Tag: friend

friend

  • Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ বছর ধরে সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সন্তান। আর সেই পথের কাঁটা সরাতেই বান্ধবীর সাহায্যে সন্তানকে খুন করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। হুগলির (Hooghly) কোন্নগরে শিশু খুনের তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এসেছে। এরপরই পুলিশ খুন হওয়া শিশুর মা ও তার বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম ইফফাত পারভিন ও শান্তা শর্মা।

    ১৪ বছর ধরে সম্পর্ক! (Hooghly)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভবত ২০১০ সালে আলিপুরে কোনও একটা অনুষ্ঠানে শান্তার সঙ্গে পারভিনের পরিচয় হয়েছিল। শান্তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে। পারভিনের বিয়ে হয় ২০১৮ সালে। ১৪ বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ক ছিল। তবে দিন পনেরো সংসার করেই বাপের বাড়ি চলে আসেন পারভিন। এত বছরে দুই মহিলার বন্ধুত্বে চিড় ধরেনি। বরঞ্চ দু’জন দুজনকে ছাড়া থাকতে পারতেন না। দু’জনের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। পরিবারও জানত, তাঁরা ‘ভালো বন্ধু’। গভীর রাত পর্যন্ত ফোনে গল্প করতেন শান্তা এবং পারভিন। বান্ধবীর ছেলে খুন হওয়ার পরদিনই হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের আদর্শনগরে শান্তার বাড়িতে আসেন পারভিন। সমবেদনা জানান বান্ধবীকে। কিন্তু সবটাই ছিল অভিনয়। প্রথমত খুনের পরদিন অর্থাৎ, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা শান্ত ভাবে পোষ্যকে বিস্কুট খাওয়াতে যান শান্তা শর্মা। যদিও পোষ্য কুকুর সেই বিস্কুট ছোঁয়নি। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি  তদন্তকারীদের। দ্বিতীয়ত এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহজনক ভাবে এক মহিলার ছবি আবিষ্কার করে পুলিশ। পরে ওই মহিলা যে পারভিন, তা প্রমাণিত হয়।

    ফোনের সূত্রে খোঁজ মিলল খুনির

    খুনের প্রথমদিন থেকেই তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, ছোট ওই শিশুটির নৃশংস খুনের পিছনে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িয়ে আছে, যে জানত যে ওই সময় শ্রেয়াং‌শ শর্মা একাই থাকে বাড়িতে। এছাড়া বাড়ির পোষ্যটিও ঘটনার সময় চিৎকার করেনি। ফরেনসিক থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব ধরনের পরীক্ষা চলে অকুস্থলে। শ্রেয়াং‌শকে হত্যা করতে আততায়ী বাইরে থেকে কোনও অস্ত্র আনেনি। বাড়িতে থাকা থান ইট, পিতলের মূর্তি, তরকারি কাটার ছুরি ব্যবহৃত হয়েছিল। পাশাপাশি সন্দেহকারীদের ফোনের কল ডিটেলস হাতে পেতেই তদন্তকারীদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি এই জঘন্য ঘটনার নেপথ্যে কারা? পুলিশি জেরার মুখে ধৃতরা জানিয়েছে, তারা দুই বন্ধু পরস্পরকে ভালোবাসত। পুলিশের দাবি, দুজনের মধ্যে ‘গভীর’ সম্পর্ক ছিল। মা ও মায়ের বান্ধবীর ঘনিষ্ঠতা দেখে ফেলার জন্যই কি খুন? পুলিশের ইঙ্গিত খানিকটা সেদিকেই। প্রথমে শ্রেয়াং‌শর মা শান্তা ওরফে শ্রেয়াকে জেরা করার জন্য তুলে নিয়ে আসা হয় উত্তরপাড়া থানায়। অন্যদিকে পুলিশের অপর একটি টিম খিদিরপুর থেকে তুলে আনে ইফফাত পারভিনকে। দুজনকেই থানায় এনে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি এই ঘটনা নিয়ে উত্তরপাড়া থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন চন্দননগর কমিশনারেটের ডিসি (শ্রীরামপুর) অর্ণব বিশ্বাস। তিনি বলেন, খুনের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা দোষ স্বীকার করেছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: পায়ে হেঁটে লাদাখ জয় করে বাড়ি ফিরলেন আসানসোলের দেবু, বন্ধুকে ঘিরে উচ্ছ্বাস সতীর্থদের

