Tag: Firhad Hakim

Firhad Hakim

  • Suvendu Adhikari: হেলে পড়া বাড়ি! মেয়রের গ্রেফতারির দাবিতে বিধানসভা উত্তালের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হেলে পড়া বাড়ি! মেয়রের গ্রেফতারির দাবিতে বিধানসভা উত্তালের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় একাধিক বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। এনিয়ে চাঞ্চল্য দেখা গিয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। এবার এর প্রতিবাদে কলকাতা পুরসভার সামনে সভা করে বিধানসভা উত্তাল করার হুঁশিয়ারি দিতে দেখা দেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে পুর-প্রতিনিধিদের লুকিয়ে রাখা টাকা ‘পাতাল ফুঁড়ে বার’ করে আনার হুঙ্কারও দেন শুভেন্দু। একইসঙ্গে মেয়রের গ্রেফতারির দাবিও তুলেছেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) হুঁশিয়ারি, “আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে অধিবেশনে মেয়রের গ্রেফতারি এবং মুখ্যমন্ত্রীর জবাবদিহির দাবিতে বিধানসভা উত্তাল করে তুলব।’’

    হেলে পড়া বাড়ি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমরা এতদিন শুনে এসেছি প্রাচীন বাড়ি, ঐতিহ্যের বাড়ি, রাজবাড়ি, রবি ঠাকুরের বাড়ি… এই প্রথমবার কলকাতা মহানগরীর ছাপ্পা মেরে চেতলা থেকে জেতা মুখ্যমন্ত্রীর আলালের দুলাল জনাব ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) একটা নতুন সংযোজন করেছেন, হেলে পড়া বাড়ি। নতুন সংযোজিত বাড়ি।” গতকাল শুক্রবারই কলকাতা পুরসভার সামনে সভা করতে চেয়েছিল বিজেপির উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলা। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি এই সভার। এরপরেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল গেরুয়া শিবির। পরে আদালতের সভার অনুমতি দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যার সভায় বিরোধী দলনেতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, বিজেপির দুই পুর-প্রতিনিধি ও দলের নেতা তাপস রায় প্রমুখ।

    শুভেন্দুর অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    সভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অভিযোগ তোলেন, বেআইনি নির্মাণে মদত দিয়ে তৃণমূল নেতারা কোটি কোটি টাকা তুলছেন। তাঁর আরও দাবি, “সব জায়গায় অবৈধ সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। নেতৃত্ব দিচ্ছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। আর রয়েছে নব্য প্রোমোটাররা। তাঁরাই ভোটের সময়ে ভোট লুট করে। পাঁচ হাজার জলাশয় বুজিয়ে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। যে পুর-প্রতিনিধিরা পয়সা খেয়েছেন, অর্পিতা (মুখোপাধ্যায়), হামিদদের চেয়েও বেশি পয়সা রয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাটি ফুঁড়ে হলেও সেই টাকা উদ্ধার হবে!” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও দাবি করেছেন, “যাঁদের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের পুনর্বাসন দিয়ে তার পরে যেন বাড়ি ভাঙা হয়।”

  • Suvendu Adhikari: হেলে পড়ছে কলকাতার একের পর এক বহুতল, ফিরহাদকে “হেলে পড়া” খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হেলে পড়ছে কলকাতার একের পর এক বহুতল, ফিরহাদকে “হেলে পড়া” খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঘাযতীন, ট্যাংরা, সল্টলেকের পর এবার তপসিয়া। হেলে পড়া বহুতল ঘিরে কলকাতা শহরজুড়ে তীব্র আতঙ্ক। কলকাতা পুরসভায় চলছে ‘টক টু মেয়র’। আর দুপুরেই এক্স মাধ্যমে মেয়রকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে খোঁচা দিয়ে তিনি (Suvendu Adhikari) বললেন, “হেলে পড়া” হাকিম। মেয়রের মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?

