Tag: Finance Ministry

Finance Ministry

  • Indian Economy: বাজেটের আগে প্রকাশ করা হচ্ছে না অর্থনৈতিক সমীক্ষা, কারণ কী জানেন?

    Indian Economy: বাজেটের আগে প্রকাশ করা হচ্ছে না অর্থনৈতিক সমীক্ষা, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৩১ জানুয়ারি, বুধবার। শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। চলবে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবার ষষ্ঠবারের জন্য বাজেট পেশ (Indian Economy) করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। লোকসভায় তিনি বাজেট পেশ করবেন ১ ফেব্রুয়ারি। তবে যেহেতু মাঝ-এপ্রিলে হতে পারে লোকসভা নির্বাচন, তাই এবার পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে না সরকার, পেশ করা হবে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। পোশাকি নাম ‘ভোট অন অ্যাকাউন্ট’। প্রতিবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে প্রকাশ করা হয় অর্থনৈতিক সমীক্ষা। এবার অবশ্য তা করা হবে না। নির্বাচনের পর সরকার বদলে যেতে পারে। তাই প্রকাশ করা হবে না ওই সমীক্ষা।

    ‘ইন্ডিয়ান ইকনমি-আ রিভিউ’

    অর্থমন্ত্রকের তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। নাম দেওয়া (Indian Economy) হয়েছে, ‘ইন্ডিয়ান ইকনমি-আ রিভিউ’। রিপোর্টটি তৈরি করেছেন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অনন্ত নাগেশ্বরন। রিপোর্টটি অফিসিয়াল ইকনোমিক সার্ভের পরিবর্তে প্রকাশ করা হচ্ছে না। এই রিপোর্ট থেকেই জানা যাবে ভারতীয় অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি। অতীতে কী ছিল, ভবিষ্যতেই বা দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য কেমন হবে, সে সবই জানা যাবে এই রিপোর্ট থেকে। রিভিউয়ে দুটি অধ্যায় রয়েছে। তার একটিতে রয়েছে গত দশ বছরে ভারতীয় অর্থনীতির স্বাস্থ্য কেমন হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় অর্থনীতির চেহারাটাই বা কেমন হবে, তাও জানা যাবে এই রিপোর্ট থেকে।

    প্রজেক্টেড গ্রোথ

    রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে ভারতের প্রজেক্টেড গ্রোথ বা প্রত্যাশিত বৃদ্ধি (আর্থিক) হবে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩০ সালের মধ্যে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত দশকে পরিকাঠোমার কী কী সংস্করণ হয়েছে এবং তার কী প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে, তাও জানা যাবে। ২০২৪ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৭.২ শতাংশ। পরপর তিন মাসে ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধি ছাপিয়ে যেতে পারে ৭ শতাংশ। লগ্নি বাড়তে পারে রাষ্ট্রায়ত্ত সেক্টরে।

    আরও পড়ুুন: গ্রেফতারির আশঙ্কা! আজ ইডির সামনে হেমন্ত, মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কি স্ত্রী কল্পনা সোরেন?

    প্রসঙ্গত, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় বর্তমানে ভারতের নাম রয়েছে পাঁচ নম্বরে। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তার পর থেকে ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী ভারতীয় অর্থনীতির লেখচিত্র (Indian Economy)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GST Collection: অক্টোবরের জিএসটি সংগ্রহ প্রায় ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা, এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ

    GST Collection: অক্টোবরের জিএসটি সংগ্রহ প্রায় ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা, এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে লাভের মুখ দেখল ভারতীয় অর্থনীতি। বাড়ল জিএসটি সংগ্রহের (GST Collection in October) পরিমাণ। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের তুলনায় এ বছরের অক্টোবর মাসে জিএসটি বাবদ কেন্দ্রের আয়ের পরিমাণ বাড়ল ১৬.৬ শতাংশ। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে পণ্য ও পরিষেবা কর বাবদ আদায় হয়েছে ১,৫১,৭১৮ কোটি টাকা। যা দেশে জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়। সবথেকে বেশি রাজস্ব সংগ্রহ হয়েছিল গত এপ্রিলে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিএসটি বাবদ আদায় ১.৫০ লক্ষ কোটি টাকার সীমা ছাড়াল বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

