Tag: france

france

  • Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্লোভাকিয়ায় নরেন্দ্র মোদি, ঐতিহাসিক সফরে নজরে একাধিক কর্মসূচি

    Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্লোভাকিয়ায় নরেন্দ্র মোদি, ঐতিহাসিক সফরে নজরে একাধিক কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দেশের ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে স্লোভাকিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা লাভের পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন (Bratislava Visit)। তাঁর এই সফর ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (Narendra Modi)

    দু’দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে মোদি রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলিগ্রিনি (Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Robert Fico)-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এর পাশাপাশি মোদি স্লোভাকিয়ার শীর্ষ শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। স্লোভাকিয়ায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে জানান, এই সফর ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করবে, তৈরি করবে নয়া সহযোগিতার ক্ষেত্র। তিনি প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি ও প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠকের আশাও ব্যক্ত করেন।

    ঐতিহাসিক সফর

    এর আগে ফ্রান্স সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে অংশ নেন নিস শহরে আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস’ অনুষ্ঠানে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানাঁর (Juraj Blanár) স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদিকে স্বাগত জানানো বন্দেমাতরম গানে।  তাঁকে স্লোভাকিয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘ব্রেড অ্যান্ড সল্ট’ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। এটি দেশটির আতিথেয়তা, সম্মান ও শুভেচ্ছার প্রতীক। সফরের আগে মোদি একে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত ও স্লোভাকিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যে গতিতে এগিয়েছে, এই সফর তারই (Narendra Modi) ধারাবাহিকতা। তাঁর আশা, স্লোভাক নেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

    আলোচনার সম্ভাব্য বিষয়

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরের আগে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্লোভাকিয়া সফর করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিতে প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনিও ভারতে এসেছিলেন (Bratislava Visit)। ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল উৎপাদন, রেলওয়ে নির্মাণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হিসেবে স্লোভাকিয়ার মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করার দিকেও নজর দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন মোদি

    স্লোভাকিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ১৬-১৭ জুন ফ্রান্সের আভিয়োঁ-তে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সেখানে জি৭ সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এআই-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে আলোচনা করবেন। একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ইউরোপ সফরের শেষ পর্যায়ে ১৮ জুন প্রধানমন্ত্রী প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের অন্যতম (Narendra Modi) বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক ২০২৬’-এ অংশ নেবেন, যেখানে (Bratislava Visit) উপস্থিত থাকবেন ফরাসি প্রেসিডেন্টও।

  • PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    PM Modi: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে তরুণ উদ্ভাবকদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী, জোর দিলেন ভারত-ফ্রান্স প্রযুক্তি অংশীদারিত্বেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের (France) নিস শহরে অনুষ্ঠিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর মঞ্চে দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের ভূয়সী প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মুখে। তিনি জানান, আধুনিক যুগে উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরার জন্য ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। চলতি বছর শুরু হওয়া ‘ইন্ডিয়া-ফ্রান্স ইয়ার অব ইনোভেশনে’র ধারাবাহিকতায় ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর সূচনা হয়েছে।” অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর উপস্থিতির জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তার উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসী ও উদ্যমী নয়া  ভারতের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তাঁর কথায়, “বর্তমান ভারত শুধু প্রযুক্তিগত সমাধানের ভোক্তা নয়, বরং বিশ্বকে নতুন সমাধান উপহার দেওয়ার অন্যতম অংশীদার। কেউ এআই (AI) ব্যবহার করে গ্রামীণ ভারতের উন্নয়নে কাজ করছেন, আবার কেউ স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের সাহায্য করছেন।

    টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে এবং বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন করছে। একই সঙ্গে টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং বিশ্বকল্যাণে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করাই দেশের লক্ষ্য।” তিনি জানান, একবিংশ শতাব্দীতে ভারত বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের হাত ধরে দেশ এখন স্টার্টআপ বিপ্লবের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ভারতীয় যুবক-যুবতীরা মানবকল্যাণে জটিল সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করছেন, যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে। তাঁর মতে, ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ সেই বিশ্বমানের উদ্ভাবনগুলিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যাঁরা

