Tag: freedom of speech

freedom of speech

  • Suvendu Adhikari: প্রায় ১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: প্রায় ১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা, পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৯ বছর পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasreen)। শনিবার রবীন্দ্র সদনে মৌলবাদ-বিরোধী এক সাহিত্য অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁকে রাজ্যে আসার সময় পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। তসলিমার কলকাতায় প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে বাংলায় রাজনৈতিক পরিবর্তনের বার্তাও দেন তিনি।

    তসলিমাকে কলকাতায় স্বাগত মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানে তসলিমার উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এবং পুলিশ দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে আপনি যখনই আসবেন, আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়া আমার কর্তব্য। শুধু একবার নয়, আপনি যতবার ইচ্ছা পশ্চিমবঙ্গে আসুন। আপনাকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে।” এর পরেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “এটি এমন এক পশ্চিমবঙ্গ, যা শৃঙ্খল ও ভয় থেকে মুক্ত। সংবিধানের প্রতিটি স্তম্ভ এখানে সুরক্ষিত। এখানে প্রত্যেকের আসার অধিকার রয়েছে এবং প্রত্যেকের নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে।” তসলিমাকে “নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গে” স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, তাঁর উপস্থিতিই প্রমাণ করছে যে রাজ্যে গণতন্ত্র, সাংবিধানিক মূল্যবোধ, বাক্‌স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, “আজ প্রমাণ হয়ে গেল, নতুন সরকারের অধীনে বাংলায় গণতন্ত্র, সংবিধান, বাক্‌স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত (Suvendu Adhikari)।”

    সেই যুগ অতীত

    কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করে অতীতের সঙ্গে বর্তমানের তুলনা টেনে শুভেন্দু বলেন, “হুমকি, ভয় দেখানো এবং মানুষকে চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা—সেই যুগ শেষ হয়েছে।” অনুষ্ঠানে তসলিমার হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি প্রতিকৃতিও তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বছর ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই উদ্যোগ বলে জানান তিনি। ২০০৭ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম কলকাতায় কোনও প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে দেখা গেল তসলিমা নাসরিনকে। তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘দ্বিখণ্ডিত’-এর কিছু অংশ নিয়ে বিতর্কের জেরে সেই সময় কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল। হিংসাত্মক প্রতিবাদের মধ্যে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার বইটি নিষিদ্ধ করে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ দেখিয়ে তসলিমাকে কলকাতার বাইরে সরিয়ে দেয়। পরে রাজ্যও ছেড়ে চলে যান (Suvendu Adhikari) তিনি।

    বিজেপি সরকারের রাজনৈতিক বার্তা

    তসলিমার কলকাতায় প্রত্যাবর্তন তাই নিছক সাহিত্যিক অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ২০০৭ সালে তাঁর কলকাতা ছাড়ার ঘটনা বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত। ধর্মীয় মৌলবাদ এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির সামনে স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার আপস করা হয়েছিল—এই অভিযোগ তুলে বিজেপি অতীতের বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বারবার সরব হয়েছে (Taslima Nasreen)। কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক মঞ্চে তসলিমাকে প্রকাশ্যে আমন্ত্রণ জানিয়ে এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনকে সাংবিধানিক অধিকার ও স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরে বিজেপি সরকারও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চেয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের।

    ধর্মীয় মৌলবাদের প্রকাশ্য সমালোচনা এবং নারীর অধিকারের পক্ষে সরব লেখিকা হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত তসলিমা। লেখালেখির কারণে ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলির হুমকির মুখে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়েন (Suvendu Adhikari) তিনি। এরপর থেকেই নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন লেখিকা (Taslima Nasreen)।

     

  • Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সারকে চুনারিয়া’ (Sarke Chunariya)গানটি নিষিদ্ধ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের বক্তব্য, গানটির (Nora Fatehi) কথা ও দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল জনমানসে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-কে গানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কী জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Nora Fatehi)

    সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গানটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভারতে বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়। সব ধরনের মতপ্রকাশই করতে হবে সংবিধান নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই। গানটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “সংবিধান প্রণেতারা বাক্‌স্বাধীনতার ওপর যে যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন, তা আমাদের মেনে চলা উচিত।”

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না’

    সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এখানে শৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না। একে সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বিষয়গুলির প্রেক্ষিতে, সমাজের সুরক্ষা, শিশুদের সুরক্ষা, নারীদের সুরক্ষা এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন, সরকার তা করতে প্রস্তুত।”

