Tag: france football

france football

  • FIFA World Cup 2026: শেষবেলায় সুপার সাবের গোল! ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সামনে এবার ফ্রান্স

    FIFA World Cup 2026: শেষবেলায় সুপার সাবের গোল! ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সামনে এবার ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাপট বজায় রেখেই কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে (FIFA World Cup 2026) স্পেন। আরও এক বার দেশকে জেতালেন ‘সুপার সাব’ মিকেল মেরিনো। সংযুক্তি সময়ে গোল করে দলকে জেতালেন তিনি। সেমিফাইনালে স্পেনের সামনে ফ্রান্স (Spain vs France)। ফ্রান্স এবং স্পেন দুই দেশই যে এ বার বিশ্বকাপ জয়ের দাবিদার, তা প্রতিযোগিতা শুরুর আগে থেকেই বলছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। তবে ইউরোপের দুই শক্তিধর দেশের দেখা ফাইনালে নয়, হচ্ছে সেমিফাইনালেই। মঙ্গলবার রাত ১২.৩০টা থেকে শুরু ম্যাচ।

    ফ্রান্সকে হুঁশিয়ারি ইয়ামালের

    বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে ফ্রান্সকে হুঁশিয়ারি লামিনে ইয়ামালের। তাঁর দাবি, কিলিয়ান এমবাপেদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বরং ফ্রান্সেরই উচিত তাঁদের সমীহ করা। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক জয়গুলির কথা উল্লেখ করে ইয়ামালের দাবি, প্রতিযোগিতার দুই সেরা দলের লড়াই হবে। ইয়ামাল মনে করছেন সেমিফাইনালে চাপে থাকবে দিদিয়ের দেশঁর দলই। ১৮ বছরের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘‘আমরা সত্যিই খুব উত্তেজিত। বিশ্বকাপ শুরুর সময়েই আমরা এই ম্যাচটা খেলার আশায় ছিলাম। স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচের প্রত্যাশা ছিল। আমার মতে, প্রতিযোগিতার সেরা দুটো দল মুখোমুখি হতে চলেছে।’’ বিশ্বকাপে বেশ ভাল খেলছে ফ্রান্স। এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে স্পেন কি খেলার ধরন বদল করবে? ইয়ামাল মনে করেন না, এমন কিছুর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘এমন একটা দলের বিরুদ্ধে খেলা পড়েছে, যারা নিশ্চিত ভাবে আমাদের উপর চাপ তৈরির চেষ্টা করবে। তবে গোটা ম্যাচ চাপে রাখতে পারবে না। আমরা আমাদের মতোই খেলব। ফ্রান্স যদি কোনও দলকে সমীহ করে, সেটা আমরাই। কারণ আমরাই ওদের আগের প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে দিয়েছিলাম।’’

    সেমিফাইনালে চাপে ফ্রান্স!

    ২০২৪ সালের ইউরোর সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে তাঁদের ২-১ ব্যবধানে জয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন ইয়ামাল। যখন তাঁর বয়স ছিল ১৬। ইয়ামালের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দু’দলের ম্যাচের ফলাফলগুলিই ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে চাপে রাখবে। বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত একটি গোল করেছেন ইয়ামাল। তবে সবচেয়ে বেশি ১৭টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন। শেষ দু’টি ম্যাচে গোলে ন’টি শট মেরেছেন বার্সেলোনার স্ট্রাইকার। ইয়ামাল অবশ্য ব্যক্তিগত সাফল্যকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না। তিনি বলেছেন, ‘‘এটা হতাশার কোনও কারণ নয়। আমি তো ইউরো কাপেও একটা গোল করেছিলাম। দল যতক্ষণ এগিয়ে চলেছে, ততক্ষণ ভাবার বা হতাশার কোনও কারণ নেই। দলই আমার কাছে আগে। আশা করছি, আমরা আরও একটা ভাল জয় পাব।’’ ফ্রান্সে এমবাপের মতো ফুটবলার রয়েছেন। তাও সেমিফাইনাল নিয়ে দৃঢ়চেতা ইয়ামাল বলেছেন, ‘‘আমরা আত্মবিশ্বাসী। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আরে শেষ দুটো ম্যাচে আমরাই জিতেছি। ওদেরই বরং আমাদের ভয় পাওয়া উচিত। সেমিফাইনালে উঠে আমরা খুশি। আমরা বেশ ভাল খেলছি। অন্য দলগুলো আমাদের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। আমরা এখানে এসেছি ট্রফি জিততে। সেটাই আসল।’’