    প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স সফরের সূচনা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। সফরের অংশ হিসেবে তিনি এভিয়াঁ এবং প্যারিসেও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন, যার লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করা (PM Modi)। ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, ১৫টির মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মের প্রতিনিধি, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। অনুষ্ঠানে অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের ডিপ টেক ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে বিশ্ববাজারের সামনে তুলে ধরাই এই (France) অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিপ টেক, গবেষণা ও উন্নয়ন, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ এবং সীমান্ত-পার বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের (PM Modi)।

     

  • PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    PM Modi: আগামী মাসেই ফ্রান্সে মুখোমুখি মোদি-ট্রাম্প! কী নিয়ে হতে পারে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তারপর থেকে আর বড় কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (G7 Summit) মুখোমুখি হওয়া হয়নি দুই রাষ্ট্রনেতার। এবার হবে। জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেই ফের মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই ‘মহান বন্ধু’। ট্রাম্পের অপ্রত্যাশিত রাজনৈতিক স্টাইলের কারণে একটি ছোট্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এতে কি আর ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যিক টানাপোড়েন কমবে? উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে জুন পর্যন্ত।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলন (PM Modi)

    ভারত জি৭-এর স্থায়ী সদস্য নয়। তবে বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে নিয়মিত যোগ দেয় এই সম্মেলনে। এ বছর ওই সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ স্বয়ং আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-ব্যাঁ (Evian-les-Bains) ১৫-১৭ জুন হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার পর ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি ও ট্রাম্প। শুল্ক উত্তেজনার পটভূমিতে অনুষ্ঠিত সেই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ট্রাম্প মোদিকে ‘মহান বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছনোর অঙ্গীকারও করেছিলেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা।

    নোবেল পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্পের দাবি

    যদিও গত বছরের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রত্যাশী ট্রাম্প হঠাৎই দাবি করতে থাকেন, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি হয়েছে তাঁরই মধ্যস্থতায়। এর পর থেকে ট্রাম্প যেখানেই গিয়েছেন, সেখানেই বলে বেড়িয়েছেন, তাঁরই বাণিজ্যিক চাপের কারণে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পুরোপুরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ট্রাম্পের এহেন ঘোষণায় খুব খুশি হয়েছিল শাহবাজ শরিফের দেশ। তবে পাকিস্তান ট্রাম্পের প্রশংসা করলেও, ভারত এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাফ জানিয়ে দেন, যুদ্ধবিরতি হয়েছে সরাসরি ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনা করেই, কারও মধ্যস্থতায় নয়। বস্তুত, এর পর থেকেই তলানিতে ঠেকে দুই ‘হুজুরে’র সম্পর্ক (G7 Summit)।

    ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

    গত বছর জুনে কানাডায় হয়েছিল জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে পার্শ্ব বৈঠকে ফের সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল এই দুই নেতার। যদিও ট্রাম্প হঠাৎ করেই সম্মেলন ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাতিল হয়ে যায় প্রস্তাবিত বৈঠক। পরে অবশ্য ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা থেকে ফেরার পথে ওয়াশিংটনে থামার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু মোদির পূর্বনির্ধারিত ক্রোয়েশিয়া সফর থাকায়, সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে ভারত। তবে মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে সরকারি কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভারতের আশঙ্কা ছিল যে ট্রাম্প হয়ত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে মোদিকে নিয়ে একটি ছবি তোলার জন্য চাপ দিতে পারেন। সেই সময় একইসঙ্গে (PM Modi) হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মুনিরকেও।

    ভারতকে শায়েস্তা করার চেষ্টা

    তার পর থেকে সময় যত গড়িয়েছে, ততই অবনতি হয়েছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের। ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ভারতকে শায়েস্তা করতে চেষ্টার কম কসুর করেননি ট্রাম্প। তাঁর সরকার প্রথমে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। রাশিয়ার তেল কেনায় বসানো হয় অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও। ট্রাম্প এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী স্কট বেসেন্ট (Scott Bessent) এবং পিটার নাভারো (Peter Navarro) বারবার অভিযোগ করেন, রাশিয়ার তেল কিনে ঘুরপথে ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে সাহায্য করছে ভারত। এই শুল্ক-চাপ মূলত ভারতকে আমেরিকার দিকে ঝুঁকে থাকা একটি বাণিজ্য চুক্তিতে রাজি করানোর মরিয়া চেষ্টা ছিল বলেই খবর (G7 Summit)।

    সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত

    এই পুরো পর্বটায় কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা নত করেননি ট্রাম্পের চাপের কাছে। শুধু তা-ই নয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শার্ম এল-শেখ এবং কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান (ASEAN) সম্মেলনের মতো বৈশ্বিক অনুষ্ঠানও এড়িয়ে যান। কারণ সেখানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারত ট্রাম্পের। গত সেপ্টেম্বরে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির ইঙ্গিত মেলে। ট্রাম্প জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফের গতি পায় বাণিজ্য আলোচনা। এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছয় দুই দেশ। ভারতের ওপর চাপানো শুল্ক কমিয়ে করা হয় ১৮ শতাংশ। বিভিন্ন সময় ট্রাম্পের করা মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আবারও শোনা কিংবা দেখা যায় পরিচিত বাক্য — “ইন্ডিয়া থেকে আমার বন্ধু” (PM Modi)।

    ট্রাম্পের মুখে মোদি-স্তুতি

    তবে ইরান যুদ্ধ এবং মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিলের রায়ের কারণে আটকে যায় আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি সই। ১৭ এপ্রিল টানা ৪০ মিনিট ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। চলতি বছরে এটি ছিল তাঁদের তৃতীয় ফোনালাপ। যদিও সেই কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি, তবে শোনা যায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন মোদি-ট্রাম্প। ফোনালাপের পর (G7 Summit) সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “ওঁর (মোদির) সঙ্গে আমার খুব ভালো কথা হয়েছে। উনি ভারত থেকে আমার বন্ধু। উনি দারুণ কাজ করছেন।” এই প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে ফের মুখোমুখি হতে পারেন মোদি ও ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্র প্রধানের এই সাক্ষাৎই কেড়ে নিতে পারে তামাম দুনিয়ার নজর (PM Modi)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসি, করমর্দন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের বাইরেও হবে আসল পরীক্ষা — দুই দেশ সাম্প্রতিক বাণিজ্য ও শুল্ক সংক্রান্ত উত্তেজনা কাটিয়ে উঠতে পারে কি না। খুব সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত আলাপও দিকনির্দেশ করে দিতে পারে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায়ের।

     

  • PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৫-১৭ জুন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সেখানে যোগ দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এই কথা জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। আগামী ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি৭ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলির নেতারা এই সম্মেলনে একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন।

    ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    দু’দিনের ফ্রান্স সফরে গিয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ফ্রান্সের ইউরোপ ও বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রী জঁ নোয়েল বারোর। জি৭ বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই ফ্রান্সের এভিয়াঁ শহরে অনুষ্ঠিতব্য জি৭ সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হয়। ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রক যে বিবৃতি পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন দুই দেশের দুই মন্ত্রী জি৭-এর কার্যক্রমে ভারতের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। মনে করা হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়, ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করা এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব বৃদ্ধি

    যদিও ভারত জি৭-এর সদস্য নয়, তবুও দেশের অর্থনৈতিক শক্তি ও কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রায়শই তাকে আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এবারের সম্মেলনেও ভারত বৈশ্বিক অর্থনীতি, সাপ্লাই চেইন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—এই সব বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে যখন একাধিক সংকট—অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সংঘাত এবং জ্বালানি সমস্যা—চলমান, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জি৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারবে এবং বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারবে।

    পশ্চিম এশিয়া ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে জোর

    সম্মেলনের আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে, বলে বিশেষজ্ঞদের মত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারত ও ফ্রান্স উভয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মঞ্চ

    প্রসঙ্গত, জি৭ -এর পুরো কথা হল ‘গ্রুপ অফ সেভেন’। এটি বিশ্বের সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির একটি গোষ্ঠী। এই সাতটি দেশ বছরে একবার মিলিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করে। ১৯৭৩ সালে খনিজ তেলের সংকটের কারণে গোটা বিশ্বে অর্থনীতির চাকা স্লথ হয়ে গিয়েছিল। সেই সংকটের মোকাবিলা করতেই জি৭ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সাতটি দেশ। জি৭ গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন, জাপান, আমেরিকা এবং কানাডা। ভারত এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা অন্য একটি দেশকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। সেই সূত্রেই কয়েক বছর ধরে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়ে আসছে ভারত।

    জি৭ বৈঠকের আলোচ্য বিষয়!

