Tag: Fiber

Fiber

  • Cauliflower: শীতের বাজারে দেদার মিলছে ফুলকপি, নিয়মিত এই সবজি খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    Cauliflower: শীতের বাজারে দেদার মিলছে ফুলকপি, নিয়মিত এই সবজি খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত বসেছে জাঁকিয়ে! আর এই মরশুমের সবচেয়ে জনপ্রিয় সবজি ফুলকপি (Cauliflower)। বিয়েবাড়ির নিরামিষ মেনুতে হোক, কিংবা বাড়ির খাবারের তালিকায়, এই সবজির হরেক পদের রান্না চলছে। দিন কয়েক ধরে বাজারে ফুলকপি দেদার মিলছে। সহজলভ্য এই ফুলকপি এখন নেট দুনিয়ারও রসিকতার বস্তু! তবে নিয়মিত ফুলকপি খেলে শরীরে গভীর প্রভাব পড়ে, এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এখন দেখে নেওয়া যাক, কতখানি উপকারী এই ফুলকপি?

    হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে হাড়ের ক্ষয় রোগের প্রকোপ মারাত্মকভাবে বাড়ছে। তাই হাড়ের যত্ন নেওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, হাড় সুস্থ ও মজবুত রাখতে খাবারের উপরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। আর যে সব খাবার হাড় মজবুত রাখে, তার মধ্যে অন্যতম হল ফুলকপি (Vegetable)। হাড়ের ক্ষয় রুখতে এবং হাড়কে মজবুত করতে ফুলকপি খুব সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুলকপিতে থাকে‌ ভিটামিন কে। তাই এই এই সবজি হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী।

    স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়ে (Cauliflower)

    জীবনযাপন সম্পর্কিত রোগে এখন অধিকাংশ তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ভুগছেন। আর স্থূলতা সেই তালিকায় অন্যতম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগ থেকে ডায়াবেটিস কিংবা বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যার কারণ লুকিয়ে থাকে অতিরিক্ত ওজনে। ফুলকপি ওজন কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুলকপিতে ক্যালরি খুবই কম থাকে। ফলে ফুলকপি খেলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ফুলকপি (Cauliflower) সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফুলকপিতে থাকে গ্লুকোরোফেনিন। এই উপাদান হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে। হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়।

    কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমায়

    ফুলকপিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকে। এই দুই উপাদান শরীরে কোলেস্টেরলের ঝুঁকিও কমায়। শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

    পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী (Cauliflower)

    শীতে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। আবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দেখা দেয়। ফুলকপি এই দুই সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুলকপি নিয়মিত খেলে পাচনতন্ত্র ভালো থাকে। ফুলকপিতে (Vegetable) থাকে ফাইবার। তাই এই উপাদান পাচনতন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। 

    তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফুলকপি খেলে দেহে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড থাকলে ফুলকপি নিয়মিত না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Watermelon: গরমে অস্বস্তি কাটাতে রোজ তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস? জানেন কী হতে পারে? 

    Watermelon: গরমে অস্বস্তি কাটাতে রোজ তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস? জানেন কী হতে পারে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত ছুটি নিয়েছে বেশ কিছুদিন। ক্যালেন্ডারের হিসেবে এখন বসন্ত। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ছে। গরমের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই সময়ে তরমুজ অনেকেই নিয়মিত খান। কেউ তরমুজের রস খান আবার কেউ তরমুজের টুকরো নিয়মিত জলখাবারে পাতে রাখেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত তরমুজ (Watermelon) শরীরে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই দেখে নেওয়া যাক, নিয়মিত তরমুজ খেলে কী হতে পারে?

