protein Diet)- দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে প্রোটিন যুক্ত খাবার অবশ্যই রাখা প্রয়োজন। প্রোটিন (Protein) শরীরের স্ট্যামিনাকে ঠিক রাখে। প্রোটিন যুক্ত খাবার শরীরের পেশী গঠনে ও হাড়ের ক্ষয় মেরামতে সহায়তা করে। সেই কারণে খেলোয়াড়েরা প্রোটিন যুক্ত খাবার গ্রহণ করে থাকেন।

    হাইড্রেটিংযুক্ত পানীয় (Hydrating Drinks)- শরীরে পাচন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে হাইড্রেটিংযুক্ত পানীয় গ্রহণ করতে হবে। লেবুজল, ফলের রস বা গরুর দুধের মতো পানীয় গ্রহণ করলে শরীরে ডিহাইড্রেশন (Dehydration) কমে। শরীরে ডিহাইড্রেশন ঘটলে ক্লান্তির বৃদ্ধি ঘটে এমনকি মানুষের চিন্তাশক্তি লোপ পায়। মহিলাদের উপর ডিহাইড্রেশনের প্রভাব সর্বাধিক।

    আরও পড়ুন: কোন কোন খাবারের যুগলবন্দী শরীরে পুষ্টি শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়? জেনে নিন

    কফি খাওয়া কমাতে হবে (Reduce Coffee Intake)-  কফি প্রেমীরা এই পরামর্শটি মানতে অবশ্যই নারাজ। সকলের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে কফি খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। কফি খেলে সাময়িকভাবে শরীরে উদ্দীপনা এলেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষেত্রে শরীরে ক্লান্তি ভাব দেখা যায়। কফি বেশি পান করলে অনিদ্রার মতো রোগ দেখা যায়। তাই এক কাপ কফি খেলে দুই কাপ জল খেতে হবে।

    অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকতে হবে (Stay away from Alcohol)- অ্যালকোহল (Alcohol) শরীরে এনার্জির মাত্রা শেষ করে দিতে পারে। শরীরে ডিহাইড্রেশনের সৃষ্টি করে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অ্যালকোহল শরীরে এপিনেফ্রিনের মাত্রারও বৃদ্ধি ঘটায় ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

    সুষম আহার গ্রহণ (Balanced Food)- বাজারের ফাস্টফুড (Fast Food) থেকে দূরে থাকতে হবে। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নিয়ে শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যগ্রহণ করা উচিত।

    সুষম ডায়েটের (Balanced Diet) পাশাপাশি শারীরিক কসরত করাও প্রয়োজন। স্থুলকায় ব্যক্তিদের দৈনিক ১০ মিনিট হাটাচলা করা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্লান্তি শব্দটি সকলের কাছেই আলাদা। অর্থাৎ, অনেকেই মনে করেন ক্লান্তি মানে পেশী দুর্বল হয়ে যাওয়া। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ক্লান্তি অর্থাৎ মানসিক চাপ, কিংবা কোনও একধরনের অস্বস্তি। অনেক সময় বহুদিন নড়াচড়া না করলেও শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।  যে কোনও ভাইরাল ইনফেকশনের পর ক্লান্ত লাগা খুবই সাধারণ সমস্যা। আর করোনা পরবর্তী সময়ে (Post covid syndrom)প্রায় সকলেই ক্লান্তি অনুভব করেছেন। ভাইরাসের বিরুদ্ধে যখন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) লড়াই করতে থাকে, তখন থেকেই শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। শরীরে ভাইরাসের প্রভাব কমে গেলে বেশি দুর্বল লাগে। প্যান্ডামিকের (pandemic)শুরু থেকেই মানুষ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছেন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কম করে ৮৫% মানুষ ক্লান্তির সমস্যায় ভুগছেন। এটি কিন্তু দীর্ঘ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে দীর্ঘদিন ক্লান্তিভাব থাকলে তা চিন্তা বাড়িয়ে তোলে। মনে হতেই পারে, হাজার বিশ্রাম নিয়েও শরীর ভাল হচ্ছে না তাহলে করণীয়। মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম। সেরে উঠবেন সহজেই। 

    বেশি করে জলপান করুন
    করোনায় শরীর শুকিয়ে যায়। তাই বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সঙ্গে ফলের রস, দইয়ের ঘোল জাতীয় পানীয়ও গ্রহণ করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। 

    প্রোটিন জাতীয় খাবার খান
    ক্লান্তি দূর করতে প্রোটিন (protin) জাতীয় খাবার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ ও প্রাণীজ, দু’ ধরনের প্রোটিনই রাখুন। প্রাতঃরাশের সময় ডিম খান। মাছ, কিংবা মাংস খান একবেলা। লাঞ্চ ও ডিনারে ১ বাটি করে ডাল খেতে পারেন। সঙ্গে সয়াবিন, পনির, দুধ থাকুক খাদ্যতালিকায়। 

    নিয়মিত ফল খান
    ভিটামিন সি-যুক্ত ফল লেবু, আপেল, কলা, বাদাম  প্রতিদিন খান। মরসুমি ফল খুবই উপকারী। ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    বিশ্রাম নিন
    করোনা নেগেটিভ মানেই আপনি পুরোপুরি সুস্থ এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং, সেরে উঠতে অনেকেরই মাসখানেক লেগে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিন। পারলে বাড়ি থেকে কাজ করুন। নিজের যত্ন নিন। এই সময় খুব বেশি শরীরচর্চা না করাই ভালো।  হালকা যোগাসন (yoga), ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।  ঘুমের দিকে অবশ্যই নজর দেওয়া দরকার। একেবারে ক্লান্ত লাগলে ঘুম নিয়ে কার্পণ্য করবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সমস্যা বাড়তে পারে। তবে আবার দীর্ঘদিন নিজেকে অসুস্থ ভেবে ভয় পাবেন না। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করুন। নিজের গতিশীলতা বাড়ান। অল্প অল্প করে বাইরে যান। সকলের সঙ্গে মিশুন। দ্রুত সরে উঠবেন। 

    মন ভালো রাখুন
    অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠে অবসাদে ভুগছেন। আসলে অনেকের মনে করোনা নিয়ে একটা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।  তাই এসময়ে মন ভালো রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। গান শোনা, বই পড়া, সিনেমা দেখা যা ভাল লাগে করুন।

LinkedIn
Share