    এই বছর বৈঠকের আলোচ্য বিষয় হল গোটা বিশ্বের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা, পারস্পরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রভৃতি। অর্থনীতি সংক্রান্ত আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে থাকবে জ্বালানি, খনিজ পদার্থের সরবরাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তা। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন এবং লিঙ্গসাম্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এবারের জি৭ বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে, এই বৈঠকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হবে, বলে অনুমান। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য এই গোষ্ঠীর জন্ম হলেও জি৭ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে একাধিকবার সমালোচনারও শিকার হয়েছে গোষ্ঠীটি। এর মূল কারণ হল জিডিপি হ্রাস। বিগত বেশ কিছু বছরে সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত জিডিপি হ্রাস পয়েছে। ফলে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হল চিন। তিন নম্বর স্থানে রয়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে, জাপানকে কড়া টক্কর দিয়ে চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে ভারত। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই তিন দেশই জি৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়।

  • Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    Critical Minerals Deals: বিরল খনিজের জোগান নিশ্চিত করতে বহু দেশের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন। তাই ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে যৌথভাবে অনুসন্ধান, উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারের চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India) করছে ভারত (Critical Minerals Deals)। খনন বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বহু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহে আধিপত্য এবং উন্নত খনন ও প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির কারণে চির-প্রতিদ্বন্দ্বী চিনের ওপর ভারতের অতিরিক্ত নির্ভরতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই পরিস্থিতি কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভারতের জ্বালানি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    কোন কোন দেশের সঙ্গে আলোচনা (Critical Minerals Deals)

    তবে আবিষ্কার থেকে উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছতে খনিশিল্পে সময় লাগে বিস্তর। শুধু অনুসন্ধান কাজই পাঁচ থেকে সাত বছর পর্যন্ত চলে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তা খনি প্রতিষ্ঠায় গিয়ে শেষ হয় না। সূত্রের খবর, “অনুরোধ এসেছে এবং আমরা ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা করছি। অন্যদিকে কানাডার সঙ্গে চুক্তিটি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।” সূত্রের মতে, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারতের খনিমন্ত্রক। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চের শুরুতে ভারত সফর করতে পারেন এবং ইউরেনিয়াম, জ্বালানি, খনিজ এবং এআই সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কানাডার প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ জানুয়ারি মাসে এক বিবৃতির দিকে ইঙ্গিত করে জানিয়েছে, উভয় পক্ষ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে সহযোগিতা করার বিষয়ে রাজি হয়েছে (India)।

    মন্তব্য করেনি কোনও দেশই

    নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের দূতাবাস, ভারতের খনিমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রক সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। নেদারল্যান্ডসের দূতাবাসের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মন্তব্য করতে চায়নি ফ্রান্সের দূতাবাসও। ভারত বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সন্ধান জোরদার করেছে এবং ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পেরু ও চিলির সঙ্গে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে, যার আওতায় গুরুত্বপূর্ণ খনিজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে (Critical Minerals Deals)। ভারতের এই আন্তর্জাতিক তৎপরতা এমন একটা সময়ে বাড়ছে, যখন গত মাসে ওয়াশিংটনে জি-৭ ও অন্যান্য বড় অর্থনীতির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে চিন থেকে ‘রেয়ার আর্থ’ নির্ভরতা কমানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India)। ২০২৩ সালে ভারত লিথিয়াম-সহ ২০টির বেশি খনিজকে “গুরুত্বপূর্ণ” বলে চিহ্নিত করেছে, যা তার জ্বালানি রূপান্তর এবং শিল্প ও পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য অপরিহার্য (Critical Minerals Deals)।

     

  • China: চিনা যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে রাফাল-এর বদনাম করছে বেজিং! বড় দাবি ফরাসি গোয়েন্দাদের

    China: চিনা যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে রাফাল-এর বদনাম করছে বেজিং! বড় দাবি ফরাসি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পাকিস্তানের ৮১ শতাংশ মিলিটারি হার্ডওয়্যার চিন থেকে আসে। অস্ত্রও চিনের (China)। চিন তার অস্ত্রগুলো পাকিস্তানের মাধ্যমে কার্যত পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছে।’ অপারেশন সিঁদুরের পর পরই একটি অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেছিলেন জেনারেল রাহুল আর সিং। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে পাকিস্তান ও পাক অধ্যুষিত ভারতের জঙ্গিঘাঁটিগুলিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় নয়াদিল্লি। তখন বন্ধু দেশ পাকিস্তানকে নানাভাবে সাহায্য করেছিল বেজিং।

