Tag: Fire

Fire

  • India Bangladesh Relation: প্রকাশ্যে স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে বিতর্ক বাড়ালেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা, নিন্দার ঝড়

    India Bangladesh Relation: প্রকাশ্যে স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি পুড়িয়ে বিতর্ক বাড়ালেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ভারতীয় পণ্য বয়কটের (India Bangladesh Relation) ডাক দিলেন কট্টরপন্থী বিএনপি নেতা রুহুল রিজভি। এই প্রতিবাদ দেখাতে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সেক্রেটারি জেনারেল অবিমৃষ্যকারীর মতো স্ত্রীর ভারতীয় শাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় উঠেছে আন্তর্জাতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে দুই দেশের ভিন্ন আচরণ নিয়ে। একদিকে বাংলাদেশের হাইকমিশন, ডেপুটি হাইকমিশনের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত। দুই দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব। তখনই হঠকারী আচরণ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি-র এক শীর্ষ নেতার।

    ঘটনায় নিন্দার ঝড়

    ভারত যখন বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ঢাকাকে বার্তা দিচ্ছে, তখন বিএনপি নেতা ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন। স্থানীয় পণ্য ব্যবহার করতে বললেন। সেইসময় একটি লাল শাড়ি দেখিয়ে রিজভি বলেন, “এটি ভারতীয় শাড়ি। আমার স্ত্রীর। তিনি নিজে শাড়িটি আমায় দিয়েছিলেন। আমি আপনাদের সামনে শাড়িটি ছুড়ে ফেলে দিচ্ছি।” অবিমৃষ্যকারীর মতো শাড়িটি ছুড়েও ফেলে দেন তিনি। এরপর দলের কর্মীদের শাড়িটিতে আগুন ধরাতে বলেন। দলীয় কর্মীরাও তাঁর কথা মতো শাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনরা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। 

    আরও পড়ুন: সেনার ৫৩তম বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না বাংলাদেশ?

    ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়ে রুহুল বলেন, “ভারতের যে শাড়ি বাংলাদেশের মা-বোনেরা কিনতেন, তা আর কেনা হবে না। তিনি বলেন, ভারতের সাবান, টুথপেস্ট কোনও কিছুই কেনা হবে না। পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি সুর চড়া করে বলেছেন, ভারতের পেঁয়াজের চাইতে বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঝাঁঝ বেশি, ভারতের মরিচের থেকে বাংলাদেশের মরিচের ঝাল বেশি। ভারত যা বলবে, শেখ হাসিনা তা শুনতে পারেন আমরা নই।” বিএনপি নেতার মন্তব্য দুই দেশের মধ্যে বিদ্বেষ বাড়াবে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    Nagerbazar: নাগেরবাজারে গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদমের নাগেরবাজার (Nagerbazar) সংলগ্ন মল রোড এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। একের পর এক কারখানা দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। স্থানীয়রা উদ্যোগী হয়ে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগালেও কোনও লাভ হয়নি। কারণ, একটি গোডাউনে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুনের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দমকলের বিশাল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।  

    কীভাবে আগুন লাগল? (Nagerbazar)

    নাগেরবাজার (Nagerbazar)১০ কাঠা জমির ওপর একাধিক কারখানা রয়েছে। কারখানার চারিদিকে পাঁচিল দেওয়া ছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি আইসক্রিম কারখানায় প্রথম আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের এক হোসিয়ারি কারখানায়। পাশাপাশি দুটি কারখানায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে। সকালের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যদিও খবর পেয়ে রাতেই দমকলের কয়েকটি ইঞ্জিন এসে কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি। বরং, আগুন আশপাশের কারখানা,গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে, দমকলের ই়়ঞ্জিনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। সবমিলিয়ে ২২টি ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, বেলা ১১টা পর্যন্ত দমকল কর্মীরা আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেননি। ভয়ঙ্কর আগুনের (Fire) তাপে কারখানা দুটির লোহার গ্রিলগুলি পর্যন্ত বেঁকে গিয়েছে। সেগুলি সরিয়ে আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত অবশ্য কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    দমকল দেরিতে আসায় ক্ষোভ

