Tag: Free and Fair Elections

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার এই দাবি জানানো হয় পদ্মশিবিরের তরফে। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” আখ্যা দিয়েছিলেন। গৈরিক শিবিরের দাবি, কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর এবং আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP)

    নির্বাচনী সংস্থার কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিজেপি লিখেছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে একটি সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।”  বিজেপির যুক্তি, এই ধরনের মন্তব্য চরম ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং এমসিসি অনুযায়ী নির্ধারিত প্রচারের শালীনতার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে, যা বর্তমানে ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে কার্যকর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আক্রমণ

    এর আগেও খাড়গে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোটের সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলিকে ভীত করছেন। তিনি আক্ষরিক অর্থে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলেননি (BJP)।

    ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

    এরপরেই বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচ দফা দাবি-সহ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। পদ্ম-শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে “এই মন্তব্য এমসিসি লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে” এবং খাড়গেকে “সর্বসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা বা বক্তব্য প্রত্যাহার” করার নির্দেশ দিতে, নচেৎ তাঁর প্রচার কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। বিজেপি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের সাফ কথা, “একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা শুধু নীতিগত সমালোচনা নয়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।”

    কমিশনের কাছে বিজেপির অনুরোধ

    বিজেপির আরও অনুরোধ, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন বিষয়বস্তু সরিয়ে নিতে বলে (BJP)। কমিশনের কাছে তাদের অনুরোধ, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ, বিষয়ভিত্তিক প্রচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।” চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের মান কমিয়ে দেয়, উত্তেজনা বাড়ায় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে দুর্বল করে।” পদ্ম শিবিরের আরও দাবি, “ভোটারদের সামনে কোনও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা ভয়, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত অপমানের মাধ্যমে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা (BJP)।” এই অভিযোগটি তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই করা হয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  • WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    WB Assembly Election 2026: কলকাতায় ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সিএপিএফের মুখ্য আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (WB Assembly Election 2026)। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। দু’দফার এই নির্বাচন বিঘ্নহীন (CAPF Chiefs Meet) করতে মরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পর্বে বাংলায় প্রায় ২ লাখ নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন ও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPFs)-এর সমস্ত প্রধানরা কলকাতায় এক ‘অভূতপূর্ব’ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।

    গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন (WB Assembly Election 2026)

    শনিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর সল্টলেকে সিআরপিএফ কার্যালয়ে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলন হয়। সেখানে সিএপিএফের ডিরেক্টর জেনারেলরা এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা একত্রে সিদ্ধান্ত নেন যে, সম্ভাব্য বিঘ্নকারীদের মোকাবিলায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি ‘সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ গড়ে তোলা হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি—এই পাঁচটি সিএপিএফ ছাড়াও ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটালিয়ন (IRBs) এবং অন্যান্য রাজ্য পুলিশের সহায়ক বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    সিএপিএফের বক্তব্য

    সিএপিএফের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “এটি একটি অভূতপূর্ব বৈঠক।  কারণ এর আগে কোনও রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন সব সিএপিএফ প্রধানদের একসঙ্গে বৈঠক হয়নি। তাঁরা গত কয়েকদিন ধরে নিজেদের এবং যৌথ বাহিনীর নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিটগুলিও পরিদর্শন করেছেন।” তামিলনাড়ুতেও বিধানসভার নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, এক দফায়। সেখানে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও যৌথ বৈঠক হয়নি বলেই খবর। রবিবার এক বিবৃতিতে সিআইএসএফের তরফে জানানো হয়, “ভারতের কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব ১৮ এপ্রিল কলকাতায় একত্রিত হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি ও সমন্বয় প্রদর্শন করেছে (CAPF Chiefs Meet)।”

    বৈঠকের উদ্দেশ্য

    এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর জন্য একটি শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত করা (WB Assembly Election 2026)। এরপর অনুষ্ঠিত যৌথ নেতৃত্ব সম্মেলনে সিএপিএফ প্রধানরা, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত পুলিশ উপদেষ্টা ও পর্যবেক্ষকরা বিশেষ করে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তাঁরা কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন এবং অ্যান্টি-স্যাবোটাজ তল্লাশি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন, যাতে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্ভাব্য বিঘ্ন মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমস্ত বাহিনীর মূল লক্ষ্য হল একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে প্রত্যেক নাগরিক ভয় বা চাপ ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

