Tag: Flood

Flood

  • Pakistan Flood: বন্যায় ভেসে গিয়েছে ফসল, ভারত থেকে আনাজ আমদানি করতে চলেছে পাকিস্তান?  

    Pakistan Flood: বন্যায় ভেসে গিয়েছে ফসল, ভারত থেকে আনাজ আমদানি করতে চলেছে পাকিস্তান?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বন্যার (Flood) কবলে পাকিস্তান (Pakistan)। মৃতের সংখ্যা হাজার পার। ঘরছাড়া বহু মানুষ। শাহবাজ শরিফের দেশের এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত (India)। পাকিস্তানের মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বন্যা পরিস্থিতিতে ভয়াবহ খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে দেশটিতে। এমতাবস্থায় ভারত থেকে সবজি আমদানির কথা ভাবছে পাকিস্তান।

    ইমরান খানের (Imran Khan) সরকারের পতনের পর পাকিস্তানের কুর্সিতে বসেছেন শাহবাজ শরিফ। তার পর থেকে তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে দেশটি। এমতাবস্থায় মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো চলে এসেছে সপ্তাহভর বর্ষণের জেরে ভয়াল বন্যা। প্রবল বন্যায় বহু মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি প্রাণহানি হয়েছে বহু অবোলা পশুরও। দেশের বাকি অংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন খাইবার পাখতুন প্রদেশের হাজার হাজার বাসিন্দা। বিপদে পড়া দেশটিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক ও আরব আমিরশাহি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও। ভেসে গিয়েছে লক্ষ লক্ষ বিঘের খেতের ফসল। প্রত্যাশিতভাবেই দেখা দিয়েছে খাদ্যসংকট। এহেন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতাহ ইসমাইল জানান, ভারত থেকে শুল্কমুক্ত শাক-সবজি আনার পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান। কেবল আনাজ নয়, ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীও নিয়ে আসার পরকল্পনা করছে সরকার। তিনি জানান, মুদ্রাস্ফীতির যাতে ক্ষতিকারক প্রভাব না পড়ে তাই এই পরিকল্পনা। সরকারের এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছে সে দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন। তবে তারা এও জানিয়েছে, ভারত থেকে কেবল কাঁচামালই আমদানি করা হোক, অন্য কিছু নয়।

    আরও পড়ুন : ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    সংবাদমাধ্যমকে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী বলেন, শুল্কমুক্ত সবজি এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আমদানি করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছি। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছি। তাঁর মতে, প্রয়োজনে সরকার ভারত থেকে স্থলপথে সবজি এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আমদানি করবে। দেশ বন্যার কবলে পড়ায় দু দিনের মধ্যে পেঁয়াজ এবং টমাটোর দাম এক লপ্তে বেড়ে গিয়েছে বেশ কয়েকগুণ।

    সরকারের এই পরিকল্পনায় উচ্ছ্বসিত লাহোর ব্যবসায়িক সংগঠন। লাহোর চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মিঞা নৌমান কবীর বলেন, ভারত থেকে সবজি আমদানি শীঘ্রই শুরু হবে বলে আশাবাদী আমরা। আমদানি শুরু হলেই দেশের বাজারে টমাটো, পেঁয়াজ সহ অন্যান্য সবজির দাম কমবে। তিনি বলেন, তবে কেবল সবজি আমদানি করা হলেই ভাল, টমাটো কেচাপের মতো অন্য কোনও ফিনিশড প্রোডাক্ট নয়।

    এদিকে, সূত্রের খবর, ভারতের শীর্ষস্তরে এনিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সন্ধে পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pakistan Flood: ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    Pakistan Flood: ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ বন্যার (Flood) কবলে পাকিস্তান (Pakistan)। সোমবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা (Death Toll) ১ হাজার ১৩৬ জন। দেশের জনসংখ্যার এক সপ্তমাংশকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে অন্যত্র। দেশ-বিদেশ (Foreign) থেকে সাহায্য আসতে শুরু করেছে পাকিস্তানে।

