Tag: Fraud Case

Fraud Case

  • Fraud Case: জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা!

    Fraud Case: জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে থেকে আর্থিক প্রতারণার (Fraud Case) অভিযোগ উঠেছে। নাড্ডার নাম করে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ইতি মধ্যেই দুই প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণার এক বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে। এই নিয়ে জেলার রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Fraud Case)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি জে পি নাড্ডার নাম করে উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক আশোক কীর্তনীয়ার কাছ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা (Fraud Case) নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বনগাঁ সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ ধৃত দুই ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে নাম প্রকাশ করেছেন। একজনের নাম সোনু সিং এবং অপর জনের নাম অর্জুন প্রজাপতি। এই আর্থিক প্রতারণার মূলচক্রী হল সোনু সিং। প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত নানা তথ্য পুলিশ উদ্ধার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    ফোন এসেছিল বিধায়কের কাছে

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাসে জে পি নাড্ডার নাম করে বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়ার কাছে একটি ফোন আসে। এরপর বিধায়ককে বলা হয় রাজস্থানের একটি অনুষ্ঠানের জন্য টাকা প্রয়োজন। তিনি যেন পাঠানো অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপর বিধায়ক টাকা পাঠিয়ে দেন। কিন্তু কয়েকদিন পরেই বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার (Fraud Case) শিকার হয়েছেন। ফলে আর্থিক প্রতারণায় বিধায়কেরাও বাদ পড়ছেন না।

    পুলিশের কাছে অভিযোগ

    মার্চ মাসে ঘটনা ঘটলেও বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া, এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখে বনগাঁ সাইবার থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ এরপর তদন্ত শুরু করে। জানা গিয়েছে, আজ গুজরাটের মরবি থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। আপাতত ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের কথা জানিয়ে বনগাঁ আদলাতে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য এই প্রতারণা সম্পর্কে (Fraud Case) বিজেপি বিধায়কের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তার আবেদনে সাড়া দিল না হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তার আবেদনে সাড়া দিল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রধান অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেব। বুধবার দেবাঞ্জনের আবেদনে কর্ণপাত করল না কলকাতা হাইকোর্ট। দেবাঞ্জনকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উপর ছেড়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    দেবাঞ্জনের দাবি

    বুধবার আদালতে দেবাঞ্জনের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেন, প্রভাবশালীরা এই ঘটনায় যুক্ত। ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ডে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালী যুক্ত। তাঁদের বাঁচাতে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করছে কলকাতা পুলিশ। একই সঙ্গে, দেবাঞ্জনের আইনজীবী দাবি করেন, জামিনে মুক্তির পর তাঁর মক্কেলের নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে। তাই তাঁকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারা দেওয়া হোক। এই ২ দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবাঞ্জন দেব। তবে বিকাশবাবুর সওয়ালে কর্ণপাত করেনি আদালত। মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, ‘অভিযুক্ত কী করে তদন্তে হস্তান্তর চাইতে পারেন? এতদিন পর কেন এই কথা বলা হচ্ছে? মূল অভিযুক্তের অভিযোগকে কেন গুরুত্ব দেবে আদালত?’

    কী বলল আদালত

    প্রসঙ্গত, কোভিড পরিস্থিতিতে ভুয়ো প্রতিষেধক শিবির চালানোর অভিযোগে দেবাঞ্জনকে গ্রেফতার করেছিল কসবা থানার পুলিশ। তিনি সম্প্রতি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। দেবাঞ্জনের অভিযোগ, কলকাতা পুলিশ এই ঘটনার মাথাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা পাশাপাশি, এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দেবাঞ্জন। বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। তাতে বিচারপতির মন্তব্য, “দেবাঞ্জন দেব নিশ্চই প্রভাবশালী ছিলেন। সেই কারণেই তিনি ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্যাম্প বা অন্য কর্মসূচি করতে পারতেন। কিন্তু তার মানে এই নয়, যে যাঁদের নামে অভিযোগ করছেন, তাঁদের প্রত্যক্ষ মদতে তিনি এসব কাজ করছেন।”