    Ladakh: পায়ে হেঁটে লাদাখ জয় করে বাড়ি ফিরলেন আসানসোলের দেবু, বন্ধুকে ঘিরে উচ্ছ্বাস সতীর্থদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে আসানসোল শহরে এক যুবককে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন তাঁর বন্ধুবান্ধবরা। তাঁকে গলায় মালা পড়িয়ে বাজি ফাটিয়ে স্বাগত জানানো হল। কিন্তু, ওই যুবককে ঘিরে কেন এত আয়োজন। জানা গেল, ওই যুবকের নাম দেবু মুখোপাধ্যায়। তাঁর বাড়ি আসানসোলের মহিশীলা এলাকায়। তিনি পেশায় অটো চালক। পায়ে হেঁটে তিনি লাদাখ (Ladakh) জয় করে দুমাস পর বাড়ি ফিরেছেন। শত প্রতিকুলতা জয় করে তিনি তাঁর লক্ষ্যপূরণ করে ফিরেছেন বলেই তাঁর সতীর্থরা তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে আরও উত্সাহিত করেছেন।

    কেন পায়ে হেঁটে লাদাখ (Ladakh) যাওয়ার পরিকল্পনা?

    কয়েকমাস আগে দেবুর এক বন্ধু গাড়ি করে লাদাখ (Ladakh) গিয়েছিলেন। কিন্তু, কোনও কারণে তিনি সেবার যেতে পারেননি। এরপর তিনি সাইকেল নিয়ে লাদাখ যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সাইকেল কেনার অর্থ জোগাড় করতে না পেরে তিনি পায়ে হেঁটে লাদাখ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।  ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি আসানসোল থেকে লাদাখের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। ২৪০০ কিলোমিটার পথ তিনি পায়ে হেঁটে যান। মূলত, গাছ লাগান, প্রাণ বাঁচান এই বার্তাকে নিয়ে তিনি পায়ে হেঁটে আসানসোল থেকে লাদাখ (Ladakh) গিয়েছিলেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে তাঁর এই উদ্যোগ। তাঁর এই মহৎ উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন আসানসোল তথা রাজ্যবাসী।

    নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন লাদাখজয়ী (Ladakh)  যুবক?

    অটো চালক দেবু মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রায় দু মাস ধরে আমার যাত্রাপথে বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রচুর মানুষকে পাশে পেয়েছি। তবে, পায়ে হেঁটে এতটা পথ পাড়ি দেওয়ার জার্নি খুব সহজ ছিল না। অনেকদিন না খেয়ে থাকতে হয়েছে। পায়ে ফসকা পড়ে গিয়েছে। পাশে পেয়েছি। বন্ধুদের। তাঁরা খবর পেয়ে আসানসোল থেকে আমার কাছে গিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরা সকলেই আমাদের পাশে ছিলেন। আর রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন মানুষও সাহায্য করেছেন। ফলে, এত কষ্টের পরও এই ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। আমার ইউব টিউব চ্যানেলে আমার সমস্ত জার্নি আপলোড করেছি। সকলে চাইলে আমার যাত্রাপথ কতটা কষ্টকর ছিল তা বুঝতে পারবেন।

    লাদাখজয়ী (Ladakh) বন্ধুকে নিয়ে কী বললেন সতীর্থরা?

