Tag: Food Safety

Food Safety

  • Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে খাবারে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং খাদ্য লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর (Food Safety Raids)। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে ‘স্পেশাল ফুড সেফটি উইক’। সেই কর্মসূচির প্রথম তিন দিনেই রাজ্যের ২,৩৩৭টি খাদ্য ও পানীয় সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২,০৫৬টি প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের হদিশ মিলেছে। অর্থাৎ, পরিদর্শন করা (West Bengal) প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনও না কোনও বড় ধরনের অসঙ্গতি সামনে এসেছে।

    সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ (Food Safety Raids)

    দফতর সূত্রে খবর, অনিয়ম ধরা পড়ার পর ২,০৩৯টি ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ বা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,২৭৭টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ৪২৮টি, ২ সেপ্টেম্বর ৪৭৩টি এবং ৩ সেপ্টেম্বর ৩৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুধু নজরদারি নয়, অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপও করা হয়েছে। ১৬টি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১৭টি প্রতিষ্ঠান সিল করে দেওয়া হয়েছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। ১৭টি ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১ সেপ্টেম্বর ৯০৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। পরের দিন ৮২৪টি এবং তার পরের দিন আরও ৬০৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

    মালদায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    তিন দিনের অভিযানে মালদায় একাধিক খাদ্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ‘টেস্টি ফুড প্রোডাক্টে’র ক্ষেত্রে বৈধ ও আপডেট খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে না পারার অভিযোগ ওঠে। তার উপর কেক তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দেয়। পরিস্থিতির জেরে সেখানে খাদ্যপণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    একই জেলায় ‘হায়দরাবাদি বিরিয়ানি’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৈধ খাদ্য লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশনের নথি দেখাতে না পারার পাশাপাশি খোলা জায়গায় নর্দমার উপর রান্না করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে ওই প্রতিষ্ঠানেও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মালদার পানীয় জল প্রস্তুতকারী ‘পিওর বুন্দ’ এবং ‘পাইলট পানি’র ক্ষেত্রেও লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়ে। খাদ্য সুরক্ষা বিধিতে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য আবশ্যিক শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুই সংস্থার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Food Safety Raids)।

    হলুদে মেটানিল ইয়েলো, বন্ধ দুধঘর

    উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের ‘দুধ ঘরে’ বৈধ খাদ্য লাইসেন্স না থাকার অভিযোগের পাশাপাশি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সন্ধান মেলে। স্পট টেস্টে হলুদ গুঁড়োয় ‘মেটানিল ইয়েলো’ নামে অননুমোদিত রং শনাক্ত হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকেও খাবারের মেশানো রং উদ্ধার হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, খাদ্য বিক্রির উপর জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।

    হুগলিতে বন্ধ পানীয় জল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    হুগলির পুইনানে ‘নূর এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি পানীয় জল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ হয়েছে। খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত পক্ষের তরফে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা এনফোর্সমেন্ট শাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    লাইসেন্স নেই, জল পরীক্ষার রিপোর্টও অনুপস্থিত

    ৩ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জের দেবগ্রামের ‘তারা মা হোটেল’ এবং চাপড়ার ‘জনপ্রিয় হোটেলে’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। দুই প্রতিষ্ঠানই বৈধ খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি পানীয় জলের পরীক্ষার রিপোর্ট অনুপস্থিত ছিল এবং খাবার সংরক্ষণ ও রান্নার পরিবেশও স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত বাসনপত্রের ঘাটতিও নজরে আসে (Food Safety Raids)।

    পশ্চিম বর্ধমানে জরিমানা

    পশ্চিম বর্ধমানেও অভিযান চালিয়ে সাতটি খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট রুলস অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, কলকাতার তাজ বেঙ্গলে পরিদর্শনের সময় বড় কোনও নিয়মভঙ্গ নজরে আসেনি বলেও রিপোর্টে উল্লেখ (West Bengal) করা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল খাদ্যপণ্যের গুণমান বজায় রাখা, খাদ্য সুরক্ষা বিধি কার্যকর করা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ নজরদারি। ফলে আগামী দিনগুলিতে আরও বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠানে অভিযান এবং নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে (Food Safety Raids)।

     

  • Food Safety Raids: শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই রাজ্যে পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দাফাঁস! জানেন কী খাচ্ছিলেন এতদিন?