    সুপার-সাবের গোলেই বাজিমাত

    পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন, বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন মিকেল মেরিনো। শেষ মুহূর্তে বদলি হিসেবে নেমে গোল করে আগের ম্যাচে স্পেনকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। এবার একই নাটকের পুনরাবৃত্তি করে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুললেন লা রোজাদের। শুক্রবার রাতে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের হয়ে গোল করেন ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনো। বেলজিয়ামের একমাত্র গোলটি করেন চার্লস ডি কেটেলেয়েরে।

    গোলকিপারদের লড়াই, চোট কুর্তোয়ার

    ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, ফেরান তোরেসরা একের পর এক আক্রমণ শানালেও বেলজিয়ামের গোলপোস্টের নিচে যেন প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন থিবাউট কুর্তোয়া। ৩০ মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় স্পেন। ইয়ামালের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু খেলে পেদ্রো পোরো বল বাড়ান দানি ওলমোকে। ওলমোর নিচু শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন কুর্তোয়া। কিন্তু ফিরতি বলে সুযোগ নষ্ট করেননি ফাবিয়ান রুইজ। পাঁচ মিনিট পর আবারও ইয়ামালের দারুণ ফ্রি-কিক অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন কর্তোয়া। স্পেনের একের পর এক আক্রমণের মাঝেও সুযোগের অপেক্ষায় ছিল বেলজিয়াম। ৪১ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগান চার্লস ডি কেটেলেয়েরে। কেভিন ডি ব্রুইনের নিখুঁত ক্রসে গোলমুখে হেড করে উনাই সিমনকে পরাস্ত করেন তিনি। ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। এই গোলটা খেয়ে সিমন ৬৪৯ মিনিট পর গোল খেলেন। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি স্পেন। ৫৮ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ইয়ামালকে হতাশ করেন কুর্তোয়া। এরপর ৬১ মিনিটে ফের একক প্রচেষ্টায় গোলের সুযোগ তৈরি করলেও বেলজিয়ান গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভ করেন। অন্যদিকে, ডি ব্রুইনের শট দারুণভাবে আটকে দেন স্পেন গোলকিপার উনাই সিমন। দুই গোলকিপারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ৭১ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন থিবাউট কুর্তোয়া। চোখে জল নিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামেন সেনে লামেন্স। কর্তোয়ার বিদায়ের পরও বেশ কিছুক্ষণ বেলজিয়ামের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্পেন।

    মিকেল মেরিনোর ম্যাজিক

    ৮৪ মিনিটে দানি ওলমোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মিকেল মেরিনো। মাঠে নামার মাত্র ১১৫ সেকেন্ড পরই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন তিনি। ৮৮ মিনিটে পাউ কুবার্সির দূরপাল্লার শট প্রথমে ঠেকালেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি লামেন্স। সেই সুযোগ লুফে নিয়ে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন মেরিনো। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষেও বদলি নেমে জয়সূচক গোল করেছিলেন মেরিনো। এবার কোয়ার্টার ফাইনালেও একই কীর্তি গড়লেন তিনি। এর ফলে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে ৮০ মিনিটের পর জয়সূচক গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়লেন স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডার। এছাড়া মাঠে নামার ১১৫ সেকেন্ডের মধ্যে গোলটি বিশ্বকাপে স্পেনের কোনও বদলি ফুটবলারের দ্রুততম গোল। এতদিন এই রেকর্ড ছিল ১৯৮২ সালে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে এনরিকে সাউরার (১৫৯ সেকেন্ড)।

     

     

     

  • FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপে বিশতম গোল এমবাপের! মরক্কোকে হারিয়ে টানা ৩ বার সেমি-ফাইনালে ফ্রান্স

