Tag: fcra

fcra

  • Congress: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করবে কংগ্রেস, জানালেন খাড়গে

    Congress: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করবে কংগ্রেস, জানালেন খাড়গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলের তীব্র বিরোধিতা করবে কংগ্রেস (Congress)। সোমবার বিরোধী দলগুলির সংসদীয় দলনেতাদের বৈঠকে বিলটি নিয়ে কৌশল নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। শনিবার উত্তরাখণ্ডের হালদোয়ানির (FCRA Bill) এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। পরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাড়গে জানান, আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের কর্মীদের চাঙা করতেই তাঁর উত্তরাখণ্ড সফর। রাজ্য সফরের সময় তিনি এদিন রুদ্রপুরে নবনিযুক্ত রাজ্য ও জেলা সভাপতিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

    বিলের বিরোধিতা করব! (Congress)

    সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ সপ্তাহে লোকসভায় বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলটি পেশ হতে পারে বলে খবর। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা খাড়গে বলেন, “আমরা বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংক্রান্ত এই উদ্যোগের বিরোধিতা করব। আগামীকাল সংসদীয় দলনেতাদের বৈঠকের পরে আমরা কৌশল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেব।” উত্তরাখণ্ডে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কংগ্রেস কর্মীরা কাজ করছেন বলেও দাবি করেন খাড়গে। দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করতে তাঁর নিয়মিত রাজ্য সফরের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সভাপতি। প্রতিদিন এখানে আসা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, কিন্তু আমাদের বাহিনী এখানে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি কি প্রতিদিন এখানে আসেন? অমিত শাহ কি এখানে আসেন? নাড্ডা, যিনি এই অঞ্চল থেকেই এসেছেন, তিনিও কি এখানে আসেন? নতুন বিজেপি সভাপতিও কি এখানে আসেন?”

    সরকার বিল চাপিয়ে দিতে পারে না

    তিনি এও বলেন, “দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করার প্রয়োজন হলে আমরা তখনই এবং সেখানেই যাই। তার অর্থ এই নয় যে পর্যটকের মতো এসে শুধু চলে যাই।” বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিলের বিরোধিতা ইতিমধ্যেই একাধিক বিরোধী দল করেছে। কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল শুক্রবার জানিয়েছিলেন, দল এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করবে। তাঁর কথায়, “সরকার এই ধরনের বিল জোর করে চাপিয়ে দিতে পারে না।” ২০১০ সালের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের লক্ষ্যে বিলটি আনা হচ্ছে। বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোই এই সংশোধনের ঘোষিত উদ্দেশ্য।

    বিল নিয়ে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    এদিকে, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিক সুপারিশ এবং আঞ্চলিক উদ্বেগ তুলে ধরেন। পরে লালদুহোমা জানান, শাহের কাছে তিনি ছ’টি বিষয় উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে যে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, তা হল এই আইন অতীত থেকে কার্যকর হবে না। আমাদের সেই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বাকি বিষয়গুলিতে তিনি অনুচ্ছেদ ধরে মন্তব্য করবেন এবং চলতি মাসের ১২ তারিখ থেকে সংসদে আলোচনা শুরু করবেন (Congress)।” বিলের কয়েকটি বিধানের বিরোধিতা করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সংসদে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ।

    বিল প্রত্যাহারের দাবি

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমের সভাপতি এমকে স্টালিনও শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে ২০১০ সালের ওই আইনের ১৫ নম্বর ধারা বাতিলের দাবিও জানান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় স্টালিন জানান, সংখ্যালঘুদের যৌথ কর্মসূচি মঞ্চের একটি প্রতিনিধিদল ৬ আগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দ্রাবিড় মুনেত্র কড়গমের রাজ্যসভার সাংসদ পি উইলসন। বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারাও ওই দলে ছিলেন। শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টিও এই বিলের বিরোধিতা করেছে।

    আত্মবিশ্বাসী খাড়গে

    এদিকে, শনিবার হালদোয়ানির জনসভায় খাড়গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস সরকার গঠন করবে (FCRA Bill)। দিল্লিতে প্রতিবাদী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশের দমন-পীড়ন নিয়েও বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডে মন্দিরের অনুদান, বেকারত্ব, নিয়োগ পরীক্ষা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো বিষয় নিয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন খাড়গে (Congress)।

     

  • FCRA Bill: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা, কড়া জবাব ভারতের