    ভারতের বিক্রমের কাছে ধরাশায়ী পাকিস্তান (China)

    তার পরেও ভারতের বিক্রমের কাছে ধরাশায়ী হয় শাহবাজ শরিফের দেশ। প্রশ্নের মুখে পড়ে চিনের অস্ত্রশস্ত্রের কার্যকারিতা। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের গাথা (Rafale Fighter Jet)। ভারতের এই অপারেশনে রাফাল যুদ্ধবিমানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর পর বিশ্বের অনেক দেশই রাফাল কেনায় আগ্রহ দেখায়। এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখে চিন। রাফালের ক্ষমতা খাটো করতে বিশ্বজুড়ে প্রচার করে চলেছে চিন। অন্তত এমনই অভিযোগ ফরাসি গোয়েন্দা দফতরের। ফরাসি গোয়েন্দা বিভাগের নাম ডিজিএসই। এদের রিপোর্টেই বলা হয়েছে, চিন তার বিভিন্ন দেশে অবস্থিত দূতাবাসকে ব্যবহার করে ফ্রান্সে নির্মিত রাফাল যুদ্ধ বিমান বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে। কেন চিন বদনাম করছে রাফালের? এরও উত্তর রয়েছে ফরাসি গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে।

    চিনা যুদ্ধবিমানের বিক্রি বাড়ানোর কৌশল

    গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিন তাদের দেশে তৈরি যুদ্ধবিমানের বিক্রি বাড়াতে ফ্রান্সে তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। রাফালের বদনাম করতেই চিন তার দূতাবাসগুলিকে ব্যবহার করে এমন প্রচার চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত, রাফাল-সহ বহু ভারী অস্ত্রশস্ত্রের বিক্রি, ভালো ব্যবসা আনে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা বিষয়ক ইন্ডিস্ট্রিতে। একই সঙ্গে এই রাফালের সূত্রেই ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। ভারত তো বটেই, বিশ্বের বহু দেশই ফ্রান্সে তৈরি রাফাল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। ফ্রান্সের সেই বাজারেই এবার থাবা বসাতে চাইছে ড্রাগন।

    গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি

    ফ্রান্সের গোয়েন্দা আধিকারিকদের বক্তব্য তুলে ধরে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান ভারতের রাফাল (Rafale Fighter Jet) যুদ্ধবিমান নামিয়ে দিয়েছে বলে যে দাবি করেছে, সেটা সামনে রেখেই বহু দেশ ফ্রান্সে তৈরি এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ, এর নেপথ্যে রয়েছে চিনা (China) কৌশল। যদিও রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে পাকিস্তানের দাবিতে শিলমোহর দেয়নি ভারত। অপারেশন সিঁদুর শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এয়ার মার্শাল একে ভারতী রাফাল ভূপাতিত হওয়ার খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ক্ষয়ক্ষতি যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতিরই অংশ”। তাঁর এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, তিনি পাকিস্তানের দাবি নিশ্চিত করেননি, আবার অস্বীকারও করেননি।

    ফের রাফাল কিনছে ভারত

    ফ্রান্সের কাছ থেকে আগে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনেছিল ভারত। ২০২৬ সালের চুক্তিতে ভারতে আসা সেই যুদ্ধবিমানগুলিই অপারেশন সিঁদুরের সময় ব্যবহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা। সম্প্রতি ফের ৬৩ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ফ্রান্সের কাছ থেকে আরও ২৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান কিনছে ভারত। রাফালের (Rafale Fighter Jet) এই চাহিদা রুখতে মাঠে নেমে পড়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ। ইন্টেলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাফাল যুদ্ধবিমান বিক্রি নিয়ে যে দেশগুলির সঙ্গে ফ্রান্সের কথাবার্তা এগোচ্ছে, সেই দেশগুলিকে রাফাল না কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন চিনের প্রতিনিধিরা। রাফালের পরিবর্তে চিনা যুদ্ধ বিমান কেনার প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে। রাফাল যে কোনও কাজের নয়, তা বোঝাতে চিন ভাঙা যুদ্ধবিমানের ভুয়ো ছবি এবং ভিডিও দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ (China)।

