Tag: Firad Hakim

  • Sourav Ganguly: সৌরভের নিরাপত্তায় কাটছাট, ‘জেড’ থেকে দু’ধাপ নামিয়ে ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরি করল শুভেন্দুর সরকার

    Sourav Ganguly: সৌরভের নিরাপত্তায় কাটছাট, ‘জেড’ থেকে দু’ধাপ নামিয়ে ‘ওয়াই’ ক্যাটাগরি করল শুভেন্দুর সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনদের সরকারি নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা বর্তমান সিএবি (CAB) সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম। গত তিন বছর ধরে রাজ্য সরকারের ‘জেড ক্যাটাগরি’ (Z Category)-র নিরাপত্তা পেয়ে আসছিলেন তিনি। তবে নতুন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তাঁর সুরক্ষাবলয় কমিয়ে এবার ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’ (Y Category) করা হয়েছে। এই বিষয়ে সৌরভের (Sourav Ganguly) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    সরকারি নিরাপত্তার বিভিন্ন স্তর (Sourav Ganguly)

    সাধারণত কার জীবনের ঝুঁকি (Threat Perception) কতটা, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে তা পর্যালোচনা করেই সরকারি নিরাপত্তার স্তর নির্ধারণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতি এবং শীর্ষ আমলাদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র তারকা, শিল্পপতি ও খেলোয়াড়দেরও এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়ে থাকে। সুরক্ষার এই বিন্যাস মূলত তিনটি স্তরে বিভক্ত—‘এক্স’, ‘ওয়াই’ (Y Category) এবং ‘জেড’। এর মধ্যে ‘ওয়াই’ এবং ‘জেড’ স্তরের ক্ষেত্রে ‘প্লাস’ (Plus) নামক আরও একটি উচ্চতর ক্যাটাগরি থাকে— ‘ওয়াই প্লাস’ এবং ‘জেড প্লাস’। অর্থাৎ, ‘ওয়াই’ এবং ‘জেড’ স্তরের মাঝে থাকে ‘ওয়াই প্লাস’। সেই দিক দিয়ে ‘মহারাজ’-এর নিরাপত্তা দুই ধাপ কমিয়ে দেওয়া হল।

    সৌরভের নিরাপত্তার বিবর্তন

    ২০২৩ সালের মে মাস পর্যন্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’র (Y Category) নিরাপত্তাই পেতেন। সে সময় কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের তিনজন কর্মী (যার মধ্যে দুজন সশস্ত্র) তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন। এরপর তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাঁর নিরাপত্তা বাড়িয়ে ‘জেড’ ক্যাটাগরি করে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ থেকে ১০ জনে। পাশাপাশি, তাঁর বাড়ি পাহারা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয় এবং রাস্তায় চলাচলের জন্য দেওয়া হয় পাইলট কার। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন পুলিশকর্মী তাঁর সুরক্ষায় নিযুক্ত ছিলেন।

    রাজ্যে প্রশাসনিক সংস্কার এক নজরে নিরাপত্তা কাটছাঁট

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন ছাড়া কাউকে অতিরিক্ত সরকারি নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। গত ৪ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই পর্যালোচনা শুরু হয়। তৃণমূল জমানায় রাজ্যে সর্বোচ্চ অর্থাৎ ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা পেতেন মূলত তিনজন— রাজ্যপাল, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবং কলকাতার তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও উচ্চস্তরের নিরাপত্তা পেতেন। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই চিত্রে বড় বদল এসেছে:

    • ● মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: কালীঘাটের বাড়ি থেকে বাড়তি পুলিশ পাহারা সরানো হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আইনত তিনি যতটুকু নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারী, তাঁকে ঠিক ততটুকুই দেওয়া হচ্ছে।
    • ● অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: তাঁর ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। একজন সাধারণ সাংসদ হিসেবে তাঁর প্রাপ্য সুরক্ষাই বহাল রাখা হয়েছে।
    • ● অন্যান্য: একাধিক তৃণমূল নেতা এবং প্রাক্তন শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের নিরাপত্তার পরিধিও ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা হয়েছে।

