Tag: firearms

firearms

  • Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কান্দিতে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, তাজা বোমা! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে তৃণমূল নেতার (TMC Leader) বাড়ি থেকে উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি কার্তুজ এবং তাজা বোমা। শনিবার রাতে কান্দি থানার কুমারষণ্ড গ্রামপঞ্চায়েতের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য আলিমুল শেখের বাড়ি থেকে ওই সব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। তবে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার (Murshidabad)!

    কান্দি (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম ইলু আহম্মেদ, নাজমুল হক এবং তাজমুল শেখ। সকলেরই বাড়ি কান্দি থানার গোকর্ণ বিজয়নগর অঞ্চলে। ধৃতদের কাছ থেকেও চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কেন এই আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা মজুত করা হয়েছিল এবং কোন উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করা হবে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কোনও রকম নাশকতা মূলক ছক রয়েছে কিনা, কোথা থেকে আনা হয়েছে এই অস্ত্র, এই বিষয়েও তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

    আবার স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader)। গতকাল রাতে তার বাড়িতে হানা দিয়ে বোমা, বন্দুক ও গুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় ওই তৃণমূল নেতার তিন অনুগামীকেও। তাদের কাছ থেকে ওয়ান শটার বন্দুক, চার রাউন্ড গুলি ও ৪টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ এখনই ঠান্ডার আমেজ নয়, থাকবে কুয়াশা! রাজ্যে শীত নিয়ে কী পূর্বাভাস?

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    বহরমপুর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC Leader) সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “কী উদ্ধার হল, না হল তা প্রশাসনের দেখার কাজ। আমরা শান্তির জন্য লড়াই করি। আর শান্তির জায়গায় যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তা হলে পুলিশকে রাজনৈতিক রং না দেখেই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলব। পুলিশ-প্রশাসনের ওপর ভরসা রয়েছে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidaba: লোকসভার আগেই তৃণমূল নেতার বাইক থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! চাঞ্চল্য এলাকায়

    Murshidaba: লোকসভার আগেই তৃণমূল নেতার বাইক থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! চাঞ্চল্য এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদিয়া-ফরাক্কা রাজ্য সড়কের উপর বাহাদুরপুর সংলগ্ন এক গ্যারেজে থেকে তৃণমূল নেতার বাইকের টুলবক্সে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে আজ। মুর্শিদাবাদ (Murshidaba) জেলার বড়ুয়ার থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই রাজ্যে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই জেলায় সবথেকে বেশি বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং খুন, ধর্ষণ, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছিল। সব থেকে বেশি রক্তক্ষয় এই জেলায় হয়। বেশিরভার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা করেছিল। এবার লোকসভার আগে তৃণমূল নেতার কাছে অস্ত্র উদ্ধারে শোরগোল পড়েছে।

    ধৃত তৃণমূল নেতার পরিচয় (Murshidaba)?

    মুর্শিদাবাদে (Murshidaba) ধৃত এই তৃণমূল নেতার নাম শামসুল আলম রিপন শেখ। তিনি দাবি করেন যে তিনি তৃণমূলের কান্দি মহকুমা সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি। ধৃতকে আজ পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে কান্দি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। বিচারক, রিপন শেখকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন। যদিও স্থানীয় তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ করা যায়নি। রিপন শেখ বলেন, “আমার গাড়িতেই এই অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তবে আমাকে চক্রান্ত করে ফাঁসনো হয়েছে। আমি দোষী নই। আমি একজন তৃণমূল নেতা। আমি নির্দোষ, আল্লা আমায় মুক্ত করবেন।”

    তদন্তে পুলিশ

    স্থানীয় (Murshidaba) থানার পুলিশ তদন্তে নেমেছেন। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে। রিপন শেখের টুল বক্সে এই আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কারণ সন্ধান করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কোথা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে এই অস্ত্র, কোন কাজে ব্যবহার করা হবে, কোন উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এই সব বিষয়ে জেরা করা হচ্ছে। এই আগ্নেয়াস্ত্রর সাথে আর অন্য কোনও যোগ রয়েছে কিনা, এইসব তথ্য জানার জন্য বরোয়া থানার পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    অধীরের বক্তব্য

    অপর দিকে বহরমপুরে (Murshidaba) সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বোমা মজুত প্রসঙ্গ নিয়ে বলেছিলেন, “সামনে লোকসভা ভোট। তাই বোমা অস্ত্র মজুত করা হচ্ছে। রিপন শেখকে পুলিশ ধরার পর আরও স্পষ্ট হল, দিদির দলের লোকেরা ভোটে জয়লাভ করার জন্য বোম-পিস্তল জোগাড় করছে। পুলিশ নাকা চেকিং এর সময় সেই আগ্নেয়াস্ত্র সমেত তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতিকে মোটরসাইকেল সহ হাতেনাতে ধরে ফেলে। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা কতটা দুর্বল, তা এখানেই প্রমাণিত হয়। ভোটের সময় যত এগিয়ে আসবে, দৌরাত্ম্য তত বাড়বে দুষ্কৃতীদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    Malda School: সেই বন্দুকবাজ উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল? হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের তাণ্ডবের পর এখনও থমথমে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়ার চন্দ্রমোহন হাইস্কুল (Malda School)। স্কুলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চন্দ্রমোহন হাইস্কুল এবং মুচিয়া এলাকা রয়েছে থমথমে। এদিন স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার ছিল একেবারেই সামান্য। বহু অভিভাবক আতঙ্কের কারণে নিজেদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর সাহস পাননি। শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত থাকলেও তাঁদের একটি অফিসঘরে গুটি-শুটি মেরে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, এখন তো নিরাপত্তা দেওয়া রয়েছে। এটা কতদিন থাকবে? আগামী দিনে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না, তা নিশ্চিত করে কে বলতে পারে। তাই আমরা চাই পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হোক।এদিকে বুধবার রাতে মালদার পুলিশ সুপার তাঁর নিজস্ব অফিসে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, এই ধরনের উন্নতমানের আগ্নেয়াস্ত্র বিহার অথবা ঝাড়খণ্ড থেকেই সংগ্রহ করে থাকতে পারে অভিযুক্ত বন্দুকবাজ দেব বল্লভ। তবে এই ঘটনার পিছনে তাঁর পারিবারিক সমস্যাই মূলত জড়িত রয়েছে। তা বলে স্কুলে ঢুকে এমন ঘটনা ঘটাবে, এটা পরিকল্পনা মাফিক। আমাদের পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা দারুণ কাজ করেছে। যেভাবে চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের সুরক্ষিত রেখে পুলিশ অফিসাররা ওই বন্দুকবাজকে ধরেছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়।

