Tag: Firing

Firing

  • BJP Bangla Bandh: ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি! জখম ৩

    BJP Bangla Bandh: ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি! জখম ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্ধের (BJP Bangla Bandh) মধ্যেই চলল গুলি। বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সাত সকালে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুতর জখম ব্যক্তি বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়ির চালক। তিনিও বিজেপি কর্মী বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জখম বিজেপি কর্মীর রক্তবমি হচ্ছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বিজেপির ডাকা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) সমর্থন করতে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো ভাটপাড়ায় (Bhatpara) বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় নামেন। বন‍্‍ধ বানচাল করতে তৃণমূলের লোকজনও জমায়েত হন। এদিন সকালে ভাটপাড়ায় বিজেপির পক্ষ থেকে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মিছিলে যোগ দিতেই কাঁকিনাড়া থেকে গাড়ি করে বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডে যাচ্ছিলেন। ঘোষপাড়া রোডে তাঁর গাড়়ি যাওয়ার সময় বেশ কিছুটা দূরে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছিলেন। আচমকা সেই জমায়েত থেকে এক যুবক বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি চালকের ডান কান ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যায়। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছোড়া হয়। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডে বলেন, ‘‘বন‍্ধের সমর্থনে দলীয় মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। তখনই হামলার ঘটনা ঘটে। পাথর ছোড়ার সঙ্গে এভাবে গুলি, বোমা ছুড়বে তা ভাবতে পারিনি। গাড়ির চালক সহ আমরা তিনজন জখম হয়েছি। দুজনের চোট গুরুতর। হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অর্জুনের

    বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন। তিনি বলেন, ‘‘বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) বানচাল করতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রাস্তায় নেমেছে। তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছে। ছয়-সাত রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাও ছোড়া হয়েছে। তাতে দুজন জখম হয়েছে। এছাড়া বিজেপি নেতার অল্পবিস্তর চোট লেগেছে। সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। আর প্রকাশ্যে গুলি চালানো হলেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল। পুলিশ তৃণমূলের তাঁবেদারি করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: সলমনের বাড়ির সামনে চলল গুলি, দায় স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

    Salman Khan: সলমনের বাড়ির সামনে চলল গুলি, দায় স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিত্রতারকা সলমন খানের (Salman Khan) বাড়ির বাইরে চলল গুলি। দায় স্বীকার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া হয়েছে হুমকিও। হুমকি পোস্টে বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল লিখেছে, “আমরা শান্তি চাই। আমাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের নিষ্পত্তি চাই। আজ যা হয়েছে, তা শুধুই একটা ট্রেলর ছিল। যাতে তুমি বুঝতে পার, আমরা কতদূর যেতে পারি। এটাই তোমাকে দেওয়া প্রথম ও শেষ সুযোগ। এরপর গুলিটা তোমার বাড়ির বাইরে চলবে না।” পোস্টে আরও বলা (Salman Khan) হয়েছে, “দাউদ ইব্রাহিম ও ছোটা সাকিলের নামে আমাদের দুটো কুকুর রয়েছে, যাদের তুমি ভগবান বলে মান। আমার বেশি কথা বলার অভ্যাস নেই।”

    কাকভোরে চলল গুলি (Salman Khan)

    রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ সলমনের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের সামনে চার রাউন্ড গুলি চলে। খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসে মুম্বই পুলিশ। ঘটনার তদন্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশও দিয়েছে মহারাষ্ট্রের একনাথ শিন্ডে সরকার। ঘটনার পর সলমনের বাড়ির সামনের নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। ঘটনার পরে পরেই অভিনেতার বাড়ির সামনে তদন্তে গিয়েছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ, স্থানীয় পুলিশ ও ফরেনসিক দল। বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে গুলির খোল। সলমনের নিরাপত্তায় দেওয়া হয়েছে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা। খবর পেয়ে সকাল আটটা নাগাদ সলমনকে ফোন করেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। আশ্বাস দেন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার।