    কৃষ্ণা দাস নামে এক বন্ধু বলেন, গত অক্টোবর মাসে আমি লাদাখ গিয়েছিলাম। ও যেতে পারেনি। সেই লাদাখ (Ladakh) ও পায়ে হেঁটে জয় করবে তা ভাবতে পারিনি। মনের জোর থাকলে যে সবকিছু করা সম্ভব তা দেবুকে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে। আমরা এই বন্ধুর জন্য গর্বিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    Juice Shop: “জবলেশ জুসওয়ালা”-ভাইরাল নেট দুনিয়ায়! জানেন কী শরবতের এই দোকান গড়ে ওঠার কাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ মনের মধ্যে অদম্য জেদ আর নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক থাকলে কোনও বাধা চলার পথকে থামিয়ে রাখতে পারে না। আর সে কথা প্রমাণ করেছেন বর্ধমান শহরের দুই যুবক অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার। তাঁরা দুজনে মিলেই বর্ধমান পুলিশ লাইনের কাছে ঘোড়দৌড়চট্টিতে রাস্তার ধারে খুলে ফেললেন একটি শরবতের দোকান (Juice Shop)। আর দোকানের নাম রাখলেন “জবলেশ জুসওয়ালা”। এম বি এ চায়েওয়ালার মতো তাঁদের দোকানের নামের জাদুতেই নজর কাড়বে সকলের। অল্প সময়ের মধ্যেই দুই বন্ধুর অক্লান্ত পরিশ্রমে বর্ধমান শহরে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই দোকান (Juice Shop)। গরম পড়তেই শরবতের চাহিদা এখন তুঙ্গে। রাজ্যে চাকরির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে সাধারণ যুবকরা অসহায়, সেখানে এধরনের উদ্যোগে প্রশংসায় মেতেছেন শহরবাসী থেকে নেট জগত্। শহর জুড়ে ভাইরাল হয়েছে তাঁদের এই শরবতের দোকান (Juice Shop)। তাঁদের দুজনের এই সাহসিকতাকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন সকলে।

    “জবলেশ জুসওয়ালা”- দোকানের নামকরণ এরকম কেন ? Juice Shop

    প্রায় ১৪ বছর ধরে দু’জনেই বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেছেন। কিন্তু, মাসখানেক আগে তাঁদের সংস্থা ছাঁটাই শুরু করে। চাকরি যায় দুজনের। সদ্য বেসরকারি সংস্থায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মী অভিজিৎ গুহ এবং তাঁর বন্ধু অপু সরকার নতুন করে আর বেসরকারি সংস্থায় চাকরি খোঁজ করেননি। কারণ, সারা মাস হাড় ভাঙা পরিশ্রম করার পর যা বেতন পেতেন তাতেও মাসের শেষে টানাটানি চলত। তবুও, দাঁতে দাঁত চেপে তাঁরা মুখ বুঝে সংস্থায় কাজ করে গিয়েছেন। সংস্থার শ্রীবৃদ্ধির জন্য তাঁরা চেষ্টা করেছেন। বিনিময়ে আচমকা বরখাস্ত হওয়ার জ্বালা তাঁরা মেনে নিতে পারেননি। দুই বন্ধু অভিজিৎ গুহ এবং অপু সরকার বলেন, গত ১৪ বছর ধরে বেসরকারি সংস্থার জন্য শ্রম দিয়েছি। এবার ব্যবসা করে নিজেদের জন্য শ্রম দেব। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের পরিশ্রম বিফলে যাবে না। আর চাকরি হারিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি বলেই তালমিলিয়ে দোকানের (Juice Shop) নামকরণ করেছি। আগামিদিনে এই দোকানকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    শরবতের দোকানে কী কী পাওয়া যায়? Juice Shop

    নতুন তৈরি এই শরবতের দোকানে (Juice Shop) গেলেই মিলবে, মোজিতো, মশালা সোডা, মশালা কোল্ড ড্রিঙ্কস, ম্যাঙ্গো জুস সহ নিত্যনতুন জুসের আইটেম। দামও রয়েছে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে। এক ঝলকে জেনে নিন, শরবতের বিভিন্ন আইটেমের দাম কত? যেমন, মোজিতো জুসের দাম ৪০ টাকা, ম্যাঙ্গো জুস ও মশালা সোডা ৩০ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে। সপ্তাহের প্রতিদিনই দোকান খোলা থাকে। সকাল ৯ টা থেকে রাত্রি ৯ টা পর্যন্ত দুই বন্ধু হাতে হাত মিলিয়ে শরবতের দোকান (Juice Shop) এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share