Tag: Festival

Festival

  • Chhath Puja 2024: ছটপুজোর তাৎপর্য কী জানেন? কতদিন ধরে চলবে এই উৎসব?

    Chhath Puja 2024: ছটপুজোর তাৎপর্য কী জানেন? কতদিন ধরে চলবে এই উৎসব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উৎসব শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবার জোরকদমে ছটপুজোর (Chhath Puja 2024) প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এই উৎসব মূলত উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিদেশের মাটিতেও উদযাপিত হয়। উৎসবটি (Festival) সূর্য দেবতা (সূর্য) এবং ছঠি মাইয়া (মা ষষ্ঠী), যাকে সূর্যের বোন বলে বিশ্বাস করা হয়, তাদেরকে উৎসর্গ করা হয়। পবিত্র উৎসবটি চার দিন ব্যাপী উদযাপিত হয়। পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখার জন্য সূর্য দেবতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য কঠোর আচার এবং উপবাস পালন করা হয়। এবছর ৫ নভেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে শুরু ৮ নভেম্বর (শুক্রবার) পর্যন্ত উৎসবটি পালিত হবে।

    কীভাবে ছট পালিত হয়? (Chhath Puja 2024)

    উৎসবটি (Chhath Puja 2024) শুরু হয় ‘নাহে খায়ে’ (স্নান এবং ভোজ) দিয়ে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা একটি ধর্মীয় স্নান করে এবং একটি সাধারণ খাবার গ্রহণ করে। পরের দিন, ভক্তরা ‘খরনা’ পালন করেন, যার মধ্যে সারা দিন উপবাস থাকে, সূর্যাস্তের পর দেবতাদের উদ্দেশে নৈবেদ্য হিসেবে দেওয়া হয়। ছট পালনকারী ব্যক্তি পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধব একসঙ্গে কলা পাতায় একই খাবার খেতে জড়ো হওয়ার আগে রোটি (চাপাটি) এবং খির (পায়েশ) খাবার গ্রহণ করেন। তৃতীয় দিনে ভক্তরা, সাধারণত মহিলারা, জলাশয়ে, তা নদী হোক বা পুকুর, সূর্যোদয়ের আগে জড়ো হন। কোমর-গভীর জলে দাঁড়িয়ে, তাঁরা উদীয়মান সূর্যকে অর্ঘ্য (জল নিবেদন) দেয়, স্তোত্র ও প্রার্থনা করেন। ছট পুজোর এই অনন্য দিকটি পবিত্রতা, আত্ম-শৃঙ্খলা এবং জীবনের ধারাবাহিকতার প্রতীক। অস্তগামী (ঊষা) সূর্য আরেক দফা অর্ঘ্যের সাক্ষী, এইবার দিনটিকে বিদায় জানাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’, ইডি তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে বঙ্গ বিজেপি

    ছট কখন উদযাপিত হবে?

    নাহে খায়ে: ৫ নভেম্বর (Chhath Puja 2024) সকাল ৬:৩৬ থেকে বিকেল ৫:৩৩ পর্যন্ত। খরনা: ৬ নভেম্বর সকাল ৬:৩৭ থেকে বিকেল ৫:৩২ পর্যন্ত। সন্ধ্যা অর্ঘ্য: ৭ নভেম্বর সকাল ৬:৩৮ থেকে বিকেল ৫:৩২ পর্যন্ত। উষা অর্ঘ্য: ৮ নভেম্বর সকাল ৬:৩৮ থেকে বিকেল ৫:৩১ পর্যন্ত।

    ছট কেন অনন্য?

    বিহারীদের কাছে এই উৎসবের (Chhath Puja 2024) একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে, যারা একে মহাপর্ব (মহোৎসব) বলে মনে করেন। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ বিহারীরা এই উৎসব উদযাপন করতে নিজেদের জন্মভূমিতে ফিরে আসেন। যেটি ছটকে একটি অনন্য উৎসব করে তোলে তা হল যে কোনও ব্যক্তি উৎসবটি পালন করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Health: উৎসব মানেই খাবারে অনিয়ম! শরীরের জন্য কতখানি বিপদ ডেকে আনছেন?