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের জেরে ভয়াল বন্যায় শাহবাজ শরিফের দেশ। পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শেরি রহমানের মতে এই দশকের ভয়ঙ্কর বন্যা এটি। এই বন্যার প্রভাব পাকিস্তানের অর্থনীতিতে পড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল। এমনিতেই অর্থনীতির হাল বেহাল পাকিস্তানে। তার ওপর এই বন্যা কার্যত অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে সে দেশে।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    মন্ত্রীর মতে, এই বন্যায় যা ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠন করতে বছর পাঁচেক সময় লাগবে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। জানা গিয়েছে, বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬ জন। জখম হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৪ জন। প্রচুর বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্য, পানীয় জলের সংকট। প্রাণ হারিয়েছে সাত লক্ষেরও বেশি প্রাণী। সপ্তাহভর টানা বৃষ্টির জেরে ধুয়ে গিয়েছে জমির ফসল। নারী ও শিশু মিলিয়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে। দুর্গতদের নিয়ে যাওয়ার পথে সিন্ধু নদে নৌকা উল্টে নিখোঁজ হয়েছেন ৩০ জন। পাকিস্তানের প্রবীণ এক পুলিশ আধিকারিক জানান, সিন্ধের পুলিশ পাকিস্তান নৌসেনার সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার করেছে সাতজন বন্যা দুর্গতকে। খাইবার পাখতুন প্রদেশের হাজার হাজার বাসিন্দা দেশের বাকি অংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। বিপদে পড়া দেশটিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে তুরস্ক ও আরব আমিরশাহি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও।

    প্রতিবেশী দেশের ভয়াল বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির জেরে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বন্যায় মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। ট্যুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বন্যায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁরা আহত হয়েছেন এবং প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। দেশটি দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Pakistan Flood: বন্যায় ভাসছে দেশ, মোদির সমবেদনার পরেও পাক প্রধানমন্ত্রীর মুখে সেই কাশ্মীর!

    Pakistan Flood: বন্যায় ভাসছে দেশ, মোদির সমবেদনার পরেও পাক প্রধানমন্ত্রীর মুখে সেই কাশ্মীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াল বন্যায় (Flood) বিপর্যস্ত পাকিস্তানের (Pakistan) একটা বিরাট অংশ। মৃতের সংখ্যা হাজার পার। এমতাবস্থায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বন্যায় মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এহেন আবহে ফের কাশ্মীর (Kashmir) ইস্যু খুঁচিয়ে তুললেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)।

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের জেরে ভয়াল বন্যায় শাহবাজ শরিফের দেশ। পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শেরি রহমানের মতে এই দশকের ভয়ঙ্কর বন্যা এটি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। জানা গিয়েছে, বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৩৬ জন। জখম হয়েছেন ১ হাজার ৬৩৪ জন। প্রচুর বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। দেখা দিয়েছে খাদ্য, পানীয় জলের সংকট। প্রাণ হারিয়েছে সাত লক্ষেরও বেশি প্রাণী। সপ্তাহভর টানা বৃষ্টির জেরে ধুয়ে গিয়েছে জমির ফসল। এমতাবস্থায় ভারত থেকে আনাজ আমদানির কথা ভাবছে পাক প্রশাসন। এদিকে, মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে ট্যুইট করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন, পাকিস্তান দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে। এর পরে পরেই পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল জানান, ভারত থেকে আনাজ এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী আমদানি করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি এও জানিয়েছিলেন, বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় এসব আমদানি করা হবে।

    আরও পড়ুন : বন্যায় ভেসে গিয়েছে ফসল, ভারত থেকে আনাজ আমদানি করতে চলেছে পাকিস্তান?

    এর পরেই ফের একবার কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুললেন পাক প্রধানমন্ত্রী। কাশ্মীর থেকে রদ করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। ফের একবার তার কড়া সমালোচনা করেন শাহবাজ। কূটনৈতিক মহলের মতে, এছাড়া শাহবাজের কাছে আর কোনও রাস্তা ছিল না। কারণ রাজনীতিতে তাঁর ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশীয় রাজনীতির বাধ্যবাধ্যকতাও রয়েছে। সেই কারণেই ভয়াল বন্যার পরিস্থিতিতেও কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুলেছেন শাহবাজ। এদিকে, ভারতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের তরফে কোনও বন্যাত্রাণ সহায়তা চাওয়া হয়নি। তবে ঘরোয়া রাজনীতিতে ছাপ ফেলতেই শাহবাজ কাশ্মীর ইস্যু খুঁচিয়ে তুলেছেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Uttarakhand Himachal Travel Tips: হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন এই বিষয়গুলো