    FIFA World Cup 2026: বিশ্বকাপে বিশতম গোল এমবাপের! মরক্কোকে হারিয়ে টানা ৩ বার সেমি-ফাইনালে ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ ফুটবলের (FIFA World Cup 2026) সেমি-ফাইনালে ফ্রান্স। কোয়ার্টার-ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে ব্রাজিলের রেকর্ডে ভাগ বসাল এমবাপের ফ্রান্স। পেনাল্টি মিস করেও নায়ক সেই এমবাপে। বিশ্বকাপ ফুটবলে কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappe) এমন একটি নাম, যিনি প্রায় সব ম্যাচেই গোল করছেন। তাঁর পেনাল্টি বাঁচাও, তাঁকে ডিফেন্ডার দিয়ে ঘিরে রাখ, রাফ ফুটবল খেল, কিন্তু দিনের শেষে কীভাবে বলটা জালে জড়ানো যায়, তিনি ঠিক সেই পথ খুঁজে বের করবেনই। মরক্কোর বিরুদ্ধে (France vs Morocco) কোয়ার্টার ফাইনাল ম্য়াচেও তেমনটাই তো করলেন এমবাপে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি নিলেও গোল করতে পারলেন না। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ মিনিটের মাথায় ফ্রান্সের হয়ে প্রথম গোল তাঁর। প্রথমার্ধে লড়াই করলেও, দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের গতি, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কাছে পরাস্ত হল মরক্কো।

    ব্রাজিলের রেকর্ডে ভাগ

    বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও রেকর্ড বইয়ের পাতায় স্বস্তিতে নেই ব্রাজিল। মাঠের লড়াইয়ে সেলেসাওরা ছিটকে গেলেও এবার তাদের এক অনন্য ও ঐতিহাসিক গর্বের রেকর্ডে ভাগ বসাল কিলিয়ান এমবাপের ফ্রান্স। ফুটবল বিশ্বকাপে টানা তিনবার সেমিফাইনাল খেলার যে গৌরব এতকাল লাতিন আমেরিকার দলটির একচেটিয়া ছিল, বৃহস্পতিবার রাতে মরক্কোকে হারিয়ে সেই একই কীর্তি ছুঁয়ে ফেলল ফরাসিরা। ১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২ সালে টানা তিনটি বিশ্বকাপের শেষ চারে খেলেছিল ব্রাজিল; আর এবার ২০১৮ ও ২০২২ সালের পর ২০২৬ সালেও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ফরাসিরা। তবে এই তালিকার শীর্ষে এখনও রয়েছে জার্মানি, যারা ২০০২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত টানা চারবার সেমিফাইনাল খেলেছে।

    দুরন্ত ফ্রান্সকে আটকানো মুশকিল

    অঘটন না হলে, আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে পারে ফ্রান্স। তার জন্য অবশ্য সেমিফাইনালে স্পেনের মতো কঠিন বাধা পেরোতে হতে পারে। সেই বাধা টপকে গেলে ফ্রান্সকে ট্রফি জয় থেকে আটকানো মুশকিল। কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোর বিরুদ্ধে খেলেছিল ফ্রান্স। সে বার জিতেছিল ২-০ গোলে। এ বারও ম্যাচের ফল ঠিক তাই। ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক খেলছিল দুই দলই। তবে মরক্কোর থেকে ফ্রান্সের আক্রমণের ঝাঁঝই ছিল বেশি। চার মিনিটের মাথায় দায়োত উপামেকানোর জোরালো হেড বাঁচিয়ে দেন মরক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্রান্সের আক্রমণ বাড়তে থাকে। ২৫ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। নিজেদের অর্ধে মরক্কোর আশরফ হাকিমির থেকে বল কেড়ে নেন ডেজিরে ডুয়ে। তিনি পাস দেন এমবাপেকে। একাই অনেকটাই দৌড়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে। সেখানে তাঁকে ফাউল করেন নৌসের মাজরাউই। এতটাই স্পষ্ট ছিল সেই ফাউল যে রেফারির সিদ্ধান্তে মাজরাউই নিজেই বিশেষ প্রতিবাদ জানাননি। তবে, সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে খারাপ পেনাল্টি এদিন মারলেন এমবাপে। মরক্কোর গোলকিপার বোনো এমনিতেই পেনাল্টি বাঁচানোর ব্যাপারে প্রসিদ্ধ। গোলকিপারের বাঁ দিকে এমবাপের নিচু শট এতটাই ধীরগতির ছিল যে বোনোর হাত থেকে বল বেরিয়ে পর্যন্ত যায়নি। সরাসরি তাঁর হাতে জমা পড়ে।