    চিনের দাবি ভুয়ো

    অপারেশন সিঁদুরের সময় তিনটি রাফাল-সহ মোট ছ’টি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছে বলে দাবি করেছিল পাকিস্তান। রাফাল প্রস্তুতকারী সংস্থা ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন অবশ্য পাকিস্তানের ওই দাবি ঠিক নয় বলে জানিয়ে দেয়। সংস্থাটির তরফে এও জানানো হয়, এই বিষয়ে ভারত তাদের কিছুই জানায়নি। তবে তিনটি রাফাল গুলি করে নামানোর দাবি সঠিক নয় বলে জানান সংস্থার সিইও এরিক ট্র্যাপিয়ার। ফ্রান্সের ওই সংস্থার দাবি, পাকিস্তান যে ছবি নিয়ে রাফাল ধ্বংসের কথা বলছে, তা কারসাজি করা দৃশ্য। ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি। আর সেই খবর ছড়াতে হাজারটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়, যা দিয়ে প্রচার করা হয় যে চিনা প্রযুক্তি বেশি উৎকৃষ্ট। ইন্টেল জানিয়েছে, চিনা দূতাবাসের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কর্মীরা অন্যান্য দেশের প্রতিপক্ষ এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসবই (Rafale Fighter Jet) বলে বেড়াচ্ছে। যদিও ফ্রান্সের দাবি অস্বীকার করেছে চিন (China)।

  • India-Cyprus CEO forum: ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব! ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালুর পথে ইউপিআই?

    India-Cyprus CEO forum: ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব! ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালুর পথে ইউপিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালু হতে চলেছে ইউপিআই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) রবিবার ভারত-সাইপ্রাস সিইও ফোরামে (India-Cyprus CEO forum) এই কথা জানান। ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব, অর্থনৈতিক শক্তি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারতের ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) বর্তমানে বিশ্বে ডিজিটাল লেনদেনের ৫০ শতাংশ পরিচালনা করছে। তাঁর কথায়, ভারত যেভাবে প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছে, তা আজ গোটা বিশ্বের কাছে এক উদাহরণ।

    সাইপ্রাসে ইউপিআই

    ইউপিআই শুধু প্রযুক্তির প্রতীক নয়, এটি ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রকাশ। ভারত-সাইপ্রাস সিইও ফোরামে (India-Cyprus CEO forum) প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “ফ্রান্সের মতো অনেক দেশ ইতিমধ্যে ইউপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সাইপ্রাসকেও এতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আলোচনা চলছে। আমি একে স্বাগত জানাই। গত ৬০ বছরে এই প্রথম একই সরকার টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছে। গত ১০ বছরে দেশে এক ডিজিটাল বিপ্লব ঘটেছে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি তার অন্যতম বড় উদাহরণ। আজ বিশ্বের ৫০ শতাংশ ডিজিটাল লেনদেন ভারতে হয় ইউপিআই-এর মাধ্যমে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গত এক দশকে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয়েছে এবং শীঘ্রই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে। আজ ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া উদীয়মান অর্থনীতি।”

    ভবিষ্যতমুখী পরিকাঠামো 

    প্রধানমন্ত্রী ভারতের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, দেশের পরিকাঠামো গঠনে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এবারের বাজেটে চালু হয়েছে নতুন ‘ম্যানুফ্যাকচারিং মিশন’, যার লক্ষ্য হলো ইলেকট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, বায়োটেকনোলজি এবং সবুজ উন্নয়ন খাতে উৎপাদনকে উৎসাহিত করা। মোদি বলেন, “আমরা সামুদ্রিক ও বন্দর উন্নয়নে জোর দিচ্ছি। জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙাড়ি খাতেও নতুন নীতির কথা ভাবা হচ্ছে। অসামরিক বিমান চলাচল খাতেও দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে। উদ্ভাবন ভারতের অর্থনৈতিক শক্তির বড় স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। আমাদের এক লক্ষেরও বেশি স্টার্টআপ শুধু স্বপ্ন নয়, সমাধান বিক্রি করছে।” উল্লেখ্য, রবিবার পাঁচ দিনের ত্রিদেশীয় সফরে রবিবার (১৫ জুন) সাইপ্রাসে (India-Cyprus CEO forum) পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস হয়ে কানাডায় যাবেন তিনি। পরে সেখান থেকে যাবেন দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপীয় রাষ্ট্র ক্রোয়েশিয়ায়। সোমবার সাইপ্রাস থেকেই কানাডার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা মোদির। কানাডায় জি-৭ বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

