Tag: Firing

Firing

  • Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। শুক্রবার সকাল অবধিও অশান্তির খবর মেলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতার উপর কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) প্রয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবারের অশান্তিতে এক পুলিশ কন্সটেবল সহ তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আজ কাংপোকপি ও ইম্ফলে অশান্তি-উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা

    বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার ট্যুইটার হ্যান্ডল ‘স্পিয়ার কোর’-এর তরফে জানানো হয়, মণিপুরের হারাওথেল গ্রামে টহল দেওয়ার সময়ে হঠাৎই ভোরের দিকে সেনা আধিকারিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ‘পারিপার্শ্বিক ক্ষয়ক্ষতি’ এড়াতে পাল্টা গুলি চালায় তারাও। সেনার তরফে এ-ও জানানো হয়, বিপুল সংখ্যক উন্মত্ত জনতা ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিল। প্রায় রাত আটটা অবধি গুলি চলে। পরে সন্ধ্যার দিকে উন্মত্ত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা।

    অন্যদিকে, রাতে ইম্ফলের খাওয়াইকানবন্দ বাজারে বিক্ষোভকারীরা জমায়েত করে এবং কফিন নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। জানা গিয়েছে, গতকাল এক নৌসেনা কর্তার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে ইম্ফলে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অবধিও মিছিল করার হুমকি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ও র‌্যাফ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। ক্ষিপ্ত জনতার কাছ থেকে দেহ উদ্ধার করে জওহরলাল নেহেরু ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপির একটি কার্যালয়েও হামলা চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    মণিপুরে রাহুল

    এদিকে গতকালই দুদিনের সফরে মণিপুরে (Manipur) গিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। শান্তির (Peace) বার্তা নিয়ে তাঁর এই মণিপুর যাত্রা। রাহুলের সফর মণিপুরে শান্তি ফেরানোর পথে সহায়তা করবে না বলে মন্তব্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার। তিনি বলেন, ‘‘কোনও রাজনৈতিক নেতারই হিংসা থেকে ফয়দা তোলার চেষ্টা করা উচিত নয়। সাধারণত প্রচারে থাকার জন্যই এমন সফর হয়।’’

    আরও পড়ুন: ২০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর মৃত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী-র

    রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মুখ্যমন্ত্রীর!

    আজ, শুক্রবারই রাজ্যপাল অনসূয়া উইকির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। মণিপুরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের খবর, জাতি দাঙ্গা থামাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে অবশেষে সরতে হতে পারে বীরেনকে। তবে একটি মহলের বক্তব্য, পদত্যাগ নয়, মুখ্যমন্ত্রী আসলে রাজ্যপালের নেতৃত্বে গঠিত শান্তি কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে রাজভবন যাবেন। সেখানে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে কথা বলবেন রাজ্যপালের সঙ্গে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Titagarh Shoot-out: ভরদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা, ফের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

    Titagarh Shoot-out: ভরদুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা, ফের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা প্রায়শই অভিযোগ করেন, বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বাংলা। যখন তখন গুলি-বোমা নিয়ে হামলা, ধর্ষণ করে খুন ইত্যাদি ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার কলকাতার কাছেই প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হল। ফলে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগের জায়গাটা আরও একবার সামনে চলে এল। ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে (Titagarh Shoot-out) ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় থানার জি সি রোড নয়াবস্তি এলাকায়। এটি বারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। নিহতের নাম আনোয়ার আলি (৫০)। তৃণমূলের দাবি, নিহত ব্যক্তি তাদের দলের কর্মী। রাজনৈতিক নাকি অন্য কোনও কারণে তাঁকে গুলি করে খুন করা হল, সে ব্যাপারে তৃণমূল নেতৃত্ব কিছু জানায়নি। ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস ওই কর্মীকে দেখতে গিয়েছিলেন হাসপাতলে। সেখানে তিনি বলেন, কী কারণে এই গুলি, তা তাঁরা এখনও জানতে পারেননি। পুলিশকে তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা এসেছিল মোটরবাইকে। আনোয়ারকে গুলি করেই তারা এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়।

    এলাকায় চাঞ্চল্য, আতঙ্ক

    ভর দুপুরে প্রকাশ্যে রাস্তায় এইভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ (Titagarh Shoot-out) হওয়ার পর ওই তৃণমূল কর্মীকে বারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সেখানে শেষ রক্ষা হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির নিজস্ব ব্যবসা ছিল। একই সঙ্গে তিনি সমাজসেবার নানা কাজেও যুক্ত ছিলেন। আনোয়ার আলির এক বন্ধু জানান, ওর ডাক নাম ছিল গুড্ডু। এখানে একটা সাইবার ক্যাফে ছিল। জমিজমার ব্যবসাও করত। সাড়ে ১২ টা থেকে ১ টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ভালো ছেলে ছিল বলেই তিনি জানিয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    Firing At Punjab: ফের অশান্ত পাঞ্জাব! ভোর রাতে ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে পরপর গুলি, নিহত ৪ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত পাঞ্জাব। বুধবার ভোরে পরপর গুলি চলল ভাটিন্ডার সেনা শিবিরে। তাতে অন্তত চার সেনা জওয়ানের মৃত্যু। ভোর সাড়ে ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে চলে গুলি বলে সূত্রের খবর। গুলি চলার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। তল্লাশি চলছে এলাকায়। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর সাউথ ওয়েস্টার্ন কম্যান্ড।

