Tag: forest

forest

  • Baranti: ছোট ছোট পাহাড়, ঝর্না, শাল-পলাশ-শিমুল-মহুয়া গাছের অরণ্য, ‘বড়ন্তি’ যেন ছবি!

    Baranti: ছোট ছোট পাহাড়, ঝর্না, শাল-পলাশ-শিমুল-মহুয়া গাছের অরণ্য, ‘বড়ন্তি’ যেন ছবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেড়াতে যাওয়া মানেই কি অনেক দূরে, নিজের রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে পাড়ি দেওয়া? আমাদের নিজের রাজ্য, অর্থাৎ এই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এমন বহু স্থান, নৈসর্গিক সৌন্দর্যের নিরিখে যে স্থানগুলি অনায়াসে মুগ্ধ করতে পারে প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের। এমনই একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান হল পুরুলিয়া জেলার ‘বড়ন্তি’ (Baranti)। এমনিতেই ছোট ছোট পাহাড়, ঝর্ণা, শাল, পলাশ, শিমুল, মহুয়া গাছের অরণ্য দিয়ে সাজানো এই পুরুলিয়া। আর এই পুরুলিয়ার প্রধান আকর্ষণ যদি হয় অযোধ্যা পাহাড়, দ্বিতীয় আকর্ষণ অবশ্যই হতে পারে এই বড়ন্তি।

    অরণ্যের ছায়ায় ঢাকা এই বড়ন্তি (Baranti)

    আদ্যন্ত আদিবাসী অধ্যুষিত ছোট্ট একটি পাহাড়ি গ্রাম বড়ন্তি। প্রকৃতি যেন নিজের হাতে সাজিয়েছেন বড়ন্তিকে। ছোট ছোট পাহাড়, সুবিশাল জলাশয়, অগভীর অরণ্য, সেই অরন্যের বুক চিরে চলে গিয়েছে লাল মাটির রাস্তা। দুপাশে ছোট ছোট আদিবাসী মানুষজনের মাটির কুটির। সেই সব আদিবাসী কুটিরের মাটির প্রাচীরের গায় রং-বেরঙের অসাধারণ আলপনার শিল্প। পূর্ণিমার রাতে যখন এই সব আদিবাসী গ্রাম থেকে ভেসে আসে বাঁশের বাঁশিতে ঝুমুর গানের সুর “কালো জলে কুচলা তলে ডুবলো সনাতন/আজ সারানা কাল সারানা পাই যে দরশন”-তখন মন উদাস হয়ে যায় বৈকি। শাল, পলাশ, মহুয়া গাছের অরণ্যর ছায়ায় ঢাকা এই বড়ন্তি (Baranti)। তার মাঝেই মুরাডি পাহাড়ের (Small hills) গা ঘেঁষে চলে গিয়েছে বড়ন্তি নদী। এই নদীর বুকেই বাঁধ দিয়ে তৈরি হয়েছে বড়ন্তি রামচন্দ্র জলসেচ প্রকল্প। চারদিকে ছোটখাট পাহাড়, বিশাল জলাধারে শীতকালে বসে হরেক রঙের হরেক কিসিমের পাখির মেলা। দেখা মেলে অসংখ্য বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির। ইচ্ছে হলে বড়ন্তি থেকে ঘুরে আসা যায় মুরাডির ছিন্নমস্তা মন্দির বা প্রায় আধ ঘণ্টার দূরের জয়চণ্ডী পাহাড়, প্রায় সমদূরত্বে অবস্থিত বিহারীনাথ পাহাড়, গড় পঞ্চকোট থেকেও।

    যাতায়াত, থাকা-খাওয়া (Baranti)