  • UN Security Council: ভেটো ক্ষমতা সহ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে, চাইছে কুয়েত-ফ্রান্স

    UN Security Council: ভেটো ক্ষমতা সহ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য করা হোক ভারতকে, চাইছে কুয়েত-ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) ‘বিশ্ব মঞ্চে প্রধান খেলোয়াড়’ বলে অভিহিত করলেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত কুয়েতের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং আন্তঃসরকার আলোচনার (আইজিএন) সহ-সভাপতি তারেক আলবানাই। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ লাভের প্রতি সমর্থনও করেছেন তিনি। কাউন্সিলের সম্প্রসারণ হলে ভারতও একটি প্রতিযোগী হবে বলেও জানান তিনি।

    ভারতের পক্ষে সওয়াল কুয়েতের (UN Security Council)

    আলবানাইয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিশ্চিত করতে কী কী প্রয়োজন? তখনই তিনি বলেন, “গত বছর আমি আনন্দিত ছিলাম, কারণ আমি আমার বিশিষ্ট সহ-সভাপতি অ্যাক্সেল মার্চিকের সঙ্গে ভারত সফর করে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করেছি। এই সংস্কার করা পরিষদের লক্ষ্য অবশ্যই প্রতিনিধিত্বমূলক হতে হবে এবং স্পষ্টতই, ভারত আজ বিশ্ব মঞ্চে একটি প্রধান খেলোয়াড়। কিন্তু এটি ১৯৩টি দেশের সদস্য, তাই না?” তিনি বলেন, “তাই নিশ্চিতভাবেই যদি কাউন্সিলের সম্প্রসারণ ২১ থেকে ২৭ সদস্যের মধ্যে যে কোনও স্থানে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে অবশ্যই ভারত এতে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী হবে এবং বৃহত্তর সদস্যপদ সিদ্ধান্তের অধীন হবে।”

    ভারতকে সমর্থন ফ্রান্সেরও

    কুয়েতের পাশাপাশি ভারতকে সমর্থন করেছে ফ্রান্সও। গত ১ এপ্রিল ভারতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাস বলেছিল, ফ্রান্স রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাসিক সভাপতিত্ব গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে ভারতকে স্থায়ী আসন দেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেবে (UN Security Council)। এক্স হ্যান্ডেলে দূতাবাসের তরফে একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, ফ্রান্সের নিরাপত্তা পরিষদের মাসিক সভাপতিত্বের অধীনে এটি বিশ্বশান্তি, নিরাপত্তা এবং মানবিক প্রভাবের ক্ষেত্রগুলিতে আলোচনা পরিচালনা করবে। দূতাবাসের তরফে এও বলা হয়েছে, ফ্রান্স রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও বলবে, যা ভারতকে স্থায়ী আসন দেবে। এক্সের ওপর একটি পোস্টে ভারতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাস জানিয়েছে, “আজ ফ্রান্স রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাসিক সভাপতিত্ব গ্রহণ করছে। এটি মানবিক প্রভাবের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পরিচালনা করবে। আজকে বিশ্বকে প্রতিফলিত করার জন্য ফ্রান্স রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করে যাতে ভারতকে ভেটো ক্ষমতা সহ স্থায়ী আসন দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের সংখ্যা ৫। এই দেশগুলি হল আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং রাশিয়া। চিনের ভেটো প্রয়োগের জেরে বারবার (India) আটকে যাচ্ছে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হওয়া (UN Security Council)।

  • PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বিনিয়োগের এটাই সঠিক সময়। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-র লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। বিশ্বের তাবড় শিল্পোদ্যোগী, বিনিয়োগকারী তথা শিল্প সংস্থাকে ভারতে আসার আহ্বান জানিয়ে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন মোদি। ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে তাঁকে স্বাগত জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। দুই দেশের বড় বড় সংস্থার প্রতিনিধিরা এই ফোরামে অংশ নেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে প্রধানমন্ত্রী (Modi in France) জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। ভারতে বিনিয়োগের জন্য এটাই সবচেয়ে ভাল সময়। তিনি বলেন, “গত এক দশকে ভারতে পরিবর্তন আপনারা লক্ষ করেছেন। বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে।” তাঁর সংযোজন “এখন বিনিয়োগের গন্তব্যস্থল ভারত। আমরা এখন সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম মিশনও শুরু করেছি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।’’