    সিআইএসএফের ডিজির বক্তব্য

    সিআইএসএফের ডিজি প্রবীর রঞ্জন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আমাদের মিশন শুধুমাত্র নিরাপত্তা নয়, এটি গণতন্ত্রের পবিত্রতা রক্ষা করার দায়িত্ব।” তিনি এও বলেন, “মাঠে থাকা কর্মীদের জন্য আমার বার্তা স্পষ্ট – আপনারা গণতন্ত্রের রক্ষক। আমাদের আলাদা ইউনিট হিসেবে (CAPF Chiefs Meet) নয়, বরং একত্রে একটি শক্তিশালী, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ নির্বাচন বাহিনী হিসেবে কাজ করতে হবে (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (EC)। তার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া সতর্কবার্তা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ (Violence Less Vote) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন নির্বাচন হতে হবে সম্পূর্ণভাবে অবাধ এবং সুষ্ঠু। কমিশন এও জানিয়েছে, কোনও ধরনের নির্বাচনী অনিয়ম—যেমন বুথ দখল, বুথ জ্যামিং, এবং ‘সোর্স জ্যামিং’ (অর্থাৎ ভোটারদের সংগঠিত হওয়া বা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছনোয় বাধা)—সহ্য করা হবে না। নির্বাচন হতে হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত এবং কোনও প্রলোভন বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

    ভয়মুক্ত ভোটের বার্তা কমিশনের (EC)

    এক্স হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশন লিখেছে, “এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন অবশ্যই হবে—ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত এবং কোনও রেড, বুথ জ্যামিং বা সোর্স জ্যামিং ছাড়াই।” কমিশনের এহেন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন দলের নেতারা। তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র এই সতর্কবার্তাকে একপ্রকার আল্টিমেটাম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তৃণমূলের আর এক সাংসদ সাকেত গোখলে মুণ্ডপাত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জানতে চান, একই ভাষা কি বিজেপির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হবে?

    পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো

    পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো। বাম জমানা তো বটেই, তৃণমূলের আমলেও নানা স্তরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রের উৎসব শেষ হয়েছে শোকের আবহে। তাই কমিশনের এই সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে (ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল) ১,৩০০-এরও বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ২৫ জনের। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিলেন। এনিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছিল অভিযোগ (Violence Less Vote)। বস্তুত, গত দু’দশক ধরে নির্বাচনী সংঘর্ষ ও ভীতি প্রদর্শন এ রাজ্যে একটি বড় সমস্যা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (EC)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    অগ্নিপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে দু’দফায়—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা কড়া হওয়ায়, আসন্ন  নির্বাচন শাসক দল ও নির্বাচন কমিশন—উভয়ের পক্ষেই হয়ে উঠেছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল কমিশনের। সেই বৈঠকও বেশ উত্তপ্ত হয়েছিল বলে খবর। যার জেরে দু’পক্ষের মধ্যেই অবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছে (Violence Less Vote)।তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে ৪৮৩ জন প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিককে  বদলি করা হয়েছে। এটি প্রভাবিত করতে পারে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে। কমিশন অবশ্য এই বদলিকে সমর্থন করে জানিয়েছে, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং হিংসা বা পক্ষপাত এড়ানোর জন্য এটি প্রয়োজনীয়। আরও একটি বড় বিতর্কের বিষয় হল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (EC)। তৃণমূলের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অসমভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে। তৃণমূলের দাবি, পর্যালোচনার জন্য থাকা ৬০ লাখ নামের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখেরই নাম বাদ গিয়েছে। তাই রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা কমে গিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

     

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

  • Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    Assam Election Commission: অসমে বিশেষ সংশোধনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি অসমে বিশেষ সংশোধন (SR) ২০২৬-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই তালিকায় রাজ্যের ১২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রই অন্তর্ভুক্ত। সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে অসমে মোট ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫৮ হাজার ১৩৯ জন ভোটার রয়েছেন।

    চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে (Assam Election Commission)

    নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খসড়া ভোটার তালিকার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৮৫ জন। খসড়া তালিকায় যেখানে মোট ভোটার ছিল ২ কোটি ৫২ লাখ ১ হাজার ৬২৪ জন, সেখানে ঝাড়াই-বাছাই শেষে এই সংখ্যা কমেছে। অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Chief Electoral Officer) জানান, সংশোধন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলির নিষ্পত্তি এবং বিস্তারিত যাচাইয়ের পরই এই চূড়ান্ত পরিসংখ্যান নির্ধারিত হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকার লিঙ্গভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটারদের মধ্যে প্রায় সমতা বজায় রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৩ জন এবং মহিলা ভোটার ১ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৫৮৩ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৩৪৩।

    খসড়া ভোটার তালিকা

    বিশেষ সংশোধন ২০২৬-এর জন্য সমন্বিত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫। তার আগে, ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত অসমজুড়ে ব্যাপক বাড়ি-বাড়ি যাচাই অভিযান (house-to-house verification) চালানো হয়। এই সময় বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই করেন এবং সংশোধন ও সংযোজনের প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, নাগরিকদের ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচন আধিকারিকরা জানান, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে সমস্ত আবেদন সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার সময়সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে। সেখানে ভোটার তালিকার চূড়ান্ত প্রকাশের তারিখ বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ করা হয়েছে। বৃহৎ পরিসরে তথ্য সংগ্রহ এবং ভোটকেন্দ্রগুলির যথাযথ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আবার নাগরিকদের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। কমিশনের মতে, নির্ভুল ও আপডেটেড ভোটার তালিকা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।

     

LinkedIn
Share