    বড়ন্তি যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে আসানসোল। হাওড়া থেকে প্রচুর ট্রেন আসছে আসানসোল। এখান থেকে লোকাল বা প্যাসেঞ্জার ট্রেনে সামান্য দূরত্বে অবস্থিত মুরাডি। মুরাডি থেকে অটো বা গাড়িতে মাত্র ৫ কিমি দূরে বড়ন্তি। এখানে রয়েছে রিসর্ট সলিটারি ভেল। এখানে বাচ্চাদের খেলার ব্যবস্থা, সুইমিং পুল, রেস্তোরাঁ, মিনি জু সহ সব রকমের সুব্যবস্থা আছে। ফোন ৯৪৩৪৩২২৫৩২, ৭৫৮৪০২৪৬৬৮। এছাড়াও আছে বড়ন্তি ভিলেজ রিসর্ট, বড়ন্তি (Baranti) ইকো ট্যুরিজম রিসর্ট প্রভৃতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengal Tiger: নেওড়াভ্যালির পর বক্সা জঙ্গল! ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়লেন বাঘমামা

    Bengal Tiger: নেওড়াভ্যালির পর বক্সা জঙ্গল! ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়লেন বাঘমামা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেওড়াভ্যালির পর এবার বক্সা জঙ্গলে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়ল ডোরাকাটার ছবি। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর বক্সা জঙ্গলে বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। ২০২১ সালের পর ফের বক্সাতে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের (Bengal Tiger) ছবি ধরা পড়ল। বক্সা বাঘ বনের পশ্চিম বিভাগের পানা রেঞ্জের জঙ্গলে বন দফতরের গোপন ক্যামেরায় ডোরাকাটার ছবি ধরা পড়েছে। এই ছবি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে হইচই শুরু হয়েছে। ছবিতে মুখ ফিরিয়ে থাকা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবিটি একটি পুরুষ বাঘের ছবি বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বন দফতর।

    বন বিভাগের আধিকারিক কী বললেন? (Bengal Tiger)

    বন্যপ্রাণ বিভাগের রাজ্যের প্রধান মুখ্য বনপাল দেবল রায় বলেন, ‘বক্সাতে কয়েক দফায় এক হাজারের বেশি হরিণ ছাড়া হয়েছে। বনের ভেতরে বাঘ থাকার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির জন্য নানান কাজ হচ্ছে। দুটো বন বস্তিকে বাইরে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। তার ফল পেয়েছি আমরা। বর্তমানে ছবিতে ধরা পড়া বাঘকে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ট্র্যাক করার কাজ হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুরুষ রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলে আমাদের মনে হচ্ছে।’ তবে, এই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার (Bengal Tiger) যে বাইরের বনাঞ্চল থেকে বক্সাতে এসেছে তা নিশ্চিত। তবে ২০২১ সালে বাঘের যে ছবি ক্যামেরা বন্দি হয়েছিল এবারের ক্যামেরা বন্দি হওয়া বাঘ সেটি নয় বলে জানাচ্ছেন বনকর্তারা। প্রত্যেকটি বাঘের শরীরের ডোরাকাটা দাগ আলাদা হয়। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ছবি পর্যবেক্ষণ করে সেই ভিন্নতা ধরা যায় বলে জানিয়েছেন বন কর্তারা।

    দুবছরের মধ্যে ফের দেখা মিলল বাঘের!

    জানা গিয়েছে ,১৯৮২ সালে বক্সা টাইগার (Bengal Tiger) রিজার্ভ ফরেস্ট দেশের ১৫ তম ব্যাঘ্র প্রকল্পের মর্যাদা পায়। ৭৬০ বর্গ কিলোমিটার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাঞ্চলের ৪০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকার সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বাকি ৩৬০ বর্গকিলোমিটার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বাফার এলাকা। আটের দশকেও এই বনাঞ্চলে বাঘেদের সক্রিয় উপস্থিতির নজির পাওয়া গিয়েছিল। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বনাঞ্চল লাগোয়া বিভিন্ন বন বস্তির প্রবীণ নাগরিকরা অনেকে সেই সময় বাঘেদের গর্জনের আওয়াজ পেয়েছিলেন। কিন্তু, আটের দশকের পর থেকে এই বনাঞ্চলে বাঘেদের অস্তিত্বের তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি। বিভিন্ন সময় বাঘের পায়ের ছাপ, মল ও আচরের প্রমাণ মিললেও সরাসরি ক্যামেরায় ছবি ধরা পড়ে নি। অবশেষে ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর বাঘ থাকার একেবারে হাতে গরম ক্যামেরার ছবি পাওয়া যায়। তার দুই বছরের মাথায় ২৮ ডিসেম্বর ফের এই বনাঞ্চলে বাঘের ছবি ক্যামেরা বন্দি হওয়ায় খুশি বনকর্তা থেকে পর্যটক সকলেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Betla Forest: অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারির আদর্শ ডেস্টিনেশন ‘বেতলা’