    Durga Puja Health: উৎসব মানেই খাবারে অনিয়ম! শরীরের জন্য কতখানি বিপদ ডেকে আনছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শুরু বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব! দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠেছেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ। আর বাঙালির উৎসব উদযাপনের সঙ্গে সব সময় জড়িয়ে থাকে বিশেষ খাওয়া-দাওয়া! পুজোর দিনে ভালো খাবার না খেলে বাঙালির উৎসব উদযাপন সম্পূর্ণ হয় না। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ভালো-মন্দ খাবারের সঙ্গে যুক্ত হয় খাবারের সময় এবং পরিমাণ নিয়ে চূড়ান্ত অনিয়ম! যা শরীরের জন্য বাড়তি বিপদ‌ (Durga Puja Health) তৈরি করে।‌ তাই পুজোর দিনে খাদ্যাভ্যাসের পাশপাশি খাবারের সময় এবং পরিমাণ নিয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে বড় রকমের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

    কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে? (Durga Puja Health)

    চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, পুজোর পরেই বহু মানুষ পেটের সমস্যায় ভোগেন। বিশেষত শিশুদের অনেকেই পেটব্যথা, বমির মতো সমস্যায় ভোগে। আবার পেটের গোলমালও দেখা দেয়। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লাগাতার খাওয়ার জন্য এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময়ে অনেকেই অত্যাধিক পরিমাণে চটজলদি খাবার যেমন রোল, চাউমিন, মোগলাই খান। বাদ যায় না বিরিয়ানি থেকে পিৎজা। তাই তিন-চারদিন টানা এই ধরনের খাবার খাওয়ার জেরে লিভার এবং পাকস্থলীর মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। 
    পাশপাশি স্থূলতার সমস্যা তৈরি হতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের চটজলদি খাবার খাওয়ার জেরে শরীরের ওজন অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত যাঁরা স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা আরও বেশি সমস্যায় (Durga Puja Health) পড়তে পারেন। 
    পুজোর সময়ে অনেকেই সময়মতো খাবার খান‌ না। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ত্রের একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুজোর সময়ে অনেক রাত করে তেলমশলা জাতীয় খাবার খান। আর এর জেরেই হজমের মারাত্মক গোলমাল হয়।
    পাশপাশি ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগা রোগীদের এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস জটিল পরিস্থিতি তৈরির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারের সময়ে বেশি অনিয়ম হলে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রক্তে শর্করার পরিমাণ ওঠানামা করতে পারে। আর উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় নোনতা খাবার হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ধরনের সমস্যা থাকলে‌ বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সুস্থ থাকার কী পরামর্শ‌ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ সুস্থ থাকার জন্য দরকার নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত খাবার। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর দিনে (Festival) কমবেশি সকলেই অন্য রকম খাবার খাবেন। সব সময় সব কিছু নিয়ন্ত্রণ হয়তো সম্ভব হয় না।‌ তবে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের মিষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ন্ত্রণ করতেই হবে। পেস্ট্রি, কেক কিংবা মিষ্টি, একেবারেই খাওয়া চলবে না। এতে নানান শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। আবার উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কারণ কোলেস্টেরল যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, দেহে যাতে বাড়তি মেদ তৈরি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি (Durga Puja Health)। 
    তবে‌ এর পাশাপাশি মদ্যপানেও রাশ জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মদ্যপান লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। উৎসবের দিনে অনেকেই অতিরিক্ত মদ্যপান করেন। যা শরীরের হৃদরোগ থেকে লিভারের জটিল অসুখের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই লিভার সুস্থ রাখতে এই দিকগুলো নজরে রাখা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vegetables Price Hike: মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    Vegetables Price Hike: মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) উৎসবে মশগুল হয়ে রয়েছেন, অথচ সবজির বাজার (Vegetables Price Hike) অগ্নিমূল্য। সামনেই পুজো, মধ্যবিত্ত খাবে কী? পরপর নিম্নচাপের জেরে অতি বর্ষণে চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। বন্যার কবলে পড়েছে রাজ্যের বেশিরভাগ জেলা। চাহিদার তুলনায় কাঁচামালের বাজারে জোগান নেই। পুজোর মুখে নাজেহাল হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। জোগান কম থাকলে যা হয়, এক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। এর সুযোগ নিয়ে ফোড়েরা বাড়তি মুনাফার লক্ষ্যে দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকারের কোনও নজরই নেই। টাস্ক ফোর্স নামক যে একটি পদার্থ আছে, তা সরকারেরও বোধহয় আর মনে নেই। তারা বাজারে মাঝে মধ্যে ঘোরে ঠিকই, কিন্তু তা কার্যত বেড়ানোরই সামিল, কাজ কিছু হয় না।

    মানিকতলা বাজারে সবজির দাম কত (Vegetables Price Hike)?