    নেপথ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ ও ‘ভারসাম্যের রাজনীতি’

    সৌরভের (Sourav Ganguly) নিরাপত্তা হ্রাসের এই ঘটনাকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের পারদ ওঠানামার চশমায় দেখছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সৌরভকে ‘মুখ’ করে বাংলায় বৈতরণী পার হতে চেয়েছিল বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সক্রিয় ভূমিকায় সৌরভ বিসিসিআই (BCCI) সভাপতি হন। ২০২০ সালে বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত পুজোয় সৌরভ-পত্নী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নৃত্য পরিবেশন কিংবা ২০২১-এর নির্বাচনের ঠিক আগে সৌরভের বেহালার বাড়িতে অমিত শাহের নৈশভোজ— এই সমস্ত ঘটনাকে সেই রাজনৈতিক অঙ্কেরই অংশ মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সৌরভ রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখায় বিজেপি নেতৃত্ব একে একপ্রকার ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ হিসেবেই দেখেছিল।

    শালবনী নিয়ে কটাক্ষ শমীকের

    সৌরভ বরাবরই উভয় পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার নীতি বা ‘ভারসাম্যের রাজনীতি’ পছন্দ করেছেন। একদিকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যেমন তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল, অন্যদিকে অমিত শাহের সঙ্গেও তিনি সম্পর্ক তিক্ত করতে চাননি। তবে অতি সম্প্রতি শালবনি কারখানার প্রসঙ্গ টেনে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সৌরভকে কটাক্ষ করেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্তমান শাসক দল সৌরভকে ঠিক কোন নজরে দেখছে, সেই কটাক্ষেই তা স্পষ্ট ছিল। আর এবার নিরাপত্তার বহর কমিয়ে নবান্ন সেই রাজনৈতিক বার্তাই প্রশাসনিকভাবে কার্যকর করল বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের সম্পত্তি এবার কলকাতা পুরসভার নজরে, ২১টি বাড়ির নকশা তলব করে নোটিস, অবৈধ নির্মাণ থাকলেই ভাঙা হবে!

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের সম্পত্তি এবার কলকাতা পুরসভার নজরে, ২১টি বাড়ির নকশা তলব করে নোটিস, অবৈধ নির্মাণ থাকলেই ভাঙা হবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) স্থাবর সম্পত্তি এবার কলকাতা পুরনিগমের (KMC) আইনগত নজরদারির আওতায় এসেছে। তাঁর মালিকানাধীন ও সংশ্লিষ্ট ২১টি সম্পত্তির (21 Properties Plans) অনুমোদিত নকশা বা ‘বিল্ডিং প্ল্যান’ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ। মূল নকশার সঙ্গে বাস্তব নির্মাণের কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। অবৈধ নির্মাণ থাকলে নিজেথেকেই ভাঙতে হবে, নয়তো প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    উল্লেখ্য, এর মাত্র দু’দিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনসমক্ষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল সম্পত্তির একটি খতিয়ান তুলে ধরেছিলেন। তার পরপরই কলকাতা পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগের পক্ষ থেকে এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন যে, বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না।

    ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে নথি দেওয়ার নির্দেশ (Abhishek Banerjee)

    লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সম্পত্তি ও পুরনিগমের আইনি ধারা অনুযায়ী বৈধ কিনা সেই মর্মে নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পারিবারিক সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত সম্পত্তিগুলির বৈধতা যাচাই করাই পুরনিগমের মূল লক্ষ্য। কলকাতা পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সবকটি ঠিকানায় (21 Properties Plans) নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    পুরনিগম সূত্রে জানা গেছে, কলকাতা পুরসংস্থার বিল্ডিং আইনের ৪০১ ধারা (Section 401) মোতাবেক এই নোটিস জারি করা হয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সম্পত্তিগুলির বৈধ কাগজপত্র ও নকশা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্ত নথি জোগাড় করতে না পারলে, নিয়মানুযায়ী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সময় প্রার্থনা করা হতে পারে।