    তপ্ত সেনা শিবির

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে ৪টে বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা শিবিরে গুলি চলে। বিকট আওয়াজে ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারাও সেই গুলির শব্দ শুনতে পান। সেনার তরফে জারি বিবৃতিতে আপাতত বলা হয়েছে, ‘ভোর ৪টে ৩৫ মিনিট নাগাদ সেনা ছাউনির ভিতরে গুলি চালানোর ঘটনাটি ঘটে। এর পরপরই ‘ক্যুইক রিঅ্যাকশন টিম’কে মোতায়েন করা হয় ভাটিন্ডা সেনা ছাউনিতে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ভোর থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। এই গুলি চালানোর ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়ছেন না ইয়েদুরাপ্পা! কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ?

    প্রাথমিক ভাবে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থেকে এই ঘটনা বলে অনুমান। তবে, জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। কে বা কারা গুলি চালাল, কোন পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও, পাঞ্জাব পুলিশের দাবি, এই গুলির ঘটনায় সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ নেই। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, দু’দিন আগে ইনসাস রাইফেল (Insas Rifle) ও ২৮ টি কার্তুজ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল সেনা ছাউনি থেকে। পুলিশ মনে করছে, কোনও সেনা কর্মীই এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। গুলি করার পিছনে কারণ সূত্র খুঁজে পেতে তদন্ত জারি রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের।

    কী বলছে পাঞ্জাব পুলিশ?

    ভাটিন্ডার এসএসপি গুলনীত খুরানার বিবৃতি অনুযায়ী, এক জওয়ানই সম্ভবত সতীর্থদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। তাতেই তপ্ত হয়ে ওঠে সেনা শিবির। এই সম্পর্কে বিশদ তথ্য এখনও সামনে আসেনি। তবে সেনা শিবিরের অন্দরেই এলোপাথাড়ি গুলি চলার ঘটনায় বেড়েছে উদ্বেগ। সেনা শিবিরের বাইরে মোতায়েন রয়েছে বিশাল বাহিনী। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই  ক্যুইক রিয়্যাকশন টিম কাজে নেমে পড়েছে। এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এলাকায় ঢোকা এবং বেরনোর রাস্তা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। ফের বিপন্ন  কাশ্মীরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় ফের মৃত্যু হল এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। ওই হামলাতেই জখম তাঁর ভাই। এই নিয়ে কম সময়ের বিরতিতে পর পর দুবার হামলা চালানো হল কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের ওপর। কিছুদিন আগেই ওই একই সম্প্রদায়ের ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। 

    মঙ্গলবার সকালেই ঘটনাটি ঘটে সোপিয়ানের চিতপোরা এলাকায়। একটি আপেল বাগানে জঙ্গিরা ওই দুই পণ্ডিতের ওপর গুলি চালায়। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁদের মধ্যে এক জন। গুরুতরভাবে আহত অন্যজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ট্যুইটারে কাশ্মীর পুলিশ লিখেছে, খুব শীঘ্রই পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানানো হবে। তবে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত হামলাকারীদের খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

     

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, নিহতের নাম সুনীল কুমার। কাছের ছোটিগাম গ্রামের বাসিন্দা সুনীল এবং তাঁর ভাই পিন্টু। সুনীল কুমারের শরীরের দুটি গুলি লাগে। জঙ্গি হামলায় আহত হন তাঁর ভাই পিন্টুও। হামলার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

    ঘটনার পরে, উপত্যকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে পুলিশ। বেশ কয়েকদিন ধরেই জঙ্গি হামলায় বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ। রবিবারই নাওহাটায় জঙ্গি হামলায় এক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েকদিন আগেই বিহার থেকে কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক পরিযায়ী শ্রমিককেও বান্দিপোরায় গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। এই নিয়ে চলতি বছরে ভিনরাজ্যের চার নম্বর বাসিন্দাকে খুন করল জঙ্গিরা। 

    সোপিয়ানের জঙ্গি আক্রমণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করি।”

     

    ঘটনার নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের লেফটান্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহাও। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “কাশ্মীরের সোপিয়ানের হামলায় গভীরভাবে শোকাহত। মৃতের পরিবারের প্রতি সমব্যাথী। আহতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এই ঘটনার নিন্দা সবার করা উচিৎ। যেই জঙ্গিরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের ক্ষমা করা হবে না।” 

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর হামলার দায় শিকার করেছে জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটারস (KFF)। মূলত এটি লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন। এদের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে লস্কর জঙ্গিদের সঙ্গে। 

     

     

LinkedIn
Share