    বাকি আর পাঁচটা দিনের মতো নয় রবিবারের বাজার। সবজির বাজারে যেন আগুন লেগে গিয়েছে। আর হবেই না বা কেন, মানুষের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পর্যাপ্ত আমদানি নেই। ছবিটা যেন অন্যরকম হয়ে গিয়েছে। দাম শুনলেই চমকে যেতে হয়। কলকাতার মানিকতলা বাজারে ঢুকলেই সেই চিত্র ধরা পড়ছে। এই বাজারে পটল (Vegetables Price Hike) কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বেগুন ১০০ টাকার উপরে চলে গিয়েছে। টম্যাটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ঝিঙ্গে ৮০ টাকা, কাঁচালঙ্কার দাম ২০০ টাকা প্রতি কেজি। গাজরের দাম ৭০ টাকা প্রতি কেজি, শসা ৮০ টাকা প্রতি কেজি, বিন্স ২০০ টাকা প্রতি কেজি, উচ্ছে ৮০ টাকা প্রতি কেজি। অথচ রাজ্য সরকারের ভ্রূক্ষেপ নেই। স্থানীয় ক্রেতাদের দাবি, “উৎসবের মেজাজে চলে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাই বাজারের আঁচ বুঝতে পারছেন না।”

    বাঁকুড়া পুরসভার বাজার অগ্নিমূল্য

    জেলার বাজারগুলিতেও সবজির অগ্নিমূল্যের (Vegetables Price Hike) চিত্র লক্ষ্য করা গিয়েছে। বাঁকুড়া পুরসভার বাজারে দেখা গিয়েছে এদিন পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, ফুলকপি ৬০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, টম্যাটো ৬০ টাকা কেজি, ক্যাপসিকাম ১৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, ওল ৮০ টাকা, কাঁচা লঙ্কা ২০০ টাকা প্রতি কিলো। উল্লেখ্য, একদিকে নিম্নচাপের ফলে অতিবৃষ্টি এবং দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার ফলে সবজি উৎপাদিত অঞ্চলের জমিগুলি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। একাধিক নদীর জল উপচে চাষের জমিতে ঢুকে পড়ায় ফসলের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলেছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদ, পথে নামছেন প্রাক্তন পুলিশকর্মীরা, সন্ধ্যায় হাওড়ায় মিছিল

    উত্তরবঙ্গেও চড়া দাম

    বৃষ্টির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সবজির বাজারদরে (Vegetables Price Hike)। একই পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। মালদায় মুলোর দাম পৌঁছে গিয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। মিষ্টি কুমড়ো ৪০-৬০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি প্রতি কিলো ৬ টাকা। রসুন ২৫০ টাকা, আদা ১৫০ টাকা, সজনে ২০০ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা প্রতি কেজি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Janmashtami 2024: শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে ‘দহি হান্ডি’ উৎসবের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য কী জানেন

    Janmashtami 2024: শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে ‘দহি হান্ডি’ উৎসবের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য কী জানেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীতে পালিত হয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2024)। সারা ভারত জুড়ে উত্সাহের সঙ্গে পালিত হয় এই উৎসব। কৃষ্ণ হলেন ভগবান বিষ্ণুর অষ্টম অবতার। এই বছর জন্মাষ্টমী পালিত হবে সোমবার, ২৬ অগাস্ট। দহি হান্ডি উতসব পালিত হবে মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট। জন্মাষ্টমীর সঙ্গে যুক্ত অনেক রীতিনীতির মধ্যে একটি হল দহি হান্ডি (Dahi Hand) উৎসব। গুজরাট, মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে পালিত হয় এই উৎসব। আসুন জেনে নিই এই উৎসবের তাৎপর্য।