    ভারত-ফ্রান্স গভীর বন্ধুত্ব

    এদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর সঙ্গে এখানে থাকতে পারা আমার কাছে খুবই আনন্দের। গত ২ বছরে এটা আমাদের ষষ্ঠ সাক্ষাৎ। গত বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন ম্যাক্রঁ।” প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, “ভারত ও ফ্রান্স শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দ্বারাই যুক্ত নয় ৷ আমাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি একে অপরের প্রতি গভীর বিশ্বাস, উদ্ভাবন এবং জনকল্যাণ ৷ আমাদের অংশীদারিত্ব শুধুমাত্র দু’টি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় ৷ বিশ্বের নানা সমস্যা, চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় আমরা একে অপরের সহযোগিতা করছি ৷ আমি শেষ বার যখন এখানে এসেছিলাম, তখনই আমাদের অংশীদারিত্ব বিষয়ে ২০৪৭ সালের রোডম্যাপের কথা উল্লেখ করেছিলাম ৷” সফলভাবে এআই অ্যাকশন সম্মেলন আয়োজনের জন্য ম্যাক্রঁকে ধন্যবাদ জানান মোদি। এরপরই এআই, মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আগে ভারতীয় সংস্থাগুলি বিমানের জন্য বাইরে বড় বড় বরাত দিত। এখন আমরা (ভারতে) ১২০টি নতুন বিমানবন্দর খুলতে চলেছি। তা হলে ভাবুন, ওই ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ কতটা সম্ভাবনাময়।’’

  • PM Modi In France: মোদিকে আলিঙ্গন ম্যাক্রঁ-র, প্যারিসে ট্রাম্পের ডেপুটির সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi In France: মোদিকে আলিঙ্গন ম্যাক্রঁ-র, প্যারিসে ট্রাম্পের ডেপুটির সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই বন্ধুর উষ্ণ আলিঙ্গন। প্যারিসে (PM Modi In France) এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে হওয়া সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার ফ্রান্স গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi meets Macron)। তাঁকে আলিঙ্গন করে স্বাগত জানান ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। সেই সাক্ষাতের কথা জানিয়ে মোদি সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্যারিসে বন্ধু তথা প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর সঙ্গে দেখা করে খুশি হয়েছি।’’ পাশাপাশি মোদি লিখেছেন, ‘প্যারিসে অভ্যর্থনা স্মরণীয় হয়ে থাকবে!’ ঠান্ডা উপেক্ষা করে ভারতীয় সম্প্রদায়ের লোকেরা যেভাবে ভালবাসা দেখিয়েছেন তাতে আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ’!

    মোদি-ম্যাক্রঁ সাক্ষাত

    ম্যাক্রঁর আমন্ত্রণে ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন মোদি (PM Modi In France) । আজ, মঙ্গলবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সম্মেলনটি হবে ফ্রান্সে। ২০২৩ সালে এই সম্মেলন শুরু হয় ব্রিটেনে। ২০২৪ সালে এই আসর বসেছিল দক্ষিণ কোরিয়ায়। এ বার আয়োজিত হচ্ছে ফ্রান্সে। সেই সম্মেলনেই থাকবেন মোদি। এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্যই হল এআই প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এআই সম্মেলন ছাড়াও ফ্রান্স সফরে বেশ কয়েকটি উচ্চস্তরের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন মোদি। এ ছাড়াও ম্যাক্রঁর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করার কথা আছে তাঁর। ভারত এবং ফ্রান্সের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত অংশীদারি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কী কী করণীয়, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। বুধবার মোদি এবং ম্যাক্রঁ— দু’জনে মার্সেইতে মাজারগুয়েস যুদ্ধের সমাধিক্ষেত্র পরিদর্শন করবেন। যুদ্ধে শহিদ ভারতীয় সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন মোদি (Modi meets Macron)।

    মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলাপ

    ফ্রান্সের মাটিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মোদি (PM Modi In France) । সোমবার, প্যারিসে বিশ্বনেতাদের নৈশভোজের ফাঁকে দুজনের মধ্যে কথোপকথন হয়। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর পোস্ট করা একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, জেডি ভান্সের সঙ্গে করমর্দন করছেন মোদি। মার্কিন নির্বাচনে রিপালিকানদের জয়ের জন্যে ভান্সকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, ফ্রান্স থেকেই ১২ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

LinkedIn
Share