    Food Safety Raids: শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই রাজ্যে পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দাফাঁস! জানেন কী খাচ্ছিলেন এতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মুখে রাজ্যে ফিরে এল সেই ভাগাড়ের পচা মাংসের আতঙ্ক! খাদ্য সুরক্ষা দফতর, পুরসভা এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে পর পর অভিযানে মিলল চোখ কপালে ওঠা ছবির হদিশ। শুভেন্দু প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপেই ফাঁস হয়ে গেল পচা মাংসের রমরমা কারবারের পর্দা। তাতেই উঠে এল ভয়াবহ ছবি। কয়েকদিন আগে মহারাষ্ট্রেও এমন অভিযানে দেশজুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। এবার শুরু হয়ে গেল এরাজ্যেও। কলকাতা থেকে শুরু করে একাধিক জেলায় নামী রেস্তরাঁ, খাবারের (Food Safety Raids) দোকান ও মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে কেজি কেজি পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস (Rotten Meat), মাছ, মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির, আইসক্রিম ও ঠান্ডা পানীয়। কোথাও ফ্রিজে ঠাসা ছিল পুরনো মাংস-মাছ, কোথাও আবার খাবারে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছিল হোলির রং। পর্যটনকেন্দ্র দিঘার একাধিক হোটেল ও রেস্তরাঁয় নিম্নমানের বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। সব মিলিয়ে পুজোর আগে রাজ্যে খাবারের মান ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ল।

    ভাগাড়ের মাংসকাণ্ড (Food Safety Raids)

    ২০১৮ সালে ভাগাড়ের মাংস কাণ্ডে কার্যত তোলপাড় হয়েছিল কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। অভিযোগ উঠেছিল, ভাগাড়ে পড়ে থাকা মৃত পশুর মাংস সংগ্রহ করে রাস্তার ধারের খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে-সহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হচ্ছিল। সেই মাংস দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে নানা রাসায়নিক ব্যবহার করা হত বলেও অভিযোগ সামনে এসেছিল। পরে ওই মাংস মাছের স্তূপের আড়ালে করে অন্য রাজ্যেও পাচার করার অভিযোগ ওঠে। বসিরহাটের বাদুড়িয়ায় এই চক্রের বড়সড় হদিশ মেলার পর রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছিল ধরপাকড় ও নজরদারি।

    এবার ২০২৬ সালে পুজোর ঠিক আগে ফের সেই বাদুড়িয়াতেই উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ পচা মাংস ও মাছ। খাদ্য দফতর, পুরসভা এবং এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযানে একটি নামী রেস্তরাঁ থেকে প্রায় ৪০ কেজি পচা মাংস উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে মুরগি ও খাসির মাংস ছিল বলে জানা গিয়েছে। বিপুল পরিমাণ পাঁঠার মাংস পচে যাওয়ার পরেও, তা ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই মাংস রান্না করে সাধারণ মানুষকে পরিবেশন করা হচ্ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রাম, একই ছবি

    শুধু বাদুড়িয়াতেই নয়, কলকাতা, সল্টলেক, মধ্যমগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমানের একাধিক নামী রেস্তরাঁতেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও ফ্রিজ খুলতেই তীব্র দুর্গন্ধ বেরিয়েছে। কোথাও মাংসে ছত্রাক ধরেছে। আবার কোনও কোনও জায়গায় দীর্ঘদিনের পুরনো চিংড়ি মাছ ফ্রিজে মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    কলকাতার ট্যাংরার চায়না টাউনে চাইনিজ খাবারের জন্য প্রতিদিনই বহু মানুষ যাতায়াত করেন। সেই ট্যাংরার একটি পরিচিত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ কেজি মাছ-মাংস উদ্ধার করেছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য দফতর। উদ্ধার হওয়া কোনও প্যাকেটেই তারিখ উল্লেখ ছিল না বলে জানা গিয়েছে। পরে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করে ধাপায় নিয়ে গিয়ে নষ্ট করে ফেলা হয়।