    কৃষ্ণের তরুণ বয়সের প্রতীক (Janmashtami 2024)

    জন্মাষ্টমীর (Janmashtami 2024) দহি হান্ডি (Dahi Hand) উৎসব হল কৃষ্ণের তরুণ বয়সের প্রতীক। হাঁড়িতে দই রেখে সেই হাঁড়ি ভাঙা। সংক্ষেপে এমন উৎসবের নামই হল দহি-হান্ডি উৎসব। এই উপলক্ষে একরকম প্রতিযোগিতাও চলে। যারা অংশ গ্রহণ করে, তারা মজার ছলে কৌতুকপূর্ণ এবং দুষ্টু প্রকৃতির ভাবনাগুলিকে ফুটিয়ে তোলে। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, কৃষ্ণ মাখন বেশ পছন্দ করতেন, প্রায়শই কৃষ্ণ গোকুলের গ্রামবাসীদের বাড়ি থেকে মাখন চুরি করতেন। মাখনের প্রতি ভালবাসা এতটাই তীব্র যে, বন্ধুদের সঙ্গে মিলে মানুষের পিরামিড তৈরি করতেন। একটি মাটির পাত্রে অর্থৎ হান্ডিতে মাখন এবং দই রেখে উঁচু থেকে ঝুলিয়ে রাখা হতো। এরপর মানুষের পিরামিড বেয়ে উঠে হান্ডি ভাঙা হয়। এই খেলা বেশ জনপ্রিয় ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুগের পরিবর্তনে, মাখন চুরির কৌতুকপূর্ণ খেলাটি মহারাষ্ট্র, গুজরাট এবং ভারতের অন্যান্য অংশে অত্যন্ত উত্সাহের সঙ্গে পালিত হয়। এই উৎসবে হাজার হাজার কৃষ্ণভক্ত যোগদান করে থাকেন।

    দহি হান্ডির তাৎপর্য

    দহি হান্ডি (Janmashtami 2024) উদযাপনের গভীর প্রতীকী অর্থ রয়েছে। হান্ডি ভাঙার অর্থ হল মন্দের উপর ভালোর জয়কে চিহ্নিত করা। সামাজিক রীতিনীতির অনমনীয়তার উপর কৃষ্ণের ঐশ্বরিক বিজয়কে কৌতুকের সঙ্গে প্রতিধ্বনিত করা। এই উত্সবে মানুষের দলগত কাজ, ঐক্য এবং সাহসের মূল্যবোধের উপরও জোর দেওয়া হয়। কারণ যুবকদের দল, কৃষ্ণের নাম গোবিন্দ নামে পরিচিত হয়। মাটির পাত্র ভাঙার জন্য মানব পিরামিডের নির্মাণ করা হয়।

    দল এবং একতা

    শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে (Janmashtami 2024) দহি হান্ডির ঐতিহ্যের মধ্যে সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বকে বিশেষ ভাবে প্রদর্শন করা হয়। গোবিন্দরা অর্থাৎ স্থানীয় যারা যোগদান করে, তারা একত্রে কাজ করে একটি সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের প্রচেষ্টা করে থাকে। এই সবটাই একতার মধ্যে থাকা শক্তির প্রতীক। সাহস ও অধ্যবসায় ছাড়া উঁচুতে রাখা মাটির পাত্র ভাঙা সহজ কাজ নয়। পিরামিডগুলি বেশ লম্বা হতে পারে এবং কাজটির জন্য প্রচুর শারীরিক শক্তি, ভারসাম্য এবং সংকল্পের প্রয়োজন হয়। ফলে সাহস এবং অধ্যবসার মাধ্যমে কীভাবে প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে শক্তি সঞ্চয় করা যায়, সেটাই প্রমাণ করা হয় এই খেলায়। কৃষ্ণ (Janmashtami 2024) স্বয়ং সমস্যা থেকে জয় পেতে শক্তির প্রতীক ছিলেন।