    কার হাত ঘুরে আগ্নেয়াস্ত্র এল, তদন্তে পুলিশ

    পুলিশ সুপার সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র কার মাধ্যমে অভিযুক্ত দেব বল্লভ আমদানি করল, সে ব্যাপারেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ধৃতকে মালদা আদালতের মাধ্যমে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হবে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়তো অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। পুলিশ সুপার বলেন , ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দফতর, জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। যেখানে প্রতিটি স্কুলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেসব নিয়েই মূলত আলোচনা করা হবে। স্কুল (Malda School) চলাকালীন গেট বন্ধ রাখা, বিভিন্ন স্কুলে সিসি ক্যামেরা বসানো, প্রয়োজনে স্কুলে নিরাপত্তার যাতে ব্যবস্থা করা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা করা হবে।

    আগেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত

    এদিকে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, গত দেড় বছর আগে বন্দুক হাতে প্রশাসনের কর্তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হুমকি দিয়ে ভাইরাল হয়েছিল অভিযুক্ত এই দেব বল্লভ। সেই সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় সেই আগ্নেয়াস্ত্রটি। কিন্তু তারপরে আবারও নতুন করে উন্নত মানের নাইনএমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন অভিযুক্ত কোথা থেকে জোগাড় করল? এমনকী পেট্রোল বোমা বানাতে শিখল কীভাবে, এসবের পিছনে কোনও জঙ্গি সংগঠনের মদত রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও পুলিশ নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। কিন্তু পুরো বিষয়টি (Malda School) নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রদীপকুমার যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rainganj: ফিল্মি কায়দায় দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুঠ করল দুষ্কৃতীরা, কোথায় জানেন?

    Rainganj: ফিল্মি কায়দায় দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সোনার দোকানে সর্বস্ব লুঠ করল দুষ্কৃতীরা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে ফিল্মি কায়দায় দিনে দুপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার  রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের এনএস রোডের একটি সোনার দোকানে। দিনের বেলায় আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে এভাবে ডাকাতির ঘটনায় শহরের (Raiganj) ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর পরই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে। দোকানের মালিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী ভাবে সোনার দোকানে ঢুকল দুষ্কৃতীরা?

    নববর্ষের জন্য সোনার দোকানে অলংকারে ঠাসা ছিল। এদিন দোকান খোলার পর পরই দুজন ক্রেতা সেজে ভিতরে ঢোকে। কিছুক্ষণ পর আরও তিনজন আসে। পরে, আগ্নেয়াস্ত্র বের করে স্বমূর্তি ধরে তারা লুঠপাট চালায়। দোকানের কর্মী জীবেশ ভৌমিক বলেন, প্রথমে দুজন ক্রেতার মতোই দোকানে আসে। ফলে, আমরা অলংকার দেখানোর জন্য তাদের জিজ্ঞাসা করি। সঙ্গে সঙ্গে  আগ্নেয়াস্ত্র বের করে আমাদের সবাইকে এক জায়গায় আসতে বলে। আমাদের কাছে থেকে মোবাইল কেড়ে নেয়। তাদের সহযোগিতা করতে বলে। আমরা যদি তা না করি তবে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।  দুজনে এসব কথা বলতে বলতে আরও তিনজন ভিতরে ঢোকে। সকলেই হিন্দিতে কথা বলছিল। আর যার কাছে মোবাইল পায়, কেড়ে নিয়ে ভেঙে দেয়। আমাদের সকলের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ওরা দোকানের জিনিসপত্র লুঠ করতে থাকে। আমাদের দোতলা নিয়ে গিয়ে ক্যান্টিনের মধ্যে আটকে রেখে ওরা চলে যায়। আমরা ৪৫ মিনিট সেখানে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকি। এরমধ্যে তারা সর্বস্ব লুঠ করে চম্পট দেয়।  ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। দোকানের কর্মীদের সঙ্গে তারা কথা বলে।

    দিনের বেলায় সোনার দোকানে ডাকাতি নিয়ে কী বললেন চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক?

     উত্তর দিনাজপুর চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক শংকর কুন্ডু বলেন, শহরে (Raiganj) এই ধরনের ঘটনা এর আগে কোনওদিন ঘটেনি। আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের কাছে খুবই আতঙ্কের। দিনের বেলায় সোনার দোকানে সবকিছু লুঠ করে নিয়ে পালাল। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share