    FCRA Bill: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা, কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত সংশোধনী আইন (FCRA Bill) নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুরের সমালোচনা (US) খারিজ করে দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আইন প্রণয়ন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। একই সঙ্গে মন্ত্রকের বক্তব্য, বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের একাধিক দেশের নিজস্ব আইন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আমেরিকাও। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতে আইন প্রণয়নের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই দেশের অভ্যন্তরীণ আইনকে তার যথাযথ সাংবিধানিক ও আইনি প্রেক্ষাপটে বিচার করা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিজেদের আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠনের কাছে বিদেশি অনুদানের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। আমেরিকায়ও বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য নিজস্ব আইন রয়েছে।”

    গির্জার নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে যেতে পারে, দাবি মুরের (FCRA Bill)

    গত ৪ অগস্ট এক বিবৃতিতে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুর দাবি করেছিলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হলে ভারতের সরকার গির্জা এবং ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। বিশেষ করে কোনও প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে নিবন্ধন বাতিল হয়ে গেলে অথবা তার পুনর্নবীকরণ না হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। মুরের অভিযোগ, এই ধরনের বিধান খ্রিস্টান সংগঠনগুলির ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই ভারত সরকারকে প্রস্তাবিত আইনটি পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানান তিনি। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, এই সংশোধনী ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    কী রয়েছে প্রস্তাবিত সংশোধনীতে?

    প্রস্তাবিত বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে ২০১০ সালের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। ভারতে ব্যক্তি, সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যবহারের বিষয়টি এই আইনের আওতায় নিয়ন্ত্রিত হয়। বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, নিরাপত্তা, জনস্বার্থ বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যাতে কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করাই এই আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, কোনও প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান গ্রহণের নিবন্ধন বাতিল হলে, প্রতিষ্ঠানটি স্বেচ্ছায় তা সমর্পণ করলে অথবা নিবন্ধনের মেয়াদ পুনর্নবীকরণ না হলে, সরকার মনোনীত কোনও কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদ পরিচালনা করতে পারবে (FCRA Bill)। তবে উপাসনাস্থল বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওই সম্পদ পরিচালনার সময় তাদের ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

    সম্পদ সুরক্ষাই উদ্দেশ্য, দাবি কেন্দ্রের

    কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, প্রস্তাবিত সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হল বিদেশি অনুদানের মাধ্যমে তৈরি জনসম্পদ সুরক্ষিত রাখা এবং বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের চলমান দাতব্য কার্যক্রম যাতে আইন মেনে পরিচালিত হয়, তা নিশ্চিত করা (FCRA Bill)। সরকারের মতে, কোনও প্রতিষ্ঠান বিদেশি অনুদান গ্রহণের যোগ্যতা হারালে তার সম্পদ ও কার্যক্রম যাতে অনিয়মের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্যই এই পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সুষ্ঠু প্রশাসন নিশ্চিত করাও সংশোধনীর অন্যতম লক্ষ্য (US)। তবে প্রস্তাবিত আইন নিয়ে দেশের রাজনৈতিক মহল এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, এর ফলে বিদেশি অনুদান গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর সরকারের নজরদারির পরিধি আরও বাড়বে। রাইলি মুরের মন্তব্যের পর বিদেশমন্ত্রকের এই বক্তব্যই বিষয়টি নিয়ে ভারতের প্রথম সরকারি প্রতিক্রিয়া। মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আইন প্রণয়ন ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিষয় (US) এবং প্রস্তাবিত সংশোধনীকে দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনি কাঠামোর পরিপ্রেক্ষিতেই বিচার করা উচিত (FCRA Bill)।

     

  • FCRA Bill: ১২ অগাস্ট সংসদে উঠছে বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল! কী কী প্রস্তাব রয়েছে নয়া বিলে?

    FCRA Bill: ১২ অগাস্ট সংসদে উঠছে বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল! কী কী প্রস্তাব রয়েছে নয়া বিলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুল আলোচিত বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৬ (FCRA Amendment Bill, 2026) আগামী ১২ অগাস্ট সংসদে আলোচনা ও পাসের জন্য তোলা হবে। তবে বিলটি পূর্ববর্তী সময় (Retrospective Effect) থেকে কার্যকর করা হবে না বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আশ্বাস দিয়েছেন। সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা। মিজোরামের বিভিন্ন চার্চ সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা। বৈঠকে তাঁরা প্রস্তাবিত এফসিআরএ সংশোধনী বিল নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। লালদুহোমা বলেন, “আমরা নতুন এফসিআরএ বিল নিয়ে আমাদের আশঙ্কার কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, এই বিল অতীত থেকে কার্যকর হবে না।” তিনি আরও জানান, অমিত শাহ তাঁদের বলেছেন যে ১২ অগাস্ট সংসদে বিলটি নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, বিলটি চলতি বছরের ২৫ মার্চ লোকসভায় উত্থাপিত হয়েছিল।