    এমবাপের ডান পা-এর ছোঁয়া

    দ্বিতীয়ার্ধে আরও আগ্রাসী দেখায় ফ্রান্সকে। ৬০ মিনিটের মাথায় মরক্কোর বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়েছিলেন এমবাপে। আশেপাশে বেশ কয়েকজন মরক্কোর ফুটবলার ছিলেন। ডান দিকে সামান্য কাট করে চকিতে শট মারেন এমবাপে। বোনো উড়ে গিয়েও বাঁচাতে পারেননি। এমবাপের ডান পা-এর ছোঁয়া যেন শিল্প। তাঁর ডান পায়ের জাদুতেই মোহিত গোটা ফুটবলবিশ্ব। চার মিনিট পরে আবার গোল করে ফ্রান্স। এই গোলের ক্ষেত্রেও এমবাপের প্রশংসা প্রাপ্য। বল নিয়ন্ত্রণ করতে করতে মরক্কোর ফুটবলারদের নিজের দিকে টেনে এনেছিলেন এমবাপে। ফলে ফাঁকা হয়ে যান দেম্বেলে। তাঁকে পাস দেন এমবাপে। কিছুটা সময় নিয়ে ডান পায়ের নিচু শটে গোল করেন দেম্বেলে। বোনো আরও একটু চেষ্টা করতে পারতেন শটটি বাঁচানোর। তিনি কিছুটা এগিয়ে থাকায় শট বাঁচানো আরও সমস্যার হয়ে যায়। এই দুই গোলেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ফ্রান্স।

    মেসির সঙ্গে কঠিন লড়াই

    কাতারে চার বছর আগে আধুনিক ফুটবলের সম্রাট মেসির (Lionel Messi) বিশ্বজয়ের পথে সবথেকে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এমবাপে। চার বছর পরে ফের একবার মেসিদের পথের সবথেকে বড় কাঁটা মনে করা হচ্ছে তাঁকেই। শুধু তাই নয়, মেসির সম্ভবত একমাত্র অধরা বড় কৃতিত্ব, বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের পথেও তিনিই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন, প্রতিনিয়ত ‘এলএম১০’-র ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন। মেসির মতোই এমবাপেও এ বিশ্বকাপে আটটি গোল করে গোলদাতার তালিকায় যুগ্মভাবে শীর্ষে। এই ম্য়াচের গোল মিলিয়ে বিশ্বকাপে ২০ ম্য়াচে ২০টি গোল করে ফেললেন এমবাপে, এর মধ্যে ১২টিই আবার নক আউটে।

    এমবাপের চোট!

    এদিন ম্যাচ শেষে ফ্রান্সের চিন্তা দলের মহাতারকা এমবাপের পায়ের পাতার চোট। ম্যাচের শেষের দিকে তাঁর এক সময়ের ফরাসি বয়সভিত্তিক দলের সতীর্থ, কিন্তু এদিনের প্রতিপক্ষ ইসা ডিয়পের এক কড়া চ্যালেঞ্জে এমবাপেকে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ খেলার চেষ্টা করার পর তিনি মাঠ ছাড়েন, ডাগ আউটে পায়ের পাতায় বরফ লাগিয়েও বসে থাকতে দেখা যায় তাঁকে।

    ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কারা

    দিয়েগো মারাদোনার জাদুতে আচ্ছন্ন ছিয়াশির মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। বেলজিয়ামের কাছে টাইব্রেকারে হেরে সেদিন স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল স্পেনের। চল্লিশ বছর পরে ফের বিশ্বকাপের শেষ আটের দ্বৈরথে মুখোমুখি দুই দল। ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন (Spain vs Belgium) এবং রুডি গার্সিয়ার বেলজিয়ামের এই ম্যাচকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। একদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের তরুণ ও প্রতিভাবান স্পেন, অন্যদিকে অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে গড়া বেলজিয়াম। লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেন এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে কোনো গোল হজম করেনি। অন্যদিকে রুডি গার্সিয়ার বেলজিয়াম শেষ দুই ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে আত্মবিশ্বাসী। তবে, মরক্কোকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপের কণ্ঠে ঝরল আত্মবিশ্বাস। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে—স্পেন নাকি বেলজিয়াম, তা নিয়ে একেবারেই ভাবছেন না এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন, সেমিফাইনালের মঞ্চে কোনো ম্যাচই সহজ হবে না, তাই প্রতিপক্ষ হিসেবে কে সামনে আসছে তা তার কাছে কোনো বিষয় নয়। ফরাসি শিবিরের লক্ষ্য কেবল সামনের ম্যাচটি জিতে ফাইনালে পা রাখা।