    রেস্তরাঁটির মালিক অবশ্য দাবি করেছেন, মাংসগুলি দীর্ঘদিনের পুরনো নয়। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন প্রায় ৮০ কেজি মাংসের প্রয়োজন হয় এবং উদ্ধার হওয়া মজুত তিন দিনের মতো ছিল।

    মধ্যমগ্রামে ফ্রিজ খুলতেই দুর্গন্ধ

    উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের যশোর রোডের ধারে একটি শপিং মলের খাবারের জায়গায় খাদ্য দফতর, পুরসভা ও এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি নামী খাবারের দোকানের ফ্রিজ ও রান্নাঘরে ঢুকতেই খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের নজরে আসে পচা মাংস এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার (Food Safety Raids)।

    অভিযোগ, সেখানে ছত্রাক ধরা পচা মাংস, মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া খাবারের প্যাকেট এবং পানীয় জলের বোতল পাওয়া যায়। পরিস্থিতি দেখে ঘটনাস্থলেই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়। আধিকারিকরা পৌঁছনোর পর কর্মীরা পচা খাবার ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    সল্টলেকের তথ্যপ্রযুক্তি এলাকাতেও পচা মাংস

    সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে একটি রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়েও মিলেছে পচা মাংস। আরডিবি ভবনের কাছে ওই রেস্তরাঁর সংরক্ষণাগারে কাঁচা মাংস ভর্তি ছিল। সেখান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। খাবারের বিষয়ে কৈফিয়ৎ চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এরপর তাঁর দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    উদ্ধার হওয়া মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর (Rotten Meat)।

    দিঘায় বিরিয়ানি নিয়েও উঠল অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিঘাতেও খাবারের মান নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রায় সারা বছরই এখানে হাজার হাজার পর্যটক আসেন। সেই দিঘার ২০টি হোটেল ও রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর।

    অভিযোগ, বিরিয়ানিতে খাবারের উপযোগী রঙের পরিবর্তে রাসায়নিক মেশানো বিষাক্ত রং ব্যবহার করা হচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে বেশ কয়েক দিন আগে রান্না করা মাংস ফের গরম করে বিক্রি করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, “দিঘার ২০টি হোটেল-রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়ে ১৫টি থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে মান যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ১২টি হোটেলকে আইনি নোটিশ ধরানো হয়েছে (Rotten Meat)।”

    হুগলিতে মিষ্টিতে হোলির রং, বেকারিতে পোকা ধরা ময়দা

    বাঙালির অন্যতম প্রিয় খাবার মিষ্টি নিয়েও এবার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হুগলির আরামবাগে কয়েকটি মিষ্টির দোকানে খাবারে ব্যবহারের জন্য রাখা রঙের মধ্যে হোলিতে খেলার রং পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও দোকানদারদের দাবি, দোলের সময় ব্যবহারের পর ওই রঙের কৌটো রান্নাঘরে থেকে গিয়েছিল। মিষ্টি তৈরিতে সেই রং ব্যবহার করা হয় না বলেই তাঁদের দাবি।

    আরামবাগের খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক যদুনাথ হেমব্রম বলেন, “মিষ্টিতে রং মেশানো হচ্ছে। আর সেই রং হল হোলির রং। এই রং দিয়ে হোলি খেলা হয়। দোকানের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হোলির সময় থেকে রঙের কৌটোটা কোনও ভাবে ওখানে রয়ে গিয়েছে। কিন্তু যেখানে মিষ্টি তৈরি হয়, সেই জায়গা থেকেই এই রং উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে সাজানো ছিল। অন্যান্য রঙের সঙ্গেই এই হোলির রংটা রাখা ছিল।”

    হুগলির ভদ্রেশ্বরেও একটি বেকারিতে অভিযান চালিয়ে কেক, বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরির উপকরণে অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। পোকা ধরা ময়দা ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে (Rotten Meat)।

    বর্ধমানে পচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির

    পূর্ব বর্ধমানেও খাবারের মান নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। বর্ধমান শহরের কয়েকটি মিষ্টির দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির পাওয়া যায়। খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা সেই পনির নষ্ট করে দেন। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ আইসক্রিম ও ঠান্ডা পানীয়ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে (Food Safety Raids)।

