Tag: foods to avoid

  • Bone Health: চুপিসারে ক্যালসিয়াম কমাচ্ছে এই ৫ জনপ্রিয় খাবার— আপনি কি খাচ্ছেন?

    Bone Health: চুপিসারে ক্যালসিয়াম কমাচ্ছে এই ৫ জনপ্রিয় খাবার— আপনি কি খাচ্ছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একটানা কয়েক মিনিট হাঁটার পরেই হাঁটুতে যন্ত্রণা অনুভব হয়। দীর্ঘ সময় বসে থাকলে কোমড়ে তীব্র ব্যথা। আবার কখনো কখনো হাত-পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। বয়সের সংখ্যায় আর এই সব ভোগান্তি আটকে নেই। তিরিশ থেকে আশি, সব বয়সীদের মধ্যেই কম বেশি এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হাড়ের সমস্যায় কাবু অধিকাংশ ভারতীয়। আর তার জেরেই নানান ভোগান্তি বাড়ছে। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলেও হাড়ের জোর কমছে। আর নেপথ্যে রয়েছে পাঁচ খাবার! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের হাড়ের শক্তি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ, ক্যালসিয়াম ক্ষয়। অনেকক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, নিয়মিত ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরেও অনেকেই হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। তার কারণ, ভুক্তভোগীদের অনেকেই এমন পাঁচ খাবার নিয়মিত খাচ্ছেন, যা তাঁদের হাড়ের ক্ষয়ের গতি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

    ভারতে হাড়ের সমস্যা কতখানি প্রবল?

    ভারতে হাড়ের রোগ মহামারির আকার নিচ্ছে। বয়স্কদের পাশপাশি কম বয়সীদের মধ্যেও হাড়ের নানান রোগ দেখা দিচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে পাওয়া এক তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৬ কোটি মানুষ অস্ট্রিওপোরেসিস রোগে আক্রান্ত। অস্ট্রিওপোরেসিস হাড় ক্ষয় রোগ। এছাড়াও, ওই তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ অস্ট্রিওপেনিয়ায় আক্রান্ত। অর্থাৎ, অধিকাংশ ভারতীয়ের হাড় দূর্বল। একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রতি পাঁচ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন হাড়ের ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। পুরুষ ও মহিলার তুলনায় মহিলারাই বেশি হাড়ের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চল্লিশোর্ধ্ব মহিলাদের মধ্যে হাড়ের রোগের প্রকোপ বেশি।

    কোন পাঁচ খাবারে হাড়ের ক্ষয় বাড়াচ্ছে?

    হাড়ের রোগের ঝুঁকি কমাতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশপাশি এমন খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে, যাতে হাড়ের ক্ষয় না হয়। অর্থাৎ, শরীরের ক্যালসিয়াম নষ্ট করে এমন খাবার কখনোই খাওয়া যাবে না। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয়দের নিয়মিত খাবারের তালিকায় এমন কিছু খাবার ও পানীয় থাকছে, যা হাড়ের ক্ষতি করছে। যার ফলে হাড়ের সমস্যা আরও বাড়ছে।

    অতিরিক্ত নুন দেওয়া খাবার!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের অতিরিক্ত নুন খাওয়ার অভ্যাস একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। অতিরিক্ত নুন শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। শৈশব থেকেই চিপস, আচার বা প্রক্রিয়জাত এমন নানান খাবারে ভারতীয়েরা অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যেগুলো অতিরিক্ত নুন দেওয়া হয়। শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম গেলে, ক্যালসিয়াম নষ্ট হয়ে যায়। তাই অতিরিক্ত নুন জাতীয় খাবার খেলে ক্যালসিয়াম নষ্ট হয়ে যাবে। হাড়ের ক্ষতি হবে।

    অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয়!

    অধিকাংশ ভারতীয় বাড়তি এনার্জি পাওয়ার জন্য ভরসা রাখেন চা কিংবা কফিতে! আর এই অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়ার অভ্যাসের জেরেই হাড়ের রোগ দেখা দিতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় প্রসাবের সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম বের করে দেয়। দিনে তিন বারের বেশি কফি বা চা পান করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম ক্ষয় হতে পারে।

    সফট ড্রিংকস বাড়াচ্ছে বিপদ!

    বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ উদযাপনে হোক কিংবা গরমের সাময়িক আরাম দিতে, সঙ্গী হয় সফট ড্রিংকস। কিন্তু প্যাকেটজাত এই পানীয় বিপদ বাড়ায়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। সফট ড্রিংকসে থাকে ফসফরিক অ্যাসিড। এই উপাদান শরীরের ক্যালসিয়াম নষ্ট করে দেয়।

    অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ায় অভ্যাস!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের সমস্যা বাড়াচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু ভারতীয় নিয়মিত রান্নায় মাত্রাতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করেন। আবার অনেকেই নিয়মিত পেস্ট্রি, কেক বা অন্যান্য মিষ্টি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখেন। চিনি বা মিষ্টি শুধু শরীরের অতিরিক্ত ওজন বাড়িয়ে দেয় না। মিষ্টি শরীরকে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে বাধা দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম, দুধ, লেবুর মতো খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। কিন্তু নিয়মিত মিষ্টি খেলে শরীর সেই ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে পারে না। ক্যালসিয়াম গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়।

    মদ্যপান!

    ভারতীয়দের মধ্যে মদ্যপানের অভ্যাস বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই অভ্যাস অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, উদযাপনের অঙ্গ হয়ে উঠছে মদ্যপান। লিভার, কিডনির ক্ষতি করার পাশপাশি মদ্যপান হাড়ের ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মদ্যপান করলে হাড়ের ক্যালসিয়ামের ক্ষয় হয়। ফলে হাড় দূর্বল হয়। ভোগান্তি বাড়ে।

  • High Blood Pressure: শুধু নুন নয়, এই চার খাবারেও লুকিয়ে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপের বিপদ!

    High Blood Pressure: শুধু নুন নয়, এই চার খাবারেও লুকিয়ে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপের বিপদ!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপে (High Blood Pressure) আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই সমস্যা বাড়ছে। ভারতীয় পুরুষদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয়দের মধ্যে অতিরিক্ত নুন খাওয়ার প্রবণতা আছে। আর তাতেই বাড়তি বিপদ তৈরি হচ্ছে। তবে, নুন খাওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আরও চারটি খাবার বাড়তি বিপদ তৈরি করছে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নুন খাওয়ায় লাগাম টানার পাশাপাশি আরও চার ধরনের খাবারে (Foods to Avoid) লাগাম দেওয়া জরুরি। তবেই উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমবে।

    কোন চারটি খাবার বাড়তি বিপদ তৈরি করছে?

    নিয়মিত চিজ খাওয়া!

    সকালের জলখাবারে অনেকেই অমলেটের সঙ্গে কিংবা স্যান্ডুইচের মধ্যে চিজ দিয়ে খেতে পছন্দ করেন। আবার পাস্তা, পিৎজা, বার্গারের মতো মন-পসন্দ খাবারে তো অবশ্যই থাকে অতিরিক্ত পরিমাণ চিজ। আর এই চিজ বিপদ বাড়াচ্ছে। এমনটাই জানাচ্ছে সাম্প্রতিক তথ‌্য। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১০০ গ্রাম চিজের মধ্যে ৬২১ মিলিগ্রাম নুন থাকে। নিয়মিত পাউরুটি, রুটি কিংবা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে চিজ খেলে রক্তে অতিরিক্ত পরিমাণ সোডিয়াম মিশতে থাকে। যার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা যায় না। উচ্চ রক্তচাপের (High Blood Pressure) ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই চিজ খেলে বাড়বে রক্তচাপ। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নুনের পাশপাশি চিজ খাওয়ায় রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    প্রক্রিয়াজাত খাবারে বাড়ছে বিপদ!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে বিভ্রান্তি বাড়ছে। অনেকেই শুধু বিরিয়ানি, পিৎজা হটডগ‌ কিংবা বার্গারকেই অস্বাস্থ্যকর খাবার ভাবেন। কিন্তু এই খাবারের পাশাপাশি আরও একাধিক খাবার আছে, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে সমস্ত খাবার দীর্ঘদিন তাজা রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিমাণ রাসায়নিক মেশানো হয়, সেই সব খাবার অস্বাস্থ্যকর। সবুজ সতেজ সব্জি, টাটকা মাছ, মাংস পরিমিত তেল মশলায় রান্না করলে তবেই তা স্বাস্থ্যকর হয়‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই জলখাবারে সপ্তাহে অন্তত একাধিকবার সসেজ, হ্যাম, সালামির মতো নানান দেশি-বিদেশি মাংসের পদ খান। অনেকেই মনে করেন, এই ধরনের পদ স্বাস্থ্যকর। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই খাবার একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। এই খাবার প্রক্রিয়াজাত। এগুলোতে রক্তে (High Blood Pressure) অতিরিক্ত সোডিয়াম মেশে। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এই খাবারগুলো হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকারক।

    নরম পানীয় বিপজ্জনক!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নোনতা জাতীয় খাবারের পাশপাশি পানীয়তেও বিপদ বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্যাকেটজাত নরম পানীয় অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এতে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। প্যাকেটজাত ফলের রস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্যাকেটজাত ফলের রসে থাকে অতিরিক্ত চিনি। এই মাত্রাতিরিক্ত শর্করা শরীরে রক্তচাপ ওঠানামা অনিয়ন্ত্রিত করে তোলে। আবার অতিরিক্ত কফি খেলেও উচ্চ রক্তচাপের (High Blood Pressure) ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    রান্নায় সস ব্যবহারে নজর জরুরি!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নানান ধরনের মশলা এবং সস ব্যবহারের রেওয়াজ বাড়ছে। আধুনিক নানান রান্নায় সস ব্যবহারের রেওয়াজ বাড়ছে‌। তাই সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। সোয়া সস, টমেটো কেচাপ, বার্বিকিউ সস এবং নানান ধরনের প্যাকেটজাত মশলা নিয়মিত রান্নায় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নজরদারি জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের (High Blood Pressure) অন্যতম কারণ এই ধরনের প্যাকেটজাত সস নিয়মিত রান্নায় ব্যবহার। এতে শরীরের পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপের (High Blood Pressure) ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত তাজা ফল ও সব্জি খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত কলা, আপেল, বেদানা এবং লেবু জাতীয় ফল খেলে শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পাশপাশি মোচা, ডুমুর, পটল, পালং শাকের মতো সব্জি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের তাজা ফল ও সব্জি নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Heart Attack: হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রাশ টানা দরকার কোন চার খাবারে? কতখানি কার্যকরী এই পথ?

    Heart Attack: হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রাশ টানা দরকার কোন চার খাবারে? কতখানি কার্যকরী এই পথ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগের ঝুঁকি (Heart Attack)। বয়স মাত্র কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই দেখা দিচ্ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। অনেকেই খুব কম বয়স থেকেই ডায়াবেটিসেও আক্রান্ত হচ্ছেন। আর তার সঙ্গেই দেখা দিচ্ছে হৃদপিণ্ডের নানান সমস্যা (Health Problems)। এমনকি হার্ট অ্যাটাকের মতো বিপদও বাড়ছে। ভারতেও কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে (Foods To Avoid)। গত কয়েক বছরে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বেড়েছে। বিশেষত, কমবয়সি ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই হৃদরোগের জেরে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন না। তরুণ প্রজন্মের হৃদরোগের জেরে কর্ম জীবনেও ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। তাই প্রথম থেকেই জীবন‌ যাপনে, বিশেষত খাদ্যাভাসে রাশ টানার পরামর্শ (Health Tips) দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। হৃদরোগ নিয়ে আয়োজিত এক সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এমনটা জানালেন চিকিৎসকদের একাংশ। কোন চার খাবারে রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ফ্যাট জাতীয় খাবারে রাশ…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাট জাতীয় খাবারে রাশ টানা জরুরি (Foods To Avoid)। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশের নিয়মিত খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ মারাত্মক বেশি থাকে। অনেকেই নিয়মিত বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় খাবার খান। এই ধরনের খাবারে পুষ্টিগুণ একেবারেই থাকে না। বরং থাকে ক্ষতিকারক ফ্যাট। যার জেরে শরীরে চর্বি জমতে থাকে। প্রভাব পড়ে হৃদপিণ্ডে। বিশেষত রক্তসঞ্চালনের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট জমে যাওয়ার জেরে হৃদপিণ্ডে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছতে পারে না। ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়ে (Heart Attack)।

    পেস্ট্রি হোক বা রসগোল্লা, মিষ্টিতে থাকুক নিয়ন্ত্রণ…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মিষ্টি বিশেষত চিনি শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। মিষ্টি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই তাঁদের পরামর্শ, পেস্ট্রি, কেক বা রসগোল্লা, যে কোনও মিষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Foods To Avoid)। নিয়মিত রান্নায় চিনির ব্যবহারেও লাগাম দেওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, মিষ্টি একদিকে শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। আরেকদিকে মিষ্টি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বয়স চল্লিশ পেরোলে (Diet After 40), আরও বেশি খাবার নিয়ে সচেতনতা জরুরি। বিশেষত মিষ্টি জাতীয় খাবারে রাশ জরুরি।

    অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন নয়…

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিনে অভ্যস্থ। অনেক সময়েই তরুণ প্রজন্মের খাবারের মেনুতে ভিটামিন কিংবা কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল একেবারেই থাকছে না। শুধুই প্রাণীজ প্রোটিন থাকছে। এর ফলে নানান শারীরিক সমস্যা (Health Problems) হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে হৃদপিণ্ডে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই প্রাণীজ প্রোটিন নির্ভর খাবার খাওয়ার জেরে হজমের সমস্যা দেখা দিচ্ছে (Foods To Avoid)। এর ফলে রক্তচাপ ওঠানামা করছে। আবার অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়ার জেরে কোলেস্টেরলের পরিমাণও বাড়ছে। এর ফলে হৃদপিণ্ডে স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে না। রক্তে চাপ বাড়ছে। তার ফলে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই নিয়মিত খাবারে পরিমিত পরিমাণে প্রাণীজ প্রোটিন জরুরি। তার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল জাতীয় খাবার দরকার (Health Tips)। অর্থাৎ, সবুজ সব্জি, বাদাম জাতীয় খাবার এবং দানাশস্য নিয়মিত জরুরি। তবেই হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিকমতো থাকে।

    মদ্যপান এবং ধূমপানে না…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মদ‌্যপান এবং ধূমপানের প্রবণতা মারাত্মক ভাবে বেড়েছে। এই প্রবণতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ। ওই সম্মেলনে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ নিয়মিত মদ্যপানে অভ্যস্ত। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক (Foods To Avoid)। পাশপাশি অনেকেই বয়ঃসন্ধিকাল থেকে ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। হৃদপিণ্ডের উপরে এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান এবং মদ্যপানে না বলা জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের (Health Tips)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share