    কলকাতায় একের পর এক হেলে পড়া বাড়ির সন্ধান মিলেছে। বিরাট বিরাট সব বহুতল। সেই বহুতল হেলে পড়েছে। তবে আচমকা সেগুলি হেলে পড়েছে এমনটা নয়। আস্তে আস্তে সেগুলি হেলে পড়েছে। এবার সেগুলির অনুমোদন ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এসবের মধ্যেই মুখ খুলেছিলেন পুরসভার মেয়র (Firhad Hakim) ফিরহাদ হাকিম। মূলত, বাঘাযতীনের ফ্ল্যাট বাড়ি ভেঙে পড়ার পর থেকেই শহরের বুকে একের পর এক হেলে পড়া বহুতলের ছবি সামনে আসছে। তাতে সর্বশেষ সংযোজন তিলজলা। এ প্রসঙ্গে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সব হেলে পড়া বাড়ি বিপজ্জনক নয়। যদি স্ট্রাকচারাল স্টেবিলিটি দিয়ে দেয়, যদি স্ট্রাকচার ঠিক আছে, তাহলে সেটা বিপজ্জনক নয়। কলকাতায় এরকম অনেক বাড়ি রয়েছে, একটু হেলে গিয়েছে।”যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    আর তারপরই এক্স হ্যান্ডেলে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দুর পোস্ট। তিনি (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “সব হেলে পড়া বাড়ি বিপজ্জনক নয়” – ফিরহাদ “হেলে পড়া” হাকিম। হেলায় বলে দিলেন কলকাতার অপদার্থ মেয়র। অবশ্য হাল আমলের বাড়ি হেলে পড়লে মাথা না কাজ করাই স্বাভাবিক! ঐতিহ্যবাহী বাড়ি, ঐতিহাসিক বাড়ি, জমিদারি বাড়ি, আকাশচুম্বী বহুতল, পোড়া বাড়ি, ভূতুড়ে বাড়ি, জীর্ণ বাড়ির পরে কলকাতা পুরসভার দৌলতে নতুন আকর্ষণ হল ‘হেলে পড়া বাড়ি’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হেলে পড়ছে কলকাতার একের পর এক বহুতল, ফিরহাদকে “হেলে পড়া” খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হেলে পড়ছে কলকাতার একের পর এক বহুতল, ফিরহাদকে “হেলে পড়া” খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঘাযতীন, ট্যাংরা, সল্টলেকের পর এবার তপসিয়া। হেলে পড়া বহুতল ঘিরে কলকাতা শহরজুড়ে তীব্র আতঙ্ক। কলকাতা পুরসভায় চলছে ‘টক টু মেয়র’। আর দুপুরেই এক্স মাধ্যমে মেয়রকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে খোঁচা দিয়ে তিনি (Suvendu Adhikari) বললেন, “হেলে পড়া” হাকিম। মেয়রের মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?

    কলকাতায় একের পর এক হেলে পড়া বাড়ির সন্ধান মিলেছে। বিরাট বিরাট সব বহুতল। সেই বহুতল হেলে পড়েছে। তবে আচমকা সেগুলি হেলে পড়েছে এমনটা নয়। আস্তে আস্তে সেগুলি হেলে পড়েছে। এবার সেগুলির অনুমোদন ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কলকাতা পুরসভার ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এসবের মধ্যেই মুখ খুলেছিলেন পুরসভার মেয়র (Firhad Hakim) ফিরহাদ হাকিম। মূলত, বাঘাযতীনের ফ্ল্যাট বাড়ি ভেঙে পড়ার পর থেকেই শহরের বুকে একের পর এক হেলে পড়া বহুতলের ছবি সামনে আসছে। তাতে সর্বশেষ সংযোজন তিলজলা। এ প্রসঙ্গে মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সব হেলে পড়া বাড়ি বিপজ্জনক নয়। যদি স্ট্রাকচারাল স্টেবিলিটি দিয়ে দেয়, যদি স্ট্রাকচার ঠিক আছে, তাহলে সেটা বিপজ্জনক নয়। কলকাতায় এরকম অনেক বাড়ি রয়েছে, একটু হেলে গিয়েছে।”যা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    আর তারপরই এক্স হ্যান্ডেলে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দুর পোস্ট। তিনি (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “সব হেলে পড়া বাড়ি বিপজ্জনক নয়” – ফিরহাদ “হেলে পড়া” হাকিম। হেলায় বলে দিলেন কলকাতার অপদার্থ মেয়র। অবশ্য হাল আমলের বাড়ি হেলে পড়লে মাথা না কাজ করাই স্বাভাবিক! ঐতিহ্যবাহী বাড়ি, ঐতিহাসিক বাড়ি, জমিদারি বাড়ি, আকাশচুম্বী বহুতল, পোড়া বাড়ি, ভূতুড়ে বাড়ি, জীর্ণ বাড়ির পরে কলকাতা পুরসভার দৌলতে নতুন আকর্ষণ হল ‘হেলে পড়া বাড়ি’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাঘাযতীনের বহুতল বিপর্যয়ে মেয়র ফিরহাদের পদত্যাগ দাবি সুকান্তর, কী বললেন তিনি?