    শুধু শহরেই নয়, বর্ধমানের শক্তিগড়ের বিখ্যাত ল্যাংচা এলাকাতেও অভিযান চালানো হয়। খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

    পুজোর আগে একের পর এক এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, মানুষের খাবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি কতটা কার্যকর। বিশেষ করে উৎসবের মরসুমে রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানে ক্রেতার সংখ্যা যখন কয়েক গুণ বেড়ে যায়, তখন পচা, বাসি কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার বিক্রির মতো অভিযোগ আরও উদ্বেগজনক। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও, পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের (Rotten Meat)।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রতারণা রুখতে কড়া পদক্ষেপ, ফ্ল্যাট জালিয়াতি থেকে খাবারে ভেজাল—জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: প্রতারণা রুখতে কড়া পদক্ষেপ, ফ্ল্যাট জালিয়াতি থেকে খাবারে ভেজাল—জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির জেরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা। এমন অভিযোগ তুলে উপভোক্তা অধিকার রক্ষায় কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ‘ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহ’। হগ মার্কেট চত্বরে এই কর্মসূচির সূচনা করে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ফ্ল্যাট জালিয়াতি, মাছ-সবজিতে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার, মাপে কারচুপি কিংবা অন্য কোনও অসাধু কারবার— কোনও ক্ষেত্রেই আপস করা হবে না (Consumer Rights Week)।

    দীর্ঘদিন অবহেলায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতর (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে আগের সরকারগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ করা হয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ক্রেতা সুরক্ষা দফতর কার্যত অবহেলিত ছিল।

    শাক-সবজি, মাছ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার সময় দাঁড়িপাল্লা থেকে আধুনিক বৈদ্যুতিন মাপযন্ত্রে কারচুপি, পণ্য কেনার পর রসিদ না দেওয়া— বিভিন্ন উপায়ে ক্রেতাদের প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ধরনের অনিয়ম বন্ধ করতে নজরদারি আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ফ্ল্যাটের নামে প্রতারণা, বাড়ছে অভিযোগ

    ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে ‘জনতার দরবার’ এবং মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ গ্রহণকেন্দ্রে প্রতিদিন এ সংক্রান্ত বহু অভিযোগ জমা পড়ছে বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযোগ, ভুয়ো বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে অগ্রিম টাকা নেওয়া হচ্ছে। ফ্ল্যাট বুকিংয়ের নাম করে টাকা নেওয়ার পর বহু ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সর্বস্বান্ত হতে হচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    অনলাইন প্রতারণা চক্রের হদিস, গ্রেফতার ১২০

    অনলাইন প্রতারণার একটি ঘটনার উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, মাত্র ১০ দিন আগে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট নিউ টাউনের একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১২০ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, একটি চক্র বিভিন্ন পরিচিত খাবার ও পণ্য সরবরাহকারী সংস্থার নাম ব্যবহার করে ভুয়ো বুকিংয়ের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করছিল।

    অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে আরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি এই ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    আনাজ-মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক, নজরদারিতে প্রশাসন

    খাদ্যে ভেজাল ও কালোবাজারি রুখতে সম্প্রতি নবান্নে বিশেষ প্রশাসনিক বৈঠক হয়। বৈঠকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর, খাদ্য পরিদর্শক, এনফোর্সমেন্ট শাখা, দুর্নীতি দমন শাখা এবং স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

    আনাজ ও চিনির দাম আচমকা বেড়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের পদক্ষেপে বাজারদর কিছুটা কমেছে বলে জানানো হয়েছে। চালের দাম অকারণে বাড়ানোর কোনও কারণ নেই বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

    এছাড়াও নামী রেস্তোরাঁ, হোটেল ও মিষ্টির দোকানে খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক রঙের ব্যবহার বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। মাছ ও সবজিকে সতেজ দেখাতে বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে।

    অভিযোগ, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা ও অসাধু আধিকারিকদের একাংশের যোগসাজশে এই ধরনের কারবার চলছিল। এই ধরনের অনিয়ম আর বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    বাউল গান থেকে পথনাটিকা, সচেতনতা প্রচারে নানা উদ্যোগ