     

     

     

     

     

  • Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিরোস্লাভ ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের (Fifa World Cup 2026) সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। তবুও নিরুত্তাপ-শান্ত। নিজের রেকর্ড নিয়ে খুব একটা হেলদোল নেই মেসির। তিনি বেশি খুশি হয়েছেন আর্জেন্টিনাকে নকআউটে তুলতে পেরে। তাঁর জোড়া গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা-এটা উপরি পাওনা। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর এমনই অভিমত লিও-র। আর্জেন্টিনা ছাড়া সোমবার নকআউটে গেল ফ্রান্সও। মেসির মতোই জোড়া গোল এমবাপের। ২৬-এর বিশ্বকাপে লিয়োনেল মেসিকে তাড়া করছেন কিলিয়ান এমবাপে। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাতে ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলের মালিক হয়েছেন মেসি। কয়েক ঘণ্টা পর ক্লোজেকে ছুঁয়ে ফেললেন এমবাপে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিও করে ফেললেন ১৬ গোল। ছাপিয়ে গেলেন ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে।

    আর্জেন্টিনার কাছে ২২ জুন ইতিহাস

    জোড়া গোলে আবার নায়ক লিয়োনেল মেসি। ঠিক ৪০ বছর আগে এই ২২ জুন দিনটিকে দিয়েগো মারাদোনা ফুটবল ইতিহাসের পাতায় তুলে দিয়েছিলেন ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল করে। একই দিনে মেসি রচনা করলেন অন্য এক কীর্তি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার জন্য এদিন একটি গোল দরকার ছিল লিয়োর। সহজতম সুযোগ এসে গিয়েছিল ৯ মিনিটে। বক্সের মধ্যে লাউতারো মার্তিনেজকে একসঙ্গে ট্যাকল করেন অস্ট্রিয়ার দুই ফুটবলার। ভার-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। পিছন থেকে ট্যাকল করাতেই সম্ভবত পেনাল্টি দেন তিনি। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একাংশ সন্তুষ্ট নন। তবে নজর ছিল মেসির দিকে। আর্জেন্টিনার অধিনায়কই পেনাল্টি মারতে এগিয়ে যান। গোটা স্টেডিয়াম তখন বিষ্ফোরণের অপেক্ষায়। কিন্তু গোল করতে পারলেন না মেসি! ডান পোস্টে শট মারেন। কিন্তু শটে তেমন জোর ছিল না! আটকে দিলেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লেগার। মেসি গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন ১৯ মিনিটেও। এ বার শ্লেগারকে প্রায় একা পেয়েও তাঁর গায়ে মারেন! মেসি-ভক্তেরা যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। মাহেন্দ্রক্ষণ এল ৩৮ মিনিটে। গোল করলেন মেসি। এ বারের বিশ্বকাপে চতুর্থ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৭তম গোল এলএম টেনের।

     দলকে জিতিয়েই খুশি

    অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়ে মেসি বলেন, “দল জেতায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। খুব দরকার ছিল এই জয়টা। কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। দল নকআউটে ওঠায় মানসিক শান্তি পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্যে করবে। এই বিশ্বকাপে সব ম্যাচই টান টান হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ম্যাচ জিততে গেলে। আমি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করছি। সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ করার জন্য তর সইছে না।” দু’গোলে জিতলেও অস্ট্রিয়া যথেষ্ট লড়াই করেছে বলে মনে করেন মেসি। জয় যে সহজে আসবে না, এটাও তিনি জানতেন। মেসি বলেন, “জিততে পেরে খুশি হয়েছি। কিন্তু কতটা কষ্ট করে জয় পেতে হয়েছে সেটা সকলেই দেখেছেন। ছ’পয়েন্ট পাওয়া খুব দরকার ছিল। আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলাম। তবে এটা জানতাম জয় সহজে আসবে না। এখনকার ফুটবলে কোনও দলই সহজে হাল ছেড়ে দেয় না। প্রতিটা ম্যাচই মনোযোগ দিয়ে খেলতে হয়।”