    BJP: বাঘাযতীনের বহুতল বিপর্যয়ে মেয়র ফিরহাদের পদত্যাগ দাবি সুকান্তর, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঘাযতীনের বিদ্যাসাগর কলোনিতে বহুতল হেলে পড়ার ঘটনায় এবার কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ দাবি করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, এই ঘটনার জেরে তৃণমূল সরকারকে দুর্নীতি ইস্যুতে আবারও একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি। নিজের বিবৃতিতে সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, কলকাতা কর্পোরেশন থেকে শুরু করে অন্যান্য যে কর্পোরেশনই আছে প্রত্যেকেই একটা নীতি মেনে চলে, ‘ফেলো কড়ি মাখো তেল’ আপনার যে কোনও ধরনের প্ল্যান পাশ হয়ে যাবে। এরপরেই তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূলের জন্য কিছু মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, এমন অবস্থায় পদত্যাগ করা উচিত মেয়রের।’’

    মঙ্গলবার আচমকাই হেলে পড়ে (BJP)

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে কলকাতার বাঘাযতীনে হেলে পড়ে একটি আস্ত বহুতল। এই ঘটনা দেখে শিউরে উঠেছেন সকলে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভা ওই বহুতলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন ধরেই বহুতলটি হেলে পড়তে শুরু করেছিল। এই সময়ে বহুতলটিতে কাজ শুরু করা হয়। তখন তার আবাসিকদের ভাড়া বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার মেরামতির কাজ চলাকালীন আচমকা ফের হেলে পড়ে বহুতলটি। ভেঙে পড়ে বহুতলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: কুম্ভে আসতে চেয়েছিলেন স্টিভ জোবস, বন্ধুকে জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি বিক্রি হল ৪.৩২ কোটিতে

    এত বড় কনস্ট্রাকশনে কোনও কাউন্সিলর পয়সা পায়নি, মানতে হবে?

    এই ঘটনায় এলাকাবাসীদের ক্ষোভও সামনে এসেছে। তাঁরা কলকাতা পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানাচ্ছেন যে, জলাজমির ওপরে বহুতলটি বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, মেয়রের পদত্যাগ দাবি করে সুকান্ত মজুমদার (BJP) আরও বলেন, ‘‘এত বড় কনস্ট্রাকশনে কোনও কাউন্সিলর পয়সা পায়নি, এটা আমাদের মেনে নিতে হবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত ওই কাউন্সিলরকে কান ধরে জেলের ভিতর ঢোকানো। কিন্তু উনি ঢোকাবেন না, সেটাও আমি জানি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। বহু হিন্দু দেশ ছেড়ে সীমান্তে পেরিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। এই আবহের মাঝে ভারতে মুসলিমকে সংখ্যাগুরু করার ডাক দিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। একটি অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্য ও দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের শতাংশের হিসেব তুলে ধরেন। একইসঙ্গে বলেন, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন সংখ্যাগুরু হবেন সংখ্যালঘুরা। যদিও তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিজেপি (BJP)।

    ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?(Firhad Hakim)

    শনিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ‘ফিরহাদ ৩০’ নামে একটি অনুষ্ঠানে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) বলেন, “বাংলায় আমরা ৩৩ শতাংশ। কিন্তু, দেশে আমরা ১৭ শতাংশ। আমাদের সংখ্যালঘু বলা হয়। কিন্তু, আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু বলে মনে করি না। আমরা মনে করি, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরুর চেয়েও সংখ্যাগুরু হতে পারি। ওপরওয়ালার আশীর্বাদে এটা আমরা হাসিল করব।”

    সরব বিজেপি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যের নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক কারা, এটা আর বলতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গ যাতে পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে।”

    বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট!

