Tag: fight

fight

  • Tourists Fight On Mt Everest: ‘যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে’! সেলফি তোলা নিয়ে হাতাহাতি, পুলিশ হেফাজতে ৪

    Tourists Fight On Mt Everest: ‘যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে’! সেলফি তোলা নিয়ে হাতাহাতি, পুলিশ হেফাজতে ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে নয়, পড়ুন, যত কাণ্ড মাউন্ট এভারেস্টে (Tourists Fight On Mt Everest)! আজ্ঞে হ্যাঁ, সেলফি (Selfie Spot) তোলার হিড়িকেই রীতিমতো হাতাহাতি পর্যটকদের মধ্যে। ২৫ জুন এভারেস্টের বেস ক্যাম্পের ঘটনা। তবে প্রকাশ্যে এসেছে অতি সম্প্রতি। বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গে যে এমন একটা কাণ্ড ঘটতে পারে, তা আঁচ করতে পারেননি পর্বতারোহীরা। তবে ঘটনাটি সত্যি একশো ভাগ।

    এভারেস্ট পর্যটকের ভিড় (Tourists Fight On Mt Everest)

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এভারেস্ট। তুষারধবল এই পর্বতশৃঙ্গের সৌন্দর্য উপভোগ করতেই ফি বছর বহু মানুষ যান পর্বতারোহনে। এই তালিকায় থাকেন দু’ধরনের মানুষ। একদল পর্বতারোহী। অন্যদল ছবি শিকারি। দ্বিতীয় এই দলের লোকজন পাহাড় চূড়ায় ওঠেন না। তাঁরা মূলত ভিড় করে বেস ক্যাম্পে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি চিনা পর্যটকদের দু’টি দল তিব্বতের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে যান এভারেস্টের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য। এভারেস্ট ভ্রমণ স্মরণীয় করে রাখতে সেলফি তুলতে যান এক দম্পতি।

    তুষার ধবল শৃঙ্গে হাতাহাতি

    তাঁদের সঙ্গে থাকা ট্যুর গাইড এভারেস্ট এলিভেশন মনুমেন্টের পাশে ছবি তুলতে বলেন। এই সময় ওই একই জায়গায় ছবি তোলার চেষ্টা করেন অন্য এক পর্যটক দম্পতি। তাঁরাও এসেছিলেন চিন থেকে। কারা আগে সেলফি তুলবে, তা নিয়েই বচসা দুই দলের। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, একদল অন্য দলকে এলোপাথাড়ি লাথি, ঘুসি মারছে। এরই মাঝে এক মহিলা নিরন্তর মারপিট থামানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে চলেছেন। তবে লড়াই আর থামে কই? খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসেন এভারেস্ট (Tourists Fight On Mt Everest) বর্ডার পুলিশ ক্যাম্পের আধিকারিকরা। তাঁদের হস্তক্ষেপেই শেষমেশ দাঁড়ি পড়ে হাতাহাতিতে।

    আর পড়ুন: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    এভারেস্টে বিশৃঙ্খলা পাকানোর অভিযোগে তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। এভারেস্ট যাত্রার ইতিহাসে এমনতর ঘটনা এই প্রথম। তবে এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, কীভাবে সেলফির (Selfie Spot) প্রতি আকর্ষণ বাড়ছে মানুষের। কীভাবে সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার ঝোঁক বাড়ছে। স্থান-কাল-পাত্রের গুরুত্ব এবং ঐতিহ্য কিংবা মাহাত্ম্য ভুলেই চলছে এসব ‘বেওসা’ (Tourists Fight On Mt Everest)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: হাতে দা উঁচিয়ে চিতাবাঘের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই বৃদ্ধার! প্রাণরক্ষা অল্পের জন্য

    Jalpaiguri: হাতে দা উঁচিয়ে চিতাবাঘের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই বৃদ্ধার! প্রাণরক্ষা অল্পের জন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত হাতে দা উঁচু করে দক্ষিণরায়ের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই চলল এক বৃদ্ধার। সেই সঙ্গে অবশেষে বৃদ্ধার কঠিন আক্রমণাত্মক চোখরাঙানিতে ভয়ে পালাল চিতাবাঘ। এভাবেই মৃত্যর মুখ থেকে রক্ষা পেলেন এই মহিলা। আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতলে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) সোনাখালি জঙ্গলে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঘটনা কিভাবে ঘটল (Jalpaiguri)?