    আরও পড়ুুন: রাজ্য দিবস পালন নিয়ে মমতাকে বিন তুঘলকের সঙ্গে তুলনা করলেন সুকান্ত, হল যোগদানপর্ব

    প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে আগেও

    অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে সলমনকে। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই সলমনকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। তার শাগরেদরা সলমনের বাড়ি রেইকি করে গিয়েছিল বলেও খবর। এদিনের ঘটনায় উদ্বেগে সলমনের ভক্তরা। জানা গিয়েছে, ১৯৯৮ সালে সলমনের বিরুদ্ধে কালো হরিণ শিকারের মামলা দায়ের হয়। তার পরেই বিষ্ণোই সমাজের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি হয় সলমনের। বিষ্ণোই পুলিশকে জানিয়েছিল, তাদের সমাজে পশু বিশেষ করে কালো হরিণকে ভগবানের মতো শ্রদ্ধা করা হয়। তারা কালো হরিণের পুজোও করে। তার পরেই হুমকি দেওয়া শুরু হয় খান পরিবারের এই অভিনেতাকে। কেবল বিষ্ণোই নয়, ভারত ও কানাডার ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রারও একাধিকবার সলমনকে (Salman Khan) প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    Arambagh: গোঘাটে সুদের টাকা আদায় করতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা হুগলির আরামবাগে (Arambagh)। প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে মানুষ যে কতখানি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, এই ঘটনা তারই জলজ্যান্ত প্রমাণ। সুদে টাকা ধার দিয়ে না পাওয়াতে এক ব্যক্তি দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে হামলা চালালো একজনের বাড়িতে। শুধু তাই নয়, এলোপাথাড়ি গুলিও চালালো। তাতে জখম হলেন ওই ব্যক্তির ছেলে। এলাকার বাসিন্দারাই বলছেন, এমন ঘটনা তাঁরা আগে কখনও দেখেননি।

    কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?

    ঘটনা হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গোঘাট থানার মথুরা এলাকার। শনিবার রাতে হঠাৎ ঘরে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। রাতেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় গোঘাট থানার পুলিশ। একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনায় আহতকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল এই ঘটনা (Arambagh)?

    জানা গেছে, গোঘাটের (Arambagh) মথুরা গ্রামের বাসিন্দা ফটিক রায় তাঁর পরিচিতদের কাছ থেকে বেশ কয়েক হাজার টাকা সুদে ধার নেন। প্রথম কয়েক মাস সুদের টাকা দিতে পারলেও গত দু’মাস তিনি তা দিতে পারেননি। সেই কারণে শনিবার রাতে বাইকে করে ফটিক রায়ের বাড়িতে হঠাৎ চড়াও হয় পাওনাদার সহ তিন দুষ্কৃতী। প্রথমে টাকা ফেরতের দাবি করে। টাকা ফেরত না পেয়ে ফটিক রায়কে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। সেই সময় পরিবারের লোকজন বাধা দিতে গেলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দেয় তারা। তার মধ্যেই একটি গুলি গিয়ে লাগে ফটিক রায়ের ছেলে অর্জুন রায়ের হাতে। তার পরেই ভয়ে পালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। দু’জন পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরে ফেলে পরিবারের লোকজন। তার পর খবর দেওয়া হয় গোঘাট থানায়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে গ্রেফতার করে ওই দুষ্কৃতীকে। এখনও পড়ে রয়েছে গুলির খোল। পরিবারের দাবি, প্রায় চার রাউন্ড গুলি চালায়।

    কী বলছেন আক্রান্ত (Arambagh)?