    Betla Forest: অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারির আদর্শ ডেস্টিনেশন ‘বেতলা’

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: পশ্চিমবঙ্গের একদম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ড। এই রাজ্যেরই এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হল লাতেহার জেলার বেতল। পোশাকি নাম যদিও বা “পালামৌ”, কিন্তু অরণ্য প্রেমিক পর্যটকদের কাছে এর পরিচিতি “বেতলা” (Betla Forest) নামেই। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সহোদর সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উক্তি “বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ” এই পালামৌকে কেন্দ্র করেই লেখা। বিখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর বিভিন্ন উপন্যাসে অতীব সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে এই লাতেহার জেলার বেতলা, কেচকি, মহুয়াডার, ছিপাদোহর, কেড়, গাড়ু-র অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, এখানকার সহজ, সরল আদিবাসী মানুষের জীবনের কথা।

    যাবেন কীভাবে (Betla Forest)?

    কলকাতা থেকে সরাসরি যাওয়ার জন্য চেপে বসতে হবে হাওড়া-ভূপাল এক্সপ্রেস অথবা শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেসে। নামতে হবে ডাল্টনগঞ্জ অথবা তার আগের স্টেশন বারাওডি-তে। এই দুই জায়গা থেকেই গাড়িতে যেতে হবে বেতলা। দূরত্ব ডালটনগঞ্জ ২৪ এবং বারাওডি ১৬ কিমি।

    কোথায় থাকবেন (Betla Forest)?

    বেতলায় (Betla Forest) থাকা খাওয়ার জন্য রয়েছে ঝাড়খণ্ড ট্যুরিজম বা জেটিডিসি-র হোটেল বনবিহার (কলকাতা অফিস: ঊষা কিরণ বিল্ডিং, ১২/ এ , ক্যামাক স্ট্রিট , কলকাতা ১৭ )। এছাড়া বেতলা, মারুমাড় প্রভৃতি স্থানে রয়েছে ট্রি হাউস, বন বাংলো প্রভৃতি। এগুলি বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই ঠিকানায়- ডিএফও, ডালটনগঞ্জ (দঃ) ফরেস্ট ডিভিশন, ডালটনগঞ্জ টাইগার প্রোজেক্ট, পালামৌ ন্যাশনাল পার্ক, ডালটনগঞ্জ ৮২২১০১। অথবা ফোন করা যেতে পারে ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে।

    কী কী দেখবেন (Betla Forest)?

    বেতলা ভ্রমণের মূল কারণই হল অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দর্শন এবং অবশ্যই অরণ্য দর্শন বা জঙ্গল সাফারি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় উদ্যান বা ন্যাশনাল পার্কের শিরোপা লাভ করে বেতলা।ভারতের ৯ টি জাতীয় উদ্যান এবং ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্যতম এই অরণ্য (Betla Forest)। ১০২৬ বর্গ কিমি আয়তন বিশিষ্ট এই জাতীয় উদ্যানের ২১৩ বর্গ কিমি অঞ্চল কোর এরিয়া। বাকিটা বাফার জোন। মূলত পলাশ, মহুয়া, বাঁশ, করৌঞ্জিয়া গাছের নিবিড় অরণ্যে বাস চিতল হরিন, শম্বর, গউর, বাইসন, বার্কিং ডিয়ার, বন্য শূকর, জংলি কুকুর, বন বিড়াল, আর দামাল হাতির পাল। বাঘও আছে এই ব্যাঘ্র প্রকল্পে। তবে শারদুল মহারাজের দর্শন লাভ কিন্ত কপাল ভালো থাকলে তবেই সম্ভব। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ১৯৩২ সালে এই অরণ্যেই হয় ভারতের প্রথম ব্যাঘ্র গণনা।
    এছাড়াও এখানে দেখা মেলে হরেক রঙের, হরেক কিসিমের পাখির, যার মধ্যে রয়েছে ময়ূর, হর্নবিল, বনমোরগ, কোয়েল, বিরল প্রজাতির ঈগল প্রভৃতি। এখানে জঙ্গল সাফারির জন্য ফোন করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে।