    আরও পড়ুন: এসএসসি-র অবস্থান স্পষ্ট নয়! কেন ৫ হাজার জনের চাকরি বাতিল? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    এদিন সওয়াল জবাবের পর বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘এখনও তদন্ত হচ্ছে। এই নথি থেকে এখনও অন্য কারও যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। আরও খতিয়ে দেখতে হবে।’ বিচারপতি সেনগুপ্তর নির্দেশ, ‘আদালত তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়ার কোনও নির্দেশ দিচ্ছে না। তবে তিনি প্রয়োজন হলে পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে পারবেন। রাজ্য ও কেন্দ্র দ্রুত তাঁর আবেদন বিবেচনা করবে।’ এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ জানুয়ারি দুপুর তিনটের সময়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nusrat Jahan: “প্রতারণার টাকা সাইফন হয়েছে দফায় দফায়, সেই টাকায়ই ফ্ল্যাট নুসরতের”, দাবি বিজেপির

    Nusrat Jahan: “প্রতারণার টাকা সাইফন হয়েছে দফায় দফায়, সেই টাকায়ই ফ্ল্যাট নুসরতের”, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ খারিজ করতে আজ, বুধবার ডেকেছিলেন সাংবাদিক বৈঠক। সাংবাদিকরা আগেভাগে হাজির হলেও, তৃণমূলের (TMC) নায়িকা সাংসদ নুসরত জাহান (Nusrat Jahan) এলেন নির্ধারিত সময়ের প্রায় পঁচিশ মিনিট পরে। নুসরতের উদ্দেশে প্রশ্নবাণ ধেয়ে আসতেই খানিক পরে মেজাজ হারান বসিরহাটের সাংসদ। সাংবাদিক বৈঠক মাঝপথে ফেলেই বেরিয়ে গেলেন। তার আগে অবশ্য তৃণমূল নেত্রী বললেন, “ঋণ নিয়েছিলাম, সুদ সহ ফেরত দিয়েছি।”

    নুসরতের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা নিয়েও ফ্ল্যাট না দিয়ে, ওই টাকায় নিজের নামে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ উঠেছে নুসরতের বিরুদ্ধে। তার জেরে অভিযোগকারীদের নিয়ে ইডির দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। এরই জবাব দিতে এদিন সাংবাদিক বৈঠক নুসরতের। তৃণমূল নেত্রী (Nusrat Jahan) অভিযোগ অস্বীকার করলে কী হবে, চেক নম্বর দিয়ে শঙ্কুদেবের দাবি, “প্রতারণার টাকা সাইফন হয়েছে, দফায় দফায়। সেই টাকায়ই ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরত। ফ্ল্যাটের দলিলে কবে, কত টাকা নিয়েছেন, তাও জানিয়েছেন নুসরত।” নুসরতের গ্রেফতারির দাবিও জানিয়েছে পদ্ম শিবির।

    প্রতারণার নয়া ছক

    বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, “এটাই প্রতারণার নয়া ছক। টাকা তুলব, সংস্থা থেকে ইস্তফা দেব, এভাবেই প্রতারণা।” বিজেপির প্রশ্ন, “অভিযোগ মিথ্যে হলে কেন আদালতে যাচ্ছেন না বসিরহাটের সাংসদ?” বিজেপির অভিযোগ, “ নুসরতের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে, অথচ তাঁকে আড়াল করছে পুলিশ। এখন বলছেন ঋণ নিয়েছেন! নিজের সংস্থা থেকে নিজেই ঋণ নিয়েছেন! মামলা না করার জন্য অভিযোগকারীদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে কেন? কেন নথি দেখাতে পারলেন না?  কে ঋণ মঞ্জুর করল?  কোথায় সিদ্ধান্ত হয়েছে?”  

    আরও পড়ুুন: জাল নথি দিয়ে সেনায় চাকরি! পাক নাগরিক নিয়োগ মামলায় তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    নুসরত (Nusrat Jahan) প্রভাবশালী বলেই অভিযোগকারীরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না  বলে অভিযোগ। শঙ্কুদেবের অভিযোগ, “দফায় দফায় ৫ লক্ষ, ১১ লক্ষ, ২৫ লক্ষ, ২৫ লক্ষ, ২৫ লক্ষ, ২৫ লক্ষ, ২০ লক্ষ, ৩৭ লক্ষ টাকা নিয়েছেন নুসরত। ১ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার ট্রানজাকশন হয়েছে। অথচ বলছেন ১ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছেন! কীভাবে?” বিজেপির দাবি, বকলমে সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nusrat Jahan: ২৪ কোটির প্রতারণা! বয়স্কদের ঠকিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরত? ‘কীর্তি’ জানত পুলিশও