    অন্যদিকে ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অর্জুনকে আরামবাগ (Arambagh) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় রাতেই। এই ঘটনার বিষয়ে ফটিক রায় বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাহা নামে আমার এক পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে চার মাস আগে ৭৫ হাজার টাকা সুদে ধার নিয়েছিলাম। চার মাস ধরে সুদ দিয়েছি। কিন্তু তাকে এখন পুরো ৭৫ ফেরত টাকা দিতে হবে বলে আমাকে চাপ দেয় বেশ কয়েকদিন ধরে। আমি পুরো টাকা না দিতে পারায় শনিবার প্রায় রাত দেড়টা নাগাদ কৃষ্ণেন্দু সাহা দুই দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়িতে ঢুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকজন বাধা দিলে আমাদের মারধর করে, আমার ছেলে বাধা দিলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তারা চার রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীরা ছেলেকে গুলি চালায়। একটি গুলি ছিটকে হাতে লাগে। মাটিতে পড়ে যায় অর্জুন। তারপরে ভয় পেয়ে দুজন দুষ্কৃতী পালিয়ে গেলেও একজন মোটর বাইকে স্টার্ট দিতে না পারলে আমরা তাকে ধরে ফেলি। পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এলে পুলিশের হাতে তুলে দিই ওই দুষ্কৃতীকে। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ির সামনে গুলি চালিয়ে ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা!

    Murshidabad: বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ির সামনে গুলি চালিয়ে ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরে (Murshidabad) বিজেপির নবনির্বাচিত সদস্যের বাড়িতে গভীর রাতে হামলা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। বহরমপুরে ১৩ নম্বর সংসদের প্রার্থী উপেন মণ্ডলের বাড়িতে হামলা করে গুলি চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এর প্রতিবাদে, গভীর রাতে বহরমপুর থানায় বিজেপির জেলা সভাপতি শাখারাভ সরকারের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই নিয়ে তীব্র শোরগোল জেলায়।

    মূল অভিযোগ কী (Murshidabad)?

    মূল অভিযোগ হল, পঞ্চায়েত স্তরে তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে পরাজিত হয়েছে, সেই সব জায়গায় জয়ী প্রার্থীদের বাড়িতে (Murshidabad) হামলা, গুলি চালানো, বাড়ির মেয়েদের শ্লীলতাহানি এবং অপহরণের চেষ্টা করছে তৃণমূল। গতকাল রাতে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়িতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং তাঁর ছেলেকে অপহরণ করার চেষ্টা করে। রাতে চিৎকার চেঁচামেচিতে বাড়ির বাইরে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করার জন্য ক্রমাগত তৃণমূল কংগ্রেস হিংসার পদ্ধতি অবলম্বন করেছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভূপেন মণ্ডলের বাড়িতে হামলার আগে সাত নম্বর পঞ্চায়েতের চন্দনের বাড়ি এবং বিজেপির মেম্বার মামনী সাহার বাড়িতেও হামলা করে দুষ্কৃতীরা।

    নব নির্বাচিত প্রার্থীর বক্তব্য

    জয়ী বিজেপি প্রার্থী উপেন মণ্ডল বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে (Murshidabad) গিয়ে প্রথমে ভাঙচুর চালায়। বাড়ির বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে মারধর করে, বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানি করে এবং তাঁর ছেলেকে অপহরণ করার চেষ্টাও করে। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। উপেন মণ্ডলের স্ত্রী সোমা মণ্ডল জানিয়েছেন, গভীর রাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাড়িতে (Murshidabad) এসে হুমকি দেয় এবং বাড়ির সামনে কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায়। বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে।

    জেলা বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির দক্ষিণ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার সভাপতি শাখারভ সরকার জানিয়েছেন, রবিবার গভীর রাতে বহরমপুর ব্লকের মণীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’ জন বিজেপির নবনির্বাচিত সদস্যের বাড়িতে ভাঙচুর ও হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনকি নির্বাচিত সদস্যের ১২ বছরের ছেলেকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই বিজেপি সদস্যের বাড়িতে পৌঁছায় জেলা নেতৃত্ব। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে শাস্তি দিতে, বিজেপির নির্বাচিত সদস্য ও দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাত দুটো থেকে বহরমপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: প্রোমোটারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের গন্ডগোলে রণক্ষেত্র জগৎবল্লভপুর, গুলিবিদ্ধ মহিলা