    আধ্যাত্মিক তাৎপর্য

    এই উৎসবের (Janmashtami 2024) গভীরে রয়েছে আধ্যাত্মিক উচ্চতার রূপক। হান্ডি অহংকে প্রতিনিধিত্ব করে, যা ভাঙা কঠিন। তাই ভাঙার স্তরে পৌঁছানোর জন্য গোবিন্দকে আত্ম-উপলব্ধির মধ্যে দিয়ে মানব মনকে যাত্রা করাতে হয়। আবার মাটির পাত্রের মধ্যে থাকা দই ঐশ্বরিক আনন্দের মাধুর্যকে নির্দেশ করে, যা একজন ব্যক্তি অহং-কে ভেঙে দেয়। ফলে নিজের আত্মাকে উপলব্ধি করা এবং পরিচালনার জন্য মনকে অনুভব করা প্রয়োজন।

    আধুনিক সময়ে কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী

    সমসাময়িক সময়ে, দহি হান্ডি (Janmashtami 2024) একটি উৎসবমুখর পরিবেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়ায় পরিণত হয়েছে। অনেক রাজ্যে দহি হান্ডি প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়ে থাকে। যেখানে গোবিন্দদের দল সর্বোচ্চ পিরামিড গঠনের জন্য প্রতিযোগিতা করে এবং বিজয় সুনিশ্চিত করে পুরস্কার অর্জন করে থাকে। প্রতিযোগিতাটি সঙ্গীত, নৃত্য এবং “গোবিন্দ আলা রে” গানের সাথে একটি প্রাণবন্ত আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করে থাকে। ভক্তরাও দারুণ উপভোগ করে থাকেন। জন্মাষ্টমীর ধর্মীয় উৎসব এখন একটি সামাজিক মাত্রাও অর্জন করেছে। আয়োজকদের দেওয়া পুরস্কারের অর্থ প্রায়ই জনকল্যাণ প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করা হয়। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী এবং দহি হান্ডি প্রথা শুধু ধর্মীয় উৎসব (Dahi Hand) নয়, তার থেকেও চেয়েও বেশি পরিমাণে সামজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। মানুষের জীবন, আনন্দ এবং আধ্যাত্মিক জ্ঞানের প্রবহমান ধারাকে নিশ্চিত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: পানিহাটি মহোৎসবতলা ঘাটের মন্দিরের ভিতরে এবার পুজো দিতে পারবেন না ভক্তরা, কেন জানেন?

    Panihati: পানিহাটি মহোৎসবতলা ঘাটের মন্দিরের ভিতরে এবার পুজো দিতে পারবেন না ভক্তরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাল, শুক্রবার পানিহাটির (Panihati) মহোৎসবতলা ঘাটে চিঁড়ে উৎসবের সূচনা হচ্ছে। সাজো সাজো রব গোটা এলাকা। গতবারের  দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পানিহাটির মহোত্সবতলা ঘাটের মন্দিরের ভিতরে ঢুকে এবার আর ভক্তরা পুজো দিতে পারবেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম প্রস্তুতি রয়েছে। গতবার পদপিষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল। জখম হয়েছিলেন বহু ভক্ত। মন্দিরের মূল সেবাইত বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দুর্ঘটনা এড়াতে এবার ভক্তের সংখ্যা কমবে মনে হয়। আর ভক্তরা এসে মন্দিরে পুজো দিতে না পারলে তাঁরা হতাশ হবে। ফলে, আগামীদিনে ভক্তের সংখ্যা আরও কমবে। তবে, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত আমাদের মেনে নিতে হবে।”

    দুর্ঘটনা এড়াতে এবার কী উদ্যোগ নিল প্রশাসন?