    Uttarakhand Himachal Travel Tips: হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে যাচ্ছেন? জেনে রাখুন এই বিষয়গুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত দুই পাহাড়ি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড। প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধস ও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হিমাচল ও উত্তরাখন্ডে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে অবস্থার অবনতি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে উত্তরাখন্ডে। অপরদিকে হিমাচলে প্রায় ৩৬জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এরই মধ্যে যদি আপনারা উত্তরাখন্ড ও হিমাচলে যেতে চান ও বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে, তবে তাঁদের কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নেওয়া দরকার।

    আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন

    ২২ অগাস্ট আবহাওয়া দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, ২৫ অগাস্ট হিমাচলের বিভিন্ন জায়গা যেমন চাম্বা, কুল্লু, সোলান, মান্ডি, সিমলায় বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এই জায়গাগুলোতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যটক ও স্থানীয়দের কোনও নদী ও ব্রিজের কাছে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    যাতাযাতের ব্যবস্থা

    হিমাচলের পাঠানকোট থেকে যোগীন্দর পর্যন্ত ট্রেনের যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। ধর্মশালার চক্কি নদীর ওপর রেলওয়ে ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরাখন্ডের একাধিক ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাস ও বিমানের তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টি, বন্যা, ভূমিধসে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ, দেখুন সেই পরিস্থিতি

    রাস্তার অবস্থা

    ধসের ফলে হিমাচলের একাধিক জায়গা জুড়ে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মান্ডি থেকে বিভিন্ন জায়গার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মান্ডিতে মানালি-চন্ডিগড় হাইওয়ে, কাউটালা হয়ে মান্ডি-কুল্লু রাস্তা এবং সিমলা-কালকা রাস্তার পাশাপাশি সোলান জেলার কান্দাঘাট জাতীয় সড়ক 5-এ বন্ধ হয়ে রয়েছে। প্রায় ৭০০টির মত রাস্তা বন্ধ হিমাচেলে। অন্যদিকে উত্তরাখন্ডে তোটাঘাটিতে ঋষিকেশ-বদ্রীনাথ হাইওয়ে, নাগনীতে ঋষিকেশ-গঙ্গোত্রী হাইওয়ে বন্ধ করা হয়েছে।

    পর্যটন ও বিমান কর্তৃপক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে

    কর্তৃপক্ষ থেকে পর্যটকদের নিরাপদে ও সাবধানে যাতায়াত করতে বলা হয়েছে।

    এমার্জেন্সি হেল্প লাইন

    জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়): ০২২-২২০২৭৯৯০

    উত্তরাখণ্ড

    উত্তরাখণ্ড রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ

    স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার: ০১৩৫-০৩৩৪, ১০৭০ (টোল-ফ্রি)।

    জেলা জরুরী অপারেশন কেন্দ্র: ১০৭০

    হিমাচল প্রদেশ

    হিমাচল প্রদেশ রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ

    স্টেট ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার: ১০৭০

    জেলা জরুরী অপারেশন রুম: ১০৭৭

    জরুরী পরিষেবা: ১০৮,১১

  • Weather Forecast: বন্যা, ভূমিধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি! ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে তিনদিনে মৃত্যু প্রায় ৫০ জনের

    Weather Forecast: বন্যা, ভূমিধসে ভয়াবহ পরিস্থিতি! ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে তিনদিনে মৃত্যু প্রায় ৫০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর এবং পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য প্রবল বৃষ্টিপাত, বন্যা, ভূমিধসে বিপর্যস্ত। গত তিনদিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত (heavy rain) আর তার জেরে বন্যা (flood) ও ভূমিধসে বহু মানুষের মৃত্যু (death) হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত তিন দিনে উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand), হিমাচল প্রদেশ (Himachal pradesh) এবং ওড়িশায় (Odisha) ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আরও অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    হিমাচল প্রদেশ

    চার রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হিমাচল প্রদেশ। বন্যার কারণে বেশ কিছু রাস্তা, রেলসেতু ভেঙে পড়েছে। বহু গ্রাম জলমগ্ন। প্রায় ৩৩০ টি রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে। মাটির বাড়িগুলি ভেঙে পড়েছে। রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হল মান্ডি। প্রবল বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই সেখানে ৩৬ জন মারা গিয়েছেন। ১২ জন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। বন্যায় ভেসে গিয়ে এখনও পাঁচ জন মানুষ নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।