    অশ্লীলতা প্রচারের অভিযোগ

    গানটি রিলিজ হওয়ার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ, গানটিতে অশ্লীলতা প্রচার করা হয়েছে, মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার জেরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে (Nora Fatehi)। এর পরেই গানটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দায়ের করা হয় এফআইআর-ও। গানটি সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অভিযোগও জমা পড়ে, যা নিয়ে সংসদেও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গানটির সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা ও কর্নাটকের মহিলা কমিশন, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রবি কিষান এবং কঙ্গনা রানাউত এবং গায়ক আরমান মালিকও। তাঁরা সবাই গানের কথাকে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করেন। গানটির বিষয়বস্তুও অশালীন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এই অভিযোগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কাছে একটি আইনি আবেদনও (Sarke Chunariya) জমা দেওয়া হয়। তাতে গানটির ওপর দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং অপসারণের দাবিও জানানো হয় (Nora Fatehi)।

  • Supreme Court: “বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করা হচ্ছে,” প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর কার্টুন মামলায় বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: “বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করা হচ্ছে,” প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর কার্টুন মামলায় বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করা হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরএসএস কর্মীদের আপত্তিকর কার্টুন (Cartoons On PM Modi) মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এই যুক্তিতেই নাকচ করে দেওয়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশের কার্টুনিস্ট হেমন্ত মালব্যের আগাম জামিনের আবেদন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী এবং আরএসএস কর্মীদের নিয়ে আপত্তিকর কার্টুন আঁকার অভিযোগ উঠেছিল হেমন্তর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় মানহানির মামলা। অভিযোগ, হিন্দুদের ভাবাবেগেও আঘাত করেছেন তিনি।

    শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন হেমন্ত (Supreme Court)

    মানহানি মামলা দায়ের হওয়ার পরেই আগাম জামিনের জন্য দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন হেমন্ত। আদালত তাঁকে একদিনের জন্যও অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দিতে অস্বীকার করে। হেমন্তর আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার মামলাটি দ্রুত শুনানির জন্য আবেদন করেন। আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন শুনানির সময় বেঞ্চ মৌখিকভাবে মন্তব্য করে, এই ধরনের কার্টুনিস্ট ও স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ানরা বাকস্বাধীনতার নামে সীমা লঙ্ঘন করছেন। এটি দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। শীর্ষ আদালতের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার থাকলেও, সেই অধিকারের অপব্যবহার করলে কাউকে অন্ধভাবে রক্ষা করা যাবে না।

    আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আগেও

    এর আগেও আদালতে খারিজ হয়ে গিয়েছিল হেমন্তর আগাম জামিনের আবেদন। ৩ জুলাই তা খারিজ করে দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। সেখানেও বিচারপতিরা বলেছিলেন, তিনি বাকস্বাধীনতার অপব্যবহার করেছেন এবং কার্টুন প্রকাশে কোনও রকম সংযম দেখাননি। এরপর হেমন্ত সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। সেখানেও প্রাথমিকভাবে মিলল না স্বস্তি। আবেদনপত্রে হেমন্ত উল্লেখ করেন, বিতর্কিত কার্টুনটি ২০২০ সালের কোভিড ১৯ মহামারির সময় প্রকাশিত হয়। তাঁর দাবি, কার্টুনটি মূলত স্যাটায়ারের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামাজিক মন্তব্য (Supreme Court)।

    প্রসঙ্গত, কার্টুনটিতে একটি কাল্পনিক দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যেখানে একজন নাগরিককে একটি টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকাটি দিচ্ছেন এক রাজনৈতিক নেতা। হেমন্তর দাবি, এটি (Cartoons On PM Modi) সামাজিক ব্যঙ্গচিত্রের একটি অংশ, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না (Supreme Court)।

  • Madhyom: ‘মাধ্যম’ অফিসে আচমকা হানা মমতার পুলিশের, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ২ সাংবাদিককে!

    Madhyom: ‘মাধ্যম’ অফিসে আচমকা হানা মমতার পুলিশের, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ২ সাংবাদিককে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ মাধ্যমের বাক স্বাধীনতায় (Freedom Of Speech) হস্তক্ষেপ। মঙ্গলবার দুপুরে মমতার পুলিশ আচমকাই হানা দেয় মাধ্যম কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে (Madhyom)। অফিস কর্তৃপক্ষ এবং কর্মীদের দফায় দফায় জেরা চালাতে থাকে। সম্প্রতি কালীপুজোতে কালিন্দীতে একটি অশান্তিকে কেন্দ্র করে হওয়া ঘটনার প্রতিবেদন মাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হয়। তার ভিত্তিতেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর দায়ের করে মাধ্যম অফিসে তল্লাশি অভিযানে চলে আসে। সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে যা যা দেখেছেন, সেটাই প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে-এ কথা বারবার বোঝানো হলেও তারা কোনও কথা শুনতে চায়নি। তারা দীর্ঘক্ষণ ধরে অফিসের কম্পিউটারের খুঁটিনাটি পরীক্ষা করে এবং শেষমেশ অফিসের দুই সাংবাদিককে গ্রেফতার করে লেকটাউন থানায় নিয়ে যায়। একইসঙ্গে একটি কম্পিউটার এবং তার যাবতীয় সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। এক কর্মীর মা বাড়িতে একা থাকেন এবং তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, একথা বলা সত্ত্বেও তারা তাতে কান দেয়নি।