    সব ম্যাচ জেতাই লক্ষ্য 

    মেসির সংযোজন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল যোগ্যতা অর্জন করা। সব ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে হবে। দলের প্রত্যেকে খুশি। আসলে আমরা একসঙ্গে হলে খুব মজা করতে ভালবাসি। অনুশীলনেও রোজ হাসিঠাট্টার মধ্যে দিয়েই কেটে যায়। সে কারণেই মাঠে নেমে এত ভাল খেলি। আমরা ইতিমধ্যেই অনেককে আনন্দ দিয়েছি। আরও আনন্দ দিতে চাই। পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের উপরেই খুব রেগে গিয়েছিলাম। দিনের শেষে সেটা অবশ্য মাথায় নেই।” অস্ট্রিয়া ম্যাচেই বিশ্বকাপের নকআউট নিশ্চিত করে নিতে চেয়েছিলেন লিয়োনেল স্কালোনি। যে কোনও পেশাদার কোচ তাই চাইবেন। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী কোচও ব্যতিক্রম নন। সোমবার দলকে শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেইমতো খেলে নীল-সাদা। এদিন বিশ্বকাপে মেসির ১৮তম গোলও করেন মেসি। এ বারেই দু’ম্যাচে পাঁচটি।

    দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা

    অন্যদিকে, প্রত্যাশা মতোই ইরাককে ৩-০ গোলে হারাল ফ্রান্স। আরও এক বার জোড়া গোল করলেন এমবাপে। কিন্তু এই ম্যাচে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আমেরিকার আবহাওয়া। দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা ধরে। ১৫ মিনিটের বিরতি বেড়ে হল ১৩১ মিনিটের। ফলে যে খেলা ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ শেষ হয়ে যাওয়া উচিত তা শেষ হল প্রায় সাড়ে ৬টায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দীর্ঘতম ম্যাচ। ফিলাডেলফিয়াতে যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে তা আগেই জানা গিয়েছিল। বিরতির সময়েই জানা যায়, স্টেডিয়ামের কাছাকাছি ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে স্টেডিয়ামেও তা শুরু হয়। দর্শকেরা গ্যালারির ভিতরের দিকে আশ্রয় নেন। প্রবল বৃষ্টি দেখে এক এক সময় মনে হচ্ছিল, আদৌ খেলা শুরু করা যাবে তো। আমেরিকায় এই দৃশ্য মাঝেমাঝেই দেখা যায়। ফলে সেখানকার ফুটবল স্টেডিয়ামের নিকাশি ব্যবস্থা সে ভাবেই করা। বৃষ্টি থামলে দ্রুত খেলা শুরু করা যায়।

    এমবাপের ঝড়

    ঝড়বৃষ্টির আগে ও পরে দু’বার ঝড় তুললেন এমবাপেও। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরাল শটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে। তাঁর শটের কোনও জবাব গোলরক্ষকের কাছে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হওয়ার পর আবার গোল করেন এমবাপে। সেই সঙ্গে ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে টপকে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন ক্লোজ়েকে। পরের ম্যাচে একটি গোল করলে মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে একই বিশ্বকাপে ক্লোজ়েকে ছাপিয়ে যাবেন তিনি। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে হবেন দ্বিতীয় সর্বাধিক গোলদাতা। ফ্রান্সের হয়ে ৬৬ মিনিটে দলের তৃতীয় গোল করেন উসমান দেম্বেলে। এই জয়ের পর ফ্রান্সের পয়েন্ট দুই ম্যাচ ৬।

  • UEFA Euro 2024: ইউরোর শেষ আটে মুখোমুখি ফ্রান্স-পর্তুগাল, নিজের গোলেই বল জড়াল বেলজিয়াম

