Tag: fc goa

fc goa

  • ISL 2023-24: অপরাজিত গোয়াকে হারিয়ে আইএসএল-এ তিন নম্বরে মোহনবাগান

    ISL 2023-24: অপরাজিত গোয়াকে হারিয়ে আইএসএল-এ তিন নম্বরে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) জয়ের নৌকা এগিয়ে চলেছে। বুধবার, গোয়ার মাঠেই চলতি আইএসএল-এ (ISL 2023-24) অপরাজিত গোয়াকে হারায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় সবুজ-মেরুন। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল কলকাতার শতাব্দী প্রাচীন দলটি। 

    সুযোগ সন্ধানী পেত্রোতাস

    আইএসএলে (ISL 2023-24) প্রথম বার হারল এফসি গোয়া। ১২টি ম্যাচের মধ্যে আটটি জিতেছিল। ড্র করেছিল দু’টিতে।  বুধবার মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের (Mohun Bagan Super Giant) বিরুদ্ধে হেরে যায় তারা। খেলার ৭৪ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেই গোলেই জয় সবুজ মেরুনের। পেত্রাতোসের গোলটা যদিও হয় গোয়ার রক্ষণের ক্ষণিকের ভুলে। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে পেত্রাতোসের পায়ে তুলে দেন গোয়ার গোলরক্ষক। সুযোগ কাজে লাগান মোহনবাগানের সুযোগ সন্ধানী স্ট্রাইকার। ম্যাচের শুরুর দিকে চাপ তৈরি করছিল গোয়া। মোহনবাগান রক্ষণে বার বার আক্রমণ করছিলেন কার্লোস মার্তিনেসেরা। কিন্তু সেই আক্রমণ বার বার ধাক্কা খাচ্ছিল শুভাশিস বসুদের রক্ষণে। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলহীন ভাবেই। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা পাল্টে যায় খেলা। আক্রমণের ঝাঁঝ বৃদ্ধি করে মোহনবাগান। জয়সূচক গোল ও পায় তারা।

    লিগ টেবিলে কে কোথায়

    আইএসএলে (ISL 2023-24) মোট ১২টি দল খেলে। লিগে প্রতিটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে দু’টি করে ম্যাচ খেলবে। একটি নিজেদের মাঠে, অন্যটি প্রতিপক্ষের মাঠে। অর্থাৎ প্রতিটি দল ২২টি করে ম্যাচ খেলবে। মোহনবাগান খেলেছে ১৩টি ম্যাচ। ফলে এখনও লিগের অনেক খেলাই বাকি। ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবাগান রয়েছে তিন নম্বরে। শীর্ষে থাকা ওড়িশার ১৫ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে এফসি গোয়া। ১৩ ম্যাচে পেয়েছে ২৮ পয়েন্ট। ইস্টবেঙ্গল রয়েছে দশম স্থানে। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট তাদের। আইএসএলে টানা ছ’টি ম্যাচে জয়হীন লাল-হলুদ ব্রিগেড। শনিবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান খেলবে নর্থইস্ট এফসি-র বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে ১২ বছর পর  ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সুপার কাপের ফাইনালে ৩-২ গোলে ওড়িশার বিপক্ষে জয়লাভ করে লাল-হলুদ শিবির। মশাল জ্বলে সমর্থকদের ঘরে ঘরে। ওডিশার হয়ে গোল করলেন দিয়েগো মরিশিও এবং জাহু। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন নন্দকুমার এবং সাউল ক্রেসপো এবং অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।

    কোচের পছন্দে নতুন প্লেয়ার

    ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতার দিনেই লাল-হলুদ থেকে সরে যাওয়া নিশ্চিত হল বোরহা হেরেরার। ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে এফসি গোয়া দলে যোগ দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্প্যানিশ বোরহার বদলে আর এক স্প্যানিশ ফুটবলারকে সই করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। গত বছর তিনি খেলেছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস), যে লিগে এখন খেলেন লিয়োনেল মেসি, লুই সুয়ারেসরা। বোরহার মতোই তিনি মিডফিল্ডার। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত এই ফুটবলারকে বেছে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    রবিবার সুপার কাপের ফাইনাল ম্যাচে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন দিয়েগো মরিশিয়ো। প্রথমার্ধে ওড়িশা ১-০ গোলে লিড নিয়ে নেয়। ৫২ মিনিটে ম্য়াচে সমতা ফেরান নন্দকুমার। মহেশ তাঁর দিকে গোল করার জন্য বলটা একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

    ৬২ মিনিটে ম্যাচের স্কোর কার্ড ২-১ করে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বোরহাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ফাউল করে মোর্তাদা ফল। সেকারণে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিন্দুমাত্র ভুল করলেন না সাউল ক্রেসপো। ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পেনাল্টি পায় ওড়িশা। সমতা ফেরান জাহু। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অবশেষে ১১০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেইটন সিলভা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ফের মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। সৌজন্যে কলকাতা ডার্বি (Durand Cup)। ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদ। বৃহস্পতিবার গোয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ওঠে মোহনবাগান। এদিন শুরুতে এক গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয় বাগান। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল ১-১। মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন জেসন কামিন্স ও আর্মান্দো সাদিকু। আর গোয়ার হয়ে গোলটি করেন নোহা। এদিকে, আগের সেমিফাইনালে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণেই রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

    আক্রমনাত্মক গোয়া

    এদিন শুরুর দিকে এফসি গোয়াকে আক্রমনাত্মক খেলতে (Durand Cup) দিলেও, ম্যাচ ধরে খেলার দিকে নজর দেয় বাগান। তাই জাঁকিয়ে বসার চেষ্টা করে গোয়া। ১০ মিনিটে একাধিকবার বাগানের সুপার জায়ান্টসের বক্সে ঢুকে যায় গোয়া। মাঝমাঠের দখলও নিয়ে নেয় তারা। ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় আক্রমণ শুরু করে মোহনবাগান। যদিও গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়লেও, গোল করতে পারেনি। ১৬ মিনিটের মাথায় ফের আক্রমণ। অবশ্য গোল পায়নি বাগানি সেনারা। ২৩ মিনিটের মাথায় গোল করেন গোয়ার নোহা। ১ গোলে এগিয়ে যায় গোয়া।

    ঝড় তোলে মোহনবাগান

    তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মোহানবাগান। তার আগে অবশ্য ৪২ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় বাগান। বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেন সাহাল আবদুল সামাদ। তাঁকে ফাউল করেন গোয়ার ডিফেন্ডার। সাদা চোখে মনে হচ্ছিল ফাউল (Durand Cup) হয়েছে বক্সের বাইরে। গোয়ার ফুটবলাররাও সেই দাবি জানান লাইন্সম্যান ও রেফারির কাছে। কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেন। স্পট থেকে গোল করেন কামিংস। ১-১ গোলে বিরতিতে যায় দু দল।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    দ্বিতীয়ার্ধে হুগো বোমাসকে তুলে নামানো হয় সাদিকুকে। নেমেই বাজিমাত করেন তিনি। ৬২ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি। খেলা শেষের দিকে বক্স থেকে বক্সে খেলা হচ্ছিল। গোল শোধ করে সমতা আনার মরিয়া চেষ্টা করছিল গোয়া। ডিফেন্স করছিল বাগানি সেনারা। শেষতক আর গোল করতে পারেনি গোয়া। ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share