    জানা গিয়েছে, হোসিয়ারি কারখানায় প্রচুর গেঞ্জি এবং অন্যান্য হোসিয়ারি পণ্য মজুত ছিল। সেগুলি থেকে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে না পেরে দমকল কর্মীরা আপাতত জানলার বাইরে থেকে জল দিয়ে আগুন (Fire) নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। দুটি কারখানাতেই প্রচুর শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে, রাতে সেখানে কেউ ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। রাত থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে কীভাবে আগুন লাগল, সেই বিষয়টিও জানা  যায়নি। তবে, দমকলকর্মীদের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগে থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু যান। তিনি ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল আসতে অনেক দেরি করেছে। দমকল সময় মতো এলে, আগুন এতটা ছড়িয়ে পড়ত না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kuwait Fire: কুয়েত থেকে ৪৫ দেহ নিয়ে ফিরল বায়ুসেনার বিমান, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা অনাবাসীর

    Kuwait Fire: কুয়েত থেকে ৪৫ দেহ নিয়ে ফিরল বায়ুসেনার বিমান, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা অনাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। দেহ ভারতে ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। শুক্রবার সকালে কুয়েতের বহুতলে অগ্নিকাণ্ডের (Kuwait Fire) ঘটনায় মৃতদের দেহ আনতে পাঠানো হয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৩০জে নামের একটি বিশেষ বিমান। এই বিমানে করেই ফিরিয়ে আনা হয়েছে ৪৫ জনের দেহ।

    ফিরল দেহ (Kuwait Fire)

    কুয়েতের দুর্ঘটনার পরে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় কুয়েতে যাবেন ভারতের নয়া বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। শুক্রবার সকালে তিনি কুয়েতে পৌঁছেও গিয়েছিলেন। শনিবার ফিরলেন দেহ নিয়ে। কুয়েতে গিয়ে মন্ত্রী দেখা করেছিলেন হাসপাতালে ভর্তি অগ্নিদগ্ধ (Kuwait Fire) ভারতীয়দের সঙ্গে। মন্ত্রীর সঙ্গে তখন ছিলেন ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকরা। এদিন দেহ নিয়ে বিমানটি কোচি বিমানবন্দর ছুঁতেই অ্যাম্বুলেন্সে করে সেগুলি নিয়ে যাওয়া হয়।

    মৃতদের মধ্যে একজন বাংলার

    কুয়েতের অগ্নিকাণ্ডে যে পঁয়তাল্লিশজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। কেরলের বাসিন্দা ২৩ জন। মৃতদের মধ্যে ৭ জনের বাড়ি তামিলনাড়ুতে। উত্তরপ্রদেশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তিনজন করেও রয়েছেন। ওড়িশার দু’জনেরও মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাবের একজন করেও রয়েছেন মৃতদের মধ্যে। কোচি থেকে বিমানটিকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে।

    আরও পড়ুন: তিস্তা পাড়ে বন্যার শঙ্কা, গঙ্গা পাড় শুকনো! দক্ষিণবঙ্গে আর কবে ঢুকবে বর্ষা?

    মৃত ভারতীয়দের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের লুলু গ্রুপের চেয়ারম্যান, অনাবাসী ভারতীয় ব্যবসায়ী এমএ ইউসুফ আলি। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আগেই মৃতদের পরিবারকে দু’লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিয়েছিলেন মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও।

    প্রসঙ্গত, বুধবার ভোরে আগুন লাগে কুয়েতের এক বহুতলে। এই বহুতলে ছিলেন ১৯৫ জন শ্রমিক। এঁদের সিংহভাগই ভারতীয়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে মৃত্যু হয় ৪৯ জনের। কুয়েত সরকার জানিয়েছে, ৪৫ জন ভারতীয়ের মৃতদেহ চিহ্নিত করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও প্রায় ৫০ জন (Kuwait Fire)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah: আগুনে পুড়ে ছাই শতাধিক বাড়ি, শীতে খোলা আকাশের নীচে বাসিন্দারা