    উত্তরাখন্ড

    এই রাজ্যে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ১০ জনের বেশি নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। নদীর দুই কূল ভেসে যাওয়ায় বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত। সেতু ভেঙে গিয়েছে। এরই মধ্যে একটি রেসোর্টে আটকে পড়া ২৪ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। উত্তরাখন্ডের দেরাদুন, তেহরি, পাউরি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    ওড়িশা

    ওড়িশার পরিস্থিতিও খুব খারাপ। মুষলধারায় বৃষ্টিতে কমপক্ষে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ওড়িশায় বন্যায় প্রভাবিত হয়েছেন প্রায় ৮ লক্ষ মানুষ। বহু মানুষ বন্যার জেরে ঘড় ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে জল ও বিদ্যুত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে সরানো হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে।

    ঝাড়খন্ড

    এই রাজ্যেও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন বদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫০০ জনকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে নলকারী নদীর জলে ভেসে গিয়েছেন কমপক্ষে পাঁচ জন। তবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত চারজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, জব্বলপুর, উজ্জয়িনী, মান্ডসুর সহ ৩৯ টি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে জবলপুরের হনুমান তাল মন্দিরের অনেকাংশ জলের তলায়। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে ও নদীর জলস্তরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • Weather Forecast: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    Weather Forecast: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত পাহাড়ের কোলের দুই রাজ্য। প্রবল বৃষ্টির কারণে ভূমিধস (Land Slide) ও বন্যা (Flood) পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh)। ইতিমধ্যেই সে রাজ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন। ৫০০ টি গ্রাম এবং ৪ লক্ষ মানুষ বন্যার কবলে রয়েছেন। অন্যদিকে প্রতিবেশি রাজ্য উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) দেরাদুনও মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শনিবার সকালে মেঘভাঙা বৃষ্টির (Cloud Burst) কারণে তছনছ হয়ে গেছে একটি গ্রাম। দুই রাজ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে সরকার। ত্রাণ বিলিও শুরু হয়েছে। কাজে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। 

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়?     
     
    শনিবার ভোরবেলা উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের রায়পুর-কুমালদা এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। যার ফলে একধিক পাহাড়ি নদীর তীর ভেঙে যায়। বেশ কয়েকটি নদীর জল এতটাই বেড়ে যায় জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রেল ব্রিজ বা সাধারণ ব্রিজ। টন নদীর তীরে অবস্থিত বিখ্যাত তাপকেশ্বর শিবমন্দিরের গুহাতেও ঢুকে পড়েছে নদীর জল।    

    স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শনিবার ভোর রাত ২.১৫ মিনিটে প্রবল বৃষ্টি হয়। তাতেই ভেসে গেছে সং নদীর ওপরের একটি সেতু। বিপদসীমা ছাড়িয়েছে মুসৌরির জনপ্রিয় ঝর্না স্পট কেম্পটি ফলস। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে প্রবল বৃষ্টির কারণে প্রচুর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১২টিরও বেশি বাড়ি কাদায় চাপা পড়েছে। গ্রামে আটকে থাকাদের উদ্ধার করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলি হল, মালদেবতা, ভুতসি, তাউলিয়াকাটাল, থাতুদা, লাভারখা, রিঙ্গলগড়, ধুত্তু, রাহদ গাও ও সরখেত।  

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঋষিকেশ-বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক, ঋষিকেশ-গঙ্গোত্রী মহাসড়ক, নরেন্দ্রনগর-রানিপোখরি মোটর রাস্তার বেশ কিছু পয়েন্টে ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। 

    প্রতিবেশি রাজ্য হিমাচল প্রদেশের মান্ডি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হয়। তারই কারণে ভূমিধস আর হড়পা বানের কবলে পড়ে এই রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান প্রশাসনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাংড়া জেলার চাক্কি সেতু। সেতুর তিনটি স্তম্ভ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। চাকি নদীর ওপর এই রেল সেতুটি এই এলাকার অন্যতম মূল যোগাযোগ ব্যবস্থা।      