    গরমে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমায়! (Watermelon)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সময়ে আবহাওয়া বেশ শুষ্ক। হঠাৎ গরম পড়ার জেরে অনেকের শরীরে জলের চাহিদা বেড়ে যায়। আর এই চাহিদা সহজেই পূরণ করতে পারে তরমুজের মতো ফল। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    গরমে ত্বক ভালো থাকবে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম বাড়লে অনেকের ত্বকের সমস্য হয়। র ্যাশ‌, সান বার্ন ছাড়াও একাধিক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। নিয়মিত তরমুজ খেলে ত্বক ভালো থাকে। কারণ, তরমুজে রয়েছে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই। এই দুই ভিটামিন ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী (Watermelon)।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরমুজে (Watermelon) রয়েছে লাইকোপেন নামে এক উপাদান। এর জেরে শরীরে বাজে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে, নিয়মিত তরমুজ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

    রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে! (Watermelon)

    তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এছাড়াও রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ। এর জেরে নিয়মিত তরমুজ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি, ভিটামিন সি সর্দি-কাশি বা ভাইরাস ঘটিত জ্বরের‌ মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে।

    পেশির ব্যথা কমাতে বিশেষ উপকারী!

    তরমুজে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান পেশির সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে পেশি ভালো থাকে। পেশির ব্যথা কমে (Watermelon)।

    ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে!

    তরমুজে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরমুজ নিয়মিত খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

    অতিরিক্ত তরমুজ খেলে কী হতে পারে?

    গরমে তরমুজে উপকার পেলেও সতর্ক থাকা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তরমুজ খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন, তরমুজে প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তের কখনই প্রতিদিন তরমুজ‌ খাওয়া উচিত নয়। কারণ, তাতে দেহে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদান শরীরে জরুরি। কিন্তু অতিরিক্ত ফাইবার জাতীয় খাবার (Watermelon) খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই প্রত্যেক দিন অতিরিক্ত পরিমাণে তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস ডায়ারিয়ার মতো রোগের বিপদও ডেকে আনতে পারে। তাছাড়া, তরমুজে রয়েছে সরবিটল। এই উপাদানের জেরে অনেকের তরমুজ হজম হয় না। অনেক সময়েই এই উপাদান শরীরে হজমের গোলমালের কারণ হয়ে ওঠে।
    তাই তরমুজ নিয়মিত খাওয়ার আগে পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় থাকুক খেজুর।‌ দিনে খান চারেক খেজুর খেলেই একাধিক রোগ থেকে মুক্তি সহজেই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই কাজের চাপে দীর্ঘ সময় ভারী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান না।‌ খাবারের মাঝে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যাওয়ার ফলে নানান শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়। সেই সময়ে সঙ্গে থাকুক খেজুর। অন্তত কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলে সমস্যা কমবে। নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে এমন অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন রোগের দাওয়াই খেজুর?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই যে কোনও বয়সের মানুষের রক্তাল্পতা দূর করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়া জরুরি। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এ দেশে বহু মহিলা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুরে থাকে ল্যাক্সাটিভ। তাই নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে পাকস্থলীর একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হজমের গোলমাল কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করার পাশপাশি পাকস্থলীর আলসারের মতো গুরুতর সমস্যার মোকাবিলাতেও খেজুর খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়। 
    হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খেজুর বিশেষ কার্যকর। বিশেষত অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো রোগ মোকাবিলায় খেজুর (Dates) সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই খেজুর হাড় সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    প্রচুর পরিমাণে শক্তি (Dry Fruits) 

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। একশো গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খেজুর বিশেষ কার্যকর। কারণ, এদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়া প্রয়োজন। তাই দরকার খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে শক্তির ঘাটতি হবে না। ক্লান্তি সহজেই দূর হবে। অনিদ্রার সমস্যা মোকাবিলায় খেজুর বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই হৃদযন্ত্রের পেশিকে কার্যকর করতে খেজুর (Dry Fruits) বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি খেজুর শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর পেশি ও হাড়ের পাশাপাশি শরীরের স্নায়ু সচল রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mushrooms: ব্লাড সুগার থেকে অ্যানিমিয়া, একাধিক কোন কোন সমস্যায় কার্যকর মাশরুম?