    Howrah: আগুনে পুড়ে ছাই শতাধিক বাড়ি, শীতে খোলা আকাশের নীচে বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল হাওড়ার (Howrah) ব্যাটরা থানার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের কাছে ড্রেনেজ ক্যানাল রোডের ধারে একটি বস্তি।  প্রায় শতাধিক ঝুপড়ি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গিয়েছে। যার জেরে সর্বহারা হলেন কয়েকশো মানুষ। এই কনকনে শীতের মধ্যে মাথার ছাদ টুকু চলে গেল সবার। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে, দমকলের প্রাথমিক অনুমান গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লাগতে পারে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)  

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ হঠাৎ করেই হাওড়ার (Howrah) ড্রেনেজ ক্যানেল রোডের ওই  ঝুপড়ির একটি বাড়িতে আগুন লাগে। তারপর সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ঝুপড়ি বাড়ি গুলিতে। কাঁথা কম্বল থেকে শুরু করে কাঠ, বাঁশের বেড়া, চাঁচের ঘর এই সব থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তা দেখে ঝুপড়ির বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন রাস্তায়। তারপর বস্তির ঘরে  থাকা গ্যাস সিলিন্ডার গুলিতেও আগুন লেগে বিস্ফোরণ হতে থাকে। আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে নিজেরাই ঘরের মধ্যে যা জল ছিল এবং পাশে একটি ঝিল থেকে জল তুলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, তাতেও আগুন নেভানো যায়নি। তারপর তারা ব্যাটার থানায় এবং পরে দমকলে খবর দেন। হাওড়া ময়দান দমকল কেন্দ্র থেকে দমকলের ছটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে, আরও চারটি ইঞ্জিন আসেন। মোট ১০টি ইঞ্জিন একযোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে বস্তির কোনও কিছুই আস্ত পাওয়া যায়নি। আসবাব থেকে বস্তির বেড়া পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, রান্নার থালা, গ্লাস, বাটি আগুনে দুমড়ে মুচড়ে দলা পাকিয়ে গেছে।

    বস্তিবাসীদের কী বক্তব্য?

    কল্যাণী অধিকারী নামে এক বাসিন্দা বলেন, হঠাৎ করেই দেখলাম ঘর থেকে ধোঁয়া উড়ছে। ঘর বের হতেই সম্পূর্ণ বাড়িটা পুড়ে ছাই হয়ে গেল। কোনও কিছুই ঘর থেকে বের করতে পারলাম না। এখন এই ঠান্ডায় পরিবার নিয়ে কোথায় যাব, কোথায় রাত কাটাবো, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। অসীমা দলুই নামে এক বাসিন্দা বলেন, এমনিতেই অভাবের সংসার। কোনও রকমে রিকশা টেনে সংসার চলে। এই বস্তিতে মাথা গোঁজার আশ্রয় নিয়েছিলাম। আগুনে পুড়ে সেটাও চলে গেল। এখন কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

    দমকলমন্ত্রী কী বললেন?

    হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে আসেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, কী করে আগুন লাগলো তা তদন্ত করে দেখা হবে। তবে, যাদের বাড়ি পুড়েছে তাদের জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টাকায় তাঁদের বাড়িগুলি তৈরি করে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

    South 24 Parganas: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুন গোষ্ঠী কোন্দলেই? ‘গণপিটুনি’তে মৃতের স্ত্রীর বয়ানে ঘুরে গেল ‘খেলা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর (South 24 Parganas) এখনও উত্তপ্ত। শাসকদলের রোষানলে পুড়েছে দোলুয়াখাঁকির নস্কর পাড়া এলাকার প্রচুর ঘরবাড়ি। গ্রাম জুড়ে এতটাই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে যে, অনেকেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল নেতা তথা বামনগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং একইসঙ্গে বামনগাছি অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সইফুদ্দিন লস্কর খুন হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৃণমূলীদের তাণ্ডব। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যে সিপিএমই এই খুন করিয়েছে, এমন তত্ত্ব সোমবার সকাল থেকেই ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার দিন রাতেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন ওইদিন গণপিটুনিতে মৃত্যু হওয়া সহাবুদ্দিন শেখের স্ত্রী। তিনি যা বললেন, তাতে এটাই পরিষ্কার হয়ে গেল, ওই খুন আসলে শাসকদলের অভ্যন্তরের দ্বন্দ্বেরই ফল।