    অক্টোবরে আদায়কৃত জিএসটি-র মধ্যে সিজিএসটির পরিমাণ হল ২৬,০৩৯ কোটি, এসজিএসটির পরিমাণ ৩৩,৩৯৬ কোটি, আইজিএসটি ৮১,৭৭৮ কোটি (পণ্য আমদানিবাবদ ৩৭,২৯৭ কোটি টাকা রাজস্ব ধরে) এবং সেসের পরিমাণ ১০,৫০৫ কোটি টাকা (পণ্য আমদানিবাবদ রাজস্ব আদায় ৮২৫ কোটি টাকা ধরে)। 

    অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, জিএসটি যুক্ত পণ্যের জন‌্য যে ই-ওয়ে বিল তৈরি হয়, সেপ্টেম্বরে সেই সংখ‌্যাও ছিল অনেকটাই বেশি। সেপ্টেম্বরে ৮ কোটি ৩০ লক্ষ ই-ওয়ে বিল দাখিল হয়েছে । অগাস্টে সেই সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭০ লক্ষ। এই নিয়ে টানা ৯ মাস মাসিক জিএসটি আদায় ১.৪ লক্ষ কোটি টাকার উপরে থাকল।

    আরও পড়ুন: খনি দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তিতে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী, ইডি দফতরে তলব হেমন্ত সোরেনকে

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বেশ কিছুতে পণ্যের ওপর কর ছাড়ের সুবিধা তুলে নিয়েছিল কেন্দ্র। মাছ, মাংস, দই, পনির, চাল, ডাল, আটা, গুড়, মধু, মুড়ির মতো প্যাকেটবন্দি এবং লেবেল সাঁটা পণ্যে কেন্দ্র ৫% জিএসটি বসানো হয়েছে। চেকবই ইস্যু করতে ব্যাঙ্কগুলি যে ফি নেয়, তাতেও ১৮% কর বসানো হয়েছে। তাতে যে ভারতীয় কোষাগারের লাভের পালে হাওয়া লেগেছে তা অক্টোবরের জিএসটি আদায়ের পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট।

    অক্টোবরে দেশে ব্যাপক পরিমাণে ব্যবসা বাণিজ্য হয়েছে। এপ্রিলের পরে অক্টোবরেই দেশে অভ্যন্তরীণ ব্যবসা এতটা বেশি হয়েছে।

    অর্থমন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, সেপ্টেম্বরে গুজরাট ও মহারাষ্ট্রে মাসিক ভিত্তিতে রেকর্ড পরিমাণ জিএসটি সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপরেই রয়েছে তামিলনাড়ু ও কর্ণাটক। আরও বিস্তারিতভাবে অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, শুধু মুম্বাই জোনেই সিজিএসটির ১৮ শতাংশ ও শুল্ক সংগ্রহের ২৫ শতাংশ অবাদন থাকে।

    অক্টোবরে যে জিএসটির পরিমাণ বাড়বে, তার ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল। অক্টোবর থেকেই উৎসবের মরশুম শুরু হয়। যার জেরে আমদানি-রফতানি অনেকটাই বেড়ে যায়। ফলস্বরূপ অক্টোবরে ব্যাপক পরিমাণে জিএসটি সংগ্রহ হয়।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Direct Tax Collection: চলতি অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহে বিপুল বৃদ্ধি, কত জানলে চোখ কপালে উঠবে!

    Direct Tax Collection: চলতি অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহে বিপুল বৃদ্ধি, কত জানলে চোখ কপালে উঠবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ (Direct Tax Collection)। গত আর্থিক বর্ষের (Fiscal Year) তুলনায় এবার এক লপ্তে এই কর সংগ্রেহের পরিমাণ বেড়েছে অনেকখানি। প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ যে গতবারের তুলনায় এবার বেড়েছে তা জানিয়েছে অর্থমন্ত্রকই (Finance Ministry)। রবিবার অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, চলতি আর্থিক বর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৩০ শতাংশ। এই কর আদায় হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। টাকার অংকে এই সংগ্রহের পরিমাণ ৮.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা। মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লক্ষ ৩৬ হাজার ২২৫ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৬ লক্ষ ৪২ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে এই বৃদ্ধির পরিমাণ ৩০।