    উপভোক্তা সুরক্ষা আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে রাজ্যজুড়ে সপ্তাহব্যাপী প্রচার চালানো হচ্ছে। বাউল গান, পথনাটিকা, লিফলেট বিতরণ, প্রচার-সজ্জিত ট্যাবলো, বাজারে গিয়ে মাপযন্ত্র পরীক্ষা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে। বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতামূলক শিবির ও স্টলও করা হবে। ক্রেতারা যাতে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং প্রতারণার শিকার হলে কোথায় অভিযোগ জানাবেন, সে বিষয়ে তাঁদের সচেতন করাই এই (Suvendu Adhikari) কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

    দফতরকে আরও সক্রিয় করতে একাধিক পদক্ষেপ

    ক্রেতা সুরক্ষা দফতরকে আরও গতিশীল করতে একাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, বাজেটে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ, সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন আধিকারিক নিয়োগ, গুণমান ও পরিমাপ পরীক্ষার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এনফোর্সমেন্ট শাখা ও দুর্নীতি দমন শাখার পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

    প্রশাসনের বার্তা, ক্রেতা প্রতারণা, ভেজাল, মাপে কারচুপি কিংবা অসাধু ব্যবসার বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও কড়া নজরদারি চলবে (Consumer Rights Week)। সাধারণ মানুষের স্বার্থে উপভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করাই সরকারের লক্ষ্য (Suvendu Adhikari)।

     

  • Cooking Oil: তেলেই রয়েছে লিভারের সুস্থতার চাবিকাঠি! জানেন কেমন ভাবে তেল ব্যবহার করতে হবে?

    Cooking Oil: তেলেই রয়েছে লিভারের সুস্থতার চাবিকাঠি! জানেন কেমন ভাবে তেল ব্যবহার করতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলেই হবে কিস্তিমাত! লিভার নিয়ে অনেকেই ভোগেন। কম বয়স থেকেই বাড়ছে লিভারের সমস্যা। ফ্যাটি লিভার কিংবা হজমের নিয়মিত গোলমাল, এমন নানান সমস্যায় জর্জরিত অনেকেই। লিভার সুস্থ রাখতে এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়দের মৃত্যুর অন্যতম কারণ লিভারের রোগ। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী,  দেশের মোট মৃত্যুর ৬৬ শতাংশ লিভার ঘটিত রোগের কারণে হয়। প্রতি তিন জনে একজন ভারতীয় লিভারের অসুখে ভোগেন। তাই লিভার নিয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন চিকিৎস মহল।
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখতে রান্নার তেল নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ লিভারের রোগের অন্যতম কারণ তেল!

    কোন তেল বিপজ্জনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেল লিভারের জন্য বিপজ্জনক। রান্নায় নিয়মিত অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে বাড়তি বিপদ তৈরি হয়। তাই তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নজরদারি প্রয়োজন। পুষ্টিবিদদেরা জানাচ্ছেন, রান্নায় অনেকেই সোয়াবিন তেল ব্যবহার করেন। কিন্তু অতিরিক্ত সোয়াবিন তেলের ব্যবহার লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। বিশেষত উচ্চ তাপে সোয়াবিন তেলে মধ্যে ক্ষতিকার উপাদান তৈরি হয়। যা শরীরে বিশেষত লিভারের উপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। তাই নিয়মিত সোয়াবিন তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। রান্নায় সর্ষের তেল ব্যবহার করা তুলনামূলক কম ক্ষতিকারক বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সর্ষের তেলে উচ্চ তাপে রান্না করলেও বাড়তি ক্ষতি হয় না। তবে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিমাণ সমস্যা তৈরি করছে। সর্ষের তেলের অতিরিক্ত পরিমাণ ব্যবহারের জেরে হৃদরোগ এবং লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই পরিমিত পরিমাণ অর্থাৎ নিয়মিত চার চামচ সর্ষের তেলে ব্যবহার করলে লিভারের রোগ এড়ানো সম্ভব। তেলের পুনরায় ব্যবহার লিভারের জন্য খুব বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই লুচি বা চপ-কাটলেট ডুবো তেলে ভাজেন। পুনরায় সেই তেল অন্য রান্নায় ব্যবহার করেন। এই ধরনের তেল আবার ব্যবহার করলে, শরীরে নানান রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এর ফলে লিভারে একাধিক রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

    কীভাবে তেল ব্যবহার করলে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমবে?