    তথ্য আগেই এসে গিয়েছিল শুভেন্দুর হাতে

    গত রবিবার ফলতার এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেছিলেন, ‘‘কলকাতা পুরনিগম থেকে আমি নির্দিষ্ট তালিকা আনিয়েছি। কলকাতায় এবং আমতলায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর ২৪টি বিলাসবহুল (21 Properties Plans) সম্পত্তি ও প্রাসাদোপম কার্যালয় রয়েছে।’’ পুরনিগমের অভ্যন্তরীণ সূত্রে খবর, যেসব সম্পত্তিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে, তার মধ্যে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি ভবন এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল আবাসন রয়েছে। তবে সুরক্ষার স্বার্থে পূর্ণাঙ্গ তালিকাটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    কেন্দ্রীয় এজেন্সির পর এবার পুর প্রশাসন

    প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে উল্লেখ্য, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ (Abhishek Banerjee) সংস্থাটি ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির (CBI ও ED) নজরদারিতে রয়েছে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রাক্কালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই সংস্থার ডিরেক্টর পদ থেকে ইস্তফা দিলেও পরবর্তী সময়ে তিনি এর সিইও (CEO) হিসেবে যুক্ত ছিলেন। তৎকালীন সময়ে তাঁর বাবা, মা এবং স্ত্রী এই সংস্থার ডিরেক্টর পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    রাজ্যের বিগত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চলাকালীন এই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রথম সামনে আসে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির পর এবার স্বয়ং কলকাতা পুরনিগম এই সম্পত্তিগুলির নির্মাণগত বৈধতা খতিয়ে দেখতে সক্রিয় হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    নিজেস্ব নিয়মে নোটিশ জারি করেছে

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি এবং পারিবারিক সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর কার্যালয়গুলিতে কলকাতা পুরনিগমের (KMC) নোটিস পাঠানো নিয়ে মুখ খুলেছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পুরসভার এই আকস্মিক আইনি পদক্ষেপের দায় সম্পূর্ণভাবে নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলে তিনি স্পষ্ট বলেন, “এই নোটিস জারির বিষয়ে পৌর প্রশাসনের শীর্ষ স্তর বা রাজনৈতিক নেতৃত্ব অবগত ছিল না। কলকাতা পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগ আইন ও নিয়মের নিজস্ব পরিধির মধ্যে থেকে এই নোটিস জারি করেছে। এটি কোনও রাজনৈতিক নির্দেশ বা মেয়রের দফতর থেকে নেওয়া নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়।” ফিরহাদ আরও জানান, পুরসভার ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে পাঠানো এই নোটিসের বিষয়ে তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না বলে উল্লেখ করেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনও ভবনের নকশা বা নির্মাণে অসঙ্গতি থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ যে রুটিন নোটিস পাঠায়, এটিও তেমনই একটি পদক্ষেপ।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভেতরের সমীকরণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Abhishek Banerjee) প্রকাশ্য বিবৃতির পরদিনই কলকাতা পুরনিগমের মতো একটি তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড যেভাবে সক্রিয় হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১টি সম্পত্তির নকশা তলব করেছে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    এই পরিস্থিতিতে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের “কিছুই না জানার” এই বয়ান অত্যন্ত সুকৌশলী। একদিকে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, পুর প্রশাসন সম্পূর্ণ আইন মেনে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। অন্যদিকে দলের অন্দরে এই স্পর্শকাতর বিষয়টিকে (21 Properties Plans) কেন্দ্র করে যাতে কোনও ভুল বোঝাবুঝি না তৈরি হয়, সেই কারণেই তিনি এই পুরো প্রক্রিয়াটি থেকে দূরত্ব বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে এই আইনি নোটিসকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন পুরসভার অন্দরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিমের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

LinkedIn
Share