    Mushrooms: ব্লাড সুগার থেকে অ্যানিমিয়া, একাধিক কোন কোন সমস্যায় কার্যকর মাশরুম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাশরুম খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। এটি (Mushrooms) রান্নাঘরের নিত্যদিনের খাবারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে অনেক বাড়িতেই। এটি দিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক খাবার, স্যুপ, সবজি ও স্ন্যাক্স তৈরি করে খাওয়া যায়। এটি যেমন খেতে ভালো, ঠিক তেমনই এর আছে বিভিন্ন উপকারিতা যা কম নয় এবং অনেক মানুষই তা জানেন না।

    মাশরুমের উপকারিতা (Mushrooms)

    ১) বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস নিরাময়ে মাশরুম: বর্তমানে প্রায় বাড়িতেই ডায়াবেটিস রোগীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই মাশরুম ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। মাশরুমের মধ্যে ফ্যাট ও শর্করার পরিমাণ কম থাকে এবং ফাইবার বেশি থাকার কারণে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। এটি নিয়মিত খেলে ব্লাড সুগার কমানো সহজ হয়ে ওঠে।
    ২) চর্মরোগ প্রতিরোধে মাশরুম: বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ যেমন চুলকানি, দাদ প্রভৃতি থেকে মাশরুম (Mushrooms) অনেক উপকার করে। মাশরুম থেকে এমনকি মাথার খুশকি প্রতিরোধক ওষুধ তৈরি করা হয়।
    ৩) গর্ভবতী ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধ: আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের সমন্বয় আছে এই মাশরুমে যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ যেমন স্কার্ভি, পেলেগ্রা প্রভৃতি থেকে গর্ভবতী মা এবং শিশুদের রক্ষা করা যায় এই মাশরুম থেকে। কারণ এর মধ্যে রয়েছে নিয়োসিন ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড ও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। 
    ৪) দাঁত ও হাড় গঠন: মাশরুমের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম, যা শিশুদের হার ও দাঁত গঠনে অত্যন্ত উপকারী।
    ৫) ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্যকারী: মাশরুমের (Mushrooms) মধ্যে আছে ল্যামপট্রোল, বেটা-ডি, বেনজো পাইরিন, টারপিনোয়েড যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করতে সাহায্যকারী। জাপানের একটি ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সমীক্ষায় দেখা গেছে মাশরুম ক্যান্সার প্রতিহত করতে অত্যন্ত উপকারী। এমনকি ফ্রান্সের লোকেরা প্রচুর পরিমাণে মাশরুম খান বলে তাদের মধ্যে ক্যান্সার রোগের প্রাদুর্ভাব কম। 
    ৫) উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে: মাশরুমের মধ্যে আছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন ইরিটাডেনিন, লোভাস্টনিন, এনটাডেনিন, কিটিন, ভিটামিন বি, সি ও ডি মানুষের উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
    ৬) হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধক: মাশরুমে (Mushrooms) প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড, আয়রন এবং লিংকজাই ৮ নামক এমাইনো অ্যাসিড থাকায় হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিসের মতো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
    ৭) অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নিয়ন্ত্রণ: শরীরে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলে মাশরুম (Mushrooms) খাওয়া অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে মাশরুম খুবই উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nutrition: খাওয়ার পরেও খিদে পায়? প্রোটিন আর ফাইবার পর্যাপ্ত থাকছে তো ডায়েটে? 

    Nutrition: খাওয়ার পরেও খিদে পায়? প্রোটিন আর ফাইবার পর্যাপ্ত থাকছে তো ডায়েটে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালের জলখাবার কিংবা রাতে পেট ভরে খাওয়ার পরেও কয়েক ঘণ্টা পার হলেই খিদে পায়! বারবার খিদের (Nutrition) জন্য কোনও কাজেই মনস্থির করা যায় না! এমন সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খাওয়ার পরেও খিদে না মিটলে সজাগ হতে হবে। শরীর ও মন সুস্থ আছে কিনা, সে বিষয়ে সতর্ক না হলে বড় বিপদ হতে পারে।

    কোন কোন বিপদের (Nutrition) আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা? 

    পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরেও খিদে পাওয়া (Nutrition) মোটেও সুস্থ থাকার লক্ষণ নয় বলেই স্পষ্ট জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। একাধিক কারণে এমন হতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হল স্থূলতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্থূলতার মতো শারীরিক সমস্যার শিকার হলে পর্যাপ্ত খাওয়ার পরেও খিদের ভাব থাকে। বিশেষত, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার অর্থাৎ, ভাত, রুটি এই সব খাবারের প্রতি আসক্তি বাড়ে। যেহেতু স্থূলতার জন্য পাকস্থলীতে খাদ্য ধারণের পরিমাণ বেড়ে যায়, তাই খাবারের চাহিদাও বেড়ে যায়। যদিও তা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা। কারণ, অতিরিক্ত খাবার হার্ট, কিডনি, লিভারের পক্ষে একেবারেই ভালো নয়। স্থূলতার সমস্যার জন্য দেহে অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ হয়। যা সরাসরি হার্ট ও কিডনিতে খারাপ প্রভাব ফেলে। কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়। তাতে হার্ট অ্যাটাক সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার পরেও খিদে পেলে সতর্ক হতে হবে। কোন খাবার, কতটা পরিমাণ খাওয়া জরুরি, সে বিষয়ে সজাগ থাকা খুব প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    খিদের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের যোগাযোগ

    খিদের (Nutrition) সঙ্গে সরাসরি মানসিক স্বাস্থ্যের যোগাযোগ আছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদে ভুগলে অকারণ খিদে পায়। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদে যাঁরা ভোগেন, অনেক সময়ই তাঁরা অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খান। ভরপেট খাওয়ার পরেও, তাঁরা পেস্ট্রি, কেক কিংবা যে কোনও মিষ্টি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খেতে শুরু করেন। আবার অনেক সময় ভারী খাবার খাওয়ার মাঝে ব্যবধান রাখতে পারেন না। কারণ, অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় অনেক সময়ই ভুক্তভোগী খিদে, ঘুমের মতো শারীরিক চাহিদা ঠিক মতো অনুভব করতে পারেন না। তাই ভারসাম্য নষ্ট হয়। তবে, শারীরিক ও মানসিক সমস্যা ছাড়াও ঠিক মতো ডায়েট না থাকলেও ভারী খাবার খাওয়ার পরেও খিদে পেতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    কোন ডায়েট সমস্যার (Nutrition) সমাধান করতে পারে? 

    পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, কী খাওয়া হচ্ছে, কখন হচ্ছে, আর কত পরিমাণে হচ্ছে, সে বিষয়ে নজর দিলেই মুশকিল আসান হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার না থাকলেই সমস্যা বাড়ে। অর্থাৎ, ভাত, রুটির মতো কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার পরিমাণে বেশি থাকলে, সাময়িক পেট ভরলেও বারবার খিদে (Nutrition) পেতে পারে। তাই খাদ্য তালিকায় থাকুক পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও ফাইবার। 
    পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, সকালের জলখাবার ভারী থাকা জরুরি। শরীর সুস্থ রাখতে সকালে দুধ-কনফ্লেক্স, ফল, ডিম সিদ্ধের মতো খাবার তালিকায় থাকুক। তাতে পেট ভরবে (Nutrition) আবার হজম সহজে হবে। রাতের খাবারে ডাল কিংবা পনির, চিকেনের মতো খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডাল, পনির, সোয়াবিন, মাছ, মাংস, ডিমের মতো খাবারে থাকে পর্যাপ্ত প্রোটিন। আবার যব, রাগির মতো দানা শস্যে থাকে ফাইবার। এগুলো খাবারের তালিকায় রাখলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। আবার এগুলোতে অতিরিক্ত চর্বি না থাকায়, হজমের সমস্যা বা স্থূলতার সমস্যা বাড়ার ঝুঁকিও কম হয়। তাই সঠিক পরিমাণে খাবার খেলে শরীর ও মন সুস্থ রাখা অনেকটাই সহজ হয়ে যায় বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    Blood Sugar Diet: ব্লাড সুগার কমানোর জন্য সাতটি খাদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে গবেষণা করলে দেখা যায় প্রতেকটি ঘরে অন্তত একজন করে সুগারে আক্রান্ত রোগী রয়েছে। সুগার এখন মহামারী আকার ধারন করেছে। এটি এমন একটি রোগ যা মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।যেহেতু রোজকার জীবনযাত্রা, কাজ এবং খাওয়া-দাওয়া প্রভাব ফেলে সুগারের উপর তাই বেশিরভাগেরই প্রশ্ন সুগার হলে কী খাওয়া উচিত। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রোজকার ডায়েটে রাশ টানা। ডায়াবেটিসের সুর্নিদিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কেন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন তার সঠিক কারণও জানা নেই। অগ্ন্যাশয় থেকে পরিমাণ মতো ইনসুলিন তৈরি না হলে তখনই বাড়ে সমস্যা। কারণ তখন অতিরিক্ত শর্করা (Sugar) আর শোষণ করতে পারে না শরীর, ফলে রক্তে তার পরিমাণ বাড়তেই থাকে। শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোনের কার্যকারিতা ঠিক না থাকলেই সেখান থেকে একাধিক সমস্যা আসে। নিয়ম করে রক্ত পরীক্ষা করা, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনমত ওষুধ খাওয়া জরুরি। তবে এর পাশাপাশি খাবার আর পানীয় ঠিকমতো না খেলে কিন্তু এই রোগের হাত থেকে রেহাই নেই।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আজকাল ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন। চিকিৎসকরা সবসময় ডায়াবিটিস (Diabates) রোগীদের খাবারের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা বলেন। আপনারও যদি ডায়াবিটিস থাকে তাহলে এখনই খাদ্যাভ্যাসের দিকে যত্ন নিন, তাই জেনে নিন রোজকার ডায়েটে কী কী সবজি রাখলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ হবে সহজেই। কোন কোন সবজি খেতে হবে জেনে নিন।