    কী বলেছেন সহাবুদ্দিনের স্ত্রী? (South 24 Parganas)

    মৃতের স্ত্রী দাবি করেন, তাঁর স্বামী তৃণমূল করতেন। তার পর তিনি আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছেন। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, সইফুদ্দিন খুনের ঘটনা জানাজানি হতেই কয়েকজন তাঁদের বাড়ি আসে। সেই সময় তাঁর স্বামী বাড়িতেই ছিলেন। তাঁকে বারবার ভয় দেখনো হয় এবং জানতে চাওয়া হয়, কারা এই খুন করেছে। কিন্তু স্বামী কিছু জানি না বলাতেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাপক মারধর শুরু করে। চোখের সামনে তাকে টানতে টানতে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সবার সামনে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। অন্যদিকে, পুলিশ (South 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মৃত সহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধেও থানায় অনেক অভিযোগ আছে।

    কী ঘটেছিল সেদিন (South 24 Parganas)

    ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, রোজকার মতো সোমবার ভোরে ওই তৃণমূল নেতা নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখেন, ওই নেতা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এর পরই শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডব। তারা অভিযোগ করতে থাকে, এলাকা দখলের জন্য সিপিএমই এই হত্যাকাণ্ড করিয়েছে। গুলি করে পালানোর সময় দুজন তাদের হাতে ধরা পড়ে যায়, যার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে। সোমবার এদের পরিচয় জানা যায়নি। অবশেষে জানা গেল, মৃত ব্যক্তিও তৃণমূল কর্মী ছিলেন।  

    বগটুইয়ের ছায়া?

    এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই বগটুইয়ের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। এখানেও বেছে বেছে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের (South 24 Parganas) ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দীর্ঘক্ষণ দমকলের গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। বাড়ির পর বাড়ি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু বাড়ি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bagtui: বগটুই গ্রামে ফের তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

    Bagtui: বগটুই গ্রামে ফের তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগুন, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বীরভূমের বগটুই (Bagtui) গ্রামে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মীর বিছানার বেশ কিছুটা অংশ আগুন লেগে পুড়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বগটুই (Bagtui) গ্রামের পূর্ব পাড়ায় তৃণমূল সমর্থক আলম শেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের সদস্য মুর্শিদা বিবির বক্তব্য, জানলা দিয়ে দলীয় পতাকা আগুন ধরিয়ে বিছানায় ফেলে দেওয়া হয়। বিছানায় সেই সময় আমার ন’মাসের সন্তান শুয়ে ছিল। আমি বারান্দায় ছিলাম। প্রতিবেশীরা আমাকে জানাই, ঘরের মধ্যে বিছানায় আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে এসে ঘরের ভিতরে ঢুকে দেখি, বিছানায় দাউ দাউ করে জ্বলছে। বিছানা থেকে বাচ্চাটিকে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। তবে, বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল তা বুঝতে পারছি না। আমরা তৃণমূল করি বলে হয়তো এধরনের ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছে রামপুরহাট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এর আগে ২০২২ সালের ২১ মার্চ বগটুইবাসীই শুধু নয়, গোটা রাজ্যের মানুষের কাছেই ওই রাতের স্মৃতি টাটকা। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের। ক্ষমতা দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে গত বছর ২১ মার্চ বগটুই গ্রামে পুড়িয়ে খুন করা হয় ১০ জনকে। যার মূলে ছিল পঞ্চায়েত দখল। বড়শাল পঞ্চায়েতের মধ্যেই পড়ে বগটুই। প্রথমে সেই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখকে গুলি ও বোমা মেরে খুন করা হয়। তারই পালটা বগটুই গ্রামে ১০ জনকে পুড়িয়ে খুন করা হয়। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। এবার দলের সমর্থকদের বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনার পিছনে গোষ্ঠী কোন্দল না অন্য কোনও কারণ দায়ী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের রামপুরহাট- ১ নম্বর ব্লক সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বলেন, বগটুই (Bagtui) শান্ত ছিল। সেটাকে অশান্ত করার  প্রচেষ্টা টলছে। পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে, সঠিক তদন্ত করে দোষীদের গ্রেফতার করার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Mangalahat: হাওড়ার মঙ্গলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত এক হাজার কাপড়ের দোকান

