Tag: Finland

Finland

  • India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    India Russian Oil Imports: রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড, কী বললেন মন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে ভারতের অবস্থানের পক্ষে অপ্রত্যাশিত সমর্থন জানাল (India Russian Oil Imports) ফিনল্যান্ড। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন সাফ জানিয়ে দেন (Finland), পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত তেলের মূল্যসীমা (Oil Price Cap) মেনেই ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনেছে এবং সেটাই ছিল ওই নীতির মূল উদ্দেশ্য।

    ভারতের পাশে ফিনল্যান্ড (India Russian Oil Imports)

    ফিনল্যান্ডের ‘কুলতারান্তা টকস’-এ আয়োজিত এক আলোচনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ফিনল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী এলিনা ভালতোনেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সহকারী বিদেশমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ অংশ নেন। সেখানে ভালতোনেন জানান, কখনওই বিশ্বকে রুশ তেল কেনা থেকে বিরত রাখা পশ্চিমী দেশগুলির আরোপিত মূল্যসীমার লক্ষ্য ছিল না। তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই, ভারত মূল্যসীমার আওতায় থেকেই তেল কিনেছে। আমরা যখন এই মূল্যসীমা চালু করি, তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশকে রাশিয়ার তেল কেনা থেকে নিষিদ্ধ করিনি। উদ্দেশ্য ছিল, তেলের বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং একই সঙ্গে রাশিয়ার অতিরিক্ত মুনাফা সীমিত করা।”

    জয়শঙ্করের সাফ কথা

    এদিকে, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে সমালোচনার জবাবে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানান, ভারতের জ্বালানি আমদানির সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অবস্থানের ভিত্তিতে নয়, বরং মূল্য ও প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে (India Russian Oil Imports)। জয়শঙ্কর বলেন, “আমি তেল কিনি দাম এবং প্রাপ্যতার ভিত্তিতে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় পরিবর্তন এসেছিল। সেই সময় ইউরোপীয় দেশগুলি মধ্যপ্রাচ্যের বিপুল পরিমাণ তেল কিনতে শুরু করায় ভারতের জন্য বিকল্প উৎস খুঁজে নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতির কারণেই রাশিয়ার দিকে ঝুঁকতে হয়। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর দাবি, সেই সময় বৈশ্বিক তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার পরামর্শ দিয়েছিল। তিনি বলেন, “এখানে কোনও বড় নীতিগত প্রশ্ন জড়িত আছে বলে ভান করার প্রয়োজন নেই।”

    কড়া জবাব ভারতের

    ইউরোপের সমালোচনারও কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। তিনি (India Russian Oil Imports) বলেন, “ইউরোপের অনেক দেশ এমন অস্ত্র বিক্রি করেছে, যা বহু বছর ধরে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে। তার জেরে ভারত কখনওই ইউরোপের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেনি। বিষয়টি মনে রাখা উচিত।” তিনি এও জানান, বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া হলেও, সবচেয়ে বড় গ্যাস সরবরাহকারী আমেরিকা (Finland)। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এটা ছিল কাতার। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক শুধু জ্বালানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বলেও জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর।

    বিশ্লেষকদের মতে, ফিনল্যান্ডের এই মন্তব্য ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। কারণ, নয়াদিল্লি বরাবর দাবি করে আসছে, তারা পশ্চিমী দেশগুলির নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যেই রাশিয়ার তেল কিনেছে (Finland) এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ভারসাম্য রক্ষায়ও সেই নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India Russian Oil Imports)।

     

  • PM Modi: তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন মোদি?

    PM Modi: তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার নরওয়ের রাজধানী অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে (India Nordic Partnership) যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনে ভারত ও নর্ডিক দেশগুলির মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের ওই বৈঠক সম্পর্কে জানান, “অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ভারত-নর্ডিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছি, যা নর্ডিক অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অংশীদারিত্বের ক্রমবর্ধমান গভীরতা ও গতিশীলতা প্রতিফলিত করে।” এই সম্মেলনে ভারত এবং নর্ডিক দেশগুলি—ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনের নেতারা—ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি যৌথ রূপরেখা তৈরি করতে একত্রিত হন। আলোচনায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।বহুপাক্ষিক আলোচনার মূল বিষয়গুলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের আলোচনা টেকসই উন্নয়ন, উদ্ভাবন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উদীয়মান প্রযুক্তি এবং শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতা জোরদারের মতো বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীভূত ছিল।”

    ভারতের ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক উত্তর ইউরোপে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবকে তুলে ধরে, যেখানে যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং টেকসই উন্নয়ন মডেলের মাধ্যমে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আন্তঃআঞ্চলিক অংশীদারিত্বের মূল নীতিগুলি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও নর্ডিক দেশগুলি যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং মানবকেন্দ্রিক উন্নয়নের প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের মাধ্যমে একত্রিত।” মূল সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের নেতাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জলবায়ু পদক্ষেপ এবং প্রযুক্তিগত সংযুক্তির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয় (PM Modi)। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলিতে উত্তর ইউরোপের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সামগ্রিক অগ্রগতি নিয়েও পর্যালোচনা করা হয় (India Nordic Partnership)।

    আইসল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি

    প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোটিয়ার (Kristrun Frostadottir)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সবুজ প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সম্পদ উন্নয়নে নতুন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোটিরের সঙ্গে অত্যন্ত সুন্দর বৈঠক হয়েছে। ভারত আইসল্যান্ডের সঙ্গে বন্ধুত্বকে গভীরভাবে মূল্য দেয়।” দুই নেতা নবায়নযোগ্য শক্তি, কার্বন ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই মৎস্য শিল্পে কৌশলগত সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন (PM Modi)। আইসল্যান্ডের বিশেষ অর্থনৈতিক শক্তির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্লু- ইকোনমি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে আইসল্যান্ডের দক্ষতা প্রশংসনীয়। আমরা আশা করি ঐতিহাসিক ইন্ডিয়া-ইএফটিএ (India-EFTA TEPA) বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ককে আরও গতি দেবে।”

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, আলোচনায় উদ্ভাবন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, সৃজনশীল অর্থনীতি, আর্কটিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ও ছিল (India Nordic Partnership)। তিনি বলেন, “দুই নেতা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করেছেন।” এরপর প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেট্টেরি অর্পোর (Petteri Orpo) সঙ্গে। দুই রাষ্ট্রনেতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ৫জি এবং ৬জি নেটওয়ার্ক, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং সার্কুলার ইকোনমির মতো ভবিষ্যৎমুখী ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অংশীদারিত্ব বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, দুই নেতা ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও মতবিনিময় করেন (PM Modi)।

    বৈঠক ডেনমার্কের সঙ্গেও

    প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টি ফ্রেডেরিকসেনের (Mette Frederiksen) সঙ্গেও। দুই দেশের মধ্যে সবুজ কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত এবং টেকসই উন্নয়ন ও ডিজিটালাইজেশনে সহযোগিতা বাড়াতেই হয় এই বৈঠক। পাঁচটি নর্ডিক দেশের সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন ১.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, এবং তারা সবুজ রূপান্তর মডেলের ক্ষেত্রে বিশ্বে অগ্রণী। প্রসঙ্গত, সোমবার সুইডেন থেকে নরওয়েতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। এটি ছিল তাঁর ১৫-২০ মে পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে ও ইতালি সফর নিয়ে গঠিত পাঁচ দেশের বিস্তৃত সফরের অংশ। নরওয়ের রাজধানীতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি (India Nordic Partnership) সফরের শেষ পর্যায়ে ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share