    ​শশা(Cucumber)

    শসা খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। গরমের সময় শশা খুবই উপকারী। আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় শসার রায়তাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। শশা ডায়াবিটিস বা সুগারের সমস্যা প্রতিরোধ করে। শশায় যে বিশেষ উপাদান রয়েছে তা রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যদি ১০০ গ্রাম শশার রস খালি পেটে রোজ সকালে খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আসবে সহজেই।

     

    চিয়া এবং শণের বীজ (Chia and flax seeds)

    যারা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য চিয়া বীজ এবং শণের বীজ দারুন কার্যকরী। ফাইবার সমৃদ্ধ এবং কার্বোহাইড্রেট যুক্ত চিয়া বীজ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে খুব কার্যকর হতে পারে।শণের বীজ নেই রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের উন্নতিতে সহায়ক।

    গাজর (Carrot)

    গাজরে ভিটামিন এ এবং অনেক খনিজ পাওয়া যায়।কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর খুব ভালো সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়ামই এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি খুব কম, ফ্যাট বার্ন হয় সহজেই। যার ফলে ওজন কমানো যায় সহজেই।এছাড়াও গাজরের মধ্যে থাকা পটাসিয়াম শরীরের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে, পাশাপাশি বাড়ায় ইমিউনিটি। গাজরের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, বি ৬, পটাসিয়াম ও ফসফরাস। যা নানা রোগের জীবাণু ও ব্যাকটিরিয়ার হাত থেকে বাঁচায় শরীরকে। তাই প্রতিদিন সকালে ঘাম ঝরানোর পর যদি কাঁচা গাজর খাওয়া যায়। শরীর থেকে ধীরে ধীরে অতিরিক্ত শর্করা বেরিয়ে যাবে।

    বাদাম এবং বাদামের মাখন(Nuts and nut butter)

    গবেষণায় দেখা গেছে যে বাদামের মতো বাদাম এবং চিনাবাদাম এবং তা দিয়ে তৈরি বাদামের মাখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে এমন ব্যক্তিদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিয়া বীজের মতো, বাদামে থাকে ফাইবার এবং  কার্বোহাইড্রেট।

    ব্রকলি (Broccoli)

    নিউট্রিশন রিসার্চের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ব্রকলি খেলে শরীরের মোট কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায়। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে খাদ্যতালিকায় ব্রকলির মতো ব্রাসিকা শ্রেণীর সবজি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

