Tag: food corporation of India

food corporation of India

  • Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষুধা মোকাবেলার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী মানবিক কাজকর্মের সমর্থনে এবার চাল সরবরাহ করবে ভারত। ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন (Food Corporation of India) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (World Food Programme) একটি বিশেষ চুক্তির স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। বিশ্ববাসীকে অন্ন প্রদানের মাধ্যমে অন্নদান করবে ভারত।

    ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ (Food Corporation of India)

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিবের উপস্থিতিতে ভারত সরকারের পক্ষে এফসিআই-এর (Food Corporation of India) সিএমডি রবীন্দ্র কুমার আগরওয়াল এবং ডাব্লিউএফপি-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ এই চুক্তি স্মারক স্বাক্ষর করেন। চুক্তিপত্র স্মারকের আওতায়, এফসিআই ডব্লিউএফপি-কে ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল (World Food Programme) সরবরাহ করবে। মোটামুটি ভাবে ২৫ শতাংশের যোগান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই চুক্তিপত্র স্মারক স্বাক্ষরের তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বৈধ থাকবে। প্রয়োজন এবং চাহিদা অনুসারে পারস্পরিক সম্মতিতে এটি বাড়ানো যেতে পারে। বার্ষিক ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান চালের মূল্য আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রতি কুইন্টাল ২,৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া বলেন, “ডব্লুএফপি (Food Corporation of India)-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানুষকে খাদ্য (World Food Programme) সরবরাহ করতে পুষ্টি এবং সম্মান রফতানি করছি। এই চুক্তিটি ভারতের দৃঢ় সংকল্পকে প্রতিফলিত করে। কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, এই নীতিকেই এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। অপুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকবে সবসময়ে।”

    বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা ভারত

    জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ বলেন, “ভারতের সঙ্গে এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভারতের সহায়তা আগামী পাঁচ বছরে ডব্লুএফপি (WFP)-কে পুষ্টিকর খাদ্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা হিসেবে, ভারত আমাদের শূন্য ক্ষুধা লক্ষ্যকে কার্যকর করতে অনুপ্রাণিত করে। এই রূপান্তরমূলক অংশীদারিত্বের জন্য আমি ভারতকে ধন্যবাদ জানাই।”

    এই অংশীদারিত্ব বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী মানবিক চাহিদা পূরণে ডব্লুএফপি (World Food Programme)-এর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী খাদ্য ব্যবস্থায় বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় ভারতের ভূমিকাকে আরও জোরদার করবে।

  • Foodgrains Procurement: খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজে লাগানো হবে বেসরকারি সংস্থাকেও, কেন জানেন?  

    Foodgrains Procurement: খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজে লাগানো হবে বেসরকারি সংস্থাকেও, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও খাদ্যশস্য সংগ্রহের (Foodgrains Procurement) কাজে লাগানো হবে। ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI) এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি খাদ্যশস্য মজুতের লক্ষ্যে অচিরেই আহ্বান জানানো হবে বেসরকারি সংস্থাকে। সোমবার এমনই জানালেন খাদ্য সচিব (Food Secretary) সুধাংশু পাণ্ডে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে।

    এদিন রোলার ফ্লাওয়ার মিলারর্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ৮২ তম বৈঠকে ভাষণ দিচ্ছিলেন সুধাংশু পাণ্ডে। তিনি  বলেন, খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য কেন্দ্র রাজ্য সরকারগুলিকে দুটো স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। এক, রাজ্য সরকার যে পরিমাণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ করবে আনুষাঙ্গিক খরচ বাবদ তার জন্য দেওয়া হবে ২ শতাংশ করে। আর দ্বিতীয়ত, খাদ্যশস্য সংগ্রহের খরচ কমাতে কাজে লাগানো হবে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে। খাদ্য সচিব বলেন, খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজে আমরা বেসরকারি সংস্থাগুলিকে যুক্ত করতে চাই। তাঁর প্রশ্ন, কেন কেবল ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্য সরকারের সংস্থাগুলি খাদ্যশস্য সংগ্রহ করবে?

    আরও পড়ুন :কেন্দ্রীয় এজেন্সির অপব্যবহার মন্তব্যে মমতাকে মোক্ষম জবাব মালব্যর

    সম্প্রতি খাদ্য সচিব ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইনস কনফারেন্সে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেখানে দেখলাম বেসরকারি কোম্পানিগুলি অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজ করছে। সুধাংশু বলেন, বেসরকারি সংস্থাগুলি যদি খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজ কম খরচে এবং অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে, তাহলে সরকারের কোনও সমস্যা নেই। খাদ্য সচিব বলেন, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন এজেন্সিগুলি ছাড়াও খাদ্যশস্য সংগ্রহের কাজে বেসরকারি উদ্যোগকে কাজে লাগাতে বলে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছি। আগামী মরশুমে যাতে বেসরকারি উদ্যোগকে এ ব্যাপারে যুক্ত করা যায়, সেই চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। সুধাংশু জানান, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা বছরে ৯ কোটি টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে। যদিও চাহিদা রয়েছে ৬ কোটি টনের। প্রসঙ্গত, খাদ্যশস্য, বিশেষত ধান এবং গম নূন্যতম সহায়ক মূল্যে সরাসরি কৃষকদের থেকে কেনা হয়। পরে সেটাই বিলি করা হয় দরিদ্র কল্যাণমূলক প্রকল্পে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share