Tag: Financial Assistance

Financial Assistance

  • Howrah Municipal Corporation: কলকাতা-হাওড়া পুরসভা সংশোধনী বিল পাশ, বাড়ল প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতা

    Howrah Municipal Corporation: কলকাতা-হাওড়া পুরসভা সংশোধনী বিল পাশ, বাড়ল প্রাক্তন বিধায়কদের চিকিৎসা ভাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিধানসভার অধিবেশনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত সংশোধনী (Howrah Municipal Corporation) বিল ধ্বনিভোটে পাশ হওয়ার পাশাপাশি অসমের ভয়াবহ বন্যায় দুর্গতদের জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রাক্তন বিধায়কদের মাসিক চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক সেবাকেন্দ্র চালুর কথাও জানানো হয়েছে (West Bengal Assembly)। সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য শর্তসাপেক্ষে মাসিক ৩০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

    পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি পৃথক সংশোধনী বিল (Howrah Municipal Corporation)

    মঙ্গলবার বিধানসভায় পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি পৃথক সংশোধনী বিল পেশ করা হয়। আলোচনার পর ধ্বনিভোটে দু’টি বিলই পাশ হয়ে যায়। বিল নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, বিধি বা নিয়ম সরিয়ে কোনও বিল পাশ করানো হচ্ছে না। কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়। কলকাতা পুরসভার নিজস্ব আইন রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। ওয়ার্ডের সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ নির্বাচন কমিশন করবে বলেও জানান তিনি। খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে তা নিয়ে মতামত জানানোর জন্য ৬০ দিন সময় পাওয়া যাবে। এই প্রক্রিয়ায় দু’টি সর্বদলীয় বৈঠকও হবে। প্রথম বৈঠক হবে খসড়া প্রকাশের আগে এবং দ্বিতীয়টি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে।

    মানবিক সরকার

    অসমের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বন্যায় ইতিমধ্যেই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অসমে বহু বাংলাভাষী মানুষ বসবাস করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের পক্ষ থেকে অসমের বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয় (Howrah Municipal Corporation)। প্রাক্তন বিধায়কদের আর্থিক সুরক্ষা এবং তাঁদের প্রতি সম্মান জানাতে চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের আমলে এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    প্রাক্তন বিধায়কদের পাশেও সরকার

    সততার সঙ্গে কাজ করেছেন এমন বহু প্রবীণ প্রাক্তন বিধায়ককে তিনি দেখেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মহিষাদলের প্রাক্তন বিধায়ক দীনবন্ধু রায় এবং বাসন্তীর প্রাক্তন মন্ত্রী সুভাষ নস্করের মতো বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্ষীয়ান প্রাক্তন বিধায়কদের প্রতি সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে।” সেই দায়িত্বের কথা মাথায় রেখে প্রাক্তন বিধায়কদের মাসিক চিকিৎসা ভাতা ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছনোর পাশাপাশি বিধায়কদের কাজের সুবিধার জন্য প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে একটি করে সেবাকেন্দ্র চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শাসকদলের শতাধিক বিধায়ক এই ধরনের সেবাকেন্দ্র চালু করেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    চালু হচ্ছে সেবাকেন্দ্র!

    তবে এই সেবাকেন্দ্র চালু করতে ইচ্ছুক বিধায়কদের জন্য দু’টি শর্তের কথা জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, সেবাকেন্দ্রের নাম রাখতে হবে “নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র”। পাশাপাশি কেন্দ্রের ভিতরে নেতাজির ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত ছবি রাখতে হবে। এই দু’টি শর্ত পূরণ করলে (West Bengal Assembly) সংশ্লিষ্ট বিধায়করা সেবাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে (Howrah Municipal Corporation) অনুদান পাবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

     

  • Bankura: ৮০ ছুঁইছুঁই বৃদ্ধ চার বছর ধরে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শুধু নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে!

    Bankura: ৮০ ছুঁইছুঁই বৃদ্ধ চার বছর ধরে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন শুধু নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবিত ও মৃত’ গল্পের কথা মনে আছে? মনে পড়ে সেই বিখ্যাত লাইন, “কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই”?
    এবার আসছি বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের কানাকাটা গ্রামের নজর আলি খানের কথায়। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই ব্যক্তিকেও না একদিন ওই রাস্তাতেই হাঁটতে হয়! কারণ, দিব্যি হেঁটেচলে বেড়ানো এই বৃদ্ধ সরকারের খাতায় ‘মৃত’। ফলে এক সময় তিনি প্রতি মাসে বার্ধক্য ভাতা বাবদ যে ১০০০ টাকা করে পেতেন, তা গত চার বছর হল বন্ধ। সমস্যা সমাধানে তিনি স্থানীয় নেতা, পঞ্চায়েত, প্রশাসন সর্বত্র দরবার করেছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি আজও। ফলে একজন জীবিত ব্যক্তি কি নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে প্রমাণ করতে বাধ্য হবেন যে তিনি মৃত নন? পরিবেশ এবং পরিস্থিতি দেখে ওই বৃদ্ধ রীতিমতো হতাশ। তিনিও বুঝতে পারছেন না, এবার কী করবেন।

    সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে (Bankura)

    নজর আলি খানের বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই। মাথার সব চুল পেকে গিয়েছে। মুখ সাদা দাড়িতে ভরা। কয়েকটা দাঁতও আস্ত নেই। ভালো করে কথা বলার শক্তি হারিয়েছেন তিনি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্য ভাতা পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু ছন্দপতন ঘটে ২০২০ সালে। বার্ধক্য ভাতা হিসেবে ওই টাকা বন্ধ হয়ে যায়। তখনই তিনি পড়ে যান আতান্তরে। গ্রামের মানুষ যা করে, তিনিও ছুটলেন পঞ্চায়েত দফতরে (Bankura)। কাজ হল না। ছুটে গেলেন বিডিও অফিসে। সেখানেও একই কথা, সরকারের খাতায় আপনি তো মৃত। মানুষের নানা সমস্যা সমাধানের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে যে দুয়ারে সরকার শিবির চালু হয়েছে, দৌড়ে গেলেন সেখানেও। একরাশ হতাশা ছাড়া জুটল না আর কিছুই। এদিকে অভাবের সংসারে ওই টাকাটুকু না পাওয়ায় সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর হয়ে ওঠে। নিজেকে জীবিত প্রমাণ করার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন ওই অসহায় বৃদ্ধ।

    প্রশাসনের কি আদৌ কোনও সদিচ্ছা আছে? (Bankura)

    প্রশ্ন উঠতে পারে, দিব্যি হাঁটাচলা করা এক ব্যক্তির গা থেকে মৃত লেবেলটা গত চার বছর ধরে পার্টি বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা কেন তুলে দিতে পারলেন না? কেন একে অন্যের ওপর দায় চাপালেন। সিমলাপাল গ্রাম পঞ্চায়েত স্বীকার করেছে যে একটা অনিচ্ছাকৃত ভুল। তা যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করা হবে, এমন আশ্বাসও তারা দিয়েছে। চার বছর অপেক্ষা করা কি সেই দ্রুত সমাধানের পরিচয়? বিডিও মানস চক্রবর্তীর মুখেও সেই একই আশ্বাস, দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের সম্পাদক রামানুজ সিংহ মহাপাত্রও আশ্বাস দেওয়ার ব্যাপারে এঁদের থেকে পিছিয়ে নেই। হক কথাটি বলেছেন বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বিজেপির সম্পাদক দীপককুমার দাস। তাঁর প্রশ্ন, প্রশাসনের কি আদৌ কোনও সদিচ্ছা আছে?   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share