    ডিম(Egg)

    আপনি যদি ডিম খান তবে এটি আবার আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুব সহায়ক হতে পারে। ডিম স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি বড় উৎস, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।কুসুমে বেশিরভাগ পুষ্টি উপাদান রয়েছে, তাই এটি আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না।

    মটরশুটি এবং মসুর ডাল(Beans and lentils)

    মসুর ডালকে বলা হয় ভিটামিনের ভাণ্ডার। এই মটরশুটিতে ভিটামিন ছাড়াও রয়েছে খনিজ, মাইক্রো এবং ম্যাক্রো উপাদান।মসুর ডাল কেবল পুষ্টি সমৃদ্ধ নয়, মসুর ডাল এবং মটরশুটি রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে শুধু শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে নয় ডায়াবেটিসের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে এই ডাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Vegetables: সবুজ শাক-সব্জিতেই রয়েছে দাওয়াই! কোন সব্জির গুণে কমবে কোন সমস্যা?

    Vegetables: সবুজ শাক-সব্জিতেই রয়েছে দাওয়াই! কোন সব্জির গুণে কমবে কোন সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কোনও কৃত্রিম পদ্ধতি নয়। বরং সবুজ শাক-সব্জি (Vegetables) নিয়মিত খেলেই একাধিক রোগের মোকাবিলা করা সম্ভব। বিশ্ব জুড়ে এমন হাজার হাজার সব্জি আর শাক রয়েছে, যা থেকে একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলা করা যেতে পারে। তবে, এগুলোর অধিকাংশ পাওয়া যায় ভারতে। এমনই কথা সম্প্রতি জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আধুনিক জীবন যাপনের জন্য যে সমস্ত রোগের দাপট বাড়ছে, তাদের রুখতে দাওয়াই রয়েছে ভারতেই। এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কী বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (Vegetables)

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কোলেস্টেরল,‌ উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতার সমস্যা রুখতে পারে ভারতীয় সব্জি এবং শাক। সংস্থার তরফে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সব্জির কথা বলা হয়েছে। যা নিয়মিত খেলে রোগ মোকাবিলা সম্ভব। আর সেখানেই রয়েছে ভারতের ২১০০ শাক ও সব্জির তালিকা (Vegetables)। যা ‘লাইফস্টাইল ডিজিজ’ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে।

    কোন সব্জির গুণে কোন‌ রোগ কমবে? (Vegetables)

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, আধুনিক ব্যস্ত জীবন যাপনের জেরে নানান রোগ বাড়ছে‌। কাজের চাপ, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় চটজলদি খাবারে অভ্যস্ত হওয়ার জেরেই ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা, হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যা বাড়ছে। 
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এমন কিছু শাক-সব্জি (Vegetables) রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত খেলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। আর সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে মেথি শাক। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মেথি শাক খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মেথি শাকে থাকে ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন।‌ একদিকে এই শাক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, আরেকদিকে শরীরের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। অর্থাৎ স্থূলতার সমস্যা কমাতেও বিশেষ‌ সাহায্য করে এই শাক। 
    যে কোনও রান্নায় এলাচ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ভারতীয় এই মশলা একাধিক রোগের প্রতিরোধে বিশেষ সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। একদিকে হজমের সমস্যা কমায়। আবার এলাচ ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারী বলেও‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    নিয়মিত করলা খেলেও পাওয়া যাবে বিশেষ উপকার। এমনই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, করলায় (Vegetables) থাকে ফ্রুক্টোসামিন, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া করলায় আছে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে বিশেষ উপকারী। এছাড়া করলায় রয়েছে ফাইবার। এটা স্থূলতা রুখতে বিশেষ সাহায্য করে‌। 
    এছাড়া ফুলকপি, পালং শাক এবং পুঁই শাক হৃদরোগ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সব সবুজ সব্জি এবং শাকে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার। তাই কোলেস্টেরল কমাতে এবং হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে এই ধরনের সব্জি উপকারি। 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত বাড়িতে তৈরি কম তেলমশলার সবুজ সব্জি খেলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share