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ডুবো তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া কমাতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখতে কম তেলের রান্নায় অভ্যস্ত হতে হবে। তাহলে অনেক রোগ এড়ানো সহজ হবে। বিশেষত দোকানে, রেস্তোরাঁয় অধিকাংশ সময়েই রান্নায় তেল পুনঃব্যবহার হয়। তাই দোকানের ভাজাভুজি এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। সামান্য তেল ব্যবহার করে স্যালাড জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনও সব্জি কিংবা মাংসের পদ তৈরির সময়, আগেই কাঁচা অবস্থায় অল্প তেল মাখিয়ে দেওয়া যেতে পারে। তারপরে সেই সব্জি কিংবা মাংস অল্প আঁচে, ধীরে ধীরে রান্না করলে স্বাদ ও স্বাস্থ্য, দুই ভালো হবে। তিলের তেলে রান্নার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিলের তেল শরীরের জন্য কম বিপজ্জনক। কিন্তু এই তেল অল্প আঁচেও খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়। ধোঁয়া ওঠে। তাই সাবধানে অল্প পরিমাণ তিলের তেলে রান্না করলে লিভারের রোগ প্রতিরোধ সহজ হবে।

  • Nutritional Value: প্যাকেটজাত খাবার ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, স্বাগত জানাল স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ

    Nutritional Value: প্যাকেটজাত খাবার ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, স্বাগত জানাল স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যে কোনও খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেটে লবণ, চিনি ও চর্বির পরিমাণ (Nutritional Value) জানাতে হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছে স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা দফতর এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (FSSAI) তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেটে পুষ্টিগুণের পাশাপাশি লবণ, চিনি এবং চর্বির মাত্রা কতটা রয়েছে, (Food Safety) এই সংক্রান্ত তথ্য মোটা অক্ষরে সংস্থাকে জনগণের জ্ঞাতার্থে উল্লেখ করতে হবে।

    চিনি, লবণ এবং চর্বি সংক্রান্ত তথ্য জানাতে হবে (Nutritional Value)

    মোটা অক্ষরে চিনি, লবণ এবং চর্বি সংক্রান্ত তথ্য প্রদর্শনের প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ায়, স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ উপকৃত হবেন। এছাড়াও ডায়াবেটিস এবং লবণ গ্রহণের সমস্যা যাদের রয়েছে তাঁরাও উপকৃত হবেন। এতদিন পর্যন্ত ভারতে খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি শুধুমাত্র প্যাকেটের পিছন দিকে প্রাথমিক পুষ্টি (Food Safety) সংক্রান্ত তথ্য মুদ্রণ করতে বাধ্য ছিল। যদিও বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে প্যাকেটের সামনের দিকে এই সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক। সেই সমস্ত দেশে অস্বাস্থ্যকর খাবার ব্যবহারের প্রতি মানুষের ঝোঁক কমেছে। যদিও প্রথমে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া তরফে প্রস্তাব রাখা হয়েছিল, খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেটে হেলথ স্টার রেটিং রাখা হবে এবং খাবারের গুণাগুণ সংক্রান্ত তথ্য প্যাকেটের সামনের দিকে থাকতে হবে। কিন্তু তারা হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এল, তা জানা যায়নি। হেলথ স্টার রেটিং মডেলের উদ্দেশ্য হল, ওই খাদ্য মানব দেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক কিংবা কতটা সুরক্ষিত সে সংক্রান্ত তথ্য সাধারণ মানুষকে দেওয়া। কিন্তু এই রেটিং সিস্টেমের বিরোধিতা এসেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। মনে করা হচ্ছ, এর জন্যই বিকল্প পন্থা অবলম্বন করে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ।

