Tag: freedom of speech

freedom of speech

  • Madhyom: ‘মাধ্যম’ অফিসে আচমকা হানা মমতার পুলিশের, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ২ সাংবাদিককে!

    Madhyom: ‘মাধ্যম’ অফিসে আচমকা হানা মমতার পুলিশের, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ২ সাংবাদিককে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ মাধ্যমের বাক স্বাধীনতায় (Freedom Of Speech) হস্তক্ষেপ। মঙ্গলবার দুপুরে মমতার পুলিশ আচমকাই হানা দেয় মাধ্যম কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে (Madhyom)। অফিস কর্তৃপক্ষ এবং কর্মীদের দফায় দফায় জেরা চালাতে থাকে। সম্প্রতি কালীপুজোতে কালিন্দীতে একটি অশান্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া ঘটনার প্রতিবেদন মাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়। তার ভিত্তিতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে মাধ্যম অফিসে তল্লাশি অভিযানে চলে আসে। সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে যা যা দেখেছেন, সেটাই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে-এ কথা বারবার বোঝানো হলেও তারা কোনও কথা শুনতে চায়নি। তারা দীর্ঘক্ষণ ধরে অফিসের কম্পিউটারের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করে এবং শেষমেশ অফিসের দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে লেকটাউন থানায় নিয়ে যায়। একইসঙ্গে একটি কম্পিউটার এবং তার যাবতীয় সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। এক কর্মীর মা বাড়িতে একা থাকেন এবং তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, একথা বলা সত্ত্বেও তারা তাতে কান দেয়নি।

    দুপুরে আসে পুলিশ    

    এদিন দুপুরে অফিসের কাজকর্ম অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক গতিতে চলছিল। হঠাৎ পুলিশের আটজনের একটি দল অফিসে (Madhyom) ঢুকে পড়ে। তারা আদালত থেকে সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে এসেছে বলেও দাবি করে। তাদের মূল অভিযোগ, সম্প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এতে নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। উল্লেখ্য, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে এবং বারবার তাঁর ভাষণে হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গা শব্দটি অবলীলায় ব্যবহার করে থাকেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক (Freedom Of Speech) যখন তাদের বারবার বোঝাতে থাকেন, তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। ফিরে এসে যা দেখেছেন সেটাই প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে (Madhyom)। এর মধ্যে সম্প্রীতি নষ্ট করার কোনও প্রবণতা ছিল না। কিন্তু মমতার দলদাস পুলিশ সেসব কথায় কর্ণপাত করেনি। 

    প্রতিহিংসার রাজনীতি

    মমতার পুলিশের আক্রমণের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসার রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব যেমন এই ঘটনার নিন্দা করেছে, তেমনি এই ঘটনার খবর পৌঁছে যায় দিল্লিতেও। সেখান থেকেও একের পর এক তীব্র প্রতিবাদ ভেসে আসতে থাকে। সাংবাদিক মহল থেকেও এই ঘটনার ধিক্কার (Madhyom) জানানো হয়েছে।

    ,

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক স্বাধীনতা নিয়ে ট্রুডো সরকারকে তুলোধনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা কাকে বলে, তা অন্যের থেকে শেখার দরকার নেই। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। ফলে বাক স্বাধীনতার গুরুত্ব আমরা ভালোভাবেই জানি।”  

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    পাঁচদিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সেখানেই শনিবার ফের তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বাস করি। বাক স্বাধীনতা কী, তা আমাদের অন্য কোনও দেশের কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই। আমাদের মনে হয় না বাক স্বাধীনতা কোনও ধরনের হিংসায় উসকানি দিতে পারে না। আমাদের কাছে তা স্বাধীনতার অপব্যবহার, স্বাধীনতা রক্ষা নয়।” সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনসুলেটে বসে বিদেশমন্ত্রী কানাডায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের খালিস্তানি হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমার জায়গায় থাকতেন, তবে কী করতেন? যদি আপনাদের দূতাবাসে, আপনাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হত, তাহলে আপনারা কী করতেন?”

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    বিদেশমন্ত্রীর দাবি

    বিদেশমন্ত্রীর কথায়, “গত ১০ বছরে শিখদের সমস্যা সমাধান করতে নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদের মধ্যে অল্প কয়েকজনই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের কথা বলছে। এটাকে গোটা সম্প্রদায়ের সমস্যা বলে ভাবা ঠিক নয়। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা দেখা উচিত।” উল্লেখ্য, কানাডার সঙ্গে সংঘাতের আবহে গতকাল মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জয়শংকর। এই প্রসঙ্গে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মার্কিনিরা এই সমস্যার দিকে সেভাবে নজর দিচ্ছেন না। আমরা কানাডার দিকে তাকালে সেখানে হিংসা, বিচ্ছিন্নতাবাদ আর সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার মতো ঘটনা দেখতে পাই। আর আমেরিকানরা তাকালে অন্য কিছু দেখতে পান। যদি কেউ বলেন, এটা জি-৭ ভুক্ত দেশে ঘটতে পারে, তবে সেটা অন্য কিছু ভাবার ইঙ্গিত দেয়।” 

    স্কটল্যান্ডে ভারতীয় হাই কমিশনারকে বাধা 

     এবার স্কটল্যান্ডে দেখা গেল খলিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয়তা। তাঁদের নিশানায় ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী। ব্রিটেনের ভারতীয় হাই কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার দুরাইস্বামীকে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়। ভারতীয় হাই কমিশনারকে গুরুদ্বার পরিচালন সমিতির কয়েক জন সদস্য জানিয়ে দেন, তিনি স্বাগত নন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভারতে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs for Justice)-এর সমর্থকেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share