    চিতাবাঘের মুখ থেকে প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরলেন ৬৫ বছরের ফতেমা বিবি। ঘটনা ঘটেছে ধূপগুড়ি সাকোয়াঝোড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের সোনাখালির কাছেই আদরপাড়া এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনাখালি জঙ্গলে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। আচমকা তাঁর ওপর হামলা করে একটি চিতাবাঘ। পাল্টা প্রতিরোধ করেন ওই বৃদ্ধা। তাঁর হাতে ছিল একটি দা। তা দিয়েই চিতাবাঘের ঘাড়ে আঘাত করেন তিনি। এরপর ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায় চিতাবাঘটি। কিন্তু পিছোলেও ফের একবার আক্রমণের চেষ্টা করে চিতাবাঘটি। কিন্তু আক্রমণাত্মক হয়ে বৃদ্ধা তাঁর হাতের দা উঁচু করলে তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যায় দক্ষিণরায়।

    বৃদ্ধার বক্তব্য

    ঘটনার কথা জানিয়ে বৃদ্ধা বলেন, “গরু নিয়ে ফেরার সময় জঙ্গল (Jalpaiguri) থেকে একটি চিতাবাঘ আচমকা আক্রমণ করে আমাকে আহত করে দিয়েছিল। আমি অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে আমার হাতে থাকা দা দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর নিজের দাঁত, নখ বের করে ক্রোধ দেখিয়ে জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায় দক্ষিণরায়। এরপর প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে রাস্তায় এসে লোকের কাছে সাহায্য চাই। সেই সময় এক ব্যক্তি আমাকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর ধুপগুড়ি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়।” অপরদিকে এই আহত বৃদ্ধার নাতনি আনজিনা বেগম বলেন, “মাঠে গরু নিয়ে আসার সময় চিতাবাঘ আক্রমণ করে। কোনও রকমে লড়াই করে প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরে এসেছেন আমার দিদা। তিনি খুবই অসুস্থ। ঘটনায় আমাদের এলাকায় তীব্র আতঙ্কিত ছড়িয়ে পড়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sundarban: সুন্দরবনে বাঘে মানুষের লড়াই, দুই মহিলার মারে রণে ভঙ্গ দিল বাঘ!

    Sundarban: সুন্দরবনে বাঘে মানুষের লড়াই, দুই মহিলার মারে রণে ভঙ্গ দিল বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবন (Sundarban) কলস জঙ্গলে মানুষ এবং বাঘের লড়াই, শেষ পর্যন্ত রণে ভঙ্গ দিল বাঘ, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মৎস্যজীবী। এলাকায় বাঘ এবং মানুষের লড়াইতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    কী ঘটেছে ঘটনা (Sundarban)?

    স্বামী-স্ত্রী এবং মেয়ে নৌকায় করে কলস জঙ্গলে (South 24 Parganas) কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পাথর প্রতিমার জি প্লট গ্রাম পঞ্চায়েতের সত্যদাসপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এই মৎসজীবী পরিবার। সারাদিন কাঁকড়া ধরার পর বেলা চারটের দিকে কলস জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে ব্যস্ত ছিলেন তিন জনেই। হঠাৎ দক্ষিণ রায় স্বামী দীনু মল্লিকের ঘাড়ে দাঁত বসিয়ে থাবায় করে হিড় হিড় করে টানতে থাকে! দৃশ্য দেখে এবং দিনুবাবুর চিৎকারে মেয়ে এবং স্ত্রী ছুটে আসেন। এরপর হাতে থাকা শাবল নিয়ে বাঘের উপর মারতে থাকেন মেয়ে ও মা। আর বাঘে মানুষে লড়াই চলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ। স্ত্রী এবং মেয়ে লাঠি শাবল নিয়ে আঘাত করতে থাকেন বাঘকে। কোনও রকমে ছিটকে জলে পড়ে যান দিনু মল্লিক। আর জলে পড়েই কোন ক্রমে প্রাণটা বাঁচাতে সক্ষম হন দিনুবাবু, অন্যদিকে স্ত্রী মেয়ে স্বামীর জন্য জলে লাফিয়ে পড়ে স্বামীকে উদ্ধার করেন। অপর দিকে ততক্ষণে বাঘ জঙ্গলের দিকে পালতে শুরু করে দিয়েছে। সেই রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে স্ত্রী-মেয়ে নৌকা চালিয়ে পাথরপ্রতিমা হাসপাতাল পৌঁছান। কিন্তু বাঘের আঘাতে দিনু রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকেরা।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের (Sundarban) তরফ থেকে বলা হয়, আমাদের অভাবের সংসার, মাছ ও কাঁকড়া ধরে এবং বিক্রি করে আমাদের পরিবার চলে। পরিবারে একদিকে অভাব এবং জলে জঙ্গলে বাঘের ভয়কে নিয়েও আমাদের প্রত্যেক দিনের জীবন চলছে। পরিবারের তরফে আগেও বলা হয়, কলস জঙ্গলে আমরা মূলত কাঁকড়া ধরতে পরিবারের তিন জন গিয়েছিলাম। হঠাৎ বাঘের আক্রমণে আমরা ভীষণ ভাবে আতঙ্কিত হয়েছি। এছাড়াও মেয়ে বলেন, বাবাকে অনেক কষ্ট করে বাঘের সঙ্গে লড়াই করে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছি। বাবার ঘাড়ে এবং মাথায় ভীষণ ক্ষত হয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে। ভগবানের অশেষ কৃপা যে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ফিরে আসতে পেড়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    Horse Carriage: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অদম্য ইচ্ছাশক্তি। সঙ্গে সাহসও। এমনই দুই বৈশিষ্ট্যের যেন মেলবন্ধন বছর ৬৫ এর মোস্তাক আলি। ছোটবেলা থেকেই সংসারের জন্য লড়াই আর লড়াই। টমটম অর্থাৎ ঘোড়ার গাড়িই (Horse Carriage) তাঁর বন্ধু, জীবনসঙ্গী। তাই এলাকায় টমটম চালক হিসাবেই সুপরিচিত মোস্তাক।