    Howrah: প্রোমোটারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের গন্ডগোলে রণক্ষেত্র জগৎবল্লভপুর, গুলিবিদ্ধ মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠের ধারে একটি নবনির্মিত ভবনের জানালা রাখা নিয়ে প্রোমোটারের সঙ্গে গন্ডগোলের জেরে গুলি চলল হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরের পোলগুস্তিয়া এলাকায়। কয়েকদিন আগে থেকে গণ্ডগোল চলছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ভয় দেখাতে আসেন দিলীপ চোংদার নামে এক প্রোমোটার। দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঢুকে বোমাবাজি করতে থাকে বলে অভিযোগ। পরে, অভিযুক্ত প্রোমোটার সহ ৬ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার (Howrah) পোলগুস্তিয়া এলাকায় একটি জমি দখলের অভিযোগ ঘিরে সমস্যার সূত্রপাত। অভিযোগ, দিলীপ চোংদার নামে এক প্রোমোটার জোর করে গ্রামের একটি জমি দখল করে আবাসন তৈরি করছিলেন। এই মাঠেই গ্রামের ছেলেমেয়েরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলো করে। সেই জমি দখলের অভিযোগ ওঠে ওই প্রোমোটারের বিরুদ্ধে। বেশ কয়েক মাস ধরে এলাকায় উত্তেজনা ছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ভয় দেখাতে আসেন ওই প্রোমোটার। দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঢুকে বোমাবাজি করতে থাকে বলে অভিযোগ। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েকজন মহিলা। অভিযোগ, আচমকা গুলি চলায় এক মহিলা জখম হন। তাঁর পায়ে এসে লাগে গুলি। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিরোধ গড়়ে তোলেন। তখনই দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের তরফ থেকেও ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। রীতিমতো অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় এলাকায়। পরে, দুষ্কৃতীরা এলাকা ছাড়ে। আপাতত এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনাস্থলে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রোমোটার?

    হামলার প্রসঙ্গে প্রোমোটার দিলীপ চোংদার বলেন, আমার নিজের জমি। সমস্ত অনুমতি নিয়েই আমি বিল্ডিংটা তৈরি করছি। থানাকে জানানো আছে। জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়েছি। কিন্তু, স্থানীয় যুবক সমিতি ক্লাবের কিছু ছেলে আমার কাছে চার লক্ষ টাকা চেয়েছিল। আমি তা দিইনি। এটাই অপরাধ। তার জন্য ওরা মাঠের দিকে আমাকে জানালা রাখতে দেবে না। তাই নিয়েই বিবাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ভর সন্ধ্যায় সোনার দোকানে ডাকাতি, চলল বোমা-গুলি! আতঙ্ক এলাকায়

    Malda: ভর সন্ধ্যায় সোনার দোকানে ডাকাতি, চলল বোমা-গুলি! আতঙ্ক এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার মালতীপুর (Malda) দুর্গা মন্দিরের পাশে এক সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি। আটজনের ডাকাতদল ওই সোনার দোকানে সামনে এসে বোমা ফাটায়, গুলিও ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মালিক সহ মোট তিনজন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দোকানের মালিকের নাম গৌতম সেন। বাড়ি চাঁচলে। মঙ্গলবার ঠিক সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ এই ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কী ভাবে ঘটনা ঘটেছে (Malda)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর সন্ধ্যায় আটজনের ডাকাতদল চারটি বাইক নিয়ে ওই সোনার দোকানের সামনে হাজির হয়। ডাকাতি করার আগে প্রথমে কয়েকটি বোমা ফাটায়। তারপর দোকান মালিককে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায়। গুলি লাগা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন দোকানের মালিক, একজন কর্মচারী এবং একজন ক্রেতা। এরপর দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকাপয়সা ও দোকানের সোনা, রুপোর অলঙ্কার নিয়ে চম্পট দেয় ওই ডাকাতদল। গুলির ঘায়ে জখমদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য চাঁচল (Malda) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    ডাকাতদল ঠিক কত টাকা ও কত পরিমাণ সোনা, রুপোর অলঙ্কার নিয়ে পালিয়েছে, তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানায়। খবর পেয়ে চাঁচল থানার (Malda) আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুণ্ডুর নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। আইসি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। চারদিকে নাকা চেকিং চলছে। খুব শীঘ্রই সোনার দোকানে ডাকাতি কাণ্ডে অভিযুক্তদের পাকড়াও করা হবে বলে পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে।