    প্রত্যক্ষ কর হল সেই কর, যা কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি সরকারকে দেয়। এজন্য ফি বছর দাখিল করতে হয় আয়কর রিটার্ন। প্রত্যক্ষ করের মধ্যে পড়ে আয়কর, রিয়েল প্রপার্টি কর, পার্সোনাল প্রপার্টি করও। অর্থ মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে ১৭ সেপ্টম্বর পর্যন্ত প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের নিট পরিমাণ ৭ লক্ষ ৬৬৯ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই সংগ্রহের পরিমাণ ছল ৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে বৃদ্ধির হার ২৩ শতাংশ।

    আরও পড়ুন : ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক?

    মন্ত্রক জানিয়েছে, নিট প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ ৭ লক্ষ ৬৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে কর্পোরেশন ট্যাক্স ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। পার্সোলান ইনকাম ট্যাক্স যার মধ্যে সিকিউরিটিজ ট্রানজেকশান ট্যাক্সও রয়েছে, তার পরিমাণ হল ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। ওই বিবৃতি থেকেই জানা গিয়েছে, চলতি অর্থ বর্ষের প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ১৭ সেপ্টম্বর পর্যন্ত ক্রমবর্ধমান অগ্রিম কর সংগ্রের পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩০৮ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই সময় সীমায় এর পরিমাণ ছিল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়ায় ১৭। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিফান্ড করা হয়েছে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Direct Tax Collection: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি, বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ 

    Direct Tax Collection: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি, বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের (Direct Tax Collection) পরিমাণ। শতাংশের হিসেবে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫.৪৬। ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ টাকার অঙ্কে ৬.৪৮ লক্ষ কোটি। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রকের (Finance Ministry) তরফে জানানো হয়েছে একথা। প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের এই যে পরিমাণ, এর মধ্যে রয়েছে পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্সও। প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের এই পরিমাণ ভারতীয় অর্থনীতির সুদিনের প্রতিফলন। প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ১৩.৫ শতাংশ।

    প্রত্যক্ষ কর হল দেশের নাগরিকের আয় ও সম্পদের ওপর নির্দিষ্ট হারে আদায়কৃত সরকারি রাজস্ব। এর উল্টো পিঠে রয়েছে পরোক্ষ কর বা মূল্য সংযোজন কর। এটি পণ্য ও সেবা উৎপাদন ও বিক্রয়, আমদানি, রফতানি ও অভ্যন্তরণী ব্যবসা বাণিজ্যের ওপর আরোপ করা হয়।

    জানা গিয়েছে, গত বছর এই সময় সীমায় প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ যা ছিল এবার তার চেয়ে বেড়েছে ৩০.১৭ শতাংশ। আয়কর দফতর যে ডেটা প্রকাশ করেছে, তা থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ টোটাল বাজেট এস্টিমেটের ৩৭.২৪ শতাংশ।

    আরও পড়ুন : অক্টোবর থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসছে জিএসটি নিয়মে, জেনে নিন

    অর্থমন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ৮ সেপ্টম্বর পর্যন্ত প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ  এটা দেখায় যে মোট আদায়ের পরিমাণ ৬.৪৮ লক্ষ কোটি টাকা। গত বছর এই সময় সীমায় যা সংগৃহীত হয়েছিল তার চেয়ে ৩৫.৪৬ শতাংশ বেশি। কর্পোরেট ইনকাম ট্যাক্সের বৃদ্ধির হার ২৫.৯৫ শতাংশ। আর পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্সের বৃদ্ধির হার ৪৪.৩৭ শতাংশ। প্রসঙ্গত, গত আর্থিক বর্ষ যা শেষ হয়েছে ৩১ মার্চ, সেখানে ভারতের প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ ৪৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১৪.১০ লক্ষ টাকা। অগাস্টে মোট জিএসটি (gst) রাজস্ব সংগ্রহ হয়েছে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১২ কোটি টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
LinkedIn
Share