    জানা গিয়েছে, পানিহাটি (Panihati) দণ্ড মহোৎসব এবছর প্রশাসন কিছু নির্দিষ্ট রুটে দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য ধার্য করা হয়েছে। মূলত দর্শনার্থীরা সোদপুর ট্রাফিক মোড় ও স্বদেশী মোড় দিয়ে হেঁটে প্রবেশ করতে পারবে উৎসব প্রাঙ্গণে। কিছুটা দূরত্ব থেকে একমুখী পথ রাখা রয়েছে দর্শনার্থীদের  জন্য। সেই পথ ধরে কয়েকটি ড্রপ গেট ধরে এগিয়ে শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রী মন্দির পানিহাটি (Panihati) দণ্ড মহোৎসব তলায় প্রবেশ করতে পারবেন  দর্শনার্থীরা। মূল মন্দিরে পুজোর ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু নির্দেশিকা। মূল মন্দির থেকে ইসকন পানিহাটি হয়ে রাঘব ভবন (পাটবাড়ী) যাওয়ার পথ সম্পূর্ণ একমুখী রাখা রয়েছে। পানিহাটি বৈষ্ণব সমিতি মাঠে করা হচ্ছে পূর্ণার্থীদের বিশ্রামের ব্যবস্থা। রয়েছে স্বাস্থ্য শিবির। এছাড়াও দুটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া থাকছে ফ্রায়ার ব্রিগেড থেকে শুরু করে পানীয় জলের সুব্যবস্থা। প্রসাদ বিতরণের জন্য মন্দিরগুলিকে আলাদা ভাবে ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে প্রশাসন সূত্রে। মেলার ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনো স্টল বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি এবার। এছাড়া খুব গরম থাকায় থাকবে বিশেষ জল বর্ষণের ব্যবস্থা। এছাড়া থাকছে ২০০ টির বেশি সিসিটিভির মাধ্যমে সুরক্ষা ব্যবস্থা।

    কবে শুরু হয়েছিল এই উৎসব?

    চৈতন্য মহাপ্রভু পানিহাটির (Panihati) মহোত্সবতলা ঘাটে চিঁড়ে উত্সবের সূচনা করেছিলেন। ৫০৭ বছর আগেই ভক্তদের উপস্থিতিতে মহাপ্রভুর নির্দেশে এই উত্সব শুরু হয়েছিল। কথিত আছে ১৫১৬ সালে সপ্তগ্রামের জমিদার রঘুনাথ দাসকে দই চিঁড়ে বিতরণের কৃপাদণ্ড দিয়েছিলেন। মহাপ্রভু ও ভক্তদের সকলের জন্য দই, চিঁড়া, কলার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই থেকেই  এখানে এই চিঁড়ে উত্সব পালিত হয়ে আসছে। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস এই উত্সবে আসতেন। এছাড়াও রামদাস বাবাজী, মহাত্মা গান্ধী, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মতো মণীষীদের পদধূলি ধন্য এই মহোত্সব তলা ঘাট। কালের নিয়ম মেনেই কয়েকশো বছর ধরেই এই পানিহাটিতে এই উত্সব পালিত হয়ে আসছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়েছে। মহালয়ার বিকেল থেকেই চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পালা। দুর্গা পুজো বাঙালির কাছে এক শিল্পও বটে। নানান সাজে সেজেছে কলকাতা। কোথাও ডিজনি ল্যান্ড তো কোথাও চন্দ্রযান। কোথাও রাম মন্দির, কোথাও কেদার নাথ। শহরের বুকেই নানান দর্শন। পুজো মানেই সকাল থেকে রাত-পাঁচটা দিন চুটিয়ে আনন্দের সময়। ৮ থেকে ৮০ সব ভুলে পুজোর গন্ধে মাতোয়ারা থাকে। তাই পুজোর আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা ভাবিয়ে তোলে উৎসবমুখর বাঙালিকে। তবে মৌসম ভবনমের পূর্বাভাসে (Weather Update) সেই চিন্তার ইতি।

    হালকা শীতের আমেজ

    পুজোর সময় আবহাওয়া (Weather Update) থাকবে মনোরম। এমনকি সেইসময় রাতে পাওয়া যাবে হালকা শীতের আমেজ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে।ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী অর্থাৎ ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বঙ্গে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। নবমী, দশমী অর্থাৎ ২৩ ও ২৪ অক্টোবর আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। কোনও কোনও জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পুজোর কদিন রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দখিনা হাওয়ার পরিবর্তে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব থাকবে। ফলে প্যান্ডেল হপিং, খাওয়া দাওয়া, আড্ডায় বড় বাধা নেই। পাঁচ দিন দুর্যোগের সম্ভাবনা নেই। পুজোর শেষের কদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও ভারী বৃষ্টি হবে না।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া 