    দুপুরে আসে পুলিশ    

    এদিন দুপুরে অফিসের কাজকর্ম অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক গতিতে চলছিল। হঠাৎ পুলিশের আটজনের একটি দল অফিসে (Madhyom) ঢুকে পড়ে। তারা আদালত থেকে সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে এসেছে বলেও দাবি করে। তাদের মূল অভিযোগ, সম্প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। এতে নাকি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। উল্লেখ্য, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে এবং বারবার তাঁর ভাষণে হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গা শব্দটি অবলীলায় ব্যবহার করে থাকেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক (Freedom Of Speech) যখন তাদের বারবার বোঝাতে থাকেন, তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। ফিরে এসে যা দেখেছেন সেটাই প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে (Madhyom)। এর মধ্যে সম্প্রীতি নষ্ট করার কোনও প্রবণতা ছিল না। কিন্তু মমতার দলদাস পুলিশ সেসব কথায় কর্ণপাত করেনি। 

    প্রতিহিংসার রাজনীতি

    মমতার পুলিশের আক্রমণের মধ্যে অনেকেই প্রতিহিংসার রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব যেমন এই ঘটনার নিন্দা করেছে, তেমনি এই ঘটনার খবর পৌঁছে যায় দিল্লিতেও। সেখান থেকেও একের পর এক তীব্র প্রতিবাদ ভেসে আসতে থাকে। সাংবাদিক মহল থেকেও এই ঘটনার ধিক্কার (Madhyom) জানানো হয়েছে।

    ,

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক স্বাধীনতা নিয়ে ট্রুডো সরকারকে তুলোধনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা কাকে বলে, তা অন্যের থেকে শেখার দরকার নেই। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। ফলে বাক স্বাধীনতার গুরুত্ব আমরা ভালোভাবেই জানি।”  

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    পাঁচদিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সেখানেই শনিবার ফের তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বাস করি। বাক স্বাধীনতা কী, তা আমাদের অন্য কোনও দেশের কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই। আমাদের মনে হয় না বাক স্বাধীনতা কোনও ধরনের হিংসায় উসকানি দিতে পারে না। আমাদের কাছে তা স্বাধীনতার অপব্যবহার, স্বাধীনতা রক্ষা নয়।” সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনসুলেটে বসে বিদেশমন্ত্রী কানাডায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের খালিস্তানি হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমার জায়গায় থাকতেন, তবে কী করতেন? যদি আপনাদের দূতাবাসে, আপনাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হত, তাহলে আপনারা কী করতেন?”

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    বিদেশমন্ত্রীর দাবি

    বিদেশমন্ত্রীর কথায়, “গত ১০ বছরে শিখদের সমস্যা সমাধান করতে নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদের মধ্যে অল্প কয়েকজনই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের কথা বলছে। এটাকে গোটা সম্প্রদায়ের সমস্যা বলে ভাবা ঠিক নয়। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা দেখা উচিত।” উল্লেখ্য, কানাডার সঙ্গে সংঘাতের আবহে গতকাল মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জয়শংকর। এই প্রসঙ্গে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মার্কিনিরা এই সমস্যার দিকে সেভাবে নজর দিচ্ছেন না। আমরা কানাডার দিকে তাকালে সেখানে হিংসা, বিচ্ছিন্নতাবাদ আর সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার মতো ঘটনা দেখতে পাই। আর আমেরিকানরা তাকালে অন্য কিছু দেখতে পান। যদি কেউ বলেন, এটা জি-৭ ভুক্ত দেশে ঘটতে পারে, তবে সেটা অন্য কিছু ভাবার ইঙ্গিত দেয়।” 

    স্কটল্যান্ডে ভারতীয় হাই কমিশনারকে বাধা 

     এবার স্কটল্যান্ডে দেখা গেল খলিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয়তা। তাঁদের নিশানায় ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী। ব্রিটেনের ভারতীয় হাই কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার দুরাইস্বামীকে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়। ভারতীয় হাই কমিশনারকে গুরুদ্বার পরিচালন সমিতির কয়েক জন সদস্য জানিয়ে দেন, তিনি স্বাগত নন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভারতে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs for Justice)-এর সমর্থকেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share