    বিলে কী কী প্রস্তাব রয়েছে

    প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলে বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলির ওপর নজরদারি আরও কঠোর করার প্রস্তাব রয়েছে। বিল অনুযায়ী, যে সংস্থার এফসিআরএ লাইসেন্স বাতিল হবে, স্বেচ্ছায় জমা দেবে বা মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, তাদের বিদেশি অনুদান এবং সেই অর্থে তৈরি সম্পদ প্রথমে একটি ‘ডিজাইনেটেড অথরিটি’-র অধীনে অস্থায়ীভাবে ন্যস্ত হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থা নতুন লাইসেন্স না পায় বা লাইসেন্স পুনর্বহাল না হয়, তাহলে সেই সম্পদ ও বিদেশি অনুদান স্থায়ীভাবে ওই কর্তৃপক্ষের অধীনে চলে যাবে।

    প্রতি বছর হিসেব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক

    বিদেশি অনুদান (এফসিআরএ) সংক্রান্ত নিয়ম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে নতুন সংশোধনী এনেছে কেন্দ্র। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিদেশি অনুদান গ্রহণে কোনও নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং সেই অর্থ কোথা থেকে এল, কীভাবে খরচ হল এবং তার হিসেব যাতে স্পষ্ট থাকে, সেটাই এই আইনের মূল উদ্দেশ্য। কেন্দ্রের দাবি, বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে হলে সংস্থাগুলিকে এফসিআরএ-র অধীনে নিবন্ধন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান নিতে হবে। প্রতি বছর নিরীক্ষিত হিসেব জমা দেওয়াও বাধ্যতামূলক।

    বিস্তারিত তথ্য, ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে

    ২০২৬ সালের সংশোধনীতে বলা হয়েছে, কোনও সংস্থা কোন ধরনের কাজ করবে এবং কোন রাজ্যে কাজ করবে, তা আগে থেকেই জানাতে হবে। নিবন্ধন নবীকরণের জন্য গত দুই বছরে অন্তত ১০ লক্ষ টাকা প্রকল্পে খরচের প্রমাণ দেখাতে হবে। পাশাপাশি, প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য, ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যও প্রকাশ করতে হবে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই সংশোধনের লক্ষ্য বিদেশি অনুদানের অপব্যবহার রোধ করা, জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখা এবং প্রকৃত জনকল্যাণমূলক কাজকে আরও স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা। সরকারের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ বহু দেশেও বিদেশি অর্থায়নের ক্ষেত্রে একই ধরনের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা রয়েছে।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু আচার, ধর্মান্তর, হিংসায় বিপন্ন হিন্দুরা, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু আচার, ধর্মান্তর, হিংসায় বিপন্ন হিন্দুরা, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। আসুন, ৫ থেকে ১১ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা (Hindus Under Attack)

    পুনের ঐতিহাসিক মহাত্মা ফুলে ওয়াড়ায় বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ মেধা কুলকার্নির ঐতিহ্যবাহী বট পূর্ণিমার আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তথাকথিত প্রগতিশীল মহলের একাংশের সমালোচনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, ইতিহাস ও জাতিভিত্তিক বিভাজনের প্রসঙ্গ তুলে হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলায় জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগকে ঘিরে দুটি পৃথক মামলার জেরে উত্তেজনা বেড়েছে। প্রথম মামলাটি জুনের শুরুতে এক বিশিষ্ট ওষুধ ব্যবসায়ীর ছেলেকে কেন্দ্র করে দায়ের হয়। দ্বিতীয় ঘটনাটি সামনে আসে জুলাইয়ের শুরুতে, যেখানে একটি রাজপুত পরিবার তাদের ৩৫ বিঘা পৈতৃক জমি দখলের হুমকি এবং ধর্মান্তরের চাপের অভিযোগ তোলে। উভয় ক্ষেত্রেই পরিবারের সদস্যরা বাঘরার যোগ সাধনা আশ্রমের প্রধান স্বামী যশবীর মহারাজের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি পুলিশি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে প্রয়োজনে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