    UEFA Euro 2024: ইউরোর শেষ আটে মুখোমুখি ফ্রান্স-পর্তুগাল, নিজের গোলেই বল জড়াল বেলজিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও রকমে জিতে ইউরোর (UEFA Euro 2024) শেষ আটে ফ্রান্স ও পর্তুগাল। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল বেলজিয়ামকে। ফ্রান্সের বিপক্ষে ভারটঙ্গানের আত্মঘাতী গোলেই ইউরো কাপ থেকে বিদায় নিল ফিফা ক্রমতালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা বেলজিয়াম। অন্যদিকে টাইব্রেকারে স্লোভেনিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল পর্তুগাল। সোমবার ফ্রাঙ্কফুর্টে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর (Cristiano Ronaldo) কান্না-হাসির রাতে পর্তুগালের সম্মান বাঁচালেন গোলকিপার দিয়োগো কোস্তা। কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে খেলবে পর্তুগাল।

    লুকাকু-এম বাপে লড়াই (UEFA Euro 2024)

    এদিন শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। এই ম্যাচেও ফেস গার্ড পরে খেলতে নামেন এমবাপে। তবে আগের ম্যাচের থেকে এই ম্যাচে ফেস গার্ড অন্য রকম ছিল। তাঁকে বাঁ প্রান্তে খেলাচ্ছিলেন কোচ দিদিয়ের দেশঁ। তাঁর উপরই ছিল গোল করার দায়িত্ব। বেলজিয়ামের ভরসা ছিল লুকাকু। ২৩ মিনিটে দ্য ব্রুইনের ফ্রিকিক বার করতে গিয়ে চাপে পড়ে যান ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান। বলের ড্রপ তাঁর সামনে পড়ায় থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কোনও রকমে পা দিয়ে বল বার করেন। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই একই খেলা। ৭০ মিনিটের মাথায় ভাল সুযোগ পায় বেলজিয়াম। মাঙ্গালার পাস ধরে লুকাকুকে বল দেন দ্য ব্রুইন। বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ে জোরালো শট মারেন বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার। শরীর ছুড়ে বল বাঁচিয়ে দেন মাইগনান। ৮২ মিনিটের মাথায় আবার ফ্রান্সের পতন রোধ করেন মাইগনান। এ বার দ্য ব্রুইনের শট বাঁচান তিনি। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় বেলজিয়ামকে। খেলার ৮৫ মিনিটের মাথায় বেলজিয়ামের ফুটবলারের করা আত্মঘাতী গোলে শেষ আটে চলে যায় ফ্রান্স।

    গোল মিস করে কাঁদলেন রোনাল্ডো (UEFA Euro 2024)

    এদিন পর্তুগাল-স্লোভেনিয়া ম্যাচে  নির্ধারিত সময়ে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। টাইব্রেকারে রোনাল্ডোর (Cristiano Ronaldo) দল জিতল ৩-০ ব্যবধানে। রোনাল্ডো ছাড়াও টাইব্রেকারে গোল করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস এবং বের্নার্দো সিলভা। এই ম্যাচে  চারটি ফ্রিকিক পেয়েছিল পর্তুগাল।  কোনওটিতেই গোল করতে পারলেন না রোনাল্ডো। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টি মিস্‌ করে কাঁদলেন। তবে টাইব্রেকারে গোল করে শেষ পর্যন্ত রোনাল্ডোর মুখে একটু হলেও হাসি ফিরল। সেই হাসি আরও চওড়া করে দিলেন কোস্তা। টাইব্রেকারে স্লোভেনিয়ার প্রথম তিনটি শটই বাঁচিয়ে দিলেন তিনি।

    ইউরোর শেষ আট

    ইউরো (UEFA Euro 2024) কাপ ফুটবলে আজ চূড়ান্ত হয়ে যাবে কোয়ার্টার ফাইনাল লাইন-আপ। ছ’টি দল ইতিমধ্যেই শেষ আটে উঠে গিয়েছে। আজ শেষ দু’টি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি নেদারল্যান্ডস ও রোমানিয়া। এই ম্যাচ রাত সাড়ে ৯টা থেকে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা থেকে লড়াই অস্ট্রিয়া বনাম তুরস্কের। 

    কোয়ার্টার ফাইনালের বাকি ছয় দল

    ইংল্যান্ড বনাম সুইৎজারল্যান্ড
    স্পেন বনাম জার্মানি
    পর্তুগাল বনাম ফ্রান্স

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share