    Howrah Mangalahat: হাওড়ার মঙ্গলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত এক হাজার কাপড়ের দোকান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত হল হাওড়ার মঙ্গলাহাট (Howrah Mangalahat)। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে খাক হয়ে গেল প্রায় এক হাজারের বেশি কাপড়ের দোকান। একুশে জুলাইয়ের আগের দিন রাত একটা নাগাদ আগুন দেখতে পান আশপাশের লোকজন। তাঁরাই দমকলে খবর দেন। বহু বছর আগে একবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছিল দেশের মধ্যে অন্যতম এই মঙ্গলহাট। সেই থেকে মঙ্গলাহাটের একটি ভবনকে পোড়াহাট নামেই লোকে চেনেন। ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    দমকল সূ্ত্রে খবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হঠাৎই আগুন লেগে যায় মঙ্গলাহাটে (Howrah Mangalahat)। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন হাটের দোকানগুলি দাউ দাউ করে জ্বলছে। অগ্নিকাণ্ডে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। হাটের কাছেই হাওড়া থানা। প্রথমে থানায় খবর দেওয়া হয়। থানা থেকে খবর যায় দমকলে। একে একে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। হাটের ছোট ছোট দোকানগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জামাকাপড় মজুত ছিল। দোকানগুলি বাঁশ এবং কাঠের কাঠামো দিয়ে তৈরি হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ১৮ টি ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে দমকলের ধারণা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। যদিও স্থানীয় দোকানদারদের অভিযোগ, মঙ্গলাহাট ভবনটি পুরানো ও জরাজীর্ণ আকার নিয়েছিল। ভবনের আসল মালিক কে তা নিয়ে ছিল দ্বন্দ্ব। মালিকানা নিয়ে বিবাদ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। তাদের অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নজরানা দিয়ে এতদিন বেআইনিভাবে হাট চলছিল। মালিকানা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন দমকলের আধিকারিক?

    ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ এবং দমকল। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সামনেই গঙ্গা এবং দমকলের সদর দফতর থাকায় আগুন নেভানোর কাজে জলের কোনও অভাব হয়নি। দমকল বিভাগের ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার রঞ্জনকুমার ঘোষ বলেন, মঙ্গলাহাটে (Howrah Mangalahat) আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। আগুনের ভয়াবহতা দেখে হাওড়া ময়দান ছাড়াও বালি, লিলুয়া সহ বিভিন্ন দমকল কেন্দ্র থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আগুন নেভানো হয়। প্রথমে আগুনকে চারদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করে নেওয়া হয়। তারপর আগুন নেভাতে আগুনের মূল কেন্দ্রস্থলে পৌঁছায় দমকল। এভাবেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিকোণ প্রেম। প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে খুণ হতে হল এক যুবককে। প্রেমিকাকে পেতে এক প্রেমিককে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল অন্য এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারির দেবীডাঙ্গার কোয়ার্টার লাইন এলাকা। ক্ষোভে এদিন সকালে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় মৃত যুবকের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।  অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম অমৃত গোস্বামী।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রতিবেশী ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri)  চম্পাসারি এলাকায় এক কিশোরীর সঙ্গে এলাকারই দুই যুবক অমৃত গোস্বামী ও অরুণ লোহারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরে ওই দুই যুবকের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই গণ্ডগোল চলছিল।  সোমবার গভীর রাতে অরুণ গণ্ডগোল মিটিয়ে নেওয়ার নাম করে  অমৃতকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই অমৃতকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল কুমার বলেন, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার গভীর রাতে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটে।

    পুড়িয়ে দেওয়া হল অভিযুক্তের বাড়ি

    ঘটনার খবর পেয়ে এদিন সকালে মৃত অমৃতের পরিবারের লোকেরা এবং স্থানীয় এলাকাবাসীরা অরুণের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রধাননগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল ও পুলিশ  সময় মতো না পৌঁছলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত। অপরাধীর কড়া শাস্তি হোক।”

    পুলিশের কী বক্তব্য?

    ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত অরুণ লোহার ও তার পরিবারের লোকজন। পরে, শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধাননগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে। আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল অভিযুক্ত যুবক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    Haridevpur: পথের কাঁটা! পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে পথের কাঁটা মেয়ে। তাই পুলিশ প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে বছর ষোলোর মেয়েকেই আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিদেবপুরের (Haridevpur) মতিলাল গুপ্তা রোড এলাকায়। অভিযুক্ত মা ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সোনালি চন্দ ও প্রসূন মান্না। ধৃত প্রেমিক ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল।

    মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সোনালির স্বামী কৌশিক চন্দ পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁদের একটি মেয়ে। মহিলার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সমস্যা। ডিভোর্স না হলেও মহিলা মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। কৌশিকবাবুর মৃত্যুর পর খাদ্য দফতরে চাকরি পান অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশ সূত্রে খবর, একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বারাসতের পুলিশ লাইনের কনস্টেবল প্রসূন মান্নার সঙ্গে আলাপ হয় সোনালির। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে যায় সোনালির মেয়ে। মায়ের সঙ্গে তার এই নিয়ে ঝামেলাও হয় একাধিকবার। তাই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়েই মেয়েকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে মা। অভিযোগ, গতকাল ভোর ৪ টে নাগাদ ফ্ল্যাটে আগুন লাগিয়ে দেয় সে। কোনওরকমে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে এসে প্রাণে বাঁচে মেয়েটি। পুলিশ-দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মায়ের সঙ্গে প্রেমিকের কথোপকথন শুনতে পায় কিশোরী মেয়ে।

    আরও পড়ুুন: এনসিপি-র সভাপতি পদে ইস্তফা পাওয়ারের, উত্তরসূরি কে?

    মেয়ের দাবি

    পুলিশের কাছে ১৬ বছরের কিশোরী দাবি করে, বাথরুম থেকে কাউকে ফোন করছিল তার মা। মাকে সে ফোনে বলতে শোনে, “ঘরে আগুন লাগলেও মেয়ে বেঁচে গিয়েছে।” পরে মায়ের মোবাইল ঘেঁটে ওই কিশোরী জানতে পারে যে, মা প্রেমিকের কথামতো তাকে আগুনে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টা করছে। টেলিগ্রামে চ্যাট থেকে ওই স্কুল ছাত্রী জানতে পারে, তার মা প্রেমিকের কথামতো তাকে খুনের চেষ্টা করছে। এই সব চ্যাটের স্ক্রিনশট এবং সেগুলির প্রিন্টআউট নিয়ে এসে ওই কিশোরী হরিদেবপুর থানায় সোমবার দুপুরে অভিযোগ জানায়। তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। আর তাকে এই খুনের চেষ্টায় সাহায্য করার অভিযোগে চন্দননগর থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রেমিককেও। ধৃতদের জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার দুপুরে আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের (Indian Rail) একটি বগির ব্রেকে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ট্রেন যাত্রীরা ধোঁয়া দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন। প্রাণ বাঁচাতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। রেলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কুড়ি মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেনটি গন্তব্যস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। এর পরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    রেলকর্মী জ্যোতিষ পাসমান জানিয়েছেন, পাটনা-দানাপুর থেকে শিলিগুড়িগামী আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেস (Indian Rail) গাইসালের কাছে পৌঁছলে আগুন দেখতে পাওয়া যায়। জানা গেছে, ব্রেক সু থেকেই আগুন লাগে। রেলকর্মীরা দ্রুতই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন তিনি। এই ধরনের ঘটনার পিছনে গাফিলতি আছে বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর মতে, ব্রেক গরম হয়ে এরকম হতেই পারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর যাত্রীরা স্বাভাবিক কারণেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে আগুনের ব্যাপকতা তেমন ছিল না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share