Tag: Former TMC MLA

  • Ashish Banerjee: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু, খুন নাকি আত্মহত্যা, কী বলছে পুলিশ?

    Ashish Banerjee: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু, খুন নাকি আত্মহত্যা, কী বলছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্যমৃত্যু বীরভূমের রামপুরহাটের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ashish Banerjee)। রবিবার সকালে বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় (TMC)। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। আশিস আত্মহত্যা করেছেন কি না, করলে তার কারণই বা কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। রামপুরহাটের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাটতলাপাড়ায় বাড়ি আশিসের। বাড়ি লাগোয়া একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। রবিবার সকালে সেখানেই মেলে তাঁর ঝুলন্ত দেহ। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রামপুরহাট থানার পুলিশও। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য।

    টানা বিধায়ক (Ashish Banerjee)

    ২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা রামপুরহাটের বিধায়ক ছিলেন আশিস। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায়ও একাধিকবার ঠাঁই হয়েছিল তাঁর। রাজ্যের প্রাক্তন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রী ছিলেন আশিস। মন্ত্রিসভায় বিরাট কোনও দায়িত্ব কোনওদিনই পাননি আশিস। মমতা সরকারের আমলে রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারও ছিলেন তিনি। বীরভূমের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন আশিস। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি থাকাকালীন তাঁর সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি। তবে জেলার রাজনীতিতে অনুব্রতের প্রভাবের কারণে আশিসের রাজনৈতিক উত্থানের সুযোগ সীমিত ছিল বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বগটুই গণহত্যায় অস্বস্তিতে ছিলেন আশিস

    ২০২২ সালে রামপুরহাটের বগটুইয়ে গণহত্যার ঘটনায় রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছিল তৃণমূল। সেই সময় আশিসকেও নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। যদিও নিজের বিধানসভা এলাকায় ভোটের ফল নিয়ে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন (TMC)। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা। বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহার কাছে ২৪ হাজারেরও বেশি ভোটে হেরে যান তিনি (Ashish Banerjee)। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। একাধিক প্রাক্তন বিধায়ক ও কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন। দলের অনেক নেতার সঙ্গে কালীঘাটের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলের খবর। ভোটে হেরে যাওয়ার পর আশিসকে আর সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছিল না।

    মৃত্যুর কারণ

    তাঁর মৃত্যুর পিছনে রাজনৈতিক বা অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। আশিসের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন অনুব্রত। বলেন, “এত ভালো লোক। কেন এই কাজ করলেন, বুঝতে পারছি না। ওঁর কোনও শত্রু নেই। কারও সঙ্গে ঝগড়া নেই। কোনও মানসিক চাপই ছিল না। উনি কারও সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটিতেই যেতেন না। আমি প্রচণ্ড দুঃখ পেয়েছি (TMC)। ওঁর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। খুব নিরীহ, শান্ত লোক ছিলেন। আশিস (Ashish Banerjee) কোনও দুর্নীতিতে ছিলেন বলে আমার মনে হয় না।”

     

  • Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের খোকন দাস গ্রেফতার। আজ, রবিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্ক এলাকা থেকে পাকড়াও করে (Political Violence Extortion Case) তাঁকে। হুমকি, তোলাবাজি এবং রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে খোকনকে (Khokan Das)। অভিযোগগুলি সেই সময়কার, যখন ক্ষমতায় ছিল খোকনের দল তৃণমূল।

    খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Political Violence Extortion Case)

    পুলিশ সূত্রে খবর, মুলতুবি মামলার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর রবিবার সকালে আটক করা হয় তাঁকে। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় একটি আদালতে তোলা হয় খোকনকে। তৃণমূলের প্রাক্তন এই বিধায়ককে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক হন খোকন। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক হিংসার একাধিক অভিযোগ ওঠে। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় আসায় সেই সময় পুলিশ খোকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক হিংসার পাশাপাশি তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ‘আমি এখন বিজেপি নেতা’

    জানা গিয়েছে, ছাব্বিশের বিধান নির্বাচনে তৃণমূল গোহারা হেরে যেতেই খোকন নিজেকে বিজেপি নেতা বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর তাঁর একটি অডিও কথোপকথন ভাইরাল হয়। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ার পর এসব নিয়ে এত হইচই করছেন! মনে রাখবেন, আমি এখন বিজেপি নেতা।” এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান খোকন। শেষমেশ রবিবার বর্ধমান জেলা পুলিশের একটি দল উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তাঁকে।

    গ্রেফতার আরও এক তৃণমূল নেতা

    খোকনের বিরুদ্ধে অতীতেও তোলাবাজি এবং জমি-সংক্রান্ত অনিয়ম-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তদন্ত এড়ানোর চেষ্টাও করেছেন তিনি (Political Violence Extortion Case)। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার খোকন। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিকে, এদিনই পুলিশ গ্রেফতার করেছে পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কেও। তাঁর (Khokan Das) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের ত্রিপল এবং ফুটবল উদ্ধার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাটোয়ার এক শীর্ষস্থানীয় তৃণমূল নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের একটি (Political Violence Extortion Case) মামলায়।

     

LinkedIn
Share