    Nusrat Jahan: ২৪ কোটির প্রতারণা! বয়স্কদের ঠকিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছেন নুসরত? ‘কীর্তি’ জানত পুলিশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে ইডির দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা। অভিযোগ, বেশ কয়েকজন বয়স্ক লোককে ফ্ল্যাট দেবেন বলে টাকা নিয়েছিলেন নুসরত জাহানের সংস্থা। কিন্তু ফ্ল্যাট মেলেনি। ইডির কাছে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছেন প্রতারিত ব্যক্তিরা।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    মঙ্গলবার, এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিরাট দুর্নীতি। ওই বয়স্ক লোকরা আমার কাছে এসেছিলেন। সরাসরি দুর্নীতির সঙ্গে ওই সাংসদ যুক্ত। ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা একটা ফ্ল্যাটও কিনেছেন, বয়স্ক লোকগুলোর টাকা ডাইভার্ট করে। সব নথি আমাদের কাছে রয়েছে।” বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করে এ-ও বলেন, ‘‘বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ সরাসরি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।’’ তাঁর কথায়, ‘‘প্রবীণ মানুষদের টাকা নিয়ে সাংসদ নিজে এক কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি ফ্ল্যাট কিনে নিয়েছেন।’’ শুভেন্দুর আরও দাবি, অভিযোগের সারবত্তা রয়েছে। সমস্ত তথ্য তাঁর এবং তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও বিধানসভায় বলেছেন বিরোধী দলনেতা। 

    নুসরতের বিরুদ্ধে প্রতারণার দায়

    শঙ্কুদেব ইডিকে জানিয়েছেন, গড়িয়াহাট রোডের একটি সংস্থায় যৌথ ডিরেক্টর পদে রয়েছেন নুসরত। ওই সংস্থা ২০১৪ সালে মোট ৪২৯ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল। ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রাজারহাটে হিডকোর দফতরের কাছে তাঁদের প্রত্যেককে ৩ কামরার (৩ বিএইচকে) ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। তিন বছরের মধ্যে ওই ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালেও তাঁরা কোনও ফ্ল্যাট পাননি বলে ইডির কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন শঙ্কু। 

    ইডির দ্বারস্থ প্রতারিতেরা

    যে নাগরিকেরা ইডি-র কাছে গিয়েছিলেন, তাঁরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়েছেন, নুসরতের সঙ্গে ওই সংস্থার যৌথ ডিরেক্টর রাকেশ সিংহ নামের এক ব্যক্তি। ফ্ল্যাট পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনিই দিয়েছিলেন। প্রতারিতেরা গড়িয়াহাট থানায় এফআইআর-ও দায়ের করেছেন। শঙ্কুর দাবি, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সমস্ত নথিপত্র নিয়ে ইডি অফিসে গিয়ে গতকাল অভিযোগ জানিয়েছি। নুসরতের লোকজন ওই সংস্থার মাধ্যমে টাকা তুলছে। অবিলম্বে এটা আটকানো দরকার। কিন্তু পুলিশ কিছু করছে না।’’

    আরও পড়ুুন: প্রচারের হাতিয়ার স্থানীয় বিষয়, তৃণমূলের দুর্নীতি, রাজ্য বিজেপি নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ মোদির

    পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ

    প্রতারিতদের অভিযোগ,  নুসরতের এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিল রাজ্য প্রশাসনও। এমনকি নুসরতের বিরদ্ধে তদন্তে নেমে অভিযোগের সত্যতাও খুঁজে পেয়েছে কলকাতা পুলিশ। তারপরও নেওয়া হয়নি কোনও ব্যবস্থা।প্রতারিতদের অভিযোগ, তাঁরা প্রথমেই গড়িয়াহাট থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁদের অভিযোগ নেওয়াই হয়নি। পরে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হন। জানা যাচ্ছে, আদালতের নির্দেশে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) গড়িয়াহাট থানাকে দিয়ে আর্থিক প্রতারণার মামলার প্রাথমিক অনুসন্ধান করিয়েছিলেন। অভিযোগ গ্রহণ করতে বাধ্য হয় গড়িয়াহাট থানা। অনুসন্ধান রিপোর্ট গত ৩০ জানুয়ারি আদালতে জমা পড়ে। সেই রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রতারিত ব্যাঙ্ক কর্মীদের অভিযোগের সত্যতা হয়েছে। তা-ও কোনও পদক্ষেপ না করা হলে প্রতারিতরা সোমবারই নুসরতের বিরুদ্ধে ইডি-র কাছে অভিযোগ দায়ের করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share