    জঙ্গল সাফারি শেষ করে চলে আসুন মাত্র ৫ কিমি দূরে আর এক অপূর্ব সুন্দর স্থানে “কেচকি”। দূরে দূরে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি, ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাছ গাছালির সারি, আর মাঝে কিশোরীর উচ্ছলতায় বয়ে চলেছে কোয়েল নদী। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, এই কেচকিতেই শ্যুটিং হয়েছিল বিশ্ব বরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের বিশ্ব বন্দিত ছবি, আর এক যশস্বী সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত ছবি “অরণ্যে  দিনরাত্রি”। একই সঙ্গে দেখে নিন প্রায় ৪-৫ কিমি দূরে চেরো রাজা মেদিনী রায়ের দূর্গের ভগ্নাবশেষ, বড়াডিহার শিবমন্দির, কেচকির খুব কাছেই কোয়েল এবং ঔরঙগা নদীর সঙ্গম, বাসুদেব মনডল ড্যাম, সেভেন রিভার পয়েন্ট, কোয়েল ভিউ পয়েন্ট, কুসুম বন বাংলো প্রভৃতি। আর বেতলা থেকে নেতারহাট যাওয়ার পথেই পড়বে দুটি অনন্য সুন্দর স্পষ্ট, লোধ ফলস এবং সুগা বাঁধ। ঘন অরণ্যের মাঝে অবস্থিত এই লোধ ফলস মহুয়াডার থেকে প্রায ১৪ কিমি দূরে। বুরহা নদীর জলধারা থেকে সৃষ্ট এই লোধ ফলস ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উচ্চতম এবং ভারতের ২১ তম উচ্চতম ফলস। প্রায় ১৪৩ মিটার উচ্চতা থেকে পাথরের বুকে ধাক্কা খেতে খেতে নেমে আসছে জলধারা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। আর মারুমার থেকে ২০ কিমি দূরে বারেসাদ। এখানে রয়েছে সুগা বাঁধ। এই দুটি স্পট দেখে এই পথেই চলে যেতে পারেন নেতারহাট। ফেরার পথে ইচ্ছে হলে চলে যাওয়া যায় রাঁচি। প্রয়োজনে রাঁচি থেকেই ট্রেন ধরে ফিরে আসা যায় কলকাতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    Heat Wave: গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে হরিণ ও ময়ূরকে দেওয়া হচ্ছে ওআরএস এবং গ্লুকোজ, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাস পড়তে না পড়তেই শুরু হয়েছে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ (Heat Wave)। প্রখর রোদে পুড়ছে বঙ্গবাসী। তবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ কেবল মানবজীবনেই প্রভাব ফেলেছে তা নয়, নাজেহাল অবস্থা পশুপাখিদেরও। তাই এই আবহাওয়া থেকে কাঁকসার দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরদের রক্ষা করতে বন দফতর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে৷ সকাল থেকেই রোদের তেজ তীব্র গতিতে বাড়তে থাকার পাশাপাশি হরিণ ও ময়ূরদের ওআরএস ও গ্লুকোজ খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়াও তাদের শরীরের জলশূন্যতা রুখতে ও সুস্থ রাখতে খাওয়ানো হচ্ছে টাটকা শাকসবজি, আখের গুড়, ভেজানো ছোলা, বিটনুন ও ভূষি। পাশাপাশি তাদের ওপর সারাক্ষণ বনকর্মীদের দিয়ে চলছে বিশেষ নজরদারি। দুর্গাপুর বন দফতরের এমনই দাবি।

    ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে বন দফতর?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে গৌরাঙ্গপুর গ্রামের দেউলের জঙ্গলে হরিণ ও ময়ূরের জন্য সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এটি শিবপুর বিট অফিসের আওতাধীন। সেখানকার বিট অফিসার অনুপকুমার মন্ডল সহ প্রায় ১৮ জন বনকর্মী হরিণ ও ময়ূরের দেখভাল করেন। বর্তমানে সেখানে মোট ৯৬ টি চিতল হরিণ রয়েছে। যার মধ্যে সদ্যোজাত প্রায় ৭ টি হরিণশাবকও রয়েছে। এছাড়াও ময়ূরের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে। যদিও ময়ূরের বংশবিস্তার শুধুমাত্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে আর থেমে নেই। কাঁকসার জঙ্গলমহলের লোকালয়েও ময়ূর ছড়িয়ে গিয়েছে। প্রায় ৮ মাস ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ওই সংরক্ষিত এলাকার শাল-পিয়ালের জঙ্গলের সবুজায়ন হারিয়েছে। বসন্তকালের শুরুতেই সমস্ত গাছের পাতা ঝরে গেলেও বৃষ্টিপাতের অভাবে নতুন করে পাতা এখনও তেমনভাবে গজিয়ে ওঠেনি। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় ঘাস সহ ঝোপঝাড় গজিয়ে না ওঠায় হরিণের খাবারের অনেকটাই ঘাটতি দেখা গিয়েছে। চড়া রোদের তাপ (Heat Wave) ও লু থেকে হরিণ সহ ময়ূরের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকায় বন দফতর তড়িঘড়ি তাদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিয়েছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওআরএস ও গ্লুকোজ তাদের খাবারের জলে মেশানো হচ্ছে। এছাড়াও ভেজানো ছোলা ও আখের গুড় খাওয়ানো হচ্ছে। গাজর সহ টাটকা শাকসবজি ও গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে দেওয়া হচ্ছে।

    কী জানাচ্ছেন বন দফতরের আধিকারিকরা?

    বন দফতরের দুর্গাপুর রেঞ্জ অফিসার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যে হারে দাবদাহ (Heat Wave) বেড়ে চলেছে এপ্রিলের শুরু থেকেই, তাতে সংরক্ষিত হরিণ ও ময়ূরগুলিকে সুস্থ রাখতে আমরা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রতিদিন প্রায় ২০ প্যাকেট ওআরএস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্লুকোজ থেকে গুড়, ছোলা, শাকসবজিও দেওয়া হচ্ছে। পশু চিকিৎসকের পরামর্শমতো আগামী মে ও জুন মাস পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। যাতে এই তীব্র তাপপ্রবাহে তারা অসুস্থ না হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জঙ্গলে গাছের পাতা ও ঘাস তেমনভাবে এখনও গজিয়ে উঠতে পারেনি। আমরা গাছের কচি পাতা সংগ্রহ করে হরিণগুলিকে দিচ্ছি। পাশাপাশি ময়ূরকে গম দেওয়া হয় সারা বছর। এখনও পর্যন্ত কোনও হরিণ অসুস্থ হয়নি। তাদের ওপর সর্বক্ষণ বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা এপ্রিল জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে (Weather update) জ্বলছে বাংলা। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবছর গরমের প্রকৃতি একটু আলাদাই। গরমের দাপটে নাজেহাল মানুষ এবং পশুপাখিরাও। এপ্রিল মাসেই যে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়াবে, তা কেউ ধারণাও করতে পারেননি।

    হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, ফাটছে ঠোঁট! 

    অন্যান্যবার গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি উঠলেও সেটা এবার এপ্রিলের শুরুতেই হওয়ায় মানুষ একে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন। শুধু তাই নয়, এই গরমেও মানুষের হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, এমনকি ঠোঁটও ফাটছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই গরম (Weather update) নিয়ে সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ। এমনকী অনেক জায়গায় গরমের জন্য মিনি টর্নেডোও দেখা গেছে। গত ১৬ এপ্রিল হলদিয়াতে এমনই একটি টর্নেডো দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও স্থানে প্রবল উত্তাপের কারণে উষ্ণ বাতাস হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। তখন ওই শূন্য জায়গা পূরণের জন্য চারদিকের শীতল বাতাস দ্রুত বেগে সেই এলাকায় ধাবিত হয়। তখনই টর্নেডো বা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

     এবছর এত গরমের কারণ কী? কী বলছে গবেষণা?
     
    গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এর কারণ একটাই “গ্লোবাল ওয়ার্মিং”। তাঁরা জানিয়েছেন, গত ১৫০ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা (Weather update) গড়ে ০.৮৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেড়েছে, যা অস্বাভাবিক। ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী। যেমন ছিল “আইস এজ”। ২.৪ বিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল এবং যা ১৫০০ বছর স্থায়ী ছিল। পৃথিবীর মহাদেশগুলির পারস্পরিক অবস্থান, সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর কক্ষপথ ও পৃথিবীর অক্ষরেখার দিক পরিবর্তন ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস এই আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য দায়ী। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণেই ধীরে ধীরে সেই উষ্ণ যুগের দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী, বাড়ছে দূষণ। ওজোন স্তরের ছিদ্র বাড়ছে। ফলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে। বাড়ছে সমু্দ্রের জলস্তর। উপকূলবর্তী এলাকাগুলি সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

    শুধুই কি প্রাকৃতিক কারণ? না মানুষও দায়ী?

    না, শুধু প্রাকৃতিক কারণ নয়। মানুষের সৃষ্ট কারণের ফলেও এই গরম (Weather update) বাড়ছে, এমনটাই বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়। শহরজুড়ে বড় বড় কংক্রিটের বিল্ডিং, অরণ্য ছেদন, বহুল পরিমাণে এসি-র ব্যবহার, আর বাড়ছে গরম হাওয়া যা “হিট আইল্যান্ড”-এর সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ শহরাঞ্চলে অনেক বেশি। কারখানা ও গাড়ি থেকে নির্গত দূষণের ফলে এই অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বন নিঃসৃত হয়। শহরের ‘হিট আইল্যান্ড’-এ জলীয় বাষ্পের সঙ্গে অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের সংযোগের ফলে বৃষ্টি হলেও মফস্বলে তাও হচ্ছে না। তাই কমেছে বৃষ্টি। বাড়ছে অস্বস্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সন্দেহজনক একজার ভর্তি সাপের বিষ উদ্ধার করল ১৩৭ ব্যাটেলিয়ান বিএসএফ (BSF)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির গয়েশপুর বিওপি-র পাহানপাড়া সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা। বিএসএফ (BSF) অভিযান চালিয়ে সাপের বিষের জার উদ্ধার করলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। তারা বাংলাদেশ সীমান্তে গা ঢাকা দিয়েছে বলে বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একটি বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ সীমান্তের ভারতীয় গ্রাম পাহানপাড়া এলাকায় গোপনে অপেক্ষা করতে থাকে বিএসএফ দল। বাংলাদেশ থেকে দুই পাচারকারী সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসে। তারা ভারতীয় ভূখন্ডে আসতেই বিএসএফ (BSF) তাদের পিছনে ধাওয়া করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ছুটে পালাতে থাকে। তাদের আটকাতে এক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ (BSF)। কিন্তু ওই দুই পাচারকারী ততক্ষণে বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এমনিতেই বিএসএফের (BSF) কাছে সাপের বিষ পাচার হওয়ার খবর ছিল। কিন্তু, দুই পাচারকারী পালানোর সময় তাদের হাতে কোনও জিনিস ছিল না। ফলে, পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া সামগ্রীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর উদ্ধার হয় একটি জার। যেখানে লেখা রয়েছে, কোবরা এসপি, ড্রাগন কোম্পানি, মেড ইন ফ্রান্স।  কোড নম্বর ৬০৯৭। সেই জারের মধ্যে তরল দ্রব্য কোবরা সাপের বিষ বলে মনে করছে বিএসএফ (BSF) ।   

    বিএসএফের (BSF) কী বক্তব্য ?

    ১৩৭ ব্যাটেলিয়ানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পাচারকারীদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পরে, গুলি চালানো হলেও হতাহতের কোনও খবর নেই। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের জারটি সোমবার দুপুরে বালুরঘাট রেঞ্জের বনবিভাগের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বনবিভাগের আধিকারিক?