    কৃষি উৎসবকে কেন্দ্র করে হিংসা

    কর্নাটকের হাভেরি জেলার হাঙ্গাল তালুকের নরেগাল গ্রামে শতাব্দীপ্রাচীন সনাতনী কৃষি উৎসব কারা হুন্নিমে উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, একটি বিবাদকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ইসলামি সম্প্রদায়ের একদল দুষ্কৃতী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী হিন্দুদের ওপর বিনা প্ররোচনায় হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় অন্তত আটজন জখম হন, যাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কর্নাটকেরই বেঙ্গালুরুর জিগানিতে একটি ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বছর তিরিশের অক্ষতা ইন্দরাগির দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বাড়িটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের সঙ্গী জনৈক নানা সাব এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। তাঁর খোঁজে চলছে তল্লাশি। কর্নাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের কেশর আমদানি এবং তিলক পরার রীতি নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে (Hindus Under Attack) বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন, বিশ্বের অধিকাংশ কেশর ইসলামি দেশগুলি থেকে আমদানি হয়, তাই হিন্দুদের তিলক পরা বন্ধ করা উচিত। সমালোচকদের মতে, অধিকাংশ হিন্দুই দৈনন্দিন তিলকের জন্য বিশুদ্ধ কেশর ব্যবহার করেন না, ফলে তাঁর বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    এদিকে, বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় নিবন্ধন থাকলেই আর বিদেশি অর্থ নেওয়া সাধারণ অনুমতি হিসেবে গণ্য হবে না। এখন থেকে বিদেশি অনুদানের উদ্দেশ্য, অর্থের প্রকৃত ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ নজর রাখা হবে। নিয়ম না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থপুষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের একাংশ আপত্তি জানিয়েছে (Roundup Week)। একই সঙ্গে ধর্মান্তর, রাজনৈতিক প্রচার এবং আন্দোলনে বিদেশি অর্থ ব্যবহারের ওপর সরকারের কড়াকড়িও চর্চায় এসেছে। চেন্নাইয়ের তাম্বরমে বছর ছাপ্পান্নর মহম্মদ ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়েছে বছর বারোর এক নাবালিকাকে টানা চার মাস ধরে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগে। নির্যাতিতার বাবা তাঁরই গুদামের কর্মী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে শিশু সুরক্ষা এবং অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে (Hindus Under Attack)।

    বহির্বিশ্বের ছবি

    বহির্বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা ভিন্ন নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু আমেরিকানদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারের অভিযোগে আবারও আলোচনায় এসেছেন স্বঘোষিত সাংবাদিক পিটার ফ্রিডরিখ। অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তিনি আমেরিকার বিভিন্ন শহরে ঘুরে সিটি কাউন্সিল-সহ বিভিন্ন জনমঞ্চে হিন্দু সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন। আটলান্টা, পালো অল্টো-সহ একাধিক শহরে তাঁর বক্তব্যের টার্গেট হয়েছে হিন্দুদের বিভিন্ন সংগঠন, যার মধ্যে কোয়ালিশন অব হিন্দুস অব নর্থ আমেরিকাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির দাবি, তাঁর অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন এবং হিন্দু সমাজের কণ্ঠরোধের উদ্দেশ্যেই এই প্রচার চালানো হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে। সব মিলিয়ে, তামাম বিশ্বে (Hindus Under Attack) খুব একটা সুখে নেই হিন্দুরা।

     

  • FCRA 2026: বিদেশি অনুদানে ধর্মান্তরণে নিষেধাজ্ঞা, এনজিওগুলির উপর নজরদারি আরও কড়া করল কেন্দ্র

    FCRA 2026: বিদেশি অনুদানে ধর্মান্তরণে নিষেধাজ্ঞা, এনজিওগুলির উপর নজরদারি আরও কড়া করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি অনুদানের ব্যবহার নিয়ে নজরদারি আরও কঠোর করতে বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন (FCRA)-এর অধীনে নতুন সংশোধিত বিধি জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা এই নতুন নিয়মে প্রথমবার স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বিদেশি অনুদান কোনওভাবেই ধর্মান্তরণ-সংক্রান্ত কার্যকলাপে ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য বিদেশি অনুদানের ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জাতীয় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, কিছু বিদেশি অর্থপুষ্ট বেসরকারি সংস্থা (NGO), ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং মিশনারি সংগঠন সমাজসেবা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার আড়ালে ধর্মান্তরণের কাজে বিদেশি অনুদান ব্যবহার করছে। বিভিন্ন তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের পর কেন্দ্র এফসিআরএ-র নিয়ম আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এফসিআরএ (FCRA)-র ইতিহাস

    বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন (Foreign Contribution (Regulation) Act) প্রথম চালু হয় ১৯৭৬ সালে। উদ্দেশ্য ছিল, বিদেশি অর্থ যাতে দেশের রাজনীতি, সামাজিক কাঠামো বা জাতীয় স্বার্থকে প্রভাবিত করতে না পারে। ২০১০ সালে আইনটি সংশোধিত হয়। এরপর ২০২০ এবং ২০২৬ সালে আরও গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনা হয়েছে। বর্তমানে বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে নিবন্ধন করতে হয়। এই নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং পরে তা নবীকরণ করতে হয়।

    নিবন্ধনের সময় জানাতে হবে উদ্দেশ্য ও কাজের ক্ষেত্র

    সেবা ইন্টারন্যাশনালের জাতীয় কোষাধ্যক্ষ রাকেশ মিত্তলের দাবি, নতুন সংশোধনের ফলে বিদেশি অনুদান গ্রহণকারী সংস্থাগুলির কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হবে। এখন থেকে নিবন্ধন বা নবীকরণের আবেদন করার সময় সংস্থাকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে কোন উদ্দেশ্যে বিদেশি অনুদান নেওয়া হচ্ছে এবং কোন রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সেই অর্থ ব্যয় করা হবে। যেসব সংস্থার ইতিমধ্যেই এফসিআরএ নিবন্ধন রয়েছে, তাদেরও এক বছরের মধ্যে নিজেদের ঘোষিত উদ্দেশ্য নতুন নিয়ম অনুযায়ী হালনাগাদ করে কেন্দ্রকে জানাতে হবে।

    পাঁচটি প্রধান বিভাগে ভাগ করা হয়েছে কার্যক্রম

    সংশোধিত নিয়মে বিদেশি অনুদানে পরিচালিত কার্যক্রমকে পাঁচটি প্রধান বিভাগে ভাগ করা হয়েছে— ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, শিক্ষামূলক, অর্থনৈতিক। এর অধীনে একাধিক উপ-বিভাগও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষামূলক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ২২টি উপ-শ্রেণি রাখা হয়েছে। তবে সংবিধান, মৌলিক অধিকার, মৌলিক কর্তব্য ও নাগরিক সচেতনতা সংক্রান্ত কর্মসূচি পরিচালনা করতে হলে তা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক হতে হবে। সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ১৮টি উপ-শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় ঐতিহ্যভিত্তিক সমকালীন শিল্পকলার প্রসারের অনুমতি থাকলেও রাজনৈতিক বা মতাদর্শভিত্তিক বিষয়বস্তু নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ধর্মীয় কার্যক্রমে ধর্মান্তরণে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা

    নতুন সংশোধনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ধর্মীয় কার্যক্রমের স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা, সৎসঙ্গ, ধর্মীয় আলোচনা, ধ্যান শিবির, ধর্মীয় সাহিত্য প্রকাশ, উপাসনালয় নির্মাণ এবং তীর্থযাত্রীদের সুবিধা প্রদানের মতো কার্যক্রমের অনুমতি থাকলেও, নিয়মে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধর্মান্তরণ-সংক্রান্ত কোনও কার্যকলাপ বিদেশি অনুদানে করা যাবে না।

    বিদেশি নাগরিক থাকলে নিবন্ধনে কড়াকড়ি

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে বিদেশি নাগরিক থাকলে সাধারণভাবে সেই সংস্থাকে এফসিআরএ নিবন্ধন দেওয়া হবে না। এছাড়া বিদেশি অনুদানের পরবর্তী কিস্তি পাওয়ার আগে আগের প্রাপ্ত অর্থের অন্তত ৭৫ শতাংশ নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ব্যয় হয়েছে বলে দেখাতে হবে। সংস্থাগুলিকে তাদের ওয়েবসাইট, সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট, প্রকাশনা এবং ট্রাস্টি, পরিচালক, অংশীদার ও অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের তথ্যও সরকারকে জানাতে হবে। ফলে পরিচালনাকারী ব্যক্তিদের আইনগত জবাবদিহিও বাড়বে।

    সরকারের লক্ষ্য কী?

    সেবা ভারতীর জাতীয় সম্পাদক রমেন্দ্র সিংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন নিয়মের উদ্দেশ্য বিদেশি অনুদানের ব্যবহারে আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা। সরকারের মতে, বিদেশি অনুদান শুধুমাত্র যে উদ্দেশ্যে অনুমোদিত হয়েছে, সেই কাজেই ব্যবহার করা উচিত।

    কত সংস্থার লাইসেন্স বাতিল হয়েছে?