    রাজ্যের কোথাও ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। উত্তরে পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে যদিও। নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনের পর থেকে তাও ক্রমশ কমতে শুরু করবে। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী রোদ ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমাঞ্চল সহ কোনও কোনও জেলায় এই উইকেন্ডে ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অনুভূত হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে তৃতীয়া পর্যন্ত জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্প  কমবে। শুষ্ক হবে আবহাওয়া। পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় চতুর্থী থেকে ভোরের দিকে সামান্য শিরশিরানি ভাব থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোথাও।

    উত্তরের জেলায় সামান্য বৃষ্টি

    পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তরাই ডুয়ার্স ও সমতলে বৃষ্টির তেমন আর কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং,কার্শিয়ং ও কালিম্পং ছাড়া বাকি উত্তরবঙ্গে সোমবার রাতের পর থেকেই জলীয় বাষ্প কমতে শুরু করবে। তৃতীয়া থেকেই ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অল্প অল্প করে অনুভূত হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ganga Dussehra 2022: এবছর গঙ্গা দশেরা কবে? জানুন তারিখ-সময়, তাৎপর্য

    Ganga Dussehra 2022: এবছর গঙ্গা দশেরা কবে? জানুন তারিখ-সময়, তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা দশেরা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম একটি উৎসব যা পবিত্র মা গঙ্গার পৃথিবীতে অবতরণকে চিহ্নিত করে। নির্জলা একাদশীর এক দিন আগে উৎসব শুরু হয় এবং ১০ দিন ধরে চলে। এই সময়ে ভক্তরা দেবীর আরাধনা করেন। এটি ‘গঙ্গাবতরণ’ নামেও পরিচিত, যা গঙ্গদেবীর অবতরণকে বোঝানো হয়।

    হিন্দু পুরাণ অনুসারে, ভগীরথের পূর্বপুরুষদের আত্মাকে অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে জ্যৈষ্ঠ মাসের দশমী তিথিতে দেবী গঙ্গা পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন। এইভাবে, গঙ্গা দশেরা জ্যৈষ্ঠ মাসে, শুক্লপক্ষ বা পূর্ণিমা পক্ষে  হয়।

    গঙ্গা দশেরার তারিখ এবং সময়:

    হিন্দু ক্যালেন্ডার ২০২২ অনুসারে, গঙ্গা দশেরা ৯ জুন রবিবারে শুরু হবে।

    দশমী তিথি শুরু হবে: ৯ জুন সকাল ৮টা ২১ মিনিটে।

    দশমী তিথি শেষ হবে: ১০ জুন সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে।

    হস্ত নক্ষত্র শুরু হবে: ৯ জুন ভোর ৪টা ৩১ মিনিটে।

    হস্ত নক্ষত্র শেষ হবে: ১০ জুন ভোর ৪টা ২৬ মিনিটে।

    গঙ্গা দশেরা পূজার নিয়ম:

    এই দিনে ভক্তরা পবিত্র গঙ্গা নদীতে স্নান করেন এবং প্রার্থনা করেন। বিশ্বাস করা হয় যে পবিত্র নদীতে স্নান করলে অতীত এবং বর্তমানের সমস্ত পাপ ধুয়ে যায় এবং সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। লোকেরা আরও বিশ্বাস করেন যে গঙ্গা জলের উপকারিতাও রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন রোগ নিরাময় করে।

    গঙ্গা দশেরার তাৎপর্য:

    পৃথিবীতে মা গঙ্গা বা দেবী গঙ্গার অবতরণকে চিহ্নিত করতে গঙ্গা দশেরা পালন করা হয়। দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে ভক্তরা এই দিনে দেবী গঙ্গার পূজা করেন। এটি গৃহপ্রবেশের জন্য একটি শুভ দিন এবং যানবাহন বা নতুন ব্যবসা শুরু করা ও ব্যয়বহুল জিনিস কেনার জন্য একটি শুভ দিন বলে মনে করা হয়। প্রতি বছর ভক্তরা গঙ্গাস্নানে যান এবং গঙ্গা আরতিতে অংশগ্রহণ করেন।

    কেন উৎযাপিত হয় বুদ্ধ পূর্ণিমা? জানুন এই শুভদিনের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য

LinkedIn
Share