    আতঙ্কিত এলাকার মানুষ

    দোকানে ডাকাতির ঘটনাটি চাউর হতেই মালতীপুরে প্রচুর মানুষ জড়ো হয়। ভর সন্ধ্যায় ডাকাতির ঘটনায় চরম আতঙ্কিত মালতীপুরের (Malda) বাসিন্দারা। মালতীপুরের বাসিন্দা তথা কংগ্রেস নেতা আদিত্যনারায়ণ দাস বলেন, ঘটনার পর এলাকার মানুষ উদ্বিগ্ন। মালতীপুর জনবহুল এলাকা। জনগণের চোখের সামনেই ডাকাতদল প্রথমে বোমা ফাটায় এবং এরপর গুলি চালিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে। আর ঠিক এরপরেই ওই দোকানটি লুট করে চম্পট দিল ডাকাতদল। ফলে এই ঘটনায় দোকান ব্যবসায়ীরা সকলেই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাই এলাকায় জোরদার পুলিশি নিরাপত্তার দাবি করেছেন বাসিন্দারা।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: শাসকের সন্ত্রাসে রক্তাক্ত পঞ্চায়েত ভোট! ঝরল আরও একটি প্রাণ

    Panchayat Election 2023: শাসকের সন্ত্রাসে রক্তাক্ত পঞ্চায়েত ভোট! ঝরল আরও একটি প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসকের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ (Panchayat Election 2023) উঠেছে বারবার। ফের তার প্রমাণ মিলল একটি প্রাণের বিনিময়ে। রক্তাক্ত পঞ্চায়েত ভোটে ঝরল আরও একটি প্রাণ। চোপড়ার গুলিকাণ্ডে গুরুতর জখম মনসুর আলমের মৃত্যুতে এমনই অভিযোগ উঠেছে। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর মঙ্গলবার গভীর রাতে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় মনসুরের।

    কী হয়েছিল?  

    গত ১৫ জুন উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন সিপিএম ও কংগ্রেস জোটের প্রার্থীরা। মাঝপথে তাদের সশস্ত্র আক্রমণ করা হয়। রক্ত ঝরে। জখম হন একাধিক। তিনজন গুরুতর জখম হন। তাঁদের মধ্যে দু’ জন, মনসুর আলম ও নাইমূল হককে শিলিগুড়িতে চিকিৎসার জন্য আনা হয়।

    কারা আক্রমণ করেছিল, কী বলছে মনসুরের পরিবার

    মনসুরের পিসেমশাই মজফফর আলম বুধবার শিলিগুড়িতে বলেন, আমরা ১৮ কিলোমিটার পথ মিছিল করে মনোনয়নপত্র (Panchayat Election 2023) জমা দিতে যাচ্ছিলাম। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর হঠাৎই রাস্তা আটকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর আক্রমণ চালায়। আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চলে। আমাদের বেশ কয়েক জন জখম হয়। তার মধ্যে তিনজন গুরুতর জখম হয়েছিল। নাইমূল হক ও মনসুরকে শিলিগুড়িতে আনা হয়। মনসুরের মাথায় গুলি লেগেছিল। এজন্যই তার মৃত্যু হয়েছে। ১৫ জুন এই ঘটনার পর আমাদের তরফে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু প্রকৃত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা এই ঘটনার সঙ্গে আদৌ যুক্ত ছিল কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    চিকিৎসকরা কী বলছেন