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন নিয়ম লঙ্ঘন এবং বাধ্যতামূলক বার্ষিক রিপোর্ট জমা না দেওয়ার অভিযোগে প্রায় ২১,৯৩৩টি এনজিওর এফসিআরএ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে অথবা তাদের নবীকরণের আবেদন খারিজ হয়েছে। ফলে এসব সংস্থা আর বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে পারে না।

    একাধিক সংস্থা তদন্তের মুখে

    গত কয়েক বছরে বিদেশি অনুদান ব্যবহারের অভিযোগে একাধিক সংস্থা তদন্তের মুখে পড়েছে। ২০১৬-১৭ সালে মার্কিন সংস্থা কমপ্যাশন ইন্টারন্যাশনাল (Compassion International)-এর সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের এফসিআরএ নবীকরণ আটকে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিসন ইন্ডিয়া (World Vision India) এবং গসপেল ফর এশিয়া (Gospel for Asia)-সহ একাধিক বিদেশি অর্থপুষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায় আসে। ২০২১ সালে মাদার টেরেসা প্রতিষ্ঠিত Missionaries of Charity-র FCRA নবীকরণও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়। সম্প্রতি, ২০২৬ সালের জুনে বেঙ্গালুরু পুলিশ মার্কিন মিশনারি সংস্থা দ্য টিমোথি ইনিসিয়েটিভ (The Timothy Initiative)-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, বৈধ এফসিআরএ নিবন্ধন ছাড়াই বিদেশি অনুদান গ্রহণ এবং মিশনারি কার্যক্রমে তা ব্যবহারের অভিযোগে ৯২ কোটিরও বেশি টাকার লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও কঠোর নজরদারির পথে কেন্দ্র

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের সংশোধিত এফসিআরএ বিধি ভারতের বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে। প্রথমবার ধর্মান্তরণকে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি বিদেশি অনুদানের উদ্দেশ্য, ব্যবহার, কার্যপরিধি এবং সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জবাবদিহি সম্পর্কেও বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর ফলে বিদেশি অনুদান গ্রহণকারী সংস্থাগুলিকে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিয়মের আওতায় কাজ করতে হবে।

  • Maharashtra: আস-সালাম ইউনানি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সোমাইয়ার

    Maharashtra: আস-সালাম ইউনানি মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সোমাইয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আদিবাসী-অধ্যুষিত আক্কালকুয়া অঞ্চলে অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া ইশাআতুল উলুম প্রতিষ্ঠান এবং এর অধীনে থাকা আস-সালাম ইউনানি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা কিরীত সোমাইয়া (Kirit Somaiya)। তিনি এফসিআরএ লঙ্ঘন, সন্দেহজনক ভূমি দখল, হাসপাতালের নথি জালিয়াতি এবং উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত অনিয়মিত ছাত্রভর্তির অভিযোগ করেছেন।

    দিল্লির আল-ফালাহ হাসপাতাল (Maharashtra)

    সোমাইয়া জানান, তদন্তের জন্য তিনি সাক্ষাৎ করেছেন জেলা কালেক্টর, পুলিশ সুপার এবং জেলা স্বাস্থ্য কর্তার সঙ্গে। তাঁর এই সফর দিল্লির আল-ফালাহ হাসপাতাল বিস্ফোরণ তদন্তের প্রেক্ষাপটে বেড়ে ওঠা নজরদারির মধ্যে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মনোযোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোমাইয়ার মতে, কেন্দ্রীয় সরকার বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে জামিয়া ইসলামিয়া ইশাআতুল উলুমের এফসিআরএ লাইসেন্স বাতিল করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ১২ হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা ছাত্র রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছে।

    ভর্তির হার নাটকীয়ভাবে বেড়েছে

    অভ্যন্তরীণ নথি উদ্ধৃত করে তিনি দেখিয়েছেন, ভর্তির হার নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষে  ভর্তি হয়েছিল ৫ হাজার ৭০৮ জন ছাত্র, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এই হার বেড়ে হয় ১১ হাজার ১০৮ জন। এর মধ্যে আবার শুধু বিহার থেকেই এসেছেন ৬ হাজার ৫৫৩ পড়ুয়া। এই ভর্তির উদ্দেশ্য এবং ব্যাপ্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। অভিযোগ করেন, এগুলি নিয়ন্ত্রণহীন ধর্মীয় শিক্ষা চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত (Maharashtra)।