    আরও পড়ুন: বর্ষায় সর্বদা তরতাজা থাকতে চান? মেনে চলুন এই ৬টি অভ্যাস

    নয়া পন্থায় খাদ্য দ্রব্যের প্যাকেটে চিনি, লবণ এবং চর্বির মাত্রা জানানোর ফলে খাবারের অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি, লবন বা চর্বি থাকলে আগেভাগেই তা জেনে নিতে পারবেন উপভোক্তারা।

    স্বদেশী জাগরণ মঞ্চের বক্তব্য (Food Safety)

    স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ প্রথম থেকে হেলথ স্টার সিস্টেমের বিরোধিতা করছিল। তাদের অভিযোগ, হেলথ স্টার সিস্টেমে (Food Safety) অতিরিক্ত স্টার থাকলেও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওই খাদ্যদ্রব্য কারও কারও জন্য ক্ষতিকারক হতে পারত এবং স্টার সিস্টেমের বুজরুকি হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল প্রবল। বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির কাছে স্টার ব্যবস্থায় (Nutritional Value) চালাকি করার সুযোগ ছিল। কিন্তু চিনি, লবণ এবং চর্বির পরিমাণ জানালে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, কিডনি এবং যকৃতের অসুখে ভোগা ব্যক্তিরা আগেভাগে ওই খাদ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারের গুণাগুণ নিয়ে সতর্ক করতে এবারে পদক্ষেপ নেওয়া হল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্যান্ডার্ডস অথরিটির (FSSAI) তরফ থেকে। এই অথরিটি থেকে একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যেখানে বলা আছে, এবার থেকে কোনও খাবারের প্যাকেটে ইন্ডিয়ান ফুড রেটিং (Inian Foor Rating) দেওয়া থাকবে, আর এর জন্য বিশেষজ্ঞ ও আমজনতার প্রতিক্রিয়া কী আছে, তাও জানা হবে। তার এর জন্যই খসড়া বিজ্ঞপ্তি। এই রেটিং খাবারের গুণাগুণের ভিত্তিতেই দেওয়া হবে। পুষ্টিকর খাবারের জন্য বেশি পরিমাণে রেটিং দেওয়া থাকবে।

    খাবারের প্যাকেটে এই রেটিং সিস্টেম চালু করার ক্ষেত্রে প্রধান উদ্দেশ্য হল কোন খাবারে বেশি পরিমাণে লবণ, চিনি, ফ্যাট রয়েছে, সে বিষয়ে গ্রাহকদের সচেতন করা। আর এই রেটিং দেখে তারা বুঝতেও পারবেন যে, কোন খাবার বেশি ভালো ও পুষ্টিকর। কোনও খাবারে কত পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি, সোডিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার এবং প্রোটিনের পরিমাণ আছে তা প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নম্বর ও রেটিং দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ১৫টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, আইএনআর সিস্টেম শুধুমাত্র প্যাক করা খাবারের জন্য। আর এই খাবারগুলোকে ১/২ স্টার থেকে ৫ স্টার পর্যন্ত দেওয়া হবে। আর এর ফলে এই প্রমাণিত হবে যে, খাদ্য পণ্যটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত কিনা। এছাড়াও সেই খাবার কোন ব্র্যান্ডের, সেটি জানার জন্য ব্র্যান্ডের লোগো প্যাকেটের সামনেই দেওয়া থাকবে।

    তবে দুগ্ধ জাতীয় খাবার, উদ্ভিজ্জ তেল, ফ্যাট, তাজা এবং ফ্রোজেন ফল, শাকসবজি, মাংস, ডিম, মাছ, ময়দা এবং মিষ্টির মতো আইটেমগুলির রেটিং-এর দরকার নেই৷ তবে নির্মাতাদের তাদের জিনিসগুলোর উপযুক্ত লোগোর জন্য FSSAI পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এছাড়াও এফএসএসএআই-এর ফুড রেগুলেটর বিভাগ গ্রাহকদের জন্য খাবারের প্যাকেজিং উন্নত করার কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে ভারতের সমস্ত রেঁস্তোরায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে মেনু কার্ডে খাবারের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ দেওয়ার জন্য। কারণ ২০২০ সালের নভেম্বরে কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল যে, রেস্তোরাঁগুলিকে গ্রাহকদের জন্য মেনু কার্ড, বোর্ড এবং বুকলেটগুলিতে খাবারের আইটেমের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share