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদারও তীব্র নিন্দা করেছেন ফিরহাদের এই মন্তব্যের। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “এটা শুধু ঘৃণা ভাষণ নয়, ভারতে বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট। ইন্ডি জোটের শরিকরা কেন চুপ? ফিরহাদের (Firhad Hakim) এই মন্তব্য নিয়ে তাঁদের মতামত জানানোর চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি।”

    পরিস্থিতি উদ্বেগজনক!

    ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক বললেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য অনুপ্রবেশে উৎসাহ দেবে।”

    নিন্দা করেছে অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য নিয়ে মেরুকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুললেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। কলকাতার মেয়র তথা পুরমন্ত্রীর মন্তব্যের নিন্দা করেছেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির প্রদেশ অধ্যক্ষ পরমাত্মানন্দজী। তিনি বলেন, “কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য। এরকম একটা পদে থেকে এরকম মন্তব্য করা অনুচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    Firhad Hakim: রেখাকে নিয়ে কুমন্তব্যে নিন্দার ঝড়! চাপে পড়ে দুঃখপ্রকাশ করতে হল ফিরহাদ হাকিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেখা পাত্রের উদ্দেশে কু-মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহলে ওঠে নিন্দার ঝড়। সন্দেশখালি থানায় অভিযোগ করেছিলেন রেখা পাত্র (Rekha Patra)। সন্দেশখালির রাস্তায় ফিরহাদের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভও দেখাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কথায় ওঁর (রেখার) যদি খারাপ লেগে থাকে, আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কোনও নারীকে অসম্মান করার কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না।’’ প্রসঙ্গত, বসিরহাটের হাড়োয়া কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে আগামী ১৩ নভেম্বর। বুধবারই সেখানে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। অভিযোগ, সেখানেই সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং লোকসভায় সেখানকার বিজেপি প্রার্থী রেখার উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

    কী বলেছিলেন ফিরহাদ (Firhad Hakim)?

    হাড়োয়া উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সন্দেশখালির প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, ‘‘সন্দেশখালিকে কলঙ্কিত করেছে বিজেপি, সন্দেশখালির মানুষের নামে কুৎসা রটিয়েছে, দেশের কাছে সন্দেশখালি নিয়ে ভুল বার্তা দিয়েছে। এখানকার মেয়েদেরও বদনাম হয়েছে। কিছু দিন আগে আমার সন্দেশখালির এক বন্ধুর মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল ক্যানিংয়ে। কিন্তু ছেলের বাড়ি থেকে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। বলে, সন্দেশখালি থেকে মেয়ে আনলে পাড়ার লোকে বলবে, সে মেয়ে পবিত্র নয়।’’ এর পরে রেখার (Rekha Patra) উদ্দেশে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন ফিরহাদ, এমনটাই অভিযোগ।

    গতকালই প্রতিবাদে নামেন সন্দেশখালির মহিলারা

    এর প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার রেখার নেতৃত্বে সন্দেশখালিতে বিজেপির মহিলা কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল করেই থানায় যান তাঁরা। সেখানে রেখা পাত্র বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের মন্ত্রী (Firhad Hakim) যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, সন্দেশখালির মা-বোনেদের যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তার বিরুদ্ধে আমরা থানায় অভিযোগ জমা দিতে এসেছি। মন্ত্রীরাই যদি এই ধরনের ভাষা প্রয়োগ করেন, তা হলে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি? এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী। আমাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা ভাষা ব্যবহার করেছেন ফিরহাদ। তা আমরা মুখে প্রকাশ করতে পারব না। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। আমরা ওঁর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।’’ অবশেষে চাপের মুখে দুঃখপ্রকাশ করলেন ফিরহাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Firhad Hakim: রেখা পাত্রকে ‘কু-মন্তব্য’ ফিরহাদের! মুখ্যসচিব-ডিজিকে তদন্তের নির্দেশ জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাড়োয়ায় উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রকে নিয়ে প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজনৈতিক মহলে। এবার ফিরহাদ হাকিমের ওই মন্তব্য নিয়ে তদন্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে নির্দেশ দিল জাতীয় মহিলা কমিশন। আইনি পদক্ষেপ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই তদন্ত শেষে ৩ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। এসেছে এমনই নির্দেশ।

    ফিরহাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Firhad Hakim)

    বৃহস্পতিবার সকালেই ফিরহাদের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে বিধাননগর দক্ষিণ থানার দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধাননগরের মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় পয়রা। কিন্তু, পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তাঁর। পরবর্তীতে মেইল মারফত অভিযোগ দায়ের হয় বিধাননগর কমিশনারেটে। যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। তিনি ক্ষোভের সুরে বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন রয়েছে। তাই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করল পুলিশ।”

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রেখা পাত্রকে অপমান করার কোনও অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমের। একজন মহিলা সম্পর্কে ওই শব্দ ব্যবহার করা উচিত হয়নি।”  ‘কু-মন্তব্যের’ জন্য ফিরহাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। জাতীয় মহিলা কমিশনকে ট্যাগ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন শুভেন্দু। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দফতর, জাতীয় মহিলা কমিশন, জাতীয় তফসিলি জাতি জনজাতি কমিশনকে ট্যাগ করে অভিযোগ জানান। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারকেও ট্যাগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, “শুধু একজন মহিলাকে নয়, পৌণ্ড্র ক্ষত্রিয় জনজাতিকেও অপমান করা হয়েছে”।

    সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান

    এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের জবাব দিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, জাতীয় মহিলা কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন,”সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। এই মন্তব্য তাঁদের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে। এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।” ফিরহাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন রেখা পাত্রও। তিনি বলেন, “আমাকে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, সেটা খুব নিন্দনীয়। আমার মতো খেটে খাওয়া পরিবারের মেয়েকে অপমান করা হয়েছে। এই অপমান গোটা সন্দেশখালির মা-বোনেদের অপমান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: হাকিমের ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ২৩ অগাস্ট কলকাতায় সমাবেশ সাধুদের

    Firhad Hakim: হাকিমের ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ২৩ অগাস্ট কলকাতায় সমাবেশ সাধুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিতর্কিত ‘দাওয়াত-এ-ইসলাম’ মন্তব্যের প্রতিবাদে এবার রাস্তায় নামছেন সাধু-সন্তরা (Hindu Saints)। ২৩ অগাস্ট শ্যামবাজার ক্রসিংয়ে হিন্দু সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই দিন বেলা দু’টো থেকে শুরু হবে এই প্রতিবাদ সভা। প্রসঙ্গত, ববি হাকিমের (Firhad Hakim) বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিধানসভায় তাঁকে বয়কট করতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। এরপরেই সাধু-সন্তদের পথে নামা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সাম্প্রতিককালে দেশের কোনও রাজ্যে হিন্দু ধর্মের মর্যাদা রক্ষায় সাধুদের এভাবে রাস্তায় নামতে হয়েছে-এমন নজির নেই। সেদিক থেকে পশ্চিমবঙ্গই প্রথম রাজ্য হতে চলেছে যেখানে মমতা সরকারের মন্ত্রীর ইসলামিকরণ মন্তব্যের কারণে রাস্তায় নামতে চলেছেন সাধুরা। প্রসঙ্গত, ২৩ অগাস্ট হতে চলা ওই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কার্তিক মহারাজ, নির্গুনানন্দ মহারাজরা।

    সমাবেশ নিয়ে কী বলছেন কার্তিক মহারাজ?  