    সোমাইয়ার দাবি, আস-সালাম ইউনানি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ অনুমোদন ও বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার জন্য ভুয়ো বা বাড়িয়ে রোগীর সংখ্যা দেখাচ্ছে। কলেজ সম্প্রসারণের অছিলায় দখল করা হয়েছে আক্কালকুয়া এলাকার আদিবাসীদের জমি। সভাইয়া বলেন, “এই অনিয়মগুলি আল-ফালাহ প্যাটার্নের প্রতিচ্ছবি।” মহারাষ্ট্রের এই বিজেপি নেতা উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে অনুরোধ করেন আক্কালকুয়া থানার এফআইআর নম্বর ৩০-এর প্রেক্ষিতে দ্রুত (Kirit Somaiya) ব্যবস্থা নিতে। সোমাইয়া অবিলম্বে সরকারি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করে। নন্দুরবার জেলার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সোমাইয়ার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র (Maharashtra)।

  • Sonam Wangchuk: লাদাখে অশান্তির আবহ, সোনম ওয়াংচুকের এনজিও-র বিদেশি অনুদানের লাইসেন্স বাতিল

    Sonam Wangchuk: লাদাখে অশান্তির আবহ, সোনম ওয়াংচুকের এনজিও-র বিদেশি অনুদানের লাইসেন্স বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখের অশান্তির (Ladakh violence) মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র সরকার (Central Government)। রাজ্যের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পরই সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) এনজিওর বিদেশি অনুদান গ্রহণের অনুমতি বাতিল করল সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, ফরেন কন্ট্রিবিউশন (রেগুলেশন) অ্যাক্ট (FCRA) লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াংচুকের প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান নেওয়ার লাইসেন্স খারিজ করা হয়েছে। অভিযোগ, নিয়ম না মেনে বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছিল সংগঠনটি। গত ১০ সেপ্টেম্বর এনজিওকে চার দফা প্রশ্নসহ শো-কজ নোটিস দিয়েছিল সরকার। তার জবাবকে সন্তোষজনক বলে মনে করা হয়নি। তারপরই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।

    ওয়াংচুকের সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সূত্র অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) গত দুই মাস ধরে সোনম ওয়াংচুকের সংস্থা হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ লার্নিং (HIAL)-এর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাথমিক অনুসন্ধান (PE) বা নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়নি। সিবিআই সূত্র অনুযায়ী, ফরেন কন্ট্রিবিউশন (রেগুলেশন) অ্যাক্ট (FCRA) লঙ্ঘনের অভিযোগে এই তদন্ত করা হচ্ছে। অগাস্ট মাসে, লাদাখ প্রশাসন হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ লার্নিং (HIAL)-কে দেওয়া জমির বরাদ্দ বাতিল করেছিল। জমি বরাদ্দ বাতিল করার সময় লাদাখ প্রশাসন জানায় যে, যে উদ্দেশ্যে জমিটি মূলত বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং কোনো লিজ চুক্তিও করা হয়নি।

    বেআইনি অর্থনৈতিক লেনদেন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, লাদাখে যে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ চলছে তা ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) উসকানিমূলক বক্তৃতার জেরেই হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় বিজেপি দফতর ও নির্বাচন দফতরে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত চার জন, আহত হয়েছেন বহু। সরকারি সূত্রের খবর, ওয়াংচুকের এনজিওর কাজে বারবার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। বিদেশি অনুদান আইনের (FCRA) নিয়ম ভেঙে অর্থ লেনদেন হয়েছে বারবার। তদন্তে উঠে এসেছে, এনজিও সেকমল (SECMOL)-এর নামে খোলা এফসিআরএ অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে টাকা জমা পড়েছে। অভিযোগ, ৩.৩৫ লক্ষ টাকা নগদ জমা পড়েছিল ওই অ্যাকাউন্টে। ওয়াংচুকের সংগঠন জানিয়েছিল, এই অর্থ এসেছে একটি পুরনো বাস বিক্রি করে। বাসটি যেহেতু বিদেশি অনুদানে কেনা হয়েছিল, তাই বিক্রির টাকা ফের অ্যাকাউন্টে রাখা হয় বলে সাফাই দেয় এনজিও। কিন্তু সরকারের বক্তব্য, এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। নগদ অর্থ জমা দেওয়াই আইনের পরিপন্থী।

  • ED: বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ভেঙে অর্থ নিয়েছে আপ, দাবি ইডির

    ED: বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ভেঙে অর্থ নিয়েছে আপ, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করে বিপুল অঙ্কের বিদেশি অর্থ সাহায্য নিয়েছে আম আদমি পার্টি (আপ)। সোমবার এমনই অভিযোগ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। সংস্থার দাবি, আপ আমেরিকা ও কানাডা থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য পেয়েছে। কারা এই অর্থ দান করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের নামও নেই নথিতে। এটি বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের পরিপন্থী।

    আপের বিরুদ্ধে অভিযোগ (ED)