    কলিয়াচকের (Kaliachak) ২ নম্বর ব্লকের পীরুটোলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।  এই এলাকায় ৪টি ঘোড়ার গাড়ি দৌড়ায়। তার মধ্যে মোস্তাকেরটিই বেশি পরিচিত। কারণ এই বয়সেও (Old Age) তিনি অবিরাম একই কাজ করে চলেছেন উৎসাহের সঙ্গে। মুখে মৃদু হাসি, চোখেমুখে বয়সের ছাপ। তবুও যেন হার না মানা চরিত্র।

    এই মানুষটি তাঁর পেশা সম্পর্কে কী বলছেন?

    মোস্তাক আলি বলেন,  “ছোট থেকেই আমি এই কাজ করছি। অন্য কাজ আর কীই বা করব? তাই সাতপাঁচ না ভেবে এই কাজটিই আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত করতে চাই।” জানা গেল, তাঁর দৈনিক আয় ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, যা আজকের বাজারে অনেক কম হলেও সাহস আর মনের জোরে টমটম চালক হিসাবেই রয়েছেন কলিয়াচকে। বললেন, এক সময় অনেক যাত্রী হত। কিন্তু আজকাল কমে গেছে। তাই দোকানহাটে মাল বহন করে যা আয় হয়, তাতেই সংসার (Family) চলে। তিনি জানান, এক সময় এই অঞ্চলে পাঁচশোর বেশি ঘোড়ার গাড়ি (Horse Carriage) ছিল। সেসব গাড়ি বৈষ্ণবনগর, মোথাবাড়ি, সাহাবাজপুর, গোলাপগঞ্জ, কালিয়াচক প্রভৃতি রুটে ছুটে বেড়াত। তিনি এখন মোথাবাড়ি, অচিনতলা সিলামপুর ও কালিয়াচক রুটে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়েই জীবিকার নির্বাহ করেন।

    এই বয়সেও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা মোস্তাক

    এক সময় এই এলাকা সহ পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গাতেই যোগাযোগের (Communication) মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হত এই টমটম। কিন্তু কালের নিয়মে তা আজ শেষের পথে। আজ এই এলাকায় ঘোড়ার গাড়ির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪টিতে। তবুও এই বয়সে মনের জোর নিয়েই মোস্তাক তাঁর ঘোড়ার গাড়িকে (Horse Carriage) ছুটিয়ে নিয়ে চলেছেন কলিয়াচক জুড়ে। আজ ৬৫ বছর বয়সেও তিনি নিজে অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা। কখনও নিজের মনে মনে গান করে ছুটিয়ে নিয়ে চলেন তাঁর টমটম। আর এইসবই তাঁকে আরও উৎসাহ আর মনের জোর দেয় বলে দাবি মোস্তাকের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share