    সমাবেশ নিয়ে কার্তিক মহারাজ (Hindu Saints) ‘মাধ্যম’-কে ফোনে বলেন, ‘‘অপরাধ করেছেন ববি হাকিম। তিনি সংবিধানকে ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন, তারপরে এমন মন্তব্য করতে পারেন না। শাসক দলের হিন্দু নেতারাই বা কী করছেন? তাঁরা সত্যিকারের হিন্দু হলে এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিবাদ করতেন।’’ কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, কলকাতা সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেই মানুষজন আসবেন। সাধু-সন্তদের পাশাপাশি ওই সমাবেশে হাজির থাকতে দেখা যাবে সমাজের বিশিষ্টজনদেরও। সমাবেশের প্রচার কি চলছে? কার্তিক মহারাজের উত্তর, ‘‘ইতিমধ্যে বেশ কয়েক হাজার লিফলেট আমরা ছাপাতে দিয়েছি। এভাবেই চলছে প্রচার।’’ কার্তিক মহারাজের আরও সংযোজন, ‘‘ববি হাকিমের এমন মন্তব্য অবশ্য একদিক থেকে ভালো, এতে যদি হিন্দু সমাজ জাগ্রত হয়!’’

    ২০১৬ সালেও ফিরহাদের (Firhad Hakim) ‘মিনি পাকিস্তান’ মন্তব্যে শুরু হয় বিতর্ক

    প্রসঙ্গত, ববি হাকিমের এমন মন্তব্য নতুন বা প্রথম কিছু নয়, এর আগেও পাকিস্তানের ‘ডন’ পত্রিকার সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ২০১৬ সালে গার্ডেনরিচকে দেখিয়ে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘দিস ইজ মিনি পাকিস্তান।’’ ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) এমন মন্তব্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল সেসময়ও। ইসলামিকরণ ধারণায় তাঁর যে এতটুকু বদল হয়নি, তা বোঝা গেল ২০২৪ সালেও। সম্প্রতি এক ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘মুসলিম হয়ে যাঁরা জন্মগ্রহণ করে না তাঁরা হতভাগ্য। এরকম প্রত্যেককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

    Firhad Hakim: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মুসলিম হয়ে যাঁরা জন্মগ্রহণ করে না তাঁরা হতভাগ্য। এরকম প্রত্যেককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে।’’ সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) এমন মন্তব্যের জন্য ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় রাজ্য জুড়ে। বিধানসভায় বিরোধীদল বিজেপি ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য বয়কট করতে শুরু করে বিধানসভায়। ঠিক এই আবহে চাপে পড়ে বিধানসভায় তাঁর করা মন্তব্য থেকে পিছু হঠে কার্যত ক্ষমা চাইলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

    ১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)

    গত কয়েকদিন ধরেই ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) বিজেপি বয়কট করতে থাকে। এদিনও বিধানসভা শুরু হতেই সেই একই ছবি দেখা যায়। পরপর দুবার ফিরহাদ হাকিম নিজের বক্তব্য শুরু করার সময় বেরিয়ে যান শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি (BJP) বিধায়করা। তাঁর সঙ্গে কক্ষ ছাড়েন বাকি বিজেপি বিধায়করাও। তবে তৃতীয়বার ফিরহাদ হাকিম বক্তব্য রাখতে গিয়ে কার্যত যখন ক্ষমা চান তখন বসেই শোনেন বিজেপি বিধায়করা। নিজের করা মন্তব্য থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ফিরহাদ হাকিম এদিন বলেন, “মাননীয় সদস্যরা যখন প্রশ্ন করেন তখন উত্তর দিতে হয়। যখন আমি উত্তর দিতে যাচ্ছি, তখন বেরিয়ে যাচ্ছেন। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, আপনারা বিশ্বাস করেন আমি সেকুলার নই? বুকে হাত দিয়ে বলুন তো আমায় ধর্মনিরপেক্ষ ভাবেন কী ভাবেন না? কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে কী বলেছি, তা নিয়ে এরকম আচরণ করা হচ্ছে।”  

    কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য আমার ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফিরহাদের উদ্দেশে বলেন, “আপনি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেতে পারেন। আপনাকে মন্ত্রী বা মেয়র হিসাবে ডেকেছিল। আমরাও সনাতন হিন্দুর কথা বলি। এতে আপত্তির নেই। আমাদের আপত্তি দ্বিতীয় অংশে। আমাদের সেটা মনে হয়েছে এই আহ্বান যথাযথ নয়। আপনি ক্ষমা চাইবেন না, সেটা বলছি না। আপনি দুঃখিত সেটা বলুন। এখানেই মিটে যাবে।” এরপর ফিরহাদ বলেন, “কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য আমার ছিল না। আমি ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলাম, মরার সময়ও তাই থাকব। আমি এই বিশ্বাসে বড় হয়েছি অন্য ধর্মকে সম্মান জানানো। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করলেও দুর্গা পুজোয় অংশ নিই। আমার মধ্যে কখনও অন্য ধর্মকে আঘাত করার উদ্দেশ্য ছিল না।”

    অগ্নিমিত্রা পলের বিবৃতি

    এদিন ফিরহাদ পিছু হঠায়, সাংবাদিকদের বিজেপি (BJP) বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, ‘‘উনি ক্ষমা না চাইলেও, ক্ষমা চাওয়ার মতো বিবৃতি দিয়েছেন। আমরা ওনাকে আর বয়কট করব না।’’ রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লাগাতার গেরুয়া শিবিরের দেওয়া চাপের কাছে কার্যত নতি স্বীকার করলেন ফিরহাদ হাকিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    Firhad Hakim: “যাঁরা ইসলাম ধর্মে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা”, ‘হাকিমি’ মন্তব্যে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা।” কথাগুলি যিনি বললেন তিনি সাধারণ কোনও মানুষ নন, তিনি কলকাতার মেয়র (Firhad Hakim)। রাজ্যের মন্ত্রীও বটে। আজ্ঞে হ্যাঁ, তৃণমূল পরিচালিত মন্ত্রিসভার সদস্য ফিরহাদ হাকিমই দিন তিনেক আগে ‘অল ইন্ডিয়া কোরান কম্পিটিশনে’ কথাগুলি বলেছিলেন বলে অভিযোগ। রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন ‘অপমানজনক’ ও ‘বিভাজনমূলক’ কথাবার্তায় হইচই রাজ্যজুড়ে। এই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই নেতা বলেন, “যাঁরা ইসলাম ধর্ম নিয়ে জন্মাননি, তাঁরা দুর্ভাগা। তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়েই জন্মেছেন। তাঁদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করতে হবে আমাদের।”

    ফিরহাদকে তোপ সুকান্তের (Firhad Hakim)

    ফিরহাদের এহেন মন্তব্যে হাতে অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “ফিরহাদ হাকিম যে মন্তব্য করেছেন, সেটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। (উনি) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে যাঁরা মুসলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করেননি, তাঁরা দুর্ভাগ্য নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। (আর ইঙ্গিত করেছেন যে) আল্লাহকে খুশি করার উপায় হল ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়া। এই মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর এবং বিভাজনকারী। এই ধরনের মন্তব্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাম্যের নীতি ক্ষুণ্ণ হয়।”

    বিস্ফোরক মালব্যও

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে এক হাত নিয়েছেন বিজেপির (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তৃণমূল যে বাংলায় চূড়ান্তভাবে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে, তা ওপেন-সিক্রেট। পার্টির (পড়ুন, তৃণমূলের) এই নিরন্তর তু্ষ্টিকরণের রাজনীতির উদাহরণ এটি। নির্বাচনে জয় এবং নির্বাচনোত্তর হিংসাই তৃণমূলকে সাহসী করে তুলেছে। তাই এরা আগের চেয়েও বিস্ফোরক সব মন্তব্য করছে।

    আর পড়ুন: ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন মাসুদ, কেমন হবে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক?

    তৃণমূলের জেসিবির সেই তরুণকে প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে মারের ঘটনা শারিয়া আইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই ঘটনাকে আবার সমর্থন করেছেন চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুর রহমান। এই কাজ একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিচিত ঘটনা। এই ঘটনা তৃণমূলের লুকোনো অ্যাজেন্ডার বহিঃপ্রকাশ। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও প্রকাশ করে ফেললেন দলের লুকোনো অ্যাজেন্ডা (Firhad Hakim)।…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share