    শিলিগুড়ির যে বেসরকারি নার্সিংহোমে মনসুর মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যায়, সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মনসুরের মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। যদিও মৃতের পরিবারের দাবি, মনসুরের মাথায় সেদিন গুলি (Panchayat (Election 2023) লেগেছে। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই সবটা জানা যাবে। তার আগে তারা কোনও মন্তব্য করতে নারাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarpara: সাত সকালেই উত্তরপাড়ায় ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    Uttarpara: সাত সকালেই উত্তরপাড়ায় ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে বারাকপুর শহরে সোনার দোকানে ঢুকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ছেলেকে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় এখনও সব অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। এর জের মিটতে না মিটতেই ফের গুলিবিদ্ধ হলেন এক ব্যবসায়ী। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপাড়া (Uttarpara) থানা এলাকায়। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ীর নাম রাজীব সরকার। বাড়ি হিন্দমোটরের রবীন্দ্রনগর এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজীববাবু ডিমের পাইকারি কারবারি। উত্তরপাড়ার (Uttarpara) ঘোষপাড়া এলাকায় গঙ্গার ধারে প্রতিদিন ভোরে ট্রাকে করে আনা পেটি পেটি ডিম নামানো হয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী সেখান থেকে ডিমের পেটি নিয়ে যান। এদিন ভোরে রাজীববাবু স্কুটি করে সেখানে যান। সূত্রের খবর, সেই সময় পাঁচ-ছজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের প্রত্যেকের মুখ ঢাকা ছিল। তাঁকে সামনে পেয়েই প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। রাজীববাবু মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এরপরই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে স্থানীয় নার্সিংহোমে ভর্তি করেন। তবে, সাত সকালে এমন দুষ্কৃতী হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী?

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে রাজীববাবু বলেন, বহু আগে একজনের সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল। তবে, এখন আর সে সব নেই। আমি নিজের মতো করে ব্যবসা করি। তবে, আমি কোনওদিন ভোরে ব্যবসার কাজে বের হই না। গত দুদিন ধরে আমি ভোরে ডিম নিতে আসছিলাম। এতে কেউ নজরদারি চালাচ্ছিল। আমি ঘটনাস্থলে আসতেই পাঁচ-ছজন আমাকে ঘিরে ধরে। প্রত্যেকের মুখ গামছা দিয়ে ঢাকা ছিল। কোনও টাকাপয়সা না চেয়ে ওরা আমার শরীরে ধারালো অস্ত্র চালাতে শুরু করে। আমি মাটিতে পড়ে যাই। এরপরই ওদের মুখে সার্চ লাইট মারতে ওরা আমাকে গুলি চালায়। আমার স্কুটি নিয়ে ওরা চম্পট দেয়।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনার?

    চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন, কয়েকজন দুষ্কৃতী উত্তরপাড়ায় (Uttarpara) ওই ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায়। তারা ওই ব্যবসায়ীকে গুলি করে পালিয়েছে। তাদের খুব তাড়াতাড়ি ধরে ফেলা হবে। ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমে পড়েছে পুলিশ। ব্যবসায়িক কারণ না পুরোনো শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    TMC Clash: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত বেলেঘাটা, পার্টি অফিসে ভাঙচুর, গুলি চালানোরও অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ (TMC Clash) এবার খাস কলকাতায়। রবিবার ছুটির দিনে শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেলেঘাটা। পার্টি অফিসে যথেচ্ছ ভাবে ভাঙচুর চালানো হয়। এমনকি গুলিও চলেছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ এক যুবককে ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে। অন্যান্য ক্ষেত্রে যা হয়, এখানেও পুলিশ গুলি চলেছে বলে স্বীকার করেনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইস্ট কুলিয়া রোডে এলাকার নেতা রাজু নস্করের অফিসে মূলত ওই ভাঙচুর চলেছে। অফিসের কাচ থেকে শুরু করে আসবাবপত্রে ভাঙচুর চালানো হয়। ইট মেরে ভেঙে দেওয়া হয় অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িও।

