Tag: Foreign Funding

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Nadiad Case: হিন্দুদের ধর্মান্তর করতে বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান!

    Nadiad Case: হিন্দুদের ধর্মান্তর করতে বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিয়েছে নাডিয়াদ ধর্মান্তর (Nadiad Case) মামলা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্ত স্টিভেন ম্যাকওয়ান ও তাঁর সহযোগীরা বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পেতেন হিন্দুদের, বিশেষ করে আদিবাসী ও তফশিলি জাতির মানুষদের ধর্মান্তরিত করতে প্রলুব্ধ করতে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ধর্ম ত্যাগে রাজি হওয়া ব্যক্তিদের টাকার প্রতিশ্রুতি, বিভিন্ন বস্তু দিয়ে সাহায্য এবং ভালো জীবনের আশ্বাস দিতেন। খেদা পুলিশ এই ধর্মান্তর চক্রকে বহু রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত একটি বড় নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে আন্তর্জাতিক উৎস থেকে আর্থিক (Foreign Funding) সাহায্যের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, অভিযুক্তরা ধর্মীয় আবেগ ও আর্থিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে সারা ভারতের শয়ে শয়ে মানুষকে প্রভাবিত করেছেন।

    ১.৫৭ লাখেরও বেশি ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার (Nadiad Case)

    ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা স্টিভেন ম্যাকওয়ানের ফোন থেকে ১.৫৭ লাখেরও বেশি ছবি এবং ভিডিও উদ্ধার করেছেন। এই ফাইলগুলির অনেকগুলিতেই ধর্মান্তর অনুষ্ঠান ও বৈঠকের নথি রয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই সব অনুষ্ঠান ও বৈঠকের। উদ্ধার করা ফাইলগুলি নিয়ে বর্তমানে চলছে বিস্তারিত ফরেনসিক বিশ্লেষণ। তদন্তকারীরা স্টিভেনের ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক লেনদেন ও অনলাইন যোগাযোগও খতিয়ে দেখছেন। কতজন ব্যক্তিকে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং কী ধরনের প্রেরণা দেওয়া হয়েছে তা শনাক্ত করতে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত, অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক ধাপে পরিকল্পিত পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। প্রথমে ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপন, পরে আবেগীয় প্রভাব বিস্তার, এবং শেষ পর্যায়ে ধর্মান্তরণকে শান্তি ও সুখের পথ হিসেবে উপস্থাপন করতেন (Nadiad Case)।

    কোটি টাকার লেনদেন

    পুলিশি তদন্তের সময় কর্তারা স্টিভেনের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি টাকার একটি লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন। ওই টাকা বিদেশ থেকে এসেছে বলে অনুমান। এই তথ্য প্রকাশের পর তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে যে বিদেশি মিশনারি সংগঠনগুলি এই নেটওয়ার্কে অর্থায়ন করেছিল। তদন্তকারীদের মতে, স্টিভেন প্রতিটি অঞ্চলের ওপর বিস্তারিতভাবে গবেষণা করতেন। এরপর শুরু করতেন টার্গেটভিত্তিক কার্যকলাপ। তিনি বিশেষ করে আদিবাসী ও দলিত পটভূমির আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে টার্গেট করতেন এবং তাদের ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণের জন্য প্রলুব্ধ করতেন (Foreign Funding)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ধর্মান্তর গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছিল প্রার্থনা সভা বা সামাজিক অনুষ্ঠানের আড়ালে, যেখানে প্রায়ই গুজরাট ফ্রিডম অফ রিলিজিয়ন অ্যাক্টের আওতায় নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি (Nadiad Case)।

    ধর্মান্তর সংক্রান্ত সেমিনার পরিচালনা

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, স্টিভেন গুজরাটের নাডিয়াদ, তাপি, নর্মদা, ভরুচ ও আনন্দ জেলা-সহ বিভিন্ন জেলায় ধর্মান্তর সংক্রান্ত সেমিনার পরিচালনা করেছিলেন। তবে তাঁর প্রভাব গুজরাটের বাইরেও বিস্তৃত ছিল। ধর্মান্তরিত ব্যক্তিদের মধ্যে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, হরিয়ানা, পাঞ্জাব এবং দিল্লির মানুষও রয়েছেন। তদন্তকারীদের মতে, স্টিভেনের সংস্থা রেস্টোলেশন–রিভাইভাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট এই সব  কার্যকলাপের ঢাল হিসেবে কাজ করত। দাতব্য সংস্থা হিসেবে নথিভুক্ত এই ট্রাস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অবৈধ ও অনথিভুক্ত প্রার্থনা কেন্দ্র পরিচালনা করত, যেখানে পাদ্রিরা গ্রামীণ বা আদিবাসী এলাকার মানুষকে একত্রিত করে ধীরে ধীরে তাদের ধর্মান্তরে উৎসাহিত করত।

    নেটওয়ার্কের অংশ

    ফরেনসিক দল স্টিভেন ও তাঁর নেটওয়ার্কের অংশ বলে ধারণা করা একাধিক পাদ্রির মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট ও তহবিল স্থানান্তরের তথ্য থেকে জেনেছেন এই ব্যক্তিরা দুর্গম গ্রামগুলিতেও ধর্মান্তরকরণে সাহায্য করেছিলেন। সেখানে তাঁরা খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণকারীদের ‘অলৌকিক ঘটনা’ ও ‘ঈশ্বরীয় আশীর্বাদের’ প্রতিশ্রুতি দিতেন (Nadiad Case)। তদন্তে রেস্টোরেশন রিভাইভাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের আর্থিক অনিয়ম স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। আধিকারিকদের মতে, এই ট্রাস্ট অডিট সম্পন্ন করেনি। এখন চ্যারিটি কমিশনারের দফতরকে অতিরিক্ত তদারকির জন্য সতর্ক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গত তিন বছরে এই ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় ১.৩৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যার একটি বড় অংশ বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে এসেছে। এই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে ধর্মীয় সভা আয়োজন, প্রচারপত্র ছাপানো এবং ধর্মান্তরিত হতে সম্মত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দানের জন্য।

    বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    এই আর্থিক লেনদেনগুলি বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (FCRA)–এর ধারাগুলি লঙ্ঘন করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের অনুমান, এই মামলা এনজিও এবং অনথিভুক্ত ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত মিশনারি গোষ্ঠীগুলির একটি বৃহৎ সর্বভারতীয় নেটওয়ার্ক উন্মোচন করতে পারে। পুলিশ এই বিদেশি অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করতে এবং স্থানীয় সহযোগীদের শনাক্ত করতে অন্যান্য রাজ্যের ইউনিটগুলির সঙ্গে সমন্বয় করছে (Foreign Funding)।
    খেদা জেলার এক সিনিয়র পুলিশ কর্তা জানান, “এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই অভিযানটি সুপরিকল্পিত, পর্যাপ্ত অর্থায়িত এবং দাতব্য কাজের ছদ্মবেশে দুর্বল গোষ্ঠীগুলিকে পদ্ধতিগতভাবে ধর্মান্তর করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত (Nadiad Case)।”

LinkedIn
Share