    শুক্রবার ইডির তরফে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তাতে অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আপের (ED)। দিল্লি আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলায় নাম রয়েছে এই রাজনৈতিক দলটির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ভেঙে আপ অন্তত সাত কোটি আট লক্ষ টাকা বিদেশি অর্থ সাহায্য নিয়েছে।

    ইডির দাবি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই ঘটনায় ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ও ভারতীয় দণ্ডবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। কেবল আমেরিকা ও কানাডা নয়, আপ অর্থ সাহায্য নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত এবং ওমানের দাতাদের কাছ থেকেও। অভিযোগ অস্বীকার করে ইডির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পাল্টা অভিযোগ তোলা হয়েছে আপের তরফে।

    আর পড়ুন: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আপের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক এই দলটি খালিস্তানপন্থী নিষিদ্ধ সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র কাছ থেকেও অর্থ সাহায্য নিয়েছে। নিষিদ্ধ এই সংগঠনের প্রধান গুরপন্তবন্ত সিং পান্নুন সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, ‘নয়ের দশকে ধৃত এক খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতাকে দিল্লির জেল থেকে ছাড়ার শর্তে ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আপকে প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে’। এক ভিডিও বার্তায়ও খালিস্তানপন্থী এই নেতার দাবি, গত আট বছরে কেজরিওয়ালকে তারা একশো কোটিরও বেশি টাকা সাহায্য করেছে। ২০২২ সালে পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র তরফে (ED) আপকে বিপুল অর্থ সাহায্য করা হয়েছিল বলেও দাবি পান্নুনের সংগঠনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Newsclick: জেল হেফাজতে নিউজক্লিকের প্রবীর-অমিত, ফের সিবিআই হানা প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের বাড়ি, অফিসে  

    Newsclick: জেল হেফাজতে নিউজক্লিকের প্রবীর-অমিত, ফের সিবিআই হানা প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের বাড়ি, অফিসে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দিনের জেল হেফাজত নিউজক্লিকের (Newsclick) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রবীর পুরকায়স্থর। ওই নিউজ পোর্টালের এইচআর অমিত চক্রবর্তীকেও পাঠানো হয়েছে ১০ দিনের জেল হেফাজতে। মঙ্গলবার দিল্লির একটি আদালত প্রবীর ও অমিতকে জেল হেফাজতে পাঠায়। প্রসঙ্গত, ৩ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে গ্রেফতার হন প্রবীর এবং অমিত। পরের দিন অতিরিক্ত সেশন কোর্ট তাঁদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়।

    নিউজক্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার ফের আদালতে তোলা হলে পাঠানো হয় জেল হেফাজতে। এদিনই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রবীর-অমিত। আদালতে প্রবীরের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, “সব অভিযোগ মিথ্যে। চিন থেকে একটি পয়সাও আসেনি।” প্রসঙ্গত, নিউজক্লিকের (Newsclick) বিরুদ্ধে অভিযোগ, চিনপন্থী মার্কিন ধনকুবেরের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত’ এলাকা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এর পরেই দিল্লিতে ৩০ জন সাংবাদিকের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। পরে গ্রেফতার করা হয় প্রবীর এবং অমিতকে।

    দিল্লি পুলিশের অভিযোগ

    এদিকে, বুধবারও প্রবীরের অফিস এবং বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। দায়ের হয়েছে এফসিআরএ মামলা। ইউএপিএ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল প্রবীর ও অমিতকে। ২০২১ সাল থেকে নিউজক্লিকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। প্রবীরের সম্পত্তিও অ্যাটাচ করেছে তারা। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, এই নিউজ পোর্টালের (Newsclick) মোটা টাকা এসেছে চিন থেকে। ভারতের সার্বভৌমত্বকে ভাঙার জন্য এই চক্রান্ত। পিএডিএস নামে একটি গ্রুপের সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রবীর এসব করতেন বলে অভিযোগ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অন্তর্ঘাত করার ছকও কষা হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: হাতে নয়া তথ্য, দাবি সিবিআইয়ের, তাই কি ফের খারিজ পার্থর জামিনের আর্জি?

    দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, নিউজক্লিক প্রায় ৩৮ কোটি টাকা পেয়েছে চিনের সূত্র থেকে। চিনের পক্ষে খবর করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল ওয়েবসাইটটি। তারা যে ৩৮ কোটি টাকা পেয়েছিল, তার মধ্যে ২৯ কোটি টাকা পেয়েছিল এক্সপোর্ট সার্ভিস হিসেবে, এফডিআই হিসেবে পেয়েছিল ৯ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share