    এলাকায় আতঙ্ক, দোকানপাট বন্ধ

    হাসপাতালে শুয়ে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী অভিযোগ এনেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যেভাবে এদিন আচমকা গুলি চালানো হয়েছে, তাতে তিনিও হতবাক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এদিন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বেলেঘাটা। মুহূর্তের মধ্যে এলাকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেন। তবে শুধু গলির মধ্যে তৃণমূল নেতার ওই অফিসকে ঘিরেই যে আতঙ্কের পরিবেশ ছিল, তা নয়। গন্ডগোলের (TMC Clash) রেশ ছড়িয়ে পড়ে মূল রাস্তা বেলেঘাটা মেন রোডেও। সংঘর্ষ চলে সেখানেও। ফলে সেখানেও দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। মেন রোডে দাঁড়িয়ে এখানকার এক বাসিন্দাও জানিয়েছেন যে তিনি বেশ কয়েকটি গুলির আওয়াজ শুনেছেন।

    কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতা?

    এলাকার তৃণমূল নেতা রাজু নস্করের অভিযোগ, বিজেপির লোকজন তার দলের লোককে পয়সা খাইয়ে তৃণমূলে ঢুকেছে। এছাড়া বেলেঘাটাতে যে সমাজ বিরোধীরাও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, সেকথাও তিনি স্বীকার করেছেন। এটা তৃণমূলের কোনো গোষ্ঠী কোন্দলের (TMC Clash) লড়াই নয় বলে তার দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajdhani Express Shootout: ভুল টিকিটে যাত্রা! চলন্ত শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে চলল গুলি

    Rajdhani Express Shootout: ভুল টিকিটে যাত্রা! চলন্ত শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসে চলল গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকিট পরীক্ষক বা টিটিই-র সঙ্গে ঝামেলায় ট্রেনের মধ্যেই আগ্নেয়াস্ত্র বার করে পর পর গুলি চালালেন যাত্রী। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ শিয়ালদা থেকে দিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেসে (Rajdhani Express Shootout) এক যাত্রী গুলি চালান বলে অভিযোগ। যদিও ওই গুলিতে কেউ জখম হননি। তবে চলন্ত ট্রেনে গুলি চলার ঘটনায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় যাত্রীদের মধ্যে। 

    কী ঘটেছিল ট্রেনের ভিতরে

    পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত যাত্রীর নাম হরবিন্দর সিং (৪১)। ওই যাত্রী ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত। জানা গিয়েছে, ওই যাত্রীর কাছে ‘ভুল’ টিকিট ছিল। শিয়ালদা দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের (Rajdhani Express Shootout) জায়গায় হাওড়া দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের টিকিট কেটেছিলেন ওই ব্যক্তি। ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠেন ওই যাত্রী। রেলের কর্মরত টিকিট পরীক্ষক তাঁর কাছে টিকিট পরীক্ষা করতে আসেন। ভুল টিকিট কেটেছেন বলে জানানো হয় ওই ব্যক্তিকে। এরপরেই দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। বচসার মাঝেই হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র বের করেন ওই যাত্রী। এরপরেই ক্ষিপ্ত হয়ে পর পর গুলি চালাতে শুরু করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    রেল পুলিশ অবিলম্বে তাঁকে আটক করে। ঝাড়খণ্ডের কোডরমা স্টেশনে ওই জওয়ানকে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে নির্দিষ্ট সময়ের বেশ কিছুক্ষণ পরে গন্তব্যের দিকে ফের রওনা দেয় রাজধানী এক্সপ্রেস৷ পূর্বরেলের মুখ্যজনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বৃহস্পতিবার রাতে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গোটা ঘটনাটি জানিয়েছেন। তবে গোটা ঘটনায় রেলের যাত্রীদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। গুলি চালনার ঘটনায় যে কোনও মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। রাজধানী এক্সপ্রেসে (Rajdhani Express Shootout) যাত্রী সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share