    ধর্মশালায় মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে মাণ্ডি জেলায় বন্যা দেখা যায়। বহু ঘরবাড়ি, দোকানপাট ভেসে গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে কাংড়া, কুলু জেলাতেও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল কলেজ। তবে এখনই শেষ হচ্ছে না বৃষ্টির ভয়ঙ্করতা। হিমাচলে আরও বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। নদীর তীরবর্তী এলাকা খালি করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।  

     

  • Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    Weather Forecast: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও বন্যা, দেশজুড়ে মৃত প্রায় ৩৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh), ঝাড়খণ্ড (Jharkhand), ওড়িশা (Odisha) এবং উত্তরাখণ্ড (Uttrakhand) সহ বেশ কয়েকটি রাজ্য। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে শনিবার এই রাজ্যগুলিতে বন্যা(Flood) এবং ভূমিধস (Landslides) হয়েছে। এই রাজ্যগুলো থেকে প্রায় ৩৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। ত্রাণ বিলিও শুরু হয়েছে। উদ্ধার কার্যে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    হিমাচল প্রদেশে একটি পরিবারের ৮ সদস্য সহ অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় ভূমিধস এবং বন্যা হয়েছে ৷ আবার ১০ জন আহতও হয়েছেন। শুধুমাত্র মান্ডিতেই ভারী বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১৩ জন মারা গেছে এবং ছয়জন নিখোঁজ, ডেপুটি কমিশনার অরিন্দম চৌধুরী জানান। নিখোঁজদের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    উত্তরাখণ্ডে শনিবার সকালেই মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও তার জেরে বন্যা হওয়ায় ৪ জনের মৃত্যু এবং ১০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। বিভিন্ন নদীর সেতু ভেঙে বিপর্যস্ত এলাকা। সেতু ভেসে যাওয়ায় বেশি কয়েকটি এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বেশ নদীতীরবর্তী একাধিক গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হিমাচল প্রদেশ-উত্তরাখণ্ড, মৃত ২৫

    অন্যদিকে প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে ওড়িশা। বন্যার কবলে পড়েছেন অন্তত ৫০০টি গ্রামের প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ। ওড়িশায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে ওড়িশার উত্তরের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির জেরে আরও ক্ষতি হয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ময়ূরভঞ্জ, কেন্দ্রপাড়া এবং বালাসোর সহ বেশ কয়েকটি জেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ দল পাঠিয়েছেন। শনিবার প্লাবিত মহানদীর প্রবল স্রোতে একটি নৌকা ভেসে গেলে সেখান থেকে ৭০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আবার প্রবল বৃষ্টিতে ঝাড়খণ্ডের বেশ কয়েকটি জেলায় বহু গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে এবং নিচু এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। পশ্চিম সিংভূমে বাড়ির মাটির দেওয়াল পড়ে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আবার নলকারী নদীর জলে দুজন ভেসে গিয়েছেন।

    জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার ত্রিকুটা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত বিখ্যাত মাতা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরের যাত্রা (Vaishno Devi Yatra) রবিবার সকালে ফের শুরু হল৷ রাতভর ভারী বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে  স্থগিত ছিল তীর্থযাত্রা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। 

     

  • Assam Flood: বন্যার কবলে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি, মৃত ৯

    Assam Flood: বন্যার কবলে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি, মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার বন্যার কবলে আসাম (Assam Flood)। প্রাক-বর্ষার বৃষ্টিতে এক মাস আগেই বন্যার কবলে পড়েছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। ফের জলের তলায় আসামের ১৫০০ গ্রাম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। লাগাতার বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমেছে। মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। 

    প্রশাসন সূত্রের খবর, রাজ্যজুড়ে ২৫ জেলায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন ১১ লক্ষ মানুষ। সদ্য গঠিত বাজলি জেলা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: আসামে বন্যায় মৃত ২৪, ক্ষতিগ্রস্ত সাত লক্ষের বেশি মানুষ

    কামরূপে বরোলিয়া নদীর জল বাড়তে শুরু করেছে। ফলে একটানা বৃষ্টির জেরে বরোলিয়া নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে। বরোলিয়ার জল বাড়তে শুরু করায় হাজো, চৌমুখাসহ একাধিক এলাকার গ্রাম জলের নীচে। রঙ্গিয়া এলাকার ৭৭টি গ্রাম জলের নীচে বলে জানা যাচ্ছে। যার জেরে ৪৪ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ বলে জানা যাচ্ছে। বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য রঙ্গিয়া এলাকায় আশ্রয় শিবির গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে একাধিক এলাকার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।  

    বন্যার জেরে কামরূপ জেলা প্রশাসন স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ডিমা হাসাও, বাজালি, নলবাড়ি, বোঙ্গাইগাঁও ও তামুলপুর জেলা প্রশাসনও স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্কুল বন্ধ রাখা হলেও পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।  

    আরও পড়ুন: শুক্রবার থেকে কমতে পারে বৃষ্টি, বানভাসি আসামে মৃত ৯, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লক্ষ মানুষ

    ধসের কারণে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর জেরে দক্ষিণ আসামের সঙ্গে মেঘালয়ের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানা দুদিন ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে গুয়াহাটির বিভিন্ন জায়গা থেকে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি একাধিক রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভূমিধসের কারণে গীতানগর, সোনাপুর, কালাপাহাড়, নিজারাপার এলাকার একাধিক রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে আসামের ১৮টি জেলার ৩৫ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে বলে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। চলতি বছর বন্যায় এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এছাড়াও বন্যার জেরে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উত্তর-পূর্বের বেশ কয়েকটি রাজ্য। মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    আসামের গোপালপাড়ায় ধসে বাড়ি ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশুর। বন্যার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ডিমা হাসাও এবং উদলগিরির দুজনের। এছাড়াও বাকি রাজ্যগুলি মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। উত্তর-পুর্বের রাজ্যগুলিতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। 

     

  • Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের (Assam) গুয়াহাটির একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঘাঁটি গেড়েছেন মহারাষ্ট্রের (Maharastra) বিদ্রোহী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তাঁর সঙ্গে ওই হোটেলে ঠাঁই নিয়েছেন আরও প্রায় চল্লিশ জন বিধায়ক। আসাম সরকার তাঁদের থাকার খরচ দিচ্ছে বলে অভিযোগ। শনিবার সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন বিজেপি শাসিত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁরই সতীর্থ শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে চলে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে উড়ে যান আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানেই অনুগতদের নিয়ে একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। শনিবার মধ্যরাতের বিশেষ বিমানে গুজরাটের ভাদোদরায় ফিরে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে দেখা করেন শিন্ডে। রাতেই ফিরে যান আসামের ওই হোটেলে।

    আরও পড়ুন : আধা-সামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে নিয়োগে অগ্রাধিকার ‘অগ্নিবীর’দের

    বিলাসবহুল হোটেলে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের থাকা খাওয়ার খরচ দিচ্ছে আসাম সরকার। বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয় এমনই। প্রবল বন্যায় যখন রাজ্য ভাসছে, তখন সরকারের বিরুদ্ধে ‘বদান্যতা’র অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধীরা।  

    বিরোধীদের সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেন, শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেলের থাকার খরচ দিচ্ছে না আসাম সরকার। অসমে বর্তমানে ভয়াল আকার নিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির সঙ্গে মহারাষ্ট্রের বিধায়কদের হোটেলে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেল খরচ আসাম সরকার দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের ডেপুটি স্পিকার ডিসকোয়ালিফিকেশন নোটিশ ধরিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী ১৬ বিধায়ককে। আগামিকাল সোমবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁদের জবাব দিতেও বলা হয়েছে। এই ১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন বিদ্রোহীদের নেতা শিন্ডে স্বয়ংও। রাজনৈতিক মহলের হিসেব, এভাবেই বিদ্রোহীদের দমন করার খেলায় নেমেছে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার।

     

  • Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    Assam floods: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বহু গ্রাম, ২০টি জেলার ২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বর্ষণে আসামে (Assam)বন্যা (Flood)পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার নিয়েছে। টানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি (Heavy Rain) চলছে। আসামে ৬ মে থেকে ৫৪৫.৬৬ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জাতীয়সড়ক এবং পাঁচটি রাজ্যসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও মোবাইল সংযোগ নেই। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামের পর গ্রাম। আসামের ২০টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্তত লাখ দুয়েক বাসিন্দা। প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ বাড়ি-ঘর ছেড়ে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরগুলিতে (Relief Camps) আশ্রয় নিয়েছেন। প্রতিটি এলাকা এক-একটা দ্বীপের চেহারা নিয়েছে। জেলাসদর হাফলঙের সঙ্গে মাইবাঙের যোগাযোগ নেই। কারণ ধসের পর ধস নেমেছে আসামের ওই পাহাড়ি জেলায়। এমনকি শহরতলি জাটিঙ্গায়ও যাওয়া-আসা বন্ধ। বহু জায়গায় রেল ট্র্যাক মাটির তলায়,সড়কের ওপর দিয়ে বইছে জলস্রোত।

    জেলার প্রতিটি রেলস্টেশনের চেহারা বদলে গিয়েছে। হাফলঙ স্টেশনে হাঁটুসমান কাদা। একটি ফাঁকা ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল সেখানে। পাহাড় ভেঙে জল-কাদা গড়িয়ে যাওয়ার সময় এর পাঁচ-ছয়টি কামরাকে সরিয়ে দিয়েছে। সেগুলি কাত হয়ে দূরে পড়ে আছে। সেখানে অনেকটা জায়গা জুড়ে ট্র্যাক নিশ্চিহ্ন। আরও বহু জায়গায় ট্র্যাকের নীচে থেকে মাটি সরে গিয়েছে। দাওতুহাজা ও ফাইডিংয়ের মধ্যবর্তী তিনশো মিটার এলাকা রেললাইন ঝুলন্ত সেতুর চেহারা নিয়েছে। নিউ হাফলঙে টানা বর্ষণের রেললাইনে ধসের জেরে ট্রেনের মধ্যেই আটকে পড়েছিলেন প্রায় ২৮০০ যাত্রী। কোনওরকমে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। বায়ুসেনার কপ্টারে করে অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দিমা হাসাও জেলায় লুমডিং শাখায় দুটি ট্রেন আটকে পড়েছিল। ওই দুটি ট্রেনের মধ্যে ছিলেন বেশ কয়েকজন যাত্রী। বন্যা পরিস্থিতি ও ধসের জেরে প্রাণ হাতে নিয়ে কার্যত আতঙ্কের প্রহর গুনছিলেন তাঁরা। শেষমেশ তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     এই পরিস্থিতিতে ২৫ জোড়া ট্রেন বাতিল করল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। আসামের Dima Hasao এলাকায় ভূমিধসের কারণে ত্রিপুরা, মিজোরাম ও দক্ষিণ অসমের এলাকায় চলাচলকারী ওই ট্রেনগুলিকে বাতিল করেছে Northeast Frontier Railway। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে রেললাইন মেরামতির কাজ। যে সমস্ত ট্রেন বাতিল ও আংশিক বাতিল করা হয়েছে সেগুলির মধ্যে আছে Agartala–Anand Vihar Tejas Rajdhani এক্সপ্রেস, Bangalore Cant –Agartala এক্সপ্রেস, Agartala – Secunderabad এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-আগরতলা কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। 

    [tw]


    damaged because of the heavy-rain induced flash flood and landslide.#AssamFloods #AssamFloodUpdates #AssamNews #haflongflood @RailNf @RailMinIndia pic.twitter.com/PatgR9U0eC— Farhan Ahmed (@farhan_assam) May 16, 2022

    [/tw]

    আসামের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (Assam Disaster Management Department) তরফে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে কাছাড় (Kachar) এলাকা। ওই জেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ। কাছাড়ের সাড়ে ছ’শোরও বেশি গ্রাম বন্যার কবলে। বাড়ছে বন্যার জলে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা। করিমগঞ্জ জেলায়ও নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।  বন্যা পরিস্থিতিতে অসমে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। কয়েকজন নিখোঁজ বলেও জানা গিয়েছে। প্রায় ৬৬ হাজার ৬৭১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ১৬ হাজার হেক্টর জমি জলে ডুবে গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। জলের তোড়ে তমালপুর জেলায় বোরোলিয়া নদীতে ভেসে গিয়েছে বাঁশের সেতু। অসমের জোরহাট (Jorhat), নওগাঁ (Naugaon ) জেলার পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগের। নগাঁও জেলায় কপিলি নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ব্রহ্মপুত্রের জলও বিপদসীমার উপরে। এর মধ্যে জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ নেই। বিঘ্নিত হচ্ছে জল সরবরাহ। মিলছে না ইন্টারনেট পরিষেবাও।

    আরও পড়ুন : সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকল আন্দামানে, রাজ্যেও বৃষ্টির পূর্বাভাস

LinkedIn
Share