    বালুরঘাট বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সুকান্ত ওঝা বলেন, যে জায়গা থেকে এই জার উদ্ধার হয়েছে, সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করব। প্রাথমিকভাবে সাপের বিষ বলেই মনে হচ্ছে। তবে, এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে আমরা মুম্বই ল্যাবরেটরিতে এই জার পাঠাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    Environment: ডুয়ার্সের লাটাগুড়িতে জঙ্গল ধ্বংস করে বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স? প্রতিবাদে সরব বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে পরিবেশ (Environment) বাঁচাতে কজনই বা এগিয়ে আসেন? কিন্তু উত্তরবঙ্গে বন ও নদী বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক, বিজেপির (BJP) শঙ্কর ঘোষ। উত্তরবঙ্গের মূল সৌন্দর্য হল ওই নদী আর বনজঙ্গল। কিন্তু সম্প্রতি একটি খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন থেকে তিনি জানতে পারেন, ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি জঙ্গলে একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে, যা পরিবেশবান্ধব নয়।  বনজঙ্গল ধ্বংস করেই সেটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

    শঙ্করবাবুর মূল অভিযোগ কী ? 

    অভিযোগ, কোনওরকম নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবং বনজঙ্গল (Forest) ধ্বংস করে চলছে এই নির্মাণকার্য। এর ফলে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পের (Tourism) ওপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। লাটাগুড়ির এই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স (Commercial Complex) বানানো নিয়ে তাই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের বন আইন, পরিবেশ (Environment) আইন ইত্যাদি কিছুই মানা হচ্ছে না এই নির্মাণকার্যে। শুধু এটি নয়, আরও অনেক হোটেল, রিসর্ট নির্মাণ হচ্ছে এইভাবেই, আইনকে তোয়াক্কা না করেই। অপরদিকে তিস্তা নদীতে ক্রাসার নামিয়ে প্রকাশ্যে পাথর তোলার কাজ চলছে। এতে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এরপর এর থেকে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটতে পারে। আর এর প্রতিবাদেই আমি উত্তরবঙ্গে নদী ও বন বাঁচাতে আন্দোলন করছি। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বনভূমির এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও কংক্রিটের নির্মাণ করা যাবে না। কোর এলাকায় পিচরাস্তা নির্মাণ হবে না। এক্ষেত্রে কিছুই মানা হয়নি। এছাড়া বন্যপ্রাণ আইনও ভাঙা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

    বিধানসভাতে পর্যন্ত জানানো হয় ব্যাপারটি, কিন্তু তারপর ?

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি শঙ্করবাবু নিজে বিধানসভাতে মুখ্যমন্ত্রী, পর্যটনমন্ত্রী ও বনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জানান। তিনি চিঠি দিয়ে জানতে চান, এই নির্মাণকার্যের ক্ষেত্রে পরিবেশ (Environment) দফতরের ছাড়পত্র আছে কিনা। কিন্তু আজও তার সদুত্তর মেলেনি। এরপর আবার তিনি জেলাশাসককে চিঠি দেন। তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে সেটি বনদফতরের কাছে রেফার করে দেন। সেখান থেকেও কোনও উত্তর আসেনি বলে তিনি জানিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি পরিবেশপ্রেমীদের একজোট করে এর প্রতিবাদে সরব হবেন বলেই জানিয়েছেন। পাশাপাশি গ্রিন বেঞ্চে মামলা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    তাঁর এই অভিযোগের ব্যাপারে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কী জানিয়েছেন ?

    দুদিন উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শিলিগুড়ির বিধায়কের অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ উঠতে তিনি বলেন, “শঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় বিষয়টি তোলেননি। শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ঠিক কথা বলছেন না। লাটাগুড়ির যে নির্মাণকার্য নিয়ে তিনি অভিযোগ করছেন, সেটি কোর এরিয়ার মধ্যে নয়। তার আগে থেকেই সেখানে অনেক বাড়ি রয়েছে। আর গরুমারা হল অভয়ারণ্য। তাই সেখানে নির্মাণের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। নির্মাণ হচ্ছে লাটাগুড়িতে। ওই নির্মাণ আমাদের এলাকায় হচ্ছে না, তাই এই নির্মাণকার্যে আমরা বাধা দিতে পারি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Atmospheric Carbon: হাতি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়বে জলবায়ুর ওপরও!

    Atmospheric Carbon: হাতি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়বে জলবায়ুর ওপরও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংখ্যা বৃদ্ধির জেরে ক্রমেই কমছে জঙ্গলের (Forest) আয়তন। বসতি স্থাপন করতে গিয়ে মানুষ কেড়ে নিচ্ছে না-মানুষের বসত। এসব আমাদের জানা ছিল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেল আরও ভয়ঙ্কর তথ্য। জানা গেল, জঙ্গল সৃষ্টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে হাতি (Elephant)। কেবল তাই নয়, আফ্রিকার (Atmospheric Carbon) জঙ্গলের জীব বৈচিত্র্য রক্ষা করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গজকুল।

    হাতির বংশ…

    মানুষের লোভের জেরে ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হতে বসেছে হাতির বংশ। তার ছাপ পড়েছে আফ্রিকার জঙ্গলে। এক সময় আফ্রিকার জঙ্গলে বাস করত হাজার হাজার হাতি। পরে সভ্য মানুষ হাতির দাঁতের লোভে নির্বিচারে হত্যা করতে শুরু করে হস্তিকুলকে। যার জেরে ওই জঙ্গলের হাতির সংখ্যা কমতে কমতে ক্রমেই বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে জঙ্গলে। এই আফ্রিকায়ই রয়েছে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট। এতদিন এই জঙ্গল পরিবেশ থেকে কার্বন (Atmospheric Carbon) শুষে নিত। এখনও নিচ্ছে। তবে হস্তিকুল কমে যাওয়ায় জঙ্গলেরও কার্বন শুষে নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে ৬ থেকে ৯ শতাংশ। সেন্ট লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞাণের অধ্যাপক তথা প্রবীণ লেখক স্টিফেন ব্লেক হাতি নিয়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছেন। সম্প্রতি একটি গবেষণা পত্রে ব্লেক এবং তাঁর সহযোগীরা দেখিয়েছেন, আফ্রিকার রেইন ফরেস্টে কীভাবে কার্বন ধরে রাখার কাজ করে হাতির পাল।

    আরও পড়ুুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে

    ব্লেক বলেন, মানুষ নির্বিচারে হস্তিনিধন করে চলেছে। ফলশ্রুতি হিসেবে ভয়ঙ্কর সমস্যায় আফ্রিকার জঙ্গল। হাতি হত্যা বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অথচ হাতি জঙ্গলে জীব বৈচিত্র বজায় রাখে। তাই হস্তিকুলের বিনাশ হলে ধ্বংস হয়ে যাবে জঙ্গলও। আমরা যদি জঙ্গলের হাতিকে হত্যা করে চলি, তাহলে তার প্রভাব পড়বে তামাম বিশ্বের (Atmospheric Carbon) জলবায়ুর ওপর। ব্লেক বলেন, আমাদের এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে যে হাতি বাঁচাতে না পারলে আমরা পরোক্ষে দায়ী হব জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যও। তিনি বলেন, একে সিরিয়াসলি নিতে হবে। বাঁচাতে হবে হস্তিকুলকে। জঙ্গলের হাতির ভূমিকাকে কোনওভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

    ব্লেক বলেন, হাতিরা বিভিন্ন গাছ থেকে পাতা খায়, ডাল ভাঙে, চারা গাছ উপড়ে ফেলে দেয়। তিনি বলেন, দেখা গিয়েছে, হাতিরা যেসব গাছ ধ্বংস করে সেগুলি লো-কার্বন ডেনসিটির গাছ। জঙ্গলে যদি শুধুই হাই-কার্বন ডেনসিটির গাছ থাকে, তাহলে পরিবেশের উপকার হয়। তিনি